পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৭৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৯: Full Model test - 4
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৯ প্রশ্ন

.
'গুরুভক্তি' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. উপমান কর্মধারায় সমাস
  2. উপপদ তৎপুরুষ সমাস
  3. অলুক বহুব্রীহি সমাস
  4. চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
সঠিক উত্তর:
চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে ইত্যাদি) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। চতুর্থী বিভক্তির চিহ্ন কে, রে। নিমিত্ত বা জন্য অর্থেও চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়।
যেমন:
- দেবকে দত্ত = দেবদত্ত;
- বিয়ের জন্য পাগল = বিয়েপাগল। 

এরকম- 
• গুরুকে ভক্তি - গুরুভক্তি।
• বসতের নিমিত্ত বাড়ি - বসতবাড়ি।
• মুক্তির নিমিত্তে বা জন্য যুদ্ধ - মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'ভণ্ড' অর্থে কোন বাগ্‌ধারাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডাকাবুকো
  2. কূপমণ্ডুক
  3. বকধার্মিক
  4. কাকভূষণ্ডী
সঠিক উত্তর:
বকধার্মিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বকধার্মিক
ব্যাখ্যা
• 'বকধার্মিক' বাগ্‌ধারার অর্থ - ভণ্ড।

অন্যদিকে, 
- 'কূপমণ্ডুক' অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- 'কাকভূষণ্ডী' অর্থ - দীর্ঘজীবী।
- 'ডাকাবুকো' অর্থ - নির্ভীক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
.
'হৃৎস্পন্দন' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. হৃত্‌ + স্পন্দন
  2. হৃদ্ + স্পন্দন
  3. হৃধ্‌ + স্পন্দন
  4. হৃৎ + স্পন্দন
সঠিক উত্তর:
হৃদ্ + স্পন্দন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃদ্ + স্পন্দন
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত শব্দ:
দ্‌ ও ধ্‌ এর পরে ক, চ, ট, ত, প, খ, ছ, ঠ, থ, ফ থাকলে দ্‌ ও ধ্‌ স্থলে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়।
যেমন-
- দ্‌ > ত্; তদ্ + কাল = তৎকাল।
- ধ্‌ > ত্;  ক্ষুধ+ পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।

এরূপ,
- ক্ষুধ্‌ + কাতর = ক্ষুৎকাতর,
- হৃদ্ + স্পন্দন = হৃৎস্পন্দন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
নিচের কোন শব্দার্থটি অশুদ্ধ?
  1. কান্তা - নারী
  2. সাদন - আস্বাদন
  3. সুরতি - আলিঙ্গন
  4. ওম- উষ্ণতা
সঠিক উত্তর:
সাদন - আস্বাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদন - আস্বাদন
ব্যাখ্যা
• 'সাদন' শব্দের অর্থ - দূরীকরণ। 

আবার, 
• 'স্বাদন' শব্দের অর্থ - আস্বাদন। 

আরো কিছু শব্দার্থ:
• কান্তা - নারী। 
• ওম- উষ্ণতা।

• স্বাদ - রসগ্রহণ। 
• সুভাস - ভালোভাবে আলোকিত। 
• সুরতি - আলিঙ্গন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ?
  1. কাদনা > কান্না
  2. লাঙ্গল > নাঙ্গল
  3. বাক্স > বাস্ক
  4. সুবর্ণ > স্বর্ণ
সঠিক উত্তর:
বাক্স > বাস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্স > বাস্ক
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি বিপর্যয়: শব্দের মধ্যবর্তী দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি পরষ্পর পরিবর্তন ঘটলে হলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন,
- পিশাচ > পিচাশ। 
- লাফ ফাল। 
- বাক্স > বাস্ক। 
- রিকসা > রিস্কা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• সুবর্ণ > স্বর্ণ; স্বরলোপ এর উদাহারণ।
• লাঙ্গল > নাঙ্গল; বিষমীভবন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহারণ।
• কাদনা > কান্না; সমীভবন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহারণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প-
  1. কালিন্দী
  2. ডাক-হরকরা
  3. রাধা
  4. ধাত্রীদেবতা
সঠিক উত্তর:
ডাক-হরকরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাক-হরকরা
ব্যাখ্যা
• 'ডাক-হরকরা' গল্প:
- ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের কার্তিক সংখ্যা 'প্রবাসী' পত্রিকায় তারাশঙ্করের বিখ্যাত গল্প 'ডাক-হরকরা' প্রকাশিত হয়। ঐ বছর বৈশাখে তাঁর 'ছলনাময়ী' গল্পগ্রন্থ বেরোয়। 

