পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes৩৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক টপিকসমূহ: i) ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ-বিপ্লব, অপারেশন, সামরিক বিষয়াবলি। ii) সামরিক জোট ও সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, গেরিলা সংগঠন iii) নিরাপত্তাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, সনদ ও সম্মেলন, কূটনৈতিক পরিভাষা। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] -------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
কোন বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে?  
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. শিল্প বিপ্লব 
  3. রুশ বিপ্লব
  4. বলশেভিক বিপ্লব 
ব্যাখ্যা

• বাস্তিল দুর্গ:
- ফরাসি স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের একমাত্র প্রতীক ছিল এই বাস্তিল দুর্গ।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

.
'কিউবা ক্ষেপনাস্ত্র সংকট' কত সালে সংঘটিত হয়? 
  1. ১৯৫১ সালে 
  2. ১৯৬২ সালে 
  3. ১৯৬৪ সালে 
  4. ১৯৬৮ সালে 
ব্যাখ্যা

• কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট (Cuban Missile Crisis) অক্টোবর ১৯৬২ সালে ঘটে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
- ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ১৩ দিন ধরে চলা এই সংকট শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল, যা বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতা করেন কে? 
  1. বিল ক্লিনটন
  2. রোনাল্ড রিগান
  3. রিচার্ড নিক্সন 
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ 
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

উৎস: OSCE ও Britannica.

.
অপারেশন বারবারোসা কার নেতৃত্বে শুরু হয়?
  1. হিটলার
  2. হিরোহিতো 
  3. স্টালিন 
  4. মুসোলিনি 
ব্যাখ্যা

• অপারেশন বারবারোসা হিটলারের নেতৃত্বে শুরু হয়।

• অপারেশন বারবারোসা:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় পূর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
- এই অভিযানে ১৯টি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার ট্যাংক, ২৫০০ বিমান এবং ৭০০০ কামান অংশ গ্রহণ করে।
- সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভিযানে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
ANZUS চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৪৬ সালে 
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা

• ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

.
CIA এর সদর দপ্তর কোথায়? 
  1. ক্যালিফোর্নিয়া 
  2. ভার্জিনিয়া
  3. নিউইয়র্ক
  4. ওয়াশিংটন ডিসি 
ব্যাখ্যা

• CIA:
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA এর পূর্ণরূপ হলো Central Intelligence Agency.
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।

উৎস: CIA ওয়েবসাইট।

.
কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে Uniting for peace resolution গৃহীত হয়েছিল? 
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. কোরীয় যুদ্ধ
  3. পাক-ভারত যুদ্ধ
  4. ইজরাইল- ফিলিস্তিন 
ব্যাখ্যা

• কোরীয় যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
- বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
- যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম কী?
  1. ইউরোস্টার 
  2. ইউরোটেক্স
  3. ফ্রনটেক্স
  4. ফ্রন্টিয়ার 
ব্যাখ্যা

• Frontex :
- Frontex হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সীমান্ত ও উপকূল রক্ষী সংস্থা।
- পূর্ণ নাম: European Border and Coast Guard Agency।
- প্রতিষ্ঠা: ২০০৪ সালে, সদর দপ্তর পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে।
- মূল কাজ: EU-এর বাইরের সীমান্তের নিরাপত্তা বজায় রাখা, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী অপরাধ দমন।

উৎস: ফ্রন্টেক্স। 

.
Research and Analysis Wing কোন দেশের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত 
  2. আমেরিকা 
  3. রাশিয়া 
  4. চায়না 
ব্যাখ্যা

• RAW:
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW.
- এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing (RAW).
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১০.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান হয়? 
  1. ডেটন চুক্তি
  2. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি 
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

অন্যদিকে:
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- লুজান চুক্তিই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধিনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে যে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তাদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলা হয়।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
কোনটি পেরুর গেরিলা সংগঠন?
  1. গডস আর্মি
  2. শাইনিং পাথ 
  3. এম -১৯ 
  4. জে কে এল এফ
ব্যাখ্যা

 • শাইনিং পাথ:
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সশ্স্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।

অন্যদিকে:
- 'M-19' কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন।
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যের একটি গেরিলা সংগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও জাতীয় পত্রিকা।

১২.
'হিজবুল্লাহ' কোন দেশভিত্তিক সামরিক সংগঠন?
  1. সিরিয়া
  2. লেবানন
  3. জর্ডান
  4. লিবিয়া 
ব্যাখ্যা

• হিজবুল্লাহ:
- লেবাননের শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত সামরিক সংগঠন হচ্ছে হিজবুল্লাহ।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- সংগঠনটি মূলত ইসলামিক জাতীয়তাবাদ, ইহুদিবাদ বিরোধী ও পশ্চিমা সংস্কৃতি বিরোধী।
- হিজবুল্লাহ লেবাননে একটি শক্তিশালী গ্যারিলা গ্রুপের জন্ম দিয়েছে।
- এজন্য হিজবুল্লাহকে বলা হয় 'রাষ্ট্রের ভেতরে আলাদা রাষ্ট্র'।
- হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করছে।
- ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের সাথে বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও আল জাজিরা পত্রিকা। 

১৩.
হিরোশিমা নগরীতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় -
  1. ৩ আগস্ট, ১৯৪৫
  2. ৬ আগস্ট, ১৯৪৫
  3. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫
  4. ১১ আগস্ট, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পারমানবিক বোমা:
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা লিটল বয় নিক্ষেপ করে।
- ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র আরেক শহর নাগাসাকিতে আরো একটি পারমাণবিক বোমা ফ্যাট ম্যান নিক্ষেপ করে।
- লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামক পারমাণবিক বোমা দুটি নিক্ষেপের নির্দেশদাতা ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪.
'AUKUS' জোটের সদস্যদেশ কোনগুলো? 
  1. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  2. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• AUKUS চুক্তি:
- AUKUS হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).

১৫.
জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয়- 
  1. ইউক্রেন 
  2. রাশিয়া 
  3. তিউনিসিয়ায়
  4. লিবিয়া 
ব্যাখ্যা

• তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয়।

জেসমিন বিপ্লব:
- তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় ২০১১ সালে।
- আরব বসন্ত শুরুর পর এই বিপ্লব হয়।
- তিউনেশিয়ার জাতীয় ফুল হচ্ছে জেসমিন ফুল।
- এ কারণেই এই বিপ্লব জেসমিন বিপ্লব হিসেবে পরিচিতি পায়।

উৎস: Britannica

১৬.
'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' কীসের সাথে সম্পর্কিত?  
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ 
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ 
  4. উপসাগরীয় যুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

• নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম।

 ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।

⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

উৎস: Britannica.

১৭.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অপর নাম কী? 
  1. CTBT 
  2. ABM Treaty
  3. Ottawa Treaty
  4. Vienna Treaty
ব্যাখ্যা

• স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি বা Anti-Personnel Landmines Convention।
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি বা Ottawa Treaty।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- চুক্তির উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

​​অন্যদিকে,
- CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) – পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী চুক্তি।
- ABM Treaty (Anti-Ballistic Missile Treaty) – যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত করার চুক্তি।
- Vienna Treaty – সাধারণভাবে ভিয়েনা কনভেনশন নামে পরিচিত, যা আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পর্কিত আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১৮.
জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ কূটনৈতিকদের বলা- 
  1. অ্যাম্বাসেডর
  2. হাইকমিশনার
  3. রিপ্রেজেন্টেটিভ 
  4. ক্যাবিনেট 
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রদূত:
→ এক রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য দেশে প্রেরিত সর্বোচ্চ শ্রেণীর কূটনৈতিক।
• হাইকমিশনার:
কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র সমূহের সর্বোচ্চ শ্রেণির কূটনীতিক।
• অ্যাম্বাসেডর:
→ জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ব্যক্তিকে অ্যাম্বাসেডর বলে।
• চার্জ দ্য অ্যাফেয়ারস:
- রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত অস্থায়ী প্রধান।
• Persona-non-grata:
- কোন কূটনীতিক ব্যক্তিকে কোন কারণ দর্শনো ছাড়াই অবাঞ্জিত ঘোষণা করা।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

১৯.
Track-II ডিপ্লমেসি বলতে কী বোঝায়? 
  1. সরকারি পর্যায়ে কূটনৈতিক আলোচনা
  2. বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ
  3. গোপন সামরিক চুক্তি
  4. বাণিজ্যিক আলোচনার মাধ্যমে কূটনীতি
ব্যাখ্যা

Track-II diplomacy হলো বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ। 

• Track-II diplomacy:
- Track-II diplomacy হলো এমন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যেখানে সরকারি প্রতিনিধিদের পরিবর্তে বেসরকারি ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক, এবং সিভিল সোসাইটি অংশ নেন।
লক্ষ্য হলো সংঘাত নিরসন, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
এটি Track-I diplomacy (সরকারি পর্যায়ের আলোচনা)-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

উৎস: Stanford University Press. 

২০.
রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে প্রেরিত হন না কোন কূটনৈতিক ব্যক্তি ? 
  1. রাষ্ট্রদূত 
  2. হাইকমিশনার 
  3. কূটনৈতিক মন্ত্রী 
  4. চার্জ দ্য এফেয়ার্স 
ব্যাখ্যা

• চার্জ দ্য এফেয়ার্স (Chargé d’Affaires) - রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে নয়, বরং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রেরিত হন। সাধারণত রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে বা স্বল্পমেয়াদী দায়িত্বে থাকেন।

অন্যদিকে,
• রাষ্ট্রদূত (Ambassador) - সরাসরি রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে প্রেরিত হন এবং তিনিই কূটনৈতিক মিশনের প্রধান।
• হাইকমিশনার (High Commissioner) - কমনওয়েলথ দেশগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রদূতের সমতুল্য, তিনিও রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে প্রেরিত হন।
• কূটনৈতিক মন্ত্রী (Minister) - রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে প্রেরিত হন, তবে মর্যাদায় রাষ্ট্রদূতের নিচে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১। 

২১.
কিউবান বিপ্লব সংঘটিত হয় বিংশ শতাব্দির- 
  1. পঞ্চাশের দশকে 
  2. ষাটের দশকে
  3. সত্তরের দশকে
  4. আশির দশকে
ব্যাখ্যা

• কিউবা বিপ্লবের সময়কাল - ১৯৫৬ -১৯৫৯ সাল। 

• কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
-তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।
- ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার।
- কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন।
- বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তিন বছর পর চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।
- সংগঠিত হয়ে কাস্ত্রোর বিপ্লবী বাহিনী গেরিলা যুদ্ধে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২২.
'TPNW' কী বিষয় চুক্তি? 
  1. রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ 
  3. জৈবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

• TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৭৩টি।[আগস্ট, ২০২৫]
- স্বাক্ষরকারী: ৯৪টি। [আগস্ট, ২০২৫]
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: ICAN ওয়েবসাইট।

২৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? 
  1. জোসেফ স্ট্যালিন
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. ক্লেমেন্ট অ্যাটলি
  4. নেভিল চেম্বারলিন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) উইনস্টন চার্চিল ও ঘ) নেভিল চেম্বারলিন। 
​অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করে দেওয়া হলো। 
​--------------- 

​ • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:

- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল: জার্মানি, জাপান, ইতালি।
- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:-ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন,পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
​- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেন।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

উৎস: History.com.

২৪.
OSCE এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Organisation for Systematic Co-Operation in Europe
  2. Organisation for Strategic and Co-Operation in Europe
  3. Organisation for Security and Co-Operation in Europe
  4. Organisation for Strategic and co-existence in Europe
ব্যাখ্যা

• OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট। 

২৫.
রেনেসাঁর সূত্রপাত হয় - 
  1. ইতালিতে 
  2. ফ্রান্সে 
  3. ইংল্যান্ডে 
  4. জার্মানিতে 
ব্যাখ্যা

 রেনেসাঁ:
- রেনেসাঁ মানে হলো পুনর্জন্ম বা পুনর্জাগরণ।
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।
- ইউরোপে রেনেসাঁ শুরু হয় চতুর্দশ শতাব্দীতে।
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়।

উৎস: Britannica.com

২৬.
'ফার্ক' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. কলম্বিয়া
  2. পেরু 
  3. জাপান
  4. কম্বোডিয়া 
ব্যাখ্যা

• ফার্ক কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

• ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২৭.
সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মধ্যস্থতার জন্য ট্রাম্প ও পুতিন কোথায় বৈঠক করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. দোহা  
  2. আলাস্কা 
  3. শিকাগো 
  4. গ্রিনল্যান্ড 
ব্যাখ্যা

• ট্রাম্প - পুতিন বৈঠক:
• তারিখ ও স্থান: ১৫ আগস্ট ২০২৫, Joint Base Elmendorf–Richardson, আংকারিজ, আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র।
অংশগ্রহণকারী: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মূল উদ্দেশ্য: রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করা। 

উৎস: আল জাজিরা।

২৮.
ট্রুমান ডকট্রিন কত সালে প্রবর্তিত হয়?  
  1. ১৯৩৯ সালে 
  2. ১৯৪৪ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা

• ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডকট্রিনের প্রদান করা হয়েছিল।
- ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (৩৩তম প্রেসিডেন্ট, ১৯৪৫-১৯৫৩)।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধোত্তর গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- ওই প্রভাব কমানোর পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এলো।

উৎস: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান ও ব্রিটানিকা।

২৯.
'অসলো চুক্তি' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?  
  1. ১৯৭৮ সালে 
  2. ১৯৮৪ সালে 
  3. ১৯৯১ সালে 
  4. ১৯৯৩ সালে 
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.

৩০.
'খেমারুজ' কোন দেশ ভিত্তিক গেরিলা সংগঠন? 
  1. ফিলিপাইন 
  2. পেরু 
  3. কলম্বিয়া 
  4. কম্বোডিয়া 
ব্যাখ্যা

• খেমারুজ:
- খেমারুজ একটি সোশ্যালিস্ট গেরিলা সংগঠন ছিল।
- খেমারুজ নেতা ছিলেন পলপট। তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক সোশ্যালিস্ট স্বৈরশাসক।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পলপটের নেতৃত্বে খেমারুজ শাসনে কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন কারণে মারা যায় যা কম্বোডিয়া গণহত্যা নামে পরিচিত।
- ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনাম বাহিনী কম্বোডিয়া আক্রমণ করলে পলপট ও খেমারুজ শাসনের পতন ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩১.
লস্কর-ই-তাইয়্যেবা কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন? 
  1. পাকিস্তান
  2. আফগানিস্তান 
  3. জর্ডান 
  4. লেবানন 
ব্যাখ্যা

• লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩২.
'আইজেনহাওয়ার মতবাদ' কীসের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. ইউরোপ 
  2. মধ্যপ্রাচ্য 
  3. দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া 
  4. আফ্রিকা 
ব্যাখ্যা

• আইজেনহাওয়ার মতবাদ:
- আইজেনহাওয়ার মতবাদ (Eisenhower Doctrine) ১৯৫৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার ঘোষণা করেন।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে কমিউনিজমের প্রভাব ঠেকানো এবং সোভিয়েত প্রভাব বিস্তার রোধ করা।
- এই মতবাদের অধীনে, যে কোনো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যদি কমিউনিস্ট আগ্রাসনের মুখে পড়ে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহায়তা দেবে।
- এ টি ছিল শীতল যুদ্ধকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উৎস: Office of the Historian (.gov)। 

৩৩.
'ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১' কী সংক্রান্ত? 
  1. কূটনীতি 
  2. মানবাধিকার 
  3. যুদ্ধাপরাধ 
  4. সমুদ্র 
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations.
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।
মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৪.
'অপারেশন ডেজার্ট ফক্স' কোন দেশের উপর চালানো হয়? 
  1. ইরাক 
  2. কুয়েত 
  3. সিরিয়া 
  4. আফগানিস্তান 
ব্যাখ্যা

• অপারেশন ডেজার্ট ফক্স:
- ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য ইরাকি লক্ষ্যবস্তুতে চার দিনের বোমা হামলা চালায়।
- যুদ্ধটি সংঘটিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট ও ইরাকের মধ্যে।
- জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের সাথে সহযোগিতা করতে সাদ্দাম হোসেনের ক্রমাগত অস্বীকৃতির প্রতিক্রিয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৯৮ সালে অপারেশন DESERT FOX পরিকল্পনা করেছিল।
- এতে ইরাকের শতাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়, ব্যবহার করা হয় এক হাজারেরও বেশি বোমা এবং ক্রুজ মিসাইল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩৫.
NPT কী? 
  1. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা রোধ চুক্তি
  3. কৌশলগত পারমানবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি 
  4. রাসায়নিক অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা

 • 'NPT':
- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

৩৬.
যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল কোনটি? 
  1. প্রথম জেনেভা কনভেনশন
  2. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
  3. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন
  4. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

•  মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৩৭.
'Avangard' হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. ইরান 
ব্যাখ্যা

• Avangard:
- Avangard হলো রাশিয়ার তৈরি একটি হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল (HGV), যা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (ICBM) মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা যায়।
- এর গতি ম্যাক ২০ (শব্দের গতির ২০ গুণের বেশি), এবং এটি অত্যন্ত অনির্দেশ্য কৌশলে গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে, ফলে শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে সক্ষম।
- ২০১৮ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এটি উন্মোচন করেন এবং ২০১৯ সালের শেষ দিকে কার্যকরভাবে মোতায়েন শুরু হয়।
-এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমকে ভেদ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

উৎস: BBC ও Avangard Website. 

৩৮.
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৬৩ সালে 
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।