পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
Exam - 13 The Constitutional Law - 1 topic: Article 1 - 64
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
The principles of nationalism, __________ together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
  1. socialism, secularism and democracy
  2. secularism, democracy and socialism
  3. socialism, democracy and secularism
  4. secularism, socialism and democracy
ব্যাখ্যা
• Article 8: Fundamental principles

(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism]
২. সমাজতন্ত্র [Socialism]
৩. গণতন্ত্র [Democracy]
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]
.
'This Constitution is the Supreme Law of the Republic'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭ক
  2. অনুচ্ছেদ ৭(১)
  3. অনুচ্ছেদ ৭খ
  4. অনুচ্ছেদ ৭(২)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the Supreme law of the Republic.

সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]
সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে। ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
এছাড়া কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই। যদি কোন আইন অসাংবিধানিক হয়, তাহলে অসামঞ্জস্যতা দূর করে তা পুনরায় প্রণয়ন করা যায়। 

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য

(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷ 

Article 7: Supremacy of the Constitution

(1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.
(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.

.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ 'সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার' নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪
  2. অনুচ্ছেদ ১৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৭
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদের (ঘ) দফায় সামাজিক নিরাপত্তার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এই দফায় সামাজিক নিরাপত্তা বলতে বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধতা, মাতা-পিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরুপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার বোঝানো হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা

রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার৷

Article 15: Provision of basic necessities
 
It shall be a fundamental responsibility of the State to attain, through planned economic growth, a constant increase of productive forces and a steady improvement in the material and cultural standard of living of the people, with a view to securing to its citizens – 
(a) the provision of the basic necessities of life, including food, clothing, shelter, education and medical care; 
(b) the right to work, that is the right to guaranteed employment at a reasonable wage having regard to the quantity and quality of work; 
(c) the right to reasonable rest, recreation and leisure; and 
(d) the right to social security, that is to say, to public assistance in cases of undeserved want arising from unemployment, illness or disablement, or suffered by widows or orphans or in old age, or in other such cases.
.
বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা _____ ।
  1. সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিত করেছে
  2. দেয় নাই
  3. কতিপয় বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে নিশ্চিত করেছে
  4. কোনো রকম শর্ত ছাড়া নিশ্চিত করেছে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কতিপয় বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হয়েছে-

⇒ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা;
⇒ বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক;
⇒ জনশৃঙ্খলা;
⇒ শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে;
⇒ আদালত অবমাননা;
⇒ মানহানি; বা
⇒ অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা।

অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা

(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech

(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, 
are guaranteed.
.
Which rights are guaranteed in Article 11 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh?
  1. Fundamental human rights
  2. Freedoms
  3. Respect for the dignity and worth of the human person
  4. All of above
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের শুরুতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র। ১১ অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র' বিধান করার মাধ্যমে গণতন্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সেটারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। সেই সাথে, ১১ অনুচ্ছেদে কতিপয় বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে-

⇒ মৌলিক মানবাধিকার;
⇒ স্বাধীনতা; এবং
⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

অন্যদিকে, ১১ অনুচ্ছেদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

• Article 11: Democracy and human rights
The Republic shall be a democracy in which fundamental human rights and freedoms and respect for the dignity and worth of the human person shall be guaranteed, and in which effective participation by the people through their elected representatives in administration at all levels shall be ensured.

অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মুল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে নিম্নলিখিত কার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পূর্বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকারের কার্যালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল। পরবর্তীতে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বাধ্যতামূলক প্রদর্শন বাতিল হয়।

অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি; রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।

Article 4A: Portrait of the Father of the Nation
The Portrait of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be preserved and displayed at the offices of the President, the Prime Minister, the Speaker and the Chief Justice and in head and branch offices of all government and semi-government offices, autonomous bodies, statutory public authorities, government and non-government educational institutions, embassies and missions of Bangladesh abroad.
.
The State shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of ______ life.
  1. social
  2. national
  3. public
  4. professional
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার (equality of opportunity) বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এই বিধান বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে এবং সকল নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে। ১৯ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিম্নলিখিত বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র সচেষ্ট থাকবে, যথাঃ-
⇒ সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করতে;
⇒ নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করতে; এবং
⇒ প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করতে।

অন্যদিকে, ১৯ (৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা [equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life] নিশ্চিতের বিধান করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা

(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে ধুলের সানী বেন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।

Article 19: Equality of opportunity

(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens. 
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic. 
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.
.
'Freedom of religion' is enshrined in the ________ of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh.
  1. Articles 12, 40
  2. Articles 13, 41
  3. Articles 12, 41
  4. Articles 11,40
ব্যাখ্যা
• Article 12: Secularism and freedom of religion

The principle of secularism shall be realised by the elimination of- 
(a) communalism in all its forms;
(b) the granting by the State of political status in favour of any religion; 
(c) the abuse of religion for political purposes; 
(d) any discrimination against, or persecution of, persons practicing a particular religion.

অনুচ্ছেদ ১২: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা

ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য-
  (ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
  (খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, 
  (গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, 
  (ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে।

Article 41: Freedom of religion

(1) Subject to law, public order and morality – 
(a) every citizen has the right to profess, practise or propagate any religion; 
(b) every religious community or denomination has the right to establish,maintain and manage its religious institutions. 

(2) No person attending any educational institution shall be required to receive religious instruction, or to take part in or to attend any religious ceremony or worship, if that instruction, ceremony or worship relates to a religion other than his own.

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে 
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
১০.
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা নামে পরিচিত-
  1. Kesavanda Bharati v/s State of Kerala
  2. Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
  3. Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh
  4. Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:

সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।

Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
এই মামলার আলোকে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সীমানা সংক্রান্ত চুক্তি বা দিল্লি চুক্তি বাস্তবায়ন করতে ১৯৭৪ সালের ২৮ শে নভেম্বর সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই মামলাটি বেরুবাড়ী কেস বা তৃতীয় সংশোধনী মামলা [Third Amendment Case] নামে পরিচিত।

Kesavanda Bharati v. State of Kerala
এই মামলায় বলা হয়েছে, আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার পৃথকীকরণ সংবিধানের একটি মৌল কাঠামো [Basic Features]।

• আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ
এটা ৮ম সংশোধনী মামলা বা মৌল কাঠামো মতবাদ সংক্রান্ত মামলা নামেও পরিচিত। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের বৈধতা Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh মামলায় চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধানের মৌল কাঠামো ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান বর্হিভূত বা ultra vires of the Constitution এবং বাতিল বলে ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপীল বিভাগ রায় ঘোষণা করে।
১১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করতে মামলা দায়েরের অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৪ (২)
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪ (১)
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে,

যখন কোন ব্যক্তির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, বা লঙ্ঘিত হওয়ার হুমকি থাকে, সে তার উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা দায়ের করতে পারে। অন্যদিকে, উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা, আদেশ বা রিট জারি করার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ-কে ১০২ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে। সুতরাং ৪৪ অনুচ্ছেদ মূলত একটি তত্ত্বগত বিধান যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের অধিকার দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১০২ অনুচ্ছেদ মূলত একটি পদ্ধতিগত বিষয়, যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণে হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন নির্দেশনা, রিট বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

Article 44: Enforcement of fundamental rights
(1) The right to move the High Court Division in accordance with clause (1) of article 102, for the enforcement of the rights conferred by this Part is guaranteed. 
(2) Without prejudice to the powers of the High Court Division under article 102, Parliament may by law empower any other court, within the local limits of its jurisdiction, to exercise all or any of those powers.
১২.
নিবর্তনমূলক আইনের অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
  4. উল্লিখিত সকল বিধান
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

Article 33: Safeguards as to arrest and detention

(1) No person who is arrested shall be detained in custody without being informed, as soon as may be, of the grounds for such arrest, nor shall he be denied the right to consult and be defended by a legal practitioner of his choice. 
 
(2) Every person who is arrested and detained in custody shall be produced before the nearest magistrate within a period of twenty four hours of such arrest, excluding the time necessary for the journey from the place of arrest to the Court of the magistrate, and no such person shall be detained in custody beyond the said period without the authority of a magistrate. 
 
(3) Nothing in clauses (1) and (2) shall apply to any person– 
(a) who for the time being is an enemy alien; or 
(b) who is arrested or detained under any law providing for preventive detention. 
 
(4) No law providing for preventive detention shall authorise the detention of a person for a period exceeding six months unless an Advisory Board consisting of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the Supreme Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, has, after affording him an opportunity of being heard in person, reported before the expiration of the said period of six months that there is, in its opinion, sufficient cause for such detention. 
 
(5) When any person is detained in pursuance of an order made under any law providing for preventive detention, the authority making the order shall, as soon as may be, communicate to such person the grounds on which the order has been made, and shall afford him the earliest opportunity of making a representation against the order: 
Provided that the authority making any such order may refuse to disclose facts which such authority considers to be against the public interest to disclose.  

(6) Parliament may by law prescribe the procedure to be followed by an Advisory Board in an inquiry under clause (4).
১৩.
All _______ are equal before law and are entitled to equal protection of law.
  1. persons
  2. citizens
  3. public
  4. people
ব্যাখ্যা
• Article 27: Equality before law-
All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা-
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

• ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ আইনের শাসন [Rule of Law] নীতি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
১৪.
'প্রত্যেকে যোগ্যতানুসারে ও কর্মানুযায়ী স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২০(২)
  2. অনুচ্ছেদ ১৯(১)
  3. অনুচ্ছেদ ২০(১)
  4. অনুচ্ছেদ ২১(২)
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২০ অনুচ্ছেদে কর্মের (work) সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং পারিশ্রমিক লাভের নীতি কি হবে বলা হয়েছে।
২০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, পারিশ্রমিক লাভের নীতি হলো 'প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী'-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।


অনুচ্ছেদ ২০: অধিকার এবং কর্তব্যরুপে কর্ম
(১) কর্ম হচ্ছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে এ প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।

(২) রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করতে সমর্থ হবে না এবং যেখানে ব্যক্তি বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হবে।

Article 20: Work as a right and duty
(1) Work is a right, a duty and a matter of honour for every citizen who is capable of working, and everyone shall be paid for his work on the basis of the principle “from each according to his abilities, to each according to his work. 
 
(2) The State shall endeavour to create conditions in which, as a general principle, persons shall not be able to enjoy unearned incomes, and in which human labour in every form, intellectual and physical, shall become a fuller expression of creative endeavour and of the human personality.
১৫.
The fundamental rights of the citizens as provided in the Bangladesh Constitution do not include:
  1. Rights to property
  2. Protection of home and correspondence
  3. Freedom of association
  4. Right to health
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার [Fundamental Rights]:

মৌলিক অধিকার হলো বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে স্বীকৃত এবং সুরক্ষিত অধিকারসমূহ এবং যে সকল অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে যেমন হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিকার পাওয়া যায়। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে। উল্লেখিত মৌলিক অধিকারসমূহ হলো-

সমতা সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ২৭- আইনের দৃষ্টিতে সমতা [Equality before law]
অনুচ্ছেদ ২৮- ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য [Discrimination on grounds of religion etc.]
অনুচ্ছেদ ২৯- সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা [Equality of opportunity in public employment]

আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার: 


অনুচ্ছেদ ৩১- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার [Right to protection of law]
অনুচ্ছেদ ৩২- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ [Protection of right to life and personal liberty]
অনুচ্ছেদ ৩৩- গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ [Safeguards as to arrest and detention] 
অনুচ্ছেদ ৩৫- বিচার ও দন্ড সম্পর্কিত রক্ষণ [Protection in respect of trial and punishment]

জবরদস্তির বিরুদ্ধে অধিকার: 
অনুচ্ছেদ ৩১- জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ [Prohibition of forced labour)

স্বাধীনতা সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা [Freedom of movement] 
অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা [Freedom of assembly]
অনুচ্ছেদ ৩৮- সংগঠনের স্বাধীনতা [Freedom of association]
অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা [Freedom of thought and conscience, and of speech]
অনুচ্ছেদ ৪০- পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা [Freedom of profession or occupation]
অনুচ্ছেদ ৪১- ধর্মীয় স্বাধীনতা [Freedom of religion] 

সম্পত্তি সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার:

অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ [Prohibition of foreign titles, etc.]
অনুচ্ছেদ ৪২- সম্পত্তির অধিকার [Right to property]
অনুচ্ছেদ ৪৩- গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ [Protection of home and correspondence]

সাংবিধানিক প্রতিকার প্রাপ্তির অধিকার:
অনুচ্ছেদ ৪৪- মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ [Enforcement of fundamental rights]
১৬.
নিম্নে বর্ণিত বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদটি দণ্ডমূলক বিধান?
  1. অনুচ্ছেদ ২৬
  2. অনুচ্ছেদ ৭খ
  3. অনুচ্ছেদ ৭ক
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭ক একটি দণ্ডমূলক বিধান।

সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানে ৭ক অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত করা হয়। এটি একটি দণ্ডমূলক বিধান। ৭ক(১) অনুচ্ছেদে, শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হয়েছে। এরুপ কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ৭ক (২) অনুচ্ছেদে, শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণে সহযোগিতা বা উস্কানি বা অনুরুপ কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। ৭ক(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এরুপ কার্যের শাস্তি হবে নির্ধারিত দণ্ডের সর্বোচ্চ দণ্ড।

অনুচ্ছেদ ৭ক: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ

(১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায়-
ক) এই সংবিধান বা এর কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে কিংবা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে, কিংবা
খ) এই সংবিধান বা এর কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করলে বা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে- তার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবে।

(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
ক) কোন কার্য করতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করলে; কিংবা
খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করলে- তার এইরুপ কার্যও একই অপরাধ হবে।

(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।


Article 7A: Offence of abrogation, suspension, etc. of the Constitution

(1) If any person, by show of force or use of force or by any other un-constitutional means- 
(a) abrogates, repeals or suspends or attempts or conspires to abrogate, repeal or suspend this Constitution or any of its article ; or 
(b) subverts or attempts or conspires to subvert the confidence, belief or reliance of the citizens to this Constitution or any of its article, 
his such act shall be sedition and such person shall be guilty of sedition. 

(2) If any person- 
(a) abets or instigates any act mentioned in clause (1) ; or 
(b) approves, condones, supports or ratifies such act, 
his such act shall also be the same offence. 

(3) Any person alleged to have committed the offence mentioned in this article shall be sentenced with the highest punishment prescribed for other offences by the existing laws.
১৭.
'Doctrine of Severability' অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলির সাথে কোন আইনের-
  1. যতটুকু অংশ অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু বাতিল হবে
  2. যতটুকু অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু কার্যকর থাকবে
  3. অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ হতে পৃথক করা সম্ভব না হলে, সম্পূর্ণ আইন কার্যকর থাকবে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
Meaning of Doctrine of Severability-
The doctrine of severability deals with situations when some parts of a law or statute are found to be unconstitutional due to a conflict with fundamental rights. In such cases, only the conflicting or repugnant part of the law will be considered void by the courts, not the entire statute. It is also called the doctrine of severability.
Article 26 of the Bangladesh Constitution directly impediment this Doctrine for the Part III (Fundamental Rights) of the Constitution.

অর্থাৎ 'Doctrine of Severability' অনুযায়ী-
মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলীর সাথে কোন আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততখানি বাতিল হবে, যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ  অংশ হতে পৃথক করা যায়। কিন্তু অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ হতে পৃথক করা সম্ভব না হলে সম্পূর্ণ আইনটি বাতিল হতে পারে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
 
অনুচ্ছেদ ২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসামঞ্জস্য আইন বাতিল
(১) এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(২) রাষ্ট্র এই ভাগের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস কোন আইন প্রণয়ন করিবেন না এবং অনুরূপ কোন আইন প্রণীত হইলে তাহা এই ভাগের কোন বিধানের সহিত যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(৩) সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত সংশোধনের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।

Article 26: Laws inconsistent with fundamental rights to be void
(1) All existing law inconsistent with the provisions of this Part shall, to the extent of such inconsistency, become void on the commencement of this Constitution. 
(2) The State shall not make any law inconsistent with any provisions of this Part, and any law so made shall, to the extent of such inconsistency, be void. 
(3) Nothing in this article shall apply to any amendment of this Constitution made under article 142.
১৮.
Which article of the Constitution protects individuals from 'Self-incrimination'?
  1. Article 33(2)
  2. Article 35(4)
  3. Article 35(2)
  4. Article 33(4)
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত সুরক্ষার বিধান দেয়া হয়েছেে। নিম্নলিখিত ৫টি বিষয়ে সুরক্ষার বিধান দেয়া হয়েছে-

অনুচ্ছেদ ৩৫(১)- ভূতাপেক্ষ আইনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)- দোবারা সাজার বিরুদ্ধে সুরক্ষা; 
অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)- দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচারের নিশ্চয়তা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)- নিজের বিরুদ্ধে দোষ-স্বীকারের ক্ষেত্রে সুরক্ষা;
অনুচ্ছেদ ৩৫(৫)- যন্ত্রণা, নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ডের বিরুদ্ধে সুরক্ষা।

নিজের দোষ স্বীকারের [Self-incremination] বিরুদ্ধে সুরক্ষাঃ অনুচ্ছেদ ৩৫ (৪)

৩৫ (৪) অনুচ্ছেদে অভিযুক্তকে নিজের দোষ-স্বীকারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। ৩৫ (৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের দোষ-স্বীকার করে কোন বিবৃতি প্রদান করে, সেক্ষেত্রে এমন দোষ-স্বীকারোক্তি গ্রহণে কোন আইনত বাধা নেই। তবে অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জোরপূর্বক বা বল প্রয়োগ করে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না।

অনুচ্ছেদ ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ

(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

Article 35: Protection in respect of trial and punishment

(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
১৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮(৪) এর বিষয়বস্তু কি?
  1. সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
  2. সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
২০.
সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য হবে-
  1. শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে
  2. মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  3. গণহত্যাজনিত অপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ২৬ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস আইন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে।

৪৫ অনুচ্ছেদে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত তৃতীয় ভাগের বিধানাবলী অপ্রযোজ্য, করা হয়েছে। ৪৬ অনুচ্ছেদে কতিপয় ক্ষেত্রে দায়মুক্তি-বিধান প্রণয়নে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ৪৭ অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত করা হয়েছে এবং উক্ত হেফাজতকৃত আইন মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস হলেও বাতিল বলে গণ্য হবেনা। অর্থাৎ ৪৭ অনুচ্ছেদটি ২৬ অনুচ্ছেদের ব্যতিক্রম।

৪৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ৪৭ অনুচ্ছেদের ৩ দফায় উল্লিখিত গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ বলবৎকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২১.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে-
  1. সংবিধান লংঘনের জন্য
  2. গুরুতর অসদারচরণের জন্য
  3. গুরুতর অসুস্থ হলে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে ২টি কারণে-
ক) সংবিধান লংঘনের জন্য [For Violating Constitution]
খ) গুরুতর অসদারচরণের জন্য [Of grave misconduct] 

অভিশংসনের পদ্ধতি:
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুক্ষণ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে। স্পীকারের নিকট অনুরুপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ (১৪) দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহ্বান করবে। অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি প্রেরণের অধিকার থাকবে। অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে, প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার তারিখ হতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।


অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন
(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।

(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।

(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।

(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

Article 52: Impeachment of the President
(1) The President may be impeached on a charge of violating this Constitution or of grave misconduct, preferred by a notice of motion signed by a majority of the total number of members of Parliament and delivered to the Speaker, setting out the particulars of the charge, and the motion shall not be debated earlier than fourteen nor later than thirty days after the notice is so delivered; and the Speaker shall forthwith summon Parliament if it is not in session. 

(2) The conduct of the President may be referred by Parliament to any court, tribunal or body appointed or designated by Parliament for the investigation of charge under this article. 
 
(3) The President shall have the right to appear and to be represented during the consideration of the charge. 
 
(4) If after the consideration of the charge a resolution is passed by Parliament by the votes of not less than two thirds of the total number of members declaring that the charge has been substantiated, the President shall vacate his office on the date on which the resolution is passed. 
 
(5) Where the Speaker is exercising the functions of the President under article 54 the provisions of this article shall apply subject to the modifications that the reference to the Speaker in clause (1) shall be construed as a reference to the Deputy Speaker, and that the reference in clause (4) to the vacation by the President of his office shall be construed as a reference to the vacation by the Speaker of his office as Speaker; and on the passing of a resolution such as is referred to in clause (4) the Speaker shall cease to exercise the functions of President.
২২.
প্রজাতন্ত্রে মোট যতো সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে __________ সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে।
  1. অন্যূন ১/১০ অংশ
  2. ন্যূন ৯/১০ অংশ
  3. অন্যূন ৯/১০ অংশ
  4. ন্যূন ১/৯ অংশ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

• ৫৬ অনুচ্ছেদে মন্ত্রিগণ বলতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী বোঝানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ অন্যান্য সকল মন্ত্রীর সমন্বয়ে মন্ত্রিপরিষদ (Council of Ministers) গঠিত হয় এবং মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে মন্ত্রিসভা [Cabinet] গঠিত হয়। ৫৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকবে। ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীগণকে নিয়োগ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, তাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে।।

অর্থাৎ মন্ত্রীগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবে এবং মন্ত্রীর সংখ্যা কত হবে তা প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করবে। মোট যত সংখ্যক মন্ত্রিগণ থাকবে তার মধ্যে সর্বনিম্ন (অন্যূন) নয়-দশমাংশ (৯/১০) সংসদ-সদস্যেগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবে এবং অনধিক ১/১০ অংশ (এক-দশমাংশ) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবে। সংসদ সদস্যেদের বাইরে থেকে অন্য কোন ব্যক্তি যে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য তাকে মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেয়া হলে, তিনি [Technocrat] মন্ত্রী বলে পরিচিত।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 
(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
২৩.
রাষ্ট্রপতি কার নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দিবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. স্পিকারের
  3. সংসদের
  4. প্রধান বিচারপতির
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫০: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ

(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 
(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 
(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।

Article 50: Term of office of President

(1) Subject to the provisions of this Constitution, the President shall hold office for a term of five years form the date on which he enters upon his office: Provided that notwithstanding the expiration of his term the President shall continue to hold office until his successor enters upon office. 
(2) No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive. 
(3) The President may resign his office by writing under his hand addressed to the Speaker. 
(4) The President during his term of office shall not be qualified for election as a member of Parliament, and if a member of Parliament is elected as President he shall vacate his seat in Parliament on the day on which he enters upon his office as President.
২৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিধান করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৮(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৮ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৮(১)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

Article 18A: Protection and improvement of environment and biodiversity
The State shall endeavour to protect and improve the environment and to preserve and safeguard the natural resources, bio-diversity, wetlands, forests and wild life for the present and future citizens.
২৫.
No person shall be deprived of life or personal liberty ____ in accordance with law.
  1. except
  2. save
  3. save & except
  4. provided
ব্যাখ্যা
Article 32: Protection of right to life and personal liberty

No person shall be deprived of life or personal liberty save in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ

আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।
২৬.
কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে কে অনুরোধ করতে পারে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. কেউ নয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৮: অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ

(১) প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন মন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন;
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন, তবে ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার শর্তাংশের অধীনে মনোনীত মন্ত্রীর ক্ষেত্রে ইহা প্রযোজ্য হইবে না;
(গ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে রাষ্ট্রপতি অনুরূপ নির্দেশ দান করেন; অথবা
(ঘ) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফায় যেরূপ বিধান করা হইয়াছে তাহা কার্যকর হয়।

(২) প্রধানমন্ত্রী যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করিতে অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্ত মন্ত্রী অনুরূপ অনুরোধ পালনে অসমর্থ হইলে তিনি রাষ্ট্রপতিকে উক্ত মন্ত্রীর নিয়োগের অবসান ঘটাইবার পরামর্শ দান করিতে পারিবেন।

(৩) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া অবস্থায় যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের (১) দফার (ক), (খ) ও (ঘ) উপ-দফার কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

(৪) প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিলে বা স্বীয় পদে বহাল না থাকিলে মন্ত্রীদের প্রত্যেকে পদত্যাগ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে; তবে এই পরিচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে তাঁহাদের উত্তরাধিকারীগণ কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তাঁহারা স্ব স্ব পদে বহাল থাকিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদে "মন্ত্রী" বলিতে প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী  অন্তর্ভুক্ত।

Article 58: Tenure of office of other Ministers

(1) The office of a Minister other than the Prime Minister shall become vacant – 
(a) if he resigns from office by placing his resignation in the hands of the Prime Minister for submission to the President; 
(b) if he ceases to be a member of Parliament, but this shall not be applicable to a Minister chosen under the proviso to article 56(2); 
(c) if the President, pursuant to the provisions of clause (2), so directs; or 
(d) as provided in clause (4). 
 
(2) The Prime Minister may at any time request a Minister to resign, and if such Minister fails to comply with the request, may advise the President to terminate the appointment of such Minister. 
 
(3) Nothing in sub clauses (a), (b) and (d) of clause (1) shall disqualify a Minister for holding office during any period in which Parliament stands dissolved. 
 
(4) If the Prime Minister resigns from or ceases to hold office each of the other Ministers shall be deemed also to have resigned from office but shall, subject to the provisions of this Chapter, continue to hold office until his successor has entered upon office. 

(5) In this article “Minister” includes Minister of State and Deputy Minister.
২৭.
সংসদ আইনের দ্বারা কোন ধরনের ব্যক্তিদের দায়মুক্ত করতে পারে?
  1. প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির
  2. জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে যে ব্যক্তি কোন কার্য করে
  3. অনগ্রসর নাগরিকদের
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে দায়মুক্তি-বিধান সংবলিত কোন আইন সংবিধানের তৃতীয় ভাগের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হলেও, উক্ত আইনের বৈধতা বা অসাংবিধানিকতা চ্যালেঞ্জ করা যাবেনা। যে সকল ব্যক্তির জন্য দায়মুক্তি-বিধান প্রণয়ন করতে পারেঃ

⇒ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা
⇒ অন্য কোন ব্যক্তি যে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে; কিংবা
⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করে।

সংসদ আইনের দ্বারা উল্লেখিত ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করতে পারবে কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ডও বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করে নিতে পারবে। এমন আইন সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে এই কারণে অসাংবিধানিক হবে না।

অনুচ্ছেদ ৪৬: দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা

এই ভাগের পূর্ববর্ণিত বিধানাবলীতে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা অন্য কোন ব্যক্তি জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে কিংবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করিয়া থাকিলে সংসদ আইনের দ্বারা সেই ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করিতে পারিবেন কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করিয়া লইতে পারিবেন।

Article 46: Power to provide indemnity
Notwithstanding anything in the foregoing provisions of this Part, Parliament may by law make provision for indemnifying any person in the service of the Republic or any other person in respect of any act done by him in connection with the national liberation struggle or the maintenance or restoration of order in any area in Bangladesh or validate any sentence passed, punishment inflicted, forfeiture ordered, or other act done in any such area.
২৮.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, উক্ত পদে কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি-জেনারেল
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৪: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

Article 54: Speaker to act as President during absence, etc.

If a vacancy occurs in the office of President or if the President is unable to discharge the functions of his office on account of absence, illness or any other cause the Speaker shall discharge those functions until a President is elected or until the President resumes the functions of his office, as the case may be.
২৯.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. সকল নির্বাহী কার্য প্রধানমন্ত্রীর নামে গৃহীত হবে
  2. প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
  3. মন্ত্রিসভা গৃহীত সকল সিদ্ধান্তের জন্য যৌথভাবে জনগণের কাছে দায়ী হবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা [Cabinet]

সংবিধানের ৫৫(১) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরুপ স্থির করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। মন্ত্রিসভা হলো নির্বাহী সরকারের নীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের চূড়ান্ত সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রী হলো এর প্রধান। মন্ত্রিসভা নীতি সংক্রান্ত অধিকাংশ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সকল মন্ত্রীর উপর বাধ্য থাকবে।

নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ: 

৫৫(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা [Executive Power] প্রযুক্ত হবে। সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা এবং উক্ত মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের যৌথ কার্যাবলীর জন্য দায়বদ্ধ থাকবে।
সরকারের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কর্তৃক প্রয়োগ করা হলেও, সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ করবে প্রধানমন্ত্রী কিন্তু রাষ্ট্রের সকল কার্য রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে।

মন্ত্রীদের যৌথ দায় [Collective Responsibility]

মন্ত্রীদের যৌথ দায় কথাটির মানে হলো মন্ত্রিসভার সকল সিদ্ধান্ত মন্ত্রিদের যৌথ সিদ্ধান্ত এবং সকল মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কারণে সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী হবে। মন্ত্রিসভার ভিতরে সকল মন্ত্রী কোন বিষয়ে তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারে কিন্তু উক্ত বিষয়ে একবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে প্রত্যেক মন্ত্রী মন্ত্রিসভার ভিতরে এবং বাইরে উক্ত বিষয় সমর্থন করবে। যদি কোন মন্ত্রী মনে করে যে, যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে তা প্রকৃত অর্থে ভুল এবং তিনি এটা সমর্থন করে না তাহলে তার একমাত্র উপায় হলো মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করা।

এছাড়া, যৌথ দায়ের পাশাপাশি সংসদের নিকট প্রত্যেক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায় আছে। প্রত্যেক মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের যে কোন কাজের জন্য বা কার্য হতে বিরত থাকার কারণে সংসদের নিকট ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে। 


অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা


(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

Article 55: The Cabinet

(1) There shall be a Cabinet for Bangladesh having the Prime Minister at its head and comprising also such other Ministers as the Prime Minister may from time to time designate. 
(2) The executive power of the Republic shall, in accordance with this Constitution, be exercised by or on the authority of the Prime Minister. 
(3) The Cabinet shall be collectively responsible to Parliament. 
(4) All executive actions of the Government shall be expressed to be taken in the name of the President. 
(5) The President shall by rules specify the manner in which orders and other instruments made in his name shall be attested or authenticated, and the validity of any order or instrument so attested or authenticated shall not be questioned in any court on the ground that it was not duly made or executed. 
(6) The President shall make rules for the allocation and transaction of the business of the Government.
৩০.
বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালী জাতির -
  1. সংহতি ও বিপ্লব
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. ঐক্য ও সংকল্প
  4. সংহতি ও সংকল্প
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ

ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.
৩১.
বাংলাদেশের সকল আদালতে কার বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেলের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. প্রধানমন্ত্রীর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল

(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

Article 64: The Attorney-General

(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.
৩২.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে নিম্নলিখিত কোন বিশেষ অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না
  2. যেকোন কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না
  3. কোন প্রকার দেওয়ানি কার্যধারা দায়ের করা হলে তা স্থগিত থাকবে
  4. উল্লিখিত সকল অধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫১: রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি

(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

Article 51: President's immunity

(1) Without prejudice to the provisions of article 52, the President shall not be answerable in any court for anything done or omitted by him in the exercise or purported exercise of the functions of his office, but this clause shall not prejudice the right of any person to take proceedings against the Government. 

(2) During his term of office no criminal proceedings whatsoever shall be instituted or continued against the President in, and no process for his arrest or imprisonment shall issue from, any court.
৩৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয় ?
  1. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  2. দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে ২ শ্রেণীর ব্যক্তিদের কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেছে, যথাঃ
ক) নাগরিকের কর্তব্য এবং
খ) অনুচ্ছেদে সরকারী কর্মচারীর কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

২১(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো-
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

২১(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সরকারী কর্মকর্তার কর্তব্য হলো-
সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

Article 21: Duties of citizens and of public servants
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৩৪.
The functions relating to Local Government include-
  1. maintenance of public order
  2. preparation and implementation of plans relating to public services
  3. preparation and implementation of plans relating to economic development
  4. all of above
ব্যাখ্যা
Article 59: Local government

(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law. 

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to – 
(a) administration and the work of public officers; 
(b) the maintenance of public order; 
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.

অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন
 
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
৩৫.
রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে-
  1. জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন
  2. জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন
  3. শিক্ষার মান উন্নয়ন
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংবিধান দ্বারা রাষ্ট্র মদ ও অন্যান্য মাদক পানীয় ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য এবং গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। ডাক্তারের অনুমতি ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় ব্যবহার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ দ্বারা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গণিকাবৃত্তির জন্য মানব পাচার করা মানব পাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২ দ্বারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 18: Public health and morality

(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 
(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.
৩৬.
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any-
  1. court
  2. tribunal
  3. other authority
  4. all of above
ব্যাখ্যা
Article 49: Prerogative of mercy
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
৩৭.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে, প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ-
  1. ৫ বছর পর্যন্ত
  2. রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত
  3. প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ: ৫৭ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ

(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 
 
(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন। 
(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

• ৫৭ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রীর পদের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ ৫ বৎসর বা এটা বলা হয় নি। ৫৭ অনুচ্ছেদটি এমনভাবে বিধান করা হয়েছে যে, মেয়াদজনিত কারণে কখনও প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে না, বা মেয়াদ অতিবাহিত হয়েছে এই কারণে প্রধানমন্ত্রীর পদ কখনও শূন্য হবে না। প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রী স্বীয় পদে বহাল থাকতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করবে না।

Article 57: Tenure of office of Prime Minister

(1) The office of the Prime Minister shall become vacant– 
(a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or 
(b) if he ceases to be a member of Parliament. 
 
(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly. 
 
(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.
৩৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ গৃহের নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

Article 43: Protection of home and correspondence
Every citizen shall have the right, subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, public order, public morality or public health – 
(a) to be secured in his home against entry, search and seizure; and 
(b) to the privacy of his correspondence and other means of communication.
৩৯.
According to Article 31 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh- 'to enjoy the protection of the law in accordance with law, is the ______ right of every citizen'.
  1. alienable
  2. inalienable
  3. personal
  4. private
ব্যাখ্যা
Article 31: Right to protection of law

To enjoy the protection of the law, and to be treated in accordance with law, and only in accordance with law, is the inalienable right of every citizen, wherever he may be, and of every other person for the time being within Bangladesh, and in particular no action detrimental to the life, liberty, body, reputation or property of any person shall be taken except in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার

আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।
৪০.
________ সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে না।
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংসদের
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ

(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।

Article 63: War
(1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
৪১.
আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার উল্লেখ আছে-
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩
  2. অনুচ্ছেদ ৩১
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫
  4. ক, খ এবং গ
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার [Fundamental Rights]:

মৌলিক অধিকার হলো বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে স্বীকৃত এবং সুরক্ষিত অধিকারসমূহ এবং যে সকল অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে যেমন হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিকার পাওয়া যায়। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪ পর্যন্ত মোট ১৮টি অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করার অধিকার ৪৪ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে এবং এই কারণে ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার বলবৎ সংক্রান্ত বিধানটিও মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে। উল্লেখিত মৌলিক অধিকারসমূহ হলো-

আইন, গ্রেফতার, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কিত মৌলিক অধিকার: 

অনুচ্ছেদ ৩১- আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার [Right to protection of law]
অনুচ্ছেদ ৩২- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ [Protection of right to life and personal liberty]
অনুচ্ছেদ ৩৩- গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ [Safeguards as to arrest and detention] 
অনুচ্ছেদ ৩৫- বিচার ও দন্ড সম্পর্কিত রক্ষণ [Protection in respect of trial and punishment]
৪২.
No citizen shall, without the prior approval of ________ accept any title, honour, award or decoration from any foreign state.
  1. the parliament
  2. the prime minister
  3. the President
  4. the parliament & president
ব্যাখ্যা
Article 30: Prohibition of foreign titles, etc.

No citizen shall, without the prior approval of the President, accept any title, honour, award or decoration from any foreign state.

অনুচ্ছেদ ৩০: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না।
৪৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩ক
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি

রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের এমন পরিপোষণ ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন, যাহাতে সর্বস্তরের জনগণ জাতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধিতে অবদান রাখিবার ও অংশগ্রহণ করিবার সুযোগ লাভ করিতে পারেন৷

Article 23: National Culture
The State shall adopt measures to conserve the cultural traditions and heritage of the people, and so to foster and improve the national language, literature and the arts that all sections of the people are afforded the opportunity to contribute towards and to participate in the enrichment of the national culture.