পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ রিভিশন [পরীক্ষা ১ ও ২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ন্যান্ড গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বিত রূপ?
  1. ক) অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
  2. খ) অর গেইট ও নট গেইট
  3. গ) অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
ব্যাখ্যা
ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. ক) Tally
  2. খ) Binary
  3. গ) Mayan
  4. ঘ) Hieroglyphics
সঠিক উত্তর:
খ) Binary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Binary
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System) ও
২. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System)। 

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 

নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non- positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
৫টি ইনপুটবিশিষ্ট ডিকোডারের আউটপুট লাইন কতটি?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৩২টি
  4. ঘ) ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২টি
ব্যাখ্যা
ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।

কাজ:
- n টি বিট দিয়ে 2n টি বাইনারি সংখ্যা লেখা যায়। যেমন, 3টি বিট দিয়ে 000(0) থেকে 111(7) পর্যন্ত 23 = 8 টি বাইনারি সংখ্যা লেখা সম্ভব।
- সুতরাং আউটপুট লাইনগুলোকে 0,1,2 .... ইত্যাদি নম্বর দিলে ডিকোডারের সাহায্যে বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা যায়।
- ৫টি ইনপুটবিশিষ্ট ডিকোডারের আউটপুট লাইন হবে ৩২টি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানুষ কম্পিউটারে কোন সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারে ইনপুট প্রদান করে?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- কারণ এই পদ্ধতিতে মোট 10 টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যথা: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 এবং 9.
- (101)10, (123)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ।
- সাধারণ হিসাব নিকাশের জন্য দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন থাকলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যায় না।
- মানুষ কম্পিউটারে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারে ইনপুট প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
01101+10111 এর বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 110100
  2. খ) 101100
  3. গ) 100101
  4. ঘ) 100100
সঠিক উত্তর:
ঘ) 100100
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 100100
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ:
- দুটি বাইনারি অংক যোগের জন্য চারটি নিম্নরূপ অবস্থা পাওয়া যায়:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং এর সাথে হাতে 1 থাকবে (হাতে থাকাকে ক্যারি (Carry) বলে)। 



সুতরাং, 01101+10111 = 100100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যদি n টি চলক হয়, তবে সত্যক সারণিতে এদের দ্বারা ইনপুটের সর্বোচ্চ কয়টি কম্বিনেশন তৈরি করা সম্ভব?
  1. ক) n টি
  2. খ) 2টি 
  3. গ) nটি 
  4. ঘ) 22 টি 
সঠিক উত্তর:
খ) 2টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 2টি 
ব্যাখ্যা
সত্যক সারণি:
- বুলিয়ান চলকের মানের সম্ভাব্য সব বিন্যাসের জন্য বুলিয়ান ফাংশনের যে মান হয় তা প্রকাশ করার টেবিলকে Truth Table বা সত্যক সারণি বলে।
- অর্থাৎ যে সারণিতে বুলিয়ান বীজগণিতের সূত্রে ব্যবহৃত চলকের সম্ভাব্য মান, মানের জন্য সূত্রের বামদিক এবং ডানদিকের অংশ সমান প্রমাণ করা যায়, সে সারণিকে সত্যক সারণি বলা হয়।
- যদি সত্যক সারণিতে n সংখ্যক চলক থাকে তবে ইনপুট এর অবস্থা হবে 2n সংখ্যক।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেসিমেল সংখ্যা 12 এর মান হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে কত?
  1. ক) B
  2. খ) C
  3. গ) D
  4. ঘ) E
সঠিক উত্তর:
খ) C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) C
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- হেক্সাডেসিমেল একটি ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অংক বা ডিজিট ব্যবহার করা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় ১৬টি প্রতীকের মধ্যে দশমিক পদ্ধতির দশটি প্রতীক এবং বাকী ৬টি বর্ণ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক প্রতীক এবং ৯ এর পরেরগুলো হচ্ছে A, B, C, D, E ও F.
- এখানে A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক মান হচ্ছে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫।
- (851)16, (21B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ। 



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।