পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১০৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০৫
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 6” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১০৫ প্রশ্ন

.
Identify the correct sentence.
  1. She has a natural faculty at teaching complex topics.
  2. She has a natural faculty for teaching complex topics.
  3. She has a natural faculty about teaching complex topics.
  4. She has a natural faculty in teaching complex topics.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে - She has a natural faculty for teaching complex topics.

• Faculty for/of 
English meaning: A special ability to do a particular thing
Bangla Meaning: (মানসিক) শক্তি, ক্ষমতা (কোনো কিছু করার)

• Example sentence: 
- She has a faculty for inspiring confidence in people.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
.
Notwithstanding being a rookie, he won the championship. (Make it compound)
  1. He is a rookie despite he won the championship.
  2. He was a rookie even though he won the championship.
  3. He was a rookie yet he won the championship.
  4. He is a rookie even if he won the championship.
ব্যাখ্যা
• Notwithstanding - সত্ত্বেও।
- In spite of/ despite/ notwithstanding এর পরিবর্তে Compound Sentence এ but/ yet বসে।
- প্রথমে subject + verb বসে,
-এরপর but/yet  বসে।
- দুইটি clause এর subject একই হলে দ্বিতীয় clause টিতে subject বসাতে হয় না।

• অন্যভাবে বলা যায়, 
i) Despite/ in spite of/ notwithstanding যুক্ত Phrase টাকে Clause বানিয়ে বাক্যের শুরুতে বসাতে হবে।
- এ Clause টা বসানোর সময় অন্য Clause টার Tense কে অনুসরণ করতে হবে।
- অন্য Clause টা Past Tense হলে এটাও Past Tense হবে। 
ii) মাঝখানে Conjunction- but/yet বসবে। 
iii) অন্য Clause টা বসবে।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, He was a rookie yet he won the championship. - সঠিক উত্তর।
.
Identify the correct sentence.
  1. The rebel was hunged in the town square.
  2. The rebel was hung in the town square.
  3. The rebel was hanged in the town square.
  4. The rebel was hang in the town square.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে - The rebel was hanged in the town square.

Hang ফাঁসি দেয়া অর্থে এর past form ও past participle form হয় hanged.
- অপরদিকে, Hang কোনো কিছু ঝুলানো বা বস্তু ঝুলানো অর্থে এর past form ও past participle form হয় Hung.
- যেহেতু, বাক্যে rebel অর্থাৎ বিদ্রোহী এর কথা বলা হয়েছে, সুতরাং বুঝা যাচ্ছে এই বাক্য দ্বারা ফাঁসীতে ঝুলানো বুঝানো হয়েছে।
- আর যেহেতু subjectকে ফাঁসীতে ঝুলানো হয়েছিল অর্থাৎ কারর মাধ্যমে কাজটি হয়েছে বুঝাচ্ছে।
- তাই, passive sense প্রকাশ করায় এখানে was hanged হবে।
.
'All the animals living in a particular period of history' is called -
  1. Menagerie
  2. Bestiary
  3. Lexicon
  4. Fauna
ব্যাখ্যা
• Fauna (noun):
English Meaning: All the animals living in an area or in a particular period of history.
Bangla Meaning: (Plural faunas) কোনো জায়গায় কোনো বিশেষ সময়ের প্রাণিকুল।
Example sentence: A freshwater biome is a large community of flora and fauna that live in water.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
Menagerie (noun)
English Meaning: A collection of wild animals kept in cages, etc. for people to see
Bangla Meaning: প্রদর্শনার্থ বন্দি বন্যপ্রাণীর সংগ্রহ।
Example sentence: The children were fascinated by the menagerie of exotic animals at the zoo.

• Bestiary (noun)
English Meaning: A collection of descriptions of, or stories about, various types of animal, especially one written in the Middle Ages
Bangla Meaning: বিভিন্ন জীবজন্তু সম্পর্কে মধ্যযুগীয় নীতিগল্পের সংকলন।

• Lexicon (noun)
English Meaning: All the words and phrases used in a particular language or subject; all the words and phrases used and known by a particular person or group of people
Bangla Meaning: শব্দকোষ, শব্দার্থপুস্তক বা অভিধান।
Example sentence: The professor's lexicon of archaic English words is an invaluable resource for historical linguists.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.
.
Which of the following words can be used both as a noun and a verb?
  1. Epitome
  2. Harbinger
  3. Counsel
  4. Brevity
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে -
ক) Epitome (noun)
English Meaning: the typical or highest example of a stated quality, as shown by a particular person or thing
Bangla Meaning: সারসংক্ষেপ; গুণাবলির প্রতীক।
- এর verb form হচ্ছে - epitomize, epitomise - প্রতীক হওয়া; প্রতিনিধিত্ব করা।

• Example sentence: 
- The epitome of a loving mother.
- He epitomes a constant friend.

) Harbinger (Noun)
English Meaning: A person or thing that shows that something is going to happen soon, especially something bad:
Bangla Meaning:  অগ্রদূত।

Example sentence:
- The cuckoo is a harbinger of spring.

গ) Counsel (noun/ verb)
English Meaning:
Noun: Advice
Verb: To give advice, especially on social or personal problems
Bangla Meaning:
- উপদেশ; মন্ত্রণা; ব্যারিস্টার।
- উপদেশ দান করা।

• Example sentence: 
- I should have listened to my father's wise counsel. (noun)
- The police have provided experts to counsel local people affected by the tragedy.(verb)

ঘ) Brevity (noun)
English Meaning: Using only a few words or lasting only a short time:
Bangla Meaning: সংক্ষিপ্ততা:

• Example sentence:
- His essays are models of clarity and brevity.
- Brevity is the soul of wit.

• সুতরাং, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Counsel can be used both as a noun and a verb.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.
.
I gave him a pen. ( Make it passive)
  1. He was given a pen by me.
  2. A pen was given me by him.
  3. I was given a pen by him.
  4. A pen is given to him by me.
ব্যাখ্যা
• Double object যুক্ত Active Voice কে Passive Voice এ রূপান্তরের নিয়ম:
1) দুটি object এর যেকোন একটিকে passive voice এর subject করতে হয় (তবে ব্যক্তিবাচক অর্থাৎ Indirect object- কে subject করাই শ্রেয়) +
2) Tense অনুযায়ী Auxiliary verb বসে +
3) প্রদত্ত মূল verb এর Past Participle বসে +
4) প্রদত্ত বাকী object টি বসে +
5) by বসে +
6) প্রদত্ত active voice এর subject টি object রূপে বসে।

• নিয়মানুযায়ী,
- Active: I gave him a pen.
- Passive: He was given a pen by me.
.
Swimming in the ocean is a very exciting activity. Here 'swimming' is a -
  1. Transitive verb
  2. Finite verb
  3. Non-finite verb
  4. Causative verb
ব্যাখ্যা
• Swimming in the ocean is a very exciting activity. Here 'swimming' is a - non -finite verb.

• Non-finite verb: 
- A non-finite verb is a verb form that does not show tense.
- Most non-finite verbs found in English are infinitives, participles, and gerunds.
- যে verb দ্বারা sentence এর বক্তব্য শেষ হয়না ও কোন Subject এর person ও number দ্বারা যার রূপ নির্ণয় করা যায় না তাকে Non finite verb বলে। 

• Swimming in the ocean is a very exciting activity.
- এই sentence এ 'swimming' হচ্ছে subject হিসেবে Gerund.
- তাই, এটি Non-finite verb.
- এটি দ্বারা কোনো action বুঝাচ্ছে না।

Finite verb: 
- A finite verb is a verb that has a subject and shows tense.
- Finite verbs are not gerunds, infinitives or participles, which are classified as non-finite verbs.
- Tense এর গঠন অনুসারে যে verb বসে, সেটিই Finite Verb.

Source: Cambridge Dictionary.
.
What is the plural form of 'Volcano'?
  1. volcanos
  2. volcanoes
  3. volcano
  4. Both ক + খ
ব্যাখ্যা
• Volcano (noun)  আগ্নেয়গিরি।
- এর plural form হচ্ছে - 'volcanoes' বা 'volcanos.
- Volcanic (adjective) অগ্নিগিরিসদৃশ; অগ্নিগিরিসম্ভব; আগ্নেয়।
- Volcanoe - বলে কোনো শব্দ হয় না।

Example sentence:
- The volcano erupted, spewing lava and ash into the sky.
- Volcanoes are found on both land and the ocean floor.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
.
Identify the correct sentence.
  1. Despite of being a spinster, his life was full of adventures.
  2. In spites of a spinster, her life was full of adventures.
  3. In spite of being a spinster, his life was full of adventures.
  4. Despite being a spinster, her life was full of adventures.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - Despite being a spinster, her life was full of adventures.
- প্রশ্নটি একই সাথে gender এবং preposition এর সঠিক ব্যবহারের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

• সাধারণত  Despite/ In spite of (সত্ত্বেও) দুটো preposition ই noun/noun phrase এর পূর্বে বসে।
- তবে Despite এর পর কখনো of বসে না।

• অন্যদিকে, 
• Spinster (feminine gender)
- An unmarried woman, typically an older woman beyond the usual age for marriage.
- অবিবাহিতা মহিলা; চিরকুমারী।

• এর masculine gender হচ্ছে -
- Bachelor (masculine form)
- A man who is not and has never been married.
- কুমার; অকৃতদার/অবিবাহিত পুরুষ।

• Gender এবং preposition এর সঠিক ব্যবহারের ভিত্তিতে - 
ক) অপশনটি ভুল কারণ, এখানে despite of এবং his ব্যবহৃত হয়েছে।
খ) এই বাক্যে gender এর ব্যবহার ঠিক থাকলেও অপশনটি preposition এর ব্যবহারের ভিত্তিতে ভুল।
- বাক্যে In spites of বসেছে যার ব্যবহার সঠিক নয়, In spite of হলে বাক্যটি সঠিক হতো।
গ) অপশনে In spite of সঠিক ভাবে ব্যবহৃত হলেও এখানে her এর স্থলে his বসেছে তাই ভুল।
ঘ) অপশনে Despite সঠিক ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং her বসেছে তাই সঠিক।

Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary
১০.
If I ______ earlier, I ______ the meeting.
  1. would arrive, hadn't missed
  2. had arrived, wouldn't have missed
  3. arrived, wouldn't miss
  4. had arrived, haven't miss
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর খ) had arrived, wouldn't have missed এবং গ) arrived, wouldn't miss
• দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
----------------

• বাক্যটি conditional এর নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে।
• একটি Conditional sentence এ দুটি অংশ থাকে।
- 1. Condition বা শর্ত
- 2. Consequence বা ফলাফল।

• There are four types of Conditionals:
1. The Zero Conditionals
2. The First Conditionals
3. The Second Conditionals and
4. The Third Conditionals

• Zero or First conditional
• If যুক্তটি অংশটি যদি present tense এ থাকে তবে তা Zero conditionals or First Conditionals হয়ে থাকে।
• Zero Conditional - If + Present + Present (shows scientific and general truth).
• First conditional - If + Present + Futur indefinite
- সে অনুযায়ী এরপরের clause এ Present indefinite or Future Indefinite হয়।
- সেক্ষেত্রে চিরন্তন সত্য, ভৌগলিক বা বৈজ্ঞানিক সত্য এর ক্ষেত্রে Present indefinite হয়।
- সাধারণ বিষয় বা ঘটনা এর ক্ষেত্রে Future Indefinite হয়।

• Second conditional এর নিয়মানুযায়ী,
যদি if clause টি, subject + past siimple যোগে গঠিত হয়, তবে অপর clause টিতে would /could /might  + verb এর past participle হয়।

• Third conditional এর নিয়মানুযায়ী,
- যদি if clause টি, subject + past perfect যোগে গঠিত হয়, তবে অপর clause টিতে would have/could have/might have + verb এর past participle হয়।

১১.
The manager asked the employees to __________ all unnecessary paperwork from their desks to keep the office tidy.
  1. clear off
  2. clear out
  3. put up
  4. put off
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত phrasal verb গুলোর অর্থ -
• Clear off/ Clear something off -
English Meaning: to make someone go away from somewhere:
Bangla Meaning: (কথ্য, ব্যক্তি সম্বন্ধে) চলে যাওয়া; নিষ্কৃতি পাওয়া/ কিছুর অবসান ঘটানো; কোনো কিছু থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া।
- Example sentence: The police used dogs to clear the campers off the village green.

• Clear up/ out/ clear something up/ out
English Meaning:
- To make a place tidy by removing things from it or putting them where they should be:
- to tidy a place by getting rid of things that you do not want:
Bangla Meaning:  খালি করা; শূন্য করা।
Example sentence: Dad was clearing up in the kitchen.

• Put someone up to something
English Meaning: to encourage someone to do something, esp. something wrong.
Bangla Meaning: কাউকে খারাপ কিছু করার মতলব যোগানো
Ex. Sentence: She never stole anything before – maybe her friends put her up to it.

• Put off something
English Meaning: cancel or postpone something / to hold back to a later time.
Bangla Meaning: বাতিল বা মুলতুবী করা / দেরী করানো
Ex. Sentence: The meeting has been put off for a week.

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে clear out বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণতা পাবে।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Oxford Learner's Dictionary.
১২.
What is the adjective form of the word 'Perfect'?
  1. Perfectable
  2. Perfectible
  3. Perfectious
  4. Bothক + খ
ব্যাখ্যা
• Perfect (adjective) 
English meaning: Exactly right for someone or something:
Bangla Meaning: নিখুঁত; উৎকৃষ্ট।

• Other Forms:
• Perfectly (adverb)
- যথেষ্ট; যথারীতি: নিখুঁতভাবে।

• Perfectible (adjective)
- যার উৎকর্ষসাধন করা যায়।

• Perfectibility (noun)
- উৎকর্ষ; নিখুঁত।

• Perfection (noun)
- উৎকর্ষ বা সাধিত উৎকর্ষ।

• Perfectionist (noun)
- পূর্ণ নৈতিক শুদ্ধতা অর্জনে বিশ্বাসী ব্যক্তি।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৩.
Identify the correct sentence.
  1. Open at page 42 to find the map of ancient Rome.
  2. Open to page 42 to find the map of ancient Rome.
  3. Open on page 42 to find the map of ancient Rome.
  4. Open in page 42 to find the map of ancient Rome.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - Open on page 42 to find the map of ancient Rome.

• Preposition এর নিয়মানুযায়ী,
- সাধারণত কোনো বই, বা ডকুমেন্ট বা যেকোনো কিছুর নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা বুঝালে এর পূর্বে সবসময় at বসবে।
- যেমন: Open at the page ২০.
- এখানে, নির্দিষ্ট করে ২০ নাম্বার পৃষ্ঠা খুলতে বলা হয়েছে তাই at বসেছে।

• কিন্তু, যদি সেই নির্দিষ্ট পৃষ্ঠাতে কোনো কিছুর উপস্থিতি নির্দেশ করে তাহলে at এর পরিবর্তে on বসে।
- যেমন: Please see the answer on page 50.
- এখানে, নির্দিষ্ট করে ৫০ নাম্বার পৃষ্ঠায় উত্তর দেখতে বলা হয়েছে তাই on বসেছে।

• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে Ancient Rome এর map এর জন্য ৪২ নাম্বার পৃষ্ঠা খুলতে বলা হয়েছে।
- যেহেতু নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় কোন কিছুর অবস্থান নির্দেশ করা হচ্ছে, তাই এখানে on হবে।
১৪.
If "cacophony" is to "sound," then "cacography" is to -
  1. writing
  2. reading
  3. literature
  4. language
ব্যাখ্যা
Cacophony (Noun):
English Meaning: An unpleasant mixture of loud sounds.
Bangla Meaning: কাকুধ্বনি; বেসুর।

• Cacography (noun):

English Meaning - Bad spelling; bad handwriting.
Bangla Meaning - ভুল বানান; অসুন্দর হস্তলিপি। 

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) writing - লিখন; লিখনকর্ম
খ) reading - পাঠ; পঠন।
গ) literature - সাহিত্য।
ঘ) language - ভাষা; মানুষের মনোভাব, অনুভূতি প্রকাশের ধ্বনিনির্ভর মাধ্যম।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে - If "cacophony" is to "sound," then "cacography" is to "writing."
- Cacophony হচ্ছে sound বা শব্দের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, ঠিক তেমনি Cacography handwriting or spelling এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৫.
Who translated “Illiad” and “Odyssey” into English?
  1. Edward Fitzgerald
  2. P. B Shelley
  3. George Chapman
  4. Dr. Samuel Johnson
ব্যাখ্যা
• George Chapman translated Homer’s “Illiad” and “Odyssey” into English.
- তার অনুবাদের প্রথম বই 1598 সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- It was completed in 1611, and his version of the Odyssey appeared in 1616.

- Chapman’s Homer contains passages of great power and beauty and inspired the sonnet of John Keats “On First Looking into Chapman’s Homer” (1815).
- এই সাহিত্য কর্ম গুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে Romantic Period এর কবি John Keats রচনা করেছিলেন On First Looking into Champman's Homer.

• George Chapman was born in 1559 in England.
- English dramatist and poet এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা অনুবাদক।

Source: Britannica.com
১৬.
Which Shakespearean play presents the idea that the world is a stage and people are actors?
  1. As You Like It
  2. Romeo and Juliet
  3. Macbeth
  4. Hamlet
ব্যাখ্যা
• As You Like It by Shakespeare presents the idea that the world is a stage and people are actors.
- মূলত এই ধারণাটি এই নাটকের একটি বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
- উক্তিটি হচ্ছে - 
-  ''All the world’s a stage,
And all the men and women merely players'' 
-
এটি এই নাটকের Act II Scene VII এর opening line এবং spoken by Jaques.

• As You Like It:
- 5 acts বিশিষ্ট এই comedy play টি ১৫৯৮-১৬০০ সালের মধ্যে লেখা।
- ১৬২৩ সালে comedy টি First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Shakespeare based the play on Rosalynde (1590), a prose romance by Thomas Lodge.
- The Forest of Arden নামক এক কাল্পনিক বনে এই নাটকের অধিকাংশ কাহিনী বর্ণিত যাতে আমরা Orlando এবং Rosalind এর প্রেম কাহিনী দেখতে পাই।

• Some other famous quotes from As You Like It -
- Sweet are the uses of adversity.
- The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool.
- I pray you, do not fall in love with me, for I am falser than vows made in wine.
- Men have died from time to time, and worms have eaten them, but not for love.
- Most friendship is feigning, most loving mere folly.
- We that are true lovers run into strange capers.

• The major characters in this play are -
- Rosalind (Heroine)
- Celia (Cousin of Rosalind),
- Orlando (Male lead),
- Jaques,
- Oliver,
- Duke Senior,
- Duke Frederick,
- Touchstone,
- Audrey.

Source: Britannica and SparkNotes.
১৭.
নিচের কোনটি উপন্যাস?
  1. নেমেসিস
  2. ছাড়পত্র
  3. চোখের বালি
  4. বলাকা
ব্যাখ্যা
• 'চোখের বালি'  উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন। এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনির ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্রর স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।

প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- বিনোদিনী,
- মহেন্দ্র,
- আশালতা,
- বিহারী,
- রাজলক্ষী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
• নুরুল মোমেনের শ্রেষ্ঠ নাটক নেমেসিস। ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৪৪ সালে রচনা করা হয় এই নাটক।
• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ 'ছাড়পত্র'। 
• 'বলাকা'- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ।

উৎস : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও চোখের বালি উপন্যাস, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
'গোবর গণেশ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. অত্যন্ত কুঁড়ে
  2. উঁচু নিচুর সহাবস্থান
  3. অকর্মণ্য
  4. কপট স্বজন
ব্যাখ্যা
• 'গোবর গণেশ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অকর্মণ্য।
বাক্য গঠন: তোমার মতো গোবর গণেশ দিয়ে কোনো কাজ হবে না। 

---------------
অন্য অপশনে,
• 'গোঁফ- খেজুড়ে' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অত্যন্ত কুঁড়ে।
• 'গুরুচণ্ডালী' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - উঁচু নিচুর সহাবস্থান।
• 'ঘরভেদী বিভীষণ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - কপট স্বজন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
শেক্সপিয়রের ‘রোমিও জুলিয়েটে’ এর কাহিনি অবলম্বনে অনুবাদকৃত ‘চারুমুখ চিত্তহারা’ নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. কাজী মোতাহার হোসেন
  2. হরচন্দ্র ঘোষ
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
• হরচন্দ্র ঘোষের (শেক্সপিয়র রচিত ‘রোমিও জুলিয়েটে’র) অনুবাদকৃত নাটক ‘চারুমুখ চিত্তহারা’।

• হরচন্দ্র ঘোষ:
- ১৮১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি একজন নাট্যকার, অনুবাদক।
- একবার বেকনের প্রবন্ধ ‘ট্রুথ’-এর বাংলা অনুবাদ করার প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলা নাট্য-সাহিত্যের আদিপর্বের নাট্যকার এবং শেক্সপীয়রের নাটকের প্রথম অনুবাদক।
- তাঁর পুরাণ অবলম্বনে রচিত কৌরববিয়োগ (১৮৫৮) একটি উল্লেখযোগ্য মৌলিক নাটক।
 ১৮৮৪ সালের ২৪ নভেম্বর হুগলিতে তাঁর মৃত্যু হয়।
- তিনিই সর্বপ্রথম প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য রীতির সংমিশ্রণে আধুনিক নাট্যরীতি প্রবর্তনের চেষ্টা করেন।

• তাঁর- 
- ভানুমতী-চিত্তবিলাস (১৮৫৩),
- চারুমুখ-চিত্তহরা (১৮৬৪) ও
- রজতগিরিনন্দিনী (১৮৭৪)- 
[নাটকত্রয় যথাক্রমে শেক্সপিয়র মার্চেন্ট অফ ভেনিস, রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট এবং দি সিলভার হিল নাটক অবলম্বনে রচিত।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২০.
'Foster Father' এর পারিভাষিক অর্থ কী?
  1. স্ত্রীর বাবা
  2. পালক পিতা
  3. বাবার দাদা
  4. পুর্বপুরুষ
ব্যাখ্যা
• 'Foster Father' এর বাংলা অর্থ - পালক পিতা।

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
Hypnotist - সংবেশক,
Idealism - ভাববাদ,
Illegible - দুষ্পাঠ্য,
Immigrant - অভিবাসী,
Interim - মধ্যকালীন,
Postage - ডাকমাসুল,
Swear - শপথ করা।

উৎস: অভিগম্য অভিধান- বাংলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
২১.
‘অল্পদর্শী’ কোন সাহিত্যিকের ছদ্মনাম?
  1. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
  2. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. আবু জাফর শামসুদ্দীন
  4. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা
• ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে দৈনিক সংবাদে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শীর্ষক সাপ্তাহিক কলাম লিখে আবু জাফর শামসুদ্দীন বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। 

• আরো কিছু গুরুত্বপুর্ণ ছদ্মনাম: 
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম- বীরবল। 
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম-'সুনন্দ'। 
- প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। 
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম- 'হাবু শর্মা'।
- সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।
- মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম 'যুবনাশ্ব'।
- বিমল মিত্র 'জাবালি' ছদ্মনামে লিখতেন। 
- চারুচন্দ্র চক্রবর্তী এর ছদ্মনাম - জরাসন্ধ।
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের ছদ্মনাম ছিলো - দৃষ্টিহীন।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিলো- যাযাবর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
'বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান' এর সম্পাদক কে?
  1. মনজুরুর রহমান
  2. জামিল চৌধুরী
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  4. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
• 'বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান' এর সম্পাদক: 'জামিল চৌধুরী'। 

বাংলা একাডেমি প্রকাশিত কিছু অভিধান: 
• 'বাংলা একাডেমি ঐতিহাসিক অভিধান' এর সম্পাদক- মনজুরুর রহমান। 
• 'বাংলা একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' এর সম্পাদক- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌।
• 'বাংলা একাডেমি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান' এর সম্পাদক- আবু ইসহাক।
• 'বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান এর সম্পাদক- আহমদ শরীফ।
• 'মধ্যযুগের বাংলা ভাষার অভিধান' এর সম্পাদক- মোহাম্মদ আবদুল কাইউম।
• বাংলা একাডেমি বাংলা সাহিত্যকোষ' এর সম্পাদক- সেলিনা হোসেন ও নূরুল ইসলাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২৩.
সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্য নয় কোনটি?
  1. অভিযান
  2. ঘুম নেই
  3. হরতাল
  4. ছাড়পত্র
ব্যাখ্যা
• ‘হরতাল’ কবি সুকান্তের একটি গদ্যগ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে। গ্রন্থটিতে তার লেখা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত- অপ্রকাশিত গদ্য সংকলিত হয়েছে। যেখানে হরতাল, দেবতাদের ভয়, ষাঁড়-গাধা-ছাগলের কথা, লেজের কাহিনী শিরোনামের গদ্য স্থান পেয়েছে।

• সুকান্ত ভট্টাচার্য:

- ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- পূর্বাভাস,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; দুর্মর কবিতা।
২৪.
'ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি' এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. ঐতিহাসিক
  2. ঐহিক
  3. ইতিহাসবেত্তা
  4. ইতিহাসকার
ব্যাখ্যা
• 'ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি' এর এক কথায় প্রকাশ: 'ইতিহাসবেত্তা'। 

অন্য অপশনে,
‘ইতিহাস রচনা করেন যিনি’ এর এক কথায় প্রকাশ - ঐতিহাসিক।
‘ইহলোক বিষয়ক’ এর এক কথায় প্রকাশ - ঐহিক।
‘ইতিহাস রচয়িতা’ এর এক কথায় প্রকাশ - ইতিহাসকার। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা কবি-
  1. নুরুন্নেসা খাতুন
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. রহিমুন্নেসা
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
• কবি রহিমুন্নেসা:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা কবি রহিমুন্নেসা।
- কবি রহিমুন্নেসা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একমাত্র মুসলিম মহিলা কবি। ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক এই মহিলা কবির (আবির্ভাবকাল) ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ নির্ধারণ করেন। 
- তিনি (১৮শ শতক) বা অন্ত্যমধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি।
- তাঁর রচিত  লায়লী-মজনু কাব্যে সে সময়কার বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট পরিলক্ষিত হয়।

অন্যদিকে, 
• নুরুন্নেসা খাতুন (১৮৯৪-১৯৭৫) - প্রথম মুসলিম মহিলা ঔপন্যাসিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
'উদ্বেল' শব্দটি কোন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে?
  1. চিন্তিত অর্থে
  2. আবেগ অর্থে
  3. অতিক্রান্ত অর্থে
  4. সামীপ্য অর্থে
ব্যাখ্যা
• অতিক্রান্ত (উৎ) অর্থে: বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল। 

• অব্যয়ীভাব সমাস:
- অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
যথা:
- বেলাকে অতিক্রম = উদ্বেল;
- শৃঙ্খলাকে অতিক্রম = উচ্ছৃঙ্খল;
- নুনের অভাব = আলুনি;
- ইষৎ উষ্ণ = ঈষদুষ্ণ;
- বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
২৭.
চর্যাপদে কোন অন্ত্যজ শ্রেণির লোকেরা নগরের বাইরে পাহাড়ে বা টিলায় বাস করত?
  1. ডোম
  2. চণ্ডাল
  3. শবর
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• 'চর্যাপদ' এর জনগোষ্ঠী : 
- ডোম, চণ্ডাল, শবর ইত্যাদি অন্ত্যজ শ্রেণির লোকেরা নগরের বাইরে পাহাড়ে বা টিলায় বাস করত।
- ব্রাহ্মণরা এদের স্পর্শ এড়িয়ে চলতেন এবং নিজেদের সমাজকে নিষ্কলুষ রাখতে সচেষ্ট থাকতেন।

- এ বৈষম্য ও বিভেদের ভাবটি একটি চর্যাগানে অভিব্যক্তি পেয়েছে:
'নগর বাহিরি রে ডোম্বি তোহোরি কুড়িআ।
ছোই ছোই জাসি বাম্‌হণ নাড়িআ ॥' [চর্যা ১০]।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ- ড. মাহবুবুল হক। 
২৮.
বাংলা ভাষার ‘ত্ব' কোন ধরনের ব্যাকরণিক উপাদান?
  1. ফলা
  2. প্রত্যয়
  3. উপসর্গ
  4. বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় 'ত্ব' -প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
• যেমন,
'বন্ধুত্ব’ শব্দের শেষে 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। 

---------- 
• প্রত্যয়:
- নিজস্ব কোনো অর্থ নেই।
- প্রত্যয় যুক্ত হলে অর্থের পরিবর্তন হয়। 
- শব্দ ও ধাতুর পরে যুক্ত হয়। 

- শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়।
- যে-প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে।

• প্রত্যয় দুই প্রকার। যথা: তদ্ধিত প্রত্যয়, কৃৎ প্রত্যয়। 

• তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন, মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য , - এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।

কৃৎ প্রত্যয়: 
- যে-প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে।
- আর কৃৎ প্রত্যয়ান্ত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ। (অর্থাৎ যার অন্তে বা শেষে কৃৎ প্রত্যয় আছে) ।
যেমন: পডু + আ = পড়া।
এখানে 'পড়া’ শব্দটি কৃদন্ত শব্দ। কৃৎ প্রত্যয়ে ধাতুর আগে ক্রিয়ামূল বা ধাতুমূল চিহ্ন √ বসে। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
২৯.
'নরসুন্দর' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. কম সুন্দর
  2. কুৎসিত
  3. নাপিত
  4. সুন্দর মানুষ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'নরসুন্দর' শব্দের অর্থ: 'নাপিত'।
- 'নরসুন্দর' সংস্কৃত ভাষার শব্দ।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ:
• চয়ন- সংকলন,
• শশাঙ্ক- চাঁদ,
• পেটোয়া- অনুগত,
• হরিৎ- সবুজ,
• রাতুল- লাল,
• অয়ন- পথ,
• ইত্তেফাক- সম্প্রীতি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩০.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, চর্যাপদের রচনাকাল কোনটি?
  1. ৬৫০-১২০০ খ্রি.
  2. ৯৫০-১২০০ খ্রি.
  3. ৯০০-১২০০ খ্রি.
  4. ৭০০ - ১২০০ খ্রি.
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের রচনা কাল:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে, ৬৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে রচিত,
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে, 

• চর্যাপদ: 
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- অপরদিকে, ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩১.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. স্বস্ত্রীক আসবেন।
  2. জাপান উন্নতশীল দেশ।
  3. অপব্যয় একটি মারাত্মক অভ্যাস।
  4. আমার সন্তান যেন থাকে দুধ ভাতে।
ব্যাখ্যা
• "অপব্যয় একটি মারাত্মক অভ্যাস।" - বাক্যটি শুদ্ধ। 

অন্য অপশনের বাক্যগুলো:

অশুদ্ধ বাক্য--- শুদ্ধ বাক্য:
• স্বস্ত্রীক আসবেন- সস্ত্রীক আসবেন। 
• জাপান উন্নতশীল দেশ- জাপান উন্নত দেশ। 
• আমার সন্তান যেন থাকে দুধ ভাতে- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে- ভাতে।

উৎস: উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
৩২.
'হানিফা কয়রাপরী' কাব্যটি কে রচনা করেছেন?
  1. আবদুল হাকিম
  2. সাবিরিদ খান
  3. আলাওল
  4. সৈয়দ সুলতান
ব্যাখ্যা
• 'হানিফা কয়রাপরী' কাব্য: 
- 'হানিফা কয়রাপরী' কাব্যের রচয়িতা সাবিরিদ খান/শাহ বারিদ খান। 
- 'হানিফা কয়রাপরী' জঙ্গনামাজাতীয় যুদ্ধকাব্য হলেও প্রেমকাহিনির জন্য তা রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের পর্যায়ভুক্ত। 
- কবির কাব্যটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে কাব্যের নাম নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। 

• সাবিরিদ খান: 
- সাবিরিদ খান মধ্যযুগের আখ্যানকবি।
- সাবিরিদ খান ‘বিদ্যাসুন্দর’, ‘রসুল বিজয়’ ও ‘হানিফা-কয়রাপরী’ নামে তিনখানি আখ্যানমূলক কাব্য রচনা করেন।
- কাব্যের প্রাপ্ত পাণ্ডুলিপিগুলি খণ্ডিত হওয়ায় কবির ব্যক্তিগত পরিচয় জানা যায় না।
- ভনিতার সামান্য তথ্য থেকে বলা যায়, কবি চট্টগ্রামের নানুপুরের অধিবাসী ছিলেন। 
- তিনি ভারতীয় উৎস থেকে বিদ্যাসুন্দর এবং আরব-ইরান উৎস থেকে রসুল বিজয় ও হানিফা-কয়রাপরী কাব্য রচনা করেন।
- বিদ্যাসুন্দর ও হানিফা-কয়রাপরী রোমান্সসূলভ প্রণয়কাব্য, রসুল বিজয় ইসলামের গৌরব-গাথা।
- হানিফা-কয়রাপরী ও রসুল বিজয় কাব্যে যুদ্ধ-বিগ্রহের প্রাধান্য থাকায় উভয় কাব্যকে জঙ্গনামা নামেও চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
চতুর্দশপদী কবিতার ক্ষেত্রে ষষ্ঠকে থাকে-
  1. উপসংহার
  2. ভাবের প্রবর্তনা
  3. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
  4. ভাবের পরিণতি
ব্যাখ্যা
• চতুর্দশপদী কবিতার ক্ষেত্রে ষষ্ঠকে থাকে- ভাবের পরিণতি। 
-------------------
• সনেট (Sonnet):
- চতুর্দশপদী (Sonnet) হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে।
- এর বৈশিষ্ট হল যে এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে।
- এর প্রথম আট চরণের স্তবককে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে ষষ্টক বলে।
- অষ্টকে মূলত ভাবের প্রবর্তনা এবং ষষ্ঠকে ভাবের পরিণতি থাকে।
- বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতার জনক - মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন চতুর্দশপদী কবিতাবলী। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে।
- ইতালীয় কবি পেত্রার্ক ও শেক্সপিয়ারের অনুকরণে এসব সনেট রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৪.
"সত্য যে কঠিন,
কঠিনেরে ভালবাসিলাম,
সে কখনো করে না বঞ্চনা।"- কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
'সত্য যে কঠিন,
কঠিনেরে ভালোবাসিলাম,
সে কখনো করে না বঞ্চনা'- পঙ্‌ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষলেখা' কাব্যের রূপনারানের কূলে- কবিতার অন্তর্গত। 

• 'শেষলেখা' কাব্য: 
- 'শেষ লেখা' হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৪১ খ্রীস্টাব্দে তাঁর মৃৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনার "অন্ত্যপর্ব"-এর অন্তর্গত সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
- এতে সর্বমোট পনেরোটি কবিতা রয়েছে।
- এই গ্রন্থের নামকরণ রবীন্দ্রনাথ করে যেতে পারেন নি। 
- এই কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের ভাববাদী দর্শনের মধ্যেও চরমভাবে ইহজগৎপ্রীতি প্রকাশিত। 
- এই কাব্যগ্রন্থের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা- রূপনারানের কূলে। 

রূপনারানের কূলে- কবিতা,

রূপনারানের কূলে
জেগে উঠিলাম,
জানিলাম এ জগৎ
স্বপ্ন নয়।
রক্তের অক্ষরে দেখিলাম
আপনার রূপ,
চিনিলাম আপনারে
আঘাতে আঘাতে
বেদনায় বেদনায় ;
সত্য যে কঠিন,
কঠিনেরে ভালোবাসিলাম,
সে কখনো করে না বঞ্চনা।
আমৃত্যুর দুঃখের তপস্যা এ জীবন,
সত্যের দারুণ মূল্য লাভ করিবারে,
মৃত্যুতে সকল দেনা শোধ করে দিতে।

উৎস: শেষলেখা কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৫.
‘অন্নদা দিদি’ কোন গ্রন্থের চরিত্র?
  1. বড়দিদি
  2. শ্রীকান্ত
  3. অন্নদামঙ্গল
  4. বিরাজ বৌ
ব্যাখ্যা
• ‘অন্নদা দিদি’- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের চরিত্র। 

• 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস: 
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি শরৎচন্দ্রের আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের বিখ্যাত কিশোর চরিত্র- 'ইন্দ্রনাথ'। 
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি ৪টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।

• উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র: 
- শ্রীকান্ত,
- রাজলক্ষ্মী,
- অন্নদাদিদি,
- অভয়া,
- কমললতা প্রমুখ।

------------------------- 
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ছোটগল্প: 
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী, 
- মামলার ফল ইত্যাদি। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস :
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৬.
একটি দ্রব্য ২৪০০ টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হয়। ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
  1. লাভ ৫%
  2. ক্ষতি ৫.২৫%
  3. লাভ ৬.৫০%
  4. ক্ষতি ৬.২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ২৪০০ টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হয়। ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?

সমাধান:
২৫% লাভে
বিক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ২৪০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ২৪০০)/১২৫ টাকা
= ১৯২০ টাকা

∴ ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে ক্ষতি হবে।
∴ ক্ষতি = ১৯২০ - ১৮০০ টাকা = ১২০ টাকা

∴ শতকরা ক্ষতি = (১২০/১৯২০) × ১০০
= ৬.২৫
৩৭.
যদি x = a + 1/a এবং y = a - 1/a হয়, তাহলে x2 - y2 = কত?
  1. 2a2
  2. 2
  3. 4
  4. 16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x = a + 1/a এবং y = a - 1/a হয়, তাহলে x2 - y2 = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x = a + 1/a
y = a - 1/a

x + y = a + (1/a) + a - (1/a) = 2a
x - y = a + (1/a) - a + (1/a) = 2/a

এখন
x2 - y2
= (x + y)(x - y)
= (2a)(2/a)
= 4
৩৮.
ABCD সামান্তরিকের বাহুগুলো চিহ্নিত করা আছে। AD বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করুন।
  1. 15 একক
  2. 17 একক
  3. 20 একক
  4. 23 একক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ABCD সামান্তরিকের বাহুগুলো চিহ্নিত করা আছে। AD বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করুন।

সমাধান:
সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল।
∴ AB = BC
⇒ 6x - 10 = 3x + 5
⇒ 3x = 15
∴ x = 5

AD = 4x - 5 = 4 × 5 - 5 = 20 - 5 = 15
৩৯.
22x = 1024 হলে, 2x = কত?
  1. 64
  2. 128
  3. 256
  4. 32
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 22x = 1024 হলে, 2x = কত?

সমাধান:
22x = 1024
⇒ 22x = 210
⇒ 2x = 10
⇒ x = 10/2
∴ x = 5

∴ 2x = 25 = 32
৪০.
'COPPER' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যা 'APPLE' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যার কত গুণ?
  1. 4 গুণ
  2. 5 গুণ
  3. 6 গুণ
  4. 7 গুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'COPPER' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যা 'APPLE' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যার কত গুণ?

সমাধান:
APPLE শব্দে 5টি বর্ণ আছে।
যার মধ্যে 2টি P আছে।
∴ শব্দটির বিন্যাস সংখ্যা = 5!/2!
= 120/2
= 60 উপায়ে

COPPER শব্দে 6টি বর্ণ আছে।
যার মধ্যে 1টি C, 2টি P, 1টি O, 1টি E এবং 1টি R আছে।
∴ শব্দটির বিন্যাস সংখ্যা = 6!/2!
= 720/2
= 360 উপায়ে
= 6 × 60 উপায়ে
৪১.
একটি মিশ্রণে অ্যালকোহল ও পানির অনুপাত ৪ : ৩। যদি মিশ্রণে ৫ লিটার পানি যোগ করা হয় তাহলে অনুপাতটি ৪ : ৫ হয়। মিশ্রণে অ্যালকোহলের পরিমাণ কত?
  1. ১০ লিটার
  2. ১২ লিটার
  3. ১৫ লিটার
  4. ১৮ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি মিশ্রণে অ্যালকোহল ও পানির অনুপাত ৪ : ৩। যদি মিশ্রণে ৫ লিটার পানি যোগ করা হয় তাহলে অনুপাতটি ৪ : ৫ হয়। মিশ্রণে অ্যালকোহলের পরিমাণ কত?

সমাধান:
ধরি,
মিশ্রণে অ্যালকোহলের পরিমাণ ৪ক লিটার
পানির পরিমাণ ৩ক লিটার

প্রশ্নমতে,
৪ক/(৩ক + ৫) = ৪/৫
বা, ২০ক = ১২ক + ২০
বা, ৮ক = ২০
∴ ৪ক = ১০

∴ মিশ্রণে ১০ লিটার অ্যালকোহল রয়েছে।
৪২.
x2 - px - 14 রাশিটির একটি উৎপাদক x - 7 হলে, p এর মান কত?
  1. 5
  2. - 5
  3. 7
  4. - 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - px - 14 রাশিটির একটি উৎপাদক x - 7 হলে, p এর মান কত?

সমাধান:
ধরি,
f(x) = x2 - px - 14
x - 7, f(x) এর উৎপাদক বলে f(7) = 0 হবে

f(7) = 72 - p × 7 - 14
= 49 - 7p - 14
= 35 - 7p

শর্তমতে,
35 - 7p = 0
⇒ 7p = 35
∴ p = 5
৪৩.
প্রদত্ত চিত্রের আলোকে tanP - cotR এর মান কত?
  1. 1
  2. 5
  3. 1/2
  4. 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রের আলোকে tanP - cotR এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
PQ = 12 cm
PR = 13 cm
সমকোণী ত্রিভুজ PQR এ Q হলো সমকোণ
পিথাগোরাসের সূত্রানুসারে,
PR2 = PQ2 + QR2
QR2 = (13)2 - (12)2
= 169 - 144
= 25
∴QR = 5 cm

tanP = QR/PQ = 5/12
cotR = QR/PQ = 5/12
∴ tanP - cotR = (5/12) - (5/12) = 0
৪৪.
log√24 + log3√3 =?
  1. 1/2
  2. 9/2
  3. 7
  4. 2/5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log√24 + log3√3 =?

সমাধান:
log√24 + log3√3
= log√2(√2)4 + log3(3)1/2
= 4log√2√2 + (1/2)log33
= 4 + 1/2
= 9/2
৪৫.
একটি বক্সে ২০টি নীল ও ৩০ টি লাল মার্বেল আছে। দৈবভাবে ২টি মার্বেল উঠালে ২টি একই রংয়ের হওয়ার সম্ভবনা কত?
  1. ১/২
  2. ২৫/৪৯
  3. ২/৫
  4. ২৩/৪৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বক্সে ২০টি নীল ও ৩০ টি লাল মার্বেল আছে। দৈবভাবে ২টি মার্বেল উঠালে ২টি একই রংয়ের হওয়ার সম্ভবনা কত?

সমাধান:
নীল মার্বেল = ২০টি
লাল মার্বেল = ৩০টি
মোট মার্বেল = ২০ + ৩০ = ৫০ টি

২টি মার্বেলই নীল হওয়ার সম্ভাবনা = (২০/৫০) × (১৯/৪৯)
= ৩৮/২৪৫

২টি মার্বেলই লাল হওয়ার সম্ভাবনা = (৩০/৫০) × (২৯/৪৯)
= ৮৭/২৪৫

∴ মোট সম্ভাবনা = (৩৮/২৪৫) + (৮৭/২৪৫)
= ১২৫/২৪৫
= ২৫/৪৯
৪৬.
একটি বিদ্যালয়ের তিনটি শ্রেণির ২০ জন, ৩০ জন এবং ৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করে যথাক্রমে ৩০%, ৫০% এবং ৬০%। তিনটি শ্রেণির মোট পাশের হার কত?
  1. ৩৫%
  2. ৪০%
  3. ৪৫%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বিদ্যালয়ের তিনটি শ্রেণির ২০ জন, ৩০ জন এবং ৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করে যথাক্রমে ৩০%, ৫০% এবং ৬০%। তিনটি শ্রেণির মোট পাশের হার কত?

সমাধান:
১ম শ্রেণিতে পাস = ২০ এর ৩০%
= ২০ এর ৩০/১০০
= ৬ জন

২য় শ্রেণিতে পাস = ৩০ এর ৫০%
= ৩০ এর ৫০/১০০
= ১৫ জন

৩য় শ্রেণিতে পাস = ৪০ এর ৬০%
= ৪০ এর ৬০/১০০
= ২৪ জন

মোট পাস করে = (৬ + ১৫ + ২৪)= ৪৫ জন

এখন, মোট শিক্ষার্থী = (২০ + ৩০ + ৪০) = ৯০ জন

∴ শতকরা পাস করে = {(৪৫/৯০) × ১০০}%
= ৫০%
৪৭.
x - y = 5 এবং x2 - y2 = 65 হলে, 4x + y এর মান নির্ণয় করুন।
  1. 32
  2. 40
  3. 36
  4. 20
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - y = 5 এবং x2 - y2 = 65 হলে, 4x + y এর মান নির্ণয় করুন।

সমাধান:
x - y = 5 .........(i)

x2 - y2 = 65
⇒ (x + y)(x - y) = 105
⇒ 5(x + y) = 65
∴ x + y = 13 ........(ii)

(i) + (ii) হতে পাই,
2x = 5 + 13
⇒ 2x = 18
∴ x = 9

(ii) নং হতে পাই,
x + y = 13
⇒ 9 + y = 13
⇒ y = 13 - 9
∴ y = 4

∴ 4x + y = 4 × 9 + 4 = 36 + 4 = 40
৪৮.
বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১০০% বৃদ্ধি পেলে এর ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
  1. ১০০%
  2. ২০০%
  3. ৩০০%
  4. ৪০০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১০০% বৃদ্ধি পেলে এর ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 10
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
= π (10)2
= 100π

আবার,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ 100% বৃদ্ধিতে,
বৃত্তের নতুন ব্যাসার্ধ = 10 + 10 এর 100%
= 10 + 10 এর 100/100
= 20
∴ বৃত্তের নতুন ক্ষেত্রফল = πr2
= π (20)2
= 400π

∴ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = 400π - 100π
= 300π

100π থেকে ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = 300π
1 থেকে ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = 300π/100π
∴ 100 থেকে ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = (300π × 100)/100π
= 300%

∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল শতকরা 100% বৃদ্ধি পায়
৪৯.
7 + 13 + 19 + 25 + ..... ধারাটির 21 তম পদ কোনটি?
  1. 127
  2. 172
  3. 169
  4. 196
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 7 + 13 + 19 + 25 + ..... ধারাটির 21 তম পদ কোনটি?

সমাধান:
ধারাটি একটি সমান্তর ধারা যার,
প্রথম পদ, a = 7
সাধারণ অন্তর, d = 13 - 7 = 6

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদ = a + (n - 1)d
= 7 + (21 - 1) × 6
= 7 + 20 × 6
= 127
৫০.
কোন পরীক্ষায় ৮০% গণিত এবং ৬০% বাংলায় পাশ করল। উভয় বিষয়ে পাশ করল ৫০%। উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?
  1. ৫০%
  2. ৩০%
  3. ১৫%
  4. ১০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন পরীক্ষায় ৮০% গণিত এবং ৬০% বাংলায় পাশ করল। উভয় বিষয়ে পাশ করল ৫০%। উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?

সমাধান:
গণিতে পাশ = n(M) = ৮০%
বাংলায় পাশ = n(B) = ৬০%
উভয় বিষয়ে পাশ = n(M ∩ B) = ৫০%

যে কোনো এক বিষয় বা উভয় বিষয়ে পাশ = n(M ∪ B)

n(M ∪ B) = n(M) + n(B) - n(M ∩ B)
= ৮০% + ৬০% - ৫০%
= ১৪০% - ৫০%
= ৯০%

∴ উভয় বিষয়ে ফেল করল = ১০০% - ৯০%
= ১০%
৫১.
Which word is correctly spelt?
  1. Acertain
  2. Ractengular
  3. Catterpillar
  4. Reverberation
ব্যাখ্যা
The correctly spelt word is -
Reverberation = ধ্বনির অনুরণন; প্রতিধ্বনি।

Correct Spelling of the other words:
Ascertain = নিশ্চিত করা; নির্ধারণ করা; নিরূপণ করা; স্থির করা।
Rectangular = আয়তক্ষেত্রাকার।
Caterpillar = শুঁয়া পোকা, খাঁজকাটা চাকার উপরের ধাতুপাতের বেল্ট।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy
৫২.
x যদি 10 এর চেয়ে ছোট ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হয় তাহলে নিচের কোনটির মান সর্বনিম্ন হবে?
  1. x - 20
  2. - x
  3. 0
  4. 20 - x
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x যদি ১০ এর চেয়ে ছোট ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হয় তাহলে নিচের কোনটির মান সর্বনিম্ন হবে?

সমাধান:
x এর মান সর্বোচ্চ ধরে পদত্ত অপশনের মান গুলো নির্ণয় করি
x = 9 হলে,

ক) x - 20 = 9 - 20 = - 11

খ) - x = - 9

গ) 0

ঘ) 20 - 9 = 11

∴ সর্বনিম্ন মান অপশন ক।
৫৩.
১ জানুয়ারি ২০২৪ সোমবার হলে, ২০২৪ সালের বাংলাদেশের বিজয় দিবস কী বার?
  1. সোমবার
  2. মঙ্গলবার
  3. বুধবার
  4. রবিবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ জানুয়ারি ২০২৪ সোমবার হলে, ২০২৪ সালের বাংলাদেশের বিজয় দিবস কী বার?

সমাধান:
বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৬ই ডিসেম্বর।
 
লিপ-ইয়ার ব্যতীত অন্য বছরের প্রথম ও শেষ দিন একই বার হয়।
কিন্তু, লিপ-ইয়ার হলে ১ দিন যোগ হবে। অর্থাৎ, জানুয়ারির ১ তারিখে যে বার হবে, একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর তার পরের দিন হবে।
২০২৪ সাল লিপ ইয়ার। তাই ১ জানুয়ারি ২০২৪ সোমবার হলে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ মঙ্গলবার।
∴ (৩১ - ৭) = ২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার
(২৪ - ৭) = ১৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার
∴ ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ সোমবার।
৫৪.
ইংরেজি অভিধানে কোনটি আগে বসবে?
  1. Acceptance
  2. Absence
  3. About
  4. Abstract
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইংরেজি অভিধানে কোনটি আগে বসবে?

সমাধান:
সঠিক ক্রম হবে
About
Absence
Abstract
Acceptance
৫৫.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
  1. 9C
  2. 9B
  3. 7B
  4. 9A
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে? 

সমাধান:
প্রত্যেক সারিতে A, B, C রয়েছে।
১ম সারিতে,
4 × 6 = 24

৩য় সারিতে,
9 × 4 = 36

২য় সারিতে,
5 × ? = 45
⇒ ? = 9
২য় সারিতে A, C রয়েছে কিন্তু B নেই 

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে বসবে 9B 

৫৬.
Parts : Strap : : Wolf : ?
  1. Fox
  2. Animal
  3. Wood
  4. Flow
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Parts : Strap : : Wolf : ?

সমাধান:
Parts এর প্রতিটি বর্ণ পেছন থেকে লিখলে Strap হয়।
Wolf এর প্রতিটি বর্ণ পেছন থেকে লিখলে Flow হয়।


৫৭.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 225
  2. 289
  3. 441
  4. 361
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
4 + 3 = 7 ⇒ 72 = 49

8 + 5 = 13 ⇒ 132 = 169

11 + 12 = 23 ⇒ 232 = 529

10 + 9 = 19 ⇒ 192 = 361
৫৮.
এক ব্যক্তি কোন স্থান থেকে যাত্রা শুরু করে দক্ষিণ দিকে 10 কি.মি. গেল। আবার সে পূর্ব দিকে 5 কি.মি.গেলো এবং গতি পরিবর্তন করে পুনরায় দক্ষিণ দিকে 7 কি.মি. গেলো এবং শেষে পশ্চিম দিকে 5কি.মি. গেলো। তার গন্তব্য স্থান ও যাত্রা স্থানের সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. 12 কি.মি.
  2. 14 কি.মি.
  3. 17 কি.মি.
  4. 20 কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি কোন স্থান থেকে যাত্রা শুরু করে দক্ষিণ দিকে 10 কি.মি. গেল। আবার সে পূর্ব দিকে 5 কি.মি.গেলো এবং গতি পরিবর্তন করে পুনরায় দক্ষিণ দিকে 7 কি.মি. গেলো এবং শেষে পশ্চিম দিকে 5কি.মি. গেলো। তার গন্তব্য স্থান ও যাত্রা স্থানের সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:

যাত্রাস্থান A এবং গন্তব্য স্থান E
সরাসরি দূরত্ব AE = (10 + 7) কি.মি. = 17 কি.মি.
৫৯.
চিত্রের A গিয়ারটি ৬ বার ঘুরলে B গিয়ারটি কতবার ঘুরবে?
  1. ৪ বার
  2. ৬০ বার
  3. ২০ বার
  4. ২৪ বার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিত্রের A গিয়ারটি ৬ বার ঘুরলে B গিয়ারটি কতবার ঘুরবে?


সমাধান:
বড় গিয়ারটির (A) দাঁতের সংখ্যা ছোটটির ৪ গুণ।
তাই, বড়টি একবার ঘুরলে ছোটটি ৪ বার ঘুরবে।
সুতরাং, বড়টি ৬ বার ঘুরলে ছোট গিয়ারটি ২৪ বার ঘুরবে।
৬০.
X চিত্রটি কোন চিত্রে লুকায়িত আছে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ও ঘ) 
উত্তরপত্রে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------------------------ 

প্রশ্ন: X চিত্রটি কোন চিত্রে লুকায়িত আছে?


সমাধান:

2 নং চিত্রে লুকায়িত আছে।

৬১.
এই সিরিজটিতে পরের সংখ্যাটি কত?
৩, ৫, ৮, ১৩, ২১
  1. ২৪
  2. ২৬
  3. ২৯
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এই সিরিজটিতে পরের সংখ্যাটি কত?
৩, ৫, ৮, ১৩, ২১

সমাধান:
ধারাটি একটি ফিবোনাক্কি ধারা


৩ + ৫ = ৮
৫ + ৮ = ১৩
১৩ + ৮ = ২১
২১ + ১৩ = ৩৪
৬২.
নিচের কোন শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়?
  1. সৌর শক্তি
  2. কয়লা
  3. খনিজ তেল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
- 'সৌর শক্তি' একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস তাই এ শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. সিমপ্লেক্স মোডে কেবল একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
  3. সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: মাউস।
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: টেলিফোন।
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
- প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৬৪.
Live MCQ এর সিস্টেমে কিছু সমস্যা ধরা পরলো। একজন ব্যক্তি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো সনাক্ত করে কর্তৃপক্ষকে জানালেন। উক্ত ব্যক্তি একজন -
  1. White hat hacker
  2. Black hat hacker
  3. Grey hat hacker
  4. Red hat hacker
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। 
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker):
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (Black hat hacker):
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার (Grey hat hacker):
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৫.
(654)8 = (?)2
  1. 110101110
  2. 110101101
  3. 110101100
  4. 111101100
ব্যাখ্যা
• 1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি = 110
অক্টাল 5 এর সমতুল্য বাইনারি = 101
অক্টাল 4 এর সমতুল্য বাইনারি = 100
∴ (654)8 = (110101100)2
৬৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং- এর ক্ষেত্রে GCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Google Cloud Provision
  2. Google Computing Platform
  3. Google Cloud Protocol
  4. Google Cloud Platform
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:

- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS),
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS),
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS).

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়য়েবসাইট।
৬৭.
কোনটি OSI মডেলের লেয়ার নয়?
  1. Connection
  2. Application
  3. Transport
  4. Network
ব্যাখ্যা
• OSI Model:
- OSI এর পূর্ণরূপ হলো Open Systems Interconnection Model.
- OSI মডেলের লেয়ার সংখ্যা ৭টি।
- উপরের তিনটি লেয়ারকে বলা হয় Upper Layer.
- নিচের চারটি লেয়ারকে বলা হয় Lower Layer. 


figure: OSI model (image source: researchgate.net)

The 7 layers of the OSI model: 
• Layer 7 - Application layer.
• Layer 6 - Presentation layer.
• Layer 5 - Session layer.
• Layer 4 - Transport layer.
• Layer 3 - Network layer.
• Layer 2 - Data Link layer.
• Layer 1 - Physical layer.

- উল্লেখ্য Connection Layer - OSI model এর লেয়ার নয়।

উৎস: researchgate.net
৬৮.
নিচের কোনটি নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার নয়?
  1. সিরিয়াল প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ইঙ্কজেট প্রিন্টার
  4. থার্মাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Non-Impact Printer): 
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুলেশন ও গতি বেশি থাকে। 

- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন:
১. লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২. ইঙ্কজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩. থার্মাল প্রিন্টার (Thirmal Printer), 
৪. স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।

• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- যদিও নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে সবচেয়ে দামি প্রিন্টার।
- কিন্তু এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুতগতিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। 

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Impact Printer):
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুলেশন ও গতি কম থাকে। 

- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লাইন প্রিন্টার (Line Printer) ও
২. অক্ষর প্রিন্টার বা সিরিয়াল প্রিন্টার(Serial Printer).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯.
India-Bangladesh friendship pipeline কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৮ মার্চ,২০২৩
  2. ২৫ জুন,২০২৩
  3. ৭ অক্টোবর,২০২৩
  4. ২০ নভেম্বর,২০২৩
ব্যাখ্যা
India-Bangladesh friendship pipeline ১৮ মার্চ,২০২৩ তারিখে উদ্বোধন করা হয়।

India-Bangladesh friendship pipeline:

- ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল আসবে।
- ১৮ মার্চ,২০২৩ তারিখে এই ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করা হয়।
- পাইপলাইনটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

উল্লেখ্য,
- শিলিগুড়ি টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার পাইপলাইন তৈরি করা হয়েছে।
- বছরে ১০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা যাবে এই পাইপলাইন দিয়ে।
- চুক্তি অনুসারে, সরবরাহ শুরুর পর ১৫ বছর পর্যন্ত এই পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে ডিজেল নেবে বিপিসি।
- এ পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মোট ১৩১.৫৭ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে।
- তার মধ্যে বাংলাদেশ অংশে ১২৬.৫৭ কিলোমিটার এবং ভারত অংশে ৫ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে।

উৎস: ১৮ মার্চ ২০২৩, প্রথম আলো।
৭০.
জীবনঢুলী চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু কী?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. চুকনগর গণহত্যা
  4. রায়েরবাজার গণহত্যা
ব্যাখ্যা
জীবনঢুলী চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু চুকনগর গণহত্যা।

জীবনঢুলী:

- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র।
- 'জীবনঢুলী'র পরিচালক ছিলেন তানভীর মোকাম্মেল।
- ‘জীবনঢুলী’ নির্মিত হয়েছে ২০১৩ সালে।
- জীবনঢুলী নিম্নবর্গের একটি হিন্দু ঢাকি ও তার পরিবারের ১৯৭১ সালের অভিজ্ঞতার কাহিনি।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় নিম্নবর্ণের এক ঢাকি জীবনকৃষ্ণ দাস ও তাঁর পরিবারের অভিজ্ঞতার গল্প বলা হয়েছে ‘জীবনঢুলী’ ছবিতে।
- বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত ছবিটিতে চুকনগর গণহত্যাকে তুলে ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর বাজার।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেখানে এক নৃশংস গণহত্যা চালায়।
- ইতিহাসে তা ‘চুকনগর গণহত্যা’ নামে পরিচিতি।

উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০১৪, প্রথম আলো।
        ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭১.
'Sultana's Dream' বইটি কার লেখা?
  1. নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. বেগম সুফিয়া কামাল
  4. সুলতানা রাজিয়া
ব্যাখ্যা
'Sultana's Dream' বইটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর লেখা।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:

- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস পালন করা হয়।

রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪), অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।
- মতিচূর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি গ্রন্থে রোকেয়ার ঐকান্তিক স্বপ্নই এক অভিনব রূপ পেয়েছে। মতিচূর ২য় খন্ডে আছে ‘সৌরজগৎ’, ‘ডেলিসিয়া হত্যা’ (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), ‘জ্ঞান-ফল’, ‘নারী-সৃষ্টি’, ‘নার্স নেলী’, ‘মুক্তি-ফল’ প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

Sultana’s Dream:
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭২.
পাঙনরা কোন নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা?
  1. ওরাওঁ
  2. সাঁওতাল
  3. রাখাইন
  4. মণিপুরী
ব্যাখ্যা
পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।

পাঙন উপজাতি:

- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭৩.
”কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া” এ গানটির সুরকার কে?
  1. কুমার বিশ্বজিৎ
  2. সঞ্জীব চৌধুরী
  3. শাহ আবদুল করিম
  4. কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া
ব্যাখ্যা
”কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া” এ গানটির সুরকার শাহ আবদুল করিম।

শাহ আবদুল করিম:

- শাহ আবদুল করিম (জন্ম: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৬ - মৃত্যু: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৯) বাংলা বাউল গানের জীবন্ত কিংবদন্তী হিসেবে পরিচিত।
- স্বল্প শিক্ষিত বাউল শাহ আব্দুল করিম এ পর্যন্ত প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন এবং সুরারোপ করেছেন।
- বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।
- বাউল শাহ আবদুল করিমের এ পর্যন্ত ৬টি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে।
- বাউল শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

শাহ আবদুল করিমের লেখা ও সুর করা কয়েকটি গান হলো:
- বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে,
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম,
- গাড়ি চলে না,
- আমি কূলহারা কলঙ্কিনী,
- কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া,
- কোন মেস্তরি নাও বানাইছে,
- কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু,
- বসন্ত বাতাসে সইগো,
- আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু,
- মহাজনে বানাইয়াছে ময়ূরপঙ্খী নাও,
- আমি তোমার কলের গাড়ি,
- সখী কুঞ্জ সাজাও গো,
- জিজ্ঞাস করি তোমার কাছে,
- মানুষ হয়ে তালাশ করলে,
- আমি বাংলা মায়ের ছেলে,
- রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৪.
'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কোথায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. বাগেরহাট জেলা
  2. নরসিংদী জেলা
  3. কুড়িগ্রাম জেলা
  4. নীলফামারী জেলা
ব্যাখ্যা
'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।

ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:

- 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৭৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কয়টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়?
  1. ১৫৭টি
  2. ২০৩টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১১৩টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

ঔষধ শিল্প:

- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

এছাড়াও,
- বর্তমানে দেশে ২১৩টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
- এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
- এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।

উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
        ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭৬.
বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়
  2. কক্সবাজারের মহেশখালীতে
  3. পটুখালীর খেপুপারায়
  4. বাগেরহাটের মংলায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনাল কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত।

বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনাল
:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান: কক্সবাজারের মহেশখালীতে (21º32’04’’ N; 91º49’07’’E)।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার : দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা : ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি : ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫(পনের) বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু : ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান : ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর : ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
৭৭.
'জাতীয় চা দিবস' কবে পালিত হয়?
  1. ৩ জুন
  2. ৪ জুন
  3. ৫ জুন
  4. ৬ জুন
ব্যাখ্যা
চা দিবস:
- ৪ জুন জাতীয় চা দিবস পালিত হয়।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।

⇒ চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- অতঃপর ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চা বাগানসমূহ প্রায় বিধ্বস্ত হয়ে যায়।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%
  3. সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে
  4. ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ 'মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto)' পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরুপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ 'মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto)' পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী জনশুমারি মূলত নিম্নবর্ণিত তিন ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালনা করা হয়।
.• ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুধু তাদের বাসস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।
• ডি-ফ্যাক্টো (de: facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।
• মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থান গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহূর্তে যারা ভ্রমণরত; হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ।
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
         ii) ১৫ জুন ২০২২, প্রথম আলো।
৭৯.
ঘাটু গানের বিষয়বস্তু কী?
  1. রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা
  2. শ্রমসংগীত
  3. মরমীবাদ
  4. মারেফাত
ব্যাখ্যা
ঘাটু গানের বিষয়বস্তু হলো রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা।

ঘাটুগান:
- ঘাটু গান বিলুপ্তপ্রায় এক প্রকার লোকগীতি।
- ঘাটে ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে এ গান গাওয়া হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘ঘাটের গান’ বা ‘ঘাটু গান’।
- রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা ও দৈনন্দিন জীবনের বিচিত্র ঘটনা ঘাটু গানের বিষয়বস্তু।
- ঘাটু দলের প্রধান অর্থাৎ মূল গায়েনকে বলে ‘সরকার’।
- ঘাটু গান মূলত ছুকরাভিত্তিক গান।
- বারো থেকে পনেরো বছরের ছেলে ছুকরাকে ঘাটু বানাবার জন্য মেয়েলি চেহারার ছেলেকে ঘাগড়ি বা শাড়ি পড়িয়ে ম্যাচিং করা ব্লাউজ, কানে দুল, দুহাতে রঙিন রুমাল বেঁধে মঞ্চে উঠানো হতো। ঘা
- একটা অল্প বয়সী ছেলেকে মেয়ে সাজিয়ে সহজ নাচের মুদ্রা শিখিয়ে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বাইজির নাচের মতো করে এই অনুষ্ঠান হতো।
- এ গানে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঢোল, তবলা, বেহালা, সারিন্দা, মন্দিরা, বাঁশি, করতাল, হারমোনিয়াম প্রভৃতি।
- ঘাটু গানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক গ্রামের জোতদাররা এবং এর প্রধান কর্মী সমকামী যুবকরা।
- এ গান প্রধানত ময়মনসিংহের পূর্বাঞ্চল, কুমিল্লা জেলার উত্তরাঞ্চল এবং সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চলে এক সময় ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।
- বিশেষত বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলে ঘাটু গানের আসর বসতো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) ১৯ এপ্রিল ২০১৯, প্রথম আলো।
৮০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
  4. সচিব
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়:

- বাংলাদেশের জন্য একটি আধুনিক ও সুন্দর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যয়কে সামনে রেখে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়েছিল।
- বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
- মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে বর্তমানে মোট পদসংখ্যা হয়েছে ২৩২ টি।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮১.
বাংলাদেশের প্রথম বাজেট উত্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এম মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. আজিজুর রহমান মল্লিক
  4. মির্জা নূরুল হুদা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম বাজেট উত্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট:
- বাংলাদেশের প্রথম বাজেট অনুমোদিত হয়েছিল প্রবাসী সরকারের আমলেই।
- ১৯৭১ সালের ১৯ জুলাই প্রবাসী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি যে বাজেটের অনুমোদন দিয়েছিলেন, তাতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ কোটি ৭৩ লাখ ২৮ হাজার ২০৭ রুপি।
- স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- তিনি একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট দিয়েছিলেন।
- ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ।
- একসঙ্গে তিনি দুই অর্থবছরের বাজেট দিয়েছিলেন।
- দেশের প্রথম বাজেটের পরিমাণ ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

⇒ তাজউদ্দীন আহমদ:
- তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী।
- তাজউদ্দীন আহমদ পরপর তিনটি বাজেট দিয়েছিলেন।
- তিনি একই সঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন।
- দেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও তৈরি হয় তাঁর সময়েই।
- বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি ঘটলে ১৯৭৪ সালের ২৬ অক্টোবর পদত্যাগ করেন। 
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবার নিহত হলে পরদিন তাজউদ্দীন আহমদ গৃহবন্দী হন।
- ২২ আগস্ট তাঁকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।
- কারাগারে বন্দী অবস্থায় ৩ নভেম্বর অপর তিন জাতীয় নেতার সঙ্গে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

⇒ জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের ক্রম: ৫২-তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩-তম)।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল (তাঁর টানা পঞ্চম বাজেট পেশ)।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০০,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে,
- দেশের ৫৩তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৪তম) বাজেট ২০২৪-২৫ পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

উৎস: i) ৩১ মে ২০২২, প্রথম আলো।
         ii) জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৮২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়?
  1. ১৯(১) নং
  2. ৩৯ নং
  3. ১৫(ঘ) নং
  4. ১৮ক নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়।

সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ:
- সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷


অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
- এ আইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংরক্ষণে অনন্য দলিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-০৬ অর্থবছর।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রতি পূরণ;
- ২. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
- ৩. দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
- ৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
- ৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অমত্মর্ভুক্তকরণ।

⇒ ২০২৩-২৪ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতাভোগী: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগী: ৫৫০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির হার: ৯০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
         ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৮৩.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলাতে অবস্থিত?
  1. IRRI
  2. WIPO
  3. Greenpeace International
  4. OECD
ব্যাখ্যা
IRRI-এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলাতে অবস্থিত।

IRRI:

- IRRI-এর পূর্ণরূপ: International Rice Research Institute.
- IRRI হলো একটি স্বাধীন, অলাভজনক, গবেষণা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- সদর দপ্তর: লস ব্যানোস, ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬০ সাল।
- কার্যক্রম পরিচালনা করে - এশিয়া ও আফ্রিকার ১৭টি দেশে।

অন্যদিকে,
- WIPO-এর সদর দপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- Greenpeace International -এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
- OECD- এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।

উৎস: IRRI ওয়েবসাইট।
৮৪.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সীমা কত?
  1. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  2. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  3. ৩০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

UNCLOS:

- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।

⇒ আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল (Territorial sea):
- তটরেখা হতে একটি নির্দিষ্ট দ রত্বে সমুদ্রের উপর উপকূলীয় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বজায় থাকে।
- এ সমুদ্র অঞ্চলকেই আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে এ দ রত্ব ১২ নটিক্যাল মাইল নির্ধারণ করা হয়।

⇒ সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone):
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে উপকূলীয় রাষ্ট্র সমুহকে সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অধিকার প্রদান করা হয়।
- এখানে উপকূলীয় রাষ্ট্রের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অধিকার থাকে।
- এটি তটরেখা হতে সমুদ্রে সর্বোচ ২০০ নটিক্যাল মাইল বিস্তৃত হবে।

⇒ মহীসোপান (Continental shelf):
- মহাদেশের কিছু অংশে সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
- এখানে সমুদ্রের গভীরতা কম থাকে।
- মহাদেশের এ স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে সাধারণভাবে কোন কোন দেশ তটরেখা হতে সমুদ্র বক্ষে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ২৫০০ মিটার গভীর সমুদ্র তলদেশ হতে ১০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত তার মহীসোপান কি বিস্তৃত করতে পারবে।

উৎস: UNCLOS ওয়েবসাইট।
৮৫.
'লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা' কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন?
  1. ইসরায়েল
  2. সিরিয়া
  3. লিবিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের একটি জঙ্গি সংগঠন।

লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:

- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা পাকিস্তান ও ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: Britannica.
৮৬.
কোন সাল থেকে 'অস্কার পুরস্কার' প্রদান করা হয়?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯২৯ সাল থেকে 'অস্কার পুরস্কার' প্রদান করা হয়।

অস্কার পুরস্কার
:
- বর্তমান বিশ্বে চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্মানজনক পুরস্কার হচ্ছে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার।
- ১৯২৯ সালের ১৬ মে যাত্রা শুরু হয় অস্কার পুরস্কারের।
- বর্তমানে মোট ২৪টি ক্যাটাগরিতে বর্তমানে অস্কার পুরস্কার দেওয়া হয়।
- ২০১৩ সাল থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের নকিয়া থিয়েটারে অস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
২০২৪ সালে ৯৬তম অস্কার পুরস্কারে -
- সেরা চলচ্চিত্র: ওপেনহাইমার।
- পারমাণবিক বোমার জনক জে. রবার্ট ওপেনহাইমারের জীবনীভিত্তিক এই সিনেমার নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান।

উৎস: Oscar ওয়েবসাইট।
৮৭.
কোন শতাব্দীতে মধ্য এশিয়ায় মঙ্গোল সাম্রাজ্যের উত্থান ঘটে?
  1. একাদশ শতাব্দী
  2. দ্বাদশ শতাব্দী
  3. ত্রয়োদশ শতাব্দী
  4. চতুর্দশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মধ্য এশিয়ায় দুর্ধর্ষ মঙ্গোল জাতির উত্থান ঘটে।

মঙ্গোল সাম্রাজ্য
:
- মঙ্গোল সাম্রাজ্য ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মধ্য এশিয়ায় দুর্ধর্ষ মঙ্গল মঙ্গোল জাতির উত্থান ঘটে।
- চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে মঙ্গোলদের এই বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয়।
- মঙ্গোলরা চীন থেকে শুরু করে মধ্য এশিয়া, পারস্য ও রাশিয়াতে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে এবং মিশর, ভারত, জাপান, কোরিয়া, বার্মা ও ইন্দোনেশিয়াতেও তাদের অভিযানের তরঙ্গ প্রবলভাবে আঘাত হানে।
- মঙ্গোলদের অভিযানগুলো নিষ্ঠুরতা লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ডের কাহিনীতে ভরপুর।
- এ কারণে অনেক ঐতিহাসিক মঙ্গলদিগকে "বিধাতার অভিশাপ" ও "বিশ্বের ত্রাস" বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য,
- চেঙ্গিস খান ছিলেন বিশাল এ সাম্রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা।
- ধারণা করা হয়, ১১৬২ সালে বা ১১৫৫ সালে মঙ্গোলিয়ার খেনতি পর্বতমালায় চেঙ্গিস খানের জন্ম।
- মঙ্গোল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর চেঙ্গিস খান ইউরেশিয়া দখলে পা বাড়ান।
- চেঙ্গিস খান ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- মূলত এ সময় থেকেই মঙ্গোল সাম্রাজ্য দুর্বল হতে শুরু করে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
QUAD-এর পূর্ণরূপ -
  1. Quadrilateral Security Dialogue
  2. Quadrilateral Secured Dialogue
  3. Quadrilateral Solidarity Dialogue
  4. Quadrilateral Subsciber Dialogue
ব্যাখ্যা
কোয়াড:
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- এর অর্থ হলো ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ’।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- কোয়াডের সদস্য দেশ মোট চারটি।
- যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।
- ২০০৭ সালে এ চারটি দেশ নিয়ে QUAD গঠিত হয়।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।
- কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অগ্ৰযাত্রা প্রতিহত করা।

উৎস: The Guardian।
৮৯.
প্যারাডাইস পেপারস কেলেংকারী কী নিয়ে তথ্য ফাঁস করেছে?
  1. মানব পাচার
  2. কর
  3. রাজনীতি
  4. জনসেবা
ব্যাখ্যা
প্যারাডাইস পেপারস কেলেংকারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিত্তশালীদের কর নিয়ে তথ্য ফাঁস করেছে।

প্যারাডাইস পেপারস:

- প্যারাডাইস পেপারস বিশ্বের ২৫ হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক লেনদেন ও মালিকানা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের এক বিশাল ডাটাবেজ।
- এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক পৃথিবীর ১২০টি দেশের ধনী, সুপরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি।
- মূলত একটি ফার্মের এই নথিগুলো একসঙ্গে ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যারাডাইস পেপারস’।
- নথিগুলো ওই ফার্মের ক্লায়েন্টদের গোপন বিনিয়োগ, অর্থ পাচারসহ কর ফাঁকির বিষয় প্রমাণ করে।
- এসব নথি প্রথমে জার্মান দৈনিক সুইডয়চে সাইটংয়ের হাতে আসে।
- পরে সেসব নথি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) হাতে তুলে দেয় তারা।
- বারমুডায় অবস্থিত অ্যাপলবাই নামের এক আইনি সহযোগী সংঘটনের গোপন নথি এসব।
- ডাটাবেসের ১৩.৪ মিলিয়ন গোপন নথির প্রায় ৬.৮ মিলিয়ন এসেছে অফশোর আইনি সেবা সংস্থা অ্যাপলবাই এবং কর্পোরেট সেবা সংস্থা এস্টেরা থেকে।
- এসব নথি পেয়েছে বিবিসি, গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন দেশের ১০০টি সংবাদমাধ্যম।

উল্লেখ্য,
- প্যারাডাইস পেপারস কেলেংকারী কর নিয়ে তথ্য ফাঁস করেছে।
- প্যারাডাইস পেপারসে বলা হয়, করের হাত থেকে বাঁচতে দেশের বাইরের বিভিন্ন স্থানে অর্থ খাটিয়েছেন বিশ্বের ১৮০টি দেশের বিত্তশালীরা।

উৎস: i) The Guardian.
         ii) Investopedia.
৯০.
কোনটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা নয়?
  1. G-7
  2. African Union
  3. OIC
  4. Amnesty International
ব্যাখ্যা
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা নয়, এটি একটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।

Amnesty International:

- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬১ সালে।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান মহাসচিব: অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- G-7 বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা আফ্রিকান দেশ সমূহ নিয়ে গঠিত।
- OIC মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।

উৎস: Amnesty International ওয়েবসাইট।
৯১.
‘মেরিডা কনভেনশন’ কী সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ দূষণ হ্রাস
  2. দুর্নীতি হ্রাস
  3. বাণিজ্য সংক্রান্ত
  4. জৈবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
মেরিডা কনভেনশন একটি দুর্নীতি হ্রাস সম্পর্কিত কনভেনশন।

মেরিডা কনভেনশন:

- ২০০৩ সালে মেক্সিকোর মেরিডা শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন।
- এটি মেরিডা কনভেনশন নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর 'দুর্নীতি বিরোধী সনদ' United Nations Convention Against Corruption (UNCAC) গৃহীত হয়।
- সেই বছর ৯ ডিসেম্বর মেক্সিকোর মেরিডাতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী ১২৯টি দেশের মধ্যে ৮৭টি দেশ উক্ত সনদটিতে স্বাক্ষর প্রদান করে।
- স্বাক্ষরের দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে ও বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের পক্ষে জনসচেতনতা তৈরিতে জাতিসংঘ ৯ ডিসেম্বর কে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৯২.
নর্ডস্ট্রিম-২ গ্যাস পাইপলাইন কোন সাগরের তলদেশে অবস্থিত?
  1. ভূমধ্যসাগর
  2. কৃষ্ণসাগর
  3. আর্কটিক সাগর
  4. বাল্টিক সাগর
ব্যাখ্যা
নর্ডস্ট্রিম-২ হলো বাল্টিক সাগরের তলদেশে অবস্থিত।

নর্ডস্ট্রিম-২:

- নর্ডস্ট্রিম-২ হলো বাল্টিক সাগরের মধ্য দিয়ে রাশিয়া থেকে জার্মানি পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন।
- এটি প্রায় ১২৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- 'নর্ডস্ট্রিম-১' এর অনুরূপ রুট অনুসরণ করে এই পাইপলাইন নির্মিত।
- ২০১১ সালে এই পাইপলাইনের নির্মাণ শুরু হয়েছিল।
- ২০১৫ সালে এই পাইপলাইন চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- পাইপলাইনের মালিক গাজপ্রম।
- এটি একটি রাশিয়ান রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত কোম্পানি।
- গ্যাস আমদানির জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এটি প্রয়োজন।

উৎস: European Parliament ওয়েবসাইট।
৯৩.
জাতিসংঘের কোন সংস্থার উদ্যোগে CIRDAP প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. UNESCO
  2. UNDP
  3. UNEP
  4. FAO
ব্যাখ্যা
CIRDAP:
- CIRDAP এর পূর্ণরূপ The Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific.
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক, আন্তঃসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত একটি সংস্থা।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) উদ্যোগে CIRDAP প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৬ জুলাই, ১৯৭৯ সালে CIRDAP গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর ঢাকার অবস্থিত।
- CIRDAP এর সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ফিজি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম।

⇒ FAO:
- FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (Qu Dongyu)।

উৎস: i) FAO ওয়েবসাইট।
         ii) CIRDAP ওয়েবসাইট।
৯৪.
Federal Investigation Agency: পাকিস্তান; Defense Intelligence Agency:______________?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. রাশিয়া
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
Federal Investigation Agency (FIA) পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা, Defense Intelligence Agency (DIA) যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা:

• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Fairfax,
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
• বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
• ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
• পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
• রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
• শ্রীলংকা: National Intelligence Bureau (NIB).
• যুক্তরাজ্য: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
• ইসরায়েল: MOSSAD.

উৎস: i) Britannica.
        ii) WorldAtlas.
৯৫.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের প্রভাবে পরিবর্তন হয় না?
  1. নদীর গতিপথ পরিবর্তন
  2. সমুদ্রতলের পরিবর্তন
  3. তাপমাত্রা পরিবর্তন
  4. ভূমির উত্থান ও অবনমন
ব্যাখ্যা
⇒ তাপমাত্রার পরিবর্তন ভূমিকম্পের প্রভাবের  সাথে সম্পর্কিত নয়।

ভূমিকম্পের ফলাফল ও প্রভাব (Results and Effects of Earthquake):

ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের দরুন ভূ-ত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়। ভূ-ত্বকে চ্যুতি সৃষ্টির ফলে চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ নিচের দিকে নেমে যায়, যাকে Rift Valley বলে এবং যখন উপরের দিকে ওঠে যায় তখন তাকে হর্স্ট (Horst) বা স্তূপ পর্বত বলে।
সমুদ্রতলের পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলের অনেক স্থান ওপরে উত্থিত হয় এবং স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়।
নদীর গতিপথ পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়, নদী শুঁকিয়ে যায় কখনও জলাভূমির সৃষ্টি হয়। 
ভূমির উত্থান ও অবনমন:
- ভূমিকম্পের ফলে উচ্চভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হয় অথবা সমভূমি অঞ্চল অবনমিত হয় এবং পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি করে। সমুদ্রের তলদেশের কোনো স্থান উঁচু হয়ে সমুদ্রের মধ্যে দ্বীপের সৃষ্টি করে।
ভাঁজের সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের ফলে ভূ-পৃষ্ঠে ভাঁজের সৃষ্টি হয়।
হিমানী সম্প্রপাত:
- ভূ-কম্পনের ফলে পর্বতগাত্র থেকে বৃহৎ বরফ খন্ডগুলো নিচে পতিত হয়।
ভূ-পাত:
- ভূমিকম্পের ফলে পার্বত্য অঞ্চলের বিশাল শিলাখন্ড নিচে পতিত হয় এবং পর্বতের পাদদেশে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বন্যার সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যায় অথবা সাথে সাথেই পানির উচ্চতা বেড়ে ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে ঢেউয়ের আকারে সমুদ্র উপকূলে বন্যার সৃষ্টি করে।
মানবীয় ক্ষয়ক্ষতি:
- সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস ও সুনামির জন্য প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধ্বসের দরুণ পাহাড়ের পাদদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং অনেক সময় ভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হলে রাস্তাঘাট অকেজো হয়ে পড়ে। নগর এবং গ্রামীন জনপদে বহু ঘরবাড়ি ধবংস হয়ে যায়। ধ্বংসস্তুপের তলায় চাপা পড়ে মারা যায় গৃহপালিত পশু ও মানুষ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল কোন দেশে?
  1. কানাডা
  2. মেক্সিকো
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
মিসিসিপি নদী:
- মিসিসিপি নদী হল উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য ৬২৭০ কি.মি.
- নদীটির উৎস ইটাস্কা হ্রদ। যা আমেরিকার মিনোসোটার রাজ্যে অবস্থিত।
অর্থাৎ মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- মিসিসিপি নদীর প্রশস্ত অংশ বেনা।


তথ্যসূত্র: i) ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
 ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৯৭.
ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে কোন স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি। ঢাকার দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা হলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা কত?
  1. ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  2. ৪৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  3. ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  4. ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।

প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি দেখে আমরা বুঝতে পারি, ঐ স্থানের অবস্থান ঢাকার পূর্বে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° দ্রাঘিমা যোগ দিলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে। 
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
উত্তর: ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)

প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি, অর্থাৎ ঐ স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৯ ঘণ্টা বেশি। (GMT+9)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°  বেশি আবার গ্রীনিচের থেকেও ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° বেশি। (ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে অতিরিক্ত ৪৫° যোগ করে)

এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা সাথে ৪৫° যোগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ১৩৫° যোগ করে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাব।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ১৩৫°)=১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। ( ঢাকার ও রিয়াদের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
বাংলাদেশ কপ-২৮ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের সমন্বিতভাবে কাজ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে -
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও কপ-২৮ সম্মেলন:
-বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অত্যন্ত বিপন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পক্ষে কার্যকর ভূমিকা পালনে এবারের কপ-২৮ সম্মেলনে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিষ্পত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ।

সেগুলো হলো:-
১. প্রথম গ্লোবাল স্টকটেক অবশ্যই ১.৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কার্যক্রমের অগ্রগতি মূল্যায়ন, ভবিষ্যৎ উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও কংক্রিট মাইলফলকসহ সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।
২. অধিক বিপদাপন্ন উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ অ্যাড্রেস করার লক্ষ্যে কপ-২৮ সম্মেলনে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড অপারেশনালাইজ’ করা এবং এর ‘ডিটেইল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ ঠিক করা।
৩. অভিযোজনসংক্রান্ত বৈশ্বিক লক্ষ্য ‘গ্লোবাল গোল অন অ্যাডাপ্টেশন’-এর কাঠামো তৈরি বা প্রণয়ন; সদস্য দেশগুলোকে অবশ্যই ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য তাদের এনডিসিতে বর্ণিত ২০৩০ প্রশমন লক্ষ্যমাত্রাকে শক্তিশালীকরণ এবং এনডিসি বাস্তবায়নের জন্য এলডিসি দেশগুলোর অর্থায়ন বাড়ানো।
৪. উন্নত দেশগুলোকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেয়া নিশ্চিত করা; জলবায়ু অর্থায়নের সংজ্ঞা চূড়ান্ত করা।
৫. অভিযোজন অর্থায়ন দ্বিগুণ করা; জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং ২০২৫ পরবর্তী সময়ে জলবায়ু অর্থায়নের জন্য ‘নিউ কালেক্টিভ কোয়ান্টিফাইড গোল অন ক্লাইমেট ফাইন্যান্স’ আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং প্রথম আলো, বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৯.
গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে অস্ত যায়?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. পশ্চিম
  4. উত্তর- পূর্ব
ব্যাখ্যা
২১শে জুন উত্তর গোলার্ধে ও দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যের অবস্থান:
- সূর্যের চর্তুদিকে পৃথিবীর পরিভ্রমণের সময় পৃথিবী ২১ শে জুন তারিখে পৃথিবীর কক্ষপথের এমন এক স্থানে এসে পৌঁছে, যখন উত্তর মেরু সূর্যের দিকে সর্বাপেক্ষা বেশি (২৩.৫০) ঝুঁকে থাকে।
- অর্থাৎ কর্কটক্রান্তি রেখায় সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ২১ শে জুন উত্তর গোলার্ধ সূর্যের নিকটতম স্থানে অবস্থান করে।
- তখন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- যার ফলে গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে দেশগুলোতে সূর্য উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে উদিত হয় এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে দিয়ে অস্ত যায়।
- অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিকে অস্ত যায়।

- যার ফলে দেখা যায়, ২১ শে জুন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত্রি সবচেয়ে ছোট হয়।

অপরদিকে,
- বিপরীতক্রমে এই সময়ে দক্ষিণ মেরু বা মকর ক্রান্তিতে পৃথিবী সূর্য হতে সবচেয়ে বেশি দূরত্বে থাকে।
- দক্ষিণ গোলার্ধে, এই দিনটি সবচেয়ে ছোট এবং রাত্রি সবচেয়ে বড় হয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হওয়ার কারণ এই দিনে সূর্য ও দক্ষিণ গোলার্ধের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১০০.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর?
  1. হিলি স্থলবন্দর
  2. বিবির বাজার স্থলবন্দর
  3. বেনাপোল স্থলবন্দর
  4. সোনামসজিদ স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- হিলি স্থলবন্দর বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- সোনামসজিদ স্থল বন্দর হলো বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য একটি স্থল বন্দর, যা রাজশাহী বিভাগের শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ১৯ কিমি উত্তরে শাহাবাজপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- কুমিল্লার বিবির বাজার(গোমতী নদী সংলগ্ন) দেশের ১৩তম স্থলবন্দর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১০১.
কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সুনামির সৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সমুদ্রের উপকূলে জোয়ার
  2. সমুদ্রে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত
  3. সমুদ্রে প্রবল ঘূর্ণিঝড়
  4. সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
সুনামি:
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো "হারবার ওয়েভ" বা পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিরূপের আকস্মিক পরিবর্তনকারী শক্তি আগ্নেয়গিরি এবং ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠে বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। এরূপ বিশাল ঢেউকে সুনামি বলে।
- সুনামি সৃষ্টির কারণ ও সুনামির গতিবিধি সমুদ্রতলে জিও টেকটোনিক (Geo-techtonic) প্রক্রিয়ার দরুণ ভূ-আন্দোলনের ফলে যে কম্পন হয় তা প্রধানত দু'ভাবে হয়ে থাকে।
- যথা সমান্তরালভাবে ও উলম্বভাবে।
- সুনামির সময় সমুদ্রতলে উলম্ব আলোড়ন হয়।
- এর ফলে সমুদ্রতলের ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থান বিশাল অঞ্চলজুড়ে বসে যায় বা কোনো স্থান খাড়াভাবে ওপরে উঠে আসে ও সমুদ্রতলে ফাটলের সৃষ্টি করে যার ফলে তলদেশের সমতা নষ্ট হয়।
- দ্রুত সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির সমতা রক্ষার জন্য পানিরাশির প্রচন্ড উলম্বচাপের সৃষ্টি হয়।
- ফলশ্রুতিতে উপরিভাগের পানির সমতা রক্ষার জন্য সুনামি সৃষ্টি হয়।
- সুনামির সৃষ্টির প্রধান কারণ সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্প।
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেও সুনামি সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- সুনামির ফলে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
"আদিম মানুষের জীবন ছিল শান্তি, সদিচ্ছা আর সুখে পরিপূর্ণ"- উক্তিটি করেছেন-
  1. রাসেল
  2. ভল্টেয়ার
  3. হবস
  4. রুশো
ব্যাখ্যা
প্রবৃত্তি বা প্রবণতার স্তর:
 - প্রবণতা বেঁচে থাকার ব্যাপারে বেশ সহায়তা করে। আদিম মানুষেরও মূল সমস্যা ছিল বেঁচে থাকা।
- নৈতিকতার বিকাশের প্রবৃত্তির স্তরটিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দার্শনিক রুশো মনে করতেন যে, "আদিম মানুষের জীবন ছিল শান্তি, সদিচ্ছা আর সুখে পরিপূর্ণ।"
- কিন্তু জীবনের জন্য এসব গুণ উত্তম বলে বিবেচিত হলেও জীবন রক্ষার জন্য আক্রমণাত্মক মনোভাবও অপরিহার্য।
- এ কারণে তাদের মাঝে স্বাভাবিকভাবেই পশু-প্রবণতাগুলোর প্রাধান্য কল্পনা করা যায়।
-অর্থাৎ জ্যঁ জাক রুশো (Jean-Jacques Rousseau) এই মতবাদ প্রচার করেছিলেন যে আদিম মানুষের জীবন ছিল শান্তি, সদিচ্ছা এবং সুখে পরিপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
১০৩.
'আত্মসুখবাদ' এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন-
  1. প্লেটো
  2. সক্রেটিস
  3. এরিস্টটল
  4. এরিস্টিপাস
ব্যাখ্যা
আত্ম-সুখবাদ:
- সুখবাদ একটি প্রাচীন মতবাদ; প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস, প্লেটো ও অ্যারিস্টটল সবাইকে এক অর্থে সুখবাদী বলা যায়।
- কিন্তু প্রকৃত অর্থে গ্রিকদের মধ্যে সুখবাদী বলতে যাদেরকে আমরা বুঝি তাঁরা হলেন সাইরেনিক সম্প্রদায়ের লোক; আর তাঁরা ছিলেন আত্ম-সুখবাদী।
- এ মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সাইরিনের অধিবাসী এরিস্টিপাস, যিনি ছিলেন সক্রেটিসের শিষ্য।
- বলা হয়ে থাকে যে, সক্রেটিসের নৈতিক ভাবনার একটি দিককে নিজের মত বিকশিত করে তিনি তার সুখবাদ প্রবর্তন করেছিলেন।
- অপর আরেকদিক বিকশিত করে দুঃখবাদের প্রবর্তন করেছিলেন সিনিক এন্টিসথেনিস।

তথ্যসূত্র: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
১০৪.
সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করে-
  1. জাতিসংঘ
  2. আইএমএফ
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. বারট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
- এ চারটি স্তম্ভ হল- (i) দায়িত্বশীলতা (ii) স্বচ্ছতা (iii) আইনী কাঠামো ও (iv) অংশগ্রহণ।

উল্লেখ্য,
- ম্যাক করণী (Mac Corney) এ প্রসঙ্গে বলেন, "সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে জনগণের এবং শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়"।
- মারটিন মিনোগ (Martin Minogue) সুশাসন সম্পর্কে বলেন, "ব্যাপক অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতগুলো উদ্যোগের সমষ্টি এবং একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে অধিকতর গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করে তোলে।"

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, HSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
সুশাসন বাস্তবায়নের অন্যতম হাতিয়ার-
  1. জনগণ
  2. ই-সার্ভিস
  3. ই-গভর্নেন্স
  4. ই-প্রশাসন
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স:
- ই-গভর্নেন্স এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স।
- সুশাসন বাস্তবায়নের অন্যতম একটি হাতিয়ার হলো ই-গভর্নেন্স।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌঁছানোকেই ই-গভর্নেন্স বলে।
- বর্তমানে সুশাসন বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে ই-গভর্নেন্সকে।
- ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একটি অন্যতম পদক্ষেপ হতে পারে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ।
- সুশাসনের উপাদানসমূহ সমাজে প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব সরকারের।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হচ্ছে গণতন্ত্র।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।