- 'ডাক-হরকরা' গল্পটি তারাশঙ্করের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্প। এর আগেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় (যেমন, পূর্ণিমা, কল্লোল, উপাসনা, কালি-কলম, উত্তরা নবশক্তি, ভারতবর্ষ, বঙ্গশ্রী, শনিবারের চিঠি দেশ, প্রবাসী প্রভৃতি) তাঁর ৫৩টি গল্প বেরিয়েছে।

- এদের মধ্যে 'রসকলি', 'রাইকমল', 'ডাইনীর বাঁশী', 'মেলা', 'আখড়াইয়ের দীঘি', 'নারী ও নাগিনী', 'তারিণী মাঝি'-র মতো বিখ্যাত ও জনপ্রিয় গল্পও আছে। 'ডাক হরকরা' গল্পটি প্রকাশের আগেই গল্পকার হিসেবে তারাশঙ্কর খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। ছোটগল্পের আর্ট তাঁর আয়ত্তে এসেছে।

---------------
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য,
- নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

উৎস: 'ডাক-হরকরা' গল্প এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
Select the correct relative pronoun:
"The car ______ I bought last week is very fast."
  1. whom
  2. what
  3. that
  4. whose
সঠিক উত্তর:
that
উত্তর
সঠিক উত্তর:
that
ব্যাখ্যা
Answer: C) that.

• সঠিক বাক্য: "The car that I bought last week is very fast..

• প্রদত্ত শূন্যস্থানটিতে Relative pronoun 'that' বসবে।
- বস্তুবাচক পদার্থের ক্ষেত্রে সাধারণত pronoun that/which বসে।
- বস্তু সম্পর্কে জানা থাকলে that, আর জানা না থাকলে what বসবে।

যেমন:
- He gave me what I wanted.
- He gave me the book that I wanted.

অন্যদিকে,
-"who" এবং "whom" কেবল person এর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং "whose" সাধারণত মালিকানা (possession) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
.
What does the idiom "Strictly for the birds" mean?
  1. A serious matter
  2. A valuable opportunity
  3. Something related to nature
  4. Something trivial or unimportant
সঠিক উত্তর:
Something trivial or unimportant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Something trivial or unimportant
ব্যাখ্যা
Strictly for the birds (idiom)
English Meaning: Something that is considered unimportant or not worth serious attention.
Bangla Meaning: তুচ্ছ বা মূল্যহীন জিনিস।

Example Sentence:
- The idea of working overtime without extra pay is strictly for the birds.

Source:
- Cambridge Dictionary.
- Merriam-Webster Dictionary.
.
Find out the sentence which is in the 'Positive Degree'.
  1. This car is faster than that one.
  2. The mountain is the highest in the region.
  3. Her paragraph is the most interesting in the class.
  4. This hotel is as good as the one we visited last week.
সঠিক উত্তর:
This hotel is as good as the one we visited last week.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
This hotel is as good as the one we visited last week.
ব্যাখ্যা
• 'This hotel is as good as the one we visited last week.'- Positive Degree.

• Positive Degree চেনার উপায়:
→ Positive Degree- তে "Very few....as...as/so....as....." অথবা "No other.....as....as...." বসে।

• Comparative Degree চেনার উপায়:
→ Comparative Degree- তে "than any other/than all other/than most other" বসে।

• Superlative Degree চেনার উপায়:
→ "the most/the best/the least" শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।

অপশন আলোচনা:
→ This car is faster than that one - Comparative Degree.
→ The mountain is the highest in the region - Superlative Degree.
→ Her paragraph is the most interesting in the class - Superlative Degree.

