পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
Exam - 1 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-1 Topic: Section: 1 - 93C • Preliminary • The constitution of criminal courts and offices • Powers of courts • Aid and information to the magistrates • The police and persons making arrests • Arrest, Escape and Retaking • Processes to compel appearance
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
বর্তমানে বলবৎ ফৌজদারি কার্যবিধি কত তারিখ হতে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৮৬১ সালের ১লা মার্চ
  2. ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
  3. ১৮৮৯ সালের ১লা জুলাই
  4. ১৮৯৮ সালের ১লা মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
.
Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898 defines-
  1. Charge
  2. Inquiry
  3. Investigation
  4. Complaint
সঠিক উত্তর:
Inquiry
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inquiry
ব্যাখ্যা
• Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898:
"inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন।

⇒ Other Options:
Section 4(c)- "charge" includes any head of charge when the charge contains more heads than one.

Section 4(H)- "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

Section 4(L)- "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf.
.
'দণ্ডবিধির অপরাধসমূহের বিচার ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে'- কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫(১)
  4. ধারা ৫(২)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(১)
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধের বিচার:
(১) দণ্ডবিধির অধীনে সমস্ত অপরাধ তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং এর পরে বর্ণিত বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

অন্যান্য আইনের অধীনে অপরাধের বিচার:
(২) যেকোনো অন্যান্য আইনের অধীনে সমস্ত অপরাধ একই বিধানের অধীনে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং পরিচালিত হবে, তবে বর্তমান প্রচলিত কোনো আইন অনুসারে এমন অপরাধ তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যভাবে পরিচালনার পদ্ধতি বা স্থান নিয়ন্ত্রণের জন্য যেকোনো বিধানের অধীন থাকবে।

Section 5- Trial of offences under Penal Code:
(1) All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.

Trial of offences against other laws-
(2) All offences under any other law shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the same provisions, but subject to any enactment for the time being in force regulating the manner or place of investigating, inquiring into, trying or otherwise dealing with such offences.
.
"Magistrate" শব্দটি যদি কোনো বিশেষ শব্দ ছাড়া ব্যবহৃত হয়, তবে তা কাকে নির্দেশ করবে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
Code of Criminal Procedure,1898-এ কোথাও শুধু 'Magistrate' শব্দ থাকলে তা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) নির্দেশ করবে।

• ৪ক ধারায় বলা আছে যে-
Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
.
দায়রা বিভাগ গঠনে কয়টি জেলা থাকতে পারে?
  1. দুই বা তার বেশি
  2. এক বা একাধিক
  3. সর্বনিম্ন তিনটি
  4. সর্বোচ্চ চারটি
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারা: দায়রা বিভাগ এবং জেলা-
(১) বাংলাদেশ দায়রা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
বাংলাদেশ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে বিভক্ত থাকবে এবং এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে প্রতিটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হিসেবে গণ্য হবে বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত হবে।

(২) বিভাগ এবং জেলার সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা:
সরকার এই দায়রা বিভাগ এবং জেলার সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।

(৩) বিদ্যমান বিভাগ এবং জেলা বহাল থাকবে:
এই কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে দায়রা বিভাগ এবং জেলা বিদ্যমান থাকবে, সেগুলো দায়রা বিভাগ এবং জেলা হিসেবে বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সেগুলো পরিবর্তন করা হয়।

(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা:
মেট্রোপলিটন এলাকা এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একটি দায়রা বিভাগ হিসেবে গণ্য হবে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা কোন বিষয়ে সম্পর্কিত?
  1. জেলা আদালতের বিচার ক্ষমতা
  2. বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার অধীনে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত হচ্ছে-
  1. দায়রা আদালত ও জেলা আদালত
  2. জেলা আদালত ও হাইকোর্ট
  3. সুপ্রীম কোর্ট ও জেলা আদালত
  4. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
.
গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে, যদি উক্ত ব্যক্তি-
  1. আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  3. মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৬ ধারা: গ্রেপ্তারের পদ্ধতি
৪৬(১) ধারা:
যদি কথাবার্তা বা কাজের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়, তাহলে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির দেহ স্পর্শ করতে পারবে না।

৪৬(২) ধারা:
যদি কোনো ব্যক্তি গ্রেপ্তার হতে বাধা দেন বা গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করেন, তবে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে আইনি পন্থা অবলম্বন করতে পারবে।

৪৬(৩) ধারা:
যদি ব্যক্তিটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত না হয়, তবে গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
.
What is the maximum sentence that a Magistrate specially empowered under Section 29C can pass?
  1. Death sentence
  2. Life imprisonment
  3. Seven years imprisonment
  4. Ten years imprisonment
সঠিক উত্তর:
Seven years imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seven years imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে,
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A⇒  Higher powers of certain Magistrates:
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ___________ ধারায় বলা আছে, পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা বা জামিন বা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
  1. ৬০
  2. ৬১
  3. ৬২
  4. ৬৩
সঠিক উত্তর:
৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩
ব্যাখ্যা
• ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারায় কীসের সর্বোচ্চ মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. একাধিক বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  2. একই বিচারে কতিপয় অপরাধে একাধিক দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  3. একাধিক বিচারে একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  4. একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
সঠিক উত্তর:
একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
 
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
 
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
১২.
ফৌজদারি সমন জারী করার জন্য প্রধান শর্ত কী?
  1. বিচারকের মৌখিক নির্দেশ
  2. স্থানীয় থানার অনুমোদন
  3. মামলার সাক্ষীর স্বাক্ষর
  4. লিখিত ফরমে বিচারকের স্বাক্ষর এবং সীলমোহর
সঠিক উত্তর:
লিখিত ফরমে বিচারকের স্বাক্ষর এবং সীলমোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত ফরমে বিচারকের স্বাক্ষর এবং সীলমোহর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।

(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি ক্রোকের বিরুদ্ধে দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে কত সময়ের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে,
যদি কারো সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং সেই সম্পত্তির ওপর কারো দাবি বা আপত্তি থাকে (যিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি নন), তাহলে তিনি সেই দাবি বা আপত্তি ক্রোকের ছয় মাসের মধ্যে জানাতে পারবেন। যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার সম্পত্তির ওপর অধিকার আছে এবং সেটি ক্রোক করা উচিত নয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর দাবি বা আপত্তি পুরোপুরি বা আংশিকভাবে গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

অতিরিক্ত শর্ত: যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারী মারা যান, তাহলে তার উত্তরাধিকারী সেই দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবেন।

Section 88(6A)-  If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part: 
 
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.
১৪.
গ্রেফতারকালীন সময়ে পুলিশ আটককৃত ব্যক্তির নিকট হতে আক্রমণাত্মক অস্ত্র আটক করলে, কী করবে?
  1. নিজের কাছে রাখবেন
  2. আদালতে জমা দেবে
  3. থানায় জমা রাখবে
  4. অস্ত্র ধ্বংস করবে
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা দেবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারা: আক্রমণাত্মক অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা-
এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

Section 53: Power to seize offensive weapons-
The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
১৫.
Who are considered ex-officio Justices of the Peace for the entire country of Bangladesh?
  1. District Magistrates
  2. Sessions Judges
  3. Judges of the Supreme Court
  4. Chief Judicial Magistrates
সঠিক উত্তর:
Judges of the Supreme Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judges of the Supreme Court
ব্যাখ্যা
Section 25- Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস-
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 
১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির _______ অনুসারে, গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহতল্লাশি করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া তাঁর নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৫১ ধারা
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা অনুসারে, গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহতল্লাশি করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া তাঁর নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি ৫১ ধারা: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তল্লাশি:

যখন কোনো ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার গ্রেফতার করেন এমন এক পরোয়ানায় যা জামিন দেওয়ার সুযোগ দেয় না, অথবা জামিন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং
যখন কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার হন কোনো পরোয়ানা ছাড়া, অথবা কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি গ্রেফতার করেন পরোয়ানায়, এবং সেই ব্যক্তি আইনগতভাবে জামিন নিতে অক্ষম অথবা জামিন দিতে অক্ষম,
তাহলে গ্রেফতারকারী অফিসার বা, যদি গ্রেফতারটি কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি করে থাকে, তবে পুলিশ অফিসার, যাকে সেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সোপর্দ করেন, সেই ব্যক্তি তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছ থেকে সমস্ত জিনিসপত্র, প্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড় ছাড়া, নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।

Section 51- Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and 
Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail, 
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.
১৭.
পলাতক ব্যক্তিকে সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে হাজির হবার নির্দেশ দিয়ে আদালত লিখিত হুলিয়া জারি করতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারা-
(১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হবার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারী করতে পারবেন।

(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারী করতে হবেঃ
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।

(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারী হয়েছে তাহলো উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, গ্রেফতারী কার্যক্রম পরিচালনাকারী কাকে তল্লাশি করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. যে কোনো ব্যক্তিকে
  3. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. গ্রেফতারী পরোয়ানায় কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিশ অফিসার
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানায় কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানায় কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:-
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারায় ১৫ বছরের কম বয়সী অপরাধী কিশোরদের জন্য বিচার কিভাবে সম্পন্ন হবে?
  1. কোন বিচার হবে না
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বিচার করবেন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
  4. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
২০.
'BLAST V/S Bangladesh' মামলায় কোন ধারার অধীনে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল?
  1. ৫০ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা মতে, গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করার সময় পুলিশ অফিসার কী করবেন?
  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা পুনরায় যাচাই করবেন
  2. আদালতে অভিযোগ দায়ের করবেন
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করবেন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারী পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করবেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা- পরোয়ানার সারমর্ম নোটিশকরণ:
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, যাকে গ্রেফতার করা হবে, তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।

Section 80- Notification of substance of warrant:
The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা কোন ধরনের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. পরোয়ানা সহিত গ্রেফতার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রেফতার
  3. বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
  4. সাধারন নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার
সঠিক উত্তর:
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

Section 61: Person arrested not to be detained more than twenty-four hours-
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭(৩) ধারা অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তির সঠিক নাম বা বাসস্থান জানা না যায়, তাহলে তাকে কোথায় পাঠানো হবে?
  1. থানায়
  2. আদালতে
  3. নির্বাহী যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারা- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
২৪.
Section 32(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898 allows Magistrates to:
  1. Refer sentencing to a higher court
  2. Impose only one type of sentence at a time
  3. Combine any lawful sentences authorized by law
  4. Increase the punishment beyond authorized limits
সঠিক উত্তর:
Combine any lawful sentences authorized by law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Combine any lawful sentences authorized by law
ব্যাখ্যা
Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
২৫.
একজন সাধারণ নাগরিক কাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  3. আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender].

• ৫৯ ধারা তে বলা আছে-
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২৬.
ফৌজদারি মামলার কোনো অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার পদ্ধতির কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. ক্রোকাদেশ > সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা
  2. সমন > ক্রোকাদেশ > গ্রেফতারি পরোয়ানা
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ > সমন
  4. সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
সঠিক উত্তর:
সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
ব্যাখ্যা
• সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ।

• ফৌজদারি মামলার কোন আসামিকে আদালতে হাজির করার পদ্ধতি: 
i) সমন জারি;
ii) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি; অথবা
iii) হুলিয়া জারি এবং সম্পত্তি ক্রোক করার মাধ্যমে।
 
ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:
১. সর্বপ্রথম আদালত সমন (সাধারণ নোটিশ) জারি করে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হওয়ার জন্য।
২. যদি সমন অমান্য করা হয়, তাহলে আদালত ওয়ারেন্ট বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হাজির করার জন্য।
৩. যদি ওয়ারেন্টও অমান্য করা হয়, তাহলে আদালত হুলিয়া বা ক্রোকাদেশ প্রদান করে।
২৭.
ধারা ৯২ অনুযায়ী, হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গের কারণে পরোয়ানা জারি হয়, যদি:
  1. ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
  2. আদালত জামিন না দেয়
  3. যখন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের হয়
  4. ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হয়
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত না হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা জনসাধারণকে অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্যের বাধ্যবাধকতা প্রদান করে?
  1. ৪০ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে, জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
২৯.
সমন যদি আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে জারি করতে হয়, তবে উক্ত সমন কার কাছে পাঠানো হবে?
  1. স্থানীয় থানায়
  2. সরাসরি ব্যক্তির নিকট
  3. সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. সমন বাতিল করা হবে
সঠিক উত্তর:
সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
৩০.
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী সময় কোন বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে?
  1. অপরাধের ধরন
  2. শালীনতা
  3. শাস্তির মেয়াদ
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচিতি
সঠিক উত্তর:
শালীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৩১.
Section 36 of the Criminal Procedure Code grants Magistrates which type of powers?
  1. Special powers
  2. Ordinary powers
  3. Executive powers
  4. Additional powers
সঠিক উত্তর:
Ordinary powers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ordinary powers
ব্যাখ্যা
Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায়, কোন অবস্থায় পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
  2. পলাতক আসামি আদালতে উপস্থিত হলে
  3. যিনি সন্দেহভাজন যেকোনো অপরাধের সাথে জড়িত
  4. যিনি মুক্তি পেয়েছেন এবং আদালত তার বিরুদ্ধে নতুন মামলা চালু করেছে
সঠিক উত্তর:
সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
 ⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;
⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
 ⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।
৩৩.
এক ব্যক্তির সম্পত্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারার অধীনে ক্রোক করা হয়। ১ বছর পর তিনি আদালতে হাজির হয়ে প্রমাণ করেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না এবং পরোয়ানা এড়াতে পলায়ন করেননি। এক্ষেত্রে, আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে
  2. তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
  3. তাকে শাস্তি দেওয়া হবে
  4. তার বিরুদ্ধে মামলা করবে
সঠিক উত্তর:
তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• আদালত তাকে তার ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে ক্রোকের সমস্ত খরচ কেটে নেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:

যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।

Section 89: Restoration of attached property-
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৩৪.
যদি আসামি জেলে থাকা অবস্থায় তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তবে তাকে কী হবে?
  1. তাকে মুক্তি দেওয়া হবে
  2. তাকে পুনরায় বিচার করা হবে
  3. তাকে জেলে রাখা হবে
  4. তাকে নতুন করে দণ্ড দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে মুক্তি দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে মুক্তি দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
 (১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেল হাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
 
Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.