পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ২ নভেম্বর, ২০২৩সময়50 minutes৫৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬০
সিলেবাস
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়) পদের নাম - জুনিয়র শিক্ষক (গ্রেড-১১) পরীক্ষার তারিখ - ০৪.০৬.২০২২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ২ নভেম্বর, ২০২৩ · ৬০ প্রশ্ন

.
‘বাংলা সাহিত্যের ইতিকথা’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. গোপাল হায়দার
  2. সুকুমার
  3. ভূদেব চৌধুরী
  4. দীনেশ চন্দ্র সেন
সঠিক উত্তর:
ভূদেব চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূদেব চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ 'বাংলা সাহিত্যের ইতিকথা' ভূদেব চৌধুরী:
• 'বাংলা সাহিত্যের ইতিকথা' হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে ভূদেব চৌধুরী রচিত একটি গ্রন্থ।
• এটি প্রথম প্রকাশ হয়েছিল অনেক আগে, এরপর বিভিন্ন সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে।
• লেখকের চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা সংস্করণ থেকে সংস্করণে ক্রমশ পরিণত হয়েছে। একই পরিকল্পনার ক্রমিক বিন্যাস ক্রমশ পরিণতি পেতে চেয়েছে, ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিকথা'র দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ পর্যায় রচনা ও প্রকাশের মাধ্যমে।
• বইটি বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্য রক্ষা ও প্রাচীন আধুনিক সাহিত্যের তুলনা নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: 'বাংলা সাহিত্যের ইতিকথা' ভূদেব চৌধুরী।

.
‘খনার বচন’ এর মূল ভাব কি?
  1. শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
  2. সামাজিক মঙ্গলবোধ
  3. রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি
  4. লৌকিক প্রণয় সঙ্গীত
সঠিক উত্তর:
শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
ব্যাখ্যা

 'খনার বচন' এর মূল ভাবগুলো হলো:
☆খনার বচন হলো বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। হিন্দু সমাজের লোকসাহিত্যের একটি শাখা।
☆ এর মূল বিষয় হলো কৃষি ও কৃষি জীবন।
☆ কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু ইত্যাদি নিয়ে উক্তিসমূহ রয়েছে।
☆ এছাড়া জীবনের নীতি ও মূল্যবোধ ফুটে উঠেছে বচনগুলোতে।
☆ অন্যান্য ভাষায় এর প্রভাব পড়েছে কৃষি বিষয়ক বচন হিসেবে।

সংক্ষেপে, খনার বচনে কৃষিজীবন ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
কোনটি শুদ্ধ?
  1. মরু + উদ্যান = মরুদ্যান
  2. প্রতি + উষ = প্রত্যুষ
  3. গঙ্গা + ঊর্মি= গঙ্গোর্মি
  4. পরি + ইক্ষা = পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা + ঊর্মি= গঙ্গোর্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা + ঊর্মি= গঙ্গোর্মি
ব্যাখ্যা
• সূত্র: অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ও-কার হয়।
সুতরাং, আ + ঊ = ও ; গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি।

অন্যদিকে,
• সূত্র: উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঊ-কার হয়; এই নিয়মে গঠিত। 
যেমন:
- মরু + উদ্যান = মরূদ্যান। 
- বধূ + উৎসব = বধূৎসব।
- ভূ+ ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব।

• সূত্র: ই/ঈ এরপরে ই/ঈ থাকলে উভয়ে মিলে ঈ হয় এবং তা ই/ঈ-র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
ই+ঈ = ঈ;
- পরি+ঈক্ষা = পরীক্ষা।
- প্রতি+ঈক্ষা= প্রতীক্ষা।

• সূত্র: ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে 'য' বা য-ফলা হয়। 
যেমন:
- অতি + অন্ত = অত্যন্ত,
- ইতি + আদি = ইত্যাদি,
- প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ,
- নদী + অম্বু = নদ্যম্বু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘নবোঢ়া’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নব + উঢ়া
  2. নব + ঊঢ়া
  3. নবো + উঢ়া
  4. নবো + ঊঢ়া
সঠিক উত্তর:
নব + ঊঢ়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নব + ঊঢ়া
ব্যাখ্যা
• ‘নবোঢ়া’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ: নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া, স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম: 
অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয় মিলে ও-কার হয়;ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।
যেমন -
অ + উ = ও; সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়
আ + উ = ও; যথা + উচিত = যথোচিত
অ + ঊ = ও; গৃহ + ঊর্ধ = গৃ্হোর্ধ্ব
আ + ঊ = ও; গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি

এরূপ - নীলোৎপল, চলোর্মি, ফলোদয়, পরোপকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
প্রথম কোন বাঙালি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. সুনীতিকুমার চট্টপাধ্যায়
  3. ড. মুহম্মাদ শহীদুল্লাহ
  4. ড. এনামুল হক
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
• 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা  ব্যাকরণ। এর রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়।
-  প্রকাশিত ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ।
- এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।

- গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচিত হয় তৎকালীন স্কুল-বুক সোসাইটির অভিপ্রায়ে এবং ছাত্রদের পাঠোপযোগী করে। সর্বমোট বারোটি অধ্যায়ে এটি বিন্যস্ত। প্রথম অধ্যায়ে ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, শব্দ, অক্ষর প্রভৃতি সম্পর্কে দৃষ্টান্তসহ আলোচনা করা হয়েছে। গ্রন্থে বাংলা ভাষার স্বকীয় উচ্চারণ-পদ্ধতি সম্পর্কে রামমোহন কিছু মৌলিক বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। পরবর্তী অধ্যায়গুলিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বাংলা ভাষার লিঙ্গ, প্রত্যয়, পদান্বয়, বাক্যরীতি, ছন্দ ইত্যাদি। মোটামুটিভাবে গৌড়ীয় ব্যাকরণে রয়েছে বাংলা ভাষার ধ্বনি ও রূপগত বৈশিষ্ট্যের বৈয়াকরণিক বিশ্লেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘নূরুলদীনের সারাজীবন’ নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. জিয়া হায়দার
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
• 'নুরুলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাট্য: 
- “নুরুলদীনের সারাজীবন” সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নুরলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নূরলদীনের অবিস্মরণীয় আহবান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত। 

• সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নুরুলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘রাঁধুনি’ এর প্রকৃতি প্রত্যয় কি?
  1. রাঁধ + আনি
  2. রাঁধ্ + উনি
  3. রাঁধন + নি
  4. রাঁধ + নি
সঠিক উত্তর:
রাঁধ্ + উনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঁধ্ + উনি
ব্যাখ্যা
• রাঁধুনি,
- তৎসম বা সংস্কৃত।
- প্রকৃত-প্রত্যয় = [√রাঁধ্‌+উনি বা অনি]
অর্থ:
১ পাচক; পাচিকা। 
২ যে রান্না বা পাক করে; পাচক; রন্ধনকারী; রান্ধনকারিণী; পাকানি। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, অভিগম্য অভিধান।
.
ধ্বনিবাচক ‍দ্বিরুক্তি শব্দ কোনটি?
  1. দরদর
  2. কূট কূট
  3. মড়মড়
  4. নর নর
সঠিক উত্তর:
মড়মড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মড়মড়
ব্যাখ্যা

• ধ্বনিবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ: 
কোনোকিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
এ জাতীয় শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।

ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ বিভিন্নভাবে হতে পারে:
১. মানুষের বিভিন্ন ধ্বনির অনুকরণের সাহায্যে: ভেউ ভেউ করে কাঁদা, ট্যাট্যা করে কাঁদা, হা হা করে হাসা, ঠাঠা করে হাসা ইত্যাদি
২. জীব-জন্তুর ধ্বনিকে অনুকরণ করে: মিউ মিউ (বিড়ালের ডাক), ঘেউ ঘেউ (কুকুরের ডাক), গুনগুন (মৌমাছির ডাক) ইত্যাদি।
৩. কোন বস্তুর ধ্বনির অনুকরণে: ঝমঝম (বৃষ্টির শব্দ), চুকচুক (দুধ খাবার শব্দ) মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ) ইত্যাদি।
অনুরূপভাবে, কড়কড় (বিশেষ্য) - মেঘগর্জন ধ্বনি; বজ্রপাতের শব্দ ৷

অন্যদিকে,
‘কূট’ শব্দের অর্থ- কুটিল, বক্র, জটিল , কপট। সুতরাং এখানে কূট কূট কোনো ধ্বন্যাত্মক শব্দ নয়। এবং ‘নর নর’ ও ‘দর দর’ হচ্ছে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
‘বাহুতে ভর করে চলে যে’ - এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
  1. সাবাসবচী
  2. বুভুক্ষা
  3. ভুজঙ্গ
  4. বাহুঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ভুজঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুজঙ্গ
ব্যাখ্যা
- ‘বাহুতে ভর করে চলে যে’ এর বাক্য সংকোচন - ভুজঙ্গ।

অন্যদিকে,
- ‘যা লাফিয়ে চলে‘ এর বাক্য সংকোচন - প্লাবক।
- ‘বুকে ভর দিয়ে চলে যে’ এর বাক্য সংকোচন - উরগ।
- ‘ভোজন করার ইচ্ছা’ এর বাক্য সংকোচন - বুভুক্ষা।
- মুক্তি পেতে ইচ্ছুক এর বাক্য সংকোচন - মুমুক্ষু।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. শশব্যস্ত
  2. কালচক্র
  3. পরাণপাখি
  4. বহুব্রীহি
সঠিক উত্তর:
শশব্যস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশব্যস্ত
ব্যাখ্যা

• উপমান কর্মধারয় সমাস:
- যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান।
- কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
- এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়। 
যেমন:
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে।
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত।

অন্যদিকে,
• রূপক কর্মধারয় সমাস: উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করে উপমান ও উপেময় পদের যে সমাস হয় তাকে রূপল কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু;
-মন রূপ মাঝি= মনমাঝি;
- প্রাণ রূপ পাখি = প্রাণপাখি;
- কাল রূপ চক্র = কালচক্র।
এরূপ, পরাণপাখি রূপক কর্মধারয় সমাসের দৃষ্টান্ত।

• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
- বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি।

১১.
Please leave your key _____ the reception.
  1. in
  2. on
  3. at
  4. with
সঠিক উত্তর:
at
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at
ব্যাখ্যা
♦ Preposition এর ক্ষেত্রে,

• ছোট স্থান বা শহর বা জায়গার পূর্বে at বসে।
- তাই সঠিক উত্তর: at.

Complete sentence: Please leave your key at the reception.
১২.
Meet me _____ Dhake college.
  1. at
  2. in
  3. on
  4. into
সঠিক উত্তর:
at
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at
ব্যাখ্যা
♦ Preposition এর ক্ষেত্রে,

• ছোট স্থান বা শহর বা জায়গার পূর্বে at বসে।
- তাই সঠিক উত্তর: at.

Complete sentence: Meet me at Dhake college.
১৩.
The doctor told me to _____ a deep breath and hold it.
  1. taking
  2. take
  3. took
  4. taken
সঠিক উত্তর:
take
উত্তর
সঠিক উত্তর:
take
ব্যাখ্যা
• সাধারণত to এর পর verb এর base form হয়ে থাকে।
Example: The doctor told me to take a deep breath and hold it.

অপর দিকে,
- Look forward to, with a view to, get used to, be used to, be addicted to, be devoted to ইত্যাদির পর verb + ing ব্যবহৃত হয়।
Example: He was looking forward to receiving a letter from his business partner.

আবার,
- শুধু Used to এর পর Verb এর base form বসে।
Example: I used to go there.
১৪.
He was happy _____ his result.
  1. to know
  2. of knowing
  3. for know
  4. at knowing
সঠিক উত্তর:
to know
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to know
ব্যাখ্যা
• Infinitive হলো এমন একটি Verb এর প্রকার যেখানে Base Form এর পূর্বে To বসে।
- To + Verb বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।
- সুতরাং সহজ ভাষায়, base form এর পূর্বে বা আগে to বসিয়ে infinitive গঠন করা হয়। 

• Infinitive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত infinitive/ Full Infinitive
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• Infinitives অনেক ভাবেই ব্যবহার হয়ে থাকে,
- In this case, "to know" shows the reason or cause of his happiness. 

• Full infinitives can add context or extra description when used after adjectives.
- যেমন: He was happy to know his result.
১৫.
'Blockbuster' means -
  1. A large solid piece of stone
  2. A device to cut off a person's head as a punishment
  3. Something that makes movement difficult
  4. A powerful explosive to demolish building
সঠিক উত্তর:
A powerful explosive to demolish building
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A powerful explosive to demolish building
ব্যাখ্যা
• Blockbuster (Noun):
Meaning: 
1. a very large high-explosive bomb
2. one that is notably expensive, effective, successful, large, or extravagant
3. one who engages in blockbusting

Source: Merriam-Webster Dictionary
১৬.
The word 'Camouflage' means-
  1. Disguise
  2. Difficult
  3. Havey
  4. Dangerous
সঠিক উত্তর:
Disguise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Disguise
ব্যাখ্যা
• Camouflage:
English Meaning: a way of hiding soldiers and military equipment, using paint, leaves or nets, so that they look like part of what is around or near them
Bangla Meaning:  শত্রুকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য রং, জাল, গাছের ডাল ইত্যাদির সাহায্যে সৃষ্ট মিথ্যা প্রতিভাস; ধোঁকার টাটি; কূটাবরণ।

•প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) disguise - ছদ্মবেশ ধারণ করা; প্রতারণা করতে বা নিজের পরিচয় গোপনে চেহারা পাল্টে ফেলা 
খ) difficult - কঠিন; দুঃসাধ্য; শ্রমসাধ্য
গ) heavy - ভারী; গুরু; গুরুভার; গরীয়ান
ঘ) dangerous - বিপজ্জনক; বিপৎসংকুল।

- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - disguise শব্দটি Camouflage এর সমার্থক অর্থ প্রদান করছে। 
- The word 'Camouflage' means disguise.

Source: Oxford Dictionary.
১৭.
A synonym of 'admit' is -
  1. confess
  2. access
  3. apply
  4. defend
সঠিক উত্তর:
confess
উত্তর
সঠিক উত্তর:
confess
ব্যাখ্যা
♦ Admit
English meaning: to agree that something is true, especially unwillingly.
Bangla meaning: স্বীকার করা; স্বীকারোক্তি করা

Options,
- confess: স্বীকার করা; কবুল করা।
- access: প্রবেশ
- apply: আবেদন করা
- defend: রক্ষা বা আত্মরক্ষা করা; নিরাপত্তাবিধান করা।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, synonym of 'admit' is - confess.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
১৮.
The opposite meaning of 'gracious' is-
  1. affable
  2. grimy
  3. superb
  4. fantastic
সঠিক উত্তর:
grimy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
grimy
ব্যাখ্যা
♦ Gracious
English meaning: behaving in a pleasant, polite, calm way.
Bangla meaning: সদয়; উদার; ভদ্র; সৌজন্যময়

Options,
- affable: শিষ্টাচারী ও বন্ধুভাবাপন্ন; অমায়িক
- grimy: কঠোর; ভয়ানক; নির্মম
- superb: দেদীপ্যমান; চমৎকার; অত্যুৎকৃষ্ট; খাসা।
- fantastic: অদ্ভুত কল্পনাপূর্ণ ও বিচিত্র; উদ্ভট।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The opposite meaning of 'gracious' is - grimy.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
১৯.
I would ____ accept the offer.
  1. like
  2. wish
  3. rather
  4. however
সঠিক উত্তর:
rather
উত্তর
সঠিক উত্তর:
rather
ব্যাখ্যা
• Options,
- like: সদৃশ; অনুরূপ/একইভাবে; সমভাবে।/ সম্ভবত
- wish: কোনো অপূর্ণ বা অসম্ভব ইচ্ছা পোষণ করা
- rather: বরং; বরঞ্চ
- however: যে কোন প্রকারে ; যে কোন উপায়ে/ যাইহোক। 

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, এখানে rather বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।
- বাক্যটির অর্থ দ্বারায়, 'আমি বরং প্রস্তাব গ্রহণ করব।'

• would rather অর্থ – বরং করব/বলব/যাব ইত্যাদি।
- would rather দিয়ে দুটি কাজের মধ্যে দ্বিতীয়টির চেয়ে প্রথমটি শ্রেয়, এ রকম বোঝায়।
- Would rather এর পরে Verb এর Present form হয়।

Complete sentence: I would rather accept the offer.
২০.
'Had better' in any sentence expresses.
  1. advice for the future
  2. advice for the past
  3. request for the future
  4. request for the remote
সঠিক উত্তর:
advice for the future
উত্তর
সঠিক উত্তর:
advice for the future
ব্যাখ্যা
• Had better এর ক্ষেত্রে:
- Had better অর্থ তবুও/ বরং ভালো।
- Had better যুক্ত sentence past tense এর হলেও তা মূলত past tense নয়।
- এ জাতীয় বাক্যগুলি মূলত একটি উপদেশ বা suggestion প্রকাশ করে।
- বাক্যে had better ব্যবহার করা হয় কোনো পরামর্শ দেওয়ার উদ্দেশ্যে, যে কাজটা করা হয় নি এখনো কিন্তু করা উচিত এই মর্মে।

• We use had better to refer to the present or the future, to talk about actions we think people should do or which are desirable in a specific situation.

• "Had better" দ্বারা ভবিষ্যৎ এর জন্য উপদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- Had better এর পরে verb এর base form বসে।

• Subject + had better/would better/had rather + verb এর base form.
২১.
ক্রয়মূল্য : বিক্রয়মূল্য = ৫ : ৬ হলে শতকরা লাভ কত?
  1. ২০%
  2. ২৫%
  3. ২১%
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক্রয়মূল্য : বিক্রয়মূল্য = ৫ : ৬ হলে শতকরা লাভ কত?

সমাধান:
ক্রয়মূল্য : বিক্রয়মূল্য = ৫ : ৬

ক্রয়মূল্য = ৫ক টাকা 
বিক্রয়মূল্য = ৬ক টাকা

লাভ = ৬ক - ৫ক = ক টাকা

৫ক টাকায় লাভ হয় ক টাকা
১ টাকায় লাভ হয় ক/৫ক টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় (ক × ১০০)/৫ক টাকা
= ২০ টাকা

২২.
তিনটি ক্রমিক পূর্ণ সংখ্যা নির্ণয় করুন, যাদের প্রথম ২টি গুণফল শেষ দুটির গুণফল অপেক্ষা ১০ কম।
  1. ৫, ৬, ৭
  2. ৪, ৫, ৬
  3. ৪, ৩, ২
  4. ১, ৪, ৬
সঠিক উত্তর:
৪, ৫, ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪, ৫, ৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক পূর্ণ সংখ্যা নির্ণয় করুন, যাদের প্রথম ২টি গুণফল শেষ দুটির গুণফল অপেক্ষা ১০ কম।

সমাধান:
ধরি,
১ম ক্রমিক সংখ্যা = x
২য় ক্রমিক সংখ্যা = x + 1
৩য় ক্রমিক সংখ্যা = x + 2

প্রশ্নমতে,
x(x + 1) = (x + 1)(x + 2) - 10
বা, x2 + x = x2 + 2x + x + 2 - 10
বা, x2 + x = x2 + 3x - 8
বা, x2 + x - x2 - 3x = - 8
বা, - 2x = - 8
বা, x = - 8/(- 2)
x = 4

১ম ক্রমিক সংখ্যা = 4
২য় ক্রমিক সংখ্যা = 4 + 1 = 5
৩য় ক্রমিক সংখ্যা = 4 + 2 = 6
২৩.
যদি - 5, p, q 16 সমান্তর অনুক্রমে থাকে, তাহলে p ও q এর মান হবে যথাক্রমে-
  1. - 2, 9
  2. - 2, - 9
  3. 2, 9
  4. 2, - 9
সঠিক উত্তর:
2, 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2, 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি - 5, P, Q, 16 সমান্তর অনুক্রমে থাকে, তাহলে P ও Q এর মান হবে যথাক্রমে-

সমাধান: 
এখানে,
১ম পদ a = - 5
সাধারণ অন্তর =  d

এখন,
৪র্থ পদ = a + (4 - 1)d
বা, 16 =  - 5 + 3d
বা, 16 + 5 = 3d
বা, 21 = 3d
∴ d = 7

২য় পদ, p = a + (2 - 1)d = - 5 + 7 = 2
৩য় পদ, q = a + (3 - 1)d = - 5 + (2 × 7) = - 5 + 14 = 9
∴ p = 2, q = 9
২৪.
৩০ থেকে ৮০ এর মধ্যে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার পার্থক্য কত?
  1. ৩০
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৪৮
সঠিক উত্তর:
৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩০ থেকে ৮০ এর মধ্যে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার পার্থক্য কত?

সমাধান: 
৩০ ও ৮০ এর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা ৭৯
৩০ ও ৮০ ক্ষুদ্রতম এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৩১
∴ তাদের পার্থক্য = ৭৯ - ৩১ = ৪৮
২৫.
১.৯৮, ৩ এর ৬০% এবং √৩ কে মানের নিম্নক্রমানুসারে সাজালে হবে-
  1. ১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩
  2. √৩, ৩ এর ৬০%, ১.৯৮
  3. √৩ এর ৬০%, ১.৯৮, √৩
  4. ৩ এর ৬০%, √৩, ১.৯৮
সঠিক উত্তর:
১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১.৯৮, ৩ এর ৬০% এবং √৩ কে মানের নিম্নক্রমানুসারে সাজালে হবে-

সমাধান:
১) ১.৯৮ = ১.৯৮
২) ৩ এর ৬০% = ৩ × ০.৬ = ১.৮
৩) √৩ = ১.৭৩
সুতরাং মানের নিম্নক্রমানুসারে সাজালে পাই, ১.৯৮ > ১.৮ > ১.৭৩।
২৬.
প্রথম n সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল কত?
  1. n2 - ২
  2. n2
  3. n2 + ১
  4. n2 + ২
সঠিক উত্তর:
n2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রথম n সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল কত?

সমাধান:
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যার সমষ্টি = 1 + 3 + 5 + 7 +....... + n
প্রথম পদ, a = 1
সাধারন অন্তর, d = 3 - 1 = 2
পদ সংখ্যা = n

আমরা জানি,
সমষ্টি = (n/2){2a + (n - 1)d}
= (n/2){2.1 + (n - 1).2}
= (n/2)(2 + 2n - 2)
= (n/2).2n
= n2
২৭.
কোন চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে বৃহত্তম কোণের পরিমান কত?
  1. 100°
  2. 120°
  3. 135°
  4. 200°
সঠিক উত্তর:
135°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
135°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে, বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত হবে ?

সমাধান: 
আমরা জানি,
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = 360°
চার কোণের অনুপাত = 1 : 2 : 2 : 3
অনুপাতগুলোর সমষ্টি = 1 + 2 + 2 + 3 = 8
সুতরাং বৃহত্তম কোণ = (3/8) × 360°
= 135°
২৮.
নিম্নলিখিত সংখ্যাগুলোর মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বিজোড়?
  1. ২০৪৮
  2. ১০২৪
  3. ৫১
  4. ৪৮
সঠিক উত্তর:
১০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নে লিখিত চারটি সংখ্যার মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বিজোড়? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
 পূর্ণ বর্গসংখ্যার ভাজক সংখ্যা বিজোড় হয়।
প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে ১০২৪ সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা।
∴ √(১০২৪) = ৩২
সুতরাং ১০২৪ এর ভাজক সংখ্যা বিজোড় সংখ্যা হবে। 

এখন,
১০২৪ এর ভাজক সংখ্যা নির্ণয় করি: 
১০২৪ = ১ × ১০২৪
= ২ × ৫১২
= ৪ × ২৫৬
= ৮ × ১২৮
= ১৬ × ৬৪
= ৩২ × ৩২

∴ ১০২৪ এর ভাজক সংখ্যা = ১, ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২, ৬৪, ১২৮, ২৫৬, ৫১২ এবং ১০২৪
= ১১ টি।
২৯.
a বাহু বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের কর্ণের উপর অঙ্কিত একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল-
  1. a2 বর্গ একক
  2. 2a2 বর্গ একক
  3. √2 a2 বর্গ একক
  4. √2 ‍a বর্গ একক
সঠিক উত্তর:
2a2 বর্গ একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2a2 বর্গ একক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a বাহু বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের কর্ণের উপর অঙ্কিত একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল-

সমাধান:
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক
∴ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √2a একক
∴ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের উপর অংকিত একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল (√2a) বর্গ একক = 2a2 বর্গ একক
৩০.
কোন বৃত্তের কেন্দ্র O; A, P, B তিনটি পরিধিস্থ বিন্দু এবং ∠APB = 90° হলে ∠AOB = ?
  1. 90°
  2. 120°
  3. 150°
  4. 180°
সঠিক উত্তর:
180°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
180°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বৃত্তের কেন্দ্র O; A, P, B তিনটি পরিধিস্থ বিন্দু এবং ∠APB = 90° হলে ∠AOB = ?

সমাধান:



আমরা জানি, 
বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ।  
∠APB = (1/2)∠AOB 
∠AOB = 2∠APB
= 2 × 90°
= 180°
৩১.
পানির অণু একটি -
  1. প্যারা চুম্বক
  2. ডায়া চুম্বক
  3. ফেরো চুম্বক
  4. অ্যান্টি ফেরো ডায়া চুম্বক
সঠিক উত্তর:
ডায়া চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়া চুম্বক
ব্যাখ্যা
প্যারাচৌম্বক: 
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন - অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

ডায়াচৌম্বক: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। 
অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন - হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 

ফেরোচৌম্বক: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩২.
ফিজিক্যাল ল (Physical Law) এর উপর নির্ভর করে হাইড্রলিক প্রেস কাজ করে, এটি কে আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. আর্কিমিডিস
  2. রয়েল
  3. প্যাসকেল
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
প্যাসকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
প্যাসকেলের সূত্র (Pascal's Law): 
- কোনো পাত্রে তরল বা বায়বীয় পদার্থ রাখলে তা পাত্রের সংলগ্ন গাত্রে চাপ প্রয়োগ করে। 
- কিন্তু এই পাত্রটি আবদ্ধ করে যদি তরলের বা বায়বীয় পদার্থের উপর যে কোনো স্থানে বাড়তি চাপ প্রয়োগ করা হয় তাহলে সেই চাপ সবদিকে সঞ্চালিত হয়। 
- এ সম্পর্কে বিজ্ঞানী প্যাসকেল একটি সূত্র দেন। 
- এটি প্যাসকেলের সূত্র নামে পরিচিত। 

প্যাসকেলের সূত্র: 
- "পাত্রে আবদ্ধ তরল বা বায়বীয় পদার্থের যে কোনো অংশের উপর বাইরের থেকে চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ কিছু মাত্র না কমে পদার্থের মধ্যে সব দিকে সঞ্চালিত হয় এবং পদার্থ সংলগ্ন পাত্র পৃষ্ঠের সর্বত্র লম্বভাবে সমান চাপ প্রয়োগ করে"। 
- ফিজিক্যাল ল (Physical Law) এর উপর নির্ভর করে হাইড্রলিক প্রেস কাজ করে, এটি প্যাসকেল আবিষ্কার করেছিলেন। 

- প্যাসকেলের সূত্রের বল বৃদ্ধির নীতি কাজে লাগিয়ে ১৭৯৫ সালে ব্রামা নামে একজন বৃটিশ ইঞ্জিনিয়ার এই যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- আবিষ্কারকের নাম অনুসারে একে ব্রামার প্রেসও বলা হয়।
- আবার তরল পদার্থ দ্বারা চালিত বলে একে হাইড্রোলিক প্রেসও বলা হয়। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ।
৩৩.
হর্স পাওয়ার কী?
  1. কাজ পরিমাপের একক
  2. শক্তি পরিমাপের একক
  3. চাপ পরিমাপের একক
  4. ক্ষমতা পরিমাপের একক
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা পরিমাপের একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা পরিমাপের একক
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা: 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
 - ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
1H.P = 746 W. 
- হর্স পাওয়ার হলো ক্ষমতা পরিমাপের একক। 
- ক্ষমতার মাত্রা [ML2T-3]। 
 
 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
M.K.S পদ্ধতিতে Stress এর একক কোনটি?
  1. Kg.com
  2. kg/cm
  3. Kg/cm2
  4. N/m2
সঠিক উত্তর:
N/m2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
N/m2
ব্যাখ্যা
পীড়ন (stress): 
- প্রযুক্ত বল দ্বারা কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য, আকার বা আয়তনের কোনোরূপ পরিবর্তন করলে অর্থাৎ বিকৃতি ঘটালে স্থিতিস্থাপকতার গুণে সেই বিকৃত বস্তুর ভিতর এক প্রকার বলের উদ্ভব হয়। 
- ঐ প্রতিক্রিয়া বল প্রযুক্ত বলকে বাধা দেয় এবং বল অপসারিত হলে বস্তু পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। 
- বস্তুর ভিতর প্রতি একক ক্ষেত্রফলে উদ্ভূত ঐ প্রতিক্রিয়া বলকে পীড়ন বলে। 
- নিউটনের সূত্রানুসারে, ক্রিয়া বল ও প্রতিক্রিয়া বল পরস্পর সমান। 
- কাজেই, বস্তুর উপর প্রতি একক ক্ষেত্রফলে প্রযুক্ত বল দিয়ে পীড়ন পরিমাপ করা হয় এবং বস্তুর উপর প্রতি একক ক্ষেত্রফলে প্রযুক্ত বলকেও অনেক সময় পীড়ন বলে। 
অতএব, পীড়ন = প্রযুক্ত বল/তলের ক্ষেত্রফল। 
যদি প্রযুক্ত বল F এবং তলের ক্ষেত্রফল A হয় তবে, পীড়ন = F/A  ।
- পীড়নের একক Nm-2 এবং মাত্রা ML-1T-2
- পীড়ন অদিক রাশি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৫.
স্নেহ পদার্থের কাজ কি?
  1. হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে
  2. দেহে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে
  3. শরীরের ক্ষত পূনর্গঠনের কাজ করে
  4. ত্বকের মসৃণতা এবং সজীবতা বাজায় রাখে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধ করে
সঠিক উত্তর:
ত্বকের মসৃণতা এবং সজীবতা বাজায় রাখে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বকের মসৃণতা এবং সজীবতা বাজায় রাখে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধ করে
ব্যাখ্যা
- স্নেহ পদার্থের অভাবে চর্মরোগ, একজিমা ইত্যাদি দেখা দেয়৷ 
- ত্বক শুষ্ক এবং খসখসে হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হয়৷ 
- দীর্ঘদীন স্নেহ পদার্থের অভাব হলে শরীরের সঞ্চিত প্রোটিন ক্ষয় হয় এবং দেহের ওজন কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৬.
হেক্সাডেসিমেলে 4D এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 17
  2. 52
  3. 64
  4. 77
সঠিক উত্তর:
77
উত্তর
সঠিক উত্তর:
77
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে। 
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে। 

এখানে, 
(4D)16 
= 13 × 160 + 4 × 16
= 13 × 1 + 4 × 16 
= 13 + 64 
= 77 

সুতরাং, (4D)16 = (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৭.
কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে RAM স্থায়ী স্মৃতি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার অনুপযোগী?
  1. Too Slow
  2. Unreliable
  3. Volatility
  4. Too Bulky
সঠিক উত্তর:
Volatility
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Volatility
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। 
যেমন: RAM. 
 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে র‍্যামের তথ্য মুছে যায় বিধায় এটি স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৮.
কোনটি রক্ত আমাশয়ের জীবাণু?
  1. সিগেলা
  2. জিয়ার ডিয়া
  3. ক্যামপাইলোব্যাকটার
  4. সালমোনলা
সঠিক উত্তর:
সিগেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিগেলা
ব্যাখ্যা
- রক্ত আমাশয়ের প্রধান কারণ হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যার নাম শিগেলা। 
- এই শিগেলা নামক ব্যাকটেরিয়াও দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। 

রক্ত আমাশয়ের লক্ষণ হলো - 
- পেটে তীব্র মোচড় দিয়ে ব্যথা হওয়া, 
- অল্প অল্প করে বার বার পায়খানা, 
- পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া এবং মলস্বারে তীব্র ব্যথা হওয়া। 

Dysentery is an infection of the intestines that causes diarrhoea containing blood or mucus.
- There are 2 main types of dysentery:
• bacillary dysentery or shigellosis, which is caused by shigella bacteria; this is the most common type of dysentery in the UK
• amoebic dysentery or amoebiasis, which is caused by an amoeba (single celled parasite) called Entamoeba histolytica

Source: NHS
৩৯.
মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. সিরাস
  2. নিম্বোস্ট্রেটাস
  3. কিউম্যুলাস
  4. স্ট্রেটাস
সঠিক উত্তর:
নিম্বোস্ট্রেটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্বোস্ট্রেটাস
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 

উঁচু উচ্চতার মেঘ: 
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ। 
যেমন - 
• সিরাস, 
• সিরোকিউম্যুলাস, 
• সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি। 

মাঝারি বা মধ্য উচ্চতার মেঘ: 
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত। 
যেমন - 
• অল্টোস্ট্রেটাস, 
• কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস, 
• নিম্বোস্ট্রেটাস। 

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ: 
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত। 
যেমন - 
• স্ট্রেটাস, 
• স্ট্রেটোকিউম্যুলাস, 
• কিউম্যুলাস, 
• কিউম্যুলোনিম্বাস। 

উৎস: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
৪০.
দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ১° হলে সময়ের পার্থক্য হবে-
  1. ৪ মিনিট
  2. ৬ মিনিট
  3. ৮ মিনিট
  4. ১০ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মানমন্দির: 
- পৃথিবীর দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১° হলে ঐ দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। 
- তাহলে ১ ঘন্টা বা ৬০ মিনিটের জন্য দ্রাঘিমা পার্থক্য হবে (৬০/৪)= ১৫ ডিগ্রি। 
- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বে অবস্থিত হওয়ায়, 
বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য (৯০ × ৪) = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 

- গ্রীনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত। 
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে। 
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়। 
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়। 
- গ্রীনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রীনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।
৪১.
বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা উপাধি দেওয়া হয় কবে?
  1. ৩রা মার্চ, ১৯৭১
  2. ৭ই মার্চ, ১৯৭১
  3. ৪ঠা মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৬শে মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
৩রা মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩রা মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১।
- উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয় ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)।
-  শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- বঙ্গবন্ধু ‘বাংলাদেশ’ নামকরণ করেন ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে বঙ্গবন্ধু। [লিঙ্ক]
৪২.
৭ই মার্চের ভাষনকে ইউনেস্কো বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ কত নং নথি বা দলিল হিসাবে ‘মেমোরি অভ দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল’ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ৪২৯ তম
  2. ৪২৮ তম
  3. ৪২৭ তম
  4. ৪২৫ তম
সঠিক উত্তর:
৪২৭ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৭ তম
ব্যাখ্যা
- ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেসকো (UNESCO)। 
- ভাষণটি ইউনেসকো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ‘Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এটি ৪২৭ নং নথি/দলিল হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
- এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং Bangladesh High Commission, London.
৪৩.
মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. মেহেরপুর
  2. কলকাতা
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার:
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান হতে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের অধিকাংশ সদস্য প্রতিবেশি দেশ ভারতে আশ্রয় নেন। 
- তারা একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। 
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়। 
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং দেশে-বিদেশে সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ পাঠ করান । 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। 
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’ পাঠ করেন কে?
  1. বেলাল মোহাম্মদ
  2. এম আর আখতার মুকুল
  3. ফহেত লোহানী
  4. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এম.আর আখতার মুকুল, যিনি নিজেই এর উপস্থাপক ছিলেন।
- এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়।
- এতে একইসঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জাতীয়তা বোধের প্রকাশ যা জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়ীকরণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার’।
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সাব সেক্টর কয়টি ছিল?
  1. ৬০
  2. ৬২
  3. ৬৪
  4. ৬৬
সঠিক উত্তর:
৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ শুরু হবার পর সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীন যুদ্ধ-অঞ্চল (সেক্টর) গঠন এবং এ লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সমন্বয় সভা আয়োজনের জন্য মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কর্নেল ওসমানীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেয় যুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিসভা।
- সে অনুযায়ী মুক্তিবাহিনীর বিভিন্ন দলের কমান্ডারদের নিয়ে ১১ থেকে ১৭ জুলাই আহ্বান করা হয় প্রথম সম্মেলন।
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডের (বর্তমানে শেকসপিয়ার সরণি) অফিস ভবনে তার সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। 
- সম্মেলনে সুষ্ঠুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার লক্ষ্যে সারাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- পাশাপাশি সেক্টরগুলোকেও ভাগ করা হয় ৬৪টি সাব-সেক্টরে।
- তিনটি উদ্দেশ্য সামনে রেখে এই সেক্টরগুলো গঠন করা হয়।
- প্রথমত, সেক্টরগুলোর সীমানা নির্ধারণ; দ্বিতীয়ত, গেরিলা যোদ্ধাদের সংগঠিত করা এবং তৃতীয়ত, নিয়মিত বাহিনী সংগঠিত করা।

উৎস: দৈনিক সমকাল। [লিঙ্ক]
৪৬.
বীর বিক্রম খেতাব ধারী কতজন?
  1. ১৭৯
  2. ৪২৪
  3. ২৭৪
  4. ১৭৪
সঠিক উত্তর:
১৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাব:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় বীরত্বসূচক খেতাবের নামকরণ হয়:
- সর্বোচ্চ পদমর্যাদার খেতাব - বীরশ্রেষ্ঠ।
- উচ্চ পদমর্যাদার খেতাব - বীর উত্তম।
- প্রশংসনীয় পদমর্যাদার খেতাব - বীর বিক্রম
- বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের খেতাব - বীর প্রতীক।
- ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন।
- স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ইউনিট, সেক্টর, ব্রিগেড থেকে পাওয়া খেতাবের জন্য সুপারিশসমূহ এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে্ একটি কমিটি দ্বারা নিরীক্ষা করা হয়।
- এরপর ১৯৭৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব তালিকায় স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:

বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন।
বীর উত্তম - ৬৮ জন।
বীর বিক্রম - ১৭৫ জন।
বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।
- ১৯৯২ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে বীরত্বসূচক খেতাব প্রাপ্তদের পদক ও রিবন প্রদান করা হয়।
- ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধুর ৪ খুনির খেতাব বাতিল করা হয়।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হয়েছে তাঁরা হলেন লেফট্যানেন্ট কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫), লেফট্যানেন্ট কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লেফট্যানেন্ট এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
ফলে, বর্তমানে বীর বিক্রম ১৭৪ জন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৪৭.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ এর লেখক কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. আনোয়ার পাশা
  3. কামাল পাশা
  4. শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা
আনোয়ার পাশা:
- কবি, কথা সাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদ আনোয়ার পাশা ১৫ এপ্রিল ১৯২৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস রাইফেল, রোটি, আওরাতের রচয়িতা।
- এটি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লেখা বাংলা সাহিত্যের একমাত্র উপন্যাস।
- এর রচনাকাল এপ্রিল থেকে জুন মাস।
- ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে বর্বর পাকবাহিনী নিরীহ বাঙালী জাতির ওপর যে অমানুষিক হত্যাযজ্ঞ চালায়, উপন্যাসটি শুরু করেছেন তিনি সেই ২৫ মার্চের ভোরের বর্ণনা দিয়ে।
- রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে বিজয়ের একদিন আগে বাংলাদেশের ঢাকার মিরপুরের বধ্যভূমিতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর সহযোগী আল বদর বাহিনীর সদস্যদের হাতে তিনি শহীদ হন।
- ১৯৭২ সালে তিনি মরণোত্তর বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ ই আর্কাইভ। [লিঙ্ক]
৪৮.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালকে কোথায় সমাধিস্থ করা হয়?
  1. চর ফ্যাশন, ভোলা
  2. আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. বিক্রমপুর, মুন্সিগঞ্জ
  4. নানিয়ারচর, রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- ভোলা জেলায় দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে ১৯৪৭ সালে তাঁর জন্ম। 
- তাঁর পিতা মোহাম্মদ হাফিজ ছিলেন সেনাবাহিনীর হাবিলদার।
- মোস্তফা কামাল  ১৯৬৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। 
- প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে নিয়োগ করা হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, কুমিল্লায়। 
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে সিপাহি মোস্তফা কামাল অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসেবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় মোতায়েন করে। 
- পাকিস্তানি চক্রান্ত বুঝতে পেরে কয়েক জন বাঙালি সৈনিককে সঙ্গে নিয়ে মেজর শাফায়াত জামিল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল খিজির হায়াত খানসহ সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সেনাদের গ্রেফতার করেন।
- এরপর তারা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল মোস্তফা কামাল আখাউড়ায় অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করেন। 
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম শক্রমুক্ত জেলার নাম কি?
  1. রাজশাহী
  2. জয়পুরহাট
  3. যশোর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল।
- এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী।
- প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা।
- যশোর মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টরে ছিলো।
- কমান্ডার ছিলেন মেজর মঞ্জুর।
- অন্যদিকে, পাকবাহিনীর মোতায়েন ছিল ১০৭নং ব্রিগেড। এর কমান্ডার ছিলেন বিগ্রেডিয়ার হায়াত খান।
- যশোর সেনানিবাস থেকে শত্রু বাহিনী ৬টি জেলা নিয়ন্ত্রণ করত।
- ২০ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলে অভিযান শুরু করে।
-  একপর্যায়ে পাকবাহিনী ৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে।
- যশোর সেনানিবাস ছেড়ে তারা ছিন্নভিন্ন হয়ে খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে।
- পলায়নকালে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর শহরতলীর রাজারহাটসহ বিভিন্ন স্থানে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে তাদের প্রচণ্ড লড়াই হয়।
- ৬ ডিসেম্বর বিকালের আগে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় পাক হানাদাররা।
- বিকালে মিত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর। [লিঙ্ক]
৫০.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানী
  3. স্পেন
  4. গ্রিস
সঠিক উত্তর:
জার্মানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানী
ব্যাখ্যা
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ভূটান ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- ভারতও একই দিন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১২ মে ১৯৭২
- গ্রিস বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১১ মার্চ ১৯৭২।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।

উৎস: বাংলাদেশ প্রতিদিন। [লিঙ্ক]
৫১.
মুজিব শতবর্ষের লোগোর ডিজাইনার কে?
  1. হাশেম খান
  2. সব্যসাচী হাজরা
  3. মুস্তফা আনোয়ার
  4. শিল্পী শাহাবুদ্দিন
সঠিক উত্তর:
সব্যসাচী হাজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব্যসাচী হাজরা
ব্যাখ্যা
মুজিব বর্ষ:
 - শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)।
- মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান কোথায় অনুষ্ঠিত হয় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা।
- মুজিব বর্ষ উদ্যাপনে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের তৈরি ওয়েবসাইট www.mujib100.gov.bd
- মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার সব্যসাচী হাজরা।
- মুজিব বর্ষের উদ্বোধন করা হয় ১৭ মার্চ ২০২০, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে।
- ইউনেসকোর ৪০তম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে ১ মার্চ তারিখকে বিমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি (একটি স্বর্ণমুদ্রা, একটি স্মারক মুদ্রা, ১০০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট ও ২০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট) স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৫২.
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ কত টাকা ব্যয় করতে পারেন?
  1. ১৫ লক্ষ
  2. ২০ লক্ষ
  3. ২৫ লক্ষ
  4. ৫০ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন প্রতিটি প্রার্থীর জন্য খরচের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেন। 
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা খরচ করতে পারবেন।
- নির্বাচন কমিশন একজন প্রার্থীর ব্যয় সীমা ভোটার প্রতি ১০ টাকা অথবা সর্বোচ্ছ ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

উৎস: DW বাংলা। [লিঙ্ক]
৫৩.
বিশ্বের কয়টি দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস হয়েছে?
  1. ৫৫টি
  2. ৬৫টি
  3. ৬০টি
  4. ৭২টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- সর্বশেষ ১১ সেপ্টেম্বর এর তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ৮০টি দূতাবাস বা হাইকমিশন অফিস রয়েছে।
- বিশ্বের ৮ টি ভৌগলিক অঞ্চলে এসব দূতাবাস বা হাইকমিশন রয়েছে।
- তন্মধ্যে 'পশ্চিম ইউরোপ ও ই ইউ' অঞ্চলে সর্বাধিক ১৬ টি দূতাবাস বা হাইকমিশন অফিস রয়েছে।
- অপশনে পুরাতন তথ্য থাকায় উত্তর টি বাতিল করা হলো।

উৎস: দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড [লিঙ্ক]
৫৪.
‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ গানটির গীতিকার কে?
  1. আব্দুল গফফার চৌধুরী
  2. মনিরুজ্জামান মনির
  3. নজরুল ইসলাম বাবু
  4. খান আতাউর রহমান
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা
খান আতাউর রহমান:
- প্রখ্যাত এই গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক, চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিচালক ও অভিনেতা ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- চলচ্চিত্রের সঙ্গে খান আতাউর যুক্ত হন জং কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ দিয়ে।
- 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রের ‘এ খাঁচা ভাঙবো আমি কেমন করে’ কিংবা ‘এ কি সোনার আলোয়’, ‘এক নদী রক্ত’ পেরিয়ে’ এর মত জনপ্রিয় গানগুলো খান আতাউরের লেখা।
- প্রায় পাঁচশ গান লিখেছেন তিনি।
- খান আতাউর পরিচালনা শুরু করেন ১৯৬৩ সালে ‘অনেক দিনের চেনা’ চলচ্চিত্র দিয়ে।
- তার পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘রাজা সন্ন্যাসী’, ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘আরশি নগর’ ইত্যাদি।
- ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ তিনি ‘এখনো অনেক রাত’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।
- একই বছর ১২ই ডিসেম্বর চলচ্চিত্রটি মুক্তির দিনও ধার্য করেছিলেন।
- কিন্তু তার আগেই ১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলা নিউজ টুয়েন্টি ফোর। [লিঙ্ক]
৫৫.
কত তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় মিত্রঃবাহিনী বাংলাদেশ ত্যাগ করে?
  1. ১২ মার্চ, ১৯৭২
  2. ৫ মার্চ, ১৯৭২
  3. ১৮ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৮ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
ভারতীয় মিত্রবাহিনীর বাংলাদেশ ত্যাগ:
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগে ভারতে কিছুক্ষণের যাত্রাবিরতি নিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ওই সময় তিনি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কবে বাংলাদেশ ত্যাগ করবে তা জানতে চান।  
- ইন্দিরা গান্ধী কথা দিয়েছিলেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে সব সৈন্য ফিরিয়ে আনা হবে।
- এরপর স্বাধীনতার তিন মাসের মধ্যে ১৯৭২ সালের ১২ মার্চে ভারতীয় সৈন্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
- ১৯৭২ সালের এই দিনে তাদের বিদায়ী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলা ট্রিবিউন। [লিঙ্ক]
৫৬.
বিশ্বব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ঋণগ্রহীতা দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রাজিল
  3. ভারত
  4. মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- ভারত বিশ্বব্যাংকের সবচেয়ে বড় গ্রাহক।
- ২০২১- ২২ অর্থবছরে ভারত বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে।
- সবচেয়ে বেশি পরিমান ঋণ পাওয়ার দিক থেকে বিশ্বে তাদের স্থান প্রথম।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়া।
- ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইবিআরডি) ও ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ), এই দুটি তহবিল যৌথভাবে বিশ্বব্যাংক হিসেবে পরিচিত।
- এর মধ্যে আইবিআরডি মধ্যম আয় ও কিছু নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে ঋণ দেয়।
- আইডিএ গরিব দেশগুলোকে বিনা সুদে ঋণ দেয়।
- ভারত সর্বশেষ ২০১৩ সালে আইডিএ থেকে ঋণ নিয়েছিল।
- বিশ্বব্যাংকের সংস্থার মধ্যে একটি হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)।
- এটি বেসরকারি খাতে ঋণ দিয়ে থাকে।
- এই আইএফসি থেকে এখন সবচেয়ে বেশি ঋণ পায় ভারত।
- সংস্থাটির ১০ শতাংশ ঋণ পায় দেশটি। 
- ওয়াশিংটনের বাইরে বিশ্বব্যাংকের সবচেয়ে বড় কার্যালয় ভারতে।
- এ পর্যন্ত ভারত ৬৭৩টি প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ১২৮ বিলিয়ন বা ১২ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পেয়েছে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৫৭.
কত তারিখে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
  2. ১০ নভেম্বর, ১৯৪৮
  3. ১০ নভেম্বর, ১৯৪৯
  4. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৯
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
মানবাধিকার সার্বজনীন ঘোষণাপত্র:
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ তার সিদ্ধান্ত নং ২১৭ এ (১১১) দ্বারা বিশ্বজনীন মানবাধিকারসমূহ গ্রহণ ও ঘোষণা করে।
- সেই থেকে ১০  ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
- এ ঘোষণাপত্রের শিরোনাম হচ্ছে, “বিশ্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র” (Universal Declaration of Human Rights)।
- এটিতে ৭ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উৎস: সিভিক এডুকেশন- ১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৫৮.
অলিম্পিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক স্বর্ণপদক বিজয়ী ক্রীড়াবিদ কে?
  1. উসাইন বোল্ট
  2. ল্যালি অ্যান ফ্রেলার
  3. কার্ল লুইস
  4. মাইকেল ফেলেপস
সঠিক উত্তর:
মাইকেল ফেলেপস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল ফেলেপস
ব্যাখ্যা
- সাঁতারু মাইকেল ফ্রেড ফেলেপস ১৯৮৫ সালের ৩০ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাকে তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অলিম্পিয়ান বলা হয়।
- অলিম্পিকে রেকর্ড ২৮ টি পদক লাভ করেন এই মার্কিন জলদানব।
- তন্মধ্যে ২৩ টি ই স্বর্ণপদক।
- মোট পদক কিংবা স্বর্ণপদক কোনো ক্ষেত্রেই তার কাছাকাছি নেই আর কেউ।
- ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে ৮ টি ইভেন্টের প্রত্যেকটিতে স্বর্ণপদক জিতেন তিনি।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
৫৯.
শেনজেন চুক্তির বিষয়বস্তু কি?
  1. অবাধ বাণিজ্য
  2. পারস্পরিক সহযোগিতা
  3. অবাধ চলাচল
  4. সাময়িক সহযোগিতা
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা চুক্তিবদ্ধ ইউরোপীয় কতিপয় দেশকে তাদের জাতীয় সীমানা বিলুপ্তি করে দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল সীমানাবিহীন একটি ইউরোপ তৈরি করা যা 'শেনজেন এলাকা' নামে পরিচিত হবে।
- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে, লুক্সেমবার্গের শেনজেন নামক ছোট একটি গ্রামে।
- চুক্তির আওতায় ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৫ সালে।
- ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি ক্রোয়েশিয়া সর্বশেষ দেশ হিসেবে এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎস: ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬০.
মার্কিন-তালেবান ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
  1. ২৯, ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
  2. ২৫ জানুয়ারি, ২০১৯
  3. ২৫ জুন, ২০২০
  4. ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
সঠিক উত্তর:
২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
ব্যাখ্যা
মার্কিন-তালেবান ঐতিহাসিক চুক্তি:
- দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা আফগান যুদ্ধের ইতি টানতে ঐতিহাসিক একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান।
- ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে কাতারের রাজধানী দোহায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তালেবান ও মার্কিন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- চুক্তি অনুযায়ী, তালেবান শর্ত মেনে চললে আগামী ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ন্যাটো মিত্ররা।
- অপরদিকে এখন থেকে আফগানিস্তানে আর কোনো হামলা চালাবে না তালেবান।
- তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে জঙ্গি গোষ্ঠী আল-কায়েদাকে কোনো তৎপরতা চালাতে না দেওয়ারও অঙ্গীকার করেছে তারা। 
- চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তালেবানের রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোল্লাহ আব্দুল গনি বারাদারের নেতত্বে গোষ্ঠীটির ৩১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
- তবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মার্কিন বিশেষ দূত জালমে খলিলজাদ ও মোল্লাহ আব্দুল গনি বারাদার।
- মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উৎস: দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [লিঙ্ক]