পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় রচিত ‘নবান্ন’ নাটকের রচয়িতা কে?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. বিষ্ণু দে
  3. মামুনুর রশিদ
  4. বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
'নবান্ন' নাটক: 
- এটি বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক।
- ‘নবান্ন' (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তাই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্য আন্দোলনের ইতিহাসে যুগান্তকারী বলা চলে।
- অনেকে দীনবন্ধুর 'নীল-দর্পণে'র সঙ্গে এর তুলনা করেছেন।
- এ নাটকটি ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ ১৯৪৪ সালে প্রথম অভিনয় করেন।
 
বিজন ভট্টাচার্য:
-তিনি ছিলেন নাট্যকার, অভিনেতা।  
- ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ক্ষীরোদবিহারী ভট্টাচার্য ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক। 
- বিজন ভট্টাচার্য অসহযোগ আন্দোলনে (১৯২০-২২) যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন।
 
তাঁর রচিত নাটক: 
- নবান্ন, 
- জনপদ, 
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।
 
উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'শিয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা' শিশু সাহিত্যের রচয়িতা -
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. সুকুমার রায়
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. হেলাল হাফিজ
ব্যাখ্যা
• 'শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালা' শিশু সাহিত্যের রচয়িতা - বন্দে আলী মিয়া।

বন্দে আলী মিয়া:
- সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর বন্দে আলী মিয়া ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাবনা জেলার রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।
- বন্দে আলী মিয়া কবিতা,  উপন্যাস, নাটক, জীবনী,  শিশুসাহিত্য প্রভৃতি মাধ্যমে গ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর রচনায় বাংলার মানুষ, সমাজ ও প্রকৃতির প্রতিফলন ঘটেছে।
 
তাঁর অন্যান্য শিশুসাহিত্য:
- চোর জামাই,
- মেঘকুমারী,
- বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা,
- সোনার হরিণ,
- শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালা,
- কুঁচবরণ কন্যা,
- সাত রাজ্যের গল্প।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'এখানে নোঙর' নাটকের রচয়িতা -
  1. বিজন ভট্টাচার্য
  2. মামুনুর রশীদ
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'এখানে নোঙর' নাটকের রচয়িতা - মামুনুর রশীদ।

মামুনুর রশীদ:
- তিনি মূলত নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ১৯৪৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারিতে মামুনুর রশীদ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার পান৷
 
তাঁর রচিত নাটক:
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস,
- ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগ,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।
 
উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘রাজাবলী’ - গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. বিষ্ণু দে
  3. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা
• ‘রাজাবলী’ গ্রন্থের রচয়িতা - মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
 
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এর বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন।
- তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- এছাড়াও তিনি কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পন্ডিত হিসেবে।
 
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- বত্রিশ সিংহাসন,
- হিতোপদেশ,
- রাজাবলি,
- প্রবোধচন্দ্রিকা,
- বেদান্তচন্দ্রিকা ইত্যাদি।
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা' প্রবন্ধের লেখক কে?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. মুহম্মদ আবদুল হাই
ব্যাখ্যা
• 'মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা' প্রবন্ধের লেখক - মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
 
মোতাহের হোসেন চৌধুরী:
- শিক্ষাবিদ, লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে। 
- মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরীর এবং মননে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ‘সংস্কৃতি কথা’ তাঁর রচিত প্রধান প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- 'সুখ' বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের এবং 'সভ্যতা' ক্লাইভ বেল-এর Civiliszation গ্রন্থের ভাবানুবাদ গ্রন্থ।
- মুক্তবুদ্ধিচর্চার প্রবক্তা, উদার মানবতাবাদী ও মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিশেষ খ্যাতি আছে।
 
তাঁর রচিত প্রবন্ধ: 
- আমাদের দৈন্য,
- আদেশপন্থী ও অনুপ্রেরণাপন্থী,
- মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের উপন্যাস?
  1. জোহরা
  2. কুসুমাঞ্জলী
  3. বঙ্গসুন্দরী
  4. আনোয়ারা
ব্যাখ্যা
'জোহরা' উপন্যাস: 
- জোহরা উপন্যাসের রচয়িতা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
- তিনি তাঁর জোহরা উপন্যাসের মধ্য দিয়ে মুসলমান সমাজের বেদনাঘন চিত্র অঙ্কন করেছেন। 
- জোহরা উপন্যাসে সে আমলের মুসলমান সমাজের অন্যায় অনাচার রূপ দিয়েছেন।
- কন্যার মতামত অগ্রাহ্য করে আত্মীয় স্বজনেরা বিয়ে দিতে গিয়ে মেয়েদের জীবনে যে দুর্ভোগের সৃষ্টি করে তা-ই এ উপন্যাসের উপজীব্য।

অন্যদিকে,
- মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক রচিত কাব্যগ্রন্থ - কুসুমাঞ্জলি।
- 'বঙ্গসুন্দরী' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- মোহাম্মদ নজিবর রহমানের জনপ্রিয় উপন্যাসের নাম ‘আনোয়ারা’।

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক:
- তিনি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, গোঁড়ামি, পশ্চাৎপদতা ও আত্মবিস্মৃতির বিরুদ্ধে তিনি লেখনী ধারণ ও সংগঠনের মাধ্যমে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন।
 
তাঁর সাহিত্যকর্ম:
উপন্যাস:
- জোহরা,
- দরাফ খান গাজী।
 
কাব্যগ্রন্থ:
- কুসুমাঞ্জলি,
- অপূর্ব দর্শন,
- প্রেমহার,
- জাতীয় ফোয়ারা,
- ইসলাম সংগীত,
- হযরত মুহম্মদ ইত্যাদি।
 
গদ্যগ্রন্থ:
- মহর্ষি মনসুর,
- ফেরদৌসি চরিত ইত্যাদি।
 
উৎস:
১) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক। 
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'আরণ্যক' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. বিষ্ণু দে
  4. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
‘আরণ্যক’ উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘আরণ্যক’। 
- ভাগলপুরের নিকটবর্তী বনঞ্চলের নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন নিয়ে রচিত হয়েছে আরণ্যক উপন্যাস।
- প্রধান চরিত্র: ভানুমতী, বনোয়ারী, দোবরু, বুদ্ধু সিংহ।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়: 
- তিনি ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত ঔপন্যাসিক।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। 
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি 'দীপক' (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা 'পথের পাঁচালী'। প্রথম রচিত এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। 'অপরাজিত', পথের পাঁচালীরই পরবর্তী অংশ।
- 'ইছামতী' উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র-পুরস্কার’ (১৯৫১) লাভ করেন। 
- ১৯৫০ সালে ব্যারাকপুরের ঘাটশিলায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান, 
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ, 
- অনুবর্তন ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'এক পথ দুই বাঁক' নীলিমা ইব্রাহিমের একটি -
  1. ছোটগল্প
  2. ভ্রমণকাহিনি
  3. নাটক
  4. উপন্যাস
ব্যাখ্যা
• 'এক পথ দুই বাঁক' নীলিমা ইব্রাহিমের একটি - উপন্যাস।
 
নীলিমা ইব্রাহিম:
- নীলিমা ইব্রাহিমের ১৯২১ সালে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।  
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত। 
- তিনি বেশকিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
-  বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন 
 
তার সাহিত্যকর্ম:
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: 
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়। 
 
তাঁর রচিত নাটক: 
- দুয়ে দুয়ে চার,
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর ।
 
ছোটগল্প:
- রমনা পার্কে।
 
আত্মজীবনী:
- বিন্দু-বিসর্গ।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি ‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসের চরিত্র?
  1. ইন্দির ঠাকরুন
  2. সর্বজয়া
  3. দুর্গা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
'পথের পাঁচালী' উপন্যাস:
- ‘পথের পাঁচালী‘ উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- লেখকের বর্ণনাগুণে উপন্যাসটিতে পল্লীবাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
- অপরাজিত (১৯৩১) হলো পথের পাঁচালীর দ্বিতীয় খণ্ড।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গুলো হলো: অপু, দুর্গা, ইন্দির ঠাকরুন, হরিহর, সর্বজয়া প্রমুখ
 
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। 
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি দীপক (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
 
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ হলো:
উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ, 
- বিপিনের সংসার, 
- চাঁদের পাহাড়, 
- দম্পতি ইত্যাদি।
 
ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার, 
- মৌরীফুল, 
- যাত্রাবদল, 
- কিন্নরদল ইত্যাদি। 
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়িা।
১০.
'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের কাহিনি কোন গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে?
  1. মেঘনাধবধ
  2. বিষাদ সিন্ধু
  3. মহাশ্মশান
  4. রামায়ণ
ব্যাখ্যা
রক্তাক্ত প্রান্তর:
- মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' রচিত হয়েছে মহাকবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থের কাহিনি থেকে।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক। 
- নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা, আহমদ শাহ আবদালি, নজীবউদ্দৌলা ইত্যাদি।

মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
 
মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক: 
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।
 
অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
১১.
বদরুদ্দীন উমর কোন সাময়িকী সম্পাদন করেন?
  1. সংস্কৃতি
  2. সবুজপত্র
  3. সভ্যতা
  4. স্বদেশ
ব্যাখ্যা
বদরুদ্দীন উমর:
- ২০শে ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে তিনি জন্মগ্রহন করেন। 
- অধ্যাপক এবং রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত পান। 
- তিনি ‘সংস্কৃতি’ সাময়িকী সম্পাদনা করেন। 
 
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ:
- সাম্প্রদায়িকতা,
- সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা,
- পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি,
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ,
- যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ,
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ,
- ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ,
- বঙ্গভঙ্গ ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি,
- সংস্কৃতির সংকট ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।