পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৫১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৫ বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫১ প্রশ্ন

.
ব্লুটুথের IEEE স্ট্যান্ডার্ড এবং ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ হলো-
  1. 802.11, 2.6GHz
  2. 802.14, 2.8GHz
  3. 802.15, 2.4GHz
  4. 802.16, 5.2GHz
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- ব্লুটুথে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ব্লুটুথের কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিদ্যুত সরবরাহ লাইন থেকে সৃষ্ট ভোল্টেজ বা বিদ্যুতের বড় ধরনের স্পাইককে কী বলা হয়?
  1. ব্রাউন আউট
  2. ব্লাক আউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. নয়েজ
ব্যাখ্যা
• অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে সরবরাহ লাইনে ভোল্টেজের পরিমাণ কমে যায়, এই ঘটনাকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
• ঝড়, তুফান, বজ্রপাত ইত্যাদি কারণে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট(Black Out) বলে।
• বিদ্যুত সরবরাহ লাইন থেকে সৃষ্ট ভোল্টেজ বা বিদ্যুতের বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট(Transient) বলে।
• পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান, স্পীকারের উচ্চমাত্রার শব্দ বা প্রিন্টারের শব্দকে নয়েজ(Noise) বলে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মাইক্রো কম্পিউটারের আদর্শ রুম তাপমাত্রা কত?
  1. ৩০ থেকে ৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. ১০০ থেকে ১৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. ২০ থেকে ৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রো কম্পিউটার:
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
- মাইক্রো কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়।
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রো কম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার,
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
৩. নোটবুক কম্পিউটার,
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার।
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে।
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক।
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্মদিন পালন করা হয় কবে?
  1. ৩ জানুয়ারি
  2. ৯ ফেব্রুয়ারি
  3. মার্চ মাসের প্রথম সোমবার
  4. সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম রবিবার
ব্যাখ্যা
• বিটকয়েন:
- বিটকয়েন হচ্ছে একটি ডিজিটাল মুদ্রা।
- এ ধরনের ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হয় ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- ২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি বিশ্বের প্রথম ও এখন পর্যন্ত বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ‘জেনেসিস ব্লক’ নামে চালু হয়েছিল।
- এটি এখন মাইনিং নামে পরিচিত। জেনেসিস ব্লক ‘ব্লক নম্বর জিরো’ বা শূন্য নামেও অভিহিত করা হয়।
- ২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি বিটকয়েনের স্রষ্টা বা নির্মাতা হিসেবে সাতোশি নাকামোটো নামের রহস্যময় এক ব্যক্তি বা কোনো দলের মাধ্যমে বিটকয়েন চালু হয়।
- ২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি বিটকয়েন মাইনিং শুরু হলে ৩ জানুয়ারি ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্মদিন পালন করা হয়।
- ২০০৯ সালের ৯ জানুয়ারি বিটকয়েন সফটওয়্যার প্রথম প্রকাশ করা হয়। ১২ জানুয়ারি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রথম লেনদেনের নজির দেখা যায়।
- সাতোশি ও কিংবদন্তি সাইফারপাঙ্ক হ্যাল ফিনির মধ্যে ১৭০ নম্বর ব্লকে রেকর্ড করা হয়েছিল। প্রথমবার তখন সাতোশি ১০ বিটকয়েন পাঠান হ্যাল ফিনিকে।

উৎস: বিটকয়েন ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
.
স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্কের সব ডিভাইস একত্রিত হয় কিসের মাধ্যমে?
  1. রাউটার
  2. হাব
  3. গেটওয়ে
  4. ব্রিজ
ব্যাখ্যা
• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজিতে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ একটি হাব বা সুইচের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- হাব বা সুইচের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইস সমূহ যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- হাব অচল হয়ে হয়ে গেলে সম্পূর্ন নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যায়।
- যেকোন মুহূর্তে নতুন কম্পিউটার যুক্ত করা যায়।
- এই সিস্টেমে সমস্যা নির্ণয় করা তুলনামূলক সহজ।
- কোন একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে ডেটা ট্রান্সফারে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়না।
- এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে খুব সহজেই সমস্যায় আক্রান্ত কম্পিউটারটিকে সরিয়ে নেওয়া যায়।
- এই সিস্টেমে অনেক বেশি ক্যাবল ব্যবহৃত হয় বলে খরচের পরিমান বেশি।
- কম্পিউটারে সংখ্যা খুব বেশি বৃদ্ধি করলে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড কমে যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
.
BIOS চিপ কোথায় থাকে?
  1. প্রসেসরের ভেতরে
  2. RAM এর ভেতরে
  3. মাদারবোর্ডে
  4. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে
ব্যাখ্যা
• BIOS চিপ মাদারবোর্ডে থাকে। প্রসেসর শুধু ডেটা প্রসেস করে। RAM অস্থায়ী মেমোরি, পাওয়ার অফ হলে ডেটা মুছে যায়। পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
ইউটিউবের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. রেইড হফম্যান
  2. নীল মোহন
  3. চ্যাড হারলি
  4. স্টিভ চেন
ব্যাখ্যা
• ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan. [জানুয়ারি, ২০২৫]

উৎস:
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মূল উপাদান কী?
  1. তামা
  2. সিলিকা বা কাচ
  3. প্লাস্টিক
  4. অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা- কোর,  ক্ল্যাডিং ও জ্যাকেট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত HMD-এর 'M' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Machine
  2. Module
  3. Mounted
  4. Motion
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolKit, 3D Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে( Head Mounted Display- HMD), হাতে একটি ডাটা গ্লোভ বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক হলেন জ্যারন ল্যানিয়ার। [Jaron Lanier; পূর্ণ নাম Jaron Zepel Lanier]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা কোথায় স্থাপন করা হয়েছে?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- আমদানি কমিয়ে দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে গাজীপুরের চন্দ্রায় হাইটেক ও মাইক্রোটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পার্কে চালু হয়েছে দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা।
- ইতোমধ্যে এই কারখানায় তৈরি ল্যাপটপ মেইড ইন বাংলাদেশ ট্যাগ যুক্ত হয়ে আফ্রিকায় রপ্তানিও শুরু হয়ে গেছে।
- সম্প্রতি ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোতে দেশে তৈরি রোবট ও স্টার্টআপগুলো তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
'সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে' -কোন গেইটের জন্য প্রযোজ্য?
  1. নট গেইট
  2. ন্যান্ড গেইট
  3. অ্যান্ড গেইট
  4. অর গেইট
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
FOMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Future-Oriented Mobile Application
  2. Freedom of Multimedia Access
  3. Fast Optical Media Access
  4. Flexible Online Multimedia Access
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়। এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Generation Partnership Project )
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সফটওয়্যারভিত্তিক সেবার উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Google Apps
  2. Dropbox
  3. Azure
  4. Hubspot
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

• অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।

• প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

• সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।

• নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪.
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. Android 16
  2. Android 15
  3. Marshmallow
  4. Oreo
ব্যাখ্যা
• অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ হলো Android 15।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৩. অ্যান্ড্রয়েড ওয়েবসাইট।
১৫.
'ইন্টারনেট' কোন ধরণের নেটওয়ার্ক টপোলজির উদাহরণ?
  1. বাস
  2. হাইব্রিড
  3. স্টার
  4. রিং
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড টপোলজি:
- বাস, স্টার, রিং ও মেশ ইত্যাদি টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক টপোলজিকে বলা হয় হাইব্রিড টপোলজি।
- উদাহরণস্বরূপ, ইন্টারনেটকে এ ধরনের টপোলজি হিসেবে অভিহিত করা যায়। কেননা ইন্টারনেট হলো বৃহৎ পরিসরের একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে সব ধরনের টপোলজির মিশ্রণ দেখা যায়।
- এ টপোলজিতে প্রয়োজনানুযায়ী নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে।
- কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
- কোনো এক অংশ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক নষ্ট না হয়ে অংশবিশেষ নষ্ট হয়ে যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. Computerhope Website
১৬.
নিচের কোনটি WAN-এর উদাহরণ?
  1. একটি বাড়ির ওয়াইফাই সংযোগ
  2. একটি ছোট অফিসের নেটওয়ার্ক
  3. একটি ব্যাংকের সেন্ট্রাল ডেটাবেস সিস্টেম
  4. একটি স্কুলের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• একটি ব্যাংকের সেন্ট্রাল ডেটাবেস সিস্টেম হলো WAN-এর উদাহরণ।

• WAN:

- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউট কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৭.
সেমিকন্ডাক্টর চিপের সর্ববৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ-
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
• বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর চিপের সর্ববৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হলো তাইওয়ান।
- তাইওয়ানের TSMC (Taiwan Semiconductor Manufacturing Company) বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর ফাউন্ড্রি, যা বিশ্বের প্রায় 60% উন্নত চিপ উৎপাদন করে।
- Apple, AMD, NVIDIA সহ বড় টেক কোম্পানিগুলোর জন্য চিপ তৈরি করে থাকে TSMC.
- 3nm থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাইজের চিপ উৎপাদনে সক্ষম TSMC।

অন্যদিকে,
- দ. কোরিয়া, Samsung এর মাধ্যমে একটি বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান Intel প্রধানত নিজেদের চিপ উৎপাদন করে।
- জার্মানি ও ফিনল্যান্ড তুলনামূলকভাবে ছোট স্কেলে উৎপাদন করে।

উৎস:
১. TSMC-এর বার্ষিক রিপোর্ট।
২. Semiconductor Industry Association-এর রিপোর্ট।
৩. INDEPENDENT নিউজ রিপোর্ট।
১৮.
নিচের কোন ব্যক্তি 'উইকিলিকস'-এর সাথে সম্পর্কিত?
  1. জুলিয়ান এডওয়ার্ড
  2. জুলিয়ান ওয়েলস
  3. জুলিয়ান ফ্রেডরিক
  4. জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ
ব্যাখ্যা
• WikiLeaks:
- জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং হ্যাকার।
- উইকিলিকস হলো একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থা যা বিভিন্ন গোপন নথিপত্র ফাঁসের জন্যে আলোচিত।
- কিশোর বয়সে, তিনি কম্পিউটারের সাথে একটি অদ্ভুত দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন, এবং হ্যাকিং ডাকনাম "মেন্ডাক্স" ব্যবহার করে তিনি NASA এবং পেন্টাগন সহ বেশ কয়েকটি সুরক্ষিত সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।
- ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ তাকে ৩১ টি সাইবার অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করে
- ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৭ সালে এটি অফিসিয়ালি চালু হয়।
- ২০১২ সালের জুনে অ্যাসাঞ্জ লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।

উৎস: ব্রিটানিকা & সিএনএ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৯.
(AB.CD)16 এর সমতুল্য দশমিক মান কোনটি?
  1. 157.8007
  2. 149.5008
  3. 171.8007
  4. 183.5008
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে হেক্সাডেসিমেল হতে দশমিকে রূপান্তর:
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে হেক্সাডেসিমেল বিন্দুর পর হতে -1, -2, -3 ইত্যাদি দ্বারা অবস্থান চিহ্নিত করে নিতে হয়। এরপর প্রতিটি ডিজিটকে 16 দ্বারা গুণ করে গুণফলকে যোগ করলে দশমিক সংখ্যা পাওয়া যায়। যেখানে n হচ্ছে -1, -2, -3 ইত্যাদি।
(AB.CD)16
= (10 × 16¹) + (11 × 16⁰) + (12 × 16⁻¹) + (13 × 16⁻2)
= (171.8007)10
২০.
স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সহজে অনুধাবনযোগ্য।
  2. ডিবাগিং করা কঠিন।
  3. রক্ষণাবেক্ষণ করা কঠিন।
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং:
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এমন এক ধরনের প্রোগ্রামিং যেখানে প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা হয়।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এ টপ-ডাউন-অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে কতকগুলো অংশ বা মডিউলে ভাগ করা হয়।
- C, Pascal, QBASIC, ALGOL, PL/I, Ada ইত্যাদি হলো স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের গঠন তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। পর্যায়ক্রমিক গঠন (Sequential Structure),
২। চক্র বা লুপ (Loop) ও
৩। ডিশিসন স্টেটমেন্ট (Desicion Statement)

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- এটা সহজে অনুধাবনযোগ্য।
- ডিবাগিং করা সহজ।
- সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।
- সহজে রচনা করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
ফায়ারওয়াল কী কাজ করে?
  1. সফটওয়্যার ডাউনলোড করে
  2. সিস্টেমের হার্ডওয়্যারকে ত্রুটি থেকে রক্ষা করে
  3. নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২২.
কোন ভাইরাসকে 'মাদার অফ অল ভাইরাস' বলা হয়?
  1. জেরুজালেম ভাইরাস
  2. সিআইএইচ ভাইরাস
  3. বুট সেক্টর ভাইরাস
  4. ভিবিএস/হেল্পার
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা ‘CIH’ ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। CIH ভাইরাস বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ করে ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
ইমেইজ এক্সটেনশন ফাইলের ধরন নয় কোনটি?
  1. JPEG
  2. TCE
  3. BMP
  4. PNG
ব্যাখ্যা
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।
• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.

• TCE ফাইল এক্সটেনশনটি ASCII টেক্সট ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
২৪.
WiMAX প্রধানত কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Circuit Switching
  2. Packet Switching
  3. Analog Transmission
  4. Frequency Modulation
ব্যাখ্যা
• WiMAX হলো একটি IP-ভিত্তিক প্রযুক্তি, যা প্যাকেট স্যুইচিং ব্যবহার করে।

• WiMAX:

- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৫.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগকে কী বলে?
  1. ই-কমার্স
  2. হোম-অটোমেশন
  3. ই-বিজনেস
  4. আউটসোর্সিং
ব্যাখ্যা
• আউটসোর্সিং:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়।
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।
- আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজে অর্থ উপার্জন করছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
- বিশ্বব্যাপি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রাপ্ত দুর্বোধ্য টেক্সটকে কী বলা হয়?
  1. প্লেইন টেক্সট
  2. এনক্রিপটেড টেক্সট
  3. সাইফার টেক্সট
  4. গোপন টেক্সট
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা-

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
কম্পিউটারের কোন 'ফাংশন কী' চাপলে ফুলস্ক্রিন মোডে পরিবর্তিত হয়?
  1. F3
  2. F5
  3. F11
  4. F7
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৮.
'Ctrl + Z' কমান্ডটি কী কাজ করে?
  1. Undo
  2. Redo
  3. Save
  4. Open
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+ B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
২৯.
উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বিল গেটস এবং স্টিভ জবস
  2. কেভিন সাইস্ট্রম এবং ল্যারি পেইজ
  3. ল্যারি স্যাঙ্গার এবং জিমি ওয়েলস
  4. টিম বার্নার্স-লি এবং রিচার্ড স্টলম্যান
ব্যাখ্যা

• উইকিপিডিয়া:
- উইকিপিডিয়া হলো ইন্টারনেট বিশ্বকোষ।
- “Wikipedia” (উইকিপিডিয়া) শব্দটি এসেছে “Wiki” (উইকি), যার অর্থ সহায়তামূলক কাজের দ্বারা তৈরি ওয়েবসাইট এবং “Encyclopedia” (বিশ্বকোষ) শব্দ দুটি থেকে।
- উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা হলেন ল্যারি স্যাঙ্গার এবং জিমি ওয়েলস।
- Owner: Wikimedia Foundation.
- Launch date: January 15, 2001.
- Available in: 326 languages.

উৎস: উইকিপিডিয়া।

৩০.
পাইথন কোন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. ইভেন্ট ড্রাইভেন
  2. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড
  3. স্ট্রাকচার্ড
  4. ভিজুয়াল
ব্যাখ্যা
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৩১.
রাউটার OSI মডেলের কত তম স্তরে কাজ করে?
  1. প্রথম
  2. চতুর্থ
  3. সপ্তম
  4. তৃতীয়
ব্যাখ্যা
[রাউটার OSI মডেলের তৃতীয় স্তর Network layer এ কাজ করে। রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ছােট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তােলা যায়।]

• OSI (Open System Interconnection): OSI মডেল মূলত একটি ওপেন স্ট্যান্ডার্ডস যার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সমূহ তৈরি করা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেলের স্তর ৭ টি।
- উপরের ৩টি লেয়ারকে Upper Layer এবং নিচের ৪টি লেয়ারকে Lower layer বলে।
- OSI মডেলের স্তর গুলো হল:
• Layer 7- Application Layer.
• Layer 6- Presentation Layer.
• Layer 5- Session Layer.
• Layer 4- Transport Layer.
• Layer 3- Network Layer.
• Layer 2- Data Link Layer.
• Layer 1- Physical Layer.

উৎস: আমাজন ওয়েবসাইট।
৩২.
'১১০০০' এর ২ এর পরিপূরক কত?
  1. ১১০০০
  2. ০১০০০
  3. ০১০০১
  4. ০০১১০
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।

⇒ '১১০০০' এর ১ এর পরিপূরক হবে ০০১১১
⇒ ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায় ।
⇒ '১১০০০' এর ২ এর পরিপূরক হলো = ০০১১১ + ১ = ০১০০০
৩৩.
EBCDIC কোডটি কত বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ?
  1. 4-বিট
  2. 6-বিট
  3. 7-বিট
  4. 8-বিট
ব্যাখ্যা
• EBCDIC কোডটি আট বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ।

• ইবিসিডিক কোড:
- ৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১, A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০ এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৩৪.
'PDP II' কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির (সেমি কন্ডাক্টর মেমোরি) উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
বিশ্বের সকল ওয়েব পেইজগুলো কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. HTML
  2. URL
  3. Cloud Storage
  4. WWW
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। এটিকে সাধারণত "ওয়েব" বলা হয়।
- ওয়েব হলো একটি বিশাল সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলোর সংগ্রহই ওয়েব।
- সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তথ্য (যেমন টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে সক্ষম।
- তথ্যগুলো পেতে ব্যবহারকারীদের বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়, যাকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে ECRN (The European Center for Nuclear Research) তে।
- ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে MOSAIC নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর থেকে ওয়েবের ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- মজিলা ফায়ারফক্স, এবং
- নেটস্কেপ নেভিগেটর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং মহাকাশ গবেষণার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. মাইক্রো কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. Microsoft Access
  2. Oracle
  3. Fox pro
  4. Power Point
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
উদাহরণ: Microsoft Access, Microsoft SQL server, Oracle, Corel paradox, lotus approach, Corel paradox, filemaker pro, Fox pro ইত্যাদি।

• Power Point হলো একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩৮.
ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Oracle
  2. MS Outlook
  3. Redis
  4. Informix
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

• MS Outlook বা মাইক্রোসফট আউটলুক হলো ইমেইল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯.
নিচের কোন ডিভাইসে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রিপিটার
  4. উল্লিখিত সকল ডিভাইসে
ব্যাখ্যা
• সুইচ (Switch):
- সুইচ হলো বহু পোর্টবিশিষ্ট একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যার সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রীয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- সুইচ প্রেরক থেকে প্রাপ্ত ডেটা সুনির্দিষ্ট পোর্টে পাঠিয়ে থাকে।
- এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের মধ্যে সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ সংযুক্ত থাকে।

• সুইচের সুবিধা:
- ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বাঁধার সম্ভাবনা কমায়।
- ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব।
- ভার্চুয়াল LAN ব্যবহার করে ব্রডকাস্ট নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

 [প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের বইয়ে সুইচে ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব নয় আছে, যা প্রকৃতপক্ষে ভুল।]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪০.
'Code Red' কী?
  1. হ্যাকার গ্রুপ
  2. কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি।

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি প্রধানত কোনটির ওপর নির্ভরশীল?
  1. র‍্যাম
  2. সিপিইউ
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে বেশি কোনটির?
  1. ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  2. রেজিস্টার
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টারের ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে বেশি।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি। 
- মেমরির ধারণক্ষমতার ক্রম:


- চিত্রে পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা 
- অর্থাৎ পিরামিডের উপর থেকে নিচের দিকের ক্রম অনুসারে খরচ কম হয়, ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং অ্যাকসেস টাইম বৃদ্ধি পায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
এন্টিভাইরাস কী?
  1. একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস
  2. একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. একটি ভাইরাস তৈরির প্রোগ্রাম
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলো-
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
'Robota' শব্দের অর্থ কী?
  1. যন্ত্র
  2. শ্রমিক
  3. স্বয়ংক্রিয়
  4. উদ্ভাবন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৫.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে প্রথমবারের মতো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান শুরু হয়?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. প্রথম প্রজন্ম
  4. তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১. দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয় ।
২. GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
৩. সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৪. পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৫. SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
৬. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য নিচের কোনটি অধিক যুক্তিযুক্ত?
  1. একদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়
  2. দুইদিকে একসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়
  3. দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় তবে একই সময়ে নয়
  4. ডেটা শুধুমাত্র এক দিকে প্রেরণ করা যায়, গ্রহণ করা যায় না
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৪৭.
যে রেকর্ডটি একটি ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য বা তথ্য বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়, তাকে কী বলে?
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি
  3. ফিল্ড
  4. ভ্যালু
ব্যাখ্যা
এনটিটি (Entity):
- কোনো ডেটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডেটার এনটিটি। যেমন: একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়।



এট্রিবিউট (Attribute):
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোনো এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
- অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে। 

ভ্যালু (Value):
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু। 

ফিল্ড:
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার কী ব্যবহার করে কাগজে ছাপায়?
  1. লেজার বিম
  2. কালির জেট
  3. ছোট পিন
  4. হিটিং এলিমেন্ট
ব্যাখ্যা
• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।
- আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে।
- এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে রিবন কার্টিজ ব্যবহৃত হয়।
- এর গতি পরিমাপক একক CPS (Character per second).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
৪৯.
240 বাইট = কত?
  1. 1 মেগাবাইট
  2. 1 গিগাবাইট
  3. 1 টেরাবাইট
  4. 1 পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
• মেমোরির ধারণক্ষমতা:
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।

৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য অক্ষত থাকে?
  1. ASDRAM
  2. DRAM
  3. PROM
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল মেমোরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম:
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম:
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম:
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
অ্যানালগ কম্পিউটার সাধারণত কী পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
  2. গ্রাফিক্স ডিজাইন
  3. চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ
  4. টেক্সট ফাইল ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।