পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৯ বাংলা পরীক্ষা - ৭ (ব্যাকরণ) টপিক: ১. কারক – বিভক্তি, ২. নির্দেশক, ৩. বাগধারা ৪. অনুবাদ (ইংরেজি থেকে বাংলা), ৫. ক্রিয়ার কাল
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কী বলে?
  1. ক্রিয়ার কাল
  2. নির্দেশক
  3. কারক
  4. বচন
ব্যাখ্যা
• কারক:
- মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।
- কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে।

• কারক ছয় প্রকার।
যথা:
- কর্তা কারক,
- কর্ম কারক,
- করণ কারক,
- অপাদান কারক,
- অধিকরণ কারক ও
- সম্বন্ধ কারক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
যে প্রত্যয় কোনো পদের নির্দিষ্টতা বোঝায়, তাকে কী বলে?
  1. কৃৎ প্রত্যয়
  2. পদাশ্রিত নির্দেশক
  3. উপসর্গ
  4. লিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• পদাশ্রিত নির্দেশক:
- কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়।
- বচন ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়।

পদার্শিত নির্দেশকের বচনভেদে প্রয়োগ:
• একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি।
উদাহরণ: কলমটি, বইটা, বৈঠকখানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।

• বহুবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: গুলি, গুলা, গুলো ইত্যাদি।
উদাহরণ: আমগুলি, ফলগুলো, বিড়ালগুলা প্রভৃতি।

• কোনো সংখ্যা বা পরিমাপের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।
উদাহরণ: তিনটে চাল, ভাতটুকু, পায়েসটুকু, এতটুকুন মেয়ে দুটো ভাত, প্রভৃতি।

• পদাশ্রিত নির্দেশক 'গোটা' শব্দটি বচনবাচক ও সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বসে অনির্দিষ্টিতা বোঝায়।
যেমন -
- গোটা দেশটাই গোল্লায় গেছে।
- গোটা দুই আম দাও।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"A bolt from the blue" - বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
  1. দূরের জিনিস ভালো মনে হয়।
  2. যত গর্জে তত বর্ষে না। 
  3. অতি লোভে তাতি নষ্ট। 
  4. বিনা মেঘে বজ্রপাত
ব্যাখ্যা
• "A bolt from the blue" - বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ: বিনা মেঘে বজ্রপাত। 
------------------ 
অন্যদিকে, 
• Blue are the hills that are far from us.– দূরের জিনিস ভালো মনে হয়।
• Much cry, little water. or, Barking dogs seldom bite. এর বাংলা অনুবাদ- যত গর্জে তত বর্ষে না। 
• Grasp all, lose all, All covet, all lost. এর বাংলা অনুবাদ- অতি লোভে তাতি নষ্ট।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
"গাছ থেকে পাতা পড়ে" বাক্যে 'গাছ থেকে' কোন ধরনের কারক?
  1. কর্তৃকারক
  2. অপাদান কারক
  3. কর্মকারক
  4. সম্বন্ধ কারক
ব্যাখ্যা
• "গাছ থেকে পাতা পড়ে" বাক্যে 'গাছ থেকে' - অপাদান কারক।
- কারণ, এটি ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করছে (গাছ থেকে পাতা পড়ে), অর্থাৎ কোন একটি নির্দিষ্ট স্থান বা উৎস থেকে কিছু বিচ্যুত হচ্ছে।

• অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমন-
- বিচ্যুত: গাছ থেকে পাতা পড়ে। মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
- গৃহীত: সুক্তি থেকে মুক্তো মেলে। দুধ থেকে দই হয়।
- জাত: জমি থেকে ফসল পাই। খেজুর রসে গুড় হয়।
- বিরত: পাপে বিরত হও।
- দূরীভূত: দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
- রক্ষিত: বিপদ থেকে বাঁচাও।
- আরম্ভ: সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
- ভীত: বাঘকে ভয় পায় না কে?

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
'তামার বিষ' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. অহংকার
  2. কঠিন পরীক্ষা
  3. ভীষণ শত্রুতা
  4. অর্থের কুপ্রভাব
ব্যাখ্যা
• 'তামার বিষ' বাগ্‌ধারার অর্থ - অর্থের কুপ্রভাব।
উদাহরণ - তোমাকে তামার বিষে পেয়েছে বলে মানুষকে মানুষ বলে মনে কর না। 

অন্যদিকে,
- 'হাতির পাঁচ পা বাগধারাটির অর্থ- অহংকার। 
- 'অগ্নিপরীক্ষা' বাগ্‌ধারার অর্থ - কঠিন পরীক্ষা।
- ‘অহিনকুল সম্পর্ক’ বাগধারার অর্থ - ভীষণ শত্রুতা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কীসের ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়?
  1. কারকভেদে
  2. লিঙ্গভেদে
  3. বচনভেদে
  4. উপসর্গভেদে
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক:
- কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়।
- বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়।

• টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যা একবচনে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
কলমটি, বইটা, বৈঠকখানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- কোনো সংখ্যা বা পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক:
- টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।

• বহুবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: গুলি, গুলা, গুলো ইত্যাদি।
উদাহরণ: আমগুলি, ফলগুলো, বিড়ালগুলা প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
“Brevity is the soul of wit”- এই বাক্যের বাংলা অনুবাদ কী?
  1. ভাজা মাছটি উলটে খেতে জানে না।
  2. মানিকের খানিক ভালো।
  3. একেবারেই না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়াও ভালো।
  4. আকাশকুসুম কল্পনা করা।
ব্যাখ্যা
• Brevity is the soul of wit. এর বাংলা অনুবাদ – মানিকের খানিক ভালো।

অন্যদিকে, 
• Better late than never.– একেবারেই না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়াও ভালো।
• Build castles in the air.– আকাশকুসুম রচনা করা বা অলীক কল্পনা করা।
• Butter will/would not melt in somebody's mouth.– ভাজা মাছটি উলটে খেতে জানে না।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কর্ম কারকের উদাহরণ কোনটি?
  1. শিক্ষককে জানাও।
  2. ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না।
  3. জমি থেকে ফসল পাই।
  4. বাবা বাড়িতে আছেন।
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম- উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারনত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে- 'কে' বিভক্তি হয়।
উল্লেখ্য, 
ক্রিয়ার সঙ্গে 'কী' বা 'কাকে' যোগ করে প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়৷

যেমন,
- শিক্ষককে জানাও।
- অসহায়কে সাহায্য করো। 

অন্যদিকে,
"ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না।" - সম্বন্ধ কারকের উদাহরণ।
"জমি থেকে ফসল পাই।" - অপাদান কারক। 
• বাবা বাড়িতে আছেন। - অধিকরণ কারক। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
.
নির্দেশক যুক্ত হয় কোন ধরনের শব্দের সঙ্গে?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. সর্বনাম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• নির্দেশক: 
- যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
যেমন -
টা, -টি, খানি, জন, -টুকু ।

নিচে কয়েকটি নির্দেশকের প্রয়োগ দেখানো হলো ।
• বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে -টা, -টি নির্দেশক বসে।
এর দুটি রূপান্তর: -টো ও -টে।
যেমন - বাড়িটা, ছেলেটা, এটা, সেটা, আমারটা, তিনটে ইত্যাদি। 

• বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে -খানা, -খানি নির্দেশক বসে।
যেমন - ব্যাপারখানা, ভাবখানা ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।
১০.
"প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।" - বাক্যটি কোন কালের দৃষ্টান্ত?
  1. সাধারণ অতীত কাল
  2. পুরাঘটিত অতীত কাল
  3. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
  4. ঘটমান অতীত কাল
ব্যাখ্যা
• অতীত কাল:
যে ক্রিয়া পুর্বে ঘটে গেছে, তাকে অতীত কাল বলে। অতীত কালের চারটি রূপ। যথা:

১. সাধারণ অতীত কাল:
যে ক্রিয়া সাধারণভাবে অতীত অর্থাৎ বর্তমান কালের পূর্বে সংঘটিত হয়েছে তার সংঘটন কালই সাধারণ অতীত।
যেমন:
- বিড়াল ইঁদুরটিকে ধরল।
- পুলিশ সন্ত্রাসী ছেলেটিকে মেরে ফেলল।

২. ঘটমান অতীত কাল:
অতীতে কোনো কাজ চলছিল এবং তখনও কাজটি শেষ হয়নি; এরূপ অর্থে ঘটমান অতীত ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- কাল সন্ধ্যায় আমরা টেলিভিশনে খেলা দেখছিলাম।

৩. পুরাঘটিত অতীত কাল:
যে ক্রিয়া অতীতে ঘটেছে এবং এর প্রভাবও শেষ হয়ে গেছে। তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন:
- দায়িত্বটি আমি পালন করেছিলাম।
- প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের বাড়ি গিয়েছিলেন।
- আমি ঐ কাজ করেছিলাম।

[বাক্যে কাজ গুলো অতীতে হয়ে গিয়েছে এবং এর রেশ এবং প্রভাবও শেষ হয়ে গিয়েছে]

৪. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল:
অতীতকালে যে ক্রিয়া সাধারণভাবে এবং সচরাচর ঘটতো তার কাল নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
যেমন:
- প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।
- আমি খুব খেতাম, এখন পারি না।
- আমি রোজ আসতাম।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
"মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।" - বাক্যে 'থেকে' কোন ধরনের বিভক্তি?
  1. প্রথমা বিভক্তি
  2. পঞ্চমী বিভক্তি
  3. সপ্তমী বিভক্তি
  4. তৃতীয়া বিভক্তি
ব্যাখ্যা
 • বিভক্তি:  
- যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি।
- বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার।
যথা-
• বিভক্তির নাম ও বিভক্তি:
- প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি:  ০, অ।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি:  কে, রে।
- তৃতীয়া বিভক্তি:  দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক।
- চতুর্থী বিভক্তি:  কে, রে।
- পঞ্চমী বিভক্তি:  হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে।
- ষষ্ঠী বিভক্তি:  র, এর।
- সপ্তমী বিভক্তি:  এ, য়, তে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
কোনটি নির্দেশক নয়?
  1. -টা
  2. -খানি
  3. -টুকু
  4. -তম
ব্যাখ্যা
• (-তম) - কোন নির্দেশক নয়।

• নির্দেশক:
যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
যেমন:
-টা, -টি, -খানা, -খানি, - জন, -টুকু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
১৩.
'Penny wise pound foolish'- এর বাংলায় অনুবাদ কোনটি? 
  1. মশা মারতে কামান দাগা
  2. বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো
  3. নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা।
  4. নানা মুনির নানা মত
ব্যাখ্যা
• 'Penny wise pound foolish'- প্রবাদটির অর্থ: বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো।

অপরদিকে,
- To break a butterfly on a wheel. - মশা মারতে কামান দাগা।
- A bad workman quarrels with his tools. - নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা।
- Manny man many minds. - নানা মুনির নানা মত।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
বাগ্‌ধারার অর্থ নির্ণয় করুন: 'গোবর গণেশ'
  1. অত্যন্ত কুঁড়ে
  2. মূর্খ
  3. অসাবধান
  4. ভীষণ বোকা
ব্যাখ্যা
• 'গোবর গণেশ' বাগ্‌ধারার অর্থ - মূর্খ।

অন্যদিকে,
- 'গোঁফ- খেজুড়ে' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অত্যন্ত কুঁড়ে।
- 'কাছা ঢিলা' এর বাগ্‌ধারার অর্থ - অসাবধান।
- ‘হস্তীমূর্খ’ বাগ্‌ধারার অর্থ হলো- ভীষণ বোকা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণির (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
"তিলে তৈল আছে।" - এখানে 'তিলে' কোন ধরনের কারক?
  1. সম্প্রদান কারক
  2. অপাদান কারক
  3. অধিকরণ কারক
  4. করণ কারক
ব্যাখ্যা
• 'তিলে তৈল আছে'- এখানে 'তিলে' অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। 

• অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
- অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়। 

অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন- আধার (স্থান) : তিলে তৈল আছে (তিলের সারা অংশব্যাপী)।   

উল্লেখ্য,
'তিলে তৈল হয়' - অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
'গদাই লস্করি চাল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. পুরোপুরি
  2. অতি ধীর গতি
  3. পরিপাটি
  4. বিরাট আয়োজন
ব্যাখ্যা
• 'গদাই লস্করি চাল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - আলসেমি  / অতি ধীর গতি।

অন্যদিকে, 
- ‘কড়ায় গণ্ডায়’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - পুরোপুরি।
- ‘কেতাদুরস্ত’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - পরিপাটি।
- ‘এলাহি কাণ্ড’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - বিরাট আয়োজন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) , বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
নিচের কোনটি ঘটমান অতীত কালের ক্রিয়া?
  1. পৌঁছেছিলাম
  2. উঠতাম
  3. পড়ছিলাম
  4. কুড়াত
ব্যাখ্যা
• ঘটমান অতীত - পড়ছিলাম।

• অতীত কাল:
- অতীতে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হতো তাকে অতীত কাল বলে।
- অতীত কাল চার প্রকার: সাধারণ অতীত, ঘটমান অতীত, পুরাঘটিত অতীত এবং নিত্য অতীত।

• সাধারণ অতীত:
অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন -
- তারা সেখানে বেড়াতে গেল।

• ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন -
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম।

• পুরাঘটিত অতীত:
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন -
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।

• নিত্য অতীত:
অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন -
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম। 
- তারা সাগরের তীরে ঝিনুক কুড়াত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
"কচু বনের কালাচাঁদ" - বাগ্‌ধারাটির অর্থ কী?
  1. চক্ষুশূল
  2. অপদার্থ
  3. ভণ্ড
  4. আশায় নৈরাশ্য
ব্যাখ্যা
• 'কচুবনের কালাচাঁদ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- 'অপদার্থ'।  
বাক্য গঠন: আরিফের মতো কচুবনের কালাচাঁদ আর একজনও নেই।  

অন্যদিকে, 
• 'চোখের বালি' বাগধারার অর্থ- 'চক্ষুশূল'।
• 'তুলসী বনের বাঘ' বাগধারাটির অর্থ - ভণ্ড।
• 'গুড়ে বালি' বাগধারার অর্থ- 'আশায় নৈরাশ্য'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।