পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ২ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি, মহাদেশ ও গুরুত্বপূর্ণ দেশ সম্পর্কিত তথ্য, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, দ্বীপ, প্রণালী ইত্যাদি। উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস, বাংলাপিডিয়া, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর গড় ব্যাস কত?
  1. প্রায় ১২,৮০০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ১২,০০০ কিলোমিটার
  3. ১২,০০০ কিলোমিটার
  4. প্রায় ১৫,০০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর ব্যাস:
 - বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার বা ২৫,০০০ মাইল। 
- পৃথিবীর গড় ব্যাস প্রায় ১২,৮০০ কিলোমিটার।

• গাণিতিক হিসার অনুযায়ী,
- পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিমে নিরক্ষীয় ব্যাস ১২,৭৫৭ কিলোমিটার। 
- উত্তর-দক্ষিণে মেরু ব্যাস ১২,৭১৪ কিলোমিটার। 
- পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭৩৫.৫ কি. মি। 
- সরল হিসাবে পৃথিবীর ব্যাসকে ১২,৮০০ কিলোমিটার ধরা হয়।
- পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ ৬৪০০ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী-
  1. আমাজান
  2. নীলনদ
  3. ইয়াংসিকিয়াং
  4. হোয়াংহো
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং (৫,৯৮০ কিলোমিটার)।

- নদীটি চীনে অবস্থিত। 
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

অন্যদিকে,
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- আমাজন নদী জলপ্রবাহের পরিমাণের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম নদী।
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী 'নীল নদ'।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে বিভক্তকারী বৃত্তাকার সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখার নাম?
  1. মকর ক্রান্তি রেখা
  2. নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. সমাক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরেখা ও অক্ষাংশ:
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- নিরক্ষরেখার (০) উত্তর ও দক্ষিণে এই অক্ষরেখা সমূহের আকার ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে একেবারে বিন্দুতে পরিণত হয়।
- অক্ষরেখাগুলো নিরক্ষরেখার (Equator) সাথে কৌণিক দুরত্বে কল্পিত কতিপয় সমাক্ষরেখা (সমদূরত্বে অবস্থিত রেখা)।
- ২৩.৫০ উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫০ উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

 উৎস: মহাবিশ্ব ও পৃথিবী (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যে মহাদেশে কোনো দেশ নেই?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. এন্টার্কটিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

এন্টার্কটিকা মহাদেশ: 
- এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম।
- এর মোট আয়তন ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গকিলোমিটার।
- এটি ৯০ দক্ষিণ মেরুরেখা থেকে ৬০ দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মেরুকে কেন্দ্র করে প্রায় বৃত্তাকারে অবস্থিত।
- এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটি সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী।
- শীতলতম এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই।
- এটি পৃথিবীর শীতলতম মহাদেশ।
- এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি।
- এছাড়া এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
আমাজন নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ইউরাল পর্বতমালা
  2. আন্দিজ পর্বতমালা
  3. ব্রাজিলের উচ্চভূমি
  4. আল্পস পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

আমাজন নদী (Amazon River):
- এর অবস্থান দক্ষিণ আমেরিকা।
- এটি ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে- ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বোলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম ও ফরাসি গায়ানা।
- আমাজন নদী উৎস পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার (নীল নদীর পর বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী)।
- এই নদী জাগুয়ার, প্যারাট এবং অগণিত প্রজাতির মাছ, উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল।
- পৃথিবীর মোট নদীর পানিপ্রবাহের প্রায় ২০% আমাজন নদী নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলাধার নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত।
- আমাজন নদী বন উজাড়, জলদূষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া হেকে রক্ষা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি কোন মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ইউরোপ
  2. এশিয়া
  3. আফ্রিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

