পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্য সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
বৈষ্ণব পদাবলীর অবাঙ্গালী কবি কে?
  1. ক) বিদ্যাপতি
  2. খ) জ্ঞানদাস
  3. গ) চণ্ডীদাস
  4. ঘ) গোবিন্দদাস
সঠিক উত্তর:
ক) বিদ্যাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা
বৈষ্ণব পদাবলীর অবাঙ্গালী কবি হলেন বিদ্যাপতি।
বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহের সভাকবি।
বিদ্যাপতিকে ‘মিথিলার কবি’ বা ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
তাঁকে ‘কবি কণ্ঠহার’ উপাধি দেন রাজা শিবসিংহ।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার]
.
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি নন কে?
  1. ক) মুক্তরাম সেন
  2. খ) মানিকদত্ত
  3. গ) নারায়ণদেব
  4. ঘ) দ্বিজ রামদেব
সঠিক উত্তর:
গ) নারায়ণদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নারায়ণদেব
ব্যাখ্যা
চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার কবি - মানিকদত্ত, দ্বিজ মাধব, দ্বিজরাম দেব, মুক্তরাম সেন, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
মনসা মঙ্গল কাব্য ধারার কবি– কানাহরি দত্ত, নারায়ণদেব, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
‘ধর্মমঙ্গল’ ধারার কবি– ময়ূর ভট্ট, আদিরূপরাম, খেলারাম চক্রবর্তী, শ্যাম পণ্ডিত, ঘনরাম চক্রবর্তী, নরসিংহ বসু।
'অন্নদামঙ্গল’ ধারার কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
.
ধর্মমঙ্গল কাব্য কয়টি পালায় বিভক্ত?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ টি
ব্যাখ্যা
ধর্ম ঠাকুরের নামে এই মঙ্গলকাব্য সৃষ্ট হয়েছে বলে এর নাম ধর্মমঙ্গল। ধর্মমঙ্গল কাব্যের পালা ২ টি।
১. রাজা হরিশচন্দ্রের গল্প
২. লাউসেনের গল্প
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার]
.
চন্দ্রাবতী কার কন্যা ছিলেন?
  1. ক) দ্বিজ বংশীদাসের
  2. খ) দ্বিজ কানাই
  3. গ) দ্বিজ মাধব
  4. ঘ) আলাওল
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিজ বংশীদাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিজ বংশীদাসের
ব্যাখ্যা
চন্দ্রাবতী (১৬শ শতক) মধ্যযুগের তিনজন উল্লেখযোগ্য মহিলা কবির অন্যতম; অপর দুজন হলেন চন্ডীদাসের সাধনসঙ্গিনী রামতারা বা রামী এবং শ্রীচৈতন্যের কৃপাপাত্রী মাধবী।
চন্দ্রাবতী ছিলেন মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা। তাঁদের নিবাস ছিল বৃহত্তর ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত পাঠবাড়ী বা পাতুয়ারী গ্রামে।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কে ছিলেন?
  1. ক) দৌলত উজির বাহরাম খান
  2. খ) শাহ মুহম্মদ সগীর
  3. গ) আব্দুল হাকিম
  4. ঘ) সৈয়দ সুলতান
সঠিক উত্তর:
খ) শাহ মুহম্মদ সগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাহ মুহম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা
শাহ মুহম্মদ সগীরের হাতে রচিত হয় রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য ‘ইউসুফ-জুলেখা’।
এ কারণের শাহ মুহম্মদ সগীরকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে অভিহত করা হয়।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার]
.
পুঁথি সাহিত্যের উদ্ভব -
  1. ক) ষোড়শ শতাব্দীতে
  2. খ) সপ্তদশ শতাব্দীতে
  3. গ) অষ্টাদশ শতাব্দীতে
  4. ঘ) উনবিংশ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টাদশ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টাদশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা
পুথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল।
এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
.
মর্সিয়া শব্দের অর্থ কি?
  1. ক) আনন্দ প্রকাশ করা
  2. খ) শোক প্রকাশ করা
  3. গ) ভালোবাসা প্রকাশ করা
  4. ঘ) ভক্তি প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
খ) শোক প্রকাশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শোক প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা

মর্সিয়া (বিশেষ্য):
অর্থ - 
১. মৃত্যু উপলক্ষে রচিত শোকগাথা
২. ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে কাহিনী অবলম্বনে রচিত শোকগাথা
৩. মহরমে গীত শোকগাথা

মর্সিয়া শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
মহাভারত কয় পর্বে রচিত?
  1. ক) ১৭ পর্বে
  2. খ) ১৮ পর্বে
  3. গ) ১৯ পর্বে
  4. ঘ) ২২ পর্বে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ পর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ পর্বে
ব্যাখ্যা
সপ্তদশ শতকে কাশীরাম দাস পদ্যে মহাভারত রচনা করেন, যা বাঙালিদের নিকট সর্বাধিক জনপ্রিয়। কাশীরাম দাসের মহাভারত আঠারো পর্ব এবং একশত পর্বাধ্যায়ে বিভক্ত।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
.
বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধার কয়টি অবস্থার বর্ণনা পাওয়া যায়?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১২ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ টি
ব্যাখ্যা
বৈষ্ণব পদাবলীতে কৃষ্ণের প্রধান প্রেমিকা শ্রীরাধার আটটি অবস্থার বর্ণনা পাওয়া যায়।
সেগুলো হলো :
- অভিসারিকা
- বাসকসজ্জা
- উৎকণ্ঠিতা
- বিপ্রলব্ধা
- খণ্ডিতা
- কলহান্তরিতা
- প্রোষিতভর্তৃকা ও
- স্বাধীনভর্তৃকা
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
“আমারি বধূয়া আন বাড়ি যায়
আমারি আঙিনা দিয়া”
-কোন কবির রচনা?
  1. ক) বড়ু চণ্ডীদাস
  2. খ) জ্ঞানদাস
  3. গ) দ্বিজ বংশীদাস
  4. ঘ) চণ্ডীদাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা চণ্ডীদাস।
চণ্ডীদাস বৈষ্ণব কবি ছিলেন। তার জন্ম কোন সময় তা সুনিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে তিনি বাশুলি দেবীর ভক্ত ছিলেন এবং বড়ু চণ্ডীদাস থেকে পৃথক ছিলেন একথা নিশ্চিত।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
আবদুল গাফফার চৌধুরীর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) কৃষ্ণপক্ষ
  2. খ) শেষ রাত্রির চাঁদ
  3. গ) চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান
  4. ঘ) বাংলাদেশ কথা কয়
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান
ব্যাখ্যা
আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত উপন্যাসঃ
চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (১৯৬০, প্রথম উপন্যাস), নাম না জানা ভোর (১৯৬২), নীল যমুনা (১৯৬৪), শেষ রাত্রির চাঁদ (১৯৭৬)।
গল্পগ্রন্থঃ
কৃষ্ণপক্ষ (১৯৫৯), সম্রাটের ছবি (১৯৫৯), সুন্দর হে সুন্দর (১৯৬০)।
শিশুতোষ গ্রন্থঃ
ডানপিঠে শওকত, আঁধার কুঠির ছেলেটি, ভয়ংকরের হাতছানি।
‘বাংলাদেশ কথা কয় (১৯৭২)’ তার সম্পাদনা গ্রন্থ। তিনি “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানের রচয়িতা। তিনি ‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’ (২০০৭) নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করে খ্যাতি অর্জন করেন।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর। ]
১২.
‘অবাক পৃথিবী’ গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. ক) মোহাম্মদ কায়কোবাদ
  2. খ) মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  3. গ) আবদুল্লাহ আল-মুতী
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল্লাহ আল-মুতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল্লাহ আল-মুতী
ব্যাখ্যা

আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন (১৯৩০-১৯৯৮): জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক। বাংলাদেশের বিজ্ঞান লেখকদের মধ্যে তিনিই একমাত্র যিনি ইউনেস্কো কলিঙ্গ পুরস্কার লাভ করেন।
তাঁর প্রকাশিত শিশু ও বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদনা-
- এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে,
- অবাক পৃথিবী,
- আবিষ্কারের নেশায়,
- রহস্যের শেষ নেই,
- বিজ্ঞান ও মানুষ,
- জানা-অজানার দেশে,
- তারার দেশের হাতছানি,
- বিচিত্র বিজ্ঞান,
- সাগরের রহস্যপুরী,
- মেঘ বৃষ্টি রোদ,
- কীটপতঙ্গের বিচিত্র জগৎ,
- পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে,
- আজকের বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ইত্যাদি।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলাপিডিয়া।]

১৩.
অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ‘ইউরোপের চিঠি’ একটি-
  1. ক) প্রবন্ধ
  2. খ) পত্রসংকলন
  3. গ) ছোটগল্প
  4. ঘ) ভ্রমণকাহিনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভ্রমণকাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভ্রমণকাহিনী
ব্যাখ্যা
অন্নদাশঙ্কর রায় (১৯০৪-২০০২): ভারতের উড়িষ্যা জেলায় তাঁর জন্ম। তিনি একজন স্বনামধন্য বাঙ্গালি কবি, লেখক এবং বিশিষ্ট ছড়াকারও। তিনি ‘লীলাময় রায়’ ছদ্মনামে লিখতেন।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য-
উপন্যাসঃ অসমাপিকা(১৯৩০, প্রথম উপন্যাস), আগুন নিয়ে খেলা, পুতুল নিয়ে খেলা, সত্যাসত্য, অজ্ঞাতবাস, কঙ্কাবতী প্রভৃতি।
ভ্রমণকাহিনীঃ পথে প্রবাসে (১৯৩১), ইউরোপের চিঠি (১৯৪২) ইত্যাদি।
প্রবন্ধগ্রন্থঃ তারুণ্য, জীবনশিল্পী, ইশারা, বিনুর বই, জীয়ন কাটি, প্রত্যয় ইত্যাদি।
কবিতাঃ রাখী, কালের শাসন, কামনা পঞ্চবিংশতি ইত্যাদি।
ছোটগল্পঃ প্রকৃতির পরিহাস, মন পবন, যৌবন জ্বালা, কামিনী কাঞ্চন ইত্যাদি।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।]
১৪.
‘পারাপার’ ও ‘পালাবদল’ কাব্যগ্রন্থগুলোর কবি-
  1. ক) বুদ্ধদেব বসু
  2. খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. গ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম। অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন। তিনি শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ: তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতাবলী’ (১৯২৪-২৫)।
তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ: উপহার (১৯২৭), খসড়া (১৯৩৮), এক মুঠো (১৯৩৯), মাটির দেয়াল (১৯৪২), অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩), পারাপার (১৯৫৩), পালাবদল (১৯৫৫), ঘরে ফেরার দিন (১৯৬১), হারানো অর্কিড (১৯৬৬), পুষ্পিত ইমেজ (১৯৬৭), অমরাবতী (১৯৭২), অনিঃশেষ (১৯৭৬), নতুন কবিতা (১৯৮০) ইত্যাদি।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার]
১৫.
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) প্রাচীর ও প্রান্তর
  2. খ) বেদে
  3. গ) প্রথম কদমফুল
  4. ঘ) কাকজ্যোৎস্না
সঠিক উত্তর:
খ) বেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেদে
ব্যাখ্যা
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত (১৯০৩-১৯৭৬): তিনি কল্লোল গোষ্ঠীর লেখক ছিলেন। তাঁর ছদ্মনাম “নীহারিকা দেবী”।
তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস ‘বেদে’, ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এটি আঙ্গিক, রচনাভঙ্গি ও বিষয়বিন্যাসে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি বিশিষ্ট উপন্যাস হিসেবে পরিগণিত।
অন্যান্য উপন্যাস - কাকজ্যোৎস্না (১৯৩১), বিবাহের চেয়ে বড় (১৯৩১), প্রাচীর ও প্রান্তর (১৯৩২), প্রথম কদমফুল (১৯৬১)।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।]
১৬.
মুসলিম সাহিত্য সমাজের বার্ষিক মুখপত্র ‘শিখা’ পত্রিকার পঞ্চম সংখ্যার সম্পাদক ছিলেন-
  1. ক) আবুল হুসেন
  2. খ) মোহাম্মদ আবদুর রশিদ
  3. গ) আবুল ফজল
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
মুসলিম সাহিত্য-সমাজের বার্ষিক মুখপত্র ‘শিখা’ পত্রিকা যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে বা ১৯২৭ সালে।
শিখার মোট পাঁচটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথম সংখ্যা আবুল হুসেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যা কাজী মোতাহার হোসেন, চতুর্থ সংখ্যা মোহাম্মদ আবদুর রশিদ এবং পঞ্চম সংখ্যা আবুল ফজল সম্পাদনা করেন।
শিখার মুখবাণী ছিল -''জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব''।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
১৭.
কাজী নজরুল ইসলামকে ‘যুগ-প্রবর্তক’ হিসেবে অভিহিত করেন কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) কাজী মোতাহার হোসেন
  3. গ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  4. ঘ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা
আবুল কালাম শামসুদ্দীন(১৮৯৭-১৯৭৮):
বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং সাহিত্যিক। তিনি বাংলা সাহিত্যের মুসলিম ধারার এবং নজরুল কাব্যের বিচার-বিশ্লেষণ ও নবমূল্যায়নে কৃতিত্বের পরিচয় প্রদান করেন। কাজী নজরুল ইসলামকে প্রথম ‘যুগ-প্রবর্তক’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
১৮.
‘শতকরা পঁয়তাল্লিশের জের’ প্রবন্ধের রচয়িতা-
  1. ক) প্রমথ চৌধুরী
  2. খ) আবুল হুসেন
  3. গ) শওকত ওসমান
  4. ঘ) কাজী ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হুসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হুসেন
ব্যাখ্যা
আবুল হুসেন (১৮৯৬-১৯৩৮): প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ ও সমাজসংস্কারক।
তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা- বাঙালী মুসলমানদের শিক্ষাসমস্যা (১৯২৮),
মুসলিম কালচার (১৯২৮),
বাঙলার নদীসমস্যা,
শতকরা পঁয়তাল্লিশের জের,
সুদ-রিবা ও রেওয়াজ,
নিষেধের বিড়ম্বনা,
Helots of Bengal,
Religion of Helots of Bengal,
Development of Muslim Law in British India প্রভৃতি।
এগুলির মধ্যে প্রথম তিনটি বিখ্যাত গ্রন্থ।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
১৯.
‘আয়না’ হাস্যরসাত্মক গল্পগ্রন্থের লেখক-
  1. ক) সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. খ) আবুল মনসুর আহমেদ
  3. গ) গোলাম মোস্তফা
  4. ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
আবুল মনসুর আহমদ (১৮৯৮-১৯৭৯): সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক। তিনি আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা নেতা (১৯৫৩-৫৮ সাল পর্যন্ত সহ-সভাপতি) এবং যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারের ২১ দফার অন্যতম প্রণেতা।
তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা-
গল্পগ্রন্থ : আয়না (কাজী নজরুল ইসলাম এই হাস্যরসাত্মক গল্পের ভূমিকা লিখেছিলেন, ১৯৩৫), ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪), আসমানী পর্দা (১৯৬৪)।
উপন্যাস: সত্যমিথ্যা (১৯৫৩), জীবন ক্ষুধা (দেশভাগের পটভূমিতে রচিত, ১৯৫৫), আবে হায়াত (১৯৬৪)।
স্মৃতিকথা: আত্মকথা (আত্মজীবনী, ১৯৭৮)।
রাজনীতিবিষয়ক গ্রন্থ: আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯), শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২)।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
২০.
আহমদ শরীফের সম্পাদনায় বাংলা একাডেমীর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) আলাওলের ‘সিকান্দরনামা’
  2. খ) দৌলত উজির বাহরাম খাঁর ‘লায়লী-মজনু’
  3. গ) জয়েনউদ্দীনের ‘রসুলবিজয়’
  4. ঘ) আফজল আলীর ‘নসিহতনামা’
সঠিক উত্তর:
খ) দৌলত উজির বাহরাম খাঁর ‘লায়লী-মজনু’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দৌলত উজির বাহরাম খাঁর ‘লায়লী-মজনু’
ব্যাখ্যা
আহমদ শরীফের সম্পাদনাগ্রন্থঃ ষোল শতকের কবি দৌলত উজির বাহরাম খাঁর ‘লায়লী-মজনু’ (বাংলা একাডেমীর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ, ১৯৫৭),
পুথি পরিচিতি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ, ১৯৫৮),
আলাওলের তোহফা (১৯৫৮) ও সিকান্দরনামা (১৯৭৭),
মুহম্মদ খানের সত্য-কলি-বিবাদ-সংবাদ (১৯৫৯),
মুসলিম কবির পদসাহিত্য (১৯৬১),
জয়েনউদ্দীনের রসুলবিজয় (১৯৬৪),
মুজাম্মিলের নীতিশাস্ত্রবার্তা (১৯৬৫),
মধ্যযুগের রাগতালনামা (১৯৬৭), বাঙলার সূফীসাহিত্য (১৯৬৯),
আফজল আলীর নসিহতনামা (১৯৬৯), বাউলতত্ত্ব (১৯৭৩),
সৈয়দ সুলতানের নবীবংশ, রসুলচরিত (১৯৭৮) ইত্যাদি।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
২১.
কামিনী রায় রচিত কোন গ্রন্থের ভূমিকা হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন?
  1. ক) দীপ ও ধূপ
  2. খ) মাল্য ও নির্মাল্য
  3. গ) আলো ও ছায়া
  4. ঘ) অশোক সঙ্গীত
সঠিক উত্তর:
গ) আলো ও ছায়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলো ও ছায়া
ব্যাখ্যা
কামিনী রায় (১৮৬৪-১৯৩৩): কবি ও সমাজকর্মী।
“জনৈক বঙ্গমহিলা” ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন কামিনী রায়। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ সালে; হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভূমিকা লিখে দেন।
তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো: নির্মাল্য (১৮৯১), পৌরাণিকী (১৮৯৭), গুঞ্জন (শিশুকাব্য, ১৯০৫), ধর্ম্মপুত্র (অনুবাদ, ১৯০৭), মাল্য ও নির্মাল্য (১৯১৩), অশোক সঙ্গীত (সনেট, ১৯১৪), অম্বা (নাটক, ১৯১৫), বালিকা শিক্ষার আদর্শ (১৯১৮), ঠাকুরমার চিঠি (১৯২৪), দীপ ও ধূপ (১৯২৯), জীবনপথে (সনেট, ১৯৩০)।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার]
২২.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস-
  1. ক) জলাঙ্গী
  2. খ) শ্যামল ছায়া
  3. গ) নিষিদ্ধ লোবান
  4. ঘ) হাঙর নদী গ্রেনেড
সঠিক উত্তর:
খ) শ্যামল ছায়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্যামল ছায়া
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস-জোসনা ও জননীর গল্প, শ্যামল ছায়া, আগুনের পরশমনি, সূর্যের দিন ও অনিল বাগচীর একদিন।
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস হলো- নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), দুই সৈনিক (১৯৭৩), জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭২) এবং জলাঙ্গী।
সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’।
সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার]
২৩.
কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) পথ ও বিপথ
  2. খ) নদীবক্ষে
  3. গ) শাশ্বতবঙ্গ
  4. ঘ) মানব বন্ধু
সঠিক উত্তর:
খ) নদীবক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নদীবক্ষে
ব্যাখ্যা
কাজী আবদুল ওদুদ (১৮৯৪- ১৯৭০): শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ।
তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মঃ নাটক- ‘পথ ও বিপথ’, ‘মানব বন্ধু’। উপন্যাস- ‘ নদীবক্ষে’, ‘আজাদ’। প্রবন্ধ- শাশ্বতবঙ্গ (১৯৫১) বাংলার জাগরণ (১৩৬৩), কবিগুরু গ্যেটে (১ম ও ২য় খন্ড ১৩৫৩), কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ (১ম খন্ড ১৩৬৯, ২য় খন্ড ১৩৭৬)।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।]
২৪.
‘মুক্তবুদ্ধির চিরসজাগ প্রহরী’ নামে আখ্যায়িত হন-
  1. ক) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. খ) আনোয়ারুল কাদির
  3. গ) আবুল ফজল
  4. ঘ) কাজী আবদুল ওদুদ
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
আবুল ফজল (১৯০৩-১৯৮৩): শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, কথাসাহিত্যিক।
আবুল ফজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ‘শিখা’ পত্রিকার শেষ/পঞ্চম সংখ্যার সম্পাদক ছিলেন।
তিনি মুক্তবুদ্ধির চিরসজাগ প্রহরী নামে আখ্যায়িত হন।
আবুল ফজল রচিত উপন্যাসঃ ‘চৌচির’ (১৯৩৪),’ প্রদীপ ও পতঙ্গ’ (১৯৪০), জীবন পথের যাত্রী (১৯৪৮), রাঙ্গাপ্রভাত (১৯৫৭) প্রভৃতি।
প্রবন্ধঃ বিচিত্র কথা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সাধনা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন, শেখ মুজিবঃ তাঁকে যেমন দেখেছি, শুভবুদ্ধি, সমকালীন চিন্তা ইত্যাদি।
আত্মকাহিনী ও দিনলিপিঃ রেখাচিত্র (১৯৬৬)।
গল্পগ্রন্থঃ মাটির পৃথিবী, মৃতের আত্মহত্যা প্রভৃতি।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
২৫.
প্লেটোর ‘সিম্পোজিয়াম’ এর অনুবাদ করেন-
  1. ক) সৈয়দ আলী আহসান
  2. খ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক।
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যা
কাজী মোতাহার হোসেন (১৮৯৭-১৯৮১): তিনি একজন শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী এবং সাহিত্যিক।
তাঁর উলে­খযোগ্য প্রকাশনাসমূহ হচ্ছে:
সঞ্চয়ন (প্রবন্ধ সংকলন, ১৯৩৭),
নজরুল কাব্য পরিচিতি (১৯৫৫),
সে পথ লক্ষ্য করে (১৯৫৮),
সিম্পোজিয়াম (অনুবাদ, ১৯৬৫),
গণিত শাস্ত্রের ইতিহাস (১৯৭০) এবং
আলোক বিজ্ঞান (১৯৭৪)।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
২৬.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতায় একজন শোষক চরিত্রের দেখা পাওয়া যায়?
  1. ক) কুলি-মজুর
  2. খ) সোনার তরী
  3. গ) দুই বিঘা জমি
  4. ঘ) দরিদ্র
সঠিক উত্তর:
গ) দুই বিঘা জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুই বিঘা জমি
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার ভূস্বামী বাবু চরিত্রটিকে শোষক রূপে উপস্থাপন করেছেন।
কবিতার দুটি বিখ্যাত চরন:
“এ জগতে হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভুরি ভুরি!
রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।”

এই বক্তব্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ বুঝিয়েছেন: ধনীরা আরাে ধনী হতে চায়। এ কারণে তারা গরিব ও সাধারণ মানুষকে শােষণ করে এবং এই শােষণের মাধ্যমেই নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধি করতে তারা তৎপর থাকে।
সূত্র: দুই বিঘা জমি কবিতা ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
২৭.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘বিষের বাঁশি’ কাব্যগ্রন্থটির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯২৪ সালে
  2. খ) ১৯৪২ সালে
  3. গ) ১৯৪৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা

১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে (অগস্ট ১৯২৪) ‘বিষের বাঁশী’ প্রকাশ করেন কবি নিজেই। সে বছরই সরকার গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করে। এটি নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধকৃত কাব্যগ্রন্থ। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হয়েছিল ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে এপ্রিল। এ গ্রন্থের কবিতাগুলাে বিদ্রোহাত্মক ও জাতি জাগরণ্মূলক।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

২৮.
সনেটের ষষ্টকে কি থাকে?
  1. ক) ভাবের পরিণতি
  2. খ) ভাবের প্রবর্তনা
  3. গ) ভাবের গভীরতা
  4. ঘ) ভাবের ব্যাকুলতা
সঠিক উত্তর:
ক) ভাবের পরিণতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাবের পরিণতি
ব্যাখ্যা
সনেটের প্রথম আট চরনকে অষ্টক এবং শেষের ছয় চরনকে ষষ্টক বলে। অষ্টকে থাকে মূলভাবের প্রবর্তনা এবং ষষ্টকে থাকে ভাবের পরিণতি।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯.
‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) জহির রায়হান
  2. খ) নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. গ) মোরশেদুল ইসলাম
  4. ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
ক) জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনো আসে নি (১৯৬১)। তাঁর পরিচালিত অন্য চলচ্চিত্রগুলো: সোনার কাজল (১৯৬২), কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), বাহানা (১৯৬৫), বেহুলা (১৯৬৬), আনোয়ারা (১৯৬৭), সঙ্গম (১৯৬৪), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) ইত্যাদি।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
৩০.
‘মঞ্জু’ ছদ্মনাম কে ব্যবহার করতেন?
  1. ক) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  2. খ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. ঘ) আবদুল মান্নান সৈয়দ
সঠিক উত্তর:
গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
‘মঞ্জু’ (ডাকনাম) ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
আলাউদ্দিন আল আজাদ এর ছদ্মনাম - বাদশা (ডাকনাম)।
আবদুল মান্নান সৈয়দ এর ছদ্মনাম - আশোক সৈয়দ।
আবুল কালাম শামসুদ্দীন এর সাহিত্যিক নাম ছিল - শামসুদ্দীন আবুল কালাম।
৩১.
খাঁটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) শূন্যপুরাণ
  2. খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  3. গ) বৈষ্ণব পদাবলী
  4. ঘ) অন্নদামঙ্গল কাব্য
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। এটি বাংলা ভাষায় রচিত কোন লেখকের প্রথম একক গ্রন্থ।মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদের পরেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের স্থান।
১৩১৬ বঙ্গাব্দে (খ্রি. ১৯০৯) বসন্তরঞ্জন রায়বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার বনবিষ্ণুপুরের কাঁকিল্যা গ্রাম নিবাসী দেবেন্দ্রনাথ মুখােপাধ্যায়ের গােয়ালঘর থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।
১৩২৩ বঙ্গাব্দে (১৯১৬) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন নামে বসন্তরঞ্জনের সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে পুথিটি মুদ্রিত হয়।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র গুলাে হলাে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
মােট ১৩ খন্ডে ৪১৮টি পদে এটি বিন্যস্ত। এটি পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
কায়কোবাদ রচিত প্রথম কাব্য কোনটি?
  1. ক) মহাশ্মশান
  2. খ) বিরহবিলাপ
  3. গ) আশ্রুমালা
  4. ঘ) অমিয় ধারা
সঠিক উত্তর:
খ) বিরহবিলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিরহবিলাপ
ব্যাখ্যা

কায়কোবাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিরহ বিলাপ'।
এছাড়াও তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ- কুসুম কানন, অশ্রুমালা, শিব মন্দির, মহররম শরীফ, অমিয় ধারা, প্রেমের বাণী, প্রেম পারিজাত, মন্দাকিনী ধারা ইত্যাদি।
মহাশ্মশান তাঁর রচিত মহাকাব্য।
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৩৩.
পথের পাঁচালী উপন্যাসের উপজীব্য বিষয় কি?
  1. ক) প্রকৃতি ও মানুষ
  2. খ) পল্লি বাংলার জীবন
  3. গ) ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি
  4. ঘ) গ্রামীন সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার
সঠিক উত্তর:
ক) প্রকৃতি ও মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রকৃতি ও মানুষ
ব্যাখ্যা

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস- 'পথের পাচালী’ (১৯২৯)।
এটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'বিচিত্রা' পত্রিকায়।
গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে সজনীকান্ত দাসের রঞ্জন প্রকাশনালয়, কলকাতা থেকে।
প্রকৃতি ও মানুষ এই উপন্যাসের উপজীব্য বিষয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।