⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হল ৩ বছর। - অর্থাৎ, যদি কেউ অন্যের স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করে এবং এর ফলে কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে।
২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে খালাসের আদেশের বিরূদ্ধে আপীলের তামাদির মেয়াদ কত?
ক
৩০ দিন
খ
২০ দিন
গ
৬ মাস
ঘ
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act,1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। - খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। - The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
অর্থাৎ খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৬ মাস, তামাদি আইনের ১৫৭ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
৩.
স্থাবর সম্পত্তির দখল লাভের জন্য আনীত মামলার তামাদির মেয়াদ ১২ বছর। কোন অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ রয়েছে?
ক
১৪৬
খ
১৪১
গ
১৪৫
ঘ
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর অনুচ্ছেদ ১৪৪–এ বলা হয়েছে: “For possession of immovable property or any interest therein not hereby otherwise specially provided for.” অর্থাৎ: যদি কারো স্থাবর সম্পত্তি বা তার স্বার্থ দখল করে অন্য কেউ রাখে এবং এ সম্পর্কিত কোনো নির্দিষ্ট বিধান এই আইনে না থাকে, অনুচ্ছেদ এই ধারা প্রযোজ্য হয়। - তামাদির মেয়াদ: ১২ বছর - তামাদি গণনার শুরু: যেদিন থেকে বিবাদীর দখল বাদীর মালিকানার বিরুদ্ধে প্রতিকূল (adverse) হয়।
→ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে (First Schedule): স্থাবর সম্পত্তির দখল লাভের জন্য আনীত মামলার তামাদির মেয়াদ ১২ বছর। ১৪৪ অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ রয়েছে।
অন্য অপশন গুলো: ক) অনুচ্ছেদ-১৪৬ – বন্ধক গ্রহীতার দ্বারা হাইকোর্টে দায়েরকৃত বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (তামাদির মেয়াদ: ৩০ বছর) খ) অনুচ্ছেদ-১৪১ – হিন্দু বা মুসলিম নারীর মৃত্যুর পর তার দখলে থাকা স্থাবর সম্পত্তির দখল পেতে উত্তরাধিকারীর মামলা (তামাদির মেয়াদ: ১২ বছর) গ) অনুচ্ছেদ-১৪৫ – অস্থাবর আমানত বা বন্ধক পুনরুদ্ধারের মামলা (তামাদির মেয়াদ: ৩০ বছর)
৪.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বর্ধিতকরণ সংক্রান্ত ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়?
ক
রিভিশন
খ
আপীল
গ
রিভিউ
ঘ
মূল মোকদমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay) বা তামাদির মেয়াদ বর্ধিতকরণ একাধিক বিশেষ ক্ষেত্রে করা যায়, কিন্তু মূল মোকদমা (Original Suit) এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
→ তামাদি আইন, ১৯০৮ – ধারা ৫ অনুযায়ী বিধান প্রযোজ্য ক্ষেত্রসমূহ: ধারা ৫ অনুসারে, বিলম্ব মওকুফ করার বিধান নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: রিভিশন (Revision) – যদি কোনো রিভিশন দরখাস্তের সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, তবে যথাযথ কারণ দেখিয়ে বিলম্ব মওকুফ করা যায়। আপীল (Appeal) – আপিল করার সময়সীমা শেষ হলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। রিভিউ (Review) – রিভিউ দরখাস্তের তামাদি উত্তীর্ণ হলে, যথাযথ কারণ দেখিয়ে বিলম্ব মওকুফ করা যেতে পারে।
তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান যেখানে প্রযোজ্য নয়: মূল মোকদমা (Original Suit) এর ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ধারা ৫ প্রযোজ্য নয়, অর্থাৎ, মূল মামলায় তামাদির মেয়াদ বর্ধিত করা যাবে না।
মূল মোকদমার ক্ষেত্রে সময়সীমা উত্তীর্ণ হলে সাধারণত পুনরায় আবেদন বা মামলা করা সম্ভব হয় না। - উদাহরণস্বরূপ, স্বত্ব ঘোষণার মামলা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা ইত্যাদির ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শেষ হলে, আদালত সাধারণত বিলম্ব মওকুফের সুযোগ দেয় না।
অর্থাৎ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, আপিল, রিভিশন, রিভিউ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ করা যেতে পারে, তবে মূল মোকদমায় এটি প্রযোজ্য নয়।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ এবং ১০৪ অনুযায়ী মুসলিম আইনের অধীন দেনমোহর আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর। → অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির ৩ বৎসর যা তামাদি আইনের ১০৪ অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে। → তামাদি আইনের ধারা ১০৪ অনুযায়ী, বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower) এর জন্য মুসলিম মহিলার মামলা দায়ের করার জন্য তামাদির মেয়াদ হল ৩ বছর। - এটি তামাদি আইনের ১০৪ অনুচ্ছেদ-এ নির্ধারিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, যদি মৃত্যু বা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে, তবে মহিলার বিলম্বিত মোহর আদায়ের জন্য ৩ বছরের তামাদি মেয়াদ থাকবে। - এই তামাদি মেয়াদটির শুরু হবে: মৃত্যু বা তালাক ঘটানোর পর। সেই ৩ বছরের মধ্যে মহিলাকে মোহরের দাবি করার জন্য মামলা করতে হবে, অন্যথায় তার দাবি বাতিল হয়ে যাবে।
৬.
সরকারী সম্পত্তিতে সুখাধিকার (Easements) অর্জিত হয় অব্যাহতভাবে কত বছর ব্যবহার করলে?
ক
৩০ বছর
খ
২০ বছর
গ
৪০ বছর
ঘ
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬ অনুসারে, সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার (Easements) অর্জিত হওয়ার জন্য ৬০ বছর পর্যন্ত অব্যাহতভাবে ব্যবহার করতে হয়। ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, যেখানে কোনো সুখাধিকার সরকারি সম্পত্তির ওপর দাবি করা হচ্ছে, সেখানে ২০ বছরের পরিবর্তে ৬০ বছর ওই সুখাধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও অব্যাহতভাবে ভোগ করতে হবে। এটি একটি বিশেষ বিধান, যা সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে এটি ২০ বছর থাকে।
উল্লেখযোগ্য শর্ত: শান্তিপূর্ণ ও অব্যাহত ব্যবহার: অধিকারটি ভোগ করা হয়েছে অব্যাহতভাবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে। সরকারি সম্পত্তি: সরকারি জমিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছরের পরিসর অতিক্রম করতে হবে। - অর্থাৎ সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জিত হয় ৬০ বছর অব্যাহতভাবে ব্যবহার করার মাধ্যমে।
তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা ২৬ এ বলা আছে, যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে বিশ (২০) বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হয়েছে, এবং কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হোক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করেছে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে। উল্লেখ্য যে, সরকারি কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একটানা ৬০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমি টানা ২০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে।
Section 26: Acquisition of right to easements- (1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years, and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years, the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible. Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested. (2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted. Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
৭.
সহকারী জজের ডিক্রীর বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপীল দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
ক
২০ দিন
খ
১৫ দিন
গ
৩০ দিন
ঘ
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২১(২) অনুযায়ী, সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হয়। - এতে তামাদির মেয়াদ হিসেবে ৩০ দিন নির্ধারিত রয়েছে, যা তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপীলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। - তামাদি মেয়াদ: ৩০ দিন। - সময়সীমা গণনা: যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে, তার তারিখ থেকে গণনা শুরু হবে।
অর্থাৎ সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের আদালতে আপীল করার জন্য তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
৮.
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকগ্রহীতার বিরূদ্ধে রেহেনমুক্ত বা দখলমুক্ত করার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
ক
১২ বছর
খ
৬০ বছর
গ
৩ বছর
ঘ
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮ অনুযায়ী, বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের (redeem) জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ হল ৬০ বছর। - এটি প্রযোজ্য যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয়।
৯.
তামাদি মেয়াদান্তে দাখিলকৃত মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক তামাদির বিষয়ে আপতি উত্থাপন করা হয় নি। এক্ষেত্রে মামলাটি ______।
ক
খারিজ হবে
খ
চলবে
গ
স্থগিত থাকবে
ঘ
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নটি তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যেখানে বলা হয়েছে: "প্রথম তফসিলে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দায়ের করা যেকোনো মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ করতে হবে, এমনকি যদি বিবাদী/প্রতিপক্ষ তামাদির আপত্তি না-ও তোলে।" সঠিক উত্তর: ক) খারিজ হবে।
তামাদি আইনের ধারা ৩-এর বাধ্যতামূলক প্রয়োগ: আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে (suo moto) তামাদি পরীক্ষা করবে। যদি মামলা/আপিল তামাদির পর দায়ের করা হয়, আদালত বিবাদীর আপত্তি না থাকলেও তা খারিজ করবে। সাধারণত, বিবাদী তামাদির আপত্তি তুললে আদালত তা বিবেচনা করে। কিন্তু ধারা ৩-এর বিশেষ বিধান অনুযায়ী, আপত্তি না থাকলেও আদালত তামাদি হলে মামলা খারিজ করবে।
- Section 3 of the Limitation Act, 1908: "Every suit instituted, appeal preferred, and application made after the period of limitation shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence."
- সুতরাং, তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে মামলা খারিজ হবেই, তা বিবাদী আপত্তি করুক বা না করুক।
১০.
বংশগত পদ দখল করার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
ক
১২ বছর
খ
৬০ বছর
গ
৩ বছর
ঘ
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী, বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর। - এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বিবাদী যখন বাদীর প্রতিকূলে পদটি দখল করে, সেই তারিখ থেকে। - বংশগত পদ বলতে এমন পদকে বোঝায় যা বংশপরম্পরায় উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয়, যেমন জমিদারি, পুরোহিত পদ ইত্যাদি। - পদ দখল বলতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বংশগত পদটি অন্যায়ভাবে দখল করা বা অধিকার লঙ্ঘন করা বোঝায়। - এই তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলাটি দায়ের করতে হবে। যদি এই সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
১১.
মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হবে না- এটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার বিধান?
ক
১৩৩
খ
১৩৪
গ
১৪৫
ঘ
১৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৩৪ অনুযায়ী, মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হবে না। - এটি প্রতিষ্ঠিত করে যে, একটি মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং সাক্ষীর গুণগত মান এবং প্রমাণের সত্যতা প্রধান বিষয়। এই ধারায় বলা হয়েছে: "No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact." অর্থাৎ, এক বা একাধিক সাক্ষী দ্বারা মামলার প্রমাণ সম্ভব হতে পারে এবং সংখ্যার চেয়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সাক্ষ্যের সঠিকতা বেশি গুরুত্ব পায়।
- তাহলে, ধারা ১৩৪ হল সঠিক উত্তর।
১২.
Presumption of ownership arises from possession'-সংক্রান্ত ধারণা পাওয়া যায় The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায়?
ক
১০৮
খ
১০৯
গ
১১০
ঘ
১১১
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১১০-এ "Presumption of ownership arises from possession" সম্পর্কিত ধারণাটি পাওয়া যায়। - অর্থাৎ "Presumption of ownership arises from possession" (দখল থেকে স্বত্বের ধারণা) এই নীতিটি The Evidence Act, 1872-এর Section 110-এ উল্লেখিত হয়েছে। - Section 110-এর বিধান: "When the question is whether any person is owner of a thing of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner." অর্থ: যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তির দখলকারী (possession) হিসেবে প্রমাণিত হন, তবে তিনি মালিক (owner) বলে ধরে নেওয়া হবে। যে ব্যক্তি দাবি করবে যে দখলকারী মালিক নন, তাকে প্রমাণ করতে হবে যে দখলকারীর মালিকানা নেই।
১৩.
মেট্রোরেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের দায়ে X অভিযুক্ত হল। তার নিকট টিকিট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব _______ ।
ক
অভিযুক্তের
খ
মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের
গ
কর্তব্যরত আনসারের
ঘ
কর্তব্যরত পুলিশের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করেন যা তার উদ্দেশ্য বা কার্যকলাপের প্রকৃতি এবং পরিস্থিতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তখন তার উপর সেই উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা প্রমাণের দায় থাকে। তাই অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হবে যে তার কাছে টিকিট ছিল।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৬ অনুসারে: "যখন কোনো সত্য বিশেষভাবে কোনো ব্যক্তির জ্ঞানের মধ্যে থাকে, তখন সেই সত্য প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর বর্তায়।" প্রযোজ্য উদাহরণ (Illustration b to Section 106): "A কে রেলওয়েতে বিনা টিকিটে ভ্রমণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। A-এর উপরই প্রমাণ করতে হবে যে তার কাছে টিকিট ছিল।"
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him. Illustrations- (a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him. (b) A is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
১৪.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে টিপসহি সনাক্তকরণের বিষয়ে বিশেষজ্ঞের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
ক
45
খ
48
গ
50
ঘ
47
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ৪৫ বিশেষজ্ঞের মতামত (Expert Opinion) সম্পর্কে বিধান দেয়। - এই ধারা অনুযায়ী, টিপসহি (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) সনাক্তকরণ-এর মতো বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট বা সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য। - ধারা ৪৫-এ স্পষ্টভাবে "finger impression" (আঙুলের ছাপ)-এর কথা উল্লেখ আছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):- যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। -------- ⇒ The Evidence Act, 1872, Section 45. Opinion of Experts: When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts. Such persons are called experts.
১৫.
নিচের কোনটি Public Document নয়?
ক
জন্ম সনদ
খ
মোকদ্দমার Pleadings
গ
বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী
ঘ
টিকা সনদ
ব্যাখ্যা
⇒ Public Document বা পাবলিক ডকুমেন্ট হল সেই সমস্ত ডকুমেন্ট যা সরকারী কর্তৃপক্ষ বা রাষ্ট্রের পক্ষে তৈরি হয় এবং সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এই ধরনের ডকুমেন্টগুলি সাধারণত সরকারি কার্যক্রম, আইনগত প্রক্রিয়া বা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের অংশ হয়ে থাকে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল: জন্ম সনদ (Birth certificate): এটি একটি পাবলিক ডকুমেন্ট, কারণ এটি সাধারণত সরকারি কর্তৃপক্ষ (যেমন রেজিস্ট্রার) দ্বারা তৈরি হয় এবং এটি সবাই দেখতে বা যাচাই করতে পারে। মোকদ্দমার Pleadings (Pleadings of a lawsuit): এটি প্রাথমিকভাবে আদালতের ডকুমেন্ট, যা আদালতের রেকর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং সাধারণত পাবলিক ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। আদালত দ্বারা সংশ্লিষ্ট পক্ষের তথ্য ও অভিযোগ রেকর্ড করা হয়, যা আদালতে সাধারণত উন্মুক্ত থাকে। বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী (Statement recorded during departmental investigation): এটি সাধারণত একটি সরকারি তদন্ত বা বিভাগীয় কার্যক্রম হতে পারে, তবে এটি সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত বা প্রকাশিত হয় না। এ ধরনের তথ্য শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী বা সরকারি বিভাগের জন্যই ব্যবহারযোগ্য এবং সাধারণ জনগণের কাছে এটি উপলব্ধ হয় না। এজন্য এটি Public Document হিসেবে গণ্য করা হয় না। টিকা সনদ (Vaccination Certificate): এটি একটি পাবলিক ডকুমেন্ট হতে পারে, কারণ এটি সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে প্রদান করা হয় এবং এটি একটি প্রমাণপত্র হিসেবে সাধারণ জনগণের কাছে প্রকাশিত হয়। - এ কারণে, বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী সাধারণভাবে Public Document হিসেবে গণ্য করা হয় না, কারণ এটি শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট তদন্তের অংশ হিসেবে রাখা হয় এবং সাধারণ জনগণের কাছে উন্মুক্ত থাকে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো "বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী"।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল: (১) যে সমস্ত দলিল- (ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ। (২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। ⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document. ⇒ আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। -------------- Section-74. Public documents: The following documents are public documents:– (1) documents forming the acts or records of the acts- (i) of the sovereign authority, (ii) of official bodies and tribunals, and (iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; (2) public records kept in Bangladesh of private documents. Section-75.Private documents: All other documents are private.
১৬.
পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী?
ক
১৫১
খ
৫৪
গ
৫৫
ঘ
১৫৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ (প্রতিবেদনে বা সাক্ষ্যত বর্ণিত দণ্ডাদেশ) খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, যা একজন ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বা ইতিবাচক চরিত্রের প্রতি সাক্ষ্য প্রদান করতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:- - ফৌজদারি মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা-১: যে মোকদ্দমায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেক্ষেত্রে অত্র ধারা প্রযোজ্য নয়। ব্যাখ্যা-২: সাক্ষ্য হিসেবে খারাপ চরিত্রে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক। ------------- ⇒ The Evidence Act, 1872, Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply: - In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant. Explanation 1. –This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue. Explanation 2. –A previous conviction is relevant as evidence of bad character.
১৭.
বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যাবলী নিয়মিতভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে অনুমানের ক্ষমতা আদালতকে প্রদান করা হয়েছে The Evidence Act, 1872 এর ________ ধারায়।
ক
১০৬
খ
৫৬
গ
১১৪
ঘ
৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ১১৪ আদালতকে কিছু অনুমান (presumptions) করার ক্ষমতা প্রদান করে। এই ধারা অনুসারে, আদালত এই মর্মে অনুমান করতে পারে যে বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যাবলী (judicial and official acts) নিয়মিতভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে- আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে - (ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে; (খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়; (গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে; (ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে; (ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে; (চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে; (ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না; (জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না; (ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে। তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
⇒ The Evidence Act, 1872 Section- 114. Court may presume existence of certain facts: The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case.
Illustrations The Court may presume – (a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; (b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; (c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; (d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; (e) that judicial and official acts have been regularly performed; (f) that the common course of business has been followed in particular cases; (g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; (h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; (i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it:– as to illustration (a) –A shop-keeper has in his till a marked Taka soon after it was stolen, and cannot account for its possession specifically, but is continually receiving Taka in the course of his business: as to illustration (b)–A, a person of the highest character, is tried for causing a men's death by an act of negligence in arranging certain machinery. B, a person of equally good character, who also took part in the arrangement, describes precisely what was done, and admits and explains the common carelessness of A and himself: as to illustration (b)–a crime is committed by several persons. A, B and C, three of the criminals, are captured on the spot and kept apart from each other. Each gives an account of the crime implicating D, and the accounts corroborate each other in such a manner as to render previous concert highly improbable: as to illustration (c)–A, the drawer of a bill of exchange, was a man of business. B, the acceptor, was a young and ignorant person, completely under A's influence: as to illustration (d)–it is proved that a river ran in a certain course five years ago, but it is known that there have been floods since that time which might change its course: as to illustration (e)–a judicial act, the regularity of which is in question, was performed under exceptional circumstances: as to illustration (f)–the question is, whether a letter was received. It is shown to have been posted, but the usual course of the post was interrupted by disturbances: as to illustration (g)–a man refuses to produce document which would bear on a contract of small importance on which he is sued, but which might also injure the feelings and reputation of his family: as to illustration (h)–a man refuses to answer a question which he is not compelled by law to answer, but the answer to it might cause loss to him in matters unconnected with the matter in relation to which it is asked: as to illustration (i)–a bond is in possession of the obligor, but the circumstances of the case are such that he may have stolen it.
১৮.
The Evidence Act, 1872 এর ৬৫ ধারানুযায়ী দলিলের অস্থিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সর্ম্পকে কয়টি ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে?
ক
৭টি
খ
৩টি
গ
৫টি
ঘ
৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে: ⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। - সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।
⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ: ১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে। ২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি। ৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়। ৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না। ৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না। ৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়। ৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে। ------------------- ⇒The Evidence Act, 1872, Section-65. Cases in which secondary evidence relating to documents may be given: Secondary evidence may be given of the existence, condition or contents of a document in the following cases:– (a) when the original is shown or appears to be in the possession or power- of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it; (b) when the existence, condition or contents of the original have been proved to be admitted in writing by the person against whom it is proved or by his representative in interest; (c) when the original has been destroyed or lost, or when the party offering evidence of its contents cannot, for any other reason not arising from his own default or neglect, produce it in reasonable time; (d) when the original is of such a nature as not to be easily moveable; (e) when the original is a public document within the meaning of section 74; (f) when the original is a document of which a certified copy is permitted by this Act, or by any other law in force in Bangladesh to be given in evidence; (g) when the originals consist of numerous accounts or other documents which cannot conveniently be examined in Court, and the fact to be proved is the general result of the whole collection.
১৯.
The Evidence Act,1872 এর ১৪ ধারাটি নিচের কোন মানসিক অবস্থার সাথে সম্পৃক্ত নয়?
ক
সদবিশ্বাস (Good faith)
খ
অভিপ্রায় (Intention)
গ
উদ্দেশ্য (Motive)
ঘ
জ্ঞান (Knowledge)
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪ এর আওতায় যেসব মানসিক অবস্থার (state of mind) প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করা হয়েছে, তা হলো: অভিপ্রায় (intention), জ্ঞান (knowledge), সদবিশ্বাস (good faith), অবহেলা (negligence), দ্রুততা (rashness), শত্রুতা (ill-will), এবং সৌজন্য (good-will)। এই ধারাটি কোনো মানসিক অবস্থা বা শারীরিক অবস্থা/অনুভূতির অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের বিষয়ে আলোচনা করে, যখন সেটি মামলায় প্রশ্নবিদ্ধ বা প্রাসঙ্গিক হয়।
প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলো বিশ্লেষণ করলে: → সদবিশ্বাস (Good faith): ধারা ১৪ এর মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ f, g, h)। → অভিপ্রায় (Intention): ধারা ১৪ এর মধ্যে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ e, i, j)। → জ্ঞান (Knowledge): ধারা ১৪ এর মধ্যে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ a, b, d)। → উদ্দেশ্য (Motive): ধারা ১৪ এর মধ্যে সরাসরি উল্লেখ নেই। উদ্দেশ্য (motive) সাধারণত ধারা ৮ এর আওতায় প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে কোনো কাজের প্রস্তুতি, আচরণ, বা উদ্দেশ্য প্রমাণের জন্য তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়। ধারা ১৪ এর উদাহরণ বা ব্যাখ্যায় উদ্দেশ্য (motive) সরাসরি কোনো মানসিক অবস্থা হিসেবে উল্লেখিত নয়। সুতরাং, ধারা ১৪ এর সাথে উদ্দেশ্য (motive) সম্পৃক্ত নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা মতে:যেসব ঘটনা হতে ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, উগ্রতা অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি সদিচ্ছা/অসদিচ্ছা (intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person) প্রভৃতি মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়; অথবা কোন শারীরিক অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতির (any state of body or bodily feeling) অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসিক বা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক হয়। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ- ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়। ⇒ ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে। ⇒ ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
২০.
'Fraud vitiates everything'- নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
ক
৪২
খ
৪৩
গ
৪৪
ঘ
৪১
ব্যাখ্যা
⇒ 'Fraud vitiates everything' নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৪৪ তে প্রতিফলিত হয়েছে। - ধারা ৪৪ অনুযায়ী, যেকোনো পক্ষ যে কোনো মামলা বা প্রক্রিয়ায় এটি প্রমাণ করতে পারে যে, যেকোনো "judgment, order, or decree" যা ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর আওতাধীন এবং যে পক্ষ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, তা প্রতারণা বা একত্রিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অথবা অযোগ্য আদালত দ্বারা দেওয়া হয়েছিল। - এখানে প্রতারণা বা collusion প্রমাণ করলে, সেই আদালতের সিদ্ধান্ত বৈধতা হারাবে এবং সেই সিদ্ধান্তটির প্রভাব সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে। এটি সেই নীতির প্রতিফলন, যেখানে বলা হয়, প্রতারণা বা ষড়যন্ত্র দ্বারা কোনও কিছু অর্জন করলে, তা আইনত অসিদ্ধ হয়ে পড়ে, অর্থাৎ 'Fraud vitiates everything'। - অতএব, এই নীতি অনুযায়ী, কোনো আদালতের দ্বারা প্রদত্ত সিদ্ধান্ত যদি প্রতারণা বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নেওয়া হয়, তবে সেটি প্রমাণিত হলে তা বিচারযোগ্য হবে না এবং সেটি বাতিল করা হবে।
⇒ The Evidence Act, 1872 , Section-44. Fraud or collusion in obtaining judgment, or in-competency of Court, may be proved: Any party to a suit or other proceeding may show that any judgment, order or decree which is relevant under section 40, 41 or 42, and which has been proved by the adverse party, was delivered by a Court not competent to deliver it, or was obtained by fraud or collusion.
২১.
বিচারক কর্তৃক সাক্ষীকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের বিষয়ে জেরা ________।
ক
করা যায় না
খ
অপরপক্ষের অনুমতিক্রমে করা যায়
গ
আদালতের অনুমতিক্রমে করা যায়
ঘ
করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৬৫ অনুযায়ী, বিচারক কর্তৃক সাক্ষীকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাবের বিষয়ে জেরা (cross-examination) সংক্রান্ত নিয়ম হলো: পক্ষগুলো বা তাদের এজেন্টরা বিচারকের প্রশ্ন বা আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি করতে পারবে না, এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষীর দেওয়া জবাবের উপর জেরা করতে পারবে না।
ধারা ১৬৫-এর প্রাসঙ্গিক অংশ: "...and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question." অর্থাৎ, বিচারকের প্রশ্নের জবাবের উপর জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।
উত্তর: গ) আদালতের অনুমতিক্রমে করা যায়
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। - এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে। ⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না। ⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত। ⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে। অর্থাৎ বিচারকের এই ক্ষমতা আইন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রমাণিত এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য আবিষ্কার বা সঠিকভাবে প্রমাণ করার জন্য যে কোনো সাক্ষী বা পক্ষের কাছে যে কোনো সময়, যে কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি দেয়। বিচারক প্রশ্নগুলি যেকোনো আকারে এবং প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক যে কোনো বিষয় সম্পর্কে করতে পারেন। এছাড়াও, বিচারক যেকোনো দলিল বা জিনিসের উত্পাদন করতে আদেশ দিতে পারেন।
এই প্রসঙ্গে, পক্ষগুলোর বা তাদের এজেন্টদের জন্য এই প্রশ্ন বা আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি করার অধিকার নেই। তাছাড়া, আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষীকে তার উত্তরের ভিত্তিতে জেরা করারও অধিকার নেই। ----------------------------- ⇒ The Evidence Act, 1872-Section-165: Judge’s power to put questions or order production: The Judge may, in order to discover or to obtain proper proof of relevant facts, ask any question he pleases, in any form, at any time, of any witness, or of the parties about any fact relevant or irrelevant; and may order the production of any document or thing: and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question: Provided that the judgment must be based upon facts declared by this Act to be relevant, and duly proved: Provided also that this section shall not authorize any Judge to compel any witness to answer any question or to produce any document which such witness would be entitled to refuse to answer or produce under sections 121 to 131, both inclusive, if the question were asked or the document were called for by the adverse party; nor shall the Judge ask any question which it would be improper for any other person to ask under section 148 or 149; nor shall he dispense with primary evidence of any document, except in the cases herein- before excepted.
২২.
The Evidence Act, 1872 এর ৬০ ধারানুযায়ী 'Oral evidence must be ________।
ক
Direct
খ
Indirect
গ
Circumstantial
ঘ
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য (oral evidence) সরাসরি (direct) হতে হবে, অর্থাৎ এটি সেই তথ্য হতে হবে যা সাক্ষী নিজে প্রত্যক্ষ করেছে। - এটি নির্দেশ করে যে, একজন সাক্ষী যেটি প্রত্যক্ষভাবে দেখেছেন বা অভিজ্ঞতা করেছেন, সেই তথ্যই আদালতে উপস্থাপন করা যাবে। - পরোক্ষ (indirect) বা পরিস্থিতিগত (circumstantial) প্রমাণ যথাযথ মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হবে না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণ: দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন। ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন। ---------------- ⇒ Section 59. Proof of facts by oral evidence. All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence. ⇒ Section 60. Oral evidence must be direct. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
২৩.
দলিল যথাযথ হেফাজত থেকে আদালতে দাখিল হলে তা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত বলে অনুমান করা যাবে _______ পুরাতন হলে।
ক
৩০ বছর
খ
২০ বছর
গ
৭ বছর
ঘ
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯০ অনুযায়ী, ৩০ বছর পুরনো দলিল যদি যথাযথ হেফাজত থেকে আদালতে দাখিল করা হয়, তবে তা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত (properly executed) বলে অনুমান করা যাবে। - এটি নিশ্চিত করে যে, ৩০ বছরের পুরনো দলিলের ক্ষেত্রে আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমান করতে পারে যে, এটি সঠিকভাবে সম্পাদিত হয়েছে এবং এর তথ্য সঠিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে। ⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন। ⇒ ৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়। ⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী- ১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে। ২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে। ------------------ ⇒ The Evidence Act,1872: Section 90: Presumption as to documents thirty years old: -Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested.
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. This explanation applies also to section 81.
২৪.
একই কার্যের অংশ হিসেবে থাকা ঘটনাসমূহের প্রাসঙ্গিকতা সংক্রান্ত বিধান The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
ক
৫
খ
৮
গ
৭
ঘ
৬
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬-এ "একই কার্যক্রমের অংশ" (part of same transaction) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। - এই ধারায় বলা হয়েছে, যে সব ঘটনা সরাসরি বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলি বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত, যে দুটি ঘটনাই একত্রে একই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে, সেগুলি প্রাসঙ্গিক হবে। অর্থাৎ, যদি দুটি ঘটনা একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হয় এবং একে অপরের ধারাবাহিকতা বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা হিসেবে ঘটিত হয়, তবে সেগুলি Res Gestae নীতির আওতায় প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। এটি ঘটতে পারে একই সময়ে বা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে, তবুও সেগুলি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত থাকে। - এই ধারা Res Gestae বা 'একই কার্যক্রমের অংশ' নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং আইনের অনুসারে, এসব সম্পর্কিত ঘটনা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬ অনুযায়ী, যে সমস্ত ঘটনা মূল ঘটনার অংশ হিসেবে ঘটেছে, তবে সেগুলো সরাসরি মামলা বা বিতর্কের বিষয় না হলেও, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি এমন ঘটনা যা একটি বৃহত্তর ঘটনার অংশ, এবং এটি মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, যদিও সেই ঘটনা তৎকালীন বিতর্কের প্রধান বিষয় নয়। ------------ ⇒The Evidence Act, 1872, Section 6. Relevancy of facts forming part of same transaction: Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
২৫.
কোন সাক্ষীকে মামলার উভয়পক্ষ জেরা করতে পারে?
ক
পুনরায় তলবকৃত সাক্ষী
খ
চিকিৎসক সাক্ষী
গ
১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ডকারী সাক্ষী
ঘ
বৈরী ঘোষিত সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) বৈরী ঘোষিত সাক্ষী। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন সাক্ষী বৈরী (Hostile) সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখন তার বিরুদ্ধে উভয়পক্ষ (অর্থাৎ, সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এবং বিরোধী পক্ষ) জেরা করতে পারে। বৈরী সাক্ষী সাধারণত সেই সাক্ষী হয়, যিনি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে উল্টো কথা বলেন বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেন। উল্লেখযোগ্য বিষয়: - বৈরী সাক্ষী হতে পারে যদি সে তার দেওয়া সাক্ষ্য থেকে সরে আসে, অথবা বিপরীত সাক্ষ্য দেয় বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়। - সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, আদালত যদি সাক্ষীকে বৈরী হিসেবে ঘোষণা করে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তাকে জেরা করতে পারে এবং একইভাবে বিরুদ্ধ পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।
⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী। ⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।
⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়: ১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় ২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয় ৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়। ⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
২৬.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হলে বাদীর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
ক
পুনরায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের মামলা করতে পারবে
খ
ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে
গ
ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না
ঘ
নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর ২৯ ধারা অনুযায়ী, যদি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তাহলে বাদী পরে একই চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না। - এটি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালন বা কার্য সম্পাদনের মামলাটি যদি খারিজ হয়ে যায়, তাহলে পরবর্তীতে সে চুক্তির বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি করা যাবে না। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলার খারিজের পর ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের অধিকারকে বন্ধ করে দেয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 29- Bar of suit for breach after dismissal: The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
২৭.
'Presumption as to intent of parties'- সংক্রান্ত বিধান উল্লেখিত হয়েছে The Specific Relief Act, 1877 এর ________ ধারায়।
ক
৩৬
খ
৩৪
গ
৩৮
ঘ
৩২
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩২–এ "Presumption as to intent of parties" সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। - এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো লিখিত চুক্তি সংশোধনের (Rectification) জন্য আদালত তখনই ব্যবস্থা নিতে পারে, যদি এটি প্রমাণিত হয় যে চুক্তির সমস্ত পক্ষই একটি ন্যায্য ও বিবেকবান চুক্তি করতে চেয়েছিল। - অর্থাৎ, পক্ষগণ আসলেই কী চেয়েছিল—সেই উদ্দেশ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আদালত চুক্তি সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে। - এখানে পক্ষের মনের অভিপ্রায় (intent) সম্পর্কে একটি 'presumption' বা অনুমান গৃহীত হয়। - এই বিধান মূলত চুক্তির ন্যায্য বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই ব্যবহৃত হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।
The Specific Relief Act, 1877 Section 32- Presumption as to intent of parties- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
২৮.
A ও B এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত ভঙ্গের জন্য B কর্তৃক আনীত মামলায় আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারে না। এক্ষেত্রে আদালত _________।
ক
ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন
খ
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিবেন
গ
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন ও ক্ষতিপুরণের আদেশ দিবেন
ঘ
ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন। ⇒ The Specific Relief Act, 1877 -এর ধারা ২১(গ) অনুযায়ী, যদি আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই চুক্তির specific performance (সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন) আদেশ দেওয়া যাবে না। ধারা ২১(গ)-এর বিধান: "a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty." অর্থাৎ, চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট হলে আদালত শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ (compensation) দিতে পারবে, কিন্তু specific performance আদেশ দিতে পারবে না। প্রাসঙ্গিক উদাহরণ (Illustration to clause (c)): A, the owner of a refreshment-room, contracts with B to give him accommodation there for the sale of his goods and to furnish him with the necessary appliances. A refuses to perform his contract. The case is one for compensation and not for specific performance, the amount and nature of the accommodation and appliances being undefined. এখানে চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট হওয়ায় শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। - যখন আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারে না, তখন অস্তিত্বশীল বা অস্পষ্ট চুক্তি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়ার সুযোগ থাকে না।
→ A ও B-এর মধ্যে এক চুক্তি হয়েছে। B মামলায় এসেছে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে। তবে আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারছে না। এক্ষেত্রে, Specific Relief Act-এর Section 21(c) সরাসরি প্রযোজ্য।
→ The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) তখনই আদেশ দেওয়া যায়, যখন চুক্তির শর্তাবলী পরিষ্কার এবং পূর্ণরূপে নিশ্চিত হতে পারে। যদি আদালত চুক্তির শর্তাবলী স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে না পারে, তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে, ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া হয়, কারণ চুক্তির শর্তাবলী না বুঝতে পারলে, ক্ষতিপূরণই সাধারণত পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, যেটি একপক্ষের ক্ষতি পূরণের জন্য প্রদান করা হয়। → তবে সাধারণত এর পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ (compensation) দেওয়া হয়, কারণ চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদালত প্রদান করতে পারে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে:ক) ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন।
২৯.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলবৎকরণের জন্য আনীত মামলায় চুক্তিতে উল্লেখিত টাকা আদালতে জমা দিতে হবে কখন?
ক
মামলা দায়েরের আগে
খ
মামলা দায়েরের সময়
গ
মামলা দায়েরের পরে
ঘ
রায়ের আগে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়: ১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীনে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রিকৃত) হতে হবে। ২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হবে। এই ধারা অনুযায়ী, বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হয়।
- অর্থাৎ, যখন বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তখনই অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তি সম্পাদনের সময়, রায় ঘোষণার সময় বা বিচার্য বিষয় গঠনের সময় জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) মামলা দায়েরের সময়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না- (ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং (খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়। -------------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless– (a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and (b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৩০.
অস্থাবর সম্পত্তির মালিক নয় কিন্তু দখলকারী ব্যক্তিকে কয়টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে আশু দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট তা অর্পণ করার জন্য বাধ্য করা যাবে?
ক
৬টি
খ
৩টি
গ
৪টি
ঘ
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর ১১ ধারায় অস্থাবর সম্পত্তির মালিক নয় এমন ব্যক্তি যদি তা দখল করে থাকে, তাহলে তাকে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মালিক বা অধিকারী ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা- ১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে ২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয় ৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে ৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে। ১১ ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে বাদী সম্পত্তি বা পণ্যটি তাৎক্ষণিক দখলে রাখার অধিকারী। তবে ১১ ধারায় সম্পত্তির মূল মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব: -যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে- (ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে। (খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না। (গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে। (ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে। ----------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession: -Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:- (a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant; (b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed; (c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss; (d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তবে রিসিভারের নিয়োগের ধরন, তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে। অতএব,মামলা চলাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত রিসিভারের দায়দায়িত্ব এবং কর্তব্য The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশেষ করে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশ (Order 40) তে রিসিভারের নিয়োগ, তার ক্ষমতা, অধিকার এবং দায়দায়িত্বের বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।
⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন। দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে। ⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court. Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৩২.
জীবনস্বত্বে একটি জমির অধিকারী ব্যক্তি A উক্ত জমি B বরাবর হস্তান্তর করে ভাবী উত্তরাধিকারী হিসেবে C, A ও B এর বিরূদ্ধে কোন মামলা করবে?
ক
নিষেধাজ্ঞা
খ
দলিল সংশোধন
গ
ঘোষণামূলক
ঘ
দখল পুনরূদ্ধার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ঘোষণামূলক। ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ঘোষণামূলক ডিক্রি সংক্রান্ত ৪২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি (এ ক্ষেত্রে A) জীবনস্বত্বে অধিকারী হয়ে জমি অন্য কাউকে (B) হস্তান্তর করে, যা ভাবী উত্তরাধিকারী (C) এর অধিকারের বিরুদ্ধে যায়, তবে C এই হস্তান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে পারে। উদাহরণ (d) অনুযায়ী, C, A এবং B এর বিরুদ্ধে একটি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করে আদালতের কাছে ঘোষণা চাইতে পারে যে তিনি (C) উক্ত জমির প্রকৃত উত্তরাধিকারী হিসেবে অধিকারী। এই ধরনের মামলায় আদালত ঘোষণা দিতে পারে যে C এর অধিকার বৈধ এবং হস্তান্তর অবৈধ। অর্থাৎ Specific Relief Act-এর ধারা ৪২ অনুযায়ী, ভাবী উত্তরাধিকারী (reversioner) C, A (জীবনস্বত্বাধিকারী) ও B (হস্তান্তরগ্রহীতা)-এর বিরুদ্ধে ঘোষণামূলক ডিক্রির মামলা করতে পারবে। ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মামলায় আদালত আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষণা করেন। যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার অস্বীকার করা হয়, আদালত সে সম্পর্কে একটি ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করতে পারে, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। আরো পরিষ্কারভাবে Section 42 এর Illustration (d) এ বলা হয়েছে: Illustration (d): "A alienates to B property in which A has merely a life interest. The alienation is invalid as against C, who is entitled as reversioner. The Court may in a suit by C against A and B declare that C is so entitled." (ঘ) 'ক' এমন সম্পত্তির স্বত্ব 'খ'-এর হস্তান্তর করল যাতে 'ক'-এর শুধুমাত্র জীবিত থাকা পর্যন্ত স্বার্থ রয়েছে। এই স্বত্ব হস্তান্তর 'গ-'এর বিরুদ্ধে অবৈধ, কারণ সে ভাবী উত্তরাধিকারী হিসেবে উক্ত সম্পত্তির স্বত্বাধিকারী। আদালত 'গ' কর্তৃক 'ক' ও 'খ'-এর বিরুদ্ধে আনীত মামলায় ঘোষণা করতে পারেন যে, 'গ'-এর তেমন অধিকার রয়েছে।
৩৩.
জাহাজের মালিক A তার জাহাজ প্রতারণামূলকভাবে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্ত উল্লেখে B এর সাথে বীমার চুক্তি করে। এক্ষেত্রে B চুক্তিটি _________ করতে পারবে।
ক
বাতিল (Cancel)
খ
রদ (Rescind)
গ
পরিবর্তন (Alter)
ঘ
সংশোধন (Rectify)
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৫ (Section 35) অনুযায়ী, “A contract may be rescinded where it is voidable or terminable by the plaintiff.” এবং চুক্তিতে যদি প্রতারণা (fraud) থাকে, তাহলে তা voidable হয়—অর্থাৎ, প্রতারণার শিকার পক্ষ (এখানে B) চাইলে চুক্তি রদ (rescission) করতে পারে।
- ধরা যাক A তার অচল, ভাঙা জাহাজকে “চালানোর উপযুক্ত” বলে B-এর সাথে বীমার চুক্তি করল। পরে দুর্ঘটনায় জাহাজ ডুবে যায়। তখন B জানতে পারে, জাহাজটি আদতেই চালানোর উপযুক্ত ছিল না—এটি ছিল A-এর প্রতারণা। তখন B চাইলে এই চুক্তিটি rescission এর মাধ্যমে বাতিল (রদ) করে দিতে পারে।
অর্থাৎ প্রতারণামূলক চুক্তি (Fraudulent Contract)-এর ক্ষেত্রে বীমাকারী (B) চুক্তিটি রদ (Rescind) করতে পারবে।
৩৪.
A কর্তৃক নির্মীত বাড়ীর ছাদের প্রান্ত B এর জমির উপর বিস্তৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act,1877 এর অধীন B এর প্রতিকার কী?
ক
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
খ
রিসিভার নিয়োগ
গ
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ঘ
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory injunction) → সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার Illustration (b) অনুযায়ী, যদি A একটি বাড়ী নির্মাণ করে যার ছাদের প্রান্ত (eaves) B এর জমির উপর ঝুলে পড়ে, তাহলে B আদালতে Mandatory Injunction চাইতে পারেন। → এই বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) মাধ্যমে A-কে আদেশ করা হবে, যাতে সে তার ছাদ থেকে যতটুকু অংশ B এর জমির উপর ঝুলে পড়েছে, তা অপসারণ করে। → এখানে আদালত ইতিমধ্যে সংঘটিত একটি অবৈধ কাজ (projecting eaves) মুছে দিয়ে B-এর অধিকার পুনরুদ্ধারের আদেশ দেন। তাই, এটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) নয়, বরং Mandatory Injunction — যেখানে ইতিপূর্বে করা কাজ অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে। - সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: - যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 55. Mandatory injunctions When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts. Illustrations (a) A, by new buildings, obstructs lights to the access and use of which B has acquired a right under the 10[Limitation Act, 1908] Part IV. B may obtain an injunction, not only to restrain A from going on with the buildings, but also to pull down so much of them as obstructs B's lights. (b) A builds a house with eaves projecting over B's land. B may sue for an injunction to pull down so much of the eaves as so project. (c) In the case put as illustration (i) to section 54, the Court may also order all written communications made by B, as patient, to A, as medical adviser, to be destroyed. (d) In the case put as illustration (y) to section 54, the Court may also order A's letters to be destroyed. (e) A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the 11[Penal Code]. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property. (f) A, being B's medical adviser, threatens to publish B's written communications with him, showing that B has led an immoral life. B may obtain an injunction to restrain the publication. (g) In the cases put as illustrations (v) and (w) to section 54 and in illustrations (e) and (f) to this section, the Court may also order the copies produced by piracy, and the trade-marks, statements and communications, therein respectively mentioned, to be given up or destroyed.
৩৫.
বাদী একটি ফৌজদারী বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। এক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন ________।
ক
স্থগিত রাখবেন
খ
মঞ্জুর করবেন
গ
আংশিক মঞ্জুর করবেন
ঘ
নামঞ্জুর করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না এমন ১১টি ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে। - The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৬(e) (Section 56(e)) অনুযায়ী, আদালত ফৌজদারী কার্যধারা স্থগিত রাখার উদ্দেশ্যে কোনো নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করবেন না। - ধারা ৫৬(e) এর ভাষ্য:"An injunction cannot be granted to stay proceedings in any criminal matter." - অর্থাৎ, কোনো ফৌজদারী বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারবেন না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না। তা হলো: ১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না। ২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না। ৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়। ৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না। ৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না। ৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। ৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না। ৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না। ৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়। ১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে। ১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused: An injunction cannot be granted- (a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; (b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; (c) to restraint persons from applying to any legislative body; (d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; (e) to stay proceedings in any criminal matter; (f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; (g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; (h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; (i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; (j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; (k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৩৬.
দুষ্কর্মে সহয়তা (Abetment) কয়টি উপায়ে সংঘটিত হতে পারে?
ক
৫
খ
৪
গ
৩
ঘ
২
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -১০৭ ধারায়। → দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। → দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে। (i) কাউকে প্ররোচিত করে (ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment): অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে: - অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা। - ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা। - সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা। → যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। → দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে। --------- - The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: - A person abets the doing of a thing, who- Firstly.- Instigates any person to do that thing; or Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing. Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
৩৭.
A, B কে একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে B এর ঘর পুড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। উক্ত অপরাধ The Penal Code, 1860 এর কোন ধারাকে আকৃষ্ট করে?
ক
৫০৩
খ
৫০৪
গ
৫০১
ঘ
৫০২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে। ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।
⇒ উদাহরণ: ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে। ----------- ⇒ The Penal Code,1860- Section 503. Criminal Intimidation: - Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation. Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.
⇒ Illustration: A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৩৮.
X, Z কে খুন করার জন্য Y কে প্ররোচিত করে। Y উক্ত প্ররোচনা অনুসারে Z কে ছুরিকাঘাত করে। Z জখম হতে আরোগ্য লাভ করে। X কি অপরাধ করেছে?
ক
খুন
খ
খুনের প্ররোচনা
গ
গুরুতর জখমের প্ররোচনা
ঘ
কোনো অপরাধ করে নাই
ব্যাখ্যা
⇒ এক্ষেত্রে, X Y কে প্ররোচিত করেছে Z কে খুন করার জন্য। যদিও Y Z কে ছুরিকাঘাত করে, কিন্তু Z বেঁচে গেছে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি সৃষ্টি হয়নি। সুতরাং, X খুনের সরাসরি অপরাধে জড়িত না হলেও, সে খুনের প্ররোচনা দিয়েছে এবং এ জন্য দোষী হবে। এটি ধারা ১০৮ (দুষ্কর্মে সহায়তাকারী) এর আওতায় আসবে, যেখানে একজন ব্যক্তি অপরাধ করতে বা কোনো বেআইনী কাজ করার জন্য অন্যকে প্ররোচনা দিয়ে থাকে। X-এর প্ররোচনার ফলে Y অপরাধী হয়ে উঠেছে, যদিও Z মারা যায়নি। তাহলে, X খুনের প্ররোচনা দেওয়ার জন্য দণ্ডিত হবে।
- ধারা ১০৮ - দুষ্কর্মে সহায়তাকারী. কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কার্যে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে উহা করতে সক্ষম সে ব্যক্তি করলে অপরাধ হত-তাহা হলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে পরিগণিত হবে। ব্যাখ্যা ১:- কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে সহায়তা করা বা প্ররোচনা দান করাও একটি অপরাধ, যদিও প্ররোচনাদাতা স্বয়ং কাজটি করতে বাধ্য নয় । ব্যাখ্যা ২:- প্ররোচনা অপরাধ প্রতিপন্ন হওয়ার জন্য যে কার্যে প্ররোচনা দান করা হয়েছে যথার্থই সে কাজটি সম্পন্ন হওয়া অথবা কার্যটির ফলে যে পরিণামের উদ্ভব হলে উহা অপরাধতুল্য হয় সে পরিমাণ উদ্ভূত হওয়া অবশ্য আবশ্যক নয়। উদাহরণসমূহ – (ক) গ-কে হত্যা করার জন্য ক খ-কে প্ররোচিত করে। খ হত্যা করতে অস্বীকার করে ক ও খ-কে হত্যার প্ররোচনা দান করার অপরাধে অপরাধী হবে। (খ) ঘ-কে হত্যা করার জন্য ক খ-কে প্ররোচনা দেয়। ক-এর এই প্ররোচনার ফলে খ প্ররোচিত হয়ে ঘ-কে ছুরিকাঘাত করে। ঘ এই আঘাতে আহত হওয়ার পর আরোগ্য লাভ করে। খ-কে হত্যাপরাধ করতে প্ররোচিত করার অপরাধে ক অপরাধী হবে। ব্যাখ্যা ৩:- যে ব্যক্তিকে অপরাধ করতে সহায়তা করা হয় সে ব্যক্তি আইনত অপরাধ করতে সক্ষম হওয়ার, অথবা সে ব্যক্তির সহায়তাকারীর মতো একইরূপ অপরাধজনক উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকার অথবা তার কোনরূপ অপরাধজনক উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকার আবশ্যক নাই। ব্যাখ্যা ৪:- কোন একটি অপরাধের সাহায্য করা বা প্ররোচনা দেওয়া যেহেতু একটি অপরাধ, সেহেতু অনুরূপ সাহায্য বা প্ররোচনা দানে সাহায্য করা বা প্ররোচনা দেওয়াও অপরাধ । - ব্যাখ্যা- ৫:- চক্রান্তের মাধ্যমে সাহায্যের অপরাধ সংঘটনের জন্য যে ব্যক্তি অপরাধটি করে তার কাজের সাথে সাহায্যকারীর কাজের সমন্বয় অপরিহার্য নয়। যে চক্রান্তের ফলে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয় সে চক্রান্তের সাথে তার যোগদানই যথেষ্ট ।
৩৯.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন?
ক
২
খ
১
গ
৫
ঘ
৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) গঠনের জন্য ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে বা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হন, তখন তাদের সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে। অর্থাৎ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমপক্ষে দুইজন হতে হবে, এবং তারা একসাথে ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে যদি কোনও অবৈধ কাজ সংঘটিত করার জন্য সম্মত হন, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section, 120A. Definition of criminal conspiracy. When two or more persons agree to do, or cause to be done,- (1) an illegal act, or (2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof. Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.
৪০.
অসাধুভাবে তথ্য গোপনকরণ নিম্নের কোন বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত?
ক
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
খ
অনৈতিক প্রভাব
গ
প্রতারণা
ঘ
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে। ------------ Section 415. Cheating Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৪১.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারানুযায়ীসাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সংঘটিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দায়ী হবে?
ক
১৫২
খ
১৪২
গ
১৪৯
ঘ
৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, যদি কোনো বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অপরাধ সংঘটিত হয়, অথবা এমন কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে যা সমাবেশের সদস্যরা জানে, তবে সেই সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক সদস্য ওই অপরাধে দায়ী হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে: যদি কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনি সমাবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে। ------------ ⇒ The Penal Code, 1860- Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object: If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
৪২.
নিচের কোনটি চোরাই মাল সংক্রান্ত বিধানে বর্ণিত অপরাধ নয়?
ক
প্রতারণা
খ
জোরপূর্বক আদায়
গ
চুরি
ঘ
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৪১০ অনুযায়ী, চোরাই মাল বলতে সেই সকল সম্পত্তিকে বুঝায় যা চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ বা বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত হয়। তবে প্রতারণা (Fraud) চোরাই মাল সংক্রান্ত বিধানে অন্তর্ভুক্ত নয়। প্রতারণা দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয় না, কারণ এটি একটি আলাদা ধরনের অপরাধ, যেখানে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো কিছু অর্জন করা হয়, তবে তা চুরি বা দস্যুতার মাধ্যমে পাওয়া নয়। অন্যদিকে, চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা বা বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণ্য হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল- ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি; খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি; গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে। ⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না। ⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না। ------------ ⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property: - Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৪৩.
The Penal Code, 1860 এর 500 ধারানুযায়ী মানহানি (Defamation) এর সর্বোচ্চ শান্তি ________।
ক
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
খ
১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
গ
২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ঘ
২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। ------------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section- 500: Punishment for defamation: -Whoever defames another shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪৪.
X, Y এর স্বর্ণের আংটিটি Y এর সম্মতি ছাড়া এই উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় যে, Y বিনিময়ে কিছু টাকা না দেয়া পর্যন্ত আংটিটি X নিজ দখলে রাখবে। X এর অপরাধ কী?
ক
চুরি
খ
প্রতারণা
গ
অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
ঘ
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে, X এর অপরাধ হবে "চুরি" (Theft)। যেহেতু X, Y এর সম্মতি ছাড়াই Y এর স্বর্ণের আংটিটি নিয়ে যায় এবং উদ্দেশ্য ছিল আংটিটি X নিজের কাছে রেখে, Y কে কিছু টাকা না দিলে ফেরত না দেওয়ার, এই কাজটি চুরি হিসেবে গণ্য হবে। ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হয় যখন কোন ব্যক্তি অন্যের দখল থেকে তার সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করে। X এখানে Y এর সম্মতি ছাড়াই আংটিটি নিয়ে গেছে, এবং তার উদ্দেশ্য ছিল আংটিটি নিজে দখলে রাখা যতক্ষণ না Y টাকা দেয়, যা একটি চুরির ঘটনা হিসেবে পরিগণিত হবে।
ধারা: ৩৭৮ - চুরি. - কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহুর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহুর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে। ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে। ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে। ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে। ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
উদাহরণসমূহ: (ঠ) ক গ-এর একটি দ্রব্য গ-এর সম্মতি ছাড়া গ-এর দখল হতে নিয়ে যায়। ক-এর উদ্দেশ্য গ-এর নিকট থেকে তার দ্রব্য প্রত্যপণের পুরস্কারস্বরূপ অর্থ না পাওয়া পর্যন্ত সে উহা রেখে দিবে। এখানে ক অসাধুভাবে দ্রব্যটি নিয়ে গিয়েছে; সুতরাং ক চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে ।
Illustrations (l) A takes an article belonging to Z out of Z's possession without Z's consent, with the intention of keeping it until he obtains money from Z as a reward for its restoration. Here A takes dishonestly; A has therefore committed theft.
৪৫.
দাঁতের বিচ্যুতি (Dislocation) একটি ________।
ক
গুরুতর আঘাত
খ
সাধারণ আঘাত
গ
মারাত্মক অস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত
ঘ
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) বলতে নির্দিষ্ট কিছু আঘাতকে বোঝানো হয়। এর মধ্যে দাঁতের বিচ্যুতি (dislocation of a tooth) অন্তর্ভুক্ত। - এটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয় কারণ এটি শক্তিসমূহ ধ্বংস বা অঙ্গের স্থানচ্যুতি নির্দেশ করে, যা দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:- প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ। দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ। তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ। চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন। পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ। ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ। সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ। অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়। ----------- ⇒ Section 320.Grievous hurt: The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- Firstly.-Emasculation. Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. Fourthly.-Privation of any member or joint. Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৪৬.
The Penal Code, 1860 এর ________ ধারায় খুনসহ ডাকাতি (Dacoity with murder) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
ক
৩৯৪
খ
৩৯৫
গ
৩৯৭
ঘ
৩৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯৬ তে খুনসহ ডাকাতি (Dacoity with murder) এর সংজ্ঞা রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একসঙ্গে ডাকাতি করতে গিয়ে কাউকে হত্যা করে, তবে প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং সাথে অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে। -------------------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section 396. Dacoity with murder:- If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৪৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা মর্মে গণ্য হবে?
ক
যখন পাঁচবা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা সংঘটিত হয়
খ
যখন একই সাথে বলপ্রয়োগ করা হয়
গ
যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে
ঘ
যখন দুই বা ততোধিক তবে পাঁচ জনের কম ব্যক্তি দ্বারা ঘটে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন তাৎক্ষনিক মৃত্যুর ভয় থাকে। ⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটিত হয় যখন চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী কোনো ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে সম্পত্তি আদায় করে। এর মধ্যে চুরি এবং বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় উভয়ই "দস্যুতা" হিসেবে গণ্য হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়। যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'। বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে। ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে। --------- ⇒ The Penal Code, 1860-Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion: - When theft is robbery: Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint. - When extortion is robbery: Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted. ⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৪৮.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী ________ শিশুর কৃত কোন কার্য অপরাধ হবে না।
ক
১২ বছরের কম বয়স্ক
খ
৯ বছরের কম বয়স্ক
গ
৮ বছরের কম বয়স্ক
ঘ
৭ বছরের কম বয়স্ক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৮২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "৯ বছরের কম বয়সী শিশু দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।" - অর্থাৎ, এমন কোনো শিশু যদি কোনো কার্য করে যা সাধারণভাবে অপরাধ হতো, তবুও তার বয়স যদি ৯ বছরের কম হয়, তবে সেটি আইনের চোখে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
⇒ The Penal Code Section 82. Act of a child under nine years of age - Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
৪৯.
X একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে তাকে একটি মরূভূমিতে রেখে আসলেও শিশুটির মৃত্যু হয়নি। X কোন অপরাধ করেছে?
ক
শিশুর আত্মহত্যায় সহায়তাকরণ
খ
দণ্ডনীয় নরহত্যার চেষ্টা
গ
অবহেলার মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা
ঘ
খুনের চেষ্টা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে। ⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। উদাহরণ: (অ) ক চ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। ক এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে। (আ) ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে। (ই) ক, চ কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত ক অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক চ-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে চ-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে। (ঈ) ক চ-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি ক-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি চএর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা চ-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য চ-এর চাকরকে প্রদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে। -------- ⇒Section 307: Attempt to murder, Attempts by life-convicts: Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. ⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death. Illustration (a) A shoots at Z with intention to kill him, under such circumstances that, if death ensued, A would be guilty of murder. A is liable to punishment under this section. (b) A with the intention of causing the death of a child of tender years exposes it in a desert place. A has committed the offence defined by this section, though the death of the child does not ensue. (c) A, intending to murder Z, buys a gun and loads it. A has not yet committed the offence. A fires the gun at Z. He has committed the offence defined in this section, and, if by such firing he wounds, he is liable to the punishment provided by the latter part of the first paragraph of this section. (d) A, intending to murder Z, by poison, purchases poison and mixes the same with food which remains in A's keeping; A has not yet committed the offence in this section. A places the food on Z's table or delivers it to Z's servants to place it on Z's table. A has committed the offence defined in this section.
৫০.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
ক
৪৪৮
খ
৪৪৯
গ
৪৪৭
ঘ
৪৪৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৭ ধারা মতে- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। ⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৭ ধারার বিধান অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 447- Punishment for criminal trespass: Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৫১.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় 'অপরাধ' (Offence) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
ক
৩৮
খ
৪৪
গ
৪০
ঘ
৪৩
ব্যাখ্যা
• The Penal Code, 1860 এর ৪০ ধারায় 'অপরাধ' (Offence) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
ধারা ৪০: “অপরাধ”- এই ধারায় “অপরাধ” শব্দটির অর্থ: ১. যেসব অধ্যায় এবং ধারাগুলোর উল্লেখ ২ ও ৩ নম্বর ক্লজে করা হয়নি, সেখানে “অপরাধ” বলতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় কোনো কাজকে বোঝানো হয়েছে।
২. তবে চতুর্থ অধ্যায়, অধ্যায় VA এবং নিম্নোক্ত ধারাসমূহে— ধারা ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৭১, ১০৯, ১১০, ১১২, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১৮৭, ১৯৪, ১৯৫, ২০৩, ২১১, ২১৩, ২১৪, ২২১, ২২২, ২২৩, ২২৪, ২২৫, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৮৮, ৩৮৯ এবং ৪৪৫ এইসব ক্ষেত্রে “অপরাধ” বলতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী অথবা এখানে পরে সংজ্ঞায়িত যেকোনো বিশেষ বা প্রাদেশিক আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় কাজকে বোঝানো হয়েছে।
৩. এবং ধারা ১৪১, ১৭৬, ১৭৭, ২০১, ২০২, ২১২, ২১৬ ও ৪৪১ এ “অপরাধ” শব্দের অর্থ সেই কাজ, যা বিশেষ বা প্রাদেশিক আইনের অধীনে দণ্ডনীয়, এবং যেটির শাস্তি ছয় মাস বা তদূর্ধ্ব কারাদণ্ড (জরিমানাসহ বা ব্যতিরেকে) হতে পারে।
৫২.
The Penal Code, 1860 এর কোন অধ্যায়ে সর্বসাধারণের শান্তি পরিপন্থী অপরাধ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
ক
সপ্তম
খ
ষষ্ঠ
গ
পঞ্চম
ঘ
অষ্টম
ব্যাখ্যা
→ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয়, এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। এটি ছিল দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন। The Penal Code, 1860 আইনে মোট অধ্যায় ২৩টি এবং মোট ধারা ৫১১টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো: - দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (GENERAL EXPLANATIONS); - তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (PUNISHMENTS); - চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (GENERAL EXCEPTIONS); - পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ABETMENT); - পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (CRIMINAL CONSPIRACY); - ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE); - সপ্তম অধ্যায়: সেনাবাহিনী (Army), নৌবাহিনী (Navy) এবং বিমানবাহিনী (Air Force)- সম্পর্কিত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO THE ARMY, NAVY AND AIR FORCE); - অষ্টম অধ্যায়: সর্বসাধারণের শান্তি পরিপন্থী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE PUBLIC TRANQUILITY) - নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মচারী সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS); - নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO ELECTIONS); - ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY); - সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (OFFENCES AGAINST PROPERTY); - বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE); - একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (DEFAMATION); - ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)।
৫৩.
কেবল অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকা হলে, উহা অনাদায়ে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
ক
৩ মাস
খ
৪ মাস
গ
৬ মাস
ঘ
২ মাস
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৭ ধারায় বলা হয়েছে, যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আসামীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হয় বিনাশ্রম হবে এবং নিম্নলিখিত হারে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে:
এক্ষেত্রে, ⇒ অর্থদণ্ড ৫০ টাকার অধিক না হলে, ২ মাসের কারাদণ্ড; ⇒ অর্থদণ্ড ১০০ টাকার অধিক না হলে, ৪ মাসের কারাদণ্ড; ⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বা অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকার বেশি হলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।
The Penal Code, 1860- Section-67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only: If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.
৫৪.
A, B কে একটি দেয়াল ঘেরা স্থানে প্রবেশ করতে বাধ্য করে এবং B কে সেখানে তালাবদ্ধ করে রাখে। A কোন অপরাধটি করেছে?
ক
অবৈধ আটক
খ
অপহরণ
গ
অবৈধ বাধা
ঘ
মনুষ্যহরণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান- অবৈধ আটক: যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ: (ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ বা আটক করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।
Section 340- Wrongful confinement: Whoever wrongfully restrains any person in such a manner as to prevent that person form proceeding beyond certain circumscribing limits, is said "wrongfully to confine" that person.
Illustrations- (a) A causes Z to go within a walled space, and locks Z in. Z is thus prevented from proceeding in any direction beyond the circumscribing line of wall. A wrongfully confines Z. (b) A places men with firearms at the outlets of a building, and tells Z that they will fire at Z if Z attempts to leave the building. A wrongfully confines Z.
৫৫.
আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত কাজ The Penal Code, 1860 এর কোন ধারানুযায়ী অপরাধ নয়?
ক
৭৬
খ
৭৭
গ
৭৯
ঘ
৭৮
ব্যাখ্যা
⇒ আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত কাজ The Penal Code, 1860 এর ৭৬ ধারানুযায়ী অপরাধ নয়।
• দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য: যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।
উদাহরণসমূহ: (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না। (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law: Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.
Illustrations: (a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence. (b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
৫৬.
একজন আইনজীবী সাধারণত অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা পরিচালনা করবেন না- এটি কার প্রতি আইনজীবীর দায়িত্ব?
ক
আদালত
খ
সাধারণ জনগণ
গ
মক্কেল
ঘ
অন্যান্য আইনজীবী
ব্যাখ্যা
• 'একজন আইনজীবী সাধারণত অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা পরিচালনা করবেন না'- এটি সাধারণ জনগণের প্রতি আইনজীবীর দায়িত্ব।
⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে। অধ্যায়সমূহ: ১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি; ২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি; ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি; ৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব:
১. হয়রানি বা বিলম্বের উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ নয়: আইনজীবী আক্রোশ বা দুষ্ট উদ্দেশ্যে কোনো মামলা গ্রহণ বা পরিচালনা করবেন না।
২. ভদ্র আচরণ ও পেশাগত সম্মান বজায় রাখা: প্রতিপক্ষ ও সাক্ষীদের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করবেন এবং আদালতে কোনো পক্ষপাতদুষ্ট বা ক্ষতিকর আচরণ করবেন না।
৩. অবৈধ বা হয়রানিমূলক মামলায় অংশগ্রহণ নয়: যদি মনে করেন মামলাটি শুধুই হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে তা পরিচালনা থেকে বিরত থাকবেন।
পেশাগত স্বাধীনতা বজায়: আইনজীবী যে কোনো ক্লায়েন্ট বা মামলা গ্রহণে বাধ্য নন; কোন মামলা নেবেন তা নিজেই নির্ধারণ করবেন। ৫. আইনের মর্যাদা রক্ষা: কোনোভাবেই আইনের লঙ্ঘন, দুর্নীতি, আদালতের অবমাননা বা জনসাধারণকে প্রতারণায় সহায়তা করবেন না।
৬. পরিচয় গোপন নয়: সরকারি বা অন্য কর্তৃপক্ষের সামনে নিজের পরিচয় ও কার স্বার্থে এসেছেন তা প্রকাশ না করে হাজির হবেন না।
৭. বিচারকের ভূমিকায় থেকে কাজ করা বিষয়ে অংশগ্রহণ নিষেধ: যে বিষয়ে আগে বিচারক বা সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে কাজ করেছেন, সেখানে আইনজীবী হিসেবে নিযুক্তি গ্রহণ করবেন না।
৮. অন্যান্য পেশার সঙ্গে জড়িত না থাকা: সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আইনজীবী অন্য ব্যবসা বা পেশার সক্রিয় অংশীদার বা কর্মচারী হবেন না।
৫৭.
আইনজীবীর বিরুদ্ধে বার কাউন্সিলে দাখিলী অভিযোগের সাথে কত টাকার ফি জমা দিতে হয়?
ক
৫০০
খ
১০০০
গ
১৫০০
ঘ
কোনো ফি লাগবে না
ব্যাখ্যা
THE BANGLADESH LEGAL PRACTITIONERS AND BAR COUNCIL RULES, 1972
বিধি ৪১ক- কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের: একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (petition of complaint) দায়ের করতে হলে তা বার কাউন্সিলের কাছে দাখিল করতে হবে এবং এর সাথে ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে।
RULE 41A- The petition of complaint against an Advocate shall be filed with the Bar Council along with payment of a fee of Tk.1,000.00.
৫৮.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল ________ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
ক
৩
খ
৫
গ
৭
ঘ
৯
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল: The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- ১. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠন হবে ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে। ২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে। ৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল। ৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান। ৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
৫৯.
পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান কে?
ক
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল
খ
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
গ
আপীল বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারপতি
ঘ
হাইকোর্ট বিভাগের জেষ্ঠ্য বিচারপতি
ব্যাখ্যা
The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬ এ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(১) বার কাউন্সিলে একজন চেয়ারম্যান এবং একজন সহ-চেয়ারম্যান (ভাইস-চেয়ারম্যান) থাকবেন। (২) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে (ex officio) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন। (৩) সহ-চেয়ারম্যান বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্বাচন করে বেছে নেওয়া হবে। (৪) চেয়ারম্যান ও সহ-চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
৬০.
বার কাউন্সিল ________ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।
ক
৭
খ
১২
গ
১০
ঘ
১৫
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৫: বার কাউন্সিলের গঠন (১) বার কাউন্সিল মোট ১৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে, যাদের মধ্যে— (ক) একজন হবেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল, যিনি পদাধিকারবলে (ex-officio) সদস্য থাকবেন; (খ) সাতজন সদস্য হবেন রোলভুক্ত (তালিকাভুক্ত) আইনজীবীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত, যাঁরা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন; (গ) আরও সাতজন সদস্য হবেন স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য আইনজীবীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত, যারা দফা (২) অনুযায়ী গঠিত প্রতিটি গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
(২) উপ-ধারা (১)(গ) বাস্তবায়নের জন্য, সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনকে সাতটি গ্রুপে ভাগ করবে।
৬১.
অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি দাখিলের ত্রুটি দূরীকরণে আদালত সর্বোচ্চ কত সময় মঞ্জুর করতে পারে?
ক
৭ দিন
খ
১৪ দিন
গ
২১ দিন
ঘ
১০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান- আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে- ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি; খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে: গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
৬২.
চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ নির্ধারিত হওয়ার ________ এর মধ্যে আদালত দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানী সমাপ্ত করবে।
ক
৮০ কার্যদিবস
খ
১২০ দিন
গ
১২০ কার্যদিবস
ঘ
৮০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়: ১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে। ২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।
এখানে, সময় গণনায় শুধুমাত্র কার্যদিবস (working days) গণ্য হবে, ছুটির দিন বাদ যাবে।
তাই সঠিক উত্তর: গ) ১২০ কার্যদিবস।
৬৩.
৩০ ধারানুযায়ী সমন পেয়েও সাক্ষ্য দিতে না এলে সাক্ষীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যায়?
ক
অনধিক ১০০০ টাকা
খ
অনধিক ২০০ টাকা
গ
অনধিক ১০০ টাকা
ঘ
অনধিক ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি ৩২ ধারার বিধান- হাজির না হলে দণ্ড: যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন; খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন; গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন; ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
The Code of Civil Procedure, 1908, Sections- 32: Penalty for default: The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may- (a) issue a warrant for his arrest; (b) attach and sell his property; (c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; (d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
৬৪.
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক ডিক্রী জারী স্থগিত রাখার বিধান আছে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন আদেশে?
ক
৪২
খ
৪১
গ
৪৩
ঘ
৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ Order 41 হলো "Appeals from Original Decrees" সম্পর্কিত আদেশ। Order 41 Rule 5-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: আপিল করা হয়েছে বললেই কোনো ডিক্রী বা আদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয় না। তবে, যদি আপিল করা হয় এবং যথাযথ কারণ দেখানো হয়, তাহলে আপিল আদালত অথবা ডিক্রী প্রদানকারী আদালত (যে আদালত ডিক্রী দিয়েছে) ডিক্রী কার্যকরী স্থগিত রাখতে পারে। Rule 5(2) বলছে: ডিক্রী প্রদানকারী আদালতও (original court) ডিক্রী জারী স্থগিত রাখতে পারে, যদি আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করা হয়; এবং যথাযথ কারণ দেখানো হয়।
⇒ আদেশ ৪১ বিধি-৫- স্থগিতাদেশ (Stay) সম্পর্কে বিধান: (১)আপিল করা হয়েছে বলে কোনো ডিক্রি বা আদেশের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হবে না, তবে আপিল আদালত (Appellate Court) প্রয়োজনীয় কারণ দেখাতে পারলে কার্যকরির স্থগিতাদেশ দিতে পারে। শুধুমাত্র আপিল করা হয়েছে বলে ডিক্রির কার্যকরী বন্ধ হবে না; তবে যথোপযুক্ত কারণ দেখালে আপিল আদালত কার্যকরী স্থগিত রাখতে আদেশ দিতে পারবে। (২)যদি কোনো আপিলযোগ্য ডিক্রির কার্যকরী স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করা হয়, এবং তা আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করা হয়, তাহলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত (যে আদালত ডিক্রি দিয়েছে) যথাযথ কারণ দেখানো হলে কার্যকরী স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারবে।
(৩)সাব-রুল (১) বা (২)-এর অধীনে কার্যকরী স্থগিত রাখার কোনো আদেশ আদালত দেবে না, যদি না নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়: (ক) আবেদনকারী পক্ষের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে যদি স্থগিতাদেশ দেওয়া না হয়; (খ) আবেদনটি অনাহেতুক বিলম্ব না করে করা হয়েছে; (গ) আবেদনকারী ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা (security) প্রদান করেছে বা ভবিষ্যতে তা তার ওপর বাধ্যতামূলক হবে। (৪) সাব-রুল (৩)-এর যেকোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও, আদালত শুনানির পূর্বে ex parte (একতরফা) আদেশ দিয়ে ডিক্রির কার্যকরী স্থগিত রাখতে পারে।
৬৫.
গুরুতর অসুস্থতার কারণে দায়িককে দেওয়ানী কারাগার থেকে মুক্তির বিধান আছে কোন ধারায়?
ক
৫৯
খ
৫৭
গ
৫৬
ঘ
৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী, দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান- অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness): ১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন। ২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।
৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে- ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
৬৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিচের কোনটি আপীল আদালতের এখতিয়ার?
ক
মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা
খ
অধিকতর সাক্ষ্য গ্রহণ করা
গ
ইস্যু গঠন ও বিচারের জন্য প্রেরণ করা
ঘ
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা: ১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে- ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার; খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার; গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার; ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।
২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
Section 107- Powers of Appellate Court: (1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- (a) to determine a case finally; (b) to remand a case; (c) to frame issues and refer them for trial; (d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৬৭.
স্থানীয় তদন্তের কমিশন প্রাপ্ত ব্যক্তি রিপোর্ট দাখিলের জন্য সময় পাবে ________।
ক
২ মাস
খ
৪ মাস
গ
১ মাস
ঘ
৩ মাস
ব্যাখ্যা
আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন: যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন। Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations: In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court. Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
৬৮.
89A ধারার অধীন ঘোষণাকৃত আদেশ বা ডিক্রীর বিরুদ্ধে নিচের কোন প্রতিকার গ্রহণ করা যাবে?
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে। নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন। সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।
⇒ তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে কোন মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক কখনও কেউ উকিল নিযুক্ত হয়ে থাকলে পক্ষগণের মধ্যে তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবেন না। কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধগুলি এই ধারার অধীনে নিষ্পত্তি হলে আরজি-জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত প্রদানের নির্দেশ প্রদান করে, আদালত একটি প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করবে এবং প্রত্যয়নপত্র ইস্যুর তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে পক্ষগণ তা ফেরত পাবে।
⇒ এই ধারানুসারে নিষ্পত্তির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না (No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section)।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ আদেশের অধীন মোকদ্দমা উঠিয়ে নেওয়া, সমন্বয় এবং মীমাংসা করার পক্ষগণের ইচ্ছাকে এই ধারা অন্যভাবে সীমিত করেছে বলে কোন কিছুই মনে করা যাবেনা।
৬৯.
নিচের কোনটি Pleadings এর উপাদান নয়?
ক
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
খ
সত্যতা প্রতিপাদন
গ
স্বাক্ষর
ঘ
গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায়। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
Pleadings এর উপাদানগুলো সাধারণত এইরকম হয়: ক) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মামলা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য। খ) সত্যতা প্রতিপাদন: মামলায় উত্থাপিত দাবীর সত্যতা প্রতিপাদন করা। গ) স্বাক্ষর: Pleading-এর আইনগত স্বীকৃতি এবং আইনি মান্যতার জন্য পক্ষের স্বাক্ষর।
আদেশ ৬ বিধি-২ঃ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি আরজি জবাবে বিবৃত করতে হবে কিন্তু সাক্ষ্য নয়- প্রত্যেক আরজি জবাব শুধুমাত্র যেসব তথ্যের উপর ভিত্তি করে দরখাস্তকারী (আবেদনকারী) তার দাবী উত্থাপন বা আত্মপক্ষ সমর্থন, করে, সেসব তথ্যাবলীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দান করতে হবে, এতদসম্বন্ধীয় প্রমাণাদি দরখাস্তে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। আরজি জবাব প্রয়োজন মাফিক বিভিন্ন পংক্তিতে বিভক্ত হবে এবং পংক্তিগুলোতে ক্রমিক নম্বর দেয়া হবে। তারিখ, টাকার পরিমাণ ও সংখ্যা অংকে প্রকাশিত হবে
ঘ) গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য- হচ্ছে Trial (বিচার) পর্যায়ে ব্যবহৃত উপাদান, যা Pleadings-এর অংশ নয়।
৭০.
রায় অনুযায়ী প্রণীত ডিক্রীতে স্বাক্ষর করবেন কে?
ক
প্রশাসনিক কর্মকর্তা
খ
সেরেস্তা সহকারী
গ
বিচারক
ঘ
সেরেস্তাদার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-৭- ডিক্রির তারিখ: যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবে।
Order-20 Rule 7: Date of decree: The decree shall bear date the day on which thejudgment was pronounced, and, when the Judge has satisfied himself that the decree has been drawn up in accordance with the judgment, he shall sign the decree.
৭১.
নিচের কোন বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না?
ক
আদেশ ৭ বিধি ১০
খ
আদেশ ৩৯ বিধি ১
গ
আদেশ ৯ বিধি ৩
ঘ
আদেশ ১১ বিধি ২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।
তালিকা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহ আপীলযোগ্য- ক) আদেশ ৭ বিধি ১০- আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ; খ) আদেশ ৩৯ বিধি ১- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের আদেশ; ঘ) আদেশ ১১ বিধি ২১- প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ অমান্যকরণ;
তবে, গ) 'আদেশ ৯ বিধি ৩- কোন পক্ষ হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ' আপীলযোগ্য নয়।
প্রতিকার- এক্ষেত্রে, আদেশ ৯ বিধি ৪ এর অধীনে বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা খারিজ আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে।
৭২.
নিচের কোন কারণে ডিক্রী প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করা যাবে?
ক
কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আবিষ্কার হল
খ
কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য আবিষ্কার হলে
গ
নথীদৃষ্টে কোনো ভুল বা ভ্রান্তি প্রতীয়মান হলে
ঘ
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• রিভিউ: যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে: ⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি; ⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না; ⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।
রিভিউ করা যায় যে কারণে: i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল; ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে; iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।
৭৩.
স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রিতে ক্রেতা হিসাবে ঘোষণার অব্যবহিত পরেই ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যের ________ টাকা জমা দিতে হবে।
ক
২৫%
খ
৫০%
গ
৭৫%
ঘ
৩০%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।
আদেশ ২১ বিধি-৮৪ - ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়: ১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে,
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে
৭৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১ এর কোন বিধি অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারে?
ক
১০(২)
খ
৯
গ
১০(১)
ঘ
১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।
Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties: The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
৭৫.
নাবালকের পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করবে ________।
ক
পরবর্তী বন্ধু
খ
আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক
গ
আইনী অভিভাবক
ঘ
আদালত কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিক সম্পন্ন ব্যক্তি কিভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কিভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন/পরবর্তী বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে [৩২ আদেশের বিধি-১]।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১ এর বিধান- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়: নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।
Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend: - Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
৭৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ এর কোন বিধি অনুযায়ী সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পে হস্তক্ষেপের সামিল এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞার আদেশ বারিত?
ক
Rule 3
খ
Rule 3A
গ
Rule 5
ঘ
Rule 5A
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):
⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।
⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।
⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
৭৭.
আদেশ ৭ বিধি ১১ এ আরজি প্রত্যাখ্যানের কয়টি কারণ উল্লেখ আছে?
ক
৪
খ
৩
গ
৫
ঘ
৬
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান- আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে- ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি; খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে: গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
৭৮.
বিনা জারীতে সমন ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী পুনরায় সমন জারীর আবেদন করতে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ হবে?
ক
১৪ দিন
খ
২৮ দিন
গ
৩০ দিন
ঘ
২১ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫: (১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন-
ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।
(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
৭৯.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় শাসনতান্ত্রিক ব্যাখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িত থাকলে আদালত কাকে নোটিশ দিবে?
ক
রাষ্ট্রপতি
খ
অ্যাটর্নি-জেনারেল
গ
সুপ্রীম কোর্ট
ঘ
আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ক বিধি-১- এ্যাটনি জেনারেলকে নোটিশ: যদি কোন মোকদ্দমায় আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, শাসনতান্ত্রিক আইনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত আছে, তবে আইনের প্রশ্নটি সরকার সম্পর্কিত হলে বাংলাদেশের এ্যাটর্নি জেনারেলকে নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত আদালত প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করতে অগ্রসর হবে না।
৮০.
যথাযথভাবে মোকদ্দমা দায়েরের কত দিনের মধ্যে বিবাদীর প্রতি সমন ইস্যু করতে হবে?
ক
অব্যবহিত পরেই
খ
৫ কার্যদিবস
গ
৭ কার্যদিবস
ঘ
১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।
২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে- ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
৮১.
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে Complaint আপীল করবে ________ আদালতে।
ক
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
খ
দায়রা জজ
গ
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ঘ
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান- খালাসের ক্ষেত্রে আপীল: (১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন- (ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে; (খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।
(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে- (ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে; (খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।
(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না।
(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না।
৮২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৪ ধারার বিধান মতে প্রদত্ত আদেশের মেয়াদ থাকে অনধিক ________।
ক
১ মাস
খ
৪ মাস
গ
২ মাস
ঘ
৩ মাস
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা; ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা; iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা; iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা; এবং v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।
⇒ ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।
⇒ ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।
⇒ এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৮৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে কিছু অনিয়ম সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রম বাতিল হয় না?
ক
৫৬০
খ
৫৬১
গ
৫৩০
ঘ
৫২৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৯ ধারার বিধান:যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না: যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা- (ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন; (খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন; (গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন; (ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন; (ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন; (চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন; (ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন; (জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা (ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,
তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না।
৮৪.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
ক
২০৪
খ
২০২
গ
২০৩
ঘ
২০৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে- (১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused: (1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. (2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
৮৫.
অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নোক্ত কোন ধারায় শর্ত আরোপ করা হয়েছে?
ক
১৯২
খ
১৯৩
গ
১৯৫
ঘ
১৯৪
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৯৫ এমন কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপ করে, যাতে আদালত নিজে থেকে (suo moto) বা সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে সেই অপরাধ আমলে নিতে না পারে যতক্ষণ না নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে।
ধারা ১৯৫- সরকারী কর্মচারীর আইন সংগত কর্তৃত্ব অবমাননার অভিযোগ: (১) কোন আদালত আমলে আনবেন না- ক) সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মচারী অথবা তিনি যার অধীনস্ত তার লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৭২ ধারা হতে ১৮৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ; জনসাধারণের ন্যায় বিচার বিরোধী কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ
খ) অপরাধটি কোন আদালতের কার্যক্রমে বা কোন কার্যক্রম সম্পর্কে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৯৩, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৯, ২০০, ২০৫, ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০, ২১১ বা ২২৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অথবা, সাক্ষ্যে প্রদত্ত দলিলাদি সম্পর্কিত কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ
গ) অপরাধটি কোন আদালতের কোন কার্যক্রমে পেশকৃত বা সাক্ষ্যে গৃহীত কোন দলিল সম্পর্কে উক্ত কার্যক্রমের কোন পক্ষ কর্তৃক সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় বর্ণিত বা ৪৭১, ৪৭৫ বা ৪৭৬ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ ।
(২) উপধারা (১)-এর (খ) (গ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আদালত বলতে দেওয়ানী রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত বুঝায়, কিন্তু ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন কোন রেজিষ্টার বা সাব রেজিষ্ট্রারকে বুঝায় না।
(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে কোন আদালতকে সেই আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করা হবে যে আদালতে পূর্বতন আদালতের আপীলযোগ্য ডিক্রি বা দণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপীল করা যায় অথবা দেওয়ানী আদালতের ক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে সাধারণতঃ সাধারণ মূল এখতিয়ার সম্পন্ন প্রধান আদালতে আপীল চলে না সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত দেওয়ানী আদালত অবস্থিতঃতবে শর্ত এই যে—ক) যখন কোন নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক আদালত আপীল চলে, তখন উক্ত আদালতকে নিম্ন মানের এখতিয়ারবান আপীল আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে, এবং খ) যখন দেওয়ানী আদালতে আপীল চলে এবং রাজস্ব আদালতেও আপীল চলে, তখন যে মামলা বা কার্যক্রম সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেই মামলা বা কার্যক্রমের প্রকৃতি অনুসারে উক্ত আদালতকে দেওয়ানী বা রাজস্ব আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে।
(৪) (১) উপ-ধারায় উল্লেখিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে উক্ত (১) উপধারার বিধানাবলী অপরাধ করার ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
(৫) কোন সরকারী কর্মচারী (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদের অধীন অভিযোগ করলে তিনি যে কর্তৃপক্ষের অধস্তন সেই কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারেন এবং এরূপ করা হলে উক্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত আদেশের একটি নকল আদালতে প্রেরণ করবেন এবং আদালত উহা পাবার পর উক্ত অভিযোগ সম্পর্কে আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
৮৬.
ফেনী হতে বাসযোগে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার ভ্রমণকালে একটি ফৌজদারী অপরাধ সংঘটিত হলে নিম্নের কোন জেলার আদালতের অপরাধটি বিচারের এখতিয়ার রয়েছে?
ক
ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
খ
চট্টগ্রাম
গ
ফেনী ও কক্সবাজার
ঘ
ফেনী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৩- যাত্রার সময় সংঘটিত অপরাধ: যখন অপরাধী কোনো যাত্রা বা সমুদ্রযাত্রার মধ্যে থাকাকালীন কোনো অপরাধ সংঘটন করে, তখন যে আদালতের এখতিয়ার সীমার মধ্য দিয়ে অপরাধী, বা যার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, বা যে বিষয়ের ক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, সেই যাত্রা বা সমুদ্রযাত্রার সময় অতিক্রম করেছে, সেই আদালত দ্বারা অপরাধটি তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।
(CrPC) এর ধারা ১৮৩ অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধ ভ্রমণকালে সংঘটিত হয়, তাহলে সেই অপরাধের বিচার সেইসব এলাকার আদালত করতে পারে, যেগুলোর মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি, ভুক্তভোগী বা অপরাধ-সম্পর্কিত বস্তুটি যাত্রাকালে অতিক্রম করেছে।
ফেনী থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত যাত্রাপথে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে — - ফেনী, - চট্টগ্রাম, এবং - কক্সবাজার - এই তিন জেলার যেকোনো আদালতের এখতিয়ার থাকবে মামলাটি আমলে নেওয়ার ও বিচার করার জন্য।
৮৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৯ ধারা মতে মামলার কার্যক্রম বন্ধ (Stop) নিম্নোক্ত কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
ক
GR
খ
CR
গ
Non-GR
ঘ
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে। উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant: -In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
৮৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে অভিযোগ পরিবর্তন (Alteration of charge) করা হয়?
ক
২২৮
খ
২২৭
গ
২২৫
ঘ
২২৬
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge: (1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. (2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান- অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
৮৯.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা ________ বছর।
ক
৩
খ
৭
গ
৫
ঘ
১০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন: (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ (ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত। (খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷ (গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।
২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৯০.
Process fees না দেওয়ার কারণে Complaint খারিজ করা হয় The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
ক
২০৪(৪)
খ
২০৪(১)
গ
২০৪(২)
ঘ
২০৪(৩)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা: (১) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধের বিষয়ে বিচারাধীন হয়ে মনে করেন যে মামলাটি চালানোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামের মতে এটি এমন একটি মামলা যেখানে প্রথমে সমন জারি করা উচিত, তাহলে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করবেন। যদি মামলাটি এমন হয় যেখানে প্রথমেই ওয়ারেন্ট জারি করা প্রয়োজন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন অথবা প্রয়োজনে সমন জারি করে অভিযুক্তকে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারেন। যদি তার নিজস্ব এখতিয়ার না থাকে, তবে তিনি অন্য কোনো যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানোর জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না, যতক্ষণ না অভিযোগকারী পক্ষ সাক্ষীদের তালিকা দাখিল করে। (খ) কোনো লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত মামলায়, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে জারি করা প্রতিটি সমন বা ওয়ারেন্টের সাথে অভিযোগের একটি অনুলিপি সংযুক্ত থাকবে।
(২) এই ধারার কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৯০ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।
(৩) যদি কোনো প্রচলিত আইনে প্রক্রিয়া ফি বা অন্যান্য ফি প্রদান করতে হয়, তবে ফি প্রদান না করা পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়া জারি করা হবে না। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি প্রদান করা না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটি খারিজ করতে পারেন।
৯১.
দায়রা আদালত আসামীকে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________ ধারায় অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।
ক
241A
খ
265D
গ
265C
ঘ
241
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৯২.
পলাতক আসামীর উপস্থিতির জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হয় ________।
ক
আদালতের নির্দেশ মোতাবেক
খ
দুইটি সাপ্তাহিক পত্রিকায়
গ
একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
ঘ
দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার: (১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
৯৩.
মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিম্নোক্ত কোন আদালতের Confirmation ব্যতীত কার্যকর হয় না?
ক
হাইকোর্ট বিভাগ
খ
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
গ
দায়রা আদালত
ঘ
আপীল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে।দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।
এছাড়া, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড- ⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা ⇒ বাতিল করতে পারেন,বা ⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা ⇒ খালাস দিতে পারেন।
৯৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী পুলিশ কয়টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
ক
১০
খ
১১
গ
৯
ঘ
৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;
⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।
৯৫.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (Inherent power) আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
ক
564
খ
560
গ
561A
ঘ
561
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা- i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC); ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division: Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৯৬.
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারাধীন মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানীর বিধান উল্লেখ রয়েছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
ক
২৪১
খ
২৪৪
গ
২৪৫
ঘ
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর অধ্যায় XX এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বিধান আছে।
ধারাসমূহ: ২৪১। মামলার কার্যবিধি; ২৪১ক। কখন আসামী খালাস পাবে; ২৪২। অভিযোগ প্রস্তুত করা; ২৪৩। অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্তকরণ; ২৪৪। যখন এমন কোনো স্বীকারোক্তি নেই তখন কার্যবিধি; ২৪৫। খালাস দেওয়া; ২৪৭। ফরিয়াদীর অনুপস্থিতি; ২৪৮। অভিযোগ প্রত্যাহার; ২৪৯। যখন কোনো ফরিয়াদী থাকে না তখন কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা।
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারাধীন মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানীর বিধান The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আলাদা ভাবে উল্লেখ করা নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'ঘ) কোনোটিই নয়' নেয়া হয়েছে।
৯৭.
যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত ৫ বছরের অধিক কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল হবে ________।
ক
হাইকোর্ট বিভাগে
খ
দায়রা জজ আদালতে
গ
আপীল বিভাগে
ঘ
অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল: যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে- (ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
৯৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজস্ব জ্ঞান মতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
ক
190(1)(a)
খ
190(1)(c)
গ
190(1)(b)
ঘ
190(1)(d)
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন: i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট
• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টিউৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা- i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)] ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)] iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]
• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)] • ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না। • সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
৯৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 339C(2) ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত কর্তৃক মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত দিন?
ক
২৬০
খ
১৮০
গ
৩২০
ঘ
৩৬০
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়: ১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন। ২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে। ২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।
৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।
৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।
৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে- খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
১০০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 200(aa) ধারা মতে নালিশকারীকে শপথপূর্বক পরীক্ষা করা _______।
ক
নালিশকারীর ইচ্ছাধীন
খ
আবশ্যক নয়
গ
আবশ্যক
ঘ
আদালতের স্বেচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।
- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে, নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।
- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই- ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)] খ. যেকোনো মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা গ. সরকারি কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশি দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।