Source: A Passage to the English Language, S. M. Zakir Hussain.
১০.
Which of the following is an antonym for "Conciliatory"?
  1. Hostile
  2. Pacifying
  3. Appeasing
  4. Mollifying
সঠিক উত্তর:
Hostile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hostile
ব্যাখ্যা
• Conciliatory (adjective)
English Meaning: Intended to show that you care about the feelings or opinions of someone who is angry or upset with you.
Bangla Meaning: সৌহার্দ্য অর্জন করে এমন; বিরোধ দূর করে এমন; আপোসমূলক।

Synonyms:
Appeasing (তুষ্টিকর, তুষ্টিজনক),
Peacemaking (শান্তিস্থাপন),
Reconciliatory (সম্পর্ক পুনরুদ্ধার),
Pacifying (প্রশমিত করা),
Mollifying (দমন করা)।

Antonyms:
Antagonistic (শত্রুভাবাপন্ন; বিরোধী; বিপরীত),
Combative (দ্বন্দ্বমূলক),
Hostile (শত্রুতামূলক),
Inimical (বিদ্বেষমুলক),
Unfriendly (বন্ধুভাবাপন্ন নয় এমন)।

Example Sentence:
1. The government is not in a conciliatory mood.
2. I anxiously stood up, clutching the towel to my middle, and spread out my palm in a conciliatory gesture.

Source: Live MCQ Lecture.
১১.
"You will feel light after taking several deep breaths".
The word ‘several’ is-
  1. Verb
  2. Noun
  3. Adjective
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective
ব্যাখ্যা
• Adjective:
- যে শব্দ Noun/ Pronoun -এর দোষ গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে Adjective বলে।
- Adjective সর্বদা 'noun/pronoun' -কে modify/qualify করে, তাই Adjective -কে modifying/qualifying word বলে।

বাক্য: "You will feel light after taking several deep breaths."
- এখানে, "several" শব্দটি "deep breaths" (গভীর শ্বাস) কে বর্ণনা করছে।
- যেহেতু এটি সংখ্যা নির্দেশ করছে এবং নাম (noun) বা বিশেষ্যকে বর্ণনা করছে,
- তাই এটি একটি Adjective (বিশেষণ)।
১২.
'The Albatross' is a character from which literary work?
  1. Moby-Dick - Herman Melville
  2. Gulliver's Travels - Jonathan Swift
  3. Ode to a Nightingale – John Keats
  4. The Rime of the Ancient Mariner - S.T Coleridge
সঠিক উত্তর:
The Rime of the Ancient Mariner - S.T Coleridge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Rime of the Ancient Mariner - S.T Coleridge
ব্যাখ্যা
• 'The Albatross' is a character that can be found in - The Rime of The Ancient Mariner.
- The poem 'The Rime of the Ancient Mariner' is written by Samuel Taylor Coleridge.
- The Rime of the ancient Mariner কবিতায় Mariner আলব্যাট্রস পাখিটিকে হত্যা করে।
- এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়াশ্চিত্ত করে যেতে হয়।
- এভাবেই কবিতার কাহিনী সামনের দিকে এগিয়ে যতে থাকে।
- The title character detains one of three young men on their way to a wedding feast and mesmerizes him with the story of his youthful experience at sea—his slaughter of an albatross, the deaths of his fellow sailors, his suffering, and his eventual redemption.
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম 'Lyrical Ballads; এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• Important characters:
- The Mariner,
- Wedding Guest,
- Albatross,
- The Nightmare,
- Life in Death.

• এই কবিতার কিছু বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে -
• Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea''

• "All things both great and small;
For the dear God who loveth us
He made and loveth all.

• "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small"

• 'A sadder and a wiser man,
He rose the morrow morn.'

• 'Water, water everywhere,
Not any drop to drink'.
--------------------

• Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- তাকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement, and his Biographia Literaria (1817) is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography);
- Christabel (Poem);
- Dejection: An Ode (Poem);
- Frost at Midnight (Poem);
- Kubla Khan (poem);
- Lyrical Ballads (Book);
- The Rime of the Ancient Marine (Poem).

Source: Britannica and Sparksnotes.
১৩.
একটি ক্লাসে ৮০০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে যার মধ্যে ৪০% ছাত্র, সেই ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা কত হবে? 
  1. ৩২০ জন
  2. ৩৬০ জন
  3. ৪২০ জন
  4. ৪৮০ জন
সঠিক উত্তর:
৪৮০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্লাসে ৮০০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে যার মধ্যে ৪০% ছাত্র, সেই ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা কত হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
মোট ছাত্র-ছাত্রী = ৮০০ জন 

∴ ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা = ৮০০ এর ৪০% 
= ৮০০ এর ৪০/১০০ 
= ৩২০ জন

∴ ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা = (৮০০ - ৩২০) জন
= ৪৮০ জন।
১৪.
একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৮ সেন্টিমিটার ও ১০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার? 
  1. ৩২ বর্গ সেন্টিমিটার
  2. ৩৬ বর্গ সেন্টিমিটার
  3. ৪০ বর্গ সেন্টিমিটার
  4. ২৮ বর্গ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৪০ বর্গ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ বর্গ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৮ সেন্টিমিটার ও ১০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
রম্বসের একটি কর্ণ = ৮ সেন্টিমিটার 
অপর কর্ণটি = ১০ সেন্টিমিটার 

∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল 
= (১/২) × ৮ × ১০
= ৪০ বর্গ সেন্টিমিটার।
১৫.
কোন সংখ্যার দ্বিগুণের সঙ্গে ২০ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ২৪ বেশি হবে? 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যার দ্বিগুণের সঙ্গে ২০ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ২৪ বেশি হবে? 

সমাধান: 
ধরি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে, 
২ক + ২০ = ক + ২৪
বা, ২ক - ক = ২৪ - ২০
∴  ক = ৪
∴ সংখ্যাটি = ৪ ।
১৬.
৬টি সংখ্যার গড় ৪৮। এর সাথে আরও ৪টি সংখ্যা যোগ করা হলো। সংখ্যা ৪টির গড় ৩১ । সমষ্টিগতভাবে ১০টি সংখ্যার গড় কত? 
  1. ৩৯.২
  2. ৪০.২
  3. ৪১.২
  4. ৪২.২
সঠিক উত্তর:
৪১.২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১.২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬টি সংখ্যার গড় ৪৮। এর সাথে আরও ৪টি সংখ্যা যোগ করা হলো। সংখ্যা ৪টির গড় ৩১ । সমষ্টিগতভাবে ১০টি সংখ্যার গড় কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
৬ টি সংখ্যার গড় = ৪৮ 
∴ ৬ টি সংখ্যার সমষ্টি = ৬ × ৪৮ 
= ২৮৮

আবার, 
৪ টি সংখ্যার গড় = ৩১
∴ ৪ টি সংখ্যার সমষ্টি = ৪ × ৩১ 
= ১২৪ 

∴ ১০ টি সংখ্যার সমষ্টি = (২৮৮ + ১২৪) 
= ৪১২ 

∴ ১০ টি সংখ্যার গড় = ৪১২/১০ 
= ৪১.২ । 
১৭.
বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধের নাম কী? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. বাইহেতান বাঁধ
  2. থ্রি জর্জেস বাঁধ
  3. ইতাইপু বাঁধ
  4. ভাজন্ট বাঁধ
সঠিক উত্তর:
থ্রি জর্জেস বাঁধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্রি জর্জেস বাঁধ
ব্যাখ্যা
থ্রি জর্জেস ড্যাম (Three Gorges Dam): 
- বর্তমানে থ্রি জর্জেস বাঁধটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ হিসেবে পরিচিত।
- নির্মাণ শুরু: ১৯৯৪
- মূল বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন: ২০০৬
- সম্পূর্ণ কার্যকর: ২০১২ (সমস্ত জেনারেটর চালু), ২০১৬ (শিপ লিফট চালু)
- অবস্থান: ইয়াংজি নদী, চীন
- লক্ষ্য: বন্যা নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন, নৌপরিবহন উন্নতি
- বিদ্যুৎ উৎপাদন (২২,৫০০ মেগাওয়াট – বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প)
- নৌপরিবহন সুবিধা (১০,০০০ টন পর্যন্ত জাহাজ চলাচল)
- থ্রি জর্জেস ড্যাম চীনের অন্যতম উচ্চাভিলাষী প্রকল্প, যা পরিবেশগত ও সামাজিক বিতর্কের মধ্যেও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উল্লেখ্য,
- চীনের হুবেইতে অবস্থিত থ্রি জর্জেস বাঁধ (বিশ্বের বৃহত্তম) তাৎক্ষণিক উৎপাদন ক্ষমতা (২২৫০০ মেগাওয়াট), একই দেশের বাইহেতান বাঁধ (১৬০০০ মেগাওয়াট) ক্ষমতা সহ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্যারাগুয়ে / ব্রাজিলের ইতাইপু বাঁধটি (১৪০০০ মেগাওয়াট) তৃতীয় বৃহত্তম।

উৎস: প্রথম আলো (২৭ ডিসেম্বর ২০২৪)
Britannica.
১৮.
অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় কাকে?
  1. মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
  2. প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান
  3. মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  4. গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যার অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'।
- ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে এ অপারেশন সংগঠিত হলেও মূলত এর প্রস্তুতি চলতে থাকে মার্চের প্রথম থেকে।
- ৩রা মার্চ পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত অস্ত্র ও রসদ বোঝাই এম.ভি. সোয়াত জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে।
- প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৫ই মার্চ থেকে ২৪শে মার্চ ঢাকায় আলোচনার ভান করে আসলে অভিযানের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন ও অপারেশন সার্চলাইট চূড়ান্ত করেন।
- অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৯.
IRENA কোন বিষয়ক সংস্থা?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. পরমাণু কর্মসূচি
  3. নবায়নযোগ্য জ্বালানি
  4. মানবাধিকার
সঠিক উত্তর:
নবায়নযোগ্য জ্বালানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবায়নযোগ্য জ্বালানি
ব্যাখ্যা
IRENA:
- IRENA এর পূর্ণরূপ International Renewable Energy Agency বা আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থা। 
- IRENA একটি বৈশ্বিক আন্তঃসরকারি সংস্থা যা নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ও প্রসারে নেতৃত্ব দেয়।
- সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
- এটি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, নীতি, অর্থায়ন ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিশ্লেষণ প্রদান করে।
- IRENA নবায়নযোগ্য জ্বালানির সব ধরণের ব্যবহার প্রচার করে, যেমনঃবায়োএনার্জি, ভূতাপীয় শক্তি, জলবিদ্যুৎ, মহাসাগরীয় শক্তি, সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি।
- সদস্য: ১৬৯টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার প্রসারে সংস্থাটি কাজ করে।

উৎস: IRENA ওয়েবসাইট।
২০.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে কবে?
  1. ১৯৭২ সালের ১১ মার্চ
  2. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ৩০ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান রচনার ইতিহাস:
- দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের বিজয় অর্জিত হয়।
- পাকিস্তানের শাসন মুক্ত হয়ে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।
- ১৯৭২ সালের ১০ই এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। 
- ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটি ছয় মাসের মধ্যে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করে।
- ১৯৭২ সালের ৩০শে অক্টোবর গণপরিষদে এটি আলোচিত হয়।
- অবশেষে একই বছরের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২১.
আফ্রিকান ইউনিয়ন এর ৩৮ তম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
  2. কেপটাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. নাইরোবি, কেনিয়া
  4. কায়রো, মিশর
সঠিক উত্তর:
আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা
আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU):
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) হলো একটি আন্তঃসরকার সংস্থা, যা ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্য দেশ: ৫৫টি।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রতিষ্ঠার আগে এর নাম ছিল অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিটি (OAU), যা ২৫ মে ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০০২ সালে OAU বিলুপ্ত হয়ে তার পরিবর্তে আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া-তে অবস্থিত।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন এর ৩৮ তম শীর্ষ সম্মেলন আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া-তে অনুষ্ঠিত হয়। 
- আফ্রিকান ইউনিয়ন আফ্রিকার উন্নয়ন, শান্তি, এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- এজেন্ডা ২০৬৩ হলো আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রণীত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, যার লক্ষ্য ২০৬৩ সালের মধ্যে আফ্রিকাকে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও সমন্বিত মহাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
- এটি ২০১৩ সালে গৃহীত হয় আফ্রিকান ইউনিয়নের ৫০তম বার্ষিকীতে।

উৎস: African Union
২২.
নিচের কোন সংস্থাটি ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. IMF
  2. NATO
  3. UNO
  4. UNEP
সঠিক উত্তর:
IMF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF):
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) একটি বৈশ্বিক সংস্থা যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মুদ্রানীতির সহযোগিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ১৯১টি সদস্য দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করে।
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৪৪ সালে, ১৯৩০-এর মহামন্দার পর অর্থনৈতিক সহযোগিতার কাঠামো গঠনের লক্ষ্যে।
- প্রাথমিক সদস্য সংখ্যা: ৪৪টি দেশ।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি দেশ।
- ঋণ সক্ষমতা: প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার।
- অর্থায়নের উৎস: সদস্য দেশগুলোর মূলধনী সাবস্ক্রিপশন (কোটা)।
- বিশ্বব্যাংক ও IMF ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
২৩.
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. উপজেলা পরিষদ
  2. পৌরসভা
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. গ্রাম সরকার
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার: 
- বাংলাদেশে গ্রাম ও শহরাঞ্চল উভয় ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কাঠামো বিকশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো চালু আছে।
- এর মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
- এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে আছে উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পর্যায়ে আছে জেলা পরিষদ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৪.
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হল-
  1. গারো
  2. হাজং
  3. কোচ
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান: 
- সাধারণভাবে ভৌগোলিক অবস্থানভেদে বাংলাদেশে দুই ধরনের নৃগোষ্ঠীর মানুষ আছেন-পাহাড়ি ও সমতলবাসী।
- এদের একটি অংশ বসবাস করে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়।
- এসব জেলায় বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীগুলো হলো-চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, স্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, পাংখুয়া, চাক, খ্যাং, খুমি এবং লুসাই।
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে এরা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর মানুষ। এরা পাহাড়ি নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশেও মঙ্গোলীয় ভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বাস রয়েছে।
- এদের মধ্যে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের গারো, হাজং, কোচ এবং বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে খাসি ও মণিপুরি প্রভৃতি নৃগোষ্ঠীর নাম উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়াও কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায় বাস করে মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীভুক্ত রাখাইনরা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৫.
State the correct sequence:
  1. Issue, Trial, Arguments, Pleadings, Decree, Judgement
  2. Pleadings, Trial, Issues, Arguments, Decree, Judgement
  3. Pleadings, Issues, Arguments, Trial Judgement Decree
  4. Pleadings, Issues, Trial, Arguments, Judgement, Decree
সঠিক উত্তর:
Pleadings, Issues, Trial, Arguments, Judgement, Decree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pleadings, Issues, Trial, Arguments, Judgement, Decree
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে (Code of Civil Procedure, 1908) মামলা পরিচালনার সঠিক ক্রম হল:
ঘ) Pleadings → Issues → Trial → Arguments → Judgement → Decree.

১. Pleadings (প্লিডিংস):
এটি মামলার প্রাথমিক ধাপ। উভয় পক্ষের দাবি ও জবাব (Plaint এবং Written Statement) এই ধাপে দাখিল করা হয়।

২. Issues (ইস্যু নির্ধারণ):
উভয় পক্ষের দাবি ও প্রতিদাবির ভিত্তিতে আদালত মামলার মূল বিষয়গুলো (ইস্যু) নির্ধারণ করে। এটি পরবর্তী প্রক্রিয়ার ভিত্তি গঠন করে।

৩. Trial (বিচার প্রক্রিয়া):
মামলার মূল বিচার পর্ব শুরু হয়। এখানে উভয় পক্ষ সাক্ষী ও প্রমাণ পেশ করে।

৪. Arguments (যুক্তিতর্ক):
বিচার শেষে উভয় পক্ষ আদালতের সামনে তাদের আইনগত যুক্তি পেশ করে।

৫. Judgement (রায়):
আদালত সমস্ত প্রমাণ এবং যুক্তি বিবেচনা করে মামলার রায় ঘোষণা করে।

৬. Decree (ডিক্রি):
রায়ের ভিত্তিতে আদালত একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ (ডিক্রি) জারি করে, যা মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
২৬.
X, Y-এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করে এবং শুনানির জন্য মামলাটি ডাকা হলে কোনো পক্ষই আদালতে উপস্থিত হয়নি। আদালত Order 9, Rule 3 অনুযায়ী মামলাটি খারিজ করে দেয়। এক্ষেত্রে 'X'-
  1. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে
  2. খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে
  3. (ক) বা (খ)
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
(ক) বা (খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(ক) বা (খ)
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

আদেশ ৯ বিধি ৪: বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা আদালত কোন মোকদ্দমা পুনরায় চালু করতে পারবে:
উপরোক্ত ২ অথবা ৩ বিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে; কিংবা খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে; উক্ত ক্ষেত্রে বাদী যদি আদালতের সন্তুষ্টিক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি কিংবা সমন জারির ডাক মাশুল (যদি লাগে) দিতে না পারার বা উপস্থিত হতে না পারার যথেষ্ট কারণ দর্শাতে পারে, তবে আদালত মোকদ্দমার খারিজ রদের আদেশ দান করবে এবং মোকদ্দমার কার্যপদ্ধতি পরিচালনার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

Order 9 Rule 4: Plaintiff may bring fresh suit or Court may restore suit to file:
Where a suit is dismissed under rule 2 or rule 3, the plaintiff may (subject to the law of limitation) bring a fresh suit or he may apply for an order to set the dismissal aside, and if he satisfies the Court that there was sufficient cause for his not paying the court-fee and postal charges (if any) required within the time fixed before the issue of the summons, or for his non- appearance, as the case may be, the Court shall make an order setting aside the dismissal and shall appoint a day for proceeding with the suit.
২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ অনুসারে- প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) তখন অনুমোদন করা হয়, যখন-
  1. একই মামলায় অনেক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করে
  2. একই মামলায় একাধিক ব্যক্তি একই পরিবারের সদস্য হয়
  3. একই মামলায় একাধিক ব্যক্তির একই ধরনের স্বার্থ জড়িত থাকে
  4. একই মামলায় একাধিক ব্যক্তির আলাদা স্বার্থ জড়িত থাকে
সঠিক উত্তর:
একই মামলায় একাধিক ব্যক্তির একই ধরনের স্বার্থ জড়িত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই মামলায় একাধিক ব্যক্তির একই ধরনের স্বার্থ জড়িত থাকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
২৮.
কোন বিষয় সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বৈধ অপারগ ব্যক্তির ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ গণনা বন্ধ হয় না?
  1. অগ্রক্রয়
  2. চুক্তি প্রবল
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

Section 8: Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
২৯.
A suit for possession of immovable property on the basis of previous possession and not on the basis of title can be filed u/S. 9 of S.R. Act-
  1. Within 3 months of dispossession
  2. Within 6 months of dispossession
  3. Within 1 year of dispossession
  4. Within 6 years of dispossession
সঠিক উত্তর:
Within 6 months of dispossession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Within 6 months of dispossession
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮- অনুচ্ছেদ- ৩: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা:
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]
তামাদি- ৬ মাস।
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৩০.
ক্ষুদ্র এখতিয়ার সম্পন্ন কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
The Small Cause Courts Act, 1887 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী,
যদি কোনো ক্ষুদ্র এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত (Court of Small Causes) কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, তাহলে সেই ডিক্রি বা আদেশের বৈধতা যাচাই করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগ তার রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে। এর অর্থ হলো, হাইকোর্ট বিভাগ সেই মামলা বা বিষয়টি পর্যালোচনা করতে পারে এবং যদি মনে করে যে নিম্ন আদালতের আদেশ বা ডিক্রি আইন অনুযায়ী হয়নি, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ সেই ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩১.
আদেশ ৪১ বিধি-১৭ অনুযায়ী একতরফাভাবে আপিল শুনানির শর্ত কী?
  1. আদালত চাইলে যেকোনো পরিস্থিতিতে
  2. শুধুমাত্র রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত থাকলে
  3. আপিলকারী ও রেসপন্ডেন্ট উভয়েই অনুপস্থিত থাকলে
  4. আপিলকারী উপস্থিত থাকলে, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী উপস্থিত থাকলে, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী উপস্থিত থাকলে, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.
৩২.
What types of injunctions can the Court grant under Section 52?
  1. Only temporary
  2. Only perpetual
  3. Temporary or perpetual
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Temporary or perpetual
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary or perpetual
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে,
স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52: Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৩৩.
How many witnesses are required to prove a Criminal case beyond all reasonable doubts?
  1. Minimum Two
  2. Minimum Three
  3. Minimum four
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
None of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
None of the above
ব্যাখ্যা
Section 134⇒ Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৩৪.
হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে কত ধারা অনুযায়ী?
  1. S. 373 of CrPC
  2. S. 375 of CrPC
  3. S. 376 of CrPC
  4. S. 377 of CrPC
সঠিক উত্তর:
S. 376 of CrPC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
S. 376 of CrPC
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। অর্থাৎ, মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
৩৫.
কারাবাস একের পর এক চললে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
৩৬.
List of facts of which the judicial notice has to be taken under section 57 of The Evidence Act, 1872-
  1. is exhaustive
  2. is illustrative only
  3. is both (a) & (b)
  4. is neither (a) nor (b)
সঠিক উত্তর:
is illustrative only
উত্তর
সঠিক উত্তর:
is illustrative only
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কেবল উদাহরণমূলক (illustrative only)।

বিচারিক স্বীকৃতি-
বিচারিক স্বীকৃতি হলো আদালতের এমন কিছু তথ্য সত্য বলে গ্রহণ করা, যা সাধারণত সবার জানা থাকে বা সহজেই প্রমাণ করা যায়। এসব তথ্য প্রমাণ প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় না। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

তালিকার প্রকৃতি:
১. তালিকা চূড়ান্ত নয় (Not exhaustive);
২. তালিকা উদাহরণমূলক (Illustrative only)।

ধারা ৫৭-এর তালিকা উদাহরণমূলক (illustrative) এবং আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যও বিচারিক স্বীকৃতি দিতে পারে।
৩৭.
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় কোন কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে?
  1. অভিপ্রায় (Motive)
  2. প্রস্তুতি (Preparation)
  3. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous & Subsequent Conduct)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৩৮.
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ
  2. আত্মরক্ষা
  3. অপরাধে প্ররোচনা
  4. আদালতের নির্দেশ পালন
সঠিক উত্তর:
সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।
 
উদাহরণ
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
 
Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৩৯.
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public tranquility, they are said to commit the offence of:
  1. Affray
  2. Rioting
  3. Public Nuisance
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Affray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Affray
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৪০.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় কোন অপরাধের কথা বলা হয়েছে?
  1. প্রতারণা
  2. ঘুষ গ্রহণ
  3. মিথ্যা তথ্য পরিবেশন
  4. সরকারি নথি জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা তথ্য পরিবেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা তথ্য পরিবেশন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪১.
চুরির অপরাধের শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ন্যূনতম ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান- চুরি করার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 379- Punishment for theft:
Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৪২.
'A' and 'B' are the joint owners of a horse. 'A' takes the horse of 'B's possession intending to use it However, 'A' sells the horse and appropriates the whole proceeds to his own use. Now 'A' is guilty of-
  1. Mischief
  2. Criminal Breach of Trust
  3. Dishonest Misappropriation
  4. No offence
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappropriation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappropriation
ব্যাখ্যা
A and B are the joint owners of a horse. A takes the horse of B's possession intending to use it However, A sells the horse and appropriates the whole proceeds to his own use. Now A is guilty of- Dishonest Misappropriation.

দণ্ডবিধি ৪০৩: সম্পত্তির অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ-
যে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যের কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক)A, Z-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি Z-এর দখল থেকে সরিয়ে নেয়, সৎ বিশ্বাসে বিশ্বাস করে যে সেই সম্পত্তি তার নিজের। তখন এটি চুরির অপরাধ নয়। তবে, যদি A পরে তার ভুল বুঝতে পেরে অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(খ) A, