পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা ১, ২ ও ৩) [Live Class – 1 to 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত কোনটি?
  1. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ১২০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ১৬০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা

১৮০° দ্রাঘিমারেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমারেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১০ অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম কী?
  1. লুব্ধক
  2. ধ্রুবতারা
  3. শুক্র গ্রহ
  4. সপ্তর্ষি
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
ব্যাখ্যা

লুব্ধক:
- আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র লুব্ধক ।
- লুব্ধক পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা।
- লুব্ধক এত উজ্জ্বল দুটি কারণে- এর স্বকীয় উজ্জ্বলতা এবং এর অবস্থান পৃথিবীর খুবই নিকটে।
- এটি একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
- লুব্ধক বলতে মূলত 'সিরিয়াস' (Sirius) তারাটিকে বোঝায়।

তথ্যসূত্র - Britannic.com

.
পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলতে কী বোঝায়?
  1. পৃথিবীর কক্ষপথ পরিবর্তন
  2. চাঁদের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
  3. পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
  4. সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে অনবরত পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে।
- পৃথিবীর এই আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর মোট ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘন্টা সময় প্রয়োজন। এই সময়কে সৌরদিন বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এই গতিবেগ মেরুদ্বয়ের দিকে ক্রমশ কমে আসতে থাকে এবং ৯০° উত্তর ও ৯০° দক্ষিণ মেরুবিন্দু দ্বয়ে প্রায় স্তিমিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?
  1. আলফা সেন্টারাই B
  2. আলফা সেন্টারাই A
  3. প্রক্সিমা সেন্টারাই B
  4. প্রক্সিমা সেন্টারাই
সঠিক উত্তর:
প্রক্সিমা সেন্টারাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রক্সিমা সেন্টারাই
ব্যাখ্যা

প্রক্সিমা সেন্টারাই:
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র
- প্রক্সিমা সেন্টারাই সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে আলফা সেন্টারাই সিস্টেমে অবস্থিত।
- এটি একটি লাল বামন, যা নক্ষত্রের সবচেয়ে সাধারণ ধরন।
- এটি সূর্যের চেয়ে সাত গুণ ছোট।
- এর তাপমাত্রা প্রায় ৩,১০০ কেলভিন, যা সূর্যের তাপমাত্রার অর্ধেকের একটু বেশি।
- আকারে এটি বৃহস্পতি গ্রহের চেয়ে মাত্র ৫০% বড়।
- লাল বামন নক্ষত্র তাদের হাইড্রোজেন জ্বালানি খুব কার্যকরভাবে ব্যবহার করে, ফলে এদের আয়ুষ্কাল অত্যন্ত দীর্ঘ।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রক্সিমা সেন্টারাই চার ট্রিলিয়নেরও বেশি বছর একই অবস্থায় থাকবে (তুলনামূলকভাবে, মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর)।
- আলফা সেন্টারাই সিস্টেমটি সেন্টরাস নক্ষত্রপুঞ্জে দেখা যায়।
- তবে প্রক্সিমা সেন্টারাই সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৯১৫ সালে এটি স্কটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট ইনেস আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

.
পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্গত তার নাম কী?
  1. ছায়াগঙ্গা
  2. ম্যাজিলানিক ক্লাউডস
  3. মিল্কিওয়ে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে
ব্যাখ্যা

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ও সৌরজগত:
- গ্যালাক্সির অংশ বিশেষ ছায়াপথ নামে পরিচিত।
- সুদুর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বপ্নালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয় ।
- আমাদের সৌরজগত মিল্কিওয়ে (Milkyway) গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত।
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন গ্রহটি গ্রহরাজ নামে পরিচিত?
  1. শুক্র
  2. প্লুটো
  3. বুধ
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতি:
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ জন বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্র গ্রহের কতদিন সময় লাগে?
  1. ১৬৭ দিন
  2. ২২৫ দিন
  3. ২৮১ দিন
  4. ৩৬৫ দিন
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
ব্যাখ্যা

শুক্র:
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় -
  1. ১০ কোটি কিলোমিটার
  2. ১৩ কোটি কিলোমিটার
  3. ১৫ কোটি কিলোমিটার
  4. ১৭ কোটি কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

পৃথিবী:
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সমুদ্রতীরে বা বিশাল মাঠে দাঁড়ালে আকাশ ও ভূমি যে বৃত্তাকার রেখায় মিলিত হয় বলে মনে হয়, তার নাম কী?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমারেখা
  3. সমোচ্চ রেখা
  4. দিগন্তরেখা
সঠিক উত্তর:
দিগন্তরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিগন্তরেখা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আকৃতি:
- দিগন্ত রেখার সাহায্যে বিশাল খোলা মাঠে বা সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে মনে হয় আকাশ ও ভূ-পৃষ্ঠ একটি বৃত্তাকার রেখায় মিশে গেছে।
- এ বৃত্ত রেখার নাম দিগন্তরেখা। পর্বতের উপরে বা প্লেনে যত উপরে উঠা যায়, ততই দিগন্ত রেখার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর আকার বৃত্তাকার থাকে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির না হলে এরূপ হতো না।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
পূর্ব ইউরোপের দেশ কোনটি?
  1. বেলারুশ
  2. বুলগেরিয়া
  3. চেক প্রজাতন্ত্র
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১১.
পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমান দুই ভাগে বিভক্তকারী রেখার নাম কী?
  1. গ্রিনউইচ রেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই গোলার্ধে বিভক্তকারী রেখাটির নাম নিরক্ষরেখা।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- নিরক্ষরেখার (০০) উত্তর ও দক্ষিণে এই অক্ষরেখা সমূহের আকার ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে একেবারে বিন্দুতে পরিণত হয়।
- অর্থাৎ অক্ষরেখাগুলো নিরক্ষরেখার সাথে কৌণিক দুরত্বে কল্পিত কতিপয় সমাক্ষরেখা।
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?
  1. মাউন্ট এলবার্ট
  2. মাউন্ট লোগান
  3. ডেনালি
  4. মাউন্ট হুইটনি
সঠিক উত্তর:
ডেনালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনালি
ব্যাখ্যা

উত্তর আমেরিকা (North America):
- পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ উত্তর আমেরিকা।
- ১৪৯২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার করেন।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান ডেনালি, যা ম্যাককিনলে নামেও পরিচিত।
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।
- এ মহাদেশে ছোট-বড় অনেকগুলো দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে গ্রীনল্যান্ড, নিউফাউন্ডল্যান্ড অন্যতম।
- এ মহাদেশের মধ্য আমেরিকা থেকে মিসিসিপি অববাহিকা পর্যন্ত সুবিস্তৃত সমভূমি অঞ্চলকে প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদনের জন্য ‘বিশ্বের রুটির ঝুড়ি' বলা হয়।
- মিসিসিপি-মিসৌরি এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ কানাডা এবং সবচেয়ে ছোট সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১৩.
নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. মকরক্রান্তি রেখা
  2. দ্রাঘিমাংশ
  3. অক্ষাংশ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

অক্ষাংশ:
- নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলা হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠে কোনো একটি স্থানের প্রকৃত দূরত্ব জানতে হলে এর অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা প্রয়োজন।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করতে হলে, পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঠিক মধ্যবিন্দু অর্থাৎ কেন্দ্র থেকে উক্ত স্থানটির কৌণিক দূরত্ব পরিমাপ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে কেন্দ্র থেকে নিরক্ষরেখা বরাবর একটি রেখা কল্পনা করা হয়, যেটি নিরক্ষীয় তল সৃষ্টি করে।
- নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরু বিন্দুর কৌণিক দূরত্ব ৯০০। অতএব, উত্তর মেরুর অক্ষাংশের মান হলো ৯০° উত্তর অক্ষাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।