পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫: টপিক সমূহ: পৃথিবীর জলভাগ - ২ (উপসাগর ও প্রণালী), বায়ুমন্ডলীয় স্তর এবং আবহাওয়া ও জলবায়ু, জলবায়ুর নিয়ামক, বায়ু প্রবাহ। [Live Class – 7, 8 & 9]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
অয়ন বায়ুর অপর নাম কী?
  1. মেরু বায়ু
  2. পশ্চিমা বায়ু
  3. বানিজ্য বায়ু
  4. মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা
• অয়ন বায়ু: 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
- প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণে যাতায়াত করত বলে এগুলোকে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- নিয়ত বায়ু পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে বছরের সকল সময় একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ু তিন প্রকারের। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকান মহাদেশের মাঝখানে অবস্থিত কোন উপসাগর?
  1. এডেন উপসাগর
  2. ব্যাফিন উপসাগর
  3. পানামা উপসাগর
  4. ওমান উপসাগর
ব্যাখ্যা
এডেন উপসাগর: 
- এডেন উপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি সম্প্রসারণ,
- যা আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকান মহাদেশের মাঝখানে অবস্থিত।
- এই উপসাগরটি বাব এল মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে লোহিত সাগরকে আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- এটি ঐতিহাসিকভাবে এরিত্রীয় সাগরের অংশ হিসেবে পরিচিত।
-  দূরপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে তেল পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- আডেন উপসাগর সুয়েজ খাল-ভিত্তিক নৌপথেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস: 
.
পক প্রণালী পৃথক করেছে কোন দুটি দেশকে?
  1. ভারত ও বাংলাদেশ
  2. শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ
  3. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
  4. মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
পক প্রণালী: 
- পক প্রণালী (Palk Strait) ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- আরব উপসাগর এবং বঙ্গোপসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি শ্রীলঙ্কার মান্নার জেলা এবং ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যকে পৃথক করেছে।
- শ্রীলঙ্কা ও ভারত পৃথক করেছে।

গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী: 
- মোজাম্বিক প্রণালী – ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিক কে পৃথক করেছে। 
- বসফরাস প্রণালী- এশিয়া ও ইউরোপ অংশকে পৃথক করেছে
- দার্দানিলিস প্রণালী- মর্মর সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
.
যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সকে পৃথক করছে -
  1. বাবেল মান্দেব প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
• ডোভার প্রণালী: 
- ডোভার প্রণালী ইংরেজিতে: Strait of Dover।
- ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মধ্যে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ জলপ্রণালী।
- ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য পৃথক করেছে।
- এবং ইউরোপ মহাদেশ ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে সবচেয়ে ছোট জলপথ।
- এটি যুক্তরাজ্যের ডোভার শহর এবং ফ্রান্সের কালে (Calais) শহরের মাঝখানে অবস্থিত।
- এটি ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের (North Sea) সঙ্গে যুক্ত করে।

এছাড়াও,
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম সামুদ্রিক পথ, যেহেতু ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে প্রধান নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর নিচ দিয়ে চ্যানেল টানেল (Channel Tunnel) নির্মাণ করা হয়েছে,
- যা রেলপথের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করে।
- ইতিহাসে এই প্রণালীতে বহু নৌ-যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

উৎস: World Atlas.
.
নিচের কোনটি আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. বায়ুর চাপ
  2. পানিচক্র ও বৃষ্টিপাত
  3. বায়ুর তাপ
  4. বনভূমির অবস্থান
ব্যাখ্যা
- বনভূমির অবস্থান হলো আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক।

• আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান। যথাঃ-

- বায়ুর তাপ,
- বায়ুর চাপ,
- বায়ু প্রবাহ,
- বায়ুর আর্দ্রতা,
- পানিচক্র ও বৃষ্টিপাত।

• আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ: 

- অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ,
- সমুদ্রস্রোত,
- বায়ু প্রবাহ,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
- বনভূমির অবস্থান,
- ভূমির বন্ধুরতা, ভূমির ঢাল কিংবা পর্বতের অবস্থান (বায়ুপ্রবাহ বাধা পায়)।
- মৃত্তিকার গঠন,
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা (উপরের দিকে বায়ুর চাপ/তাপ পরিবর্তিত হয়)।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাক কী নামে পরিচিত?
  1. ট্রপোবিরতি
  2. স্ট্রাটোবিরতি
  3. মেসোবিরতি
  4. থার্মোবিরতি
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere): 
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

উল্লেখ্য, 
- এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সমুদ্র সমতল থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা-
  1. হ্রাস পায়
  2. বাড়ে
  3. সমান থাকে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
 উচ্চতা (Altitude):
- সমুদ্র সমতল থেকে যতই উপরে ওঠা যায়, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- এ উচ্চতার পার্থক্যের কারণে দুই জায়গা একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু ধারণ করে।
- যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার তারতম্যের জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম।
-  উচ্চতা বেশি হওয়াতে শিলং-এ দিনাজপুরের চেয়ে তাপমাত্রা কম হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোন দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত?
  1. হাওয়াই দ্বীপ
  2. মাদাগাস্কার দ্বীপ
  3. আন্দামান দ্বীপ
  4. ফিজি দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগর: 
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাংশ গঠন করে।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভাগ করা হয়েছে।
- এবং এর পূর্বদিকে অবস্থিত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা এটি বর্মা সাগর (আন্দামান সাগর) থেকে পৃথক হয়েছে।
- বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ সীমানা শুরু হয় শ্রীলঙ্কার সাঙ্গামান কান্দা থেকে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা পর্যন্ত।
• বঙ্গোপসাগর ঘিরে রয়েছে বিভিন্ন এশীয় দেশ- 
- উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিমে ভারত,
- পূর্বে মিয়ানমার,
- উত্তরে বাংলাদেশ,
- দক্ষিণ-পশ্চিমে শ্রীলঙ্কা,
- এবং দক্ষিণ-পূর্বে ইন্দোনেশিয়া।
- ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বঙ্গোপসাগরের পূর্ব দিকে অবস্থান করে।
- এই উপসাগর ঘিরে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম বনভূমি সুন্দরবন এবং সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত  কক্সবাজার।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
.
মরমর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে সংযুক্ত করেছে-
  1. ফ্লোরিডা প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা
• বসফরাস প্রণালী:
- পৃথক করেছে: এশিয়া ও ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে: কৃষ্ণ সাগর ও মরমর সাগর।
- বসফরাস প্রণালী ১৯ মাইল দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ প্রস্থ উত্তর প্রান্তে ২.৩ মাইল।

অপরদিকে, 
- বেরিং প্রণালী: আমেরিকা-এশিয়া পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান-আরব আমিরাত পৃথক করেছে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডা পৃথক করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১০.
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের আধিক্য রয়েছে কোন স্তরে?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. আয়নোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. এক্সোমন্ডল
ব্যাখ্যা
এক্সোমন্ডল (Exosphere): 
- তাপমন্ডলের উপরে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমণ্ডল বলে।
- এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়।
- এক্সোমন্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়।
- এটি ক্রমান্বয়ে আন্তগ্রহ স্থান (Interplanetary Space) এ প্রবেশ করে।
- এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
নিচের কোন দেশটি পারস্য উপসাগর তীরবর্তী নয়?
  1. সিরিয়া
  2. ইরান
  3. বাহরাইন
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
পারস্য উপসাগর: 
- পারস্য উপসাগর তীরবর্তী দেশ নয় সিরিয়া। 

- পারস্য উপসাগরের আটটি উপকূলীয় দেশ হলো:
- বাহরাইন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

উল্লেখ্য,
- পারস্য উপসাগরকে কখনও কখনও আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগর নামেও ডাকা হয়।
- এটি আনুমানিক ২,৫১০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার, আর গড় গভীরতা ৫০ মিটার।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১২.
তিনদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত জল রাশিকে বলা হয়-
  1. মহাসাগর
  2. হৃদ
  3. সাগর
  4. উপসাগর
ব্যাখ্যা
উপসাগর:
- উপসাগর হলো সাধারণত তিনদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত এবং একদিকে সাগর বা মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত লবণাক্ত জলভাগ।
- স্থলভাগের অভ্যন্তরে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে উপসাগরের পানি সাধারণত সাগর বা মহাসাগরের তুলনায় শান্ত হয়।
- উপসাগরগুলো অন্য কোন উপসাগরের সঙ্গেও সংযুক্ত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, জেমস উপসাগর হাডসন উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- অপেক্ষাকৃত বিস্তৃত এবং অধিকতর গভীর উপসাগরগুলোকে ইংরেজিতে গালফ (gulf) বলা হয়।
- যেমন-পারস্য উপসাগর (Persian Gulf)।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি উপসাগর (Bay)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কত?
  1. ০.০০৩%
  2. ০.২%
  3. ০.০৩%
  4. ০.০৫%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ০.০৩%।
- বায়ুমণ্ডল এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- সবচেয়ে বেশী রয়েছে নাইট্রোজেন। যা ৭৮.০২%।
- সবচেয়ে কম ধূলিকণা ও কনিকা। যা ০.০১%।
- জলীয় বাষ্প রয়েছে- ০.৪১%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ যন্ত্র-
  1. ব্যারোমিটার
  2. থার্মোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. অ্যানেমোমিটার
ব্যাখ্যা
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity):
- জলীয়বাষ্প বায়ুর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প যখন একদম থাকে না, তাকে শুষ্ক বায়ু বলে।
- যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে, তাকে আর্দ্র বায়ু বলে।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ থাকে প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ।
- বায়ুর আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) দ্বারা পরিমাপ করা হয়।
- বায়ুর আর্দ্রতা দু'ভাবে প্রকাশ করা যায়।
- যথা- পরম আর্দ্রতা (Absolute humidity) ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Relative humidity)।

উল্লেখ্য, 
- ব্যারোমিটার বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- থার্মোমিটার তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অ্যানেমোমিটার  বাতাসের গতি (speed) ও দিক (direction) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।