পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: i) বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল; ii) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ; উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
৫৯তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে -
  1. ক) ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  2. খ) ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  3. গ) ৩-৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  4. ঘ) ১৯-২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন

- ৫৯তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (MSC) অনুষ্ঠিত হবে: ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
- সম্মেলন স্থান: মিউনিখের Hotel Bayerischer Hof।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: ড. ক্রিস্টোফ হিউসজেন।

- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন একটি উন্মুক্ত ফোরাম।
- এতে নানা দেশের প্রতিনিধিরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় নানা বিষয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা করেন।
- আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও এ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাণিজ্য ও অর্থনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। 
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।


তথ্যসূত্র: securityconference.org ও প্রথম আলো।
.
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ৪ জুলাই, ১৯৪৯
  2. খ) ১৫ নভেম্বর, ১৯৪৮
  3. গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৯ আগট, ১৯৪৩
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (North Atlantic Treaty Organization-NATO)

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
- গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল: সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
.
স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে -
  1. ক) NATO
  2. খ) Warsaw Pact
  3. গ) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধ

- পঞ্চাশের দশকে ঠান্ডা যুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
- তখন পৃথিবী ছিল দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক শিবির, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী শিবিরের দেশগুলো।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- তখন তীব্র স্নায়ুযুদ্ধের কালেও ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়। 
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 


তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
.
বর্তমানে কতটি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে ন্যাটো গঠিত?
  1. ক) ২৮
  2. খ) ২৯
  3. গ) ৩০
  4. ঘ) ৩১
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০
ব্যাখ্যা
ন্যাটো

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে ন্যাটো গঠিত।
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- অফিসিয়াল স্লোগান/Motto:  "Animus in consulendo liber (A mind unfettered in deliberation)"।
- ন্যাটো সামরিক সহযোগিতার জোট।
- ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।


তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
.
NATO প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি কোনটি?
  1. ক) The Washington Treaty
  2. খ) The North Treaty
  3. গ) The Brussels Treaty
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) The Washington Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) The Washington Treaty
ব্যাখ্যা
ন্যাটো

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: The North Atlantic Treaty বা The Washington Treaty
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া (২৭ মার্চ, ২০২০)।
- মুসলিম সদস্য দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- অফিসিয়াল স্লোগান/Motto: "Animus in consulendo liber (A mind unfettered in deliberation)"।
- ন্যাটো সামরিক সহযোগিতার জোট।
- ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
ন্যাটোর  

উল্লেখ্য,
- ২০০২ সালে ন্যাটো-রাশিয়া সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- রাশিয়া ন্যাটোর সদস্য না হয়েও সহযোগী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। আর তাই, রাশিয়াকে ন্যাটো-২০ বলা হয়।
- ১ এপ্রিল, ২০১৪ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হস্তক্ষেপের জের ধরে রাশিয়ার ন্যাটোর অংশীদারিত্ব স্থগিত করা হয়।


তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
.
ন্যাটোর অধিকাংশ সদস্য -
  1. ক) আমেরিকান
  2. খ) ইউরোপীয়
  3. গ) আফ্রিকান
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়ান
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরোপীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরোপীয়
ব্যাখ্যা
ন্যাটো

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি। এদের মধ্যে ২৮টি দেশ ইউরোপের, আর বাকি ২ টি দেশ উত্তর আমেরিকার৷ 
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- অফিসিয়াল স্লোগান/Motto:  "Animus in consulendo liber (A mind unfettered in deliberation)"।


তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ কত সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৬
ব্যাখ্যা
INTERPOL

- পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নামঃ International Criminal Police Commission (ICPC) 
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্তজাতিক সংগঠন।
- প্রধান লক্ষ্য: সদস্য দেশসমূহের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করে অপরাধীদের গ্রেফতার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। 
- প্রতিষ্ঠাঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থানঃ ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
- সদস্য সংখ্যাঃ ১৯৫টি দেশ।
- সদর দপ্তরঃ লিঁও, ফ্রান্স।
- বর্তমান প্রধান (মহাসচিব) - জার্গেইন স্টক (Jürgen Stock), জার্মানি।
- Motto: “Connecting police for a safer world.”

উল্লেখ্য,
- সদস্য সব দেশের সাথে  INTERPOL National Central Bureau (NCB) -এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে ও তথ্য আদান-প্রদান করে।
- National Central Bureau (NCB) -কে Heart of Interpol বলা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে ইন্টারপোলের কার্যক্রম সমন্বয়কারী National Central Bureau (NCB) ঢাকায় অবস্থিত।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ INTERPOL -এর সদস্যপদ লাভ করে।


তথ্যসূত্র: INTERPOL ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
.
কোন জলপথ নিয়ে ইরাক-ইরানের মধ্যে যুদ্ধ হয়?
  1. ক) শাত-ইল-আরব
  2. খ) পারস্য উপসাগর
  3. গ) ওমান উপসাগর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) শাত-ইল-আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব

- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ দ্বারা গঠিত। এটি ১২০ মাইল দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় এবং পারস্য উপসাগরে পতিত হওয়ার আগে ইরাকি বন্দর বসরা এবং ইরানের আবাদান বন্দর অতিক্রম করে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চলে।
- এর পূর্বে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ৬ মার্চ আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে মোহাম্মদ রেজা পাহলভির এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
ন্যাটোর বিপরীতে কোন পদক্ষেপ গৃহীত হয়?
  1. ক) Warsaw Pact
  2. খ) ANZUS
  3. গ) AUKUS
  4. ঘ) QUAD
সঠিক উত্তর:
ক) Warsaw Pact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Warsaw Pact
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact

- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- স্বাক্ষর: ১৪মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- এটি পশ্চিমা ধনতান্ত্রিক দেশগুলোর স্বাক্ষরিত ন্যাটো চুক্তির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক কয়েকটি রাষ্ট্রের পাল্টা পদক্ষেপ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার সাথে সাথে এই চুক্তিও অকার্যকর হয় এবং ১৯৯১ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরকারী দেশের নেতারা চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগে এক বৈঠকে শেষবারের মত অংশ নিয়ে এর বিলুপ্তি ঘোষণা করে।


তথ্যসূত্র:  সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১০.
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান -
  1. ক) দক্ষিণ চীন সাগর
  2. খ) পারস্য উপসাগর
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগর
  4. ঘ) কৃষ্ণ সাগর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ

- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- রাশিয়ার সুদূর পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরে এর অবস্থান।
- বর্তমানে রাশিয়ার দখলে রয়েছে।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ আরেকটি অঞ্চল হচ্ছে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।


তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১১.
সিনাই উপদ্বীপ কাদের দখলে রয়েছে?
  1. ক) মিশর
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ইসরাইল
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
ক) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মিশর
ব্যাখ্যা
সিনাই উপদ্বীপ

- সিনাই উপদ্বীপ মিশরে অবস্থিত ত্রিভুজ আকৃতির একটি উপদ্বীপ।
- ইসরাইল ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সময় এবং ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় এ এলাকায় আগ্রাসন চালায় এবং সিনাই উপদ্বীপ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর এই উপদ্বীপকে মুক্ত করার জন্য মিশর অক্টোবর যুদ্ধ শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।
- ১৯৮২ সালে ঐ চুক্তির আওতায় ইসরাইল সিনাই উপদ্বীপ থেকে তার বাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেয়


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।