পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
আন্তর্জাতিকঃ প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ। [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না। ৪/৫ নাম্বারের জন্য বেশি সময় নষ্ট করা যাবে না] সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই এবং বোর্ড বইগুলোই যথেষ্ট। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
কোন সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত-
  1. ক) ব্যাবিলনীয়
  2. খ) সিন্ধু
  3. গ) গ্রিক
  4. ঘ) মিশরীয়
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল। তারা বিভিন্ন দ্রব্যের ওজন পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত। দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল। তারা তামা ও টিনের মিশ্রণে ব্রোঞ্জ তৈরি করতে শিখেছিল। এই সভ্যতার অধিবাসীরা লোহার ব্যবহার জানত না। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
নলখাগড়া জাতীয় গাছের কান্ড থেকে তৈরি কাগজের নাম ‘প্যাপিরাস’ রাখে-
  1. ক) রোমানরা
  2. খ) ফিনিশীয়রা
  3. গ) গ্রিকরা
  4. ঘ) ইংরেজরা
ব্যাখ্যা
মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কান্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে। পরে এই কাগজের উপর তারা লিখতে শুরু করে। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’। যে শব্দ থেকে ইংরেজি ‘পেপার’ শব্দের উৎপত্তি। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
কারা ‘হেলাস’এর নামকরণ করেন গ্রিস?
  1. ক) হিব্রুরা
  2. খ) রোমানরা
  3. গ) মিশরীয়রা
  4. ঘ) ফিনিশীয়রা
ব্যাখ্যা
উনিশ শতকের শেষে ইজিয়ান সাগরের দ্বীপপুঞ্জে এবং এশিয়া মাইনরের পশ্চিম উপকূলে আবিষ্কৃত হয় এক উন্নততর প্রাচীন নগর সভ্যতা। সন্ধান মেলে মহাকাব্যের ট্রয় নগরীসহ একশত নগরীর ধ্বংস স্তুপের। ইউরোপ মহাদেশের এই অঞ্চলেই প্রথম সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল। যাকে বলা হয় ইজিয়ান সভ্যতা বা প্রাক ক্ল্যাসিক্যাল গ্রিক সভ্যতা। গ্রিসের পূর্ব নাম ছিল হেলাস। রোমানরা পরবর্তিকালে এর নামকরণ করে গ্রিস। গ্রিক সভ্যতার সঙ্গে ‘হেলেনিক’ ও ‘হেলেনিস্টিক’ এই দুটি সংস্কৃতির নাম জড়িত। অসংখ্য নগররাষ্ট্র নিয়ে গড়ে উঠা প্রাচীন গ্রিসে সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা এবং গণতন্ত্র চর্চার মূল কেন্দ্র ছিল এথেন্স। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
প্রাচীন গ্রিসের সামরিক নগর রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) এথেন্স
  2. খ) স্পার্টা
  3. গ) হেরাক্লিয়ন
  4. ঘ) থিবস
ব্যাখ্যা
স্পার্টাঃ প্রাচীন গ্রিসে যে অসংখ্য নগররাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল তার একটি ছিল স্পার্টা। এ নগর রাষ্ট্রের অবস্থান ছিল দক্ষিণ গ্রিসের পেলোপনেসাস নামক অঞ্চলে। অন্যান্য নগর রাষ্ট্র থেকে স্পার্টা ছিল আলাদা। স্পার্টানদের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সমরতন্ত্র দ্বারা তারা প্রভান্বিত ছিল। মানুষের মানবিক উন্নতির দিকে নজর না দিয়ে সামরিক শক্তি সঞ্চয়ের দিকে তাদের দৃষ্টি ছিল বেশি। খ্রিষ্টাব্দপূর্ব ৮০০ অব্দে দীর্ঘ যুদ্ধের পর ডোরীয় যোদ্ধারা স্পার্টা দখল করতে সক্ষম হয়েছিল। এই পরাজিত স্থানীয় অধিবাসীদেরকে ভূমি দাস বা হেলট বলা হতো। এরা সুযোগ পেলেই বিদ্রোহ করত। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন কোন সভ্যতার স্থাপত্যের এক অসাধারণ নির্দশন-
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) রোমান
  3. গ) ইনকা
  4. ঘ) পারস্য
ব্যাখ্যা
সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নির্দশন। ৮০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  2. খ) ২৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  3. গ) ৭৫৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  4. ঘ) ৪৮০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা। ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর এক গোত্রের লোকেরা মধ্য ইতালির টাইবার নদীর তীরবর্তী পাহাড়ে বসতি গড়ে তুলেছিল। এদেরকে ‘ল্যাটিন’ বলা হত। ল্যাটিনদের এসব বসতি একত্র হয়ে একটি রাজ্য স্থাপিত হয়। তখন ঐ রাজ্যের রাজা ছিলেন রোমিউলাস। তার নামানুসারে রাজ্যের মূল নগরীর নামকরণ করা হয় ‘রোম’। গ্রিক সভ্যতার সমসাময়িক রোমান সভ্যতা হেলেনিক ও হেলেনিস্টিক সভ্যতার অনেক সংস্কৃতি গ্রহণ করেছিল। ঐতিহাসিকদের ধারণা, ৭৫৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
কোন যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ানকে এলবা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়?
  1. ক) লিগনির যুদ্ধ
  2. খ) লিপজিগের যুদ্ধ
  3. গ) ট্রাফালগার যুদ্ধ
  4. ঘ) ওয়াটারলু যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
১৮১৩ সালে লিপজিগের যুদ্ধে ইউরোপের ষষ্ঠ কোয়ালিশিনের কাছে পরাজিত হন নেপোলিয়ান। একই বছর তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ফ্রান্স দখল করে নেয় কোয়ালিশন। ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানকে এলবা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়। কিছুদিন পরই নেপোলিয়ান সেখান থেকে পালিয়ে যান। তাকে গ্রেফতার করতে অষ্টদশ লুইয়ের নেতৃত্বে একদল সেনাবাহিনী পাঠানো হয়। কিন্তু নাটকীয়ভাবে সৈন্যদলটি নেপোলিয়ানের সঙ্গে হাত মিলায়। তারা ফিরে এসে ফ্রান্স দখল করেন এবং নেপোলিয়ান আবার ফ্রান্সের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। ১৮১৫ সালের ওয়াটার লু যুদ্ধে নেপোলিয়নের পরাজয় হয় ও তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। সূত্র- একাডেমিক বই এবং অন্যান্য।
.
মার্কিন গৃহযুদ্ধে ‘কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকার’ রাষ্ট্রপতি ছিলেন-
  1. ক) জেফারসন ডেভিস
  2. খ) আব্রাহাম লিঙ্কন
  3. গ) রবার্ট এডওয়ার্ড লি
  4. ঘ) আলেকজান্ডার এইচ স্টিফেনস
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বা আমেরিকার গৃহযুদ্ধ মূলত মার্কিন ফেডারেল সরকারের সাথে বিপ্লবী ১১ টি দাস-নির্ভর প্রদেশের মাঝে সংগঠিত হয়। এই ১১ টি প্রদেশ পূর্বেই নিজেদেরকে মূল যুক্তরাষ্ট্র হতে আলাদা ঘোষণা করেছিল এবং নামকরণ করেছিল কনফেডারেট স্টেটস অব আমেরিকা এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন রাষ্ট্রপতি জেফারসন ডেভিস।
এদের বিরুদ্ধে ছিলো রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিঙ্কন-এর ইউনিয়ন বা ফেডারেল সরকার আর মার্কিন রিপাবলিকান দল, যারা দাস-প্রথার বিস্তারের ঘোর বিরোধী ছিল। সূত্র- ব্রিটানিকা এবং Worldatlas ওয়েবসাইট।
.
তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. ক) রমজান যুদ্ধ
  2. খ) অক্টোবর যুদ্ধ
  3. গ) ছয় দিনের যুদ্ধ
  4. ঘ) ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালে সংঘটিত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অক্টোবর যুদ্ধ’, ‘রমজান যুদ্ধ’ ও ‘ইয়োম কিপুর যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। মিসর ও সিরিয়া নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবর এ লড়াই সংঘটিত হয়। ‘ছয় দিনের যুদ্ধ’, যাকে ‘জুনের যুদ্ধ’ বা তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধও বলা হয়। এটি ছিল সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ যেটি ১৯৬৭ সালের ৫-১০ জুন সংঘটিত হয়েছিল। ইসরায়েল এই যুদ্ধে জয়ের মাধ্যমে সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর, পুরাতন শহর জেরুজালেম এবং গোলান মালভূমি দখল করে নিয়েছিল। এই অঞ্চলগুলি পরবর্তীকালে আরব-ইসরায়েল দ্বন্দ্বের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। সূত্র- Worlatlas ওয়য়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১০.
দ্বিতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধ শুরু হয়-
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০০০ সালে
  4. ঘ) ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইরাক কর্তৃক কুয়েত দখল হয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ৩৫টি দেশের একটি কোয়ালিশন বাহিনী ইরাকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছিল (১৭ জানুয়ারি ১৯৯১-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১), ইতিহাসে তা চিহ্নিত হয়ে আছে প্রথম গালফ যুদ্ধ হিসেবে। ওই যুদ্ধে ইরাকের পরাজয় হয়েছিল এবং কুয়েত দখলমুক্ত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় গালফ যুদ্ধও শুরু করেছিল ইরাকের বিরুদ্ধে ২০০৩ সালের ২০ মার্চ। অভিযোগ ছিল, ইরাকের কাছে মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা এই এলাকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সেনা অভিযান পরিচালনা করেছিল। ওই অভিযানে ইরাকের শাসক সাদ্দাম হোসেন উৎখাত হয়েছিলেন। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র দেশটি দখল করে নেয় এবং ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটি তাদের দখলে থাকে। রেফারেন্সঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা থেকে ভেরিফাই করা।
১১.
কোন যুদ্ধে ধ্বংসলীলার প্রেক্ষাপটে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ‘লীগ অব নেশনস’ এর জন্ম হয়?
  1. ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. গ) তৃতীয় আরব ইসরায়েল যুদ্ধ
  4. ঘ) উপসাগরীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৮) ধ্বংসলীলা মানুষকে যুদ্ধের প্রতি অনীহা ও শান্তির জন্য আগ্রহী করে তোলে। ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি প্যারিস শান্তি আলোচনার মধ্য দিয়ে গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘লীগ অব নেশনস’। উদ্দেশ্য ছিল সম্মিলিত নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অসামরিকীকরণের মাধ্যমে যুদ্ধ এড়ানো এবং সমঝোতা ও সালিসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দ্ব্বন্দ্বের নিরসন করা। ত্রিশের দশকে লীগ অব নেশনস বিভিন্ন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়। সংস্থাটি থেকে সরে দাঁড়ায় জার্মানি, জাপান, ইতালি, স্পেনসহ আরো কিছু দেশ। সংস্থাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধও এড়াতে পারেনি। সাংগঠনিক দুর্বলতা ও বিশ্বশান্তি বিধানে ব্যর্থ হয়ে ১৯৪৬ সালে সংস্থাটির বিলুপ্তি ঘটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এর স্থলাভিষিক্ত হয় জাতিসংঘ। রেফারেন্সঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট থেকে ভেরিফাই করা।
১২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপকরা হয়েছিল। বোমাটির নাম কি ছিল?
  1. ক) Fat Boy
  2. খ) Fat Man
  3. গ) Little Boy
  4. ঘ) Little Man
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা( লিটল বয়) নিক্ষেপকারী বি-২৯ সুপারফোর্টেস বিমানের পরিবর্তীত নাম ছিল ‘Enola Gay’। বিমানটির পাইলট কর্ণেল পল ওয়য়ারফিল্ড টিবেটস এর মায়ের নামে এই নাম রাখা হয়। সূত্র- ব্রিটানিকা।
১৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন-
  1. ক) জেনারেল জন জে পার্শিং
  2. খ) ফিল্ড মার্শাল রোমেল
  3. গ) জেনারেল এরিক লুডেন্ড্রফ
  4. ঘ) জেনারেল ফার্দিনান্দ ফচ
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শেষের মাসগুলিতে মিত্রশক্তির সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন ফ্রান্সের জেনারেল ফার্দিনান্দ ফচ। সূত্র- ব্রিটানিকা।
১৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ‘দ্য অ্যালাইড পাওয়ারস বা মিত্র শক্তির’ দেশ ছিল না-
  1. ক) ইতালি
  2. খ) রোমানিয়া
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একপক্ষে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্য। এদের বলা হয় ‘দ্য সেন্ট্রাল পাওয়ারস বা অক্ষশক্তি’। আর অন্য পক্ষে ছিল যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, রোমানিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র। এদের বলা হয় ‘দ্য অ্যালাইড পাওয়ারস বা মিত্র শক্তি’। সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা এবং ব্রিটানিকা।
১৫.
Velvet Revolution ছিল-
  1. ক) দাস প্রথা বিরোধী বিপ্লব
  2. খ) শিল্প ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব
  3. গ) অহিংস সমাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লব
  4. ঘ) ভোট কারচুপির অভিযোগে সংঘটিত বিপ্লব
ব্যাখ্যা
Velvet Revolution স্থানীয়ভাবে Gentle Revolution নামে পরিচিত। এটি ছিল চেকোস্লোভাকিয়ায় অহিংস সমাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লব। চেকোস্লোভাকিয়া কমিউনিস্ট পার্টির একদলীয় সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী এবং প্রবীণদের নেতৃত্বে ১৭ নভেম্বর থেকে ২৯ শে ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সালে এই বিক্ষোভটি হয়েছিল। এর ফলে চেকোস্লোভাকিয়ায় ৪১ বছরের একদলীয় শাসনের সমাপ্তি ঘটে। সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
১৬.
কোন বিপ্লবের ফলে তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক জয়নাল আবেদিন বেন আলী ক্ষমতাচ্যুত হন?
  1. ক) অক্টোবর বিপ্লব
  2. খ) স্যাফরন বিপ্লব
  3. গ) আগস্ট বিপ্লব
  4. ঘ) জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যা
তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক বেন আলি ১৯৮৭ সাল থেকে তিউনিশিয়া শাসন করে আসছিলেন। ওই অঞ্চলের অন্য অনেক দেশের মধ্যে বেশ সমৃদ্ধিশালী হিসেবেই পরিচিত ছিল তিউনিসিয়া। তবে সেই সমৃদ্ধি আপামর জনতার কল্যাণে কাজে লাগেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সমর্থনপুষ্ট ওই সরকার জনগণের যে কোনও ক্ষোভ ও প্রতিরোধকে কঠোর হাতে দমন করতো। কিন্তু ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষিত সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ বিন বোয়াজিজির আত্মাহুতিতে পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি পদত্যাগে বাধ্য হন তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক জায়নুল আবেদিন বেন আলী। তিউনিসিয়ায় ওই বিপ্লবকে বলা হয় ‘জেসমিন বিপ্লব’। সূত্র- আল জাজিরা, মিডল ইস্ট আই।
১৭.
আরব বসন্তের জেরে মিশরে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়-
  1. ক) ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি
  2. খ) ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর
  3. গ) ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি
  4. ঘ) ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত শুরু হয়েছিল তিউনিসিয়ায়। ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর নিজের গায়ে আগুন জ্বেলে বিপ্লবের মশাল জ্বেলে দেন তিউনিসিয়ার ফেরিওয়ালা বাওয়াজিজি। ঘুষ, দুর্নীতি, বেকারত্ব, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তা ছিল এক জ্বলন্ত বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহের আগুন আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এসব দেশ হচ্ছে তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন ও সিরিয়া। তিউনিসিয়ায় বিপ্লবের সফল পরিণতি উজ্জীবিত করে হোসনি মোবারকের স্বৈরশাসনে নিষ্পেষিত মিশরের সাধারণ মানুষকে। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি সে দেশেও বিপ্লবের গণজাগরণ সৃষ্টি করে। বিক্ষোভের পরিণতিতে এই বিপ্লবও সাফল্যের মুখ দেখে। মোবারক ১১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন। সূত্র- প্রথম আলো এবং ব্রিটানিকা।
১৮.
চীনের যুবকদের শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দর্শনের একটির স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) লাওৎসে
  2. খ) কনফুসিয়াস
  3. গ) জেনসিয়াস
  4. ঘ) ভলতেয়ার
ব্যাখ্যা
চীনের প্রভাবশালী দার্শনিক ছিলেন কনফুসিয়াস। তাঁর সময় চীনের সমাজ জীবন খুব উচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ে। তিনি চীনের যুবকদের শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দর্শনের একটির স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। কোরিয়া, জাপান, ভিয়েতনাম প্রভৃতি দেশেও তাঁর দার্শনিক চিন্তা গভীর প্রভাব বিস্তার করে। কনফুসিয়াসের দর্শন খ্রিস্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চীনে ধর্মে পরিণত হয়। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
১৯.
গ্রিসের কোন নাট্যকারকে বিয়োগান্তক নাটকের জনক বলা হয়?
  1. ক) এসকাইলাস
  2. খ) সোফোক্লিস
  3. গ) ইউরিপিদিস
  4. ঘ) এরিস্টোফেনেস
ব্যাখ্যা
‘এসকাইলাস’কে বিয়োগান্তক নাটকের জনক বলা হয়। তার রচিত বিখ্যাত দুটি নাটকের নাম ‘প্রমিথিউস বাউন্ড’ ও ‘আগামেমন’। গ্রিসের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ছিলেন সোফোক্লিস। তিনি একশটিরও বেশি নাটক রচনা করেন। তার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রাজা ‘অয়দিপাউস’, ‘আন্তিগোনে’ ও ‘ইলেকট্রা’ অন্যতম। আর এক বিখ্যাত নাট্যকারের নাম ইউরিপিদিস। এরিস্টোফেনেসের মিলনান্তক ও ব্যঙ্গ রচনায় বিশেষ খ্যাতি ছিল। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
২০.
চীনা পরিভাষায় ‘এ্যানিমেল ম্যান’ বলা হতো কাদের?
  1. ক) দাসদের
  2. খ) কৃষকদের
  3. গ) ভূস্বামীদের
  4. ঘ) যাযাবরদের
ব্যাখ্যা
অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার মতো চৈনিক সভ্যতায়ও সামাজিক বৈষম্য ছিল। সমাজে অনেক দাস ছিল। তাদের অবস্থা ছিল ভয়াবহ। সরকারিভাবে গবাদি পশু আর দাসদের একই তালিকায় রাখা হতো। চীনা পরিভাষায় এদের ‘এ্যানিমেল ম্যান’ বলা হতো। সাধারণ কৃষক ও ভূমিদাসদের অবস্থান ছিল সমাজে সবেচেয়ে নিচু স্তরে। ভূস্বামী ও কৃষকদের মধ্যে ব্যবধান ছিল আকাশপাতাল। সমাজ ছিল সম্পূর্ণভাবে অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণে। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২১.
বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক বলা হয়-
  1. ক) হেরোডোটাসকে
  2. খ) থুকিডাইডিসকে
  3. গ) হিপোক্রেটসকে
  4. ঘ) ফিদিয়াসকে
ব্যাখ্যা
ইতিহাস রচনায়ও গ্রিকরা কৃতিত্ব দেখিয়েছে। ইতিহাস রচনা শুরুই করে গ্রিকরা। হেরোডোটাস প্রথম ইতিহাস রচনা শুরু করেন বলে তাঁকে ইতিহাসের জনক বলা হয়। তাঁর রচিত ইতিহাস সংক্রান্ত প্রথম বইটি ছিল গ্রিস ও পারস্যের মধ্যকার যুদ্ধ নিয়ে। থুকিডাইডিস ছিলেন বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক। তাঁর বইটির শিরোনাম ছিল ‘দ্য পেলোপনেসিয়ান ওয়ার’। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২২.
কোন গ্রিক দার্শনিক প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) থ্যালেস
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল। থ্যালেস ছিলেন প্রথম দিককার দার্শনিক। তিনিই প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন। গ্রিসের যুক্তিবাদী দার্শনিকদের বলা হতো সফিস্ট। এরা বিশ্বাস করতেন যে চূড়ান্ত সত্য বলে কিছু নেই। গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র এথেন্সের রাজা পেরিক্লিস এদের অনুসারী ছিলেন। সক্রেটিস ছিলেন এ চিন্তার দার্শনিকদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান। তার শিক্ষার মূল দিক ছিল- আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তোলা। অন্যায় শাসনের প্রতিবাদ করার শিক্ষাও তিনি দেন। সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটলও একজন বড় দার্শনিক ছিলেন। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
২৩.
‘House of Wisdom’ বা ‘বায়তুল হিকমা’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) আবু আল আব্বাস
  2. খ) ইবনে আবু সুফিয়ান
  3. গ) হযরত আবু বকর(রা.)
  4. ঘ) হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
বাইতুল হিকমাহ ছিল আব্বাসীয় আমলে ইরাকের বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত একটি গ্রন্থাগার, অনুবাদকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটিকে ইসলামি স্বর্ণযুগের একটি প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাইতুল হিকমাহ খলিফা হারুনুর রশিদ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার পুত্র আল মামুন এর সময় তা সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌছায়।
২৪.
মার্টিন লুথার কিং কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) নাইজেরিয়া
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের দিকে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন ব্যাপকতা পায়। তখন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে জোরদার হয়ে ওঠে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন নেতা। তাঁরা জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে। এক্ষেত্রে ভারতের মহাত্মা গান্ধী, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, ডেসমন্ড টুটু, আমেরিকার মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, ম্যালকম এক্স প্রমুখের নাম বলা যেতে পারে।
২৫.
কোন ধর্ম গ্রন্থের অপর নাম ‘শ্রুতি’?
  1. ক) বেদ
  2. খ) ত্রিপিটক
  3. গ) বাইবেল
  4. ঘ) পুরাণ
ব্যাখ্যা
বেদ হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। ‘বেদ’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ জ্ঞান। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী বেদকে অপৌরুষেয় অর্থাৎ ঈশ্বরের বাণী বলে মনে করা হয়। বেদের এক নাম শ্রুতি। এর কারণ, লিপিবদ্ধ হওয়ার আগে দীর্ঘকাল বেদ ছিল মানুষের স্মৃতিতে বিধৃত। গুরুশিষ্য পরম্পরায় শ্রুতি অর্থাৎ শ্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেদ আয়ত্ত করা হতো। যেহেতু শোনা বা শ্রুতির মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি ঘটত তাই এ থেকে বেদের এক নাম হয় শ্রুতি। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
২৬.
কার ধর্মোপদেশকে ‘চতুর্যাম’ বলা হয়?
  1. ক) পার্শ্বনাথ
  2. খ) মহাবীর
  3. গ) শাক্যমুনি
  4. ঘ) গুরু নানক
ব্যাখ্যা
জৈন ঘটনাপঞ্জি মতে চব্বিশ জন তীর্থঙ্কর এ ধর্মের মতবাদ প্রচার করেন। এঁদের মধ্যে তেইশতম প্রচারক পার্শ্বনাথ ও চব্বিশতম মহাবীর ছিলেন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। মহাবীর ছিলেন গৌতম বুদ্ধের সমসাময়িক এবং তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৪০ থেকে ৪৬৮ অব্দ পর্যন্ত বেঁচেছিলেন। তাঁর পূর্বসূরি পার্শ্বনাথের আবির্ভাব ঘটে প্রায় আড়াই শ বছর আগে। পার্শ্বনাথ ও মহাবীরের শিক্ষা থেকেই জৈন ধর্মমতের উৎপত্তি। পার্শ্বনাথের ধর্মোপদেশকে বলা হয় চতুর্যাম। এতে পরিত্রাণের চারটি উপায়ের কথা বলা হয়েছে, যথা- সর্বজীবে দয়া, মিথ্যাকথন থেকে বিরত থাকা, চৌর্যবৃত্তিতে অংশ না নেওয়া এবং পার্থিব সম্পদ থেকে দূরে থাকা। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
২৭.
ইহুদীদের উপাসনালয়ের নাম-
  1. ক) কিয়াং
  2. খ) সিনাগগ
  3. গ) গির্জা
  4. ঘ) প্যাগোডা
ব্যাখ্যা
ইহুদীদের উপাসনালয়ের নাম সিনাগগ। যা কেবল ধর্মীয় প্রার্থনার জন্য নয়, এটি ধর্ম সম্পর্কিত সমাবেশ ও অধ্যয়নের জায়গা হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। এর প্রচলিত ক্রিয়াকলাপগুলি তিনটি ভাগে বিভক্ত: bet ha-tefilla (“house of prayer”) বা (''প্রার্থনার ঘর''), bet ha-kneset (“house of assembly”) বা (''সমাবেশের ঘর''), এবং bet ha-midrash (“house of study”) বা (''অধ্যয়নের ঘর'')। সূত্র-ব্রিটানিকা।
২৮.
রোমে ঐতিহাসিক দাস বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?
  1. ক) স্পার্টাকাস
  2. খ) বেন হুর
  3. গ) ক্লডিয়াস
  4. ঘ) নিরো
ব্যাখ্যা
রোমে ঐতিহাসিক দাস বিদ্রোহ (Third Servile War, also called Gladiator War and Spartacus Revolt) ৭৩-৭১ খ্রিস্টপূর্বেব্দে স্পার্টাকাসের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়। স্পার্টাকাসের উদ্দেশ্য ছিল দাসদেরকে মুক্ত করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং তাদের অধিকার আদায় করা। কিন্তু ৭১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে স্পার্টাকাস নিহত হলে এই বিদ্রোহের অবসান হয়। চরম নির্যাতন নেমে আসে দাসদের উপর। সূত্র-ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২৯.
প্রাচীন রোমের শেষ সম্রাট ছিলেন-
  1. ক) অগাস্টাস ‍সিজার
  2. খ) মার্ক অ্যান্টনি
  3. গ) লেপিডাস
  4. ঘ) রোমিউলাস অগাস্টুলাস
ব্যাখ্যা
প্রাচীন রোমে একযোগে তিন নেতা-অক্টেভিয়ানাস ‍সিজার, মার্ক অ্যান্টনি এবং লেপিডাস এর মিলিত শাসন ব্যবস্থা ‘ত্রয়ী শাসন’ নামে খ্যাত। রোমের শেষ সম্রাট রোমিউলাস অগাস্টুলাস জার্মান বর্বর গোত্রের আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যার্থ হলে ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে রোমান সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন ঘটে। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৩০.
‘বিপ্লবী মার্কসবাদী পার্টি’ গড়ে তোলার জন্য জার নিকোলাসের সরকার ভ্লাদিমির লেনিন কে নির্বাসনে পাঠায়-
  1. ক) জার্মানিতে
  2. খ) অস্ট্রিয়ায়
  3. গ) সুইজারল্যান্ডে
  4. ঘ) সাইবেরিয়ায়
ব্যাখ্যা
লেনিন নারোদবাদী ও বৈধ মার্কসবাদীদের বিরুদ্ধে ‘বিপ্লবী মার্কসবাদী পার্টি’ গড়ে তোলার জন্য জার নিকোলাসের সরকার ১৮৯৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি লেনিনকে তিন বছরের জন্য সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত করে। সেখানে থাকা ভ্লাদিমির লেনিনের পক্ষে সহজ ছিল না। বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ট্রিয়া সরকার জার সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে লেনিনকে গ্রেফতার করে। তবে লেনিনের সমর্থকদের বিক্ষোভের কারণে দুই সপ্তাহ পর তিনি ছাড়া পেয়ে সুইজারল্যান্ড চলে যান। বিভিন্ন স্থানে গোপনে রাজনৈতিক কাজ করে প্রায় ১০ বছর পর ১৯১৭ সালের ৩ এপ্রিল রাতে লেনিন রাশিয়ায় পৌঁছতে সক্ষম হন এবং বলশেভিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন।