পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪ Topics: উপমহাদেশ ইউরোপীয়দের আগমন, ইংরেজ শাসন ও ইংরেজ শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম ও সমাজ সংস্কার আন্দলনসমূহ। দেশ ভাগ, ভাষা আন্দোলন ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচন, ৫৬ - এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন পাকিস্তানে সামরিক শাসন ও শাসন বিরোধী আন্দোলন। ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’-পুস্তিকাটির লেখক নন?
  1. ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যা
- 'তমদ্দুন মজলিস' ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
এই পুস্তিকার নিবন্ধন সমূহের লেখক ছিলেন,
- কাজী মোতাহার হোসেন
- অধ্যাপক আবুল কাশেম এবং
- আবুল মনসুর আহমদ।
- পুস্তিকাটি সম্পাদনা করেন অধ্যাপক আবুল কাশেম।

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কোথায় ঘোষণা করেন “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে
  2. খ) রেসকোর্স ময়দানে
  3. গ) কার্জন হলে
  4. ঘ) গণপরিষদ অধিবেশনে
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন, “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”।
- উভয় স্থানেই তার এই ঘোষণা উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা ‘না না’ ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
দেশ ভাগের সময় আসামের কোন জেলাটি গনভোটের মাধ্যমে পাকিস্তানে যোগ দেয়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালের ৩ জুলাই সরকারি ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ৬ ও ৭ জুলাই সিলেটে গণভোটের তারিখ নির্ধারিত হয়।
- সিলেট পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত পূর্ববাংলায় যোগদান করবে, নাকি ভারতের অন্তর্ভুক্ত আসাম প্রদেশে থাকবে তা নির্ধারণের জন্যই গণভোটের ব্যবস্থা করা হয়।
- গণভোট পরিচালনার জন্য এইচ.সি স্টর্ককে রেফারেন্ডাম কমিশনার নিযুক্ত করা হয়।
- ২৩৯টি কেন্দ্রের জন্য নিযুক্ত করা হয় ৪৭৮ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও ১৪৩৪ জন পুলিং অফিসার।

গণভোটের ফলাফল ছিল নিম্নরূপ-
মোট ভোট ছিল- ৫৪৬৮১৫
পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত পূর্ববাংলায় যোগদানের পক্ষে ভোট পড়ে- ২৩৯৬১৯
ভারতের অন্তর্ভুক্ত আসাম প্রদেশে যোগদানের পক্ষে ভোট পড়ে- ১৮৪০৪১

সুতরাং সিলেটবাসী বিপুল ভোটাধিক্যে পূর্ববঙ্গের সাথে অন্তর্ভুক্তির পক্ষে রায় দেয়।
- ৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই’র ভারত স্বাধীনতা আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী গণভোট সংক্রান্ত কার্যক্রমের বৈধতা দেওয়া হয়।
- ১৯৪৭ সালের ১২ আগস্ট প্রকাশিত র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ অনুযায়ী করিমগঞ্জের কয়েকটি থানা ও পার্শ্ববর্তী অধিকাংশ মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল আসামের অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন -
  1. ক) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. খ) এন্ড্রু ফ্রেজার
  3. গ) ব্যামফিল্ড ফুলার
  4. ঘ) লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বঙ্গভঙ্গ অবিভক্ত বাংলায় তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়। স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার নতুন প্রদেশের লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিযুক্ত হন। 
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা। এ প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন এন্ড্রু ফ্রেজার। 
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ
  2. খ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
  3. গ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৫০ সালের ৩১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৫০ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

অন্যদিকে, 
⇨ ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
⇨ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
⇨ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
⇨ কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন -
  1. ক) আবুল হাসেম
  2. খ) আবুল কালাম
  3. গ) আবুল কালাম আজাদ
  4. ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
• প্রতিষ্ঠা - ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
• উদ্যোক্তা - অধ্যাপক আবুল কাশেম, পদার্থবিজ্ঞান , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
• অন্য সদস্যরা ছিলেন- কাজী মোতাহার হোসেন,আবুল মনসুর আহমদ
• ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে পুস্তিকা প্রকাশ- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।
• প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক- অধ্যাপক আবুল কাশেম।
• প্রথম সভাপতি- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজ সেনাপতি ছিলেন -
  1. ক) মীর কাশিম
  2. খ) রবার্ট ক্লাইভ
  3. গ) সিনফ্রে
  4. ঘ) মেজর মনরো
ব্যাখ্যা
• ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনীর সাথে মেজর মনরো নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
• তাদের সম্মিলিত বাহিনী বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়।
• বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।
• এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতা পুরোপুরি বিনষ্ট হয়। ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।
• যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়ে নিদারুণ দুঃখকষ্ট ও দারিদ্র ভোগ করে ১৭৭৭ সালের ৬ জুন জন্মভূমি থেকে অনেক দূরে শাজাহানাবাদের এক অখ্যাত পল্লীতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন মীর কাসিম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
.
১৯৪৭ সালের ৩ জুন পরিকল্পনা পেশ করেন কে?
  1. ক) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) এ কে ফজলুল হক
  3. গ) বলদেব সিং
  4. ঘ) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা
• মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার পর ভারতে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা নিয়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে চরম অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
• মুসলিম লীগ ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস এবং ২ সেপ্টেম্বর ‘কালাে দিবস' ঘােষণা করলে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটলি ১৯৪৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘােষণা প্রদান করেন।
• ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ঘােষণাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার জন্য লর্ড ওয়াভেলের স্থলে লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ভারতের নতুন ভাইসরয় নিয়ােগ করেন।
• লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ দিল্লিতে আগমন করেন এবং ২৪ মার্চ শপথ গ্রহণ করেন।
• কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতাদের সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সৃষ্টির জন্য তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালান।
• ১৯৪৭ সালের ২ জুন নেহেরু, জিন্নাহ ও শিখ নেতা বলদেব সিং-এর সাথে ঘরােয়া বৈঠকে মিলিত হয়ে মাউন্টব্যাটেন যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন তা তিনি ১৯৪৭ সালের ৩ জুন জনগণের সামনে তুলে ধরেন।
• এটিই ৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলায় আগমনকারী প্রথম ইউরোপীয় বণিক -
  1. ক) ওলন্দাজ
  2. খ) ইংরেজ
  3. গ) পর্তুগিজ
  4. ঘ) ফরাসি
ব্যাখ্যা
পর্তুগীজ
• পর্তুগালের অধিবাসীরা পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত। 
• ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
• আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। 
• উপমহাদেশে আগমন- ১৪৯৮ 
• বাংলায় আগমন- ১৫১৬ (হুগলি)
• বাংলায় প্রথম কুঠি-১৫১৭ (হুগলি)
• বাংলা ত্যাগ-১৬৬৬ চট্রগ্রাম থেকে 
• ভারত ত্যাগ-১৯৬১ গয়া থেকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।