পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
Exam - 12 Subject: বাংলা ব্যাকরণ Topic: সন্ধি, সমাস, পদ-প্রকরণ, কারক-বিভক্তি, প্রকৃতি-প্রত্যয়, বাক্যের শ্রেণি বিভাগ, ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়াপদ, বাক্য রূপান্তর, বাক্য শুদ্ধি, এক কথায় প্রকাশ, যতিচিহ্ন, বাচ্য ও উক্তি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
কোন শব্দটি বিশেষ্য পদ?
  1. চালাক
  2. চাতুর্য
  3. চঞ্চল
  4. চতুর
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ - চাতুর্য
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।

​শব্দের অর্থ:
​- চতুরতা।

​অন্যদিকে,
বিশেষণ পদ - চতুর, চঞ্চল এবং চালাক।

​​উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কোন কারক বলে?
  1. কর্তৃ
  2. করণ
  3. কর্ম
  4. অপাদান
ব্যাখ্যা

কর্তৃকারক:
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক। ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্তৃকারক।

​কর্তৃকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
প্রথমা শূন্য বা অ বিভক্তি: এক যে ছিলো রাজা
দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি: বশিরকে যেতে হবে।
তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি: ফেরদৌসী কর্তৃক শাহনামা রচিত হয়েছে।
ষষ্ঠী বা র বিভক্তি: আমার যাওয়া হয়নি।
সপ্তমী বিভক্তি: চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনি।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

.
কোনটি অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ?
  1. এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
  2. ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
  3. আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব।
  4. দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
ব্যাখ্যা

অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ:
- যে ক্রিয়া দিয়ে ভবিষ্যৎ কালের আদেশ, অনুমতি, অনুরোধ, প্রার্থনা, আমন্ত্রণ, আশীর্বাদ, উপদেশ, উপেক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়, তাকে অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কাল বলে।

​যেমন:
- তাড়াতাড়ি কাজটি কোরো।
- ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো

​অন্যদিকে,​
​​সাধারণ ভবিষ্যৎ - দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
ঘটমান ভবিষ্যৎ - আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব। এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
'বুঝে নেওয়া' - এটি কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. ​সরল ক্রিয়া
  2. যৌগিক ক্রিয়া
  3. নাম ক্রিয়া
  4. প্রযোজক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

যৌগিক ক্রিয়া:
- সমাপিকা ক্রিয়ার সাথে অসমাপিকা ক্রিয়া যক্ত হয়।

​যেমন:
- মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, বুঝে নেওয়া, সরে দাঁড়ানো।

​অন্যদিকে,
​সরল ক্রিয়া:
- একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে।
যেমন-
- ছেলেরা মাঠে খেলছে।

প্রযোজক ক্রিয়া:
- কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন।
- রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায়।

নাম ক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক শব্দের শেষে ‘আ' বা 'আনো' প্রত্যয় যোগ করে যে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে নামক্রিয়া বলে।
যেমন:
- বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে - 'আনো' প্রত্যয় যুক্ত্য করে হয় 'চমকানো'; আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকোলন
  2. কমা
  3. কোলন
  4. হাইফেন
ব্যাখ্যা

সেমিকোলন (;):
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়
- সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে - 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

​​যেমন:
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।
- কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়।
- তিনি পড়েছেন বিজ্ঞান; পেশা ব্যাংকার; আর নেশা সাহিত্যচর্চা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি ( ২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

.
'এ দেহে প্রাণ নেই।' - বাক্যে 'দেহ' কোন কারক?
  1. অধিকরণ
  2. করণ
  3. কর্ম
  4. অপাদান
ব্যাখ্যা

অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত এ, য়, য়ে, তে ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।

​যেমন:
- বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে।
- রাজীব বাংলা ব্যাকরণে ভালো।
- কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।
- দেহে প্রাণ নেই।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই - 
  1. আসক্তি
  2. যোগ্যতা
  3. আসত্তি
  4. আকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যা

আসত্তি:
- মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে পর পর সাজাতে হবে যাতে মনোভাব প্রকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়। বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি

​যেমন:
- কাল বিতরণী হবে উৎসব স্কুলে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত।
- লেখা হওয়াতে পদ সন্নিবেশ ঠিকভাবে না হওয়ায় শব্দগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবটি যথাযথ প্রকাশিত হয়নি।
- তাই এটি একটি বাক্য হয়নি।
- মনোভাব পূর্ণ ভাবে প্রকাশ করার জন্য পদগুলোকে নিম্নলিখিতভাবে যথাস্থানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে।
যেমন:
- কাল আমাদের স্কুলে পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
- বাক্যটি আসত্তি সম্পন্ন।

​​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
কোনটি অনন্বয়ী অব্যয়?
  1. তাই
  2. নিশ্চয়ই
  3. কিংবা
  4. অধিকন্তু
ব্যাখ্যা

অনন্বয়ী অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোন সমন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।

যেমন:
মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ- উচ্ছ্বাস প্রকাশে।
নিশ্চয়ই পারব।
- আমি আজ আলবত যাব।

​অন্যদিকে,
সমুচ্চয়ী অব্যয়ের উদাহরণ - কিংবা, অধিকন্তু, এবং, তাই

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।

.
'বসন আগলা যার' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. অবিসংবাদিত
  2. অসংবৃত
  3. বিবমিষা
  4. অবৈতনিক
ব্যাখ্যা

• 'বসন আগলা যার' এর এক কথায় প্রকাশ - অসংবৃত

​অন্যদিকে,
​বেতন নেওয়া হয় না যাতে - অবৈতনিক।
​বমন করার ইচ্ছা - বিবমিষা।
​বিসংবাদ নেই যাতে - অবিসংবাদিত।

​​​উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
'তপের নিমিত্ত বন = তপোবন' - এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. তৎপুরুষ
  2. অব্যয়ীভাব
  3. কর্মধারয়
  4. বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।

যথা:
- গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি,
- বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি,
- বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা, 
- তপের নিমিত্ত বন = তপোবন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১১.
কোনটি অশুদ্ধ বাক্য?
  1. হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
  2. এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
  3. তারা বাড়ি যাচ্ছে।
  4. অতিশয় দুঃখিত হলাম।
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বাক্য: অতিশয় দুঃখিত হলাম।
শুদ্ধ বাক্য: অত্যন্ত দুঃখিত হলাম।

​অন্যদিকে,
​শুদ্ধ বাক্য: তারা বাড়ি যাচ্ছে।
শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১২.
ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

ক্রিয়া:
- বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কি ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তালে ক্রিয়া পদ বলে।
- ভাব প্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া ২ প্রকার।

সমাপিকা ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়ায় দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয় তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন: ভালো কোরে পড়াশোনা করবে।

অসমাপিকা ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়ায় দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয় না তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন: ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফল পাবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।

১৩.
'পঞ্চবটী' - কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি
  2. প্রাদি
  3. কর্মধারয়
  4. দ্বিগু
ব্যাখ্যা

দ্বিগু সমাস:
সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।

​যেমন:
- পাঁচ সেরের সমাহার = পঁসুরি,
- তিন মাথার সমাহার = তেমাথা,
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী,
- পঞ্চবটের সমাহার = পঞ্চবটী,
- ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৪.
'শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।' - এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
  1. ভাববাচ্য
  2. কর্তৃবাচ্য
  3. কর্মবাচ্য
  4. কর্মকর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
কর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে।
- কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয়। কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।

যেমন:
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
লোকটি বললেন, “আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।” - বাক্যটির পরোক্ষ উক্তি কী হবে?
  1. লোকটি বললো, সে পরদিন সেখানে আবার যাবে।
  2. লোকটি বললেন যে, তিনি পরশুদিন সেখানে আবার যাবেন।
  3. লোকটি বললেন যে, তিনি আগামীকালের পরদিন সেখানে আবার যাবেন।
  4. লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তিতে চিরন্তন সত্যের উদ্ধৃতি থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোনো পরিবর্তন হয় না।

যেমন:
প্রত্যক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন, “চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।”
পরোক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।

আবার,
• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।

যেমন:
প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, “আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।”
পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
১৬.
'সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছি।' - এটি কোন বাক্যের উদাহরণ?
  1. সরল
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. খণ্ড
ব্যাখ্যা

সরল বাক্য:
- একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।

​​যেমন:
- সালমা সবার জন্য চা বানিয়েছে।
- সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছি।
- মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে।

​​​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৭.
'​পরোপকারীকে সকলে শ্রদ্ধা করে।' - বাক্যটির জটিল রূপ কী?
  1. সকলে শ্রদ্ধা করে পরোপকারীকে।
  2. সকলে যে পরোপকারী তাকে শ্রদ্ধা করে।
  3. সকলে পরোপকারীকে শ্রদ্ধা করে।
  4. যে পরোপকারী, তাকে সকলেই শ্রদ্ধা করে।
ব্যাখ্যা

সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর:
- যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।

​যেমন:
সরল বাক্য: ​পরোপকারীকে সকলে শ্রদ্ধা করে।
জটিল বাক্য: ​যে পরোপকারী, তাকে সকলেই শ্রদ্ধা করে।

সরল বাক্য: সুসংবাদটা পেয়ে সে আনন্দিত হলো।
জটিল বাক্য: যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
'বর্ণ চুরি করে যে = বর্ণচোরা' - এটি কোন ধরনের উদাহরণ?
  1. নিত্য সমাস
  2. উপপদ তৎপুরুষ
  3. উপমিত কর্মধারয়
  4. উপমান কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
- যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।

যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর,
- জল দেয় যে = জলদ,
- বর্ণ চুরি করে যে = বর্ণচোরা,
- পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৯.
কোনটি পুরাঘটিত অতীত কাল?
  1. তারা সাগরের তীরে ঝিনুক কুড়াত।
  2. তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।
  3. আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
  4. খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।
ব্যাখ্যা

পুরাঘটিত অতীত:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।

​যেমন
- সন্ধ্যা হওয়ার আগেই আমরা মসজিদে পৌঁছেছিলাম।
- খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।

অন্যদিকে,
ঘটমান অতীত - আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
সাধারন অতীত - তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।
নিত্য অতীত - তারা সাগরের তীরে ঝিনুক কুড়াত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম -দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২০.
'ওষ্ঠাধর' - বলতে কী বোঝায়?
  1. ওষধি থেকে উৎপন্ন
  2. ​ওজন করা হয় যে যন্ত্রের সাহায্যে
  3. ওষ্ঠের দ্বারা উচ্চারিত
  4. ওষ্ঠ ও অধর
ব্যাখ্যা

• 'ওষ্ঠ ও অধর' এর এক কথায় প্রকাশ - ওষ্ঠাধর

​অন্যদিকে,
​ওষ্ঠের দ্বারা উচ্চারিত - ঔষ্ঠ্য।
​​ওজন করা হয় যে যন্ত্রের সাহায্যে - তুলাদণ্ড
​ওষধি থেকে উৎপন্ন - ঔষধ।

​​উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
'নায়ক' - শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নে + অক
  2. নৈ + অক
  3. নো + অক
  4. নৌ + অক
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
​• এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।

​যেমন: 
- শে + অন = শয়ন,
- নৈ + অক = নায়ক,
- গৈ + অক = গায়ক,
- পো + অন = পবন,
- লো + অন = লবণ,
- পো + ইত্র = পবিত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
'যা সহজে মরে না' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. দুর্দম
  2. দুর্মর
  3. দাহ্য
  4. দুর্বিষহ
ব্যাখ্যা

• 'যা সহজে মরে না' এর এক কথায় প্রকাশ - দুর্মর

​​অন্যদিকে,
​​যা সহজে দমন করা যায় না - দুর্দম।
​যা সহজে পোড়ানো যায় - দাহ্য।
​যা সহ্য করা যায় না - দুর্বিষহ।

​উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৩.
কোনটি ভাববাচ্যের উদাহরণ নয়?
  1. কোথায় থাকা হয়।
  2. তোমার দ্বারা এই কাজ হবে না।
  3. চোরটা ধরা পড়েছে।
  4. আমাকে এখন যেতে হবে।
ব্যাখ্যা
• কর্মবাচ্য - চোরটা ধরা পড়েছে।

ভাববাচ্য:
- যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।

যেমন:
- আমার খাওায়া হলো না।
- আমাকে এখন যেতে হবে।
- তোমার দ্বারা এই কাজ হবে না।
- কোথায় থাকা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।