(পৃথিবীর পৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা কত?)
উত্তর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৫° সেলসিয়াস। এটি গড়ে বের হয় উষ্ণ অঞ্চল, শীতল মেরু অঞ্চল এবং মাঝারি তাপমাত্রার অঞ্চলগুলির হিসাব মিলিয়ে।
৪৯তম বিসিএস ⎯ ভূগোল [৩১১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৫° সেলসিয়াস। এটি গড়ে বের হয় উষ্ণ অঞ্চল, শীতল মেরু অঞ্চল এবং মাঝারি তাপমাত্রার অঞ্চলগুলির হিসাব মিলিয়ে।
বৃষ্টিপাত মিলিমিটার (mm) এককে মাপা হয়। এটি বোঝায় — সমতল পৃষ্ঠে পানি জমে থাকলে তার গভীরতা কত হবে।
রেইন গেজ হল একটি নলাকার যন্ত্র যা খোলা জায়গায় রাখা হয় বৃষ্টির পানি জমা ও পরিমাপ করার জন্য।
Thermometer measures temperature. (তাপমাত্রা মাপে)
Barometer measures air pressure. (বায়ুচাপ মাপে)
Hygrometer measures humidity. (আর্দ্রতা মাপে)
Convectional rainfall সংবহন/ পরিচলন বৃষ্টি ঘটে যখন সূর্যের তাপে ভূমি প্রচণ্ড গরম হয়, উষ্ণ বায়ু উপরে উঠে ঠান্ডা হয়ে বৃষ্টির মেঘ তৈরি করে। এটি প্রধানত উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে হয়।
অরোগ্রাফিক বৃষ্টি হয় যখন আর্দ্র বায়ু পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে উপরে উঠে ঠান্ডা হয়ে বৃষ্টি নামে। এ ধরণের বৃষ্টি ,পাহাড়ের windward side এ হয় সাধারণত।
ঘূর্ণিঝড়জনিত বৃষ্টি ঘটে যখন উষ্ণ ও ঠান্ডা বায়ু মিলিত হয়, উষ্ণ বায়ু উপরে উঠে এবং বিস্তৃত অঞ্চলে বৃষ্টি হয়।
আর ,
ক হয় Surface heating (তাপে) এ , not cyclones এ ।
খ ও ঘ Mountain-induced, not storm-induced. (পাহাড় দ্বারা)
চিলির আটাকামা মরুভূমিতে বছরে ১ মিলিমিটারেরও কম বৃষ্টি হয়, যা এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক অ-মেরু মরুভূমি বানিয়েছে।
আর্দ্রতা হল বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, যা শতকরা হার বা প্রতি ঘনমিটারে গ্রামে মাপা হয়।
দ্রাঘিমাংশের জলবায়ুর উপর সরাসরি প্রভাব নেই, এটি শুধু সময় অঞ্চল নির্ধারণ করে।
বিষুবরেখা সারা বছর সবচেয়ে সরাসরি সূর্যালোক পায়, তাই এটি সবচেয়ে উষ্ণ অঞ্চল।
Poles get least sunlight. (সবচেয়ে কম আলো পায়)
Moderate temperature মধ্য অক্ষাংশে (মধ্যম উষ্ণতা),
পার্বতে বা High altitude এ cooler. (উচ্চ স্থান ঠান্ডা থাকে)
PPM হল একটি একক যা পদার্থের ঘনত্ব মাপতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে বাতাস বা পানিতে, যেমন বায়ুমণ্ডলে CO₂-এর ঘনত্ব।
মৌসিনরাম বছরে প্রায় ১১,৮৭১ মিমি বৃষ্টি পায়, যা এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিপ্রবণ স্থান বানায়।
কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রাখে, যা গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের মূল কারণ।
A barometer measures atmospheric pressure, usually in hectopascals (hPa) or millibars.
পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে কোরিওলিস প্রভাব ঘটে, যেখানে বায়ু ও পানি উত্তর গোলার্ধে ডানে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামে বাঁক নেয়।
হ্যাডলি সেল হল উষ্ণমণ্ডলীয় বায়ু প্রবাহ, যেখানে উষ্ণ বায়ু বিষুবরেখায় উঠে এবং প্রায় ৩০° অক্ষাংশে নেমে আসে।
বায়ু হল উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বাতাসের গতি, যা চাপের পার্থক্যের কারণে ঘটে।
ট্রেড উইন্ডস বা বাণিজ্যিক বায়ু সারা বছর উপক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে বিষুবরেখার দিকে প্রবাহিত হয়।
মৌসুমি বায়ু ঋতুর সাথে দিক পরিবর্তন করে।
সিলেট বর্ষার বায়ু এবং পাহাড়ের প্রভাবে বছরে ৪,০০০ মিমির বেশি বৃষ্টি পায়।
বিষুবীয় নিম্নচাপ বিষুবরেখায় তীব্র তাপের কারণে বায়ু উপরে উঠে নিম্নচাপ সৃষ্টি করে।
সাধারণত আলাদা অক্ষাংশে আলাদা আলাদা তাপ বিরাজ করে, এটি সরাসরি তাপের সাথে সম্পর্কিত ।
ভূ-প্রাচীরজনিত বা পাহাড়ের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত হয় যখন আর্দ্র বায়ু পাহাড়ের উপর উঠতে বাধ্য হয়, ঠান্ডা হয়ে ঘনীভূত হয় এবং বৃষ্টি হয়।
পোলার সেল হল ঠান্ডা বায়ু প্রবাহ যা মেরুতে উচ্চচাপ থেকে ৬০° অক্ষাংশে নিম্নচাপে যায়।
ট্রেড উইন্ডস উপক্রান্তীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বিষুবীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
ITCZ হলো নিরক্ষীয় অঞ্চলের কাছাকাছি একটি নিম্নচাপ বলয়, যেখানে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাণিজ্যিক বাতাস মিলিত হয় এবং প্রচুর মেঘ ও বৃষ্টি সৃষ্টি করে।
: রাতে স্থলভাগ দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়, ফলে স্থলে উচ্চচাপ ও সমুদ্রে নিম্নচাপ তৈরি হয়, বাতাস স্থল থেকে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয়—এটাই Land Breeze।
Horse Latitudes হলো উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের প্রায় ৩০° অক্ষাংশে উচ্চচাপ অঞ্চল, যেখানে বাতাস শান্ত থাকে এবং নৌযাত্রা ধীর হয়ে যায়।
বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন এবং ২১% অক্সিজেন, বাকিটা অন্যান্য গ্যাস যেমন আর্গন, CO₂ ইত্যাদি। তাই সবচেয়ে বেশি নাইট্রোজেন।
(ভূ-মধ্যীয় নিম্নচাপ বেল্ট নিরক্ষীয় অঞ্চলে (০° অক্ষাংশ) গঠিত হয় যেখানে প্রবল উত্তাপের কারণে উষ্ণ বায়ু উপরে উঠে যায় এবং অনুভূমিক বাতাসের গতি কম থাকে। এ কারণে একে "ডলড্রামস" বলা হয়, কারণ আগে নাবিকদের জাহাজ বাতাসের অভাবে এখানে আটকে যেত।)
ট্রেড উইন্ডস নিরক্ষরেখার দিকে প্রবাহিত হয় এবং উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে ও দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়।
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV) শোষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করে।
৩০° অক্ষাংশে হর্স ল্যাটিচুডস পাওয়া যায়।
এখানে উচ্চচাপ বলয় থাকে এবং বাতাস খুব দুর্বল। পাল তোলা জাহায এখানে চলাচলে অসুবিধা হতো, তখন জাহায পাতলা করার জন্য ঘোড়া পানিতে ফেলে দেওয়ার চল ছিল। এ থেকেই এমন নামের উৎপত্তি ।
ট্রপোস্ফিয়ারে (ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ কিমি পর্যন্ত) বাতাস, মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় ইত্যাদি ঘটে। তাই এখানেই সব আবহাওয়া কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
ওজোন স্তর মূলত Stratosphere-এর মধ্যে 15–35 কিমি উচ্চতায় অবস্থিত। এখানে ওজোন (O₃) সূর্যের ক্ষতিকর Ultraviolet (UV-B, UV-C) রশ্মি শোষণ করে, যা জীবজগৎকে সুরক্ষা দেয়। অন্য স্তরগুলো (Troposphere, Mesosphere, Thermosphere)-তে ওজোন থাকে, কিন্তু খুব অল্প পরিমাণে।
বিষুবীয় নিম্নচাপ অঞ্চলে উষ্ণ আর্দ্র বায়ু উঠে যায়, মেঘ তৈরি করে এবং বৃষ্টিপাত ঘটায়। এর পর শুকনো বায়ু উপরে উঠে গিয়ে ঠান্ডা হয় এবং ৩০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে নেমে আসে। এই অবতরণশীল শুষ্ক বায়ুই সাবট্রপিক্যাল উচ্চচাপ বলয় তৈরি করে।
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে সূর্যের UV রশ্মি সবচেয়ে বেশি প্রবেশ করে, আর ওই স্তরে অক্সিজেন অণু (O2) UV রশ্মির প্রভাবে ভেঙে ওজোন (O3) গঠন করে। এজন্য ওজোনের ঘনত্ব ট্রোপোস্ফিয়ার বা মেসোস্ফিয়ারের তুলনায় এখানে বেশি।