পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: ১. মধ্য-যুগের সাহিত্য ধারা; ২. মধ্যযুগের প্রধান প্রধান লেখক ও তাঁদের সাহিত্য কর্ম; ৩. বাংলা গদ্যের উৎপত্তি ও বিকাশ; ৪. বাংলা নাটকের উৎপত্তি ও বিকাশ; ৫. বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সাহিত্য কর্মের চরিত্র। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
'দ্বিতীয় বিদ্যাপতি' নামে খ্যাত কবি কে?
  1. ক) জ্ঞানদাস
  2. খ) দৌলত কাজী
  3. গ) বিজয় গুপ্ত
  4. ঘ) গোবিন্দদাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোবিন্দদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোবিন্দদাস
ব্যাখ্যা
গোবিন্দদাস:
- গোবিন্দদাস ছিলেন বৈষ্ণব পদকর্তা। 
- তিনি ছিলেন চৈতন্যত্তোরকালে খ্যাতি অর্জনকারী কবিদের একজন। 
- তিনি 'দ্বিতীয় বিদ্যাপতি' নামে খ্যাত কবি। 
- তার কাব্যগুরু ছিলেন মিথিলার কবি বিদ্যাপতি ৷ 
- তার রচিত সংস্কৃত নাটকের নাম 'সংগীতমাধব'। 
- তিনি পূর্বরাগ, অভিসার, মান, কলহস্তরিতা, বাসকসজ্জা, মাথুর প্রভৃতি পর্যায়ের পদকর্তা। 
- অভিসার পদ পর্যায়ে গােবিন্দদাস শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন। 
- সমালােচকের মতে অভিসার পর্যায়ে তিনি রাজাধিরাজ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।
.
'নবীবংশে'র দ্বিতীয় খণ্ডের নাম কী?
  1. ক) জ্ঞানপ্রদীপ
  2. খ) রসুল চরিত
  3. গ) জ্ঞানচৌতিশা
  4. ঘ) সত্যপীরের পুথি
সঠিক উত্তর:
খ) রসুল চরিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রসুল চরিত
ব্যাখ্যা
- 'নবীবংশে'র দ্বিতীয় খণ্ডের নাম- রসুল চরিত। 

সৈয়দ সুলতান
- সৈয়দ সুলতান ১৫৫০ সালে চট্টগ্রামের পটিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি মধ্যযুগের উল্লেখযোগ্য মুসলিম কবি। 
- তিনি পীর সৈয়দ হাসানের ভক্ত ছিলেন। 
- 'নবীবংশ' গ্রন্থটি রচনার জন্য বিখ্যাত হয়েছেন। 
- 'নবীবংশ' কাব্যটি পারসি কাব্য কাসাসুল আম্বিয়া কাব্যের অনুসরণে রচিত হয়। 
- এটি ১৫৮৪ সালে রচনা করেন যা হযরত মুহম্মদের জীবনীকাব্য নিয়ে রচিত।
- মধ্যযুগে রচিত  হযরত মুহম্মদের পূর্ণাঙ্গ জীবনী হিসেবে 'রসুল চরিত'ই শ্রেষ্ঠ কাব্য। 
- জ্ঞানপ্রদীপ ও জ্ঞানচৌতিশা তার রচিত গ্রন্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষার সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।
.
রামপ্রাসাদের গান শুনে কে অভিভূত হয়েছিলেন?
  1. ক) নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ
  2. খ) নবাব সিরাজউদৌলা
  3. গ) নবাব আলিবর্দি খাঁ
  4. ঘ) নবাব মীর কাশিম
সঠিক উত্তর:
খ) নবাব সিরাজউদৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নবাব সিরাজউদৌলা
ব্যাখ্যা
রামপ্রসাদ সেন:
- তিনি শাক্ত পদাবলীর আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি।
- তার গানের সুর 'রামপ্রসাদি সুর' নামে পরিচিত।
- তাঁর রচিত শ্যামা সঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় তিন'শ।
- শাক্ত সঙ্গীত/শ্যামা সঙ্গীত রচনা করে বিখ্যাত হয়েছিলেন- রামপ্রসাদ সেন।
- বিখ্যাত গান "মনরে কৃষি কাজ জান না এমন মানবজমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলতো সোনা"। 
- তার গান শুনে বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদৌলা অভিভূত হয়েছিলেন। 
- রামপ্রসাদ সেনকে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র 'কবিরঞ্জন' উপাধি দিয়েছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।
.
প্রথম বাংলা নাটক 'কাল্পনিক সংবদল' মঞ্চস্থ হয় -
  1. ক) বেঙ্গলি থিয়েটারে
  2. খ) ওরিয়েন্টাল থিয়েটারে
  3. গ) জোড়াসাঁকো নাট্যশালায়
  4. ঘ) মিনার্ভা থিয়েটারে
সঠিক উত্তর:
ক) বেঙ্গলি থিয়েটারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেঙ্গলি থিয়েটারে
ব্যাখ্যা
বাংলা নাটকের উৎস ও বিকাশ
- খ্রিস্টপূর্ব কাল থেকেই গ্রিসে নাট্যচর্চার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের শুরু হয়। 
- পেরিক্লিসের গ্রিসে এবং পরবর্তীকালে এলিজাবেথের ইংল্যান্ডে নাট্যচর্চায় ব্যাপক সমৃদ্ধি এসেছিল। 
- ১৭৯৫ সালের ২৭ নভেম্বর কলকাতার 'বেঙ্গলি থিয়েটারে' মঞ্চস্থ হয় প্রথম বাংলা নাটক 'কাল্পনিক সংবদল'
- রুশদেশীয় যুবক হেরাসিম লেবেডফ ইংরেজি নাটক 'দ্য ডিসগাইজ' বাংলায় রূপান্তর করে মঞ্চস্থ করেন। 
- 'দ্য ডিসগাইজ' এর বাংলায় রূপান্তরিত নাম 'কাল্পনিক সংবদল'। 
- নাটকটি বাংলায় রূপান্তর করতে গিয়ে লেবেডফ পণ্ডিত গোলকনাথ দাসের সহায়তা গ্রহণ করেছিলেন।

উৎস: বাংলা প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'পঞ্চাঙ্ক নাটক'ই হচ্ছে আদর্শ নাটক - কথাটি কে বলেছেন?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) অ্যারিস্টটল
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) অ্যালেকজান্ডার
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
নাটকের উৎস ও বিকাশ:
- একটি নাটকের গঠনকে প্রধানত পাঁচটি পর্বে বিভক্ত করা যায়। 
যথা- 
১। কাহিনীর আরম্ভ Exposition (মুখ), 
২। কাহিনীর ক্রমব্যাপ্তি Rising Action (প্রতিমুখ), 
৩। উৎকর্ষ বা চূড়ান্ত দ্বন্দ্ব Climax (গর্ভ), 
৪। গ্রন্থিমোচন Falling Action (বিমর্ষ) এবং 
৫। যবনিকাপাত Conclusion Denouement (উপসংহতি)। 

- উপরের পাঁচটি পর্যায়কে অবলম্বন করে রচিত হয় পঞ্চাঙ্ক নাটক। 
- একটি পর্যায় নিয়ে লেখা হয় একটি অঙ্ক। 
- অ্যারিস্টটলের মতে, পঞ্চাঙ্ক নাটকই হচ্ছে আদর্শ নাটক। 
- বর্তমানকালে নাট্যকারেরা পাঁচের চেয়ে কম অঙ্কে নাটক রচনা করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। 
- কখনো বা এক অঙ্কের পরিসরেই পাঁচটি পর্যায়কে ধারণ করে উৎকৃষ্ট নাটক লেখা হচ্ছে। 

উৎস: বাংলা প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন সাহিত্যিকের সাহিত্যকর্মে 'নবকুমার' চরিত্রটি পাওয়া যায়?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'কপালকুন্ডলা' উপন্যাসে 'নবকুমার' চরিত্রটি পাওয়া যায়
- এই উপন্যাসটি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে ও কপালকুণ্ডলার সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনীর মূল ঘটনা। 
- তাঁর রচিত কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের চরিত্র হলো:
• কপালকুণ্ডলা,
• নবকুমার,
• কাপালিক প্রমুখ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।
.
মূলত নাটকের প্রাণ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) কাহিনী
  2. খ) সংলাপ
  3. গ) চরিত্র
  4. ঘ) পরিবেশ
সঠিক উত্তর:
খ) সংলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংলাপ
ব্যাখ্যা
নাটকের উৎস ও বিকাশ:
- মানব জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা যখন সংলাপের আশ্রয়ে দর্শকদের সামনে উপস্থিত করা হয়, তখন তাকে নাটক বলে। 
- নাটকের সঙ্গে অন্যান্য সাহিত্যশাখার মৌলিক পার্থক্য হলো নাটকের সঙ্গে দর্শক ও স্রোতার সম্পর্ক সরাসরি ও প্রত্যক্ষ। 
- সাহিত্যের অন্যান্য শাখা মানুষ একাকী যখন ও যেভাবে ইচ্ছা উপভোগ করতে পারে, কিন্তু নাটক উপভোগ করতে হয় নির্দিষ্ট স্থানে ও নির্দিষ্ট সময়ে এবং সম্মিলিতভাবে। 
- প্রতিটি নাটকের মধ্যে চারটি প্রধান উপাদান থাকে।
যথা- 
১। কাহিনী বা বিষয়, 
২। চরিত্র, 
৩। সংলাপ এবং 
৪। পরিবেশ। 

সংলাপ
- সংলাপ কাহিনী ও চরিত্রকে সুস্পষ্ট করে পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। 
- এক চরিত্রের সঙ্গে অন্য চরিত্রের সংলাপ বিনিময়ের মধ্য দিয়েই নাট্যকাহিনী বিকশিত হয়। 
- বস্তুত সংলাপের মাধ্যমে তিনটি বিশেষ প্রয়োজন সাধিত হয়। 
যেমন- 
ক) নাট্যকারের বক্তব্য প্রকাশ ও প্রমাণ করার জন্য সংলাপ,
খ) চরিত্রসমূহের প্রকাশ ও বিকাশের জন্য সংলাপ এবং 
গ) নাটকের দ্বন্দ্বকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সংলাপ। 
- নাটকের সংলাপ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, সংলাপই মূলত নাটকের প্রাণ। 
- সংলাপের মাধ্যমেই নাট্য-পরিস্থিতি নির্মিত হয়। 
- সংলাপ ব্যর্থ হলে নাট্যরস ক্ষুন্ন হয়। 

উৎস: বাংলা প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।