পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ১৯৭০ থেকে বর্তমান। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে। এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১ টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে কতজনকে ‘বীরউত্তম’ উপাধি দেওয়া হয়?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৮ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি উপাধি প্রদান করে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন, দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন, তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. ক) এম এ জি ওসমানি
  2. খ) এ কে খোন্দকার
  3. গ) আব্দুর রব
  4. ঘ) কে এম শফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) এ কে খোন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ কে খোন্দকার
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এদিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে আসেন কবে?
  1. ক) ৮ জানুয়ারি
  2. খ) ৯ জানুয়ারি
  3. গ) ১০ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১২ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু লন্ডন যান। সেখান থেকে ব্রিটিশ রাজকীয় কমেট বিমানে করে ১০ জানুয়ারি দিল্লি হয়ে দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা আসেন। এদিনটিকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
.
ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন কে?
  1. ক) আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) আব্দুস সাত্তার
  4. ঘ) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
সঠিক উত্তর:
খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন যা ২৬ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয় হয়। ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
স্বাধীন বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) জাতিসংঘ
  2. খ) কমনওয়েলথ
  3. গ) ওআইসি
  4. ঘ) বিশ্বব্যাংক
সঠিক উত্তর:
খ) কমনওয়েলথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমনওয়েলথ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংগঠন হিসেবে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল। ১৭ আগস্ট ১৯৭২ বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওআইসি এবং ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
(সূত্রঃ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর ওয়েবসাইট)
.
কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন?
  1. ক) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  2. খ) এস এ করিম
  3. গ) ইসমাত জাহান
  4. ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) সূর্যদীঘল বাড়ি
  2. খ) ধীরে বহে মেঘনা
  3. গ) তিতাস একটি নদীর নাম
  4. ঘ) হাজার বছর ধরে
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরে বহে মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরে বহে মেঘনা
ব্যাখ্যা
অপশনসমূহের মধ্যে ‘ধীরে বহে মেঘনা’ হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। এর পরিচালক আলমগীর কবির। এটি ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়। তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩), সূর্যদীঘল বাড়ি (১৯৭৯) এবং হাজার বছর ধরে (২০০৫) চলচ্চিত্রের পরিচালক যথাক্রমে ঋতিৃক ঘটক, নিয়ামত আলী শাকের এবং কোহিনুর আক্তার সুচন্দা।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিডিনিউজ২৪)
১০.
বাকশাল সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একক জাতীয় দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ বা বাকশাল গঠিত হয়৷ একইসাথে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। এতে রাষ্ট্রপতি হন বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী হন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। বাকশালের সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী৷
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১১.
ক্র্যাক প্লাটুন কী?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
  2. খ) স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল
  3. গ) আকাশ বাণী থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধত্তোর অস্ত্র উদ্ধার অভিযান
সঠিক উত্তর:
ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন। ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফ এই বাহিনী গড়ে তুলেন। ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ আজাদ, শহিদ আবু বকর, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
(সূত্র: রোর বাংলা)
১২.
ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ক) ২২ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি৷
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৩.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ এর কথক ছিলেন-
  1. ক) কামাল লোহানী
  2. খ) আলী জাকের
  3. গ) এম আর আখতার মুকুল
  4. ঘ) বেলাল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
চরমপত্র হলো একটি কথিকা যা ১৯৭১ সালের ২৫ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো। এটির পরিচালক, লেখক ও কথক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল। ঢাকাইয়া ভাষায় তার এ অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
(সূত্র: দৈনিক ভোরের কাগজ)
১৪.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুষ্টিয়া
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। এখানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। তখন এটি ‍বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অধীন ছিলো। মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো। এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)