পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 8” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সংবিধান [সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা এবং তফসিলসমূহ।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সংবিধানের প্রস্তাবনায় নিচের কোন বিষয়টি অনুপস্থিত?
  1. ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা
  2. আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুনিশ্চিত করা
  3. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখা নাগরিকের কর্তব্য
  4. সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

প্রস্তাবনা: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
- ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণার [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি। 
- সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও .
সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হবে।
- আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
গণ পরিষদ বিলুপ্ত করা হয় কবে?
  1. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ এবং অস্থায়ী সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। ঐদিন গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- শাসনতন্ত্র  কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিলো - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- কমিটির শেষ বৈঠক এবং খসড়া সংবিধান অনুমোদন - ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে খসড়া সংবিধান গৃহীত - ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধানে স্বাক্ষর - ১৪, ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কার্যকর, গণপরিষদ বিলুপ্ত - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানে সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী ব্যক্তি কে?
  1. মইন ইউ আহমেদ
  2. সদর উদ্দীন আহমেদ
  3. সৈয়দ শাহ আবু শফি
  4. হাসেম খান
ব্যাখ্যা
সংবিধান রচনার সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ-
কে এম আব্দুল রউফ - হস্ত লিখিত মূল সংবিধানের লেখক।
ড. আনিসুজ্জামান - প্রধান ভাষা বিশেষজ্ঞ।
আই গাথরি - রচনা কমিটির বিদেশি বিশেষজ্ঞ। বৃটিশ আইনজীবী।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন - নকশ ও অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাবধায়ক।
শিল্পী হাসেম খান - নকশ ও অঙ্গসজ্জার সহযোগী।
সৈয়দ শাহ আবু শফি - সংবিধানে চামড়ার কাজ করেন।
সদর উদ্দীন আহমেদ - সংবিধানে সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, সরকারি তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশের সংবিধান-
  1. দুষ্পরিবর্তনীয়
  2. সুপরিবর্তনীয়
  3. অপরিবর্তনীয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সুপরিবর্তনীয় সংবিধান : 
- এ সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন করা অপেক্ষাকৃত সহজ।
- কোন ধরনের জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই এই সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায়। তবে আইনসভার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হয়।
- ব্রিটিশ সংবিধান সুপরিবর্তনীয় সংবিধান।

দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান:
- যে সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না তাই দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
- এটি সংশোধনের জন্য জটিল পদ্ধতি অনুসরন করতে হয়। সংসদ সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশের ভোট প্রয়োজন।
- যেমন :- বাংলাদেশ, ভারত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
সংবিধানের ২য় তফসিলের আলোচ্য বিষয় -
  1. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  2. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  3. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
  4. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিলসমূহ: 
প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন(বর্তমানে বিলুপ্ত)
তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কভার মুদ্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
  2. ইস্টার্ন রিগান ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
  3. সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন
  4. বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন - নকশ ও অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাবধায়ক।
শিল্পী হাসেম খান - নকশ ও অঙ্গসজ্জার সহযোগী।
সৈয়দ শাহ আবু শফি - সংবিধানে চামড়ার কাজ করেন।

উল্লেখ্য,
মুদ্রণ - বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় 
কভার মুদ্রণ - ইস্টার্ন রিগান ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড,ঢাকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
সংবিধান রচনা কমিটির বিদেশি আইনজীবী কে ছিলেন?
  1. টমাস হাবস
  2. স্যার টমাস উইলিয়াম
  3. জনাথন হোবস
  4. আই গাথরি
ব্যাখ্যা
সংবিধান রচনার সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ-
কে এম আব্দুল রউফ - হস্ত লিখিত মূল সংবিধানের লেখক।
ড. আনিসুজ্জামান - প্রধান ভাষা বিশেষজ্ঞ।
আই গাথরি - রচনা কমিটির বিদেশি বিশেষজ্ঞ। বৃটিশ আইনজীবী।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন - নকশ ও অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাবধায়ক।
শিল্পী হাসেম খান - নকশ ও অঙ্গসজ্জার সহযোগী।
সৈয়দ শাহ আবু শফি - সংবিধানে চামড়ার কাজ করেন।
সদর উদ্দীন আহমেদ - সংবিধানে সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, সরকারি তথ্য বাতায়ন।