পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ: ১. ধ্বনিতত্ত্ব (ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) ২. শব্দপ্রকরণ (লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।) উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি কয় প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে -

• সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার:
- খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি
- তৎসম শব্দের সন্ধি

• খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি দুই রকমের
- স্বরসন্ধি
- ব্যঞ্জন সন্ধি।

• তৎসম শব্দের সন্ধি তিন প্রকার।
- স্বরসন্ধি
- ব্যঞ্জন সন্ধি
- বিসর্গ সন্ধি

আবার, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) অনুসারে,
• সন্ধি তিন প্রকার:
- স্বরসন্ধি
- ব্যঞ্জনসন্ধি
- বিসর্গসন্ধি
.
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. ক) কারক
  2. খ) প্রত্যয়
  3. গ) বর্ণ
  4. ঘ) সমাস
সঠিক উত্তর:
গ) বর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বর্ণ
ব্যাখ্যা
• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে বিভক্ত হয়।
যথা –
- ধ্বনিতত্ত্ব,
- রূপতত্ত্ব,
-বাক্যতত্ত্ব ও
- অর্থতত্ত্ব।

• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় সমূহ
- ধ্বনি,
- বর্ণ,
- ধ্বনির উচ্চারণ প্রণালি,
- উচ্চারণের স্থান,
- ধ্বনি পরিবর্তন ও
- লোপ, ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান,
- সন্ধি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
কারক, সমাস, উপসর্গ, অনুসর্গ, প্রকৃতি ও প্রত্যয় ইত্যাদি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
 
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
শব্দদ্বিত্বের প্রকারভেদ নয় কোনটি?
  1. ক) অনুকার দ্বিত্ব
  2. খ) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  3. গ) আবৃত্ত দ্বিত্ব
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) আবৃত্ত দ্বিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবৃত্ত দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে। শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের:
- অনুকার দ্বিত্ব,
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'গাছা' 'গাছি' ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক কোন বচনে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) একবচন
  2. খ) দ্বিবচন
  3. গ) ত্রিবচন
  4. ঘ) বহুবচন
সঠিক উত্তর:
ক) একবচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একবচন
ব্যাখ্যা
কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। 
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়। 
- বচন ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়। 

• টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যা একবচনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বচন এর প্রকারভেদ কোনটি?
  1. ক) একবচন ও দ্বিবচন
  2. খ) একবচন ও বহুবচন
  3. গ) একবচন ও একাধিকবচন
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) একবচন ও বহুবচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একবচন ও বহুবচন
ব্যাখ্যা
বচন হলাে সংখ্যার ধারণা। বচনের মাধ্যমে গণনাবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা নির্দেশিত হয়।
- বাংলা ভাষায় বচন দ্বিবিধ: একবচন ও বহুবচন।
- সাধারণত কিছু শব্দাংশ বা লগ্নক একবচন শব্দের পরে যুক্ত হয়ে বহুবচন শব্দ তৈরি করে।

অনেক ক্ষেত্রে বচন লগ্নক ব্যবহৃত না হলেও বহুবচন হতে পারে।
যেমন -
- বাজারে লােক কম।
- মৌমাছি মৌচাক বানায়।
- সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে তিনি গবেষণা করছেন।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'শয়ন' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোন সূত্রে গঠিত?
  1. ক) অ+ অন্য স্বর
  2. খ) আ+ অন্য স্বর
  3. গ) এ+ অন্য স্বর
  4. ঘ) ঐ+ অন্য স্বর
সঠিক উত্তর:
গ) এ+ অন্য স্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ+ অন্য স্বর
ব্যাখ্যা
'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির উদাহরণ, 
এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = শে+অন 
সূত্র: এ+ অন্য স্বর = অ+স্বর।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)। 
.
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক) ঢাকী
  2. খ) কবিরাজ
  3. গ) কৃতদার
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কিছু পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দের লিঙ্গান্তর হয় না। 

নিত্য পুরুষবাচক শব্দ - কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ - কুলটা, সতীন, অর্ধাঙ্গিনী, বিধবা, অসূর্যম্পশ্যা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ধাতব পদার্থের সংঘর্ষে কোন ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়?
  1. ক) অনুকার দ্বিত্ব
  2. খ) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  3. গ) পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  4. ঘ) বিভক্তিহীন দ্বিত্ব
সঠিক উত্তর:
খ) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব: কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয় , সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে। যেমন- ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনো ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য কোনো ধাতব পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়। যেমন- সাঁ করে তির ছুটে যায়, সাঁ সাঁ।

কয়েকটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ:
 টুং টুং, ঠুকঠুক, শোঁ শোঁ, খক খক, দুম দুম, কুটুস-কুটুস, ঠুক-ঠুক, কোঁত কোঁত, হিস হিস, জ্বলজ্বল, ঝমঝম, টসটস, থকথকে, ফুসুর ফুসুর, ভট ভট, ঢং ঢং।


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোন পদের সঙ্গে -টা ,-টি নির্দেশক যুক্ত হয় না?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) ক্রিয়াবিশেষণ
  3. গ) সর্বনাম
  4. ঘ) বিশেষণে
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রিয়াবিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যা
• যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
যেমন, -টা, -টি, -খানা, -খানি,-জন, -টুকু।

বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে -টা ,-টি নির্দেশক যুক্ত হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয় -খানা, -খানি নির্দেশক।
শুধু মানুষের ক্ষেত্রে -জন নির্দেশক ব্যবহৃত হয়।
কোনো কিছুর সামান্য অংশ বা অল্প পরিমান বোঝায় সেক্ষেত্রে -টুকু নির্দেশক যুক্ত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
কোন পদের শেষে -খানা, -খানি নির্দেশক যুক্ত হয় না?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) সর্বনাম
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সর্বনাম
ব্যাখ্যা
' যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। যেমন, -টা, -টি, -খানা, -খানি,-জন, -টুকু।

বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের সঙ্গে -টা ,-টি নির্দেশক যুক্ত হয়।
বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয় -খানা, -খানি নির্দেশক।
শুধু মানুষের ক্ষেত্রে -জন নির্দেশক ব্যবহৃত হয়।
কোনো কিছুর সামান্য অংশ বা অল্প পরিমান বোঝায় সেক্ষেত্রে -টুকু নির্দেশক যুক্ত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
নিম্নের কোনটি ভুল প্রয়োগ?
  1. ক) সব মানুষই মরণশীল।
  2. খ) মানুষ মরণশীল।
  3. গ) মানুষেরা মরণশীল।
  4. ঘ) সকল মানুষেরাই মরণশীল।
সঠিক উত্তর:
ঘ) সকল মানুষেরাই মরণশীল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সকল মানুষেরাই মরণশীল।
ব্যাখ্যা
একই সঙ্গে দুইবার বহুবচনবাচক প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয় না। 
যেমন: সব মানুষই অথবা মানুষ অথবা মানুষেরা মরণশীল। (শুদ্ধ)
কিন্তু, সকল মানুষেরাই মরণশীল। (ভুল)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
নিম্নের কোন শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ স্বরসন্ধির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) উল্লাস
  2. খ) সঞ্চয়
  3. গ) নাবিক
  4. ঘ) নীরস
সঠিক উত্তর:
গ) নাবিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাবিক
ব্যাখ্যা
নাবিক শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত।
সন্ধিবিচ্ছেদ - নৌ + ইক = নাবিক

উল্লাস, সঞ্চয় শব্দদ্বয় ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত।
সন্ধিবিচ্ছেদ - উৎ + লাস = উল্লাস

নীরস শব্দের সন্ধি বিচ্ছের বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণী (২০২২ সংস্করণ)
১৩.
মর্ধন্য ণ এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে কোন শব্দে?
  1. ক) পরণিন্দা
  2. খ) ক্রন্দণ
  3. গ) দুর্ণিবার
  4. ঘ) আপণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আপণ
ব্যাখ্যা
• কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মর্ধন্য ণ হয়।
যেমন- চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ কণিকা, আপণ, লাবণ্য, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, গৌণ, কোণ, ভাণ ইত্যাদি। 

• সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না।
এরূপ ক্ষেত্রে 'ন' হয়। যেমনঃ
- ত্রিনয়ন,
- সর্বনাম,
- দুর্নীতি,
- দুর্নাম,  
- দুর্নিবার,
- পরনিন্দা,
- অগ্রনায়ক ইত্যাদি।

• ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো ণ হয় না।
যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
গণনা ও পরিমাপ সংক্রান্ত ধারনা দেয় কোন শব্দ?
  1. ক) সংখ্যাশব্দ
  2. খ) বচন
  3. গ) লগ্নক
  4. ঘ) বলক
সঠিক উত্তর:
ক) সংখ্যাশব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংখ্যাশব্দ
ব্যাখ্যা
সংখ্যাশব্দ
সংখ্যা হচ্ছে গণনা ও পরিমাপ সংক্রান্ত ধারনা।  
- সংখ্যার সাহায্যে গণনাগত ও পরিমাণগত ধারণা পাওয়া যায়। 
- সংখ্যা যেহেতু বিশেষ্যরই সংখ্যা নির্দেশ করে, তাই তা অন্বয়ের চরিত্রে বিশেষণ হিসেবে গণ্য।  

সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ- 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক ও 
- ক্রমবাচক।
আরও রয়েছে - তারিখবাচক সংখ্যাশব্দ
                     - গুণিতক সংখ্যাশব্দ

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
১৫.
'তাকে চোখে চোখে রাখতে হবে'- বাক্যে কোন প্রকার শব্দদ্বিত্ব ব্যবিহৃত হয়েছে?
  1. ক) অনুকার
  2. খ) ধ্বন্যাত্মক
  3. গ) বিভক্তিহীন
  4. ঘ) বিভক্তিযুক্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিভক্তিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিভক্তিযুক্ত
ব্যাখ্যা
অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে। শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের:
- অনুকার দ্বিত্ব,
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে। যেমন - জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালো ভালো (কথা), কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড় (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।
বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬.
'সম্পাদক' শব্দের বহুবচনে কোন লগ্নক ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) গুলো
  2. খ) খানা
  3. গ) মণ্ডলী
  4. ঘ) আবলি
সঠিক উত্তর:
গ) মণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মণ্ডলী
ব্যাখ্যা
• মানী পক্ষের বহুবচন করার সময়ে ‘গণ’, ‘বৃন্দ’, ‘মণ্ডলী’, ‘বর্গ’ ইত্যাদি লগ্নক যোগ করা হয়।
যেমন:
গণ- সদস্যগণ, সচিবগণ।
বৃন্দ - দর্শকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ।
মণ্ডলী - সুধীমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী।
বর্গ - পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ।

• প্রাণী বা বস্তুর নামকে বহুবচন করতে ‘সব’, ‘সমূহ’, ‘আবলি’, ‘মালা’ ইত্যাদি লগ্নক যোগ করতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
ব্যাঞ্জনসন্ধি কখন গঠনের নিয়ম কোনটি?
  1. ক) স্বর+ব্যঞ্জন
  2. খ) ব্যঞ্জন + স্বর
  3. গ) ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনসন্ধি
- স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।

সাধারণত, ব্যঞ্জনসন্ধি  তিন নিয়মে হয়: 
১. স্বর+ব্যঞ্জন
২. ব্যঞ্জন + স্বর
৩. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
নির্দিষ্ট সংখ্যার ধারণা পাওয়া যায় কোন বাক্যে?
  1. ক) শত-শত রকমের ঘুড়ি ওড়ানো হয়েছিলো।
  2. খ) বন্যায় লক্ষ লক্ষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
  3. গ) অনেক অনেক বছর আগের কথা
  4. ঘ) চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
সঠিক উত্তর:
ঘ) চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
ব্যাখ্যা
অনির্দিষ্ট বেশি সংখ্যার ধারণা 
- শত-শত রকমের ঘুড়ি ওড়ানো হয়েছিলো। 
- বন্যায় লক্ষ লক্ষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। 
- অনেক অনেক বছর আগের কথা 

নির্দিষ্ট সংখ্যার ধারণা
- চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
 - তোরা পঞ্চাশ-পঞ্চাশটা লোক গেলি আর মার খেয়ে ফিরে এলি!

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
১৯.
'তার উড়ু উড়ু ভাব'- বাক্যে 'উড়ু উড়ু' কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) সামান্যতা বোঝাতে
  2. খ) তীব্রতা বোঝাতে
  3. গ) স্বল্পকাল বোঝাতে
  4. ঘ) আধিক্য বোঝাতে
সঠিক উত্তর:
ক) সামান্যতা বোঝাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সামান্যতা বোঝাতে
ব্যাখ্যা
বিশেষণ শাব্দযুগলের বিশেষণ রূপে ব্যবহার-
আধিক্য বোঝাতে - ভালো ভালো আম নিয়ে এসো। 
তীব্রতা বা সঠিকতা বোঝাতেন - গরম গরম জিলাপি। 
সামান্যতা বোঝাতে - তার উড়ু উড়ু ভাব

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
নিম্নের কোন বহুত্ববোধক শব্দটি একবাচনবাচক বিশেষ্যের আগে প্রয়োগ করে বহুবচন প্রকাশ করে?
  1. ক) আবলি
  2. খ) বিস্তর
  3. গ) নিকর
  4. ঘ) রাজি
সঠিক উত্তর:
খ) বিস্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিস্তর
ব্যাখ্যা
একবাচনবাচক বিশেষ্যের আগে অজস্র, অনেক, বিস্তর, বহু, নানা, ঢের, ইত্যাদি বহুত্ববোধক শব্দ বিশেষণ হিসেবে প্রয়োগ করেও বহুবচন বুঝানো হয়। 
যেমন: অজস্র লোক, অনেক টাকা, বিস্তর টাকা, বহু মেহমান, নানা কথা, ঢের খরচ, অঢেল টাকা পয়সা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২১.
'তিনি' এর বহুবচন কোনটি?
  1. ক) তারা
  2. খ) আপনারা
  3. গ) তাঁরা
  4. ঘ) তোমরা
সঠিক উত্তর:
গ) তাঁরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাঁরা
ব্যাখ্যা
কিছু একবচন শব্দ বহুবচন হবার সময়ে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটায়- 

একবচন— আমি;  বহুবচন— আমরা। 
একবচন— তুমি;  বহুবচন—তোমরা। 
একবচন— সে; বহুবচন— তারা।
একবচন— তিনি;  বহুবচন— তাঁরা। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২২.
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি কোনটি?
  1. ক) কুলটা
  2. খ) প্রৌঢ়
  3. গ) অন্যান্য
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
- কতগুলো সন্ধি এই নিয়মের অনুসরণ করে হয় না। সেগুলোকে নিপাতনেসিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে।
যেমন -
- কুল + অটা = কুলটা (কুলাটা নয়),
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ (গবক্ষ নয়)
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়)
- অন্য + অন্য = অন্যান্য
- মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড
- শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০১৯ সংস্করণ)।
২৩.
'বাদশা' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি?
  1. ক) মালেকা
  2. খ) রানী
  3. গ) খানম
  4. ঘ) বেগম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগম
ব্যাখ্যা
কয়েকটি বিদেশী নারী বাচক শব্দ:
খান-খানম,
মরদ-জেনানা,
মালেক-মালেকা,
মুহতারিম-মুহতারিমা,
সুলতান-সুলতানা,
বাদশা-বেগম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪.
ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ কোনটি?
  1. ক) সাড়ে চার
  2. খ) পৌনে চার
  3. গ) সওয়া চার
  4. ঘ) আড়াই
সঠিক উত্তর:
খ) পৌনে চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পৌনে চার
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ- 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক ও 
- ক্রমবাচক।
আরও রয়েছে - তারিখবাচক সংখ্যাশব্দ
                     - গুণিতক সংখ্যাশব্দ

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের - 
- পূর্ণগুণিত শব্দ : এক এক্কে এক, দুই দুগুণে চার ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ : চৌথাই, সিকি , পোয়া, তেহাই, অর্ধ ইত্যাদি।
- ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ : পৌনে চার, পৌনে সাত ইত্যাদি। 
- আধিক্য নির্দেশক শব্দ : 'আড়াই' 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' ইত্যাদি। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
২৫.
বহুবচনজ্ঞাপক শব্দ নয় নিম্নের কোনটি?
  1. ক) -রাজি
  2. খ) -নিচর
  3. গ) -দাম
  4. ঘ) -গুচ্ছ
সঠিক উত্তর:
খ) -নিচর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) -নিচর
ব্যাখ্যা
'-নিচর' বহুবচনজ্ঞাপক শব্দ নয়। 

‘বচন' ব্যাকরণের একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ সংখ্যার ধারণা। ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশের উপায়কে বলে বচন। বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার : একবচন ও বহুবচন ।
 
একবচন : যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একটিমাত্র সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে একবচন বলে। যেমন – সে এলো। মেয়েটি স্কুলে যায়নি।
 
বহুবচন : যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একের অধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে বহু বচন বলে। যেমন : তারা গেল। মেয়েরা এখনও আসেনি।
 
দৈনন্দিন ভাষার বহুবচন-প্রত্যয়
ক. ব্যক্তিবাচক কর্তৃপদ : -রা, -এরা, সকল
ব্যক্তিবাচক তির্যক : -দের (কে)/-এদের (কে)
খ. অ-মানবিক সজীব
মানবিক ক্ষেত্রে অবজ্ঞাবাচক এবং অজীব : -গুলো, (-গুলি)
 
সাহিত্যে ও বিশেষ নিরুক্তিতে (register) ব্যবহৃত বহুবচন-প্রত্যয়
ক. ব্যক্তিবাচক : --গণ, --বৃন্দ, -মণ্ডলী, -কুল, -দল, -মহল, সঙ্ঘ, সমূহ, -দিগর, -পুঞ্জ, -নিচয়, -উচ্চয়, -চয়, -ব্রজ
খ. অজীব : -আবলি, -উচ্চয়, -গুচ্ছ, -গ্রাম, -চয়, -জাল, -দল, -দাম, নিকর, -নিচয়, পাল, পুঞ্জ, ব্রজ, ব্রাত, মণ্ডল, -মণ্ডলী, মালা, রাজি, রাশি, -শ্রেণি, -সমূহ ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ) এবং প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ। 
২৬.
কোনটি ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়?
  1. ক) পদ
  2. খ) লিঙ্গ
  3. গ) বচন
  4. ঘ) শব্দ
সঠিক উত্তর:
গ) বচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বচন
ব্যাখ্যা
কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। 
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়। 
- বচন ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২৭.
নিম্নের কোন বাক্যে বহুবচন প্রকাশক এর ব্যবহার সঠিকভাবে হয়েছে?
  1. ক) পাখিবর্গ আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে।
  2. খ) গ্রন্থগণ খুঁজে পাচ্ছিনা।
  3. গ) মৌমাছি মৌচাক বানায়।
  4. ঘ) দর্শকমালা চলচ্চিত্র উপভোগ করছে।
সঠিক উত্তর:
গ) মৌমাছি মৌচাক বানায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌমাছি মৌচাক বানায়।
ব্যাখ্যা
বচন হলাে সংখ্যার ধারণা। বচনের মাধ্যমে গণনাবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা নির্দেশিত হয়।
- বাংলা ভাষায় বচন দ্বিবিধ: একবচন ও বহুবচন। সাধারণত কিছু শব্দাংশ বা লগ্নক একবচন শব্দের পরে যুক্ত হয়ে বহুবচন শব্দ তৈরি করে।

অনেক ক্ষেত্রে বচন লগ্নক ব্যবহৃত না হলেও বহুবচন হতে পারে।
যেমন -
- বাজারে লােক কম।
- মৌমাছি মৌচাক বানায়।
- সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে তিনি গবেষণা করছেন।

অন্যান্য বাক্যের সঠিক প্রয়োগ- 
- পাখিসব আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে। 
- গ্রন্থসমূহ খুঁজে পাচ্ছিনা। 
- দর্শকবৃন্দ চলচ্চিত্র উপভোগ করছে। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২৮.
অন্যান্য শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) অন্‌+অন্য
  2. খ) অন্য+অন্য
  3. গ) অন্যান্‌+য
  4. ঘ) অনন্য+য
সঠিক উত্তর:
খ) অন্য+অন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অন্য+অন্য
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
- কতগুলো সন্ধি এই নিয়মের অনুসরণ করে হয় না। সেগুলোকে নিপাতনেসিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে।
যেমন -
- কুল + অটা = কুলটা (কুলাটা নয়),
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ (গবক্ষ নয়)
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়)
- অন্য + অন্য = অন্যান্য
- মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড
- শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০১৯ সংস্করণ)।
২৯.
১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত পূরণবাচক শব্দে কোন প্রত্যয় যোগ করা হয়?
  1. ক) তর
  2. খ) তম
  3. গ) ঈ
  4. ঘ) তা
সঠিক উত্তর:
খ) তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তম
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক শব্দ ২ প্রকার 
- ক্রমবাচক
- পূরণবাচক

পূরণবাচক: পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। 

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ ধরনের হয়,
সাধারণ পূরণবাচক
তারিখ পূরণবাচক
ভগ্নাংশ পূরণবাচক

সাধারণ পূরণবাচক: ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি
- -১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ)  ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী) ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
৩০.
নিম্নের কোনটি স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. ক) মেধাবী
  2. খ) মেধাবীন
  3. গ) মেধাবিনী
  4. ঘ) মেধাহীন
সঠিক উত্তর:
গ) মেধাবিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেধাবিনী
ব্যাখ্যা
• ঈনী এবং নী প্রত্যয় যোগে গঠিত সংস্কৃত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- মায়াবী - মায়াবিনী,
- কুহক - কুহকিনী,
- যোগী - যোগিনী

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৩১.
বিদেশি ভাষার অনুসরণে বহুবচন ঘটেছে কোথায়?
  1. ক) পক্ষি - পক্ষিকূল
  2. খ) পাখি - পাখিসব
  3. গ) কবিতা - কবিতাগুচ্ছ
  4. ঘ) সাহেব - সাহেবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাহেব - সাহেবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাহেব - সাহেবান
ব্যাখ্যা
কতিপয় বিদেশি শব্দে সে ভাষার অনুসরণে বহুবচন হয়।
যেমনঃ
আন যোগে-
বুজুর্গ - বুজুর্গান
সাহেব - সাহেবান

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৩২.
"একটা যদি পাই ওমনি ধরে গাপুস গুপুস খাই"- কাব্যে পদাশ্রিত নির্দেশক কোনটি?
  1. ক) -টা
  2. খ) যদি
  3. গ) পাই
  4. ঘ) ওমনি
সঠিক উত্তর:
ক) -টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) -টা
ব্যাখ্যা
• যেসব লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বােঝায়, সেগুলােকে নির্দেশক/পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
যেমন -টা, -টি, -খানা, -খানি, -জন, -টুকু। 

• আলোচ্য বাক্য, 'একটা যদি পাই ওমনি ধরে গাপুস গুপুস খাই' তে নির্দেশক/পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত পদ - একটা । 
- এখানে এক এর সাথে '-টা' লগ্নক যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বােঝায়। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)। 
৩৩.
'পাল' ও 'যূথ' কেবল ___ এর বহুবচনে যুক্ত হয়।
  1. ক) জন্তু
  2. খ) অপ্রাণি
  3. গ) মানুষ
  4. ঘ) প্রাণি ও অপ্রাণি
সঠিক উত্তর:
ক) জন্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জন্তু
ব্যাখ্যা
'পাল' ও 'যূথ' কেবল জন্তু এর বহুবচনে যুক্ত হয়। 
- রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে। 
- হস্তিযূথ মাঠের ফসল নষ্ট করেছে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৪.
নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ক) নিঃ + রব = নিরব
  2. খ) নিঃ + রস = নিরস
  3. গ) নিঃ + রােগ = নিরােগ
  4. ঘ) নিঃ + আকার = নিরাকার
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিঃ + আকার = নিরাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিঃ + আকার = নিরাকার
ব্যাখ্যা
বিসর্গসন্ধি
বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়:
বিসর্গ বিদ্যমান থাকে: মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট, অধঃ + পতন = অধঃপতন, বয়ঃ + সন্ধি = বয়ঃসন্ধি
বিসর্গ ও হয়ে যায়; মনঃ + যােগ = মনােযােগ, তিরঃ + ধান = তিরােধান, তপঃ + বন = তপোবন
বিসর্গ র’ হয়ে যায়: নিঃ + আকার = নিরাকার, পুনঃ + মিলন = পুনর্মিলন, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ
বিসর্গ শ/ষ/ হয়: নিঃ + চয় = নিশ্চয়, দুঃ + কর = দুষ্কর, পুরঃ + কার = পুরস্কার
কিছু কিছু সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়: নিঃ + রব = নীরব, নিঃ + রস = নীরস, নিঃ + রােগ = নীরােগ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।