পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ টপিক রিভিশন [ICT Expert সম্পূর্ণ সিলেবাস] [Live Class – (1-22]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
হাফ-অ্যাডার ব্যবহার করে ফুল-অ্যাডার বাস্তবায়নের জন্য কী প্রয়োজন?
  1. NOR Gate
  2. OR Gate
  3. AND Gate
  4. NAND Gate
ব্যাখ্যা

◉ ফুল-অ্যাডার (Full Adder) কে হাফ-অ্যাডার (Half Adder) ব্যবহার করে বাস্তবায়ন করা যায়। তবে, যেহেতু হাফ-অ্যাডার কেবল দুটি বিট যোগ করতে পারে এবং ক্যারি ইনপুট গ্রহণ করতে পারে না, তাই ফুল-অ্যাডার তৈরি করতে দুটি হাফ-অ্যাডার এবং একটি OR গেট প্রয়োজন

অর্ধযোগের বর্তনী দ্বারা পূর্ণযোগের বর্তনী বাস্তবায়ন:
- হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল এডার তৈরীর জন্য ২টি Half-adder এবং Carry যোগের জন্য ১টি অতিরিক্ত অর গেইটের প্রয়োজন হয়।

ধরি, একটি পূর্ণযোগের বর্তনীর ইনপুট সংকেত ও ক্যারি যথাক্রমে A, B ও Ci এবং আউটপুট বা যোগফল S এবং ক্যারি Co।
- নিম্নে হাফ এডার দ্বারা ফুল এডার বাস্তবায়নের ব্লক ডায়াগ্রাম দেয়া হলো-

প্রথম হাফ-অ্যাডারের ইনপুট A ও B থেকে যোগফল S ও ক্যারি C পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ-অ্যাডারে ইনপুট হিসেবে ১ম অ্যাডারের যোগফল ST ও ক্যারি C দেয়া হয়, যার থেকে যোগফল S2 ও ক্যারি C2 পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের যোগফলই হবে ফুল অ্যাডারের যোগফল।
- ১ম ও ২য় হাফ অ্যাডারের ক্যারি যোগ করে পাওয়া যাবে ফুল অ্যাডারের ক্যারি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ (PDA) এর পূর্নরূপ কী?
  1. Personal Digital Assistant
  2. Programmable Data Analyzer
  3. Pushdown Automaton
  4. Portable Data Analyzer
ব্যাখ্যা

◉ পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ (PDA) হলো একটি ছোট এবং বহনযোগ্য ডিভাইস, যা মূলত ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কম্পিউটিং কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
পিডিএ-এর পূর্ণরূপ হলো পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Personal Digital Assistant)।

পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ওসিআরে (OCR) ইমেজ ট্রান্সলেশনের জন্য কোন ধরনের কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ইবিসিডিক কোড
  2. বিসিডি কোড
  3. অ্যাসকি কোড
  4. ইউনিকোড
ব্যাখ্যা

◉ OCR (Optical Character Recognition) হলো একটি প্রযুক্তি যা ইমেজের টেক্সটকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।
OCR সফটওয়্যার ইমেজে থাকা অক্ষরগুলোকে স্ক্যান করে এবং তাদের ASCII (American Standard Code for Information Interchange) কোডে রূপান্তরিত করে।

ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
সিআরটি মনিটরের পিকচার টিউবে কতগুলি মৌলিক বর্ণ ব্যবহার করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

◉ সিআরটি (Cathode Ray Tube) মনিটরে তিনটি মৌলিক বর্ণ (Primary Colors) থাকে।
এই তিনটি প্রাথমিক রঙ হল:
- লাল (Red), 
- সবুজ (Green), 
- নীল (Blue).
এগুলিকে একসাথে "RGB Color Model" বলা হয়।

সিআরটি মনিটর:
- CRT এর পূর্ণরূপ হলো Cathod Ray Tube.
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
কোন কোম্পানি তাদের এন্টারপ্রাইজ কম্পিউটিং সমাধানের জন্য পরিচিত?
  1. আইবিএম (IBM)
  2. গুগল (Google)
  3. মেটা (Meta)
  4. ইয়াহু (Yahoo)
ব্যাখ্যা

◉ IBM তাদের এন্টারপ্রাইজ কম্পিউটিং (Enterprise Computing) সমাধানের জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।

আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

IBM-এর প্রধান সার্ভিসসমূহ,
- Enterprise Servers & Mainframes – IBM Z Series,
- Cloud Computing (IBM Cloud, Hybrid Cloud solutions),
- Artificial Intelligence (Watson AI),
- Cybersecurity & Data Analytics,
- Blockchain & Quantum Computing Research.

উৎস: IBM website. [লিংক]

.
যদি IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে থাকে, তবে এটি কোন ক্লাসের IP?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
ব্যাখ্যা

◉ IPv4 এর প্রথম কোয়াড্রেটের মান 128 থেকে 191 এর মধ্যে থাকলে এটি B ক্লাসের আইপি।

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

.
Many to Many Relation বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একটিমাত্র রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
  2. একাধিক টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একটিমাত্র রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
  3. একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
  4. একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

◉ Many to Many Relation বলতে বোঝায়, একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত।

ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।

Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
কোন প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টের সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষর অনুমোদিত?
  1. X
  2. Facebook
  3. Instagram
  4. LinkedIn
ব্যাখ্যা

X (টুইটার)-এ একটি টুইটের সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষর অনুমোদিত। এটি টুইটারের একটি বৈশিষ্ট্য, যা ব্যবহারকারীদের সংক্ষিপ্ত এবং কার্যকর বার্তা শেয়ার করতে সাহায্য করে। পূর্বে এই সীমা ছিল ১৪০ অক্ষর, কিন্তু ২০১৭ সালে এটি বাড়িয়ে ২৮০ অক্ষর করা হয়।

'X' (টুইটার):
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'.
- 'X' (টুইটার) হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino. তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- 'X' (টুইটার ) এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট।

.
গুগল ডকস কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার আওতাভুক্ত?
  1. অবকাঠামোগত সেবা
  2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. সফটওয়্যার সেবা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

Google Docs হলো একটি SaaS (Software as a Service) প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডকুমেন্ট তৈরি, সম্পাদনা এবং সংরক্ষণ করতে পারেন। এটি অনলাইন ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে ব্যবহারকারীদের আলাদা সফটওয়্যার ইনস্টল করার দরকার হয় না।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- এটি ক্লাউডে ভার্চুয়াল মেশিন, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি সরবরাহ করে।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure, Google App Engine.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হচ্ছে -
  1. ENIAC-1
  2. EDSAC
  3. UNIVAC-1
  4. MARK-1
ব্যাখ্যা

◉ ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, এবং প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটার।

ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) এডস্যাক (EDSAC) – এটি ছিল প্রথম স্টোরড প্রোগ্রাম কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে চালু হয়েছিল।
(গ) পিডিপি-৮ (PDP-8) – এটি ছিল প্রথম মিনি কম্পিউটার, যা ১৯৬৫ সালে বাজারে আসে।
(ঘ) MARK-1 - MARK-1 ছিল বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার। 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
হেক্সাডেসিমেলে 5D এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 82
  2. 83
  3. 92
  4. 93
ব্যাখ্যা

◉ হেক্সাডেসিমাল 5D এর দশমিক মান হলো 93.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(5D)16
= 13 × 160 + 5 × 161
= 13 × 1 + 5 × 16
= 13 + 80
= 93
সুতরাং, (5D)16 = (93)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ডের স্লট নয়?
  1. AGP slot
  2. RAM slot
  3. SATA slot
  4. PCI slot
ব্যাখ্যা

◉ SATA পোর্ট একটি কানেক্টর যা হার্ড ড্রাইভ, SSD বা অপটিক্যাল ড্রাইভের সাথে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্লট নয়, বরং একটি পোর্ট।

মাদারবোর্ড (Motherboard):
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

মাদারবোর্ডের স্লট:
- AGP slot,
- RAM slot,
- PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় কোন ফাইল সিস্টেমের মাধ্যমে?
  1. FAT32
  2. NTFS
  3. ext4
  4. HFS+
ব্যাখ্যা

◉ NTFS (New Technology File System) হল একটি ফাইল সিস্টেম যা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহারকারীর ডিস্ক কোটা (Disk Quota) সেট করার সুবিধা প্রদান করে, যার মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ ডিস্ক স্পেস ব্যবহার করতে পারবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

NTFS:
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
FAT32: এটি একটি সাধারণ ফাইল সিস্টেম, কিন্তু ডিস্ক কোটা সাপোর্ট করে না।
ext4: এটি লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।  
HFS+: এটি ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।  

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
কম্পিউটার সিস্টেমে ক্যাশ মেমোরি হিসেবে কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. SRAM
  2. SDRAM
  3. DRAM
  4. PROM
ব্যাখ্যা

ক্যাশ মেমোরি হিসেবে SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি দ্রুতগতির এবং CPU-এর কাছে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৫.
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত রেজিস্টার কোন উপাদান বা প্রযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়
  1. ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  2. ট্রানজিস্টর
  3. হার্ডডিস্ক প্লেটার
  4. ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা

◉ রেজিস্টার হলো ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের একটি মৌলিক উপাদান, যা ডেটা সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্লিপ-ফ্লপ দিয়ে তৈরি হয়, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপগুলি বাইনারি ডেটা (0 এবং 1) সংরক্ষণ করতে সক্ষম।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
রিচার্ড ফাইনম্যানকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জনক
  2. ন্যানো প্রযুক্তির জনক
  3. কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক
  4. রোবোটিক্সের জনক
ব্যাখ্যা

◉ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ছিলেন একজন বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।
- তিনি ১৯৫৯ সালে "There's Plenty of Room at the Bottom" শিরোনামে একটি বক্তৃতা দেন, যেখানে তিনি অণু ও পরমাণুর স্কেলে পদার্থ নিয়ন্ত্রণের ধারণা দেন।
- তার এই ধারণাই পরবর্তীতে ন্যানো প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করে, এজন্য তাকে "ন্যানো প্রযুক্তির জনক" বলা হয়।

ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, ওয়ার্নার হেইজেনবার্গ, এরউইন শ্রডিংগার প্রমুখ।
গ) অ্যালান টুরিং (Alan Turing)-কে সাধারণত কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
ঘ) জোসেফ এঙ্গেলবার্গ (Joseph Engelberger)-কে আধুনিক রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

১৭.
কোন ডাটাবেজ কনস্ট্রেন্টটি একটি টেবিলের ডেটাকে অন্য টেবিলের নির্দিষ্ট কলামের সাথে সংযুক্ত রেখে ডাটা ইন্টিগ্রিটি নিশ্চিত করে?
  1. প্রাইমারি কী (Primary Key)
  2. ফরেন কী (Foreign Key)
  3. ইনডেক্সিং (Indexing)
  4. ট্রিগার (Trigger)
ব্যাখ্যা

ফরেন কী (Foreign Key) হল একটি ডাটাবেজ কনস্ট্রেন্ট, যা একটি টেবিলের নির্দিষ্ট কলামকে অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী (Primary Key) এর সাথে সংযুক্ত রাখে এবং ডাটা ইন্টিগ্রিটি বজায় রাখে। এটি দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করতে সাহায্য করে।

কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

প্রাইমারি কী (Primary Key)
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key)
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

ফরেন কী (Foreign Key)
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন
  2. ফায়ারওয়াল সুরক্ষা
  3. ভাইরাস স্ক্যানিং
  4. হার্ডওয়্যার রিপেয়ার
ব্যাখ্যা

◉ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হল একটি নিরাপত্তা প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারের ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার সনাক্ত ও অপসারণ করে। তবে এটি হার্ডওয়্যার রিপেয়ার (Hardware Repair) করতে পারে না।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
১. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন, 
২. ভাইরাস স্ক্যানিং, 
৩. সিগনেচার-ভিত্তিক ডিটেকশন, 
৪. হিউরিস্টিক অ্যানালাইসিস, 
৫. অটোমেটিক আপডেট, 
৬. ফায়ারওয়াল ইন্টিগ্রেশন, ইত্যাদি। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৯.
নিচের কোনটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এ ব্যবহৃত কোয়ান্টাম বিট (Qubit) এর বৈশিষ্ট্য?
  1. এটি শুধুমাত্র 0 বা 1 অবস্থায় থাকতে পারে
  2. এটি একই সাথে 0 এবং 1 অবস্থায় থাকতে পারে
  3. এটি শুধুমাত্র 0 অবস্থায় থাকতে পারে
  4. এটি শুধুমাত্র 1 অবস্থায় থাকতে পারে
ব্যাখ্যা

◉ কোয়ান্টাম বিট বা কুবিট (Qubit) হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর মৌলিক একক, যা ক্লাসিক্যাল বিটের তুলনায় আরও শক্তিশালী কারণ এটি শুধুমাত্র 0 বা 1 নয়, বরং একই সাথে 0 এবং 1 উভয় অবস্থায় থাকতে পারে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে সুপারপজিশন (Superposition) বলা হয়।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২০.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. Python
  2. Java
  3. HTML
  4. C#
ব্যাখ্যা

◉ Python, Java, এবং C++ হল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ব্যবহার করে সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন, স্ক্রিপ্ট এবং প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।
- HTML (HyperText Markup Language) একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ওয়েব পেজের কাঠামো এবং কন্টেন্ট ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।