পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬২: আইন বিষয়াবলী - ২৪ Subject: The Constitutional Law Topic: Articles 142-153 (Part X: Amendment of the Constitution, Part XI: Miscellaneous), Constitutional Amendments, General Clauses Act, 1897 & Concept of Law of Interpretation.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
সংবিধান সংশোধন বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর পর কতদিনের মধ্যে তিনি সম্মতি প্রদান করবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
.
"Amicus Curiae" এর অর্থ কী?
  1. আদালতের বন্ধু
  2. বাদী পক্ষের বন্ধু
  3. আদালতের বিচারক
  4. বিবাদীর আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
আদালতের বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বন্ধু
ব্যাখ্যা
Amicus Curiae হল ''friend of the court'' আদালতের বন্ধু।
- যিনি আইন বা বাস্তবতার প্রশ্ন সম্পর্কিত তথ্য বা পরামর্শ প্রদান করে আদালতকে সহায়তা করেন।
- অনেক সময় দেখা যায় বিজ্ঞ আদালত কোন জটিল মামলার রায়ের ব্যাপারে আইন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন।
- সে ক্ষেত্রে উক্ত বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালত এক বা একাধিক অভিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয়কে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তিগণ ঐ সমস্যার সমাধান তাদের নিজের অভিজ্ঞতা ও আইনের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করেন অতঃপর তাদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত বিজ্ঞ আদালতের নিকট অবহিত করেন।
.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩(২৬) অনুযায়ী "কারাদণ্ড" _________ সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
  1. সংবিধানে
  2. ফৌজদারি কার্যবিধিতে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধিতে
  4. দণ্ডবিধিতে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধিতে
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
.
What is the official title of the Constitution as per Article 153?
  1. Constitution of Bangladesh
  2. People’s Constitution of Bangladesh
  3. National Constitution of Bangladesh
  4. Constitution of the People's Republic of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
Constitution of the People's Republic of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Constitution of the People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
Article 153 of the Constitution of Bangladesh: Commencement, citation and authenticity-
(1) This Constitution may be cited as the Constitution of the People's Republic of Bangladesh and shall come into force on the sixteenth day of December, 1972, in this Constitution referred to as the commencement of this Constitution. 
 
(2) There shall be an authentic text of this Constitution in Bengali, and an authentic text of an authorised translation in English, both of which shall be certified as such by the Speaker of the Constituent Assembly. 
 
(3) A text certified in accordance which clause (2) shall be conclusive evidence of the provisions of this Constitution: 
Provided that in the event of conflict between the Bengali and the English text, the Bengali text shall prevail.
.
জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক চুক্তি কীভাবে পেশ করা হয়?
  1. গেজেট আকারে
  2. সংসদের গোপন বৈঠকে
  3. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে
  4. মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি:
বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।
.
According to Section 3(15) of The General Clauses Act, 1897, "District Judge" means:
  1. The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
  2. The High Court Division exercising its civil jurisdiction.
  3. Any judge appointed to hear civil cases in a district court.
  4. The judge of any high court dealing with civil cases.
সঠিক উত্তর:
The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The judge of a principal Civil Court of original jurisdiction.
ব্যাখ্যা
Section 3(15) of The General Clauses Act,1897,
"District Judge" shall mean the Judge of a principal Civil Court of original jurisdiction, but shall not include the High Court Division in the exercise of its ordinary or extraordinary original civil jurisdiction:

ধারা ৩(১৫) -
"জেলা বিচারক" অর্থ হবে একটি প্রধান দেওয়ানি আদালতের বিচারক, তবে এর মধ্যে উচ্চ আদালত বিভাগের সাধারণ বা বিশেষ দেওয়ানি বিচারিক ক্ষমতার অধীনে কার্যরত বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবে না।
.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" প্রবচনটি কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?
  1. অপরাধীর বিচার প্রক্রিয়া
  2. অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণ
  3. অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
  4. অপরাধ সংঘটনের সময় তার আইনগত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
ব্যাখ্যা
• Actus non facit reum, nisi mens sit rea (অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না)

এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে, 'An act does not make one guilty unless there be guilty intention. কোন অন্যায় বা নিষিদ্ধ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ সংঘটন করে বা অবহেলা করে সম্পাদন করে তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য তাকে দায়ী হতে হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে, অনুরূপ কাজে আসামীর অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছিল। আসামীকে শাস্তি দিতে হলে অপরাধ সংঘটনের সময়ে তার মনের যে অবস্থা ছিল তা প্রসিকিউসন পক্ষকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। অপরাধের প্রকৃতিভেদে অপরাধী মনেরও প্রকৃতিভেদ ঘটে।

এ প্রবচনটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে Fowler v. Padget মামলায় প্রধান বিচারপতি Lord Kenyon বলেন, "The intent and the act must both concur to constitute the crime."
.
সংবিধান অনুযায়ী, “রাষ্ট্র” বলতে বোঝায়-
  1. সংসদ
  2. সরকার
  3. সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২-
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত;

“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;
.
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী কত সালে করা হয়?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী (১৭তম) ২০১৮ সালে করা হয়।

সপ্তদশ সংশোধনী:
সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বৃদ্ধি করা হয়। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।
১০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৩
  4. ১৪৩ক
সঠিক উত্তর:
১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩- প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 
 
(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।
১১.
"Actori incumbit probatio"- কোন ধরনের আইনি নীতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাজা প্রদান
  2. আদালতের সিদ্ধান্ত
  3. প্রমাণের দায়িত্ব
  4. বিচারকাজের সময়সীমা
সঠিক উত্তর:
প্রমাণের দায়িত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণের দায়িত্ব
ব্যাখ্যা
প্রবচন: "Actori incumbit probatio"
অর্থ: অভিযোগকারীকে প্রমাণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

এই ল্যাটিন প্রবচনটির মানে হচ্ছে, যে ব্যক্তি কোন বিষয় দাবি করে, তাকে সেই দাবির সমর্থনে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়। এটি সাধারণত আইনের একটি মৌলিক নীতি যা প্রমাণের বোঝা বা দায়ভার অভিযোগকারীর উপর আরোপ করে। অপরাধের ক্ষেত্রে, যেমন একটি অপরাধমূলক মামলা, অভিযোগকারী বা প্রসিকিউটরের উপর থাকে প্রমাণের দায়িত্ব। অপরাধী না হওয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে আসামীর প্রতি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করার দায়িত্ব থাকে না, তবে তার পক্ষে সঠিক বা নির্দোষ হওয়ার কিছু প্রমাণ থাকতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ব্যক্তি অন্য একজনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করেন, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি চুরি করেননি এমন প্রমাণ উপস্থাপন না করলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হতে পারে।
এই নীতিটি বিভিন্ন আইনি পদ্ধতিতে, বিশেষ করে বিচার ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে অভিযোগকারীর উপর প্রমাণ দাখিল করার দায়িত্ব থাকে।
এটি কীভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে:
১২.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৬ অনুসারে, যদি কোনো কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে-
  1. সে কেবল নিয়োগ দিতে পারবে
  2. সে কোনোভাবেই বরখাস্ত করতে পারবে না
  3. সে সাময়িক বরখাস্ত ও বরখাস্ত—উভয়ই করতে পারবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সে সাময়িক বরখাস্ত ও বরখাস্ত—উভয়ই করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে সাময়িক বরখাস্ত ও বরখাস্ত—উভয়ই করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
১৩.
Who is considered a “citizen” under Article 152 of the Constitution?
  1. Any resident of Bangladesh
  2. Anyone born in Bangladesh
  3. A voter in national elections
  4. A person recognized as a citizen by citizenship law
সঠিক উত্তর:
A person recognized as a citizen by citizenship law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A person recognized as a citizen by citizenship law
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
১৪.
সংবিধান অনুযায়ী, নির্ধারিত ব্যক্তি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ না করালে কে শপথ পাঠ করাবেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রীপরিষদের সচিব
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৮- পদের শপথ:
(১) তৃতীয় তফসিলে উল্লিখিত যে কোন পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তি কার্যভারগ্রহণের পূর্বে উক্ত তফসিল-অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ" বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবেন।

(২) এই সংবিধানের অধীন নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির নিকট শপথগ্রহণ আবশ্যক হইলে অনুরূপ ব্যক্তি যেরূপ ব্যক্তি ও স্থান নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ ব্যক্তির নিকট সেইরূপ স্থানে শপথগ্রহণ করা যাইবে।

২(ক) ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।]

(৩) এই সংবিধানের অধীন যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির পক্ষে কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথগ্রহণ আবশ্যক, সেই ক্ষেত্রে শপথগ্রহণের অব্যবহিত পর তিনি কার্যভার গ্রহণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
১৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১ অনুযায়ী, কয়টি আদেশ রহিত করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১: রহিতকরণ- রাষ্ট্রপতির নিম্নলিখিত আদেশসমূহ এতদ্বারা রহিত করা হইল:
(ক) আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ (১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে প্রণীত);

(খ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ;

(গ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ হাইকোর্ট আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫);

(ঘ) ১৯৭২ সালের বাংলদেশ মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ১৫);

(ঙ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২২);

(চ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২৫);

(ছ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনসমূহ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৩৪);

(জ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ (সরকারী কর্ম সম্পাদন) আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫৮) ।
১৬.
According to Section 2(19) of The General Clauses Act, 1897, a financial year begins on which date?
  1. 1st January
  2. 1st June
  3. 1st July
  4. 30th June
সঠিক উত্তর:
1st July
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1st July
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ৩(১৯) ধারার বিধান- অর্থ-বছর (financial year): 
জুলাই মাসের ১ম দিবসে আরম্ভ এবং জুন মাসের ৩০ তম দিবসে সমাপ্ত বছরকে বুঝাবে।

Section 3(19)-
"financial year" shall mean the year commencing on the first day of July and ending on the 30th day of June.

১৭.
হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করে কবে?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
১৮.
'Nemo debet bis puniri pro uno delicto'- উক্ত নীতিটি The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৮ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২৫ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- 'যখন কোন কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দু'টি আইনে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হয় তখন একই অপরাধের কারণে অপরাধীকে দু'বার শাস্তি দেয়া যাবে না যদিও উভয় আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়ে থাকে।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।
১৯.
The golden rule of interpretation is _________ of the literal rule.
  1. expansion
  2. opposite
  3. exception
  4. replacement
সঠিক উত্তর:
expansion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
expansion
ব্যাখ্যা
The Golden Rule of Interpretation of Statutes-
গোল্ডেন রুল ইন্টারপ্রিটেশন হল লিটারাল রুলের একটি সম্প্রসারণ (expansion) বা বিস্তৃতি, যা বিচারকদের কঠোরভাবে শব্দের আক্ষরিক অর্থ থেকে সরে আসতে অনুমতি দেয় যাতে হাস্যকর ফলাফল প্রতিরোধ করা যায়। এই রুল বিচারককে শব্দের সাধারণ অর্থ থেকে বিচ্যুত হতে দেয় যদি এর ব্যাখ্যা অযৌক্তিক ফলাফলে পৌঁছায়।

গোল্ডেন রুল, লিটারাল রুল এবং মিসচিফ রুলের মধ্যে একটি সমঝোতা প্রদান করে। এটি সাধারণত শব্দগুলিকে তাদের সাধারণ এবং সরল অর্থে ব্যাখ্যা করে, তবে যখন শব্দের আক্ষরিক অর্থ অনুসরণ করলে আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গিয়ে অযৌক্তিক ফলাফল হয়, তখন বিচ্যুতি গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে।

গোল্ডেন রুলটি সংকীর্ণ এবং বিস্তৃতভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
সংকীর্ণ পদ্ধতিতে, বিচারক এই রুলটি প্রয়োগ করেন যখন আইনে ব্যবহৃত শব্দটি অস্পষ্ট হয়, অর্থাৎ এর একাধিক সম্ভাব্য অর্থ রয়েছে। তখন বিচারককে সেই অর্থের মধ্যে থেকে মামলার প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থটি নির্বাচন করতে হয়।

বিস্তৃত পদ্ধতিতে, গোল্ডেন রুল সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয় যখন একটি শব্দের একমাত্র আক্ষরিক অর্থ রয়েছে, কিন্তু সেই অর্থটি ব্যবহার করলে হাস্যকর ফলাফল হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, আদালত শব্দটির ব্যাখ্যা পরিবর্তন করতে পারে যাতে এমন অযৌক্তিক ফলাফল এড়ানো যায়।
২০.
প্রথম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৫
  2. অনুচ্ছেদ ৪৬
  3. অনুচ্ছেদ ৪৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৭
ব্যাখ্যা

প্রথম সংশোধনী:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালে।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- এ সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা।

২১.
আইনের অধীন জারীকৃত প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্পনা, বিধি, ফরম বা উপ-আইনের ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কীভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. উপ-আইন কর্তৃক
  2. প্রজ্ঞাপন ও আদেশের দ্বারা
  3. সংসদের গেজেটের মাধ্যমে
  4. আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
সঠিক উত্তর:
আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ২০ ধারা: আইনের অধীন জারীকৃত আদেশ, ইত্যাদি ব্যাখ্যা:
- যে ক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইন জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে এই আইন প্রবর্তনের পরে প্রণীত, অনুরূপ প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তিসমূহের অর্থ অনুরূপ ক্ষমতা অর্পণকারী আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে।

ধারা ২০ এর মূল উদ্দেশ্য হল যে,
সংসদের আইন বা প্রবিধি অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন বা আদেশে ব্যবহৃত শব্দ ও অভিব্যক্তির অর্থ সংশ্লিষ্ট আইন বা প্রবিধির অভিব্যক্তির সমার্থক হবে। অর্থাৎ, যখন কোনো আইন বা প্রবিধি জারি করা হয়, তখন সেখানে ব্যবহৃত শব্দের ব্যাখ্যা সেই আইন বা প্রবিধি এবং এর দ্বারা অর্পিত ক্ষমতার আলোকে বোঝা হবে।

Section-20 Construction of orders, etc., issued under enactments: 
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue any notification, order, scheme, rule, form or bye-law is conferred, then expressions used in the notification, order, scheme, rule, form or bye-law, if it is made after the commencement of this Act, shall, unless there is anything repugnant in the subject or context, have the same respective meanings as in the Act or Regulation conferring the power.
২২.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৮ম
  2. ৯ম
  3. ১১ম
  4. ১২ম
সঠিক উত্তর:
১২ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনী হয়।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।
- সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- ৩০৭-০ ভোটে বিলটি পাস হয়।
- একাদশের মত এ বিলটিও সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়।

অন্যদিকে -
- অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বলে ঘোষণা করা হয়।
- নবম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি যতবার ইচ্ছা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন করতে পারতেন।
- একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্ৰয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।
২৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রচলিত আইনের হেফাজত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৪৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৮ অনুচ্ছেদে
  3. ১৪৯ অনুচ্ছেদে
  4. ১৫০ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত-
এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।

[Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.]
২৪.
“রাজধানী” বলতে কোন অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অর্থ বোঝায়?
  1. ৩ অনুচ্ছেদ
  2. ৫ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫১ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫২ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২-
(১) বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে-

"রাজধানী" অর্থ এই সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদের রাজধানী বলিতে যে অর্থ করা হইয়াছে;
“the capital” has the meaning assigned to that expression in article 5;
২৫.
"Ex injuria jus non oritur" শব্দগুচ্ছ দ্বারা কী বোঝায়?
  1. ক্ষমতাই আইন
  2. ন্যায় বিচারই শেষ কথা
  3. অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
  4. আইনের চোখে সবাই সমান
সঠিক উত্তর:
অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
ব্যাখ্যা
• Ex injuria jus non oritur
- একটি গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন আইনগত প্রবচন (legal maxim),
- যার অর্থ হলো: “অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম হয় না।”

এটি আন্তর্জাতিক আইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিচারব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো অবৈধ বা অন্যায় কাজ করে কেউ তার পক্ষে আইনি অধিকার দাবি করতে পারে না।
২৬.
The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, গৃহীত আইন কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত প্রণীত বিধি বা আদেশ কখন কার্যকর হবে?
  1. সংসদ অনুমোদনের পর
  2. প্রণয়নের সাথে সাথে
  3. যখন আইন কার্যকর হয়
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমতির পরে
সঠিক উত্তর:
যখন আইন কার্যকর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইন কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
২৭.
নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদের আওতাভুক্ত নন?
  1. স্পীকার
  2. মহা হিসাব-নিরীক্ষক
  3. তথ্য কমিশনার
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
তথ্য কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য কমিশনার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৭- কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি:
(১) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীন নির্ধারিত হইবে, তবে অনুরূপভাবে নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত
(ক) এই সংবিধান প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে ক্ষেত্রমত সংশ্লিষ্ট পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহা যেরূপ প্রযোজ্য ছিল, সেইরূপ হইবে; অথবা
(খ) অব্যবহিত পূর্ববর্তী উপ-দফা প্রযোজ্য না হইলে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ণয় করিবেন, সেইরূপ হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত ব্যক্তির কার্যভারকালে তাঁহার পারিশ্রমিক, বিশেষ অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্তের এমন তারতম্য করা যাইবে না, যাহা তাঁহার পক্ষে অসুবিধাজনক হইতে পারে।

(৩) এই অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন পদে নিযুক্ত বা কর্মরত ব্যক্তি কোন লাভজনক পদ কিংবা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় বহাল হইবেন না কিংবা মুনাফালাভের উদ্দেশ্যযুক্ত কোন কোম্পানী, সমিতি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় বা পরিচালনায় কোনরূপ অংশগ্রহণ করিবেন না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে উপরের প্রথমোল্লিখিত পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত রহিয়াছেন, কেবল এই কারণে কোন ব্যক্তি অনুরূপ লাভজনক পদ বা বেতনাদিযুক্ত পদ বা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) এই অনুচ্ছেদ নিম্নলিখিত পদসমূহে প্রযোজ্য হইবে:
(ক) রাষ্ট্রপতি,
(খ) প্রধানমন্ত্রী;
(গ) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
(ঘ) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী;
(ঙ) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
(চ) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
(ছ) নির্বাচন কমিশনার,
(জ) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

⇒ 'তথ্য কমিশনার' এখানে উল্লেখিত নয়।