পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৩
সিলেবাস
Exam -16: Full Model Test- 01 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৩ প্রশ্ন

.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে দেওয়ানী আদালতসমূহ কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের প্রকারভেদ:
দেওয়ানী আদালতসমূহের গঠন সম্পর্কে সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ সালের ৩ ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী দেওয়ানী আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ সালের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, ৫ প্রকারের দেওয়ানী আদালত থাকবে;
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
.
কোনটি দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমার উদাহরণ?
  1. চুক্তি রদের মোকদ্দমা
  2. দলিল বাতিল ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  3. বন্ধকি সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ৯ ধারার ব্যাখ্যায় বিধান করা হয়েছে, যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সেই মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও উক্ত অধিকার সম্পূর্ণরুপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কিত সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে । সুতরাং, ৯ ধারায় নিম্নলিখিত ২টি অধিকার বিষয়ক মোকদ্দমাকে দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে-

১. সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এমন মোকদ্দমা-
যেমন, বন্ধকি সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার বা ঋণ উদ্ধারের অধিকার বা সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার ইত্যাদি দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।

২. পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এমন মোকদ্দমা-
যেমন, মোতায়াল্লির পদের অধিকারহানী করা হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মোকদ্দমা বা কোন ব্যক্তি কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পদের অধিকারী মর্মে ঘোষণা সংক্রান্ত মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।

চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা বা ভাড়া আদায়ের মোকদ্দমা বা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার যেমন চুক্তি বলবৎ, চুক্তি রদ, দলিল সংশোধন, দলিল বাতিল ঘোষণামূলক মোকদ্দমা, নিষেধাজ্ঞা, সম্পত্তিতে দখল উদ্ধার ইত্যাদি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। ধর্মীয় আচার বা উৎসবের প্রশ্নযুক্ত মোকদ্দমা সাধারণত দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা না। কিন্তু ধর্মীয় বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি বা পদের অধিকারের প্রশ্নযুক্ত মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা হিসাবে বিবেচিত হবে।
.
দেওয়ানী আদালতের ২০ ধারার বিধান অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. আরজি দাখিলের দিন বিবাদীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে
  2. মোকদ্দমার শুনানির দিন বাদীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে
  3. বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
  4. বিবাদী যেখানে বসবাস করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না
সঠিক উত্তর:
বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার বিষয়ে ২০ ধারার বিধান:
যে সকল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ থেকে ১৯ ধারায় উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হয়না, সেই সকল অন্যান্য মোকদ্দমার ক্ষেত্রে বিবাদী যেখানে বসবাস করে অথবা যেখানে মোকদ্দমার কারণ উৎপত্তি হয়, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে

সুতরাং-
১. যেখানে বিবাদী বসবাস করে, ব্যবসা পরিচালনা করে, বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে; অথবা
২. যেখানে মোকদ্দমার কারণ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে উৎপত্তি হয়, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৩. যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে, সেই ক্ষেত্রে তাদের প্রত্যেকে বা যে কোন একজন যেখানে বসবাস করে বা ব্যবসা করে বা লাভজনক কাজ করে, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
.
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা বাতিল করতে বাধ্য
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ আদেশ করতে বাধ্য
  3. পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য
  4. উভয় মোকদ্দমার বিচার চালিয়ে যেতে বাধ্য
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা স্থগিতকরণ [Res sub judice]:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ [stay of suit] বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। রেস-সাবজুডিসের বা ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে হলে-
১. অবশ্যই দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে-
i. পরবর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেখানে; বা
ii. বাংলাদেশের কোন আদালতে যার দাবীকৃত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে; বা
iii.সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা পরিচালিত বাংলাদেশের বাইরের কোন আদালতে যার এমন এখতিয়ার আছে; বা
iv. সুপ্রীম কোর্টে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

এখানে, ১০ ধারায় আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে। ১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরে উল্লেখিত শর্ত পূরণ হলে আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করতে বাধ্য। 
উদাহরণ: 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য

উল্লেখ্য, বিদেশী আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রেস সাব-জুডিস নীতি প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মামলা বিদেশী আদালতে বিচারাধীন থাকলেও উক্ত মামলার বিচার বাংলাদেশের আদালতে করা যাবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. আদেশ
  2. ডিক্রি
  3. আপিল
  4. অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.
.
আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপনের জন্য প্লিডিংসে কোন তথ্য উল্লেখ করবেন?
  1. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
  2. আইনগত প্রমাণ
  3. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধিতে বলা হয়েছে,
প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্য উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। ৬ আদেশের ২ বিধিতে আরও বলা হয়েছে, মোকদ্দমার পক্ষগণ তাদের দাবী বা আত্মপক্ষ সমর্থনে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উপর নির্ভর করে, সেইগুলির সংক্ষিপ্ত একটি বিবরণ প্রত্যেক প্লিডিংসে উল্লেখ করতে হবে, কিন্তু যে সকল সাক্ষ্য দ্বারা এইগুলি প্রমাণ করা হয়, তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না

সুতরাং, দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধি অনুসারে প্লিডিংসের উপাদান হলো:
- প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্যাদি উল্লেখ থাকবে, আইন নয়;
- উল্লিখিত তথ্যাদি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি হতে হবে;
- প্লিডিংসে সাক্ষ্য উল্লেখ থাকবে না; এবং
- উল্লিখিত তথ্যাদি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করতে হবে।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures.
.
সহকারী জজ আদালত কোনো আপীলঅযোগ্য আদেশ প্রদান করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে:
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের নিকট
  3. যুগ্ম জেলা জজের নিকট
  4. অতিরিক্ত জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
আপীলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ (দুই) ধরণের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে-
১. হাইকোর্ট বিভাগের;
২. জেলা জজ আদালতের।

উক্ত ধারা অনুযায়ী, আপীলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যেতে পারে হাইকোর্ট বিভাগে বা জেলা জজের নিকট। এখন হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করবেন নাকি জেলা জজের নিকট রিভিশন করবেন, তা নির্ধারিত হবে কোন আদালত আপীলঅযোগ্য আদেশটি দিয়েছে, সেটার উপর ভিত্তি করে। যেমন- সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আপীলঅযোগ্য আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে সর্বদা জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে এবং জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ আপীলঅযোগ্য আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
.
দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়েরের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. সমন জারি করা
  2. আদালতে শুনানি
  3. আরজি দাখিল করা
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়েরের ধাপ:
প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে আরজি দাখিলের মাধ্যমে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারায় বিধান করা হয়েছে, প্রত্যেকটি মোকদ্দমা আরজি পেশ করে বা নির্ধারিত অন্য কোন পদ্ধতিতে দায়ের করতে হবে। ৪ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে এবং মোকদ্দমায় যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলি আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর সমন জারীর জন্য আরজির সাথে দাখিল করতে হবে।

সুতরাং, নিম্নলিখিতভাবে আরজি দাখিলের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়:
⇒ আদালত বা আরজি গ্রহণের জন্য নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট আরজি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
⇒ মোকদ্দমায় যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলি আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর সমন জারির জন্য দাখিল করতে হবে।
⇒ আরজি দাখিলের সময় সমন জারীর জন্য প্রদেয় কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হবে।
⇒ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমনের একটি নকলসহ বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানাযুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সাথে বাদীকে দাখিল করতে হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ও ৭ আদেশে উল্লিখিত বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য ততদূর প্রতিপালন করে আরজি দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ, ৬ ও ৭ আদেশের বিধান প্রতিপালন করে আরজি মুসাবিদা করতে হবে।
.
পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগের ফলে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত হবে
  3. মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না
  4. মোকদ্দমা পুনঃরায় দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না
ব্যাখ্যা
অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ পক্ষসমূহ [Non-joinder and mis-joinder of parties]:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৯ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমায় পক্ষ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করলে, তাকে পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত [Non-joinder] বলে। প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্যকোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভুক্ত করলে, সেটাকে পক্ষসমূহের অপসংযোগ [Mis joinder] বলে।

কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না [আদেশ ১, বিধি ৯]।
১০.
'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের মোকদ্দমা কুমিল্লার এক যুগ্ম জেলা জজ আদালত দায়ের করেছে। বিবাদী 'খ', মোকদ্দমাটি কুমিল্লার অন্য যুগ্ম জেলা জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় স্থানান্তরের আবেদন করবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারী আদালতে
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করা হবে
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারার ক্ষেত্রে বিবাদী কোথায় আবেদন করবে তা ২৩ ধারায় বলা হয়েছে-

১. যদি মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়ের করা যায়, এবং উক্ত আদালতগুলো একই আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, সেই ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন সেই আপীল আদালতে দায়ের করতে হবে, যে আপীল আদালতের অধীন উক্ত আদালতগুলো অবস্থিত।

২. যখন অনুরুপ আদালতসমূহ ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের আওতাধীন হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হয়। অর্থাৎ যে আদালত হতে মোকদ্দমা টি অন্য যে আদালতে স্থানান্তর করতে হবে, সেই দুইটি আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হলে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।

সহজে বলা যায়, একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করতে হলে জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে। কারণ জেলার মধ্যে দেওয়ানী আদালতসমূহ জেলা জজের আপীল এখতিয়ারাধীন থাকে । অন্যদিকে, এক জেলার দেওয়ানী আদালত হতে অন্য জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। কারণ ভিন্ন জেলায় অবস্থিত দেওয়ানী আদালতসমূহ হাইকোর্টের আপীল এখতিয়ারাধীন।

যেহেতু, প্রশ্নে উল্লিখিত দুইটি আদালত একই আপীল আদালত অর্থাৎ কুমিল্লা জেলা জজের অধীন, তাই ২২ ধারা অনুযায়ী কুমিল্লা জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে।
১১.
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য _______ নিকট সমন পাঠাতে হবে।
  1. সরাসরি বিবাদীর
  2. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  3. বিবাদীর প্রতিনিধির
  4. বিবাদীর পরিবারের সদস্যের
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে [আদেশ ৫, বিধি ২১]।

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে। [আদেশ ৫, বিধি ২৪]

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে [আদেশ ৫ বিধি ২৫]। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে [আদেশ ৫ বিধি ২৬]।

⇒ সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে (আদেশ ৫ বিধি ২৭]।

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমাণ্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে [আদেশ ৫ বিধি ২৮]।
১২.
At what stage of the suit can the court reject irrelevant or inadmissible documents under Order 13 Rule 3?
  1. Only at the initial stage
  2. Only at the final stage
  3. At any stage of the suit
  4. Before evidence is recorded
সঠিক উত্তর:
At any stage of the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the suit
ব্যাখ্যা
Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.

আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।
১৩.
নিচের কোন বিবৃতিটি সঠিক?
  1. ডিক্রির আগে রায় প্রদান করা হয়
  2. রায়ের আগে ডিক্রি প্রদান করা হয়
  3. রায় ও ডিক্রি একই জিনিস
  4. ডিক্রি মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে না
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির আগে রায় প্রদান করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির আগে রায় প্রদান করা হয়
ব্যাখ্যা
রায় এবং ডিক্রির মধ্যে পার্থক্য:
⇒ ডিক্রি হলো আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যেটা চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ করে। রায় বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেয়, তা বুঝায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা এবং রায়ের সংজ্ঞা ২ (৯) ধারায় দেওয়া হয়েছে।

⇒ ডিক্রির ক্ষেত্রে বিচারককে যুক্তি দেখিয়ে কোন বক্তব্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু রায়ের ক্ষেত্রে বিচারককে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি দেখিয়ে বক্তব্য দিতে হয়।

⇒ রায় দেওয়ার পর রায়ের ভিত্তিতে আদালত ডিক্রি প্রদান করে। মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করে এবং এরুপ রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। অর্থাৎ রায় আগে প্রদান করা হয় ও পরে ডিক্রি দেওয়া হয়

⇒ ডিক্রি মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে। রায়ে মামলার ঘটনা, বিচার্য বিষয়, সাক্ষীদের সাক্ষ্য, আইনগত যুক্তি ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।
১৪.
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, আদেশ ৩৮ বিধি-১০ এর অধীন কার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না?
  1. সাক্ষীর
  2. আদালতের
  3. বিবাদীর
  4. মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১০: রায়ের পূর্বে ক্রোক আগন্তুকের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না বা ডিক্রিদারকে বিক্রয়ের আবেদন করতে বারিত করে না:
রায়ের পূর্বে ক্রোক দ্বারা মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের ক্রোকের পূর্বে বিদ্যমান স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না, বা ডিক্রির অধিকারী কোন ব্যক্তির বিবাদীর বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি জারিতে ক্রোকের অধীন সম্পত্তি বিক্রয়ে আবেদন করতে বারিত করবে না।

Order 38 Rule 10: Attachment before judgment not to affect rights of strangers not bar decree-holder from applying for sale:
Attachment before judgment shall not affect the rights, existing prior to the attachment, of persons not parties to the suit, nor bar any person holding a decree against the defendant from applying for the sale of the property under attachment in execution of such decree.
১৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪১ এর _______ অনুসারে সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি করা যাবে।
  1. বিধি ১১ক
  2. বিধি ১৯
  3. বিধি ২১ক
  4. বিধি ২৩
সঠিক উত্তর:
বিধি ২১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২১ক
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন।
বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
১৬.
Under Order 9 Rule 3, what may the court do if neither party appears at the hearing?
  1. Adjourn the suit
  2. Dismiss the suit
  3. Pass a decree in favor of the plaintiff
  4. Pass judgment based on the documents
সঠিক উত্তর:
Dismiss the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dismiss the suit
ব্যাখ্যা
Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.

আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।
১৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় রিভিউ আবেদন মঞ্জুর হলে, এর বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. পুনঃবহালের আবেদন করা যাবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করা যাবে
ব্যাখ্যা
রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং মঞ্জুরের বিরুদ্ধে প্রতিকার:

রিভিউ আবেদন মঞ্জুর হলে:
আদালত যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ (১) আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে। অর্থাৎ, রিভিউ আবেদন মঞ্জুর একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে:
যদি রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা আপত্তি দায়ের করা যায় না। তবে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয়, তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারার অধীনে রিভিশন করা যেতে পারে।

অনুপস্থিতির কারণে রিভিউ প্রত্যাখ্যান:
যদি রিভিউ আবেদনকারী আদালতে উপস্থিত না হন এবং আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে, তবে ৪৭ আদেশের ৭(২) বিধির অধীনে রিভিউটি পুনঃবহালের জন্য আবেদন করা যেতে পারে।
১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২০ আদেশের ১৪ বিধির অধীন কোন ধরনের মোকদ্দমার ডিক্রির বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. সম্পত্তি বাটোয়ারা সংক্রান্ত
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত
  3. দখল এবং অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা সংক্রান্ত
  4. প্রশাসনিক মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ২০ আদেশের ১৪ বিধি: অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমার ডিক্রি:
অগ্রক্রয় মোকদ্দমার সম্পত্তি বিক্রয় এর বিরুদ্ধে আদালত ডিক্রি প্রদান করলে, যদি উক্ত সম্পত্তির মূল্য আদালতে জমা দেয়া না হয় তাহলে আদালত টাকা জমা দেয়ার দিন অথবা সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দেয় তাহলে টাকা জমা দেয়ার তারিখ থেকে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা না দেয় বা ব্যর্থ হয় তাহলে আদালত উক্ত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারেন।
আদালত যদি দুই বা ততোধিক দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করেন তাহলে প্রত্যেক দাবিদারকে আনুপাতিক হারে সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে হবে। সকল দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান না করে আদালত বিশেষ দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে সক্ষম হলে অন্যান্য দাবিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না।
১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ কে সংশোধন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সুপ্রীম কোর্ট
  2. শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ
  3. শুধুমাত্র নির্বাহী বিভাগ
  4. সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
ধারা, আদেশ এবং বিধিসমূহ সংশোধন করার ক্ষমতা:
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে। প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে। বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।

অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন।
২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট কয়টি ধারা রয়েছে?
  1. ৫৫টি
  2. ৫৬টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৮টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন);
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
২১.
কোন আইনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
  3. চুক্তি আইন
  4. দলিল নিবন্ধন আইন
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section 10- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
  3. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  4. কোনো আদেশ দিবে না
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
২৩.
নাহিদ একটি লিখিত চুক্তি সংশোধন করার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা অনুসারে চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে কী প্রমাণ দেখাতে হবে?
  1. চুক্তি সংশোধনের শর্তাবলী সঠিক
  2. সকল পক্ষ চুক্তির নির্দিষ্ট শর্তাবলী মানতে প্রস্তুত ছিল
  3. চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
  4. চুক্তির আর্থিক মূল্যায়ন যথাযথ হয়েছে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
২৪.
Section 21A of the Specific Relief Act applies to:
  1. All types of contracts
  2. Contracts for sale of movable property
  3. Contracts for sale of immovable property
  4. Contracts for sale of both movable & immovable property
সঠিক উত্তর:
Contracts for sale of immovable property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contracts for sale of immovable property
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
২৫.
এক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণামূলক রায় প্রদান করেছে। এই ঘোষণামূলক রায় কার উপর বাধ্যকর হবে?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষদের উপর
  2. শুধুমাত্র পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
  3. মামলার পক্ষ এবং পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
  4. ঘোষণামূলক রায় কারো উপর বাধ্যকর নয়
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ এবং পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ এবং পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

এই ধারায় বলা হয়েছে যে,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);

অর্থাৎ, ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
২৬.
আদালত একটি বিক্রয় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করেছে, কিন্তু ক্রেতা মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৫ ধারায়-
  1. চুক্তি রদ করবেন
  2. ক্ষতিপূরণ আদায় করবেন
  3. চুক্তি বৈধ ঘোষণা করতে পারবে
  4. বিক্রয় সম্পন্ন করার জন্য ডিক্রি প্রদান করবেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
২৭.
একজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে চলমান একটি ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করতে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না
  3. আবেদনকারীকে জরিমানা করবে
  4. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে নতুন দেওয়ানি মামলা দায়ের করবে
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী ১১ টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। ক্ষেত্রগুলো নিম্নরূপ:

১। বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
২। কোন অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
৩। কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য।
৪। সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশি সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য
৫। কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য।
৬। কোন চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায় না তেমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্যে।
৭। উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য।
৮। বাদীর সম্মতি আছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধের জন্য।
৯। যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোন সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০। যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তা তাকে আদালতে সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে।
১১। যেখানে মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

⇒ Section 56 Injunction when refused: An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'জামিনযােগ্য অপরাধ (Bailable offence)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪(ক) ধারায়
  2. ৪(খ) ধারায়
  3. ৪(চ) ধারায়
  4. ৪(জ) ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪(খ) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪(খ) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪(খ)- জামিনযােগ্য অপরাধ (Bailable offence):
তফসিল-২ এ উল্লেখিত অপরাধ এবং বর্তমানে প্রচলিত আইনে যে সকল অপরাধগুলােকে জামিনযােগ্য করা হয়েছে, এগুলাে ছাড়া বাকি সৰ অপরাধ অজামিনযােগ্য।
"bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force; and "non-bailable offence" means any other offence:

আইনগত হেফাজত থেকে কোন ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়াকে জামিন বলে। জামিনযােগ্য অপরাধ এমন একটি অপরাধ যেখানে অধিকার বলে (As of right) জামিন দাবি করা যায়।
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬(৬) অনুযায়ী স্ব-স্ব স্থানীয় এলাকার মধ্যে কারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে?
  1. সকল সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা
  2. জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ কমিশনার
  3. সহকারী কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সহকারী কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ব্যাখ্যা
ধারা ১০- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
(১) সরকার যে সংখ্যক উপযুক্ত মনে করবেন, প্রত্যেক জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায়, সেই সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ােগ করবে এবং তন্মধ্যে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ করবে।

(২) সরকার কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ করতে পারবে এবং এইরূপ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্দেশানুসারে এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন অনুযায়ি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর সকল ক্ষমতা অথবা যে কোন ক্ষমতা অনুশীলন করতে পারবেন।

(৩) যখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হওয়ার পরে কোন অফিসার অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহীর স্থলাভিষিক্ত হলে সরকারের আদেশ সাপেক্ষে তিনি এই আইনের অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা প্রয়ােগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।

(৪) সরকার বা সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীনে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ দ্বারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের স্থানীয় কর্ম নির্ধারণ করে দিতে পারবেন, যে ক্ষমতা এই কার্যবিধি দ্বারা অর্পিত হয়েছে এবং যা উপরিউক্ত চিহ্নিতকরণে অন্যভাবে বর্ণিত হয়েছে তা ব্যতীত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতাসমূহ সমগ্র জেলাব্যাপী বিস্তৃত হবে।

(৫) সরকার যদি উপযুক্ত ও প্রয়ােজন মনে করেন তবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) এ নিয়ােজিত যে কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ দিতে পারেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

(৬) উপধারা (৪) এর অধীনে স্থানীয় এলাকার সংজ্ঞা সাপেক্ষে, সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে নিযুক্ত ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণ্য হবেন এবং তাদের স্ব-স্ব স্থানীয় এলাকার মধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়ােগ করবে।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকার কর্তৃক কোন মেট্রোপলিটন এলাকায় বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীনে, কোন পুলিশ কমিশনারকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সকল বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণে বাধা প্রদান করবে না।
৩০.
এক বছরের মধ্যে যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধ করে, তাহলে সর্বোচ্চ কতটি অপরাধের জন্য একটি চার্জ গঠন করা যেতে পারে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ থেকে ২৩৬ ধারা অনুযায়ী যখন বিভিন্ন অপরাধের চার্জ একত্রিত করা যায় তা উল্লেখ করা হলো:

১) এক বছরের মধ্যে যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধ করে তাহলে সর্বোচ্চ তিনটি অপরাধের জন্য একটি চার্জ গঠন করে বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৪)

২) পরপর সংঘটিত কাজ যদি এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে কাজগুলি একটি বিষয়ের শামিল এবং একই ব্যক্তি সেই ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে, তাহলে প্রত্যেক অপরাধের জন্য ভিন্ন ভিন্ন চার্জ গঠন করা যাবে এবং একত্রে বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৫)

৩) পরপর সংঘটিত কাজ যদি এমন অপরাধ হয় যে তা দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে প্রত্যেক অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং একই মামলায় বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৫)

৪) পরপর সংঘটিত কাজের একটি যদি একক ভাবে অথবা একাধিক কাজ একত্রে করলে পৃথক অপরাধ গঠন করে, তাহলে একটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যাবে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৫)

৫) যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে, তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হবে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে একই মামলায় তার বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৬)
৩১.
'A' is wounded within the local limits of the jurisdictions of Court 'X', and dies within the local limits of the jurisdiction of Court 'Z'. The offence of the culpable homicide of 'A' may be tried by-
  1. Court 'Z'
  2. Court 'X'
  3. Court 'X' or 'Z'
  4. Both 'X' and 'Z'
সঠিক উত্তর:
Court 'X' or 'Z'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court 'X' or 'Z'
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৯: যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয় বা ফলস্বরূপ হয় সেখানে অভিযুক্তের বিচার:
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ থাকে যা তার দ্বারা করা কিছু কাজের কারণে এবং এর ফলস্বরূপ ঘটে, তখন এই অপরাধটি সেই আদালতে তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে, যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজটি করা হয়েছে বা যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত ফলস্বরূপ ঘটেছে।

উদাহরণ:
(ক) যদি A-এর উপর আক্রমণ করা হয় এবং সে আদালত X-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হয় এবং পরে আদালত Z-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে মারা যায়, তাহলে A-এর হত্যা সম্পর্কিত অপরাধটি আদালত X বা Z-এর দ্বারা তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে।
৩২.
ফৌজদারি মামলায় বিচারক কখন সম্পূর্ণ রায় পড়ে শুনাবেন?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  2. আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে
  3. ফরিয়াদি পক্ষ অনুরােধ করলে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৬- রায় ঘােষণার পদ্ধতি:
১) মূল এখতিয়ারবান ফৌজদারি আদালতের প্রত্যেকটি বিচারের রায় ঘােষণা করতে হবে বা রায়ের সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে-
ক) প্রকাশ্য আদালতে বিচার সমাপ্ত হওয়ার অব্যাহতির পরই বা পরবর্তী কোন সময়ে, যে সময় সম্পর্কে পক্ষগণকে কিংবা তাদের কৌসুলীগণকে নােটিশ দিতে হবে, এবং
খ) আদালতের ভাষায়, বা আসামি বা তার কৌসুলীর বােধগম্য কোন ভাষায়। তবে শর্ত থাকে যে, বাদীপক্ষ বা আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে জজ সম্পূর্ণ রায় পড়িয়া শুনাইবেন।

২) আসামি কারাগারে থাকলে রায় শুনাইবার জন্য তাকে আনয়ন করতে হবে বা কারাগারে না থাকলে তাকে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে হবে, তবে বিচারের সময় তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দেওয়া হলে এবং তাকে শুধুমাত্র জরিমানা করা হলে বা খালাস দেওয়া হলে তার কৌসুলীর উপস্থিতিতে রায় ঘােষণা করা যাবে।

৩) রায় ঘােষণার জন্য বিজ্ঞাপিত দিনে বা স্থানে কোন পক্ষ বা তার কৌসুলী হাজির না থাকলে কিংবা উক্ত দিন ও স্থান সম্পর্কে পক্ষসমূহ ও তাদের কৌসুলীগণ বা তাদের কাহাকেও নােটিশ প্রদান করা না হলে বা নােটিশ জারিতে ভুল থাকলে শুধু সেই কারণে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হবে না।

৪) এই ধারার কোন বিধান কোনভাবে ধারা ৫৩৭ এর বিধানসমূহের আওতা সীমিত করবে বলে ব্যাখ্যা করা যাবে না।
৩৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১২৭ অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য কে হুকুম দিতে পারেন?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জন সমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
৩৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৩৫ ধারায় কোন আদালতকে নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগকে
  2. শুধু দায়রা জজকে
  3. চীফ মেট্রোপলিটন/ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা:
১) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারি আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নিয়মানুগতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হইবার জন্য উক্ত আদালতের কোন মােকদ্দমার নথিপত্র তলব করতে ও তা পরীক্ষা করতে পারবেন, এবং অনুরূপ নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথিপত্রের পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন দণ্ড কার্যকরিকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামি আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের দেয়া বন্ডে মুক্তি দিতে হবে।

ব্যাখ্যা- নির্বাহী অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যাই হউক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দায়রা জজের অধঃস্তন বলে গণ্য হবে।
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৭ অনুসারে, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে তার এখতিয়ারের বেশি দণ্ড দিতে চাইলে কী পদ্ধতি অনুসরণ করবে?
  1. সরাসরি দণ্ড প্রদান করবে
  2. সরকারের অনুমতি গ্রহণ করবে
  3. দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে মামলার নথি দাখিল করবে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।

Section 347- Procedure when, higher punishment should be inflicted on accused:
Notwithstanding anything contained in this Code, whenever a Magistrate of the first class is of opinion, after recording the evidence for the prosecution, that if the accused or, where more accused than one are being tried together, any of such accused is convicted he should receive a punishment more severe than that which such Magistrate is empowered to inflict, he may record his opinion and submit his proceedings, and forward the accused, or all the accused, to the Court of Session to which he is subordinate, whereupon the Court of Session shall try the case as if the case were exclusively triable by it under this Code.
৩৬.
জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত-
  1. জামিন দিতে বাধ্য
  2. জামিন দেয়ার আবেদন নাকচ করে দিবে
  3. কোনোভাবেই জামিন দিবে না
  4. জামিন দেওয়ার ব্যাপারে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে
সঠিক উত্তর:
জামিন দেওয়ার ব্যাপারে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন দেওয়ার ব্যাপারে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৯৭- জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন:
৪৯৭ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তিকে পুলিশ জামিন অযোগ্য অপরাধে আটক করে অথবা ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করে, তাহলে তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে। (may be released on bail)। ৪৯৭ ধারায় may শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার না। বরং জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আদালত ইচ্ছা করলে জামিন দিতে পারে আবার নাও দিতে পারে ।

কিন্তু জামিন অযোগ্য অপরাধে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিবে না (shall not be released on bail) যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধে অপরাধী বলে বিশ্বাস  আদালতের যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে। অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন না দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (imperative).। জামিন অযোগ্য অপরাধের (যে কোন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে) আদালত নিম্নলিখিত অভিযুক্তদের জামিন দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, যদি-
১. তার বয়স ১৬ বছরের নিচে হয়;
২. স্ত্রী লোক হয়;
৩. পীড়িত [sick) বা অক্ষম (infirm) লোক হয়।
৩৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪০৫ অনুসারে কোন আবেদন অগ্রাহ্য হলে আপিল করা যায়?
  1. সম্পত্তির ক্রোক করার আবেদন
  2. ঋণ আদায়ের আবেদন
  3. জমির মালিকানা দাবির আবেদন
  4. ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
সঠিক উত্তর:
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৫- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে তার বিরুদ্ধে আপিল:
কোন আদালত সম্পত্তি বা সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদানের জন্য কোন ব্যক্তির ধারা ৮৯-এর অধীন রুজুকৃত আবেদনপত্র অগ্রাহ্য করলে তিনি সেই আদালতে আপিল করতে পারেন, যে আদালতে পূর্ববর্তী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণত আপিল করা চলে।

[Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.]
৩৮.
What is the purpose of tendering a pardon according to Section 338 of The Code of Criminal Procedure,1898?
  1. To absolve the accused of all charges
  2. To obtain evidence during the trial
  3. To delay the trial proceedings
  4. To increase the severity of the punishment
সঠিক উত্তর:
To obtain evidence during the trial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To obtain evidence during the trial
ব্যাখ্যা
Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.

ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করতে না চাইলে
  3. অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য হলে
  4. অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
সঠিক উত্তর:
অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা- গ্রেফতারের পদ্ধতি:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।

(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ: এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।

(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুযায়ী, কোন আইনের অধীনে অভিযোগের শব্দসমূহের অর্থ নির্ধারণ করা হয়?
  1. দণ্ডবিধি অনুযায়ী
  2. অপরাধ সংঘটিত হওয়া আইনের অধীনে
  3. বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির ইচ্ছা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটিত হওয়া আইনের অধীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটিত হওয়া আইনের অধীনে
ব্যাখ্যা
• চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর।চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে ফৌজদারি মামলার বিচার শুরু হয়। ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
৪১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৬১ অনুযায়ী, কোন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ২৬১ অনুযায়ী,
সরকার যে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে:

(ক) দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারার অধীনে অপরাধসমূহ: ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২ , ৪২৬ , ৪৪৭, এবং ৫০৪।
(খ) পৌরসভা আইনের অধীনে এবং পুলিশ আইনের স্বাস্থ্যবিধির ধারাসমূহের অধীনে অপরাধসমূহ, যা শুধুমাত্র জরিমানা বা এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা ছাড়া) দ্বারা শাস্তিযোগ্য।
(গ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান।
(ঘ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যখন সেই চেষ্টা নিজেও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ক ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্যের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  2. ফরিয়াদির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  3. আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
সঠিক উত্তর:
আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কতিপয় ক্ষেত্রে আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান:
১) দুই বা ততােধিক আসামি থাকলে এই বিধির অধীনে অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণবশতঃ পরিতুষ্ট হন যে আসামিদের এক বা একাধিক জন আদালতে হাজির থাকিতে অসমর্থ, তা হলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধপূর্বক আসামির উকিল হাজির থাকলে আসামিকে উপস্থিতি হতে রেহাই দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান কিংবা বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে যেতে পারবেন এবং কার্যক্রমের পরবর্তী কোন পর্যায়ে উক্ত আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকিবার নির্দেশ দিতে পারবেন।

২) এইরূপ কোন মামলায় আসামির উকিল না থাকলে বা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়ােজন মনে করেন, তা হলে তিনি উপযুক্ত মনে এবং কারণ লিপিবদ্ধপূর্বক অনুসন্ধান বা বিচার মূলতবী রাখতে পারবেন, বা উক্ত আসামির মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৪৩.
For how long can a Magistrate remand an accused person to custody at a time under Section 344 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. 7 days
  2. 15 days
  3. 30 days
  4. Indefinitely
সঠিক উত্তর:
15 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 days
ব্যাখ্যা
• Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১-এর অধীনে পুলিশ কর্মকর্তা কী করতে পারেন?
  1. সাক্ষীকে কারাগারে পাঠাতে পারেন
  2. সাক্ষীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারেন
  3. সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
  4. সাক্ষীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১ অনুযায়ী,
পুলিশ কর্মকর্তা কোনো মামলার তদন্তের সময় সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন এবং তাদের বিবৃতি লিপিবদ্ধ করতে পারেন। এই ধারা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:

(১) পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী জিজ্ঞাসাবাদ:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত করছেন, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিম্নপদস্থ না এমন কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, মামলার প্রয়োজন অনুযায়ী মৌখিকভাবে যে কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। সেই ব্যক্তিকে মামলার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত বলে মনে করলে তার কাছে তথ্য জানতে চাওয়া যায়।

(২) প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা:
সাক্ষী ব্যক্তি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য, তবে এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয় যা তাকে কোনো অপরাধমূলক অভিযোগের মুখোমুখি করতে পারে, কিংবা তাকে কোনো জরিমানা, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

(৩) বিবৃতি লিপিবদ্ধকরণ:
পুলিশ কর্মকর্তা চাইলে সাক্ষী বা জিজ্ঞাসাবাদকৃত ব্যক্তির বিবৃতি লিখিত আকারে সংরক্ষণ করতে পারেন। যদি তিনি তা করেন, তবে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আলাদা বিবৃতি তৈরি করতে হবে।
৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হলে, কী করা হবে?
  1. নতুন মামলা দায়ের করা হবে
  2. মামলা মুলতবি করা হবে
  3. আসামিকে জামিনে মুক্তি দেয়া করা যেতে পারে
  4. আসামিকে দণ্ডিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
আসামিকে জামিনে মুক্তি দেয়া করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামিকে জামিনে মুক্তি দেয়া করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
৪৬.
দায়রা জজ কীসের ভিত্তিতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন?
  1. নিজস্ব উদ্যোগে
  2. স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের আবেদন
  3. অধঃস্তন আদালতের রিপাের্টের ভিত্তিতে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫২৬খ: দায়রা জজের মামলা হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
১) যখন কোন দায়রা জজের নিকট প্রতীয়মান করা হয় যে, ন্যায়বিচারেরর উদ্দেশ্যে এই ধারার অধীন কোন আদেশ দান করা সমীচীন, তখন তিনি তার দায়রা বিভাগাধীন এক ফৌজদারি আদালত হতে অপর ফৌজদারি আদালতে কোন মামলা স্থানান্তর করতে আদেশ দিতে পারেন।

২) দায়রা জজ অধঃস্তন আদালতের রিপাের্টের ভিত্তিতে বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের কোন আবেদনের ভিত্তিতে বা তার নিজস্ব উদ্যোগে এইরূপ কাজ করতে পারেন।

৩) ৫২৬ ধারার (৪) হতে (১০) উপধারার (উভয় ধারা অন্তর্ভূক্ত) বিধানানুসারে দায়রা জজের নিকট দরখাস্ত করার ব্যাপারে ৫২৬ ধারা (১) উপ-ধারা অনুযায়ি হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করার পদ্ধতি প্রযােজ্য হবে।
৪৭.
দণ্ডবিধির ধারা ২-এর অধীনে বিচারযোগ্য ব্যক্তি হতে পারেন:
  1. শুধুমাত্র বাংলাদেশি নাগরিক
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তা
  3. শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিক
  4. বাংলাদেশি এবং বিদেশি নাগরিক উভয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশি এবং বিদেশি নাগরিক উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশি এবং বিদেশি নাগরিক উভয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভিতরে সংঘটিত অপরাধসমূহের শাস্তি (ধারা ২):
দণ্ডবিধির ২ ধারায় দণ্ডবিধির Intraterritorial Application বা রাষ্ট্রের ভিতরে প্রয়োগ এর স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ২ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের ভিতরে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত যেকোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের আছে।

২ ধারা অনুযায়ী,
বাংলাদেশের ভিতরে যেকোন ব্যক্তি সে বাংলাদেশী হোক বা বিদেশী হোক বা অন্য যে কোন দেশের নাগরিক হোক না কেন, সে যদি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত কোন অপরাধ করে, তাহলে তার ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে এবং তার বিচার ও শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের থাকবে।

Section 2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.
৪৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩১২-এর অধীনে কোন ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য হবে যদি সে:
  1. গর্ভপাত সম্পর্কে জানে
  2. গর্ভপাতের সময় সাহায্য করে
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
  4. গর্ভপাতের বিষয়ে পরামর্শ দেয়
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১২- গর্ভপাতকরণ:
কোন লােক যদি, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন গর্ভবতী স্ত্রীলােকের গর্ভপাত করায়, এরূপ গর্ভপাত সদবিশ্বাসে ঐ স্ত্রীলােকের জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তা হলে সে লোক যে কোন বর্ণণার কারাদণ্ডে-যার মেয়াদ তিন বৎসর হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও যদি ঐ স্ত্রীলােকটি আসন্ন প্রসবা হয়, তা হলে সে লােক যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে- যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে- দণ্ডিত হবে ও এতদ্ব্যতীত জরিমানাদণ্ডেও শাস্তিযােগ্য হবে।

ব্যাখ্যাঃ যে স্ত্রীলােক নিজে থেকে গর্ভপাত করে সে স্ত্রীলােকও এই ধারার তাৎপর্যাধীন হবে।

Section 312: Causing miscarriage:
Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life of the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and, if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.-A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.
৪৯.
দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত সর্বনিম্ন কারাবাসের মেয়াদ কত?
  1. ২০ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন শাস্তি:

⇒ সর্বোচ্চ শাস্তি বা দণ্ড- মৃত্যুদণ্ড; (১০টি ক্ষেত্রে)
⇒ সর্বোচ্চ কারাবাস- ২০ বছর;

⇒ সর্বনিম্ন কারাবাসের মেয়াদ- ২৪ ঘন্টা;
⇒ সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড- ১০ টাকা।
[দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশোভন আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বা জরিমানাসহ যার পরিমান ১০ টাকা পর্যন্ত বা উভয়ই।
৫০.
মারাত্মক প্ররােচনা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে অপমান করার জন্য আক্রমণ করা হলে, অপরাধীকে কী ধরনের শাস্তি দেয়া হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়ই
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫৫- মারাত্মক প্ররােচনা ছাড়া কোন লােককে অপমান করার জন্য আক্রমণ বা অপরাধজনক বল প্রয়ােগ করা:
যদি কেউ কোন লােককে তৎকর্তৃক দেয় মারাত্মক প্ররােচনা ও আকস্মিক উত্তেজনাবশত ছাড়া প্রকারান্তরে অপমান করার ইচ্ছায় আক্রমণ করে, বা তার উপর অপরাধজনক বলপ্রয়ােগ করে, তা হলে সে লােক যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ডে - যার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হবে

[Whoever assaults or uses criminal force to any person, intending thereby to dishonour that person, otherwise than on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৫১.
What is the common element that must be present for an act to be classified as rioting under Section 146 of The Penal Code, 1860?
  1. A formal declaration of assembly
  2. Presence of law enforcement
  3. Participation of at least ten people
  4. Use of force or violence in pursuit of a common object
সঠিক উত্তর:
Use of force or violence in pursuit of a common object
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Use of force or violence in pursuit of a common object
ব্যাখ্যা
Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।
৫২.
'ক' সত্য বলার জন্য শপথ অনুসারে সত্য বলতে আইনত বাধ্য হয়ে এই বলে বিবৃতি দান করে যে, 'চ' কোন এক বিশেষ দিনে বিশেষ জায়গায় উপস্থিত ছিল, যদিও সে ঐ বিষয়ে কিছু জানে না। এক্ষেত্রে 'ক' এর প্রদত্ত বিবৃতি-
  1. কোনো ভাবেই মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে না
  2. 'চ' উল্লেখিত দিনে উপস্থিত না থাকলে মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
  3. 'চ' উল্লেখিত দিনে উপস্থিত থাকলে মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে না
  4. চ' উল্লেখিত দিনে উপস্থিত থাকুক বা না থাকুক মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
চ' উল্লেখিত দিনে উপস্থিত থাকুক বা না থাকুক মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ' উল্লেখিত দিনে উপস্থিত থাকুক বা না থাকুক মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯১- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
যে লােক সত্য বলার জন্য শপথক্রমে বা আইনের প্রকাশ্য বিধানবলে আইনত বাধ্য হয়ে বা কোন বিষয়ে কোন ঘােষণা করার জন্য আইনবলে বাধ্য হয়ে এমন কোন বিবৃতি দেয়, যা মিথ্যা ও যা সে মিথ্যা বলে জানে বা বিশ্বাস করে বা সত্য বলে বিশ্বাস করেনা, সে লােক মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বলে কথিত হয়।

ব্যাখ্যা ১: কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে বা প্রকারান্তরে, যেভাবেই দেওয়া হােক এই ধারার তাৎপর্যাধীন হবে।
ব্যাখ্যা ২: সত্যতা নিরূপনকারি লােকের বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা বিবৃতি এই ধারার তাৎপর্যাধীন হবে ও এই বলে বিবৃতি প্রদানকারি লােক, যে বলে যে, সে এমন কোন বস্তুতে বিশ্বাস করে যা সে বিশ্বাস করে না ও এরূপ বিবৃতি প্রদানকারি লােক, যে বলে যে, সে এমন কোন বিষয় জানে, যা সে জানে না, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের জন্য অপরাধি বলে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ:
'ক' সত্য বলার জন্য শপথ অনুসারে সত্য বলতে আইনত বাধ্য হয়ে এই বলে বিবৃতি দান করে যে, 'চ' কোন এক বিশেষ দিনে বিশেষ জায়গায় উপস্থিত ছিল, যদিও সে ঐ বিষয়ে কিছু জানে না। 'চ' উল্লেখিত দিনে উপস্থিত থাকুক বা না থাকুক 'ক' মিথ্যা সাক্ষ্য দান করল।
৫৩.
কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা ২২৭ কার্যকর হয়?
  1. দণ্ডের মেয়াদ শেষ হলে
  2. দণ্ড হ্রাসের শর্ত ভঙ্গ করলে
  3. মামলার নিষ্পত্তি হলে
  4. নতুন দণ্ডের আদেশ প্রদান করলে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড হ্রাসের শর্ত ভঙ্গ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড হ্রাসের শর্ত ভঙ্গ করলে
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৭- দণ্ড হ্রাসের শর্ত অমান্য করা:
যে লােক, কোন শর্তাধীনে দণ্ড হ্রাসের সুবিধা গ্রহণ করার পর, যে শর্তের উপর ভিত্তি করে এরূপ দণ্ড হ্রাসের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়েছিল, জ্ঞাতসারে সেই শর্ত অমান্য করে, সেই লােক, সে ইতিমধ্যেই ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ না করে থাকলে, তাকে মূলত যে দণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছিল সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও সে ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ করে থাকলে সে ইতিমধ্যেই দণ্ডের যেই অংশ ভােগ করে নি, সেই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 227- Violation of condition of remission of punishment:
Whoever, having accepted any conditional remission of punishment, knowingly violates any condition on which such remission was granted, shall be punished with the punishment to which he was originally sentenced, if he has already suffered no part of that punishment, and if he has suffered any part of that punishment, then with so much of that punishment as he has not already suffered.
৫৪.
কোনটির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি 'চোরাই মাল' হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. প্রতারণা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
চোরাইমাল [Stolen Property]:
৪১০ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৫টি উপায়ে কোন সম্পত্তির দখল হস্তান্তর বা গ্রহণ করা হলে উক্ত সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে-
১. চুরি,
২. বলপূর্বক গ্রহণ,
৩. দস্যুতা,
৪. অপরাধমূলক আত্মসাৎ,
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।

প্রতারণা বা ডাকাতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না। যদি চোরাই মাল দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট চলে আসে, তাহলে উক্ত সম্পত্তি আর চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না।

Section 410- Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৫৫.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় ডাকাতি করার উদ্যোগ গ্রহণের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯৮: মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় দস্যুতা বা ডাকাতি করার উদ্যোগ:

ডাকাতি বা দস্যুতার চেষ্টা করার সময় অপরাধী যদি কোনো মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা সজ্জিত থাকে, তাহলে তাকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হবে তা সাত বছরের কম হবে না
[If, at the time of attempting to commit robbery or dacoity, the offender is armed with any deadly weapon, the imprisonment with which such offender shall be punished shall not be less than seven years.]
৫৬.
'ক' একটি ঝোপের আড়ালে 'গ' আছে বলে জ্ঞাত আছে। 'খ' এটা জানে না। 'ক', 'গ'- এর মৃত্যু ঘটার আশংকা আছে জেনে 'খ'-কে ঐ ঝোপের প্রতি গুলি ছোঁড়ার জন্য প্রবৃত্ত করে। 'খ' গুলি ছোঁড়ে ও 'গ'-কে হত্যা করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
  2. 'খ' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে
  3. 'ক' এবং 'খ' কেউ শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করে নি
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ে শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
সঠিক উত্তর:
'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯৯- শাস্তিযােগ্য নরহত্যা:
কোন লােক যদি কোন কার্যের সাহায্যে মৃত্যু ঘটানাের লক্ষ্য নিয়ে মৃত্যু ঘটায় বা দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটানাের লক্ষ্য নিয়ে কৃত কোন কার্যের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটায় বা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জ্ঞাত আছে, সে কার্যের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটায়, তা হলে সে লােক শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ অনুষ্ঠান করেছে বলে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ-
ক) ক কোন কুপের মুখে কাণ্ডাদি ও ঘাসের ফরাস পাতে এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে বা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে, তা জ্ঞাত হয়েও সে তা করে। খ ঐ স্থান মজবুত বলে বিশ্বাস করে এর উপর দিয়ে চলতে থাকে ও এর ভিতর পড়ে যায় ও‌ নিহত হয়। ক শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

খ) 'ক' একটি ঝোপের আড়ালে 'গ' আছে বলে জ্ঞাত আছে। 'খ' এটা জানে না। 'ক', 'গ'-র মৃত্যু ঘটায় ইচ্ছায় বা এতে 'গ'-র মৃত্যু ঘটিবার আশংকা আছে জেনে 'খ'-কে ঐ ঝোপের প্রতি গুলি ছোড়ার জন্য প্রবৃত্ত করে। 'খ' গুলি ছোঁড়ে ও 'গ'-কে হত্যা করে। এক্ষেত্রে 'খ' কোন অপরাধের জন্য অপরাধী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

গ) ক একটি মুরগী হত্যা ও চুরি করার উদ্দেশ্যে মুরগিটির প্রতি গুলি ছোঁড়ে, কিন্তু‌ ঝোপের অপর পাশে থাকা ‘খ' গুলি বর্ষণের কারণে মারা যায়, যা 'ক' জানত না। এইক্ষেত্রে যদিও ‘ক’ একটি বেআইনি কার্য করতেছিল, তবুও সে শাস্তিযােগ্য নরহত্যার সংগঠন করেছে বলে পরিগণিত হবে না, কেননা সে খ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি ছােড়ে নাই বা এমন কোন কার্য করে মৃত্যু ঘটানাের অভিপ্রায় করে নি, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে তার জানা ছিল।

ব্যাখ্যা ১-
যে লােক অসুস্থতা, ব্যাধি বা দৈহিক বৈকল্যে ভুগছে এরূপ অপর কোন লােককে দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে, তার মৃত্যু ঘটানাের অপরাধ বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২-
যখন দৈহিক জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে লােক এরূপ দৈহিক জখম করে, সে লােক মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে পরিগণিত হবে, যদিও যথােচিত প্রতিকারের ও নিপুন চিকিৎসার আশ্রয় নিলে মৃত্যু নিবারণ করা যেত।

ব্যাখ্যা ৩-
মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটান নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে না । কিন্তু যদি কোন শিশুর দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তা হলে তা শাস্তিযােগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি যদিও শিশুটি শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে বা সম্পূর্ণ হিসেবে জন্মগ্রহণ না করে থাকে।
৫৭.
What does Section 55 of The Penal Code, 1860 allow the Government to do regarding a life sentence?
  1. Increase the sentence
  2. Commute the sentence to a fixed term
  3. Release the offender immediately
  4. Change the sentence to community service
সঠিক উত্তর:
Commute the sentence to a fixed term
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commute the sentence to a fixed term
ব্যাখ্যা
Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

ধারা ৫৫- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে এমন প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই ঐ শাস্তিকে যে কোন বর্ণনার অনূর্ধ্ব  ২০ বৎসর মেয়াদি সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
৫৮.
'ক', 'গ'- এর বিনা সম্মতিতে একটি কুকুরকে 'গ'-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এইক্ষেত্রে 'ক', 'গ'-কে জখম, ভীত ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকলে সে 'গ'-এর প্রতি __________ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
  1. আক্রমণ
  2. আঘাত
  3. অপরাধজনক বল প্রয়ােগ
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
অপরাধজনক বল প্রয়ােগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধজনক বল প্রয়ােগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫০- অপরাধজনক বলপ্রয়ােগ:
কোন লােক যদি কোন অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে কোন লােকের প্রতি ঐ লােকের বিনা সম্মতিতে বলপ্রয়ােগ করে, বা এরূপ বল প্রয়ােগের সাহায্যে যে লােকের প্রতি বল প্রয়ােগ করা হয় সে লােকের জখম ভীতি বা বিরক্তি উদ্ভব করার অভিপ্রায়ে, বা সে লােকের ক্ষতি, ভীতি বা বিরক্তি উদ্ভব করার আশংকা আছে জেনে, তার বিনা সম্মতিতে তার প্রতি বল প্রয়ােগ করে, সে লােক ঐ অপর লােককে অপরাধজনক বলপ্রয়ােগ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

উদহারণ:
'ক', 'গ'- এর বিনা সম্মতিতে একটি কুকুরকে 'গ'-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এইক্ষেত্রে 'ক', 'গ'-কে জখম, ভীত ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকলে সে 'গ'-এর প্রতি অপরাধজনক বল প্রয়ােগ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
৫৯.
যদি কেউ তার আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেয়, তাহলে তাকে কোন ধরনের কারাদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি হবে না
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৪- কোন লােক দ্বারা তার আইনানুগ গ্রেফতারে বাধা দান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি:
যে লােক, যে অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে বা দণ্ডিত হয়েছে, সে অপরাধ সংঘটনের জন্য তার নিজের আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন বাধা দেয় বা অবৈধভাবে বিঘ্নের উদ্রেক করে, বা এরূপ অপরাধ সংঘটনের জন্য সে যে হাজতে আইনগতভাবে আটক হয়, সে হাজত হতে পলায়ন করে বা পলায়ন করার চেষ্টা করে, সে লােক যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে যার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 224- Resistance or obstruction by a person to his lawful apprehension:
Whoever intentionally offers any resistance or illegal obstruction to the lawful apprehension of himself for any offence with which he is charged or of which he has been convicted, or escapes or attempts to escape from any custody in which he is lawfully detained for any such offence, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 
 
Explanation.-The punishment in this section is in addition to the punishment for which the person to be apprehended or detained in custody was liable for the offence with which he was charged, or of which he was convicted.
৬০.
ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কয় জন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করা যায়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৫ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
ডাকাতি [Dacoity]:
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায় ডাকাতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রে দস্যুতা করে, তখন উক্ত দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে। প্রত্যেক ডাকাতি দস্যুতা কিন্তু প্রত্যেক দস্যুতা ডাকাতি না। অপরাধীর সংখ্যা ছাড়া ডাকাতি ও দস্যুতার উপাদানসমূহ অভিন্ন।

৩৯১ ধারা অনুযায়ী দস্যুতা ডাকাতি হিসেবে গণ্য হবে যদি দস্যুতার ক্ষেত্রে-
১. ৫ বা ততোধিক সদস্য থাকে;
২. তারা অবশ্যই দস্যুতা সংঘটন করবে বা দস্যুতা সংঘটনের প্রচেষ্টা করে; এবং
৩. তারা অবশ্যই মিলিতভাবে কার্যটি করেছে।

ডাকাতি ও দস্যুতার মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো সংখ্যাগত । প্রত্যেক দস্যুতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১ জন এবং সর্বোচ্চ ৪ জন ব্যক্তি থাকতে পারে। কিন্তু ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। দস্যুতা ৫ এর কম (১ থেকে ৪) সদস্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হলে সেটা শুধুমাত্র দস্যুতা কিন্তু দস্যুতা ৫ বা ৫ এর অধিক সদস্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে। ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করতে হবে। দস্যুতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১ জন এবং সর্বোচ্চ ৪ জন দণ্ডিত করা যেতে পারে। যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারে না কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৬১.
A, B এর ক্ষতি করার জন্য B এর মালের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে মাল পুড়িয়ে দিল। A দণ্ডবিধির অধীন কোন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. আক্রমণ
  2. অনিষ্টসাধন
  3. দস্যুতা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
ব্যাখ্যা
অনিষ্টসাধন [Mischief]:
অনিষ্টসাধন বা ক্ষতিসাধন সম্পত্তি সম্পর্কিত একটি অপরাধ। সাধারণ অর্থে অনিষ্ট সাধন বা ক্ষতিসাধন অর্থ হলো অবৈধ ক্ষতি করার জন্য কোন ব্যক্তির সম্পত্তি বিনষ্ট করা। কোন ব্যক্তি অনিষ্ট সাধন করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে অন্য কোন ব্যক্তির বা জনসাধারণের অবৈধ ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি হতে পারে জেনে নিম্নলিখিত কোন কাজ করে-
১. কোন সম্পত্তি নষ্ট করে,
২. কোন সম্পত্তি এমনভাবে পরিবর্তন করে যে উক্ত সম্পত্তির উপযোগিতা নষ্ট হয় বা তার মূল্য হ্রাস পায়, বা
৩. উক্ত সম্পত্তি ক্ষতিকারকভাবে আক্রান্ত হয়।

উদাহরণ: A, B এর ক্ষতি করার জন্য B এর মালের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে মাল পুড়িয়ে দিল। A অনিষ্টসাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

অনিষ্ঠসাধনের শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারা অনুযায়ী- অনিষ্টের শাস্তি যে কোন বর্ণনার কারাবাস যা ৩ মাস পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৪২৭ ধারা অনুযায়ী- ৫০ টাকা বা ততোধিক টাকার ক্ষতি করে অনিষ্ঠ সাধনের শাস্তি যেকোনো বর্ণনার কারাবাস যা ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬২.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারার অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) মূল উপাদান কী?
  1. সম্মতি
  2. যথাযথ প্রমাণ
  3. অপরাধ সংঘটন
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র [Criminal Conspiracy]:
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয় তখন উক্ত ব্যক্তিরা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে বলে গণ্য হবে।

অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য:

দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে অভিন্ন অভিপ্রায় [Common Intention] এবং ১২০ক ধারার অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের [Criminal Conspiracy] এর মধ্যে পার্থক্য আছে-

১২০ক ধারার মূল উপাদান হচ্ছে সম্মতি। সম্মতি অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে কি হয়নি তা বিবেচ্য বিষয় না। অর্থাৎ, সম্মতি অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত না হলেও তারা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য দণ্ডিত হবে। অন্যদিকে, ৩৪ ধারার মূল উপদান অভিন্ন অভিপ্রায় অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হওয়া। অপরাধটি সংঘটিত না হলে ৩৪ ধারা প্রয়োগ করা যায় না।

⇒ ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র একটি স্বতন্ত্র অপরাধ অর্থাৎ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী অপরাধমূলক কার্যটি সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র অপরাধ করার সম্মতি বা ষড়যন্ত্র থাকলে তাকে দণ্ডিত করা যাবে। ৩৪ ধারা কোন মূল অপরাধ না অর্থাৎ শুধুমাত্র অভিন্ন অভিপ্রায় থাকার কারণে কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করা যায় না, যদি না অভিন্ন অভিপ্রায় অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত হয়।
৬৩.
কোন স্বামী বা স্ত্রীকে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধের জন্য ৪৯৪ ধারায় দোষী করা যাবে না, যদি দ্বিতীয় বিবাহের সময় তার পূর্ববর্তী স্বামী বা স্ত্রী ক্রমাগতভাবে __________ ধরে অনুপস্থিত থাকে বা সে জীবিত আছে বলে শোনা যায় না।
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
দ্বিগামিতা [Bigamy]:
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী একসঙ্গে দুই স্ত্রী বা স্বামী নিয়ে বসবাস বা একই সঙ্গে দুই বিয়ের জন্য দোষী হলো দ্বিবিবাহ বা দ্বিগামিতা [Bigamy]। দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বিগামিতা বা Bigamy শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দ্বিবিবাহ বা দ্বিগামিতার জন্য কোন ব্যক্তি দণ্ডিত হবে যদি-
১. স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও বিবাহ করে এবং
২. স্বামী বা স্ত্রী জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করার কারণে বিবাহটি বাতিল হলে।

যে যে ক্ষেত্রে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধ সংক্রান্ত ৪৯৪ ধারা প্রযোজ্য হবে না:
১. যেহেতু ইসলামে পুরুষরা বহুবিবাহ (একসঙ্গে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ) করতে পারে, তাই এই ধারা মুসলিম পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য না।
২. যে ব্যক্তির বিবাহ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ সেই ব্যক্তি পুনরায় বিবাহ করলে সে ৪৯৪ ধারায় দণ্ডিত হবে না।
৩. কোন স্বামী বা স্ত্রীকে দ্বিগামিতা বা বহুবিবাহের অপরাধের জন্য ৪৯৪ ধারায় দোষী করা যাবে না যদি দ্বিতীয় বিবাহের সময় তার পূর্ববর্তী স্বামী বা স্ত্রী ক্রমাগতভাবে ৭ বৎসর ধরে অনুপস্থিত থাকে বা সে জীবিত আছে বলে শোনা যায় না

• Section 494- Marrying again during life-time of husband or wife:
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

Exception:
This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
৬৪.
নিম্নলিখিত কোনটি জালিয়াতি করার উদ্দেশ্য হতে পারে না?
  1. প্রতারণা করা
  2. কোন দাবী বা অধিকার সমর্থন করা
  3. কাউকে উপহার দেওয়া
  4. ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে উপহার দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে উপহার দেওয়া
ব্যাখ্যা
জালিয়াতি [Forgery]:
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে-
১. কোন ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে ; বা
২. কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে; বা
৩. কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে: বা
৪. কোন লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে।

সুতরাং, জালিয়াতি অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথম এবং প্রাথমিক শর্ত হলো মিথ্যা দলিল বা দলিলের অংশ তৈরী করা এবং সেই দলিলের উপর ভিত্তি করে কোন অধিকার দাবী করা বা পরিত্যাগ করা বা চুক্তি সম্পাদনের বাধ্য করা বা প্রতারণা করা। 'কাউকে উপহার দেওয়া'- জালিয়াতি করার উদ্দেশ্য হতে পারে না।
৬৫.
কোনটি 'অনধিকার গৃহপ্রবেশ' অপরাধ সংঘটনের একটি শর্ত?
  1. বৈধ অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা
  2. শারীরিকভাবে ক্ষতি করা
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
ব্যাখ্যা
অনধিকার গৃহপ্রবেশ [House Trespass]:
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুযায়ী মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান, তাবু, বা উপাসনার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় এমন স্থানে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করা হলে তাকে অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে।

অনধিকার গৃহপ্রবেশের শর্তসমূহ:
১. অবশ্যই অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকতে হবে;
২. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশটি কোন মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান, তাবু, বা উপাসনার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় এমন স্থানে হতে হবে।

শাস্তি:
৪৪৮ ধারা অনুযায়ী অনধিকার গৃহপ্রবেশের শাস্তি যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ১ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ যা ১০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 442- House-trespass:
Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation: The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.

Punishment for house-trespass (Section 448):
Whoever commits house-trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৬৬.
'A' makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under _________ of The Penal Code, 1860.
  1. Section 107
  2. Section 378
  3. Section 506
  4. Section 511
সঠিক উত্তর:
Section 511
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 511
ব্যাখ্যা
Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration-
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
৬৭.
মামলা প্রমাণের দায়ভার কার উপর?
  1. আদালত
  2. বাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. বিবাদীর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২-এর ১০১ ধারা অনুযায়ী,
মামলা প্রমাণ করার দায়িত্ব সর্বদা বাদীপক্ষের ওপর থাকবে। এর মানে হলো, যিনি আদালতকে কোনো বিষয়ের সত্যতা আছে বলে বিশ্বাস করাতে চান, তিনিই তা প্রমাণ করবেন। সুতরাং বিবাদীর প্রতি আনা অভিযোগ বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, মামলা চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার প্রয়োজনীয়তা আছে কি না। আইনে বলা আছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে গণ্য হবেন। তাই মামলার শুরুতে আসামি বা অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন নেই। মামলা প্রতিষ্ঠা করার সম্পূর্ণ ভার বাদীপক্ষের ওপর বর্তায়। তবে বাদী যদি মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে সক্ষম হন, তখন বাদীর দেওয়া তথ্য-প্রমাণ খণ্ডনের জন্য বিবাদীকে সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে হবে।
৬৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারার অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তিকে 'আদালত' হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সালিসকারী
  4. অন্যান্য আইনগত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
সালিসকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিসকারী
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনে ৩ ধারা- আদালত:
সাক্ষ্য আইনে 'আদালত' বলতে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য ব্যক্তিদের বুঝায় যারা আইনগতভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু সালিসকারী বা সালিসী বিচারক বা Arbitrator আদালত বলে গণ্য হবে না।
৬৯.
'বাংলাদেশে সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ 'সরকারি দলিল' হিসেবে গণ্য হবে।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৭৩ ধারায়
  2. ৭৪ ধারায়
  3. ৭৫ ধারায়
  4. ৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৭৪- সরকারি দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলি সরকারি দলিল:
(১) যে সকল দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

Section 74: Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 

(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৭০.
সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা এবং সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম নির্ধারিত হবে-
  1. শুধুমাত্র ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  2. সাক্ষীদের নিজের ইচ্ছামত
  3. প্রচলিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীর ইচ্ছা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
প্রচলিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রচলিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ১৩৫- সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা ও সাক্ষ্য গ্রহন করার ক্রম:
যে ক্রমানুসারে সাক্ষী হাজির করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহন করা হবে দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধি সে সম্পর্কে প্রচলিত আইন ও রীতি মােতাবেক তা নির্ধারিত হবে। কোন আইন না থাকলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে তা নির্ধারিত হবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
৭১.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক?
  1. ঘটনার উপলক্ষ
  2. ঘটনার কারণ
  3. ঘটনার পরিণাম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক:
উপলক্ষ (Occasion): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার উপলক্ষ হিসেবে কাজ করে।
কারণ (Cause): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরিণাম (Effect): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার পরিণাম হিসেবে দেখা যায়।

Section 7: Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৭২.
A এর বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে এবং প্রমাণিত হয়েছে যে, সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। একই সময়ে তার কাছে আরো অনেক চোরাই মাল পাওয়া যায়। এই বিষয়টি কী প্রমাণ করে?
  1. A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
  2. A চোরাই মাল পাওয়ার বিষয়ে অবগত ছিল না
  3. A চোরাই মালকে আসল মাল বলে বিশ্বাস করত
  4. উল্লিখিত কোনো কিছু প্রমাণ করে না
সঠিক উত্তর:
A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করে:
ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।

উদহারন:
A-কে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে, এবং প্রমাণ হয়েছে যে সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। এখন, এই সময়ে তার কাছে আরও অনেক চোরাই মাল পাওয়া গেছে—এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি ইঙ্গিত করে যে, সে যে সব জিনিসের দখলে ছিল, প্রতিটিরই চোরাই হওয়ার ব্যাপারে সে জানত। অর্থাৎ, একাধিক চোরাই মাল পাওয়া গেলে তার প্রতিটি জিনিস সম্পর্কে জ্ঞাত থাকা ধারণা করা যেতে পারে।
৭৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় প্রদত্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হলে, এ অবস্থায় উক্ত স্বীকৃতি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রাসঙ্গিক হবে না
  3. পর্যালোচনা করা হবে
  4. কেবলমাত্র বিচারকের অনুমোদনে প্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৫ এর অধীন কাদেরকে অপরাধের সংঘটনের তথ্যের উৎস জানাতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. যেকোন সরকারি কর্মকর্তা
  2. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা
  3. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তা উভয়কে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তা উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তা উভয়কে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
৭৫.
দলিলের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে?
  1. দলিলটি আদালতের সমনের আওতায় থাকলে
  2. দলিলটি সরকারি দপ্তরে সংরক্ষিত থাকলে
  3. দলিলটি কোনো বিশেষ আইন দ্বারা রক্ষিত থাকলে
  4. দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, তার দখলে থাকলে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, তার দখলে থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, তার দখলে থাকলে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৫ - যে সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

(ক) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, মূল দলিলটি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, অথবা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা এখতিয়ারের বাইরে কোন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলে যদি দেখানো হয় বা প্রতীয়মান হয়, অথবা যদি এমন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে তা থাকে, যে ব্যক্তি তা হাজির করতে আইনত বাধ্য, কিন্তু ৬৬ ধারায় উল্লেখিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সে ব্যক্তি যদি তা হাজির না করে।

(খ) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে, সে ব্যক্তি বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করেছে বলে যখন প্রমাণ করা হয়।

(গ) মূল দলিল যেক্ষেত্রে বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে, অথবা যেক্ষেত্রে মূল দলিলে বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তি তার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ছাড়া অপর কোন কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে তা হাজির করতে পারে না।

(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি যেক্ষেত্রে এরূপ যে সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।

(ঙ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় বর্ণিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।

(চ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, এ আইন বা বাংলাদেশে কার্যকরী অন্য কোন আইনে তার জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার বিধান আছে।

(ছ) কোন মূল দলিলে যখন অপরাপর এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকে যেগুলি আদালতের পরীক্ষা করে দেখা সুবিধাজনক নয়, এবং যে ঘটনা প্রমাণ করতে হবে, তা ঐ সকল দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।

উপরোক্ত (ক), (গ) ও (ঘ) উদাহরণের ক্ষেত্রে দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে যে কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে।
উপরোক্ত (খ) উদাহরণের ক্ষেত্রে উল্লিখিত স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
(ঙ) অথবা (চ) উদাহরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলিলের জাবেদা নকল মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু অন্য কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
(ছ) উদাহরণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দলিলগুলি পরীক্ষা করে দেখেছে এবং অনুরূপ দলিল পরীক্ষা করে দেখার ব্যাপারে যে পারদর্শী, দলিলগুলির সাধারণ ফল সম্পর্কে তার দ্বারা সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
৭৬.
What is the Expert’s duty according to Section 45A(2) of The Evidence Act, 1872?
  1. To assist the Court
  2. To submit the report to all the parties
  3. To assist the party requesting the expert’s testimony
  4. To submit the report to the party on whose behalf the expert is examined
সঠিক উত্তর:
To assist the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To assist the Court
ব্যাখ্যা
Section 45A- Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
৭৭.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা মতে, কোন ধরনের যোগাযোগ আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. পারিবারিক যোগাযোগ
  2. কোনো প্রতিষ্ঠানিক যোগাযোগ
  3. ভূমির মালিক এবং ভাড়াটিয়ার মধ্যকার যোগাযোগ
  4. আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
সঠিক উত্তর:
আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার বিধান: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129- Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
৭৮.
যখন কোনো ঘটনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. আদালতের উপর
  2. বাদী পক্ষের উপর
  3. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর
  4. আসামী পক্ষের উপর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ১০৬: যে ঘটনা বিশেষভাবে কারো গোচরে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব
যখন কোনো ঘটনা বিশেষভাবে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করার দায়িত্ব ওই ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত থাকে।

উদাহরণ- 
(ক) কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণােদিত হয়ে একটি কার্য করে, যে ইচ্ছা উক্ত কার্যের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত থাকে।

(খ) যদি কোনো ব্যক্তি বিনা টিকেটে রেলগাড়ীতে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্ত হন, তার কাছে টিকেট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত।
৭৯.
সাক্ষ্য আইন এর ধারা ৮৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের গ্রন্থ বা গেজেট সম্পর্কে আদালত অবশ্যই অনুমান করবে?
  1. যে গ্রন্থে বিদেশি আইনের আলোচনা করা হয়েছে
  2. যে গ্রন্থে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
  3. যে গ্রন্থে শুধু ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করা হয়েছে
  4. যে গ্রন্থে কেবল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে গ্রন্থে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে গ্রন্থে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৮৪- আইন ও আদালতের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট সংকলন সম্পর্কে অনুমান:
কোন দেশের সরকারের কর্তৃত্বাধীনে যে গ্রন্থ মুদ্রিত বা প্রকাশিত এবং যাতে সে দেশের কোন আইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে বুঝতে দেওয়া হয় এরূপ প্রত্যেকটি পুস্তকের বা গেজেটের যথার্থ ও আদালত অবশ্যই অনুমান করবেন এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের বিবরণ যে পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে বুঝতে দেওয়া হয় তার যথার্থতাও আদালত অবশ্যই অনুমান করবেন।

[The Court shall presume the genuineness of every book or Gazette purporting to be printed or published under the authority of the Government of any country, and to contain any of the laws of that country, and of every book or Gazette purporting to contain reports of decisions of the Courts of such country.]
৮০.
তামাদি আইন, ১৯০৮ হচ্ছে ____________।
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. তত্ত্বগত আইন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমনঃ চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমনঃ ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।
৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদি মেয়াদ গণনা কবে থেকে শুরু হয়?
  1. দায়ের করা মামলার দিন থেকে
  2. প্রাথমিক শুনানির দিন থেকে
  3. সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
  4. মামলার রায় কার্যকর হওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা;
তামাদি- ৬ মাস;
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৮২.
'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমায় পরবর্তীতে 'গ' কে পক্ষভুক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে 'গ' এর তামাদির মেয়াদ কখন শুরু হবে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পর থেকে
  2. বিচার্য বিষয় গঠনের সময় থেকে
  3. 'খ' যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  4. 'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
সঠিক উত্তর:
'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২২: নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৮৩.
তামাদি আইনের ৩ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. মূল মামলার ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ -
এই আইনের ৪ হইতে ২৫ ধারা (উভয় ধারাসহ) সাপেক্ষে- প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ পার হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হলে, বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তবুও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাখ্যা: সাধারণত উপযুক্ত কর্মচারির নিকট আরজি উপস্থিত করলে, নিঃস্ব হলে নিঃস্বভাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দরখাস্ত করলে এবং আদালত যেখানে কোম্পানি বন্ধ করে ফেলছে; সেখানে কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবির ক্ষেত্রে দাবিদার সরকারী অবসায়কের নিকট দাবি প্রেরণ করলে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়।

• ধারা ৩ অনুযায়ী,
নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত করা হলে মামলা খারিজ হবে। এক্ষেত্রে বিবাদী পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন না করলেও আদালত তা খারিজ করে দেবেন। তামাদি আইনের ৩ ধারা ৩টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
- মূল মামলা (Original suit);
- আপিল (Appeal);
- দরখাস্ত/আবেদনপত্র (Application)।

• ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। তাই পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে না। আদালত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার ফলে কোন মোকদ্দমা খারিজ করলে পরবর্তী ঐ মামলার একই পক্ষ একই বিষয়বস্তু নিয়ে কোন মোকদ্দমা করলে উক্ত মোকদ্দমা Res-Judicata দ্বারা বারিত হবে।
৮৪.
ধারা ২(৭) অনুসারে 'সরল বিশ্বাসে করা কাজ' হিসেবে কোনটি বিবেচিত হবে না?
  1. যথাযথ মনোযোগের সাথে করা কাজ
  2. যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
  3. উদ্দেশ্যহীনভাবে করা কাজ
  4. যথাযথ সাবধানতার সাথে করা কাজ
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(৭)-
‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি- এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(4)
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
৮৫.
তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু-
  1. তামাদি মেয়াদের সাথে যুক্ত হবে
  2. তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে
  3. দেশে আসার পর প্রথম থেকে পুনরায় তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে
  4. দ্বিগুণ হিসেবে তামাদি মেয়াদের সাথে যুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৮৬.
ধারা ২১ অনুযায়ী ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে বোঝায়:
  1. আদালতের নিয়োগকৃত অ্যাডভোকেট
  2. শুধুমাত্র আদালতের নিযুক্ত ব্যক্তিকে
  3. স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিকে
  4. আইনে স্বীকৃত অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজারকে
সঠিক উত্তর:
আইনে স্বীকৃত অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে স্বীকৃত অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজারকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability)-
যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
আইন সম্মত অভিভাবক;
কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।
৮৭.
The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় সুখাধিকার [Easement] সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৪ ধারায়
  3. ২৬ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন (Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। যেমন- আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।

(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
৮৮.
একজন ক্রেতা একটি সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এবং বিক্রয় দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। ক্রেতা সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেননি। অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের সময় গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. বিক্রির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে
  2. ক্রেতার দখল নেওয়ার দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে
  3. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
  4. মামলার আবেদন দায়েরের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (preemption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ শুরু হবে যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিক্রিত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করেন না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয় তখন থেকে।

অর্থাৎ, ক্রেতার দখল গ্রহণ অথবা দখল সম্ভব না হলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়ের করতে হবে।
৮৯.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কোন ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ২০ ধারার
  2. ২৫ ধারার
  3. ৩৫ ধারার
  4. ৪৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা;
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে;
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে;
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

Section 29- Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.

(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.

(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.

(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৯০.
বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তিকরণ কমিটিতে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত কতজন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক থাকবেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
তালিকাভুক্তিকরণ কমিটি বা এনরোলমেন্ট কমিটি বিষয়ে ১১খ অনুচ্ছেদে বলা আছে-

১. এ কমিটির সদস্য হবে ৫ জন।
২. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক হবে এ কমিটির চেয়ারম্যান।
৩. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত ২ জন হাইকোর্ট এর বিচারপতি থাকবেন এই কমিটিতে।
৪. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল থাকবেন এই কমিটিতে।
৫. বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন নির্বাচিত সদস্য হবে এ কমিটির সদস্য।
৯১.
কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা রাজনৈতিক মামলা যতোই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, কোনো আইনজীবী সেই মামলা-
  1. গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না
  3. দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবেন
  4. প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং আইন পেশার গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য বেশ কিছু নীতিমালা তৈরী করা হয়েছে। এই নীতিমালা Bangladesh Bar Council Canons of Professional Conduct and Etiquette নামে পরিচিত। এর ৪টি অধ্যায়ের শিরোনাম যথাক্রমে-
১. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ;
২. মক্কেলদের প্রতি আচরণ;
৩. আদালতের প্রতি কর্তব্য;
৪. জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

জনগণের প্রতি দায়িত্ব:
১. কোনো মামলা বিলম্বিত করা বা কাউকে বিরক্ত করা ও হয়রানি করার জন্য কোনো আইনজীবী কোনো মামলা গ্রহণ করবে না।
২. বিরুদ্ধ পক্ষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।
৩. কাউকে হয়রানি বা ক্ষতি করার জন্য কোনো দেওয়ানি মামলা দায়ের বা প্রতিবন্ধকতা তৈরী করবে না।
৪. কোনো আইনজীবী কোনো মামলার জন্য নিযুক্তি হতে বাধ্য নয়। তবে নিযুক্তি গ্রহণ করলে দায়িত্বের সঙ্গে তা গ্রহণ করতে হবে।
৫. কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা রাজনৈতিক মামলা যতোই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
৬. কোনো পাবলিক অফিসার বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার সামনে উপস্থিত হলে তিনি তার পরিচয় এবং যার পক্ষে উপস্থিত হয়েছে তার পরিচয় প্রকাশ করবে।
৭. কোনো বিষয়ে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে সে বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিযুক্তি গ্রহণ করবে না।
৮. একজন আইনজীবী অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা বেতনভুক্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কোনো ব্যবসা বা পেশার সাথে যুক্ত হবেন না।
৯২.
সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব কী?
  1. অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া
  2. সাক্ষ্য গোপন রাখা
  3. ন্যায় বিচারের সহায়তা করা
  4. মিডিয়ায় তথ্য প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচারের সহায়তা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচারের সহায়তা করা
ব্যাখ্যা
• বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং আইন পেশার গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য বেশ কিছু নীতিমালা তৈরী করা হয়েছে। এই নীতিমালা Bangladesh Bar Council Canons of Professional Conduct and Etiquette নামে পরিচিত। এর ৪টি অধ্যায়ের শিরোনাম যথাক্রমে-
১. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ;
২. মক্কেলদের প্রতি আচরণ;
৩. আদালতের প্রতি কর্তব্য;
৪. জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

আদালতের প্রতি কর্তব্য:
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।
৯৩.
অ্যাডভোকেটদের তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেওয়ার দায়িত্ব কে পালন করে?
  1. আদালত
  2. আইন মন্ত্রণালয়
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-

১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া।
২. এরূপ তালিকা প্রস্তুত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা।
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া।
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা।
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা।
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা।
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা।
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা।
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।