পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়36 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩: পার্ট-১) বিষয়: বাংলা সাহিত্য টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, জহির রায়হান, জীবনানন্দ দাশ, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, দীনবন্ধু মিত্র, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, হাসান আজিজুল হক, হাসান হাফিজুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, হুমায়ূন আহমেদ। ২. অন্যান্য লেখকগণ: কাজী মোতাহার হোসেন, কামিনী রায়, কালীপ্রসন্ন সিংহ, কুসুমকুমারী দাশ, কায়কোবাদ, গিরিশচন্দ্র ঘোষ, গোলাম মোস্তফা, চণ্ডীচরণ মুনশী, জাহানারা ইমাম, জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন, জন ক্লার্ক মার্শম্যান, জোশুয়া মার্শম্যান, হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার, দাউদ হায়দার, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, দীনেশচন্দ্র সেন, রফিক আজাদ, হুমায়ুন কবির, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্ট-২) বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: i) বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল; ii) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ; iii) নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি; iv) বিভিন্ন গোয়েন্দা, গেরিলা ও জঙ্গী সংস্থা, বিদ্রোহী জোট [FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপানলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর - ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19] পার্ট-৩) বিষয়: গাণিতিক যুক্তি টপিক: জ্যামিতি: [i) রেখা, কোণ ও বৃত্ত সম্পর্কিত সমস্যা ও সমাধান; ii) ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
কোনটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্প?
  1. পঞ্চগ্রাম
  2. কালিন্দী
  3. কবি
  4. ডাক-হরকরা
সঠিক উত্তর:
ডাক-হরকরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাক-হরকরা
ব্যাখ্যা

• 'ডাক-হরকরা' গল্প:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমটি স্মরণীয় গল্প ‘ডাক-হরকরা’।  
- ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের কার্তিক সংখ্যা 'প্রবাসী' পত্রিকায় তারাশঙ্করের বিখ্যাত গল্প 'ডাক-হরকরা' প্রকাশিত হয়। 
- 'ডাক-হরকরা' গল্পটি তারাশঙ্করের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্প।
- এই গল্পে  দীনু ডাক-হরকরার মাথার মাথালী দড়ি দিয়ে চিবুকের সঙ্গে বাঁধা, শক্ত হাতে ধরা বল্লম, অন্য হাতে হারিকেনের কম্পমান শিখার ধোঁয়ার চিমনি কালো রঙ ধরেছে, ডাক-হরকরা তার অভ্যস্ত নির্দিষ্ট গতিতে ছুটে চলছে।

---------------
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য নিকেতন,
- পঞ্চগ্রাম,
- রাধা ইত্যাদি।

উৎস: 'ডাক-হরকরা' গল্প এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
সমাজের প্রাচীনপন্থীদের ব্যঙ্গ করে দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন কোনটি?
  1. বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ
  2. টালা অভিনয়
  3. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  4. এর উপায় কি
সঠিক উত্তর:
বিয়ে পাগলা বুড়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়ে পাগলা বুড়ো
ব্যাখ্যা

• 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' প্রহসন:
- সমাজের প্রাচীনপন্থীদের ব্যঙ্গ করে রচিত দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন 'বিয়ে পাগলা বুড়ো'।
- এটি (১৮৬৬) নাটকটি ১৮৭২ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- এ প্রহসনে বিবাহবাতিকগ্রস্ত এক বৃদ্ধের নকল বিয়ের আয়োজন করে স্কুলের অপরিপক্ক ছেলেরা কিভাবে তাকে নাস্তানাবুদ করে, সে কাহিনিই এ প্রহসনের বিষয়।

-----------------
তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রহসনগুলো হচ্ছে:
- বিয়ে পাগলা বুড়ো,
- সধবার একাদশী,
- জামাই বরিক।

অন্যদিকে:
• 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন।
• 'টালা অভিনয়' ও 'এর উপায় কি' মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রহসন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম। 

.
‘রূপসী বাংলার কবি’ হিসেবে খ্যাতি লাভ হয়েছেন-
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

• ‘রূপসী বাংলার কবি’ জীবনানন্দ দাশ:
গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ জীবনানন্দ দাশের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়। বিশেষত, রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থে যেভাবে আবহমান বাংলার চিত্ররূপ ও অনুসূক্ষ্ম সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়েছে, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ হিসেবে খ্যাত হয়েছেন।

তবে প্রকৃতির পাশাপাশি জীবনানন্দের শিল্পজগতে মূর্ত হয়েছে বিপন্ন মানবতার ছবি এবং আধুনিক নগরজীবনের অবক্ষয়, হতাশা, নিঃসঙ্গতা ও সংশয়বোধ।

------------------
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলি হচ্ছে-
- ধূসর পাণ্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- মহাপৃথিবী, 
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

.
'সাবিত্রী উপাখ্যান' হাসান আজিজুল হক রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. নাটক 
  2. উপন্যাস
  3. গল্পগ্রন্থ
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা

• 'সাবিত্রী উপাখ্যান' উপন্যাস:
- হাসান আজিজুল হকের উপন্যাস 'সাবিত্রী উপাখ্যান' প্রকাশ পায় তাঁর উপন্যাস 'আগুন পাখি'র (২০০৬) সাত বছর পর ২০১৩ সালে।
- বিশেষ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমাজমনস্ক উপন্যাস এটি। উপন্যাসটি একটি সত্য ঘটনা অবলম্বন করে লেখা।

---------------------
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য,
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- জীবন ঘষে আগুন,
- নামহীন গোত্রহীন,
- পাতালে হাসপাতালে,
- আমরা অপেক্ষা করছি,
- রোদে যাবো,
- মা-মেয়ের সংসার,
- নির্বাচিত গল্প,
- রাঢ়বঙ্গের গল্প।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বৃত্তায়ন,
- শিউলি,
- আগুনপাখি,
- সাবিত্রী উপাখ্যান।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কথাসাহিত্যের কথকতা,
- অপ্রকাশের ভার,
- অতলের আঁধি,
- ছড়ানো ছিটানো,
- কথা লেখা কথা।

তাঁর রচিত সম্পাদনা:
- জি.সি. দেব রচনাবলী,
- অসীমান্তিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'আগুনপাখি' উপন্যাস, হাসান আজিজুল হক।

.
'আর্ত শব্দাবলী' কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. রফিক আজাদ
  4. হুমায়ুন কবির
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

• 'আর্ত শব্দাবলী' হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে।

---------------------
• হাসান হাফিজুর রহমান:
- হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সমালোচক। তিনি ১৯৩২ সালে জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সম্পাদনায় ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি'।
- 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র' তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- তাড় প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিমুখ প্রান্তর'।
- তিনি ১৯৮৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- আধুনিক কবি ও কবিতা,
- মূল্যবোধের জন্য,
-সাহিত্য প্রসঙ্গ,
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিবিম্ব,
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- শোকার্ত তরবারি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- আরো দুটি মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. সাড়ে তিন হাত ভূমি
  2. এক যুবকের ছায়াপথ
  3. সৌরভ
  4. বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ
সঠিক উত্তর:
সৌরভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরভ
ব্যাখ্যা

• 'সৌরভ' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস 'সৌরভ'।
- উপন্যাসটি ১৯৮৪ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- শফিক উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। 

উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত চরিত্রসমূহ হলো-
- শফিক,
- রফিক,
- কাদের,
- নেজাম,
- আজিজ সাহেব,
- শীলা,
- লুনা। 

অন্যদিকে, 
• 'সাড়ে তিন হাত ভূমি' ইমদাদুল হক মিলন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।  
• সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'এক যুবকের ছায়াপথ'।
• সরদার জয়েনউদ্দিন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ'। 

উৎস: সৌরভ' উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদ।

.
'জীবনপথে' সনেট সংগ্রহটি কোন কবির রচনা?
  1. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  2. কুসুমকুমারী দাশ
  3. কায়কোবাদ
  4. কামিনী রায়
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
ব্যাখ্যা

'জীবনপথে' কামিনী রায় রচিত একটি সনেট সংগ্রহ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে।

-----------------
• কামিনী রায়:
- কামিনী রায় ছিলেন কবি ও সমাজকর্মী। ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ সালে। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভূমিকা লিখে দেন।
- বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগত্তারিণী পদক (১৯২৯) লাভ করেন।
- ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নির্মাল্য,
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন (শিশুকাব্য),
- ধৰ্ম্মপুত্র (অনুবাদ),
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোকসঙ্গীত (সনেট),
- অম্বা (নাট্যকাব্য),
- বালিকা শিক্ষার আদর্শ,
- ঠাকুরমার চিঠি,
- দীপ ও ধূপ,
- জীবনপথে (সনেট)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থ রচনার দায়ে কবিকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়?
  1. বুলবুল
  2. প্রলয় শিখা
  3. জিঞ্জীর 
  4. চক্রবাক 
সঠিক উত্তর:
প্রলয় শিখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রলয় শিখা
ব্যাখ্যা

• 'প্রলয় শিখা' কাব্যগ্রন্থ:
- প্রলয় শিখা কাজী নজরুল ইসলামের রচিত ষোড়শ কাব্যগ্রন্থ। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দের আগষ্ট মাসে ৫০/২ মসজিদ বাড়ি স্ট্রিট, কলিকাতা থেকে গ্রন্থাকার কর্তৃক প্রলয়-শিখা প্রকাশিত হয়।
 
- প্রলয়-শিখা-র জন্য নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। ১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত আদালতের রায়ে নজরুলের ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ হয়, নজরুল হাইকোর্টে আপিল ও জামিন লাভ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং 'প্রলয় শিখা' কাব্যগ্রন্থ। 

.
'বিদ্যাভূষণ' কোন কবির উপাধি?
  1. কায়কোবাদ
  2. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  4. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা

• কায়কোবাদ:
- কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৫১) ছিলেন আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি, তিনি বাঙ্গালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট রচয়িতা এবং আধুনিক বাংলাসাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি।
- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী, 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- অতি অল্পবয়স থেকে কায়কোবাদের সাহিত্য-প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে। মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য বিরহবিলাপ (১৮৭০) প্রকাশিত হয়।
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কবি কায়বোবাদকে কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ ও সাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে:
- কুসুম কানন,
- অশ্রুমালা,
- মহাশ্মশান,
- শিব-মন্দির,
- অমিয়ধারা,
- শ্মশান-ভস্ম ও
- মহরম শরীফ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
'রক্তরাগ' গোলাম মোস্তফা রচিত কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. গদ্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস 
  3. প্রবন্ধ
  4. কাব্যগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• 'রক্তরাগ' গোলাম মোস্তফা রচিত কাব্যগ্রন্থ। 
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। 

--------------------
• গোলাম মোস্তফা:

- গোলাম মোস্তফা ছিলেন কবি ও লেখক। ১৮৯৭ সালে যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- তিনি পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
- তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।
- সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যশোর সংঘ কর্তৃক 'কাব্য সুধাকর' (১৯৫২) এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক 'সিতারা-ই-ইমতিয়াজ' (১৯৬০) উপাধি লাভ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রক্তরাগ,
- খোশরোজ,
- কাব্যকাহিনী,
- গীতি সঞ্চয়ন,
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- বনি আদম ইত্যাদি।

তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- মুসাদ্দাস-ই-হালী,
- কালামে ইকবাল,
- শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া (১৯৬০)।

তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- বিশ্বনবী,
- ইসলাম ও জেহাদ,
- ইসলাম ও কমিউনিজম,
- আমার চিন্তাধারা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
'চতুরঙ্গ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
  1. রফিক আজাদ
  2. হুমায়ুন কবির
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. আবুল হুসেন 
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন কবির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন কবির
ব্যাখ্যা

• 'চতুরঙ্গ' পত্রিকা:
- 'চতুরঙ্গ' পত্রিকা সম্পাদনা করে হুমায়ুন কবির স্মরণীয় হয়ে আছেন।
- বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে ত্রৈমাসিক ‘চতুরঙ্গ’ অবিস্মরণীয় নাম। ‘চতুরঙ্গ’-এর প্রথম সংখ্যা (আশ্বিন ১৩৪৫) বের হয় ১৯৩৮ খ্ৰীষ্টাব্দের শেষ দিকে, অক্টোবর মাসে। তবে উদ্যোগ শুরু হয়েছিল বছরের প্রথম দিকেই।

- ঐ ঐতিহাসিক উদ্যোগের প্রধান তিন কলাকুশলী হুমায়ুন কবির (১৯০৬-১৯৬৯), বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪), আতাউর রহমান। তবে প্রথম থেকেই হুমায়ুন কবিরই ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং 'চতুরঙ্গ' পত্রিকা।

১২.
প্রতীকী কাহিনির মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয়েছে জহির রায়হানের কোন চলচ্চিত্রে?
  1. লেট দেয়ার বি লাইট
  2. বাহানা
  3. স্টপ জেনোসাইড
  4. জীবন থেকে নেয়া
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
ব্যাখ্যা

জীবন থেকে নেয়া:
 • 'জীবন থেকে নেওয়া' জহির রায়হান পরিচালিত একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র যা ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তি পায়।
 • চলচ্চিত্রটি পারিবারিক আবহে নির্মিত হলেও এর অন্তর্নিহিত পটভূমি ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম।

 • 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে প্রতীকী কাহিনির মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

অন্যদিকে,
------------------
 •  জহির রায়হান 'লেট দেয়ার বি লাইট' নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।

 •  ১৯৭১-এর ২৫ মার্চের পর জহির রায়হান কলকাতায় যান। সেখান থেকে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত 'স্টপ জেনোসাইড' নির্মাণ করেন। ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

 • জহির রায়হানের উর্দু ছবি 'বাহানা' ছিল একটি সিনেমাস্কোপ। এটি হলো একটি উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র। পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এটি ছিল প্রথম সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি ১৯৬৫ সালের ১৬ এপ্রিল মুক্তি পায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৩.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. বুকের ভেতর আগুন
  2. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  3. গজকচ্ছপ
  4. ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস
সঠিক উত্তর:
বুকের ভেতর আগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুকের ভেতর আগুন
ব্যাখ্যা

• 'বুকের ভেতর আগুন':
- এটি জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস।
- এটি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়। এখানে রংপুরের পীরগঞ্জের কথা উল্লেখ আছে।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: নান্টু, শান্টু, মোহন।

-----------------------
জাহানারা ইমাম রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- গজকচ্ছপ,
- সাতটি তারার ঝিকিমিকি,
- অন্য জীবন,
- বুকের ভিতর আগুন,
- শেক্সপিয়রের ট্রাজেডি,
- নাটকের অবসান,
- নিঃসঙ্গ পাইন,
- ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস,
- প্রবাসের দিনগুলি।

অন্যদিকে, 
• 'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে' হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং 'বুকের ভেতর আগুন' উপন্যাস, জাহানারা ইমাম।

১৪.
জসীম উদ্‌দীন রচিত কোন গ্রন্থটি 'ফোক টেল্স অব ইষ্ট পাকিস্তান' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে?
  1. জারীগান
  2. বাঙালীর হাসির গল্প
  3. মুর্শীদা গান
  4. নক্সী কাঁথার মাঠ
সঠিক উত্তর:
বাঙালীর হাসির গল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালীর হাসির গল্প
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন রচিত বাঙালীর হাসির গল্প গ্রন্থটি 'ফোক টেল্স অব ইষ্ট পাকিস্তান' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
• জসীম উদ্‌দীন রচিত নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যটি 'দি ফিল্ড অব এমব্রয়ডার্ড কুইল্ট' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।

• জসীম উদ্‌দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। ১৯৬৮ সালে তাঁর সম্পাদনায় কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত হয় জারীগান।  জারি গান একান্তভাবেই বাংলাদেশের নিজস্ব সৃষ্টি। এ গ্রন্থে জারি গানের মোট ২৩টি পালা সংকলিত হয়েছে। গ্রন্থের ভূমিকায় জসীমউদ্দীন জারি গানের উৎস এবং বিভিন্ন এলাকার জারি গানের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন। দ্বিতীয় গ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৫.
'স্বাক্ষর' পত্রিকার সম্পাদনার সাথে যুক্ত ছিলেন-
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. কাজী মোতাহার হোসেন
  4. রফিক আজাদ
সঠিক উত্তর:
রফিক আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক আজাদ
ব্যাখ্যা

• 'স্বাক্ষর' পত্রিকা:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে উত্তাল ষাটের দশকে যে-কয়েকটি লিটল ম্যাগাজিন ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল, 'স্বাক্ষর' এগুলোর একটি। ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে 'স্বাক্ষর-এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

- এর সম্পাদক ছিলেন দুই কবি; রফিক আজাদ ও সিকদার আমিনুল হক। পরে বিভিন্নজন এর সম্পাদকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: ইমরুল চৌধুরী, প্রশান্ত ঘোষাল, আসাদ চৌধুরী, রণজিৎ পালচৌধুরী।

- সাহিত্যে প্রথাবদ্ধতার বিরুদ্ধে ছিল এঁদের সংগ্রাম। রবীন্দ্র-রোম্যান্টিকতা, জীবনানন্দীয় প্রণয়- আকুলতা, সমাজবাদী মতবাদনিষ্ঠতার বিরুদ্ধে পাশ্চাত্য দর্শন প্রভাবিত হয়ে 'স্বাক্ষরে'র লেখকগণ লেখনীধারণ করেন।

- জীবনের নর্থকতাকে পরিত্যাজ্য মনে করেন নি তাঁরা। যৌনতা, বিশেষ করে নাগরিক যৌনাচার নানা মাত্রায় উঠে এসেছে তাঁদের সাহিত্যে। বাংলাদেশের বাংলা সাহিত্য বিকাশে সে কারণে 'স্বাক্ষর'-এর ভূমিকা প্রশংসার্হ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
  2. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  3. সব কিছু ভেঙে পড়ে
  4. পাক সার জমিন সাদ বাদ
সঠিক উত্তর:
কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
ব্যাখ্যা

• 'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' কাব্যগ্রন্থ:
- 'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 

- হুমায়ুন আজাদ প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে এমন একগুচ্ছ কবিতা, যা সাম্প্রতিক কবিতার দূষণমুক্ত- নিবিড়, অন্তরঙ্গ, অমল এই কবিতারাশি, এবং এর ভাষা ভিন্ন, গভীর অনুভূতির ছোঁয়ায় যা পংক্তিতে পংক্তিতে আলোড়িত।

- হুমায়ুন আজাদের এই কবিতারাশিতে যা বড়ো হয়ে ধরা পড়েছে, তা হচ্ছে প্রাজ্ঞতা, যার বড়ো অভাব আমাদের কবিতায়। আমাদের কবিদের বয়স বাড়ে না, তারা প্রাজ্ঞ হন না, থেকে যাওয়ার চেষ্টা করেন উত্তেজিত যৌবনে; কিন্তু হুমায়ুন আজাদ এগিয়েছেন সামনের দিকে।

---------------------
হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস:
- আব্বুকে মনে পড়ে,
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ।

উৎস: 'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' কাব্যগ্রন্থ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
OSCE (Organization for Security and Cooperation in Europe)-এর সূচনা হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. হেলসিঙ্কি চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ব্রাসেলস চুক্তি
  4. বুদাপেস্ট চুক্তি
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
ব্যাখ্যা

OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন। 
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু  (তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট। [link]

১৮.
সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. ভারত ও নেপাল 
  2. নেপাল ও ভুটান
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

অন্যদিকে,
• ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
• ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১৯.
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা মূলত কার সমর্থনপুষ্ট?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইরান
  3. তুরস্ক
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

হুতি বিদ্রোহী:
- হুতি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- হুতি একটি শিয়া ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- হুতিরা আনসারুল্লাহ নামে পরিচিত।
- ১৯৯০ এর দশকে এই গোষ্ঠীটির উত্থান।
- উত্তর ইয়েমেনের শাদা শহরে হুতি বিদ্রোহের জন্ম। জাইদি শিয়া বাহিনী থেকে এর উৎপত্তি।
- তাদের নেতা নির্বাচন করা হতো হুতি উপজাতি থেকে।
- তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি।
- হুথিরা ২০১৪ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

⇒ হুতি বিদ্রোহীরা মূলত ইরান-সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী।
- তারা গাজার হামাস ও লেবাননের হিজবুল্লাহর মতোই ইসরায়েলবিরোধী 'এক্সিস অব রেসিস্টেন্স' বা 'প্রতিরোধ অক্ষের' অংশ।
- ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহে জাহাজগুলোয় হামলা চালায় এই গোষ্ঠী।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

২০.
FARC সংগঠনটি কোন দেশে সক্রিয় ছিল?
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. কিউবা
  3. কলম্বিয়া
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

FARC:
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। 

উল্লেখ্য, 
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সানতোস ফার্ক গেরিলাদের সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফার্ক গ্যারিলাদের একটি শান্তি এলাকায় রাখা হয়েছে, যাতে করে তাদেরকে পুনর্বাসন করা যায়।

উৎস: Britannica.

২১.
'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' সংগঠনটি কোন ঘটনার সাথে জড়িত?
  1. মিউনিখ অলিম্পিক, ১৯৭২
  2. লেবানন যুদ্ধ, ২০০৬
  3. কিউবান বিপ্লব, ১৯৫৯
  4. ২য় বিশ্বযুদ্ধ 
সঠিক উত্তর:
মিউনিখ অলিম্পিক, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিউনিখ অলিম্পিক, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- Black September ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর গঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- বিলুপ্ত ঘোষিত হয়: ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির মিউনিখ শহরে।
- জার্মানিতে মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণ করে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে।
- এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- অন্যদিকে অপহরণকারীদের বেশির ভাগ পুলিশের হাতে প্রাণ হারান।
- এ কারণে আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.

২২.
START চুক্তি মূলত কোন ধরণের অস্ত্র হ্রাসের জন্য গৃহীত হয়েছিল?
  1. জৈব অস্ত্র
  2. রাসায়নিক অস্ত্র
  3. পারমাণবিক কৌশলগত অস্ত্র
  4. ভূমি মাইন
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক কৌশলগত অস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক কৌশলগত অস্ত্র
ব্যাখ্যা

START চুক্তি:
- START-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা কমানো এবং যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ এটি দুটি মূল চুক্তি অন্তর্ভুক্ত:
- START-I (৩১ শে জুলাই ১৯৯১): এই চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু আক্রমণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর জন্য সম্মত হয়েছিল। চুক্তিটি ২০০৯ সালে শেষ হয়।

- START-II (৩ জানুয়ারি ১৯৯৩): এটি START I-এর পরে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার কারণে এটি কার্যকর হয়নি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে, New START চুক্তি (২০১০ সালে স্বাক্ষরিত) কার্যকর রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের একটি আধুনিক সংস্করণ।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।

২৩.
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে সংঘাত হয়েছিল কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
  2. স্পেন ও ফ্রান্স
  3. ব্রাজিল ও চিলি
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- এর অপর নাম ইসলাস মালভিনাস।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ–শাসিত দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৪৮০ কিমি দূরে।
- রাজধানী হল স্ট্যানলি।

উল্লেখ্য,
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৮২ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.

২৪.
ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখলকে কেন্দ্র করে কত সালে রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব শুরু হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে 
  3. ২০১৬ সালে 
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে 
ব্যাখ্যা

রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব:
- রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব ২০১৪ সালে শুরু হয়।

- ২০১৪ রাশিয়া ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে এবং ইউক্রেনের ডোনবাস অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তৈরি করে।
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুইটি অঞ্চল ‘দোনেৎস্ক’ ও ‘লুহানস্ক' কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা শুরু করে রাশিয়া, এটি ইউক্রেন যুদ্ধ নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়া ইউক্রেনকে ন্যাটো সদস্য হওয়া থেকে বিরত রাখতে এবং তার রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চায়। ইউক্রেনের শহরগুলোতে ব্যাপক ধ্বংস এবং হাজার হাজার হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পশ্চিমা দেশগুলি ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানায়। যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

২৫.
নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে সংঘাত প্রধানত কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান 
  2. গ্রিস ও তুরস্ক
  3. ইরান ও ইরাক
  4. রাশিয়া ও ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান 
ব্যাখ্যা

নাগার্নো-কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান-এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ সম্প্রতি ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

উৎস: i) Britannica.
         ii) Reuters.

২৬.
Lashkar-e-Taiba কোন দেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন?
  1. আফগানিস্তান
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. লেবানন 
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা পাকিস্তান ভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত । 
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC. 

২৭.
২০২৫ সালের হেগ সম্মেলনে NATO ভুক্ত দেশগুলো তাদের জিডিপির কত শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে?
  1. ২%
  2. ৩%
  3. ৪%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উল্লেখ্য,
- এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২৮.
মোট কয়টি দেশের সমন্বয়ে Warsaw Pact গঠিত হয়েছিল? 
  1. ৬টি 
  2. ৭টি 
  3. ৮টি 
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি 
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

২৯.
NATO'র অনুচ্ছেদ-৫ প্রথম কবে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে
  2. ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর
  3. ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণে
  4. ২০১৪ সালের ইউক্রেন সংকটে
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে। এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।

⇒ ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
- আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
• NATO র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

• নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৩০.
বর্তমানে পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল মূলত কেন সংঘাতপূর্ণ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. কৃষি শিল্পের জন্য
  2. তেল ও গ্যাস খনির জন্য
  3. স্বর্ণের খনি আছে বলে
  4. কয়লা ও ইস্পাত শিল্পের জন্য
সঠিক উত্তর:
কয়লা ও ইস্পাত শিল্পের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা ও ইস্পাত শিল্পের জন্য
ব্যাখ্যা

পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলটি মূলত কয়লা ও ভারী শিল্পের জন্য সংঘাতপূর্ণ। এই অঞ্চলটি কয়লা খনি, ইস্পাত কারখানা এবং অন্যান্য ভারী শিল্পের জন্য পরিচিত, যা ইউক্রেনের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। 

ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল:

- দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল নিয়ে দনবাস গঠিত হয়েছে।
- ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল মূলত কয়লা শিল্প ও ইস্পাত/ভারী শিল্প-এর জন্য বিখ্যাত।

⇒ ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক এলাকা ইউক্রেনের শিল্পাঞ্চল হিসেবে খ্যাত। এই অঞ্চলে ইউক্রেনের রুশভাষী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ বসবাস করে। ইউক্রেনের কয়লাভিত্তিক অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল এই দনবাস এলাকা।
- খনিজসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে আছে ইউরোপের চতুর্থ বৃহত্তম কয়লাক্ষেত্র। এখানে উত্তোলনযোগ্য কয়লার মজুত আছে এক হাজার কোটি টনের বেশি। এ ছাড়া দনবাসে থাকা ১১৫টি কয়লাখনি থেকে বছরে প্রায় ৭ কোটি টন কয়লা উৎপাদিত হয়। দোনেৎস্ক অঞ্চলে আছে আটটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- অন্যদিকে লুহানস্ক হচ্ছে ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পরিবহনকেন্দ্র। পাশাপাশি এলাকাটি ধাতুবিদ্যা, যন্ত্রপাতি ও কৃষিশিল্পের জন্যও সুপরিচিত। এখানে রাসায়নিক, ওষুধ কারখানা ও বেশ কয়েকটি কয়লাখনি আছে। সব মিলিয়ে ইউক্রেনের শিল্প উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশের কেন্দ্র হচ্ছে এই দনবাস এলাকা। 

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

৩১.
যদি কোন বৃত্তের ক্ষেত্রফল 49π হয়, তাহলে তার পরিধি কত?
  1. 14π
  2. 16π
  3. 12π
সঠিক উত্তর:
14π
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14π
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কোন বৃত্তের ক্ষেত্রফল 49π হয়, তাহলে তার পরিধি কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

প্রশ্নমতে,
πr2= 49π
⇒ r2= 49
∴ r = 7

∴ পরিধি = 2πr
= 2 × π × 7
= 14π

৩২.
চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ২ : ৩ : ৩ : ৪ হলে, ক্ষুদ্রতম কোণের মান কত?
  1. ৪৫°
  2. ৯০°
  3. ৭৫°
  4. ৬০°
সঠিক উত্তর:
৬০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ২ : ৩ : ৩ : ৪ হলে, ক্ষুদ্রতম কোণের মান কত?

সমাধান:
আমরা জানি 
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০°

দেওয়া আছে,
চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত = ২ : ৩ : ৩ : ৪
অনুপাতগুলোর সমষ্টি = ২ + ৩ + ৩ + ৪ = ১২

∴ প্রতিটি অনুপাতের মান = ৩৬০°/১২ = ৩০°

∴ ক্ষুদ্রতম কোণ = ২ × ৩০° = ৬০°

৩৩.
x - 2y - 10= 0 এবং 2x + y - 3 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
  1. 2
  2. 1
  3. - 2
  4. - 1
সঠিক উত্তর:
- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x - 2y - 10= 0 এবং 2x + y - 3 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x - 2y - 10 = 0 এবং 2x + y - 3 = 0 

আমরা জানি,
সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ, y = mx + c [যেখানে, m = ঢাল]

এখন,
প্রথম রেখার ঢাল:
x - 2y - 10 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ 2y = x - 10
∴ y = (1/2)x - 5  
সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 1/2

আবার,
দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
2x + y - 3 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ y = - 2x + 3  
সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = - 2

∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1× m2
= (1/2) × (- 2) = - 1  
এই দুটি রেখা পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1.

৩৪.
যদি কোন বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের পার্থক্য 120 সে.মি. হয় তবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?
  1. 28 সে.মি.
  2. 36 সে.মি.
  3. 14 সে.মি.
  4. 24 সে.মি.
সঠিক উত্তর:
28 সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
28 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কোন বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের পার্থক্য 120 সে.মি. হয় তবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের ব্যাস = 2r
বৃত্তের পরিধি = 2πr

প্রশ্নমতে,
2πr - 2r = 120
⇒ 2r(π - 1) = 120
⇒ r = (120/2)/{(22/7) - 1}
⇒ r = 60/{(22 - 7)/7}
⇒ r = (60 × 7)/15
∴ r = 28

∴ বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = 28 সে.মি.

৩৫.
একটি ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ২৫ বর্গফুট। যদি উচ্চতা ২ ফুট এবং সমান্তরাল বাহুদুইটি একটি অপরটির থেকে ১ ফুট বেশি হলে বড় বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২৫ ফুট
  2. ১৩ ফুট
  3. ১২ ফুট
  4. ১০ ফুট
সঠিক উত্তর:
১৩ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ ফুট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ২৫ বর্গফুট। যদি উচ্চতা ২ ফুট এবং সমান্তরাল বাহুদুইটি একটি অপরটির থেকে ১ ফুট বেশি হলে বড় বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
বড় বাহুর দৈর্ঘ্য = ক ফুট 
∴ ছোট বাহুর দৈর্ঘ্য = (ক - ১) ফুট 

দেওয়া আছে,
উচ্চতা = ২ ফুট 
ক্ষেত্রফল = ২৫ বর্গফুট 

প্রশ্নমতে,
(১/২) × উচ্চতা × {ক + (ক - ১)} = ২৫
⇒ (১/২) × ২ × (২ক - ১) = ২৫
⇒ ২ক - ১ = ২৫
⇒ ২ক = ২৫ + ১
⇒ ২ক = ২৬
⇒ ক = ২৬/২
⇒ ক = ১৩

অর্থাৎ বড় বাহুটির দৈর্ঘ্য = ১৩ ফুট

∴  রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য= (2 × 5) = 10 সে.মি.  এবং (3 × 5) = 15 সে.মি. 

অর্থাৎ রম্বসের ছোট কর্ণটির দৈর্ঘ্য = 10 সে.মি. 

৩৬.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ উভয়ই ১০% বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বৃদ্ধি পাবে?
  1. ৯%
  2. ১১%
  3. ২১%
  4. ৩১%
সঠিক উত্তর:
২১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ উভয়ই ১০% বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান:
ধরি,
দৈর্ঘ্য = ক এবং প্রস্থ = খ
∴ ক্ষেত্রফল = কখ

আবার,
নতুন দৈর্ঘ্য = ক + (ক এর ১০%) = ১.১ক
নতুন প্রস্থ = খ + (খ এর ১০%) = ১.১খ
∴ নতুন ক্ষেত্রফল = ১.১ক × ১.১খ = ১.২১ কখ

∴ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ১.২১ কখ - কখ = ০.২১কখ

∴ ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি পাবে = (০.২১কখ/কখ) × ১০০% = ২১%

সুতরাং ক্ষেত্রফল ২১% বৃদ্ধি পাবে।

৩৭.
একটি বর্গক্ষেত্র ও একটি রম্বসের ক্ষেত্রফল সমান। রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে ৮ মিটার ও ১৬ মিটার হলে, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?
  1. ৬৪ মিটার
  2. ৪২ মিটার
  3. ৪৮ মিটার
  4. ৩২ মিটার
সঠিক উত্তর:
৩২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্র ও একটি রম্বসের ক্ষেত্রফল সমান। রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে ৮ মিটার ও ১৬ মিটার হলে, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
= (১/২) × ৮ × ১৬
= ৬৪ বর্গমিটার

বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৬৪ বর্গমিটার
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = √৬৪ = ৮ মিটার

∴ বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা = ৪ × ৮ মিটার
= ৩২ মিটার

৩৮.
একটি কোণ তার পূরক কোণ অপেক্ষা 20° কম হলে কোণটির মান কত?
  1. 35°
  2. 20°
  3. 67°
  4. 70°
সঠিক উত্তর:
35°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
35°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কোণ তার পূরক কোণ অপেক্ষা 20° কম হলে কোণটির মান কত?

সমাধান:
মনে করি,
কোণটির মান = ক 

প্রশ্নমতে,
(90 - ক) - ক = 20°
⇒ 90° - 2ক = 20°
⇒ 2ক = 90° - 20°
⇒ 2ক = 70°
⇒ ক = 70°/2
⇒ ক = 35°

৩৯.
৪ সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৭২ বর্গ সেমি
  2. ৪৪ বর্গ সেমি
  3. ৩২ বর্গ সেমি
  4. ৫২ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর:
৩২ বর্গ সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ বর্গ সেমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪ সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
বৃত্তের ব্যাস = ব্যাসার্ধ × ২ = (৪ × ২) = ৮ সেমি

আমরা জানি,
বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের কর্ণ বৃত্তের ব্যাসের সমান।

ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সে.মি.
∴ কর্ণের দৈর্ঘ্য = √২ × ক সে.মি.

প্রশ্নমতে,
√২ × ক = ৮
⇒ ক = ৮/√২

∴ বর্গক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল = (৮/√২)বর্গ সেমি
= ৬৪/২ বর্গ সেমি
= ৩২ বর্গ সেমি

৪০.
২৫৩° কোণকে কী কোণ বলে?
  1. পূরক কোণ
  2. সূক্ষ্মকোণ
  3. স্থূলকোণ
  4. প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৫৩° কোণকে কী কোণ বলে? 

সমাধান: 
- যে কোণের পরিমাণ ১৮০° থেকে বা দুই সমকোণের চেয়ে বড় কিন্তু ৩৬০° থেকে ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে। 
সুতরাং, ২৫৩° কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে। 

অন্যদিকে, 
- দুইটি কোণের সমষ্টি ৯০° হলে,  কোণ দুইটির একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে।