পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩: বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, আবু জাফর শামসুদ্দীন, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, বেগম রোকেয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২. অন্যান্য লেখকগণ: অতুলপ্রসাদ সেন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, আনিসুজ্জামান, আব্দুল কাদির, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল্লাহ আল মুতী, আব্দুল হাই, আবু ইসহাক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল ফজল, আবুল মনসুর আহমেদ, আবুল হাসান, আবুল হুসেন, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, ইবরাহীম খাঁ, এস ওয়াজেদ আলি, কাজী আব্দুল ওদুদ, কাজী ইমদাদুল হক। এবং বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: [শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।] ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: [শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে)]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৬ প্রশ্ন

.
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে গীতি কবিতার প্রবর্তক কে?
  1. ক) অক্ষয়কুমার বড়াল
  2. খ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
খ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৮৩৫ সালের ২১ মে কলকাতায়  জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি পারিবারিক পদবি ছিল ‘চট্টোপাধ্যায়’।
 
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যে গীতি কবিতার প্রবর্তক বিহারীলাল চক্রবর্তী
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।
- কারণ বিহারীলালই প্রথম বাংলায় ব্যক্তির আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করে বাংলা কবিতাকে নতুন এক প্রেরণা দান করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রথম।
- এইজন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল কাব্যচর্চার পাশাপাশি পত্রিকা সম্পাদনার কাজও করেছেন।
- তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা: পূর্ণিমা, সাহিত্য-সংক্রান্তি, অবোধবন্ধু প্রভৃতি।
- এসব পত্রিকায় অন্যদের রচনার পাশাপাশি তাঁর নিজের রচনাও প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া  ভারতী,  সোমপ্রকাশ, কল্পনা  প্রভৃতি পত্রিকায়ও তাঁর রচনা প্রকাশিত হয়েছে।
- বিহারীলাল ১৮৯৪ সালের ২৪ মে মৃত্যুবরণ করেন।

• বিহারীলাল চক্রবর্তী কাব্যগ্রন্থ গুলো:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক,
- বন্ধুবিয়োগ, 
- প্রেমপ্রবাহিণী, 
- নিসর্গসন্দর্শন, 
- বঙ্গসুন্দরী, 
- সারদামঙ্গল, 
- নিসর্গসঙ্গীত, 
- মায়াদেবী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া। 
.
ওঙ্কার উপন্যাসটির রচয়িতা -
  1. ক) আহমদ ছফা
  2. খ) বিষ্ণু দে
  3. গ) জহির রায়হান
  4. ঘ) হুমায়ুন আজাদ
সঠিক উত্তর:
ক) আহমদ ছফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
• ওঙ্কার:
- ওঙ্কার উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা হয়েছে।
- আহমদ ছফা রচিত ওঙ্কার উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে। 
- আহমদ ছফা রচিত এই উপন্যাসের নায়ক, আবু নসরের বোবা মেয়েকে বিয়ে করে।
- আবু নসরের সঙ্গে আইয়ুব খানের সম্পর্ক থাকায় সে এক ধরনের ক্ষমতা লাভ করে।
- আর এই ঘটনার সূত্র ধরে উপন্যাসটির কাহিনী গতি লাভ করেছে।
- ওঙ্কার উপন্যাস অবলম্বনে 'বাঙলা' চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। 
-------------------
• আহমদ ছফা:
- আহমদ ছফা প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন  চট্টগ্রাম জেলার  চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। 
- ষাটের দশকে তাঁর সাহিত্য-জীবনের সূচনা হয়।
- সৃষ্টিধর্মী লেখক হিসেবে তিনি গল্প,  উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, সমালোচনা, অনুবাদ,  শিশুসাহিত্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব দেখান।
- ছফার চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর দুটি উল্লেখযোগ্য রচনা বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস ও বাঙালি মুসলমানের মন-এ।
- তাঁর মৃত্যু হয় ২০০১ সালের ২৮ জুলাই।

• আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- সূর্য তুমি সাথী,
- ওঙ্কার,
- মরণ বিলাস,
- গাভি বিত্তান্ত,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- পুষ্পবৃক্ষ ও বিহঙ্গপুরাণ,
- একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'পথে প্রবাসে' ভ্রমণ কাহিনীর রচয়িতা কে?
  1. ক) এস ওয়াজেদ আলী
  2. খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. গ) সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তর:
খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা
• অন্নদাশঙ্কর রায়: 
- অন্নদাশঙ্কর রায় একজন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, চিন্তাবিদ। 
- তিনি উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
-  অন্নদাশঙ্কর রায় 'লীলাময় রায়' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন। 

• অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস:
- অসমাপিকা,
- আগুন নিয়ে খেলা,
- পুতুল নিয়ে খেলা,
- সত্যাসত্য ইত্যাদি। 

 • উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনী:
- পথে প্রবাসে, 
- ইউরোপের চিঠি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন উপন্যাসটি আবু ইসহাকের গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস?
  1. ক) পদ্মার পলিদ্বীপ
  2. খ) জাল
  3. গ) ওয়ারিশ
  4. ঘ) ময়ূরীর মুখ
সঠিক উত্তর:
খ) জাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাল
ব্যাখ্যা
• আবু ইসহাক: 
- আবু ইসহাক কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা।
- জন্ম শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে, ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর। 
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- পরে কলিকাতার সওগাত, আজাদ প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর বিভিন্ন রচনা প্রকাশিত হয়। 
- আবু ইসহাকের দ্বিতীয় উপন্যাস পদ্মার পলিদ্বীপ (১৯৮৬); এ উপন্যাসে পদ্মার বুকে জেগে-ওঠা চরের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-সংগ্রামের কথা আছে।
- তাঁর তৃতীয় উপন্যাস জাল। এটি গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস।
- সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য আবু ইসহাক ‘বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৬৩), ‘সুন্দরবন সাহিত্য পদক’ (১৯৮১), ‘বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক’ (১৯৯০),  ‘একুশে পদক’ (১৯৯৭), ‘স্বাধীনতা পদক’ এবং ‘শিশু একাডেমী পদক’ (মরণোত্তর, ২০০৬) লাভ করেন।
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

• আবু ইসহাক রচিত অন্যান্য উপন্যাস: 
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল।  

• তাঁর গল্পগ্রন্থ:
- হারেম, 
- মহাপতঙ্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘দিলরুবা’ ও ‘উত্তর বসন্ত’ কবিতাগুলোর রচয়িতা কে?
  1. ক) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. খ) আবদুল কাদির
  3. গ) আবুল হোসেন
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল কাদির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল কাদির
ব্যাখ্যা
• আবদুল কাদির: 
- আবদুল কাদির (১৯০৬-১৯৮৪) ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, ছন্দসিক, সম্পাদক।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের (১৯২৬) মাধ্যমে ঢাকায় যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন সংঘটিত হয়, আবদুল কাদির ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা।
- সংগঠনের মুখপত্র বার্ষিক শিখা (১৯২৭) পত্রিকার তিনি প্রকাশক ও লেখক ছিলেন।

• তাঁর অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- বাংলা কাব্যের ইতিহাস: মুসলিম সাধনার ধারা, 
- কবি নজরুল, 
 - কাজী আব্দুল ওদুদ। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- দিলরুবা ও
- উত্তর বসন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'এখনও ক্রীতদাস' নাটকের রচয়িতা কে?
  1. ক) আনিস চৌধুরী
  2. খ) সেলিম আদ দীন
  3. গ) আসকার ইবনে শাইখ
  4. ঘ) আবদুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
• 'এখনও ক্রীতদাস': 
- আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী কাহিনি নিয়ে রচিত নাটক 'এখনও ক্রীতদাস।'
- এই নাটকে ঢাকা শহরে 'গলাচিপা বস্তির যুদ্ধাহত পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা বাক্কা মিয়াঁর পরিবারের মধ্য দিয়ে
প্রকাশ পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের নিম্নবর্গের মানুষের অসহায় জীবন যাপনের ইতিবৃত্ত। 
- পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় নারীদের উপর নির্যাতনের চিহ্নও তলে ধরা হয়েছে। 
----------------------
• আবদুল্লাহ আল মামুন:
- আবদুল্লাহ আল মামুন একজন নাট্যকার ও নাট্যাভিনেতা হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর একক চরিত্র নির্ভর নাটক হলো 'কোকিলারা'।
- ‘শপথ’ (১৯৬৪) তাঁর প্রকাশিত প্রথম নাটক।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- শপথ (প্রথম প্রকাশিত),
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- এবার ধরা দাও,
- শাহজাদীর কাল নেকাব,
- চারদিকে যুদ্ধ,
- এখনো ক্রীতদাস,
- কোকিলারা,
- মেরাজ ফকিরের মা ইত্যাদি।

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
অমিয় চক্রবর্তীর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) কবিতাবলী
  2. খ) এক মুঠো
  3. গ) মাটির দেয়াল
  4. ঘ) অমরাবতী
সঠিক উত্তর:
ক) কবিতাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কবিতাবলী
ব্যাখ্যা
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে জন্ম জন্মগ্রহণ করেন।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।

• অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ:
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতাবলী’।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫৷

• তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- পারাপার,
- পালাবদল,
- ঘরে ফেরার দিন,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী,
- অনিঃশেষ,
- নতুন কবিতা ইত্যাদি।

• কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
- উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার।
- বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কর্তৃক রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. ক) সাত নরীর হার
  2. খ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
  3. গ) এখনও সময় আছে
  4. ঘ) কখনো রং কখনো সুর
সঠিক উত্তর:
গ) এখনও সময় আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এখনও সময় আছে
ব্যাখ্যা
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কবি, সরকারি কর্মকর্তা।
- ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ২০০১ সালের ১৯ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো : 
- সাত নরীর হার,  
- কখনো রং কখনো সুর,  
- কমলের চোখ,  
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি,  
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,  
- প্রেমের কবিতা, 
- নির্বাচিত কবিতা,  
- আমার সকল কথা,  
- মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।

- বিঃদ্রঃ আবুল হেসেন রচিত কাব্যগ্রন্থ: 'এখনও সময় আছে'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড সৌমিত্র শেখর) ও বাংলাপিডিয়া।
.
'বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' এর সম্পাদক কে?
  1. ক) জামিল চৌধুরী
  2. খ) সেলিনা হোসেন
  3. গ) আহমদ শরীফ
  4. ঘ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
সঠিক উত্তর:
গ) আহমদ শরীফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
 • আহমদ শরীফ:
- আহমদ শরীফ একজন শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, লেখক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গবেষক।
- তিনি ১৯২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলায় পটিয়া উপজেলায় সুচক্রদণ্ডী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান এর সম্পাদক আহমদ শরীফ।

• আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- বিশ শতকের বাঙালি,(১৯৯৮)
- বিচিত্র চিন্তা,(১৯৮৬)
- ষ্বদেশ অন্বেষা,(১৯৭০)
- স্বদেশ চিন্তা,(১৯৯৭)
- সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা(১৯৬৯) ইত্যাদি।

• অন্যদিকে: 
- বাংলা একাডেমি বাংলা বানান অভিধানের সম্পাদক হলেন জামিল চৌধুরী।
- বাংলা একাডেমি বাংলা সাহিত্যকোষের সম্পাদক সেলিনা হোসেন ও নুরুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধানের সম্পাদক হলে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ও অন্যান্য।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটি তাঁর কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মানচিত্র
  2. খ) জেগে আছি
  3. গ) ক্ষুধা ও আশা
  4. ঘ) অন্ধকার সিঁড়ি
সঠিক উত্তর:
ক) মানচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মানচিত্র
ব্যাখ্যা
• আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- আলাউদ্দিন আল আজাদ একজন  শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
- তিনি  ১৯৩২ সালের  ৬ মে , নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, 
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন, 
- কর্ণফুলী, 
- ক্ষুধা ও আশা, 
- খসড়া কাগজ, 
- স্বপ্নশিলা, 
- বিশৃঙ্খলা।  

• কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র, 
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ, 

• গল্পগ্রন্থ:
- জেগে আছি, 
- মৃগনাভি, 
- ধানকন্যা, 
- যখন সৈকত, 
- অন্ধকার সিঁড়ি, 
- জীবনজামিন,  
- আমার রক্ত স্বপ্ন আমার। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া। 
১১.
'চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. গ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
  4. ঘ) আবু জাফর শামসুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• আবদুল গাফফার চৌধুরী:
- একজন সুপরিচিত বাংলাদেশী গ্রন্থকার, কলাম লেখক।
- তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' এর রচয়িতা।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারে মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা 'সাপ্তাহিক জয় বাংলা'র প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
- বাংলাদেশী গ্রন্থকার, কলাম লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরীর জন্ম ১২ ডিসেম্বর, ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে ।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'ডানপিটা শওকত'।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'কৃষ্ণপক্ষ'। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস গ্রন্থের নাম 'চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান।'  

• তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: 
- পলাশী থেকে ধানমণ্ডি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী ভিত্তিক একটি চলচ্চিত্রের কাহিনী)।
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান,
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা,
- শেষ রজনীর চাঁদ,
- কৃষ্ণপক্ষ,
- সম্রাটের ছবি,
- সুন্দর হে সুন্দর,
- ডানপিটে শওকত,
- বাংলাদেশ কথা কয়,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া। 
১২.
'আবদুল্লাহ' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) কাজী ইমদাদুল হক
  2. খ) মোহাম্মদ নজীবর রহমান
  3. গ) কাজী আবদুল ওদুদ
  4. ঘ) শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর:
ক) কাজী ইমদাদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
• আবদুল্লাহ: 
- 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসটির রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক।
- এটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হতো। 
- রচনাকালীন সময়ে তার মৃত্যু হলে কাজী আনোয়ারুল কাদির ইমদাদুল হকের খসড়া অবলম্বন করে অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করেন।
- কাহিনির নায়কের নামে গ্রন্থের নামকরণ করা হয়েছে।  
--------------------
• কাজী ইমদাদুল হক: 
- কাজী ইমদাদুল হক শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- ১৮৮২ সালের ৪ নভেম্বর  খুলনা জেলার গোদাইপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ১৯২০ সালের মে মাসে ইমদাদুল হকের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় শিক্ষাবিষয়ক মাসিক পত্রিকা শিক্ষক। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
- আঁখিজল,
- মোসলেম জগতে বিজ্ঞান চর্চা,
- ভূগোল শিক্ষা প্রণালী (দু ভাগ, ১৯১৩, ১৯১৬),
- নবীকাহিনী,
- প্রবন্ধমালা,
- কামারের কান্ড ও
- আবদুল্লাহ।

- আবদুল্লাহ উপন্যাসের লেখক হিসেবেই তাঁর সমধিক পরিচিতি।

- বাঙালি মুসলমান সমাজের কল্যাণসাধন ছিল ইমদাদুল হকের সাহিত্য সাধনার মূল লক্ষ্য।
- তিনি  বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা (১৯১৮) প্রকাশনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।
- অত্যন্ত যোগ্যতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব পালন করায় সরকার তাঁকে ১৯১৯ সালে ‘খান সাহেব’ এবং ১৯২৬ সালে ‘খান বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৯২৬ সালের ২০ মার্চ কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৩.
আবুল মনসুর আহমদের 'আসমানী পর্দা' কোন ধরনের রচনা?
  1. ক) প্রবন্ধ
  2. খ) গল্পগ্রন্থ
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) কাব্যগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
খ) গল্পগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• আবুল মনসুর আহমদ:
আবুল মনসুর আহমদ সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। 
- আবুল মনসুর আহমদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রুপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

• আবুল মনসুর আহমেদ রচিত গল্পগ্রন্থ:
- ফুড কনফারেন্স, 
- আয়না,
- আসমানী পর্দা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সত্য মিথ্যা,
- জীবনক্ষুধা,
- আবে হায়াত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া
১৪.
বাংলা গানে সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) অতুলপ্রসাদ সেন
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
খ) অতুলপ্রসাদ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
• অতুলপ্রসাদ সেন: 
- অতুলপ্রসাদ সেন ছিলেন একজন কবি, গীতিকার, গায়ক।
- তিনি ১৮৭১ সালে ঢাকায়  জন্মগ্রহণ করেন। 
- অতুল প্রসাদ সেন সুরকার ও গীতিকার হিসাবে সঙ্গীত ভুবনে অনন্য স্থান দখল করে আছেন।
- তাঁর অপূর্ব সৃষ্টি, ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’
- তাঁর রচিত গানের সংখ্যা প্রায় ২০০টি।
- তিনি বাংলা গানে সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন।
 -তাঁর লেখা গানের সংকলন - 'কয়েকটি গান ও গীতিপুঞ্জ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
‘ভবিষ্যতের বাঙালী’ লিখেছেন কে?
  1. ক) নীরদচন্দ্র চৌধুরী
  2. খ) শেখ ওয়াজেদ আলি
  3. গ) বদরুদ্দীন ওমর
  4. ঘ) আহমদ শরীফ
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ ওয়াজেদ আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ ওয়াজেদ আলি
ব্যাখ্যা
• শেখ ওয়াজেদ আলি:
- শেখ ওয়াজেদ আলি প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা।
-  ১৮৯০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার  শণ্ঠীরামপুর মহকুমার বড় তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি এস ওয়াজেদ আলি নামে সমধিক পরিচিত।
- এস ওয়াজেদ আলির প্রথম প্রবন্ধ ’অতীতের বোঝা’ ১৯১৯ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এস ওয়াজেদ আলী ১৯১৯ সালে Bulletin of the Indian Rationalistic Society নামে একটি ইংরেজি জার্নাল এবং
- ১৯৩২ সালে গুলিস্তাঁ নামে একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।
- ১৯২৫ সালে তাঁর ছোটোগল্প ’রাজা’ ইসলাম দর্শন এ প্রকাশিত হয়।

- তিনি পরপর দুবার (১৯২৫ ও ১৯২৬) বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯২৭ সালে তিনি উক্ত সমিতির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- এবং একই বছর তাঁর ছোটোগল্পগ্রন্থ গুলদস্তা প্রকাশিত হয়।
- ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিনি কলকাতা এলবার্ট হলে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সংবর্ধনা প্রদান উপলক্ষে গঠিত সংবর্ধনা কমিটির সভাপতি হিসেবে অভিনন্দন পত্র পাঠ করেন।
- একই বছর তিনি ‘আসাম মুসলিম ছাত্র সমিতি’-র বার্ষিক সম্মেলনেও সভাপতিত্ব করেন। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- প্রবন্ধ জীবনের শিল্প,
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য,
- ভবিষ্যতের বাঙালী,
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা,
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ;

• গল্প:
- গুলদাস্তা,
- মাশুকের দরবার,
- বাদশাহী গল্প,
- গল্পের মজলিশ;

 • উপন্যাস:
- গ্রানাডার শেষ বীর;

 • ভ্রমণকাহিনী:
- পশ্চিম ভারত,
- মোটর যোগে রাঁচী সফর প্রভৃতি। 

⇒ বিঃদ্রঃ নীরদচন্দ্র চৌধুরী রচিত গ্রন্থ- ‘আত্মঘাতী বাঙালী’। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬.
পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।

কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম :
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাসের, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

• অন্যদিকে:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার কাঞ্চনপল্লী বা কাঁচড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- অন্নদাশঙ্কর রায় ওড়িশার দেশীয় রাজ্য ঢেঙ্কানালের এক শাক্ত পরিবারে অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শ্রীরামপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
‘কঙ্কাবতী’ বুদ্ধদেব বসুর রচিত -
  1. ক) কাব্যগ্রন্থ
  2. খ) গল্প
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) নাটক
সঠিক উত্তর:
ক) কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• কঙ্কাবতী:
- ‘কঙ্কাবতী’ বুদ্ধদেব বসুর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের কবিতাগুলির রচনাকাল ১৯২৯-৩৪ এবং প্রধান বিষয় প্রেম।
- সংগীতময় ভাষা এবং উচ্চারণের সংক্ষেপের জন্য কাব্যগ্রন্থটি সমকালে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। 
------------
• বুদ্ধদেব বসু:
-  বুদ্ধদেব বসু একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপান্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসুর গল্প:
- ‘অভিনয়, অভিনয় নয়’,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেবের উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কাকে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  4. ঘ) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
সঠিক উত্তর:
খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত: 
- উনিশ শতকের প্রথম থেকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূত্রপাত।
⇒ এই যুগের প্রথম কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত।
- বাংলা সাহিত্যের মধ্য ও আধুনিক যুগের সন্ধিস্থলে দাঁড়িয়ে তিনি সব্যসাচীর মত দু হাতে দু দিকের নির্দেশ দিয়েছেন।
- মধ্যযুগের অবসানের পর এবং আধুনিক যুগের যথার্থ সূত্রপাতের পূর্বে কবি ঈশ্বর গুপ্ত কাব্য সাধনায় খ্যাতিলাভ করেন।
- মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি রায়গুণাকর ভারতচন্দ্রের মৃত্যু ঘটে ১৭৬০ সালে, আবার আধুনিক যুগ স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সহকারে প্রকাশ পায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যসৃষ্টির মাধ্যমে মোটামুটি ১৮৬০ সাল থেকে।
- এই দুই যুগের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলা কাব্যের ক্ষেত্রে তেমন কোন উৎকর্ষপূর্ণ সৃষ্টি বা সৃষ্টিসম্ভারের বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্য পরিলক্ষিত হয় না।
- তখন বাংলা গদ্যরীতির উদ্ভবের কাল; সাহিত্যের যথার্থ বাহনের উপযোগিতা বাংলা গদ্য তখনও অর্জন করতে পারে নি।
- তাই যুগসন্ধির বৈশিষ্ট্য এই সময়ের সামগ্রিক বাংলা সাহিত্যেই বিরাজমান ছিল।
- এই সময়েই ঈশ্বর গুপ্তের কবিপ্রতিভার বিকাশ ।
---------------------------------
- কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৫৯ সালে মৃত্যুমুখে পতিত হন।
- কলকাতায় তাঁর জীবন অতিবাহিত হয়েছে, কিন্তু ইংরেজি শিক্ষাগ্রহণ থেকে তিনি বিরত ছিলেন।
- তাঁর সাহিত্যসাধনার সূত্রপাত হয় ১৮৩১ সাল থেকে 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে।
- তিনি ছিলেন পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রধান লেখক।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মাহবুল আলম। 
১৯.
‘মৃতের আত্মহত্যা’ গল্পগ্রন্থটি রচনা করেন-
  1. ক) আবুল মনসুর আহমদ
  2. খ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  3. গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঘ) আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
• আবুল ফজল:
- শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, কথাসাহিত্যিক ফজল, আবুল  ১৯০৩ সালের ১ জুলাই  চট্টগ্রাম জেলার  সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্গত কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- আবুল ফজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ঢাকার  মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে তিনি এর সম্পাদক হন।
- আবুল ফজল  উপন্যাস,  ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম, ভ্রমণকাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন।

তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
• উপন্যাস: 
- ‘চৌচির' (১৯৩৪),
- ‘প্রদীপপতঙ্গ' (১৩৪৭),
- 'রাঙ্গা প্রভাত' (১৩৬৪);

 • গল্পগ্রন্থ :
- ‘মাটির পৃথিবী' (১৩৪৭),
- ‘মৃতের আত্মহত্যা’ (১৯৭৮);

• নাটক :
- ‘কায়েদে আজম’ (১৯৪৬),
- ‘প্রগতি’ (১৯৬৬);
- (১৯৬৬);

• প্রবন্ধ :
- ‘বিচিত্র কথা' (১৩৪৭).
- ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতি সাধনা' (১৯৬১),
- 'সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন (১৯৬৫),
- ‘শেখ মুজিব : তাঁকে যেমন দেখেছি' (১৯৭৮),
- ‘রবীন্দ্র প্রসঙ্গ' (১৯৭৯)।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া, ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২০.
কোনটি আবু জাফর শামসুদ্দীনের উপন্যাস নয়?
  1. ক) ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
  2. খ) পদ্মার পলিদ্বীপ
  3. গ) পদ্মা মেঘনা যমুনা
  4. ঘ) সংকর সংকীর্তন
সঠিক উত্তর:
খ) পদ্মার পলিদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পদ্মার পলিদ্বীপ
ব্যাখ্যা
• আবু জাফর শামসুদ্দীন: 
- ১৯১১ সালের ১২ মার্চ  ঢাকা জেলার গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে তাঁর জন্ম।
- দৈনিক  সোলতান পত্রিকায় সাবএডিটর হিসেবে আবু জাফরের কর্মজীবন শুরু হয়।
- মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে দৈনিক সংবাদে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শীর্ষক সাপ্তাহিক কলাম লিখে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
- এর আগে তিনি ১৯৬১ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমীতে সহকারী অনুবাদকের পদে নিযুক্ত ছিলেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
- উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে আবু জাফরের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস পরিত্যক্ত স্বামী প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হলো-
- উপন্যাস:
ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান, 
→ পদ্মা মেঘনা যমুনা, 
→ সংকর সংকীর্তন, 
→ দেয়াল। 

⇒ বিঃদ্রঃ 'পদ্মার পলিদ্বীপ 'আবু ইসহাক রচিত উপন্যাস। 

- গল্পগ্রন্থ:
→ জীবন, 
→ রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা, 
→ ল্যাংড়ী। 

- প্রবন্ধ:
→ চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানী সাহিত্য, 
→ Sociology of Bengal Politics, 
→ সোচ্চার উচ্চারণ।

এ ছাড়া তিনি বেশ কয়েকটি জীবনী, আত্মজীবনী, নাটক, ভ্রমণকাহিনী এবং স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ রচনা করেন।
- শিল্পীর সাধনা (১৯৬৭) ও পার্ল বাকের সেরা গল্প (১৯৬৮) তাঁর দুটি অনুবাদগ্রন্থ।

- সমাজ ও সাহিত্যক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবু জাফর বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮), সমকাল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৯), একুশে পদক (১৯৮৩), শহীদ নূতনচন্দ্র সিংহ স্মৃতিপদক (১৯৮৬), মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬) এবং মৃত্যুর পর ফিলিপস পুরস্কার (১৯৮৮) লাভ করেন।
- ১৯৮৮ সালের ২৪ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২১.
'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পের লেখক কে?
  1. ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. খ) শওকত ওসমান
  3. গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
-  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কথাসাহিত্যিক।
- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের সময় বিচিত্রা পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’ প্রকাশিত হয়। 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাস:
→ জননী,
→ দিবারাত্রির কাব্য,
→ পদ্মানদীর মাঝি,
→ পুতুলনাচের ইতিকথা,
→ শহরতলী,
→ চিহ্ন,
→ চতুষ্কোণ,
→ সার্বজনীন,
→ আরোগ্য প্রভৃতি;

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ছোটগল্প:
→ অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
→ প্রাগৈতিহাসিক,
→ সরীসৃপ,
→ সমুদ্রের স্বাদ,
→ হলুদ পোড়া,
→ আজ কাল পরশুর গল্প,
→ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প,
→ ফেরিওয়ালা ইত্যাদি।

• পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা  উপন্যাস দুটি তাঁর বিখ্যাত রচনা।
• এ দুটির মাধ্যমেই তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
• পদ্মানদীর মাঝি চলচ্চিত্রায়ণ হয়েছে।
• ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২২.
নিচের কোনটির অভাব পূরণে ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) জিংক
  3. গ) পটাশিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সারের কাজ:

- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%।
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে।
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে।
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
২৩.
ধান চাষের জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা নিচের কোনটি?
  1. ক) ১৭°-২৫° সেলসিয়াস
  2. খ) ১৮°-২৭° সেলসিয়াস
  3. গ) ১৯°-২৬° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ২২°-৩৩° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮°-২৭° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮°-২৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:

- ধান চাষে জলবায়ু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- ধান চাষের জন্য সাধারণত বার্ষিক ১০০- ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন হয়।
- যেসব স্থানে বার্ষিক ১৭৫-২২৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয় সেখানে ধান অধিক উৎপাদন হয়।
- ১০০ সেন্টিমিটার এর কম বৃষ্টিপাত হলে সেচের প্রয়োজন হয়।
- ধান চাষের জন্য ১৮°-২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়।
- ধান বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য ১৬° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা এবং চারা বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২২°-২৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকা আবশ্যক।
- ধান পাকার সময় উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
নিচের কোনটি লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত নয়?
  1. ক) ব্রি ধান ৬৭
  2. খ) ব্রি ধান ৬৯
  3. গ) বিনা ধান ১০
  4. ঘ) ব্রি ধান ৫২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি ধান ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি ধান ৫২
ব্যাখ্যা
লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৬৭।
- ব্রি ধান ৬.৯।
- বিনা ধান ১০।

অন্যদিকে,
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত ব্রি ধান ৫২।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত ব্রি ধান ৫৫।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত ব্রি ধান ৬২।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২৫.
নিচের কোনটি গম রোপনের সময়?
  1. ক) অক্টোবর - নভেম্বর
  2. খ) নভেম্বর – ডিসেম্বর
  3. গ) ডিসেম্বর - জানুয়ারী
  4. ঘ) জানুয়ারী - ফেব্রুয়ারী
সঠিক উত্তর:
খ) নভেম্বর – ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নভেম্বর – ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের রোপনের সময়:

- আউশ ধান: মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আমন ধান: জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- বোরো ধান: মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- গম: নভেম্বর – ডিসেম্বর।
- ভুট্টা: মধ্য অক্টোবর – ডিসেম্বরের শেষ।
- আলু: মধ্য সেপ্টেম্বর – নভেম্বর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
২৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৫%
  2. খ) ৭.৫%
  3. গ) ৮.৫%
  4. ঘ) ৯.৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৫%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:

- ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয় ৬ জুন, ২০২৩।
- জিডিপির আকার -৫০,০৬,৭৮২ কোটি টাকা।
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.৫%।
- বাজেটের আকার ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২৭.
মোট আবাদকৃত জমির কত শতাংশে খাদ্যশস্য চাষ করা হয়?
  1. ক) ৭০.৫২%
  2. খ) ৭৫.৮৮%
  3. গ) ৭৭.৩১%
  4. ঘ) ৮৩.৯৮%
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৩১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৩১%
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের চাষ:

- খাদ্যশস্য (Cereals) - ৭৭.৩১%
- আঁশজাতীয় ফসল (Fibre) - ৪.৩৫% 
- তৈলবীজ (Oilseeds) - ৩.০৯% 
- মসলা (Spices) - ২.৫৩%
- ফল (Fruits) - ২.৪৮%
- ডাল (Pulses) - ২.৩০%
- ভেষজ ও নেশাজাতীয় দ্রব্য (Drug and Narcotics) - ১.০২% 
- চিনি জাতীয় ফসল (Sugar Crops)- ০.৯৭% 

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
২৮.
তোষা পাট উত্তোলনের সময় কোনটি?
  1. ক) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
  2. খ) সেপ্টেম্বর - অক্টোবর
  3. গ) অক্টোবর - নভেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর - ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উত্তোলনের সময়:

- পাট (সাদা): জুলাই – আগস্ট।
- পাট (তোষা): আগস্ট – সেপ্টেম্বর।
- তুলা (খরিফ): মধ্য অক্টোবর – মধ্য ডিসেম্বর।
- তুলা (রবি): মধ্য ফেব্রুয়ারি – মধ্য এপ্রিল।
- সয়াবিন (খরিফ): সেপ্টেম্বরের শেষ – মধ্য নভেম্বর।
- সয়াবিন (রবি): মধ্য এপ্রিল – মে মাসের শুরু।
- মসুর ডাল: ফেব্রুয়ারির শুরু – মার্চের শুরু।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
২৯.
নিচের কোনটি আমের জাত নয়?
  1. ক) লক্ষণভোগ
  2. খ) দুলাভোগ
  3. গ) মল্লিকা
  4. ঘ) দুধ সর
সঠিক উত্তর:
খ) দুলাভোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুলাভোগ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের জাত:

- দুলাভোগ আমের জাত নয়।
- আম - লক্ষনভোগ,মল্লিকা,দুধ সর,হিমসাগর,চোষা,আম্রপালি।
- ধান  - দুলাভোগ,চান্দিনা,মালা,বিপ্লব,আশা,সুফলা।
- ভুট্টা - বর্ণালি,শুভ্রা ,খই ভুট্টা,মোহর।

তথ্যসূত্র -  দৈনিক প্রথম আলো,৬ মে ২০২৩।
                  বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
                  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩০.
বাংলাদেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩৫টি
  2. খ) ৩৬টি
  3. গ) ৩৭টি
  4. ঘ) ৩৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬টি
ব্যাখ্যা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান:

- দেশে মোট তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬১টি।
- বাংলাদেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৬টি।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বিশেষায়িত ব্যাংক  - ৩টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি।
- বৈদেশিক ব্যাংক – ৯টি।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ এবং প্রথম আলো [Link]
৩১.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) কুষ্টিয়া জেলা
  2. খ) লালমনিরহাট জেলা
  3. গ) গাইবান্ধা জেলা
  4. ঘ) রংপুর জেলা
সঠিক উত্তর:
ক) কুষ্টিয়া জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কুষ্টিয়া জেলা
ব্যাখ্যা
তামাক উৎপাদন:

- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া জেলা।
- তামাক উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা লালমনিরহাট জেলা।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষে খুলনা বিভাগ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষে দ্বিতীয় রংপুর বিভাগ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
৩২.
২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে দ্বিতীয় সর্বাধিক আমদানি করে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) জাপান
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, 
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে - চীন থেকে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে - ভারত।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে - জাপান।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
৩৩.
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির কতটি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
শিল্পখাত:

- বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত। যথা –
• খনিজ ও খনন।
• ম্যানুফ্যাকচারিং।
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
• পানি সরবরাহ। 
• নির্মাণ।
- স্থির মূল্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপি'তে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.৯৫ শতাংশ।
- যা গত অর্থবছরে ছিল ২৪.২৯ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৪.
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি) অর্থবছরে একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. ক) সুতা
  2. খ) ভোজ্যতৈল
  3. গ) গম
  4. ঘ) সার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার
ব্যাখ্যা
জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত পণ্যভিত্তিক আমদানি:

- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের ৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় সার।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৩৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক নিচের কোনটি?
  1. ক) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. খ) সোনালী ব্যাংক
  3. গ) যমুনা ব্যাংক
  4. ঘ) পদ্মা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ক) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশেষায়িত ব্যাংক:

- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি। এগুলো হলোঃ
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৬.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাত:

- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত – কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।  
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত।
- এর প্রবৃদ্ধির হার – ৮.১৮%।
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- এর প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।