এশিয়া মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- এ মহাদেশের আয়তন ৪ কোটি ৫০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৯২ বর্গকিলোমিটার।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশ ১০ দক্ষিণ অক্ষরেখা থেকে ৮০ উত্তর অক্ষরেখা এবং ২৫ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ১৭০ পশ্চিম
দ্রাঘিমারেখা (১৮০ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করে আরো ১০ দ্রাঘিমারেখা) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার)।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে  প্রশান্ত মহাসাগর অবস্থিত।
- দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভূ-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত। 
= এ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়।
- এশিয়া মহাদেশে বিভিন্ন আয়তনের ৫০টি দেশ রয়েছে।
- আয়তনে চীন বৃহত্তম (৯৫,৬১,০০০ বর্গকিলোমিটার) এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম (২৯৮ বর্গকিলোমিটার)।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং (৫,৯৮০ কিলোমিটার)।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
আফ্রিকা মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান?
  1. মাউন্ট এভারেষ্ট
  2.  মাউন্ট এলবুজ
  3. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  4. কিলিমাঞ্জারো
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা:
- আফ্রিকা মহাদেশ আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- এর আয়তন ৩ কোটি ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫৭৮ বর্গকিলোমিটার।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাঅতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান কিলিমাঞ্জারো (৫,৯৬৩ মিটার)।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া (২৩,৮১,৭৪১ বর্গকিলোমিটার) এবং
- সবচেয়ে ছোট মিচেলিস (৩০৮বর্গকিলোমিটার)।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী নীলনদ (৬,৬৬৯ কিলোমিটার)।
- আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে ভূ-মধ্যসাগর।

অন্যদিকে, 
- এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার) যা বিশ্বের উচ্চতম পর্বত।
- ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এলবুর্জ (৫,৬৩৩ মিটার)।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সর্বপ্রথম কোন দেশের মহিলারা ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. ব্রিটেন
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

নারীদের ভোটাধিকার: 
- প্রাচীন গ্রিস ও রোমে, এবং এমনকি ১৮শ শতকের শেষ দিকে ইউরোপের উদীয়মান গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও নারীরা ভোট দিতে পারতেন না।
- ১৮৩২ সালে যুক্তরাজ্যে যখন সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার কিছুটা সম্প্রসারিত হয়, তখনও নারীদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়।
- ১৯শ শতকে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ভোটাধিকার নিয়ে বড় আন্দোলন শুরু হয়। 
- তবে এই দুটি দেশ সবার আগে নারী ভোটাধিকার দেয়নি। 
- ১৮৯৩ সালে সর্বপ্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করা হয়। 
- অস্ট্রেলিয়া ১৯০২ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- ফিনল্যান্ড ১৯০৬ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- নরওয়ে ১৯১৩ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- সুইডেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিছু স্থানীয় নির্বাচনে তাদের ভোটদানের অধিকার ছিল।
- নারীদের ভোটাধিকার ছিল দীর্ঘ ও কঠিন আন্দোলনের ফল।
- আজকে যেটা নারীদের মৌলিক অধিকার, এক সময় সেটা অর্জন করতে বহু নারী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগ করেছেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
সুয়েজ খাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়-
  1. ১৮৫৪ সালে
  2. ১৮৬৪ সালে
  3. ১৮৬৯ সালে
  4. ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:  
- মিশরের অর্থনীতিতে সুয়েজ খালের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- ১৮৬৯ সালে একজন ফরাসি ব্যক্তিত্ব ফার্দিন্যান্ড ডি লেসসেপস এর নির্দেশনায় সুয়েজ খাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।
- ১৯৫৬ সালে মিশর এটি জাতীয়করণ করে।
- ভূ-মধ্যসাগর এবং লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে সুয়েজ খাল।
- এই জলপথের একপ্রান্তে রয়েছে পোর্ট সৈয়দ বন্দর এবং অপরপ্রান্তে সুয়েজ বন্দর।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জাহাজ চলাচলের পথগুলির মধ্যে একটি।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১০.
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী-
  1.  সিডনি
  2. মেলবোর্ন 
  3. ব্রিসবেন
  4. ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা

অস্ট্রেলিয়া: 
- অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান।
- এর চতুর্দিক ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এটি একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।
- ১৯০১ সালে ছয়টি রাজ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় কমনওয়েলথ অব অস্ট্রেলিয়া।
- অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা।
- এটি আয়তনে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ তথা দক্ষিণ গোলার্ধের বৃহত্তম দেশ এবং বিশ্বে ষষ্ঠ।
- এদেশের সঙ্গে কোনো দেশের স্থল সীমান্ত নেই।
- অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ স্থান কোসকিউসকো (২,২২৯ মিটার) এবং সর্বনিম্ন স্থান লেক আইয়র (১৫ মিটার)।
- দেশটির আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘতম নদী মারে ডার্লিং (২,৩৭৫ কিলোমিটার)।

উল্লেখ্য,
- সিডনি - অস্ট্রেলিয়ার প্রাচীনতম শহর, অপেরা হাউসের আবাসস্থল এবং মনোরম উপসাগর, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অসংখ্য সৈকতের জন্য খ্যাত।
- মেলবোর্ন - অস্ট্রেলিয়ার কফি, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার রাজধানী; প্রায়শই সবচেয়ে ইউরোপীয় ধাঁচের শহর বলা হয়; শিল্পকলা, খাবার ও ক্রীড়া সংস্কৃতির জন্য প্রসিদ্ধ।
- ব্রিসবেন - রৌদ্রোজ্জ্বল কুইন্সল্যান্ডের রাজধানী, সুন্দর বালুকাময় সৈকতের প্রবেশদ্বার।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১১.
মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা কোন শহরের একটি মান মন্দির বরাবর অতিক্রম করেছে?
  1. প্যারিস
  2. লন্ডন
  3. রোম
  4. বার্মিংহাম
ব্যাখ্যা

দ্রাঘিমাংশ:
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০ ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১ অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়। 
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০ পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০ পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অতএব, পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০ পূর্ব ও ১৮০ পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।
- দ্রাঘিমা নির্ণয়ের দুইটি পদ্ধতি আছে।
- যেমন- (ক) স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা ও (খ) গ্রীনিচ সময়ের ভিত্তিতে।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
  1. ইউরোপ
  2. আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আফ্রিকা মহাদেশ আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- এর আয়তন ৩ কোটি ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫৭৮ বর্গকিলোমিটার।
- এটি ৩৭ উত্তর অক্ষরেখা থেকে প্রায় ৩৫ দক্ষিণ অক্ষরেখা এবং ১৭ পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা থেকে ৫১ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান কিলিমাঞ্জারো (৫,৯৬৩ মিটার)।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ সুদান (২৫,০৫,৮১৩ বর্গকিলোমিটার) এবং সবচেয়ে ছোট মিচেলিস (৩০৮
বর্গকিলোমিটার)।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী নীলনদ (৬,৬৬৯ কিলোমিটার)।
- আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে ভূ-মধ্যসাগর।
 
উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
ভলগা নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা
  2. ইউরোপ
  3. এশিয়া 
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- এর আয়তন ৯৯ লক্ষ ২৮ হাজার ৫৯৯ বর্গকিলোমিটার।
- এটি ৩৫ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ৭১ উত্তর অক্ষরেখা এবং ২৫ পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা থেকে ৬৬ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভূ-মধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এলবুর্জ (৫,৬৩৩ মিটার)।
- ইউরোপ মহাদেশ ৪৫টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহৎ রাশিয়া (১,৭০,৭৫,৪০০ বর্গকিলোমিটার) এবং ক্ষুদ্রতম ভ্যাটিকান (০.৪৪ বর্গকিলোমিটার)।
- এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে রাশিয়ার অবস্থান হলেও এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ভলগা (৩,৬৮৭ কিলোমিটার)।
- ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শিল্প প্রধান দেশ যুক্তরাজ্য।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশকে একত্রে ইউরেশিয়া বলা হয়।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
কোন প্রণালী আফ্রিকাকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে?
  1. বসফরাস প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- এটি পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের সাইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এর প্রস্থ অবস্থানভেদে ১৩ থেকে ৩৯ কিলোমিটার হতে পারে।
- প্রণালীর মধ্যে দিয়ে একটি ৮ কিলোমিটার প্রশস্ত ও ৩০০ মিটার গভীর চ্যানেল চলে গেছে।

অন্যদিকে,
- বসফরাস প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও ইউরোপকে আর সংযুক্ত করেছে মরমর সাগর ও কৃষ্ণ সাগর।
- বেরিং প্রণালী সংযুক্ত করেছে বেরিং সাগর ও উত্তর সাগর আর পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে।
- পক প্রণালী সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগর আর পৃথক করেছে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৫.
আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে? 
  1. ইরান ও ইরাক
  2. ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. সিরিয়া ও ইসরাইল
  4. ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

আবু মুসা দ্বীপপুঞ্জ:
- আবু মুসা দ্বীপ পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথের কাছে একটি ছোট দ্বীপ, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়ই দাবি করে।
- আবু মুসা পারস্য (আরব) উপসাগরের একটি দ্বীপ যা ৫৫ ° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এবং ২৫ ° ৫১ ′ উত্তর এবং ২৫ ° ৫৪ ′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল (৪৯ কিলোমিটার) পূর্বে, ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর-ই লেঙ্গেহ থেকে প্রায় ৪২ মাইল (৬৮ কিলোমিটার) দক্ষিণে অবস্থিত।
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল (৬৪ কিলোমিটার) পূর্বে অবস্থিত।
- আবু মুসার মোট আয়তন প্রায় ৪ বর্গমাইল (১০ বর্গকিলোমিটার)।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ থেকে আরব আমিরাতের শারজাহ ও ইরানের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।
- ১৯০৩ সালে ব্রিটেন ইরানি কর্মকর্তাদের সরিয়ে শারজাহের পক্ষে দাঁড়ায়।
- ১৯৬৮ সালে ব্রিটেনের প্রত্যাহার ঘোষণায় ইরান দাবি জানায়।
- ১৯৭১ সালে ইরান–শারজাহ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
- মোটামুটি ২০ বছর এই চুক্তি কার্যকর ছিল।
- ১৯৯২ সালে ইউএই ইরানের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ তোলে।
- ইউএই আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে চায় কিন্তু ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যদিকে,
- শাত-ইল-আরব হল ইরান ও ইরাকের মধ্যকার বিরোধপুর্ণস্থান।
- গোলান মালভূমি নিয়ে বিরোধ চলছে সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও এনসাইক্লোপিডিয়া।

১৬.
পৃথিবীর কোন দেশকে বজ্রপাতের দেশ বলা হয়?
  1. কানাডা
  2. ভুটান
  3. বাংলাদেশ
  4. মায়ানমার
ব্যাখ্যা

ভুটান:
- দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ ভুটান।
- থিম্পু ভুটানের রাজধানী।
- ২০০৮ সালে বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়।
- বজ্রপাতের দেশ বলা হয় ভুটানকে।

• বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম:
- ক্যাঙ্গারুর দেশ- অস্ট্রেলিয়া।
- পিরামিড ও নীলনদের দেশ- মিশর।
- নিষিদ্ধ দেশ- তিব্বত। 
- ম্যাপল পাতা ও লিলি ফুলের দেশ- কানাডা।
- সোনালি আঁশের দেশ- বাংলাদেশ।
- বজ্রপাতের দেশ- ভুটান।
- ভূমিকম্পের দেশ- জাপান।
- ভাটির দেশ- বাংলাদেশ।
- মরুভূমির দেশ- আফ্রিকা।
- মুক্তার দেশ- কিউবা।
- শ্বেতহস্তীর দেশ- থাইল্যান্ড।
- হাজার হ্রদের বা দ্বীপের দেশ- ফিনল্যান্ড।
- সাত পাহাড়ের দেশ- রোম, ইতালি।
- সূর্য উদয়ের দেশ- জাপান।
- নিশীথ সূর্যের দেশ- নরওয়ে।
- ল্যান্ড অব মার্বেল- ইতালি।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন- নিউজিল্যান্ড।
- অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ- আফ্রিকা।
- সকালবেলার প্রশান্তি- কোরিয়া।
- হর্ন অফ আফ্রিকা- ইথিওপিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৭.
হাইফা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত-
  1. ইয়েমেন
  2. ইসরাইল
  3. ইরান
  4. মিসর
ব্যাখ্যা

হাইফা:
- এটি উত্তর-পশ্চিম ইসরায়েলের শহর। 
- হাইফা ইসরায়েলের প্রধান বন্দর। 
- এটি ভূমধ্যসাগরের দিকে হাইফা উপসাগরের ধারে অবস্থিত।
- ব্রিটিশ শাসনামলে নির্মিত এই গভীর জলবন্দরটি ১৯৩৩ সালে খোলা হয়।

• বিশ্বের বিখ্যাত সমুদ্র বন্দর:
- এডেন সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- ইয়েমেন।
- বন্দর আব্বাস সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- ইরান। 
- কলম্বো সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- শ্রীলংকা।
- লিসবন সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- পর্তুগাল।
- বেনগাজী সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- লিবিয়া।
- ক্যাসাব্লাঙ্কা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- মরক্কো।
- সুয়েজ, পোর্ট সৈয়দ ও আলেকজান্দ্রিয়া সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- মিসর।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১৮.
এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ মরুভূমি-
  1. সাহারা
  2. সাহেল
  3. গোবি
  4. আরব
ব্যাখ্যা

আরব মরুভূমি:
- আরব মরুভূমি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মরুভূমি।
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- প্রায় ২,৩৩০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বিশাল মরুভূমি আরব উপদ্বীপের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
- চরম পরিস্থিতি সত্ত্বেও, আরব মরুভূমিতে কিছু মরুভূমি-অভিযোজিত প্রজাতি রয়েছে যেমন অরিক্স, হরিণ, বালির বিড়াল, টিকটিকি ইত্যাদি।অতিরিক্ত চরানো এবং শিকারের কারণে মরুভূমির অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এই অঞ্চলে গাছপালা খুব কম। মরুভূমিতে ভয়াবহ চোরাবালির অঞ্চলও রয়েছে।

অন্যদিকে,
- গোবি মরুভূমি এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মরুভূমি এবং বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি।
- সাহারা মরুভূমি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি। এটি আফ্রিকার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।

উৎস: worldatlas.com

১৯.
'লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল' কোন কোন দেশের সীমানা রেখা?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. ভারত ও আফগানিস্তান
  4. ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা

বিশ্বের বিখ্যাত সীমারেখা:
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা রেখা- লাইন অব কন্ট্রোল।
- ভারত ও চীনের সীমানা রেখা (কাশ্মীর সীমান্তে)- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল।
- র‍্যাডক্লিফ লাইন- ১৯৪৭ সালে স্যার সাইবিল র‍্যাডক্লিফ কর্তৃক ভারত ও তৎকালীন পাকিস্তানের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা।
- ডুরান্ড লাইন- স্যার হেনরি মর্টিমার ডুরান্ড কর্তৃক ১৮৯৬ সালে তৎকালীন ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা।
- বর্তমানে ডুরান্ড লাইন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- স্যার ম্যাকমোহন কর্তৃক চিহ্নিত ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা রেখা।
- সনোরা লাইন- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন- পর্তুগাল ও স্পেনের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ব্লু লাইন- ইসরাইল ও লেবাননের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২০.
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল অঞ্চল বাংলাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. পশ্চিমে
  2. পূর্বে
  3. উত্তরে
  4. দক্ষিণে
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:
- মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমানা মিলে গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল। 
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মাদক উৎপাদন ও চোরাচালানের পথ হিসেবে ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানকে একত্রে বলা হয় গোল্ডেন ক্রিসেন্ট।
- এই অঞ্চল বাংলাদেশের পশ্চিমে।
- আর গোল্ডেন ওয়েজ হচ্ছে ভারতের হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, নেপাল ও ভুটানের কিছু অংশ।
- এই অংশ বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: প্রথম আলো অনলাইন নিউজ।

২১.
কোন মহাদেশ দেখতে অনেকটা ত্রিভুজাকৃতির? 
  1. আফ্রিকা
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আমেরিকা (South America):

- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ নয় - আলবেনিয়া।
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া ।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১২টি স্বাধীন দেশ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা দেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com

২২.
ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শিল্প প্রধান দেশ-
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্সের
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্য:
- ইউরোপ মহাদেশের অন্যতম দেশ যুক্তরাজ্য।
- এটি ২ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ১০ পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা এবং ৫০ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ৬০ উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- উত্তর আয়ারল্যান্ড এবং গ্রেট ব্রিটেন নিয়ে গঠিত যুক্তরাজ্য।
- এর রাজধানী লন্ডন।
- দেশটির আয়তন ২,৪৪,১১০ বর্গকিলোমিটার।
- যুক্তরাজ্যের মোট স্থল সীমানা ৪৪৩ কিলোমিটার এবং উপকূল রেখা ১২,৪২৯ কিলোমিটার। 
- দেশটির অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল এবং আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- এখানকার ভূ-প্রকৃতিতে বৈচিত্র্যতা রয়েছে। বেশিরভাগ ভূমি তৃণ দ্বারা গঠিত।
- যুক্তরাজ্য খনিজ সম্পদ এবং শিল্পে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি কৃষিতেও সমৃদ্ধ।
- যুক্তরাজ্য ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শিল্পপ্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত।
- প্রধান নদী টেমস, টাইন, টিজ প্রভৃতি।
- প্রসিদ্ধ স্থানসমূহের মধ্যে রয়েছে লন্ডন, গ্লাসগো, ডান্ডি, বার্মিংহাম, এডিনবরা প্রভৃতি।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত-
  1. অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত
  2. নায়াগ্রা জলপ্রপাত
  3. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
  4. গুয়ারিয়া জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা

নায়াগ্রা জলপ্রপাত: 
- উত্তর আমেরিকার নায়াগ্রা নদীর উপর অবস্থিত জলপ্রপাত। 
- এই জলপ্রপাতটি কানাডার অন্টারিও এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত।
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত নায়াগ্রা।
- এর গড় উচ্চতা ১৬৭ ফুট বা ৫২ মিটার ।
- বিশ্বের পর্যটকদের নিকট একটি আকর্ষণীয় জায়গা হিসেবে নায়াগ্রা খুবই পরিচিত।
- হিমবাহ থেকে বরফ গলে যাওয়ার ফলে ১২,০০০ বছরেরও বেশি সময় আগে নায়াগ্রা জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছিল।

অন্যদিকে, 
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলার কানাইমা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রপাত।
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে দেশের সীমান্তে অবস্থিত। এটি জলপ্রপাতের প্রস্থের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- গুয়ারিয়া জলপ্রপাত ব্রাজিল -এ অবস্থিত। পানি পতনের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম। 

২৪.
বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ-
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. মর্মর সাগর (মৃত সাগর)
  4. কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা

কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর আজারবাইজান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কিমেনিস্তান ও ইরান জুড়ে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- দৈর্ঘ্য ১১৯৯ কিমি।
- এটি মূলত ভূ-বেষ্টিত সাগর।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বৃহত্তম সুপেয় পানির হ্রদ- সুপিরিয়র।
- বিশ্বের গভীরতম হ্রদ - বৈকাল হ্রদ।
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ - পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম হ্রদ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২৫.
দক্ষিণ রোডেশিয়া কোন দেশের পূর্বনাম?
  1. জাম্বিয়া
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. ইয়াঙ্গুন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

জিম্বাবুয়ে:
- জিম্বাবুয়ের পূর্ব নাম - দক্ষিণ রোডেশিয়া।

- জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত দেশ।
- রাজধানী হলহারারে (পূর্বে স্যালিসবারি নামে পরিচিত)।
- জিম্বাবুয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,০০০ ফুট (৩০০ মিটার) উপরে অবস্থিত।

• বিভিন্ন দেশের পূর্ব বা পুরাতন নাম:
- ইরানের পুরাতন নাম - পারস্য।
- ইরাকের পুরাতন নাম - মেসোপটেমিয়া/ পার্সিয়া।
- ইস্তাম্বুলের পুরাতন নাম - কনস্ট্যান্টিনোপল।
- ইয়াঙ্গুনের পুরাতন নাম - রেঙ্গুন।
- জাপানের পুরাতন নাম - নিপ্পন।
- জাম্বিয়ার পুরাতন নাম- উত্তর রোডেশিয়া।
- থাইল্যান্ড এর পুরাতন নাম- শ্যামদেশ।
- নেদারল্যান্ডের পুরাতন নাম - হল্যান্ড।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২৬.
ব্লাক ফরেষ্ট অবস্থিত-
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

ব্লাক ফরেষ্ট:
- ব্লাক ফরেষ্ট জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য ব্যান্ডেন-ওরিটেমবার্গে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণ ও পশ্চিমে রাইন উপত্যকা।
- এ বনের দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি এবং প্রস্থ ৬০ কিমি।
- এটি পার্বত্য বনাঞ্চল। 
- এখান থেকে দানিয়ুব নদীর উৎপত্তি।

উল্লেখ্য,
- আমাজন বনকে বিশ্বের ফুসফুস বলা হয়।
- পৃথিবীর বৃহত্তম সবুজ বনাঞ্চল হলো আমাজন। 
- আমাজন বনের ৬০% ব্রাজিলে, ১৩% পেরুতে, বাকি অংশ কলম্বিয়া, ভেনিজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গায়ানা ও সুরিনামে অবস্থিত।
- টাংগাস ফরেষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা রাজ্যে অবস্থিত।
- সাইবেরিয়া রাশিয়াতে তৈগা হল বিশ্বের বৃহত্তম অরণ্য।
- বিশ্বের সর্বাধিক বনভূমির দেশ হল রাশিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২৭.
আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ব্রাজিল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

কানাডা: 
- কানাডা উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত। 
- এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ (রাশিয়ার পর)।
- এটি মহাদেশের প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
- যদিও আয়তন বিশাল, কানাডার জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে খুবই কম।
- সুদূরপ্রসারী বনভূমি, পর্বত ও নিসর্গ দেশটির পরিচয়ে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। 
- কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় দ্বিভাষিক, যা দেশটির ইতিহাসকে প্রতিফলিত করে। 
- কানাডা একটি বহু-সাংস্কৃতিক দেশ, যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মানুষ একত্রে বসবাস করে। 
- কানাডা প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ – বন, খনিজ, পানি ইত্যাদি। 
- এই দেশ শিক্ষা ও গবেষণায়ও অগ্রণী, এবং জ্ঞানের রপ্তানিকারক হিসেবেও খ্যাত। 
- কানাডা শুধু তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা আয়তনের জন্য নয়, বরং একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল সমাজের জন্যও বিশ্বে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৮.
স্থলবেষ্টিত দেশ নয়-
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. আফগানিস্তান
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

স্থলবেষ্টিত দেশ:
- স্থলবেষ্টিত দেশ হলো সেই দেশ যেখানে কোনরুপ জলসীমা নেই।
- বেশিরভাগ স্থলবেষ্টিত দেশ মহাদেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। 
- স্থলবেষ্টিত দেশগুলোর অর্থনীতি প্রায়শই কৃষি, খনিজ সম্পদ, এবং পর্যটনের উপর নির্ভরশীল। 
- এই সমস্ত দেশগুলিকে মালামাল পরিবহনের জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করতে হয় ।
- উত্তর আমেরিকা আর ওশেনিয়া মহাদেশে কোন স্থলবেষ্টিত দেশ নেই। 
- বিশ্বে মোট স্থলবেষ্টিত দেশের সংখ্যা ৪৫ টি। 
- এই দেশসমূহের নিজস্ব সমুদ্রবন্দর নেই।
- এশিয়ার ১০ টি দেশ, আফ্রিকার ১৬ টি দেশ, ইউরোপের ১৭ টি দেশ, দক্ষিণ আমেরিকার ২ টি দেশ স্থলবেষ্টিত দেশ।
- নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান এশিয়ার মহাদেশের স্থলবেষ্টিত দেশ।
- বাংলাদেশ স্থলবেষ্টিত দেশ নয়।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা ও এনসাইক্লোপিডিয়া।

২৯.
আয়তনে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দ্বীপরাষ্ট্র-
  1. নাউরু
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. মালদ্বীপ
  4. টুভ্যালু
ব্যাখ্যা

নাউরু:
- নাউরু দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব মাইক্রোনেশিয়ায় অবস্থিত একটি উত্থিত প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- বিষুবরেখা থেকে ২৫ মাইল (৪০ কিমি) দক্ষিণে অবস্থিত।
- দ্বীপটি সলোমন দ্বীপপুঞ্জ থেকে প্রায় ৮০০ মাইল (১,৩০০ কিমি) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- নাউরুর কোন সরকারী রাজধানী নেই, তবে সরকারি অফিসগুলি ইয়ারেন জেলায় অবস্থিত ।
- নাউরু বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ, যার আয়তন প্রায় ৮ বর্গমাইল।
- জনসংখ্যা ও আয়তনে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দ্বীপরাষ্ট্র নাউরু।
- ১৯৪৭ সালে নাউরু জাতিসংঘের ট্রাস্ট টেরিটরিতে পরিণত হয়।
- ৩১ জানুয়ারী, ১৯৬৮ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যা ও আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া।
- আয়তনে এবং লোকসংখ্যায় এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ মালদ্বীপ।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব-দ্বীপ হলো বাংলাদেশ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩০.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফের' অবস্থান-
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- এর সর্বোচ্চ গভীরতা ১০,৯২৮ মিটার এবং গড় গভীরতা ৪০৭৯ মিটার।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন- ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- পৃথিবীর গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেজ ।
- এই স্থানের গভীরতা ১১০৩৩ মিটার বা ৩৬১৯৯ফুট।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- আটলান্টিক মহাসাগর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর । এর গভীরতম স্থানের নাম ন্যায়ার্স (পোয়ের্তেরিকা)।
- উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ও সর্বাপেক্ষা কম গভীর একটি মহাসাগর।
- ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থানের নাম সুন্দা ট্রেঞ্চ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।