পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)

পরীক্ষাপ্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes২৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৭ বাংলা পরীক্ষা - ৪ টপিক: আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম: মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জসীমউদ্দীন, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ফররুখ আহমদ, কায়কোবাদ, আল মাহমুদ, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বনফুল, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, পঞ্চপান্ডব, মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের সাহিত্যকর্ম, সমসাময়িক সাহিত্য প্রমুখ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ) · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের নায়িকা "অচলা"?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. গৃহদাহ
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল
  4. চরিত্রহীন
ব্যাখ্যা

'গৃহদাহ' উপন্যাস:
- ১৯২০ সালে রচিত এই উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- এটি মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়। 
- 'মহিম ও সুরেশ' শরৎচন্দ্রের গৃহদাহ উপন্যাসের দুইটি প্রধান চরিত্র।
- উপন্যাসের নায়িকা অচলা। মহিম ও সুরেশ দুই পুরুষের প্রতি অচলার আকর্ষণ বিকর্ষণ উপন্যাসের আলোচ্য বিষয়।
- বিবাহ - বহির্ভূত কথিত অসামাজিক প্রেমের কাহিনিটি নিপুণ ঘটনা সংস্থানে ও বর্ণনার মনস্তাত্ত্বিক সুক্ষ্মতার দ্বারা সমস্যায়িত হয়ে উঠেছে।
- এই উপন্যাসে শরৎচন্দ্র হিন্দু বিধবা মৃণালকে আদর্শ হিসেবে রূপায়িত করেছেন।

অন্যদিকে,
- বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র - নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী।
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের চরিত্র - গােবিন্দলাল, রােহিনী, ভ্রমর।
- চরিত্রহীন উপন্যাসের চরিত্র - সতীশ ও কিরণময়ী। 

​উৎস:  বাংলা ভাষা সাহিত্য সাহিত্য।

.
'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি কোন শহরের প্রেক্ষাপটে রচিত?
  1. ইসলামাবাদ
  2. কাবুল
  3. ইস্তাম্বুল
  4. বার্লিন
ব্যাখ্যা

'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি:
- সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ভ্রমণকাহিনি হলো দেশে বিদেশে।
- এটি মূলত কাবুল ভ্রমণের প্রেক্ষাপটে রচিত। এটি ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়।

• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী একজন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন,
- কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম
- শত্রু-ইয়ার।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- দেশে-বিদেশে,
- জলে-ডাঙায়।

• রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।

• ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. কাবিলের বোন
  2. চেহারার চতুরঙ্গ
  3. ডাহুকী
  4. বখতিয়ারের ঘোড়া
ব্যাখ্যা

আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- দ্বিতীয় ভাঙন,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- আগুনের মেয়ে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ।' - এটি কোন উপন্যাসের উক্তি?
  1. দুর্গেশনন্দিনী
  2. কৃষ্ণকান্তের উইল
  3. কপালকুণ্ডলা
  4. শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা

 কপালকুণ্ডলা:
- বঙ্কিম রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
- চরিত্র- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক।
- এ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য উক্তি- 'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ'। উপন্যাসের নায়িকা কপালকুণ্ডলা নায়ক নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে এ উক্তিটি করেছেন।
- এই কথাটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক সংলাপ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- উপন্যাসটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংলাপ হলো: তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন।

​তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
'সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।' - বিখ্যাত উক্তিটি কার?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. বিষ্ণু দে
  4. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

• 'সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।' - বিখ্যাত উক্তিটি জীবনানন্দ দাশের।
- এটি তাঁর 'কবিতার কথা' প্রবন্ধগ্রন্থের নাম প্রবন্ধ 'কবিতার কথা'য় রয়েছে।
- প্রবন্ধগ্রন্থটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়।

জীবনানন্দ দাশ:   
- তিনি ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রুপসী বাংলার কবি প্রভৃতি বিশেষণে পরিচিত।
- তাঁর জন্ম ১৮৯৯ সালে, মৃত্যু ১৯৫৪ সালে। 
- তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- তিনি ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি। 
- স্কুলে ছাত্রাবস্থায় তাঁর প্রথম কবিতা ‘বর্ষ-আবাহন’ ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় (বৈশাখ ১৩২৬/এপ্রিল ১৯১৯) প্রকাশিত হয়। 

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলি:
• ঝরাপালক (প্রথম),
• ধূসর পাণ্ডুলিপি,
• বনলতা সেন,
• মহাপৃথিবী,
• সাতটি তারার তিমির,
• রূপসী বাংলা, 
• বেলা অবেলা কালবেলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস কোনটি?
  1. কাঁদো নদী কাঁদো
  2. চাঁদের অমাবস্যা
  3. সুড়ঙ্গ
  4. লালসালু
ব্যাখ্যা

'লালসালু' উপন্যাস: 
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'লালসালু'। এটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- লালসালু উপন্যাসটি Tree Without Roots (১৯৬৭) নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়। 
- 'লালসালু' একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস
- ধর্ম নিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থকারীদের স্বরূপ উন্মোচন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপটে সমাজচেতনা এই উপন্যাসের মূল বিষয়। 

লালসালু উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র-
- মজিদ,
- জমিল,
- আমেন,
- খালেক ব্যাপার,
- রহিম,
- আক্কা,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা ইত্যাদি।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:  
- তিনি একজন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি ১৯২২ সালে, ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু'।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস: 
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য কোনটি?
  1. ব্রজঙ্গনা কাব্য
  2. মেঘনাদবধ কাব্য
  3. বীরাঙ্গনা কাব্য
  4. মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা

মেঘনাদবধ কাব্য:
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- ১৮৫৭ সালে সংঘটিত সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতামন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাবণকে নায়ক এবং রামকে খলনায়ক করে মধুসূদন দত্ত এটি রচনা করেন।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে বর্ণিত আছে- মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা।
- কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি।
- কাব্যের সর্গগুলো হলো: অভিষেক, অস্ত্রলাভ, সমাগম, অশোক বন, উদ্যোগ, বধ, শক্তিনির্ভেদ, প্রেতপুরী, সংস্ক্রিয়া।

অন্যদিকে,
- 'মহাশ্মশান' কায়কোবাদ রচিত বাংলা মহাকাব্য

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য (পত্রকাব্য),
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

.
কায়কোবাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. অমিয়ধারা
  2. বিরহবিলাপ
  3. মহাশ্মশান
  4. কুসুমকানন
ব্যাখ্যা

কায়কোবাদ:
- ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কবি কায়বোবাদকে কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ ও সাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ।
- তিনি আধুনিক বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।
- তিনি ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অশ্রুমালা (গীতিকাব্য),
- মহাশ্মশান (মহাকাব্য),
- শিবমন্দির,
- অমিয়ধারা,
- কুসুমকানন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"বিন্দু বিসর্গ" গল্পগ্রন্থ রচনা করেন কে? 
  1. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  2. নীলিমা ইব্রাহিম
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

"বিন্দু বিসর্গ" গল্পগ্রন্থ:
- এটি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় রচিত গল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য,
- 'বিন্দু বিসর্গ' নামে নীলিমা ইব্রাহিমের আত্মজীবনী রয়েছে।

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়:
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৯ জুলাই বিহারের পূর্ণিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, কথাশিল্পী, নাট্যকার, প্রবন্ধকার।
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় কর্মজীবন শুরু করেন কলকাতার একটি বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে নিয়োগ লাভের মধ্য দিয়ে।
- স্কুলে পড়ার সময়ে তিনি ‘বনফুল’ ছদ্মনামে কবিতা রচনা করেন।
- সম্পাদনা করেন 'বিকাশ' (১৯১৫) নামে হাতে-লেখা একটি সাহিত্যপত্রিকা।
- তাঁর কবিতার প্রধান বিষয় নিসর্গ চেতনা, প্রেম ও আত্ম-উপলব্ধি।
- ১৯৭৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- বনফুলের গল্প, 
- বিন্দু বিসর্গ, 
- অদৃশ্যলোকে,
- তন্বী,  
- অনুগামিনী,
- দূরবীণ,
- মণিহারী, 
- বহুবর্ণ,
- বনফুলের নতুন গল্প ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০.
'রাজমোহনস ওয়াইফ' উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫। এটি তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

​তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১১.
'বন্দীর বন্দনা' কোন জাতীয় রচনা?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. প্রবন্ধগ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. নাটক
ব্যাখ্যা

বুদ্ধদেব বসু:
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 
- এছাড়া 'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের গান,
- একদিন চিরদিন,
- স্বাগত বিদায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১২.
কোনটি জসীম উদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি?
  1. দেশে বিদেশে
  2. হলদে পরীর দেশে 
  3. ভল্‌গার তীরে
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি - হলদে পরীর দেশে। 

​অন্যদিকে,
- ​দেশে বিদেশে: সৈয়দ মুজতবা আলী।
- ​ভল্‌গার তীরে: নির্মলেন্দু গুণ। 

জসীম উদ্‌দীন:
- ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি, ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামের মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা আনসারউদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক।
- তিনি ছিলেন প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী।
- ‘পল্লীকবি’ হিসেবে তাঁর বিশেষ ও স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে।

​তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নকশী কাঁথার মাঠ।
- সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- মাটির কান্না।
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে।
- বালুচর।
- রাখালী (তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে)।
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়।
- বেদের মেয়ে।
- পল্লীবধূ।
- মধুমালা।
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: ​বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
কোনটি মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. নেকড়ে অরণ্য
  2. দ্বিতীয় দিনের কাহিনী
  3. জীবন আমার বোন
  4. ওঙ্কার
ব্যাখ্যা

'জীবন আমার বোন' উপন্যাস:
- মাহমুদুল হকের বহুল পঠিত উপন্যাস 'জীবন আমার বোন'।
- বরাবরই মধ্যবিত্তের জীবনসংগ্রাম, তাদের দ্বিধাগ্রস্ততা, অপূর্ণতা আর সুবিধাবাদী চরিত্র অসাধারণভাবে এঁকেছেন এই শিল্পী তাঁর প্রতিটি উপন্যাসে। 
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহেদুল করিমের মধ্যবিত্তীয় সুবিধাবাদী মানসিকতার পাশাপাশি যুদ্ধের নানা বাস্তবতায় নিজের বোঝাপড়াও লেখক তুলে ধরেন পাঠকের সামনে।
- লেখকের অসামান্য উপস্থাপনা, ভাষার কাব্যিক ব্যঞ্জনায় ছোট্ট, হৃদয়গ্রাহী উপন্যাসটি যতই পড়া যায় ততই বিষমবেদনায় ভারাক্রান্ত করে।

অন্যদিকে, 
- 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস।
- 'নেকড়ে অরণ্য' শওকত ওসমানের উপন্যাস।
- 'ওঙ্কার' আহমদ ছফার উপন্যাস।

মাহমুদুল হক:
- তিনি ১৯৪০ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪.
'শিম কীভাবে রান্না করতে হয়' উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
  4. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

'শিম কীভাবে রান্না করতে হয়' উপন্যাস:
- "হাউ টু কুক বিনস" (How to Cook Beans) একটি উপন্যাস যা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ লিখেছেন।
- তিনি আবু শারিয়া (Abu Sharya) ছদ্মনামে লিখেন "How to Cook Beans".
- এর মূল চরিত্র এক প্রাচ্যবাসী, গল্পের কথকও তিনি।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- পিতা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
"সর্বজয়া" কোন উপন্যাসের চরিত্র?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা

    ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস:
    - 'পথের পাঁচালী' (১৯২৯) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।
    - উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় বিচিত্রা পত্রিকায়। গ্রন্থকারে প্রকাশিত হয় সজনীকান্ত দাসের রঞ্জন প্রকাশনালয়, কলকাতা থেকে।
    - উপন্যাসটি 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
    - এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
    - উপন্যাসের তিনটি ভাগ: বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রূর সংবাদ।
    - 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু। অপরাজিত (১৯৩১) হলো পথের পাঁচালীর দ্বিতীয় খণ্ড।
    - এছাড়াও 'পথের পাঁচালী' ও 'অপরাজিত' উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

    উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো-
    - অপু,
    - দুর্গা,
    - ইন্দির ঠাকরুন,
    - সর্বজয়া

    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত অন্যান্য উপন্যাসসমূহ হলো:
    - অপরাজিত,
    - অশনি সংকেত,
    - আরণ্যক,
    - আদর্শ হিন্দু হোটেল,
    - দেবযান,
    - ইছামতী,
    - দৃষ্টি প্রদীপ,
    - চাঁদের পাহাড়।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ১৬.
    ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ - কবিতাটির রচয়িতা কে?
    1. মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
    2. শামসুর রাহমান
    3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
    4. আব্দুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
    ব্যাখ্যা

    • ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ - কবিতাটির রচিয়তা মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী
    - এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম কবিতা।
    - মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী প্রগতিশীল মাসিক সীমান্ত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং চট্টগ্রামের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।
    - ২২ ফেব্রুয়ারিতে একটি ১৭ পৃষ্ঠার পুস্তিকায় কবিতাটি ছাপা হয়।
    - বইটির দাম রাখা হয় দুই আনা।
    - ২২ ফেব্রুয়ারিতেই চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে রাজনৈতিক কর্মী হারুনুর রশীদ কবিতাটি আবৃত্তি করে শোনান।

    মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী:
    - মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী কবি, সাংবাদিক, লেখক, ভাষা সৈনিক এবং ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার রচয়িতা।
    - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২) আন্দোলনকারী ভাষা সৈনিকদের ওপর পুলিশের গুলি এবং ছাত্র নিহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ স্বরূপ কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী  ’একুশে’ শিরোনামে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ’কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ যা ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।
    - আহমাদুর রহমান চৌধুরী এবং রওশন আরা চৌধুরীর সন্তান মাহবুব উল আলম চৌধুরীর জন্ম ৭ নভেম্বর ১৯২৭, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের আসাদ চৌধুরীর বাড়িতে। 

    উৎস:
    ১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
    ২) বাংলাপিডিয়া।

    ১৭.
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
    1. কুষ্টিয়া
    2. মেহেরপুর
    3. রাজশাহী 
    4. যশোর
    ব্যাখ্যা

    মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
    - তিনি ছিলেন মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
    - ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম
    - তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
    - মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
    - হিন্দু কলেজে অধ্যয়নের সময়েই মধুসূদন দত্ত কাব্যচর্চা শুরু করেন। তখন তাঁর কবিতা জ্ঞানান্বেষণ, Bengal Spectator, Literary Gleamer, Calcutta Library Gazette, Literary Blossom, Comet প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হতো।
    - মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি,১৯ বছর বয়সে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং তখন থেকে তাঁর নামের পূর্বে ‘মাইকেল’ শব্দটি যুক্ত হয়।
    - Timothy Penpoem ছদ্মনামে ইংরেজিতে লেখা তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'The Captive Ladie.'
    - মেঘনাদবধ কাব্যের একটি পঙ্‌ক্তিতে দত্তকুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদন ছদ্মনামের উল্লেখ রয়েছে।
    - তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
    - অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।

    উৎস:​ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

    ১৮.
    অমিয় চক্রবর্তী'র প্রথম প্রকাশিত বই কোনটি?
    1. কবিতাবলী
    2. খসড়া
    3. মাটির দেয়াল
    4. অনিঃশেষ
    ব্যাখ্যা

    অমিয় চক্রবর্তী:  
    - কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। 
    - অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে (ব্যক্তিগত সচিব) এসেছিলেন।
    - তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে অমিয় চক্রবর্তী অন্যতম একজন।
    - অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে।
    - তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী'। 

    তাঁর বিশেষ কাব্যগ্রন্থগুলো:  
    • খসড়া, 
    • এক মুঠো, 
    • মাটির দেয়াল, 
    • পারাপার, 
    • পালাবদল, 
    • ঘরে ফেরার দিন, 
    • পুষ্পিত ইমেজ, 
    • অনিঃশেষ, 
    • অভিজ্ঞান বসন্ত ইত্যাদি।  

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

    ১৯.
    'নারীর মূল্য' প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা কে?
    1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    ব্যাখ্যা

    'নারীর মূল্য' প্রবন্ধগ্রন্থ:
    - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'নারীর মূল্য' নামক প্রবন্ধগ্রন্থটি রচনা করেছেন।
    - এটি 'অনীলা দেবী' ছদ্মনামে ১৯২৩ সালে যমুনা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
    - এটি নারীর সামাজিক অধিকার এবং সমাজে নারীর স্থান সম্পর্কিত মূল্যবান নিবন্ধ গ্রন্থ।

    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
    - তরুণের বিদ্রোহ,
    - স্বদেশ ও সাহিত্য।

    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
    - দেনা-পাওনা,
    - বড়দিদি,
    - বিরাজবৌ,
    - পণ্ডিত মশাই,
    - পরিণীতা,
    - চন্দ্রনাথ,
    - দেবদাস,
    - চরিত্রহীন,
    - গৃহদাহ,
    - পথের দাবী,
    - শেষ প্রশ্ন,
    - শেষের পরিচয় ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ২০.
    "অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না" - গ্রন্থটি কোন প্রকার সাহিত্য?
    1. উপন্যাস
    2. কাব্যগ্রন্থ
    3. নাটক
    4. প্রবন্ধগ্রন্থ
    ব্যাখ্যা

    আল মাহমুদ:
    - তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
    - তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
    - স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
    - তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

    তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
    - লোক লোকান্তর,
    - সোনালী কাবিন,
    - কালের কলস,
    - অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
    - পাখির কাছে ফুলের কাছে,
    - দোয়েল ও দয়িতা,
    - দ্বিতীয় ভাঙন,
    - বখতিয়ারের ঘোড়া,
    - প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

    ২১.
    ফররুখ আহমদ কোন গ্রন্থের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন?
    1. পাখির বাসা
    2. হাতেমতায়ী
    3. সাত সাগরের মাঝি
    4. মুহূর্তের কবিতা
    ব্যাখ্যা

    ফররুখ আহমদ:
    - ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
    - 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
    - ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
    - ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন

    ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
    - সাত সাগরের মাঝি,
    - সিরাজাম মুনীরা,
    - নৌফেল ও হাতেম,
    - মুহূর্তের কবিতা,
    - সিন্দাবাদ,
    - হাতেমতায়ী,
    - নতুন লেখা,
    - হাবেদা মরুরকাহিনী।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

    ২২.
    'মা যে জননী কান্দে' - গ্রন্থটি কোন প্রকার সাহিত্য?
    1. কাব্যগ্রন্থ
    2. উপন্যাস
    3. নাটক
    4. প্রবন্ধ
    ব্যাখ্যা

    • 'মা যে জননী কান্দে' জসীম উদ্‌দীন রচিত - কাব্যগ্রন্থ।

    জসীম উদ্‌দীন:
    - তিনি ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবীদ।
    - ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
    - জসীম উদ্‌দীনকে পল্লিকবি বলা হয়।

    • তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
    - বালুচর,
    - রূপবতী,
    - রাখালী,
    - নকশী কাঁথার মাঠ,
    - ধানখেত,
    - সোজন বাদিয়ার ঘাট,
    - মাটির কান্না,
    - মা যে জননী কান্দে,
    - ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে ইত্যাদি।

    • তাঁর রচিত নাটক:
    - পদ্মাপার,
    - বেদের মেয়ে,
    - মধুমালা,
    - পল্লীবধূ,
    - গ্রামের মেয়ে ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ২৩.
    'রসকলি' গল্পটি রচনা করেন কে?
    1. সৈয়দ মুজতবা আলী
    2. আল মাহমুদ
    3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ব্যাখ্যা

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
    - তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
    - তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'রসকলি' সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
    - আদিবাসী সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'অরণ্যবহ্নি' (১৯৬৬)।
    - বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তাঁর উপন্যাসের নাম 'একটি কালো মেয়ের কথা' (১৯৭১)।
    - ১৯৭১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

    তাঁর রচিত ছোটগল্প:
    - রসকলি,
    - বেদেনী,
    - ডাকহরকরা।

    তাঁর রচিত উপন্যাস:
    - অরণ্য বহ্নি,
    - চৈতালি ঘূর্ণি,
    - ধাত্রীদেবতা,
    - কালিন্দী,
    - কবি,
    - হাঁসুলী বাঁকের উপকথা,
    - গণদেবতা,
    - আরগ্য নিকেতন,
    - পঞ্চপুণ্ডলী,
    - রাধা ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ২৪.
    "মহাশ্মশান" গ্রন্থটি ধারাবাহিকভাবে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
    1. কোহিনূর
    2. সাধনা
    3. ভারতী
    4. সবুজপত্র
    ব্যাখ্যা

    মহাশ্মশান:
    - কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'মহাশ্মশান' ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়।
    - কাব্যটি ধারাবাহিকভাবে মহম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত 'কোহিনূর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়
    - পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে কাব্যটি রচিত।
    - কাব্যটি তিনটি খণ্ডে রচিত।
    - প্রথম খণ্ডে ২৯টি সর্গ, দ্বিতীয় খণ্ডে ২৪টি সর্গ, তৃতীয় খণ্ডে ৭টি সর্গ বিদ্যমান।

    ​ মহাকাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
    - এব্রাহিম কার্দি,
    - জোহরা বেগম,
    - হিরণ বালা,
    - আতা খাঁ,
    - লঙ্গ,
    - রত্নজি,
    - সুজাউদ্দৌলা,
    - সেলিনা,
    - আহমদ শাহ্ আব্দালী।

    ​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ২৫.
    "রাত্রিশেষ" কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
    1. চোরাবালি
    2. সাত ভাই চম্পা
    3. উর্বশী ও আর্টেমিস
    4. সেই অন্ধকার চাই
    ব্যাখ্যা

    উর্বশী ও আর্টেমিস:
    - বিষ্ণু দে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে দেশি ও বিদেশি মিথের প্রয়োগ আছে।
    - সনাতন রোমান্টিকতার বিরোধী বিষ্ণু দে-র প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'উর্বশী ও আর্টেমিস' প্রকাশিত হয় ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে।
    - তিনি ঐতিহ্য সচেতন ব্যক্তি ছিলেন বলে আর্টেমিসের চিত্রকল্পের সঙ্গে উর্বশীর চিত্রকল্পের পাশাপাশি স্থান দিয়েছেন।
    - গ্রন্থটির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো: উর্বশী, উর্বশী ও আর্টেমিস, প্রেম, ছেদ, পলায়ন, রাত্রিশেষ ইত্যাদি।

    • বিষ্ণু দে:
    - ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
    - তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
    - বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
    - তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
    - তাঁর কবিতায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
    - বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’ (১৯৪৮)।
    - ১৯৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

    • তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
    - উর্বশী ও আর্টেমিস,
    - চোরাবালি,
    - স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ,
    - সাত ভাই চম্পা,
    - সেই অন্ধকার চাই,
    - তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
    - রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ২৬.
    'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসের প্রেক্ষাপট কী?
    1. সাঁওতাল বিদ্রোহ
    2. ভাষা আন্দোলন
    3. সাগর পাড়ের জীবচিত্র
    4. স্বাধীনতা সংগ্রাম
    ব্যাখ্যা

    'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
    - বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস- 'একটি কালো মেয়ের কথা'।
    - এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
    - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
    - তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
    - তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
    - তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
    - চৈতালি ঘূর্ণি,
    - ধাত্রীদেবতা,
    - কালিন্দী,
    - কবি,
    - হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
    - গণদেবতা,
    - আরগ্য,
    - নিকেতন,
    - পঞ্চপুণ্ডলী,
    - রাধা ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ২৭.
    ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
    1. ১৯৬০ সাল
    2. ১৯৬৫ সাল
    3. ১৯৫৭ সাল
    4. ১৯৫৯ সাল
    ব্যাখ্যা

    'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ:
    - জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'।
    - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে।
    - কবিতাগুলির গঠন সনেটের। বাংলার গ্রাম-প্রকৃতি, নদীনালা, পশু-পাখি, উৎসব, অনুষ্ঠান কাব্যের বিষয়বস্তু।
    - 'আবার আসিব ফিরে' রূপসী বাংলা কাব্যের বিখ্যাত কবিতা।

    জীবনানন্দ দাশ:
    - তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
    - তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
    - তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
    - মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।

    তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
    - ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
    - ধূসর পাণ্ডু লিপি,
    - বনলতা সেন,
    - মহাপৃথিবী,
    - সাতটি তারার তিমির,
    - রূপসী বাংলা,
    - বেলা অবেলা কালবেলা। 

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

    ২৮.
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
    1. মেঘমল্লার
    2. আদর্শ হিন্দু হোটেল
    3. মৌরীফুল
    4. যাত্রাবদল
    ব্যাখ্যা

    'আদর্শ হিন্দু হোটেল' উপন্যাস:
    - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস 'আদর্শ হিন্দু হোটেল'।
    - উপন্যাসটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়।
    - বিভূতিভূষণের বাস্তব অভিজ্ঞতার মানুষ, আদর্শ হিন্দু হোটেল উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হাজারি ঠাকুরের অপূর্ণ স্বাদ ও আকাঙ্খাকেই উপন্যাসে রূপদানের প্রয়াস করা হয়েছে।
    - নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ নিজে যেমন প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তেমনিভাবে লাভ করেছেন মানুষের ভালোবাসা।

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
    - ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলায় মাতুলালয়ে জন্ম।
    - বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
    - তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস 'পথের পাঁচালী'।

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্পগ্রন্থ:
    - মেঘমল্লার,
    - মৌরীফুল,
    - যাত্রাবদল,
    - কিন্নরদল ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ২৯.
    'লাশ' কবিতাটি রচনা করেন কে?
    1. আল মাহমুদ
    2. জসীম উদ্‌দীন 
    3. ফররুখ আহমদ
    4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    ব্যাখ্যা

    'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
    - ফররুখ আহমদ রচিত 'লাশ' কবিতাটি 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
    - ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
    - মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
    - 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা আছে।
    - সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
    - অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা:- সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

    ফররুখ আহমদ:
    - ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
    - 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
    - ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
    - ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ৩০.
    ‘বনফুল’ ছদ্মনামে কবিতা রচনা করেন কে?
    1. কায়কোবাদ
    2. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
    ব্যাখ্যা

    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়:
    - তিনি ১৮৯৯ সালের ১৯ জুলাই বিহারের পূর্ণিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
    - তিনি ছিলেন কবি, কথাশিল্পী, নাট্যকার, প্রবন্ধকার।
    - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় কর্মজীবন শুরু করেন কলকাতার একটি বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে নিয়োগ লাভের মধ্য দিয়ে।
    - স্কুলে পড়ার সময়ে তিনি ‘বনফুল’ ছদ্মনামে কবিতা রচনা করেন
    - সম্পাদনা করেন 'বিকাশ' (১৯১৫) নামে হাতে-লেখা একটি সাহিত্যপত্রিকা।
    - তাঁর কবিতার প্রধান বিষয় নিসর্গ চেতনা, প্রেম ও আত্ম-উপলব্ধি।
    - ১৯৭৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
    - বনফুলের গল্প, 
    - বিন্দু বিসর্গ, 
    - অদৃশ্যলোকে,
    - তন্বী,  
    - অনুগামিনী,
    - দূরবীণ,
    - মণিহারী, 
    - বহুবর্ণ,
    - বনফুলের নতুন গল্প ইত্যাদি। 

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।