পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
NOR গেইটে আউটপুট 1 পেতে হলে-
  1. সবগুলো ইনপুট 1 হতে হবে
  2. সবগুলো ইনপুট 0 হতে হবে
  3. যেকোনো একটি ইনপুট 0 হতে হবে
  4. যেকোনো একটি ইনপুট 1 হতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ নর গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 
- NOR গেইটে সবগুলো ইনপুট 0 হলে কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে।


                    চিত্র: NOR গেইট


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(107.26)8 এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 92.67314
  2. 65.18356
  3. 71.34375
  4. 67.27461
ব্যাখ্যা
(107.26)8 = (1 × 8²) + (0 × 8¹) + (7 × 8⁰) + (2 × 8⁻¹) + (6 × 8-2)
= 64 + 0 + 7 + 0.25 + 0.09375
= (71.34375)10
.
কম্পিউটারের সাংগঠনিক অংশ নয় কোনটি?
  1. মেমোরি ইউনিট
  2. রিপেয়ারিং ইউনিট
  3. কন্ট্রোল ইউনিট
  4. আউটপুট ইউনিট
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটারের সংগঠন:
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশকে পারস্পরিক সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত করা অবস্থাকেই কম্পিউটার সংগঠন বলা হয়।
- কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ পাঁচটি। যথা-
১। ইনপুট অংশ (Input Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
৩। গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
৪। স্মৃতি অংশ (Memory Unit) ও
৫। আউটপুট অংশ (Output Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(A25.B3)16 = (?)2
  1. 101000100101.10110011
  2. 100010011001.10011001
  3. 010111011010.01001100
  4. 101000010001.01001100
ব্যাখ্যা
এখানে,
A (10) = 1010
2 = 0010
5 = 0101
B (11) = 1011
3 = 0011

∴ (A25.B3)16 = 1010 0010 0101.1011 0011 
= (101000100101.10110011)2
.
ওসিআর দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ কত ক্যারেক্টার পড়া যায়?
  1. ২৪০০
  2. ১৫০০
  3. ১৭০০
  4. ৭০০
ব্যাখ্যা
♦ ওসিআর (OCR):
- ওসিআর (OCR) এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
- ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে। 

• ওসিআর (OCR) এর বৈশিষ্ট্য:
১. অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার বিশেষ ধরনের বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে অনুধাবন করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে। এ বৈদ্যুতিক পালস থেকে কম্পিউটার উপযোগী ডাটা তৈরি করে।
২. ওসিআর সফটওয়্যার ব্যবহার করে স্ক্যানার হতে প্রাপ্ত ইমেজকে টেক্সট ফরমেটে রূপান্তর করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যায়।
৩. টাইপ রাইটার বা হাতের লেখা বর্ণসমূহকে রিড করার জন্য প্রতিটি বর্ণের আকার আকৃতি নির্দিষ্ট অবিকলের হওয়া প্রয়োজন।
৪. এ সিস্টেমে কাগজের উপস্থিতি কারেক্টারগুলোকে ওসিআর দ্বারা স্ক্যান করার পর একে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্টের সাথে তুলনা করা হয়। যদি স্ক্যান করা কাগজের কারেক্টার এবং কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্ট মিলে যায় তবে কম্পিউটার স্ক্যান করা কারেক্টরকে সংরক্ষণ করে অন্যথায় উক্ত কাগজের তথ্য ভুল হিসেবে গণ্য করে।
৫. ওসিআর দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২৪০০ কারেক্টার পড়া যায়। ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
.
একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. Hard Disk
  2. Plotter
  3. Digitizer
  4. Multimedia Projector
ব্যাখ্যা
♦ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

• Plotter এবং Multimedia Projector আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
• Digitizer ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কত ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে?
  1. -৪১°
  2. -৩২°
  3. -৬৭°
  4. - ২১°
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কয়টি মান থাকতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. অসংখ্য
ব্যাখ্যা
♦ বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
- বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
- এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় তিনটি মৌলিক ক্রিয়া আছে। যথা-
১. বুলিয়ান যোগের ক্রিয়া (Logical OR Operation), 
২. বুলিয়ান গুণের ক্রিয়া (Logical AND Operation) ও
৩. বুলিয়ান পূরকের ক্রিয়া (Logical NOT Operation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির উদ্ভাবক কে?
  1. জন উইলিয়াম নাইস্ট্রম
  2. গটফ্রিড লিবনিজ
  3. রবার্ট উইলিয়াম বিমার
  4. রাজা ৭ম চার্লস
ব্যাখ্যা
♦ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- এ পদ্ধতিতে মোট ৮টি অংক বা ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অংক বা ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে  MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক)  এবং পরের অঙ্কগুলোকে  LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান। 
১০.
বায়োমেট্রিক্স শব্দটির উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
  1. স্লাভিক
  2. গ্রিক
  3. ল্যাটিন
  4. ইংরেজি
ব্যাখ্যা
♦ বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রিক শব্দ 'metric' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১.
কম্পিউটারে স্ক্রিনশট নেয়ার জন্যে কোন বাটনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Caps Lock
  2. Print Screen
  3. Pause
  4. Esc
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের স্ক্রিনশট নিতে এবং  মেমরিতে ক্লিপবোর্ডে কপি করতে Print Screen বাটনটি ব্যবহৃত হয়।

• অক্ষর টাইপ Upper case বা Lower Case এ পরিবর্তন করতে Caps Lock বাটনটি ব্যবহৃত হয়।

• সাময়িকভাবে কম্পিউটারের কার্যকলাপ স্থগিত করার কাজে Pause বাটনটি ব্যবহৃত হয়।

• Esc (Escape) কী কম্পিউটার কীবোর্ডের একটি বিশেষ কী যা কোনো অপারেশনকে বাধা দিতে বা বাতিল করতে, পূর্ণ-স্ক্রীন মোড পরিবর্তন করতে  এবং কমান্ড লাইন ইন্টারফেস অ্যাক্সেস করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Microsoft
১২.
OR গেইটের কাজ হলো-
  1. +
  2. -
  3. ×
  4. /
ব্যাখ্যা
♦ অর গেইট:
- অর গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট । হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট হবে 0।
- দুইটি ইনপুট সংকেত A ও B এবং আউটপুট X হলে অর গেইটের সমীকরণ, সাংকেতিক সংকেত ও সত্যক সারণি হবে নিম্নরূপ-



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
নিচের কোনটি একটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. OMR
  2. Film Recorder
  3. Speaker
  4. Plotter
ব্যাখ্যা
♦ আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

•  OMR একটি ইনপুট ডিভাইস।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
দেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু হয় কখন?
  1. ১৪ আগস্ট, ২০২৩
  2. ১৫ আগস্ট, ২০২৩
  3. ১৬ আগস্ট, ২০২৩
  4. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
• সর্বজনীন পেনশন:
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগণকে পেনশনের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৭ আগস্ট, ২০২৩ সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। তবে আপাতত চালু হয়েছে চারটি স্কিম।
- এগুলোর নাম দেয়া হয়েছে - 
→ প্রবাস,
→ প্রগতি,
→ সুরক্ষা ও
→ সমতা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৭ আগস্ট, ২০২৩)।
১৫.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. চামড়া
  4. রাসায়নিক দ্রব্য
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি বাণিজ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১৬.
মূল্য সংযোজন কর বা (VAT) কোন ধরনের কর?
  1. সম্পূরক কর
  2. পরিপূরক কর
  3. পরোক্ষ কর
  4. প্রত্যক্ষ কর
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
→ প্রথম - মূল্য সংযোজন কর।
→ দ্বিতীয় - আয়কর।
→ তৃতীয় - সম্পূরক শুল্ক।
→ চতুর্থ - আমদানি শুল্ক।
→ পঞ্চম - আবগারি শুল্ক।

উৎস: বাজেট ২০২৩-২৪
১৭.
বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে -
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -

→ যুক্তরাষ্ট্র - (প্রথম)।
→ জার্মানি - (দ্বিতীয়)।   
→ যুক্তরাজ্য - (তৃতীয়)।
→ ফ্রান্স - (চতুর্থ)।   
→ নেদারল্যান্ডস - (পঞ্চম)।      

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP)-এর জন্য কত বরাদ্দ আছে?
  1. ২,২৫,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,৩৩,০০০ কোটি টাকা
  3. ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা
  4. ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩-২৪:
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এর জন্য বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৫ লক্ষ কোটি টাকা। 

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।