পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ টপিক: ডাটাবেজ সিস্টেম, ইন্টারনেট, WWW, সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক। [ক্লাস ১৪, ১৫ ও ১৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কোন দেশ থেকে সূচনা হয়েছে?
  1. United States
  2. Germany
  3. Switzerland
  4. United Kingdom
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের সূচনা হয়েছে Switzerland থেকে। ১৯৮৯ সালে, সার্ভারের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করার জন্য টিম বার্নার্স-লি নামের একজন বিজ্ঞানী সর্নর্নাল ইন্সটিটিউট অফ ফিজিকাল সায়েন্সেসে (CERN) কাজের সময় ওয়েবের ধারণা প্রস্তাব করেন। এরপর ১৯৯১ সালে তিনি প্রথম ওয়েবসাইট চালু করেন যা তথ্য শেয়ারিং এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং-এর পথপ্রদর্শক হয়। এই আবিষ্কার ইন্টারনেটের গতি ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধি করে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহে বিপ্লব ঘটায়।
- তাই ওয়েবের সূচনা দেশ হিসেবে সঠিক উত্তর হলো: গ) Switzerland.

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয় কী দিয়ে?
  1. ARPANET
  2. ETHARNET
  3. DOCNET
  4. GLUNET
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয় ARPANET দিয়ে। ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি প্রকল্প শুরু করে, যার নাম ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)। এটি ছিল প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান করার সুযোগ দিয়েছিল। ARPANET এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ করত, যা পরবর্তীতে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি গড়ে তোলে। এটি মূলত গবেষণা এবং সামরিক যোগাযোগের জন্য তৈরি হলেও, ধীরে ধীরে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষাবিদ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে। তাই বলা যায়, ইন্টারনেটের জন্ম ও বিকাশের পথ শুরু হয় ARPANET থেকেই।
- সঠিক উত্তর: ক) ARPANET.

• ইন্টারনেট: 

- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। 
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়। 
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়। 
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়। 
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে। 
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। 
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
wwww কোন প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য?
  1. পঞ্চম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম বা 5G হলো মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির সর্বশেষ উন্নত স্তর, যা দ্রুত ডাটা ট্রান্সমিশন, কম লেটেন্সি এবং বৃহত্তর ব্যান্ডউইথ প্রদান করে। 5G প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেটের গতি এত দ্রুত যে, বড় আকারের ফাইল দ্রুত ডাউনলোড ও আপলোড করা যায়। এটি আইওটি (IoT) ডিভাইসের জন্য উন্নত যোগাযোগ সুবিধা দেয় এবং স্বয়ংচালিত যানবাহন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও স্মার্ট শহরের মতো উন্নত প্রযুক্তি সমর্থন করে। 5G এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের ধারণ ক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পায়, ফলে একসঙ্গে অনেক ডিভাইস কানেক্ট থাকতে পারে। ফলে এটি আগের প্রজন্মের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর এবং দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

- সঠিক উত্তর: ক)পঞ্চম প্রজন্ম।

• পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G: 2020-Present):

- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- নকিয়ার মতে, 5G প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 100 মেগাবিট পর্যন্ত গতি পাওয়া যেতে পারে, যা 4G এর সর্বোচ্চ গতির চেয়ে চার গুণ দ্রুত।
- এতে দ্রুত ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ভিডিও বার্তা লোড ও আদান-প্রদান করা যাবে।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
.
ইন্টারনেটের প্রকৃত যাত্রা কখন শুরু হয়? 
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে ARPANET নামে একটি প্রজেক্ট চালু হয়, যা ছিল প্রথম ডিজিটাল নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটারগুলো একে অপরের সাথে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম হয়। ARPANET ছিল ইন্টারনেটের ভিত্তি এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন উন্নতির মাধ্যমে এটি আজকের বিস্তৃত বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটে রূপান্তরিত হয়। তাই, ১৯৬৯ সালেই ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু বলে ধরা হয়, যেখানে প্রথমবারের মতো কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ধারণা বাস্তবায়িত হয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ১৯৬৯ সালে।

ইন্টারনেট: 

- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে। 
- ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার ১৯৯০ সাল থেকে শুরু হলেও প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে Advanced Research Projects Agency Network (ARPanet) চালু করে। 
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেটের কার্যক্রম শুরু হলেও ১৯৯৪ সালের পূর্বে তাকে এই নামে ডাকা হত না। 
- ১৯৯৪ সালেই ইন্টারনেট শব্দটি ব্যবহৃত হয়। 
- বর্তমান বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়ায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মাধ্যমটির নাম ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেটের সুবাদে সমগ্র বিশ্বের সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ একই বলয়ে আবদ্ধ হতে পেরেছেন, তাই ইন্টারনেটকে অনেকেই নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলে। 
- ইন্টারনেটের সংযোগ নিতে হলে অনেক জিনিসের দরকার হয়। 
যথা- কম্পিউটার, মডেম, টেলিফোন বা অন্য কোন লাইন, সফটওয়্যার, আইএসপি ইত্যাদি। 

ইন্টারনেট এর ব্যবহার: 
- নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান ব্যবহার হলো ইন্টারনেট। 
- মূলত নিম্নলিখিত কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়- 
• দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা। 
• তথ্য সংরক্ষণ করা। 
• ই-কমার্স ব্যবহার করা। 
• তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। 
• ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা। 
• ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়। 
• মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে রিয়েল টাইমে যোগাযোগের প্রাচীনতম জনপ্রিয় মাধ্যম কোনটি?
  1. E-mail
  2. Telnet
  3. FTP
  4. IRC
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে রিয়েল টাইমে যোগাযোগের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো IRC (Internet Relay Chat)। এটি ১৯৮৮ সালে তৈরি হয়েছিল এবং ব্যবহারকারীরা সরাসরি চ্যাট রুম বা চ্যানেলে যুক্ত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করতে পারে। IRC ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষ একই সঙ্গে একত্রিত হয়ে আলোচনায় অংশ নিতে পারে। এর মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি বা গ্রুপে দ্রুত কথোপকথন করা যায়, যা ইমেইল বা FTP-এর মত অপেক্ষাকৃত ধীর মাধ্যমের থেকে আলাদা। তাই রিয়েল টাইম চ্যাটের জন্য IRC ইন্টারনেটের প্রাচীন ও কার্যকর মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।

- সুতরাং, প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: ঘ) IRC.

• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat-IRC):

- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
IMEI কত ডিজিটের হয়ে থাকে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ১৬
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য নম্বর যা প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য আলাদা ভাবে বরাদ্দ করা হয়। এটি সাধারণত ১৫ ডিজিটের একটি নম্বর হয়, যা ফোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। এই ১৫ ডিজিটের নম্বরের মধ্যে প্রথম অংশ থাকে ট্যাকটাইল টাইপ এবং দেশভিত্তিক কোড, এরপর থাকে ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর এবং শেষের ডিজিটটি হলো চেক ডিজিট যা নম্বরের সঠিকতা যাচাই করে। IMEI নম্বর মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কে শনাক্তকরণ এবং চুরি হলে ফোন ব্লক করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, IMEI নম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, IMEI নম্বর সাধারণত ১৫ ডিজিটের হয়ে থাকে।
- সঠিক উত্তর: ক) ১৫।

IMEI (International Mobile Equipment Identity):

- একটি ১৫ অঙ্কের অনন্য নম্বর, যা মোবাইল ফোনের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং এটি ফোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
- প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি আলাদা IMEI নম্বর থাকে, যা ফোনের হার্ডওয়্যারকে শনাক্ত করে।
- এটি ফোনের সার্বিক নিরাপত্তা এবং ট্র্যাকিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য।
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজির নাম কী?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা
• মোবাইল নেটওয়ার্কে সাধারণত স্টার টপোলজি ব্যবহার করা হয়। এই টপোলজিতে, সমস্ত মোবাইল ডিভাইস বা নোড এক কেন্দ্রীয় হাব বা বেস স্টেশনের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস সরাসরি বেস স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করে, যার ফলে ডাটা ট্রান্সমিশন সহজ এবং দ্রুত হয়। যদি কোনো একটি ডিভাইসের সমস্যা হয়, তা নেটওয়ার্কের অন্য অংশকে প্রভাবিত করে না। স্টার টপোলজির মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা, ত্রুটি নির্ণয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ অনেক সহজ হয়। এই কারণেই স্টার টপোলজি মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

সুতরাং, মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজির নাম হল — ঘ) স্টার টপোলজি।

• মোবাইল ফোন:

- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
"গ্রিন ফোন" শব্দটি কোন মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা
• "গ্রিন ফোন" শব্দটি সাধারণত CDMA মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত। CDMA বা Code Division Multiple Access হলো একটি মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি যা ডাটা ও ভয়েস ট্রান্সমিশনের জন্য কোড ব্যবহার করে সিগন্যাল পাঠায়। এটি বিভিন্ন ব্যবহারকারীদের একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে আলাদা কোড ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করতে সাহায্য করে, ফলে স্পেকট্রাম ব্যবহার দক্ষ হয়। CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- অন্যদিকে, GSM, LTE ও Wi-Fi ভিন্ন প্রযুক্তি, যা গ্রিন ফোনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই "গ্রিন ফোন" শব্দটি CDMA প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।


• CDMA:

- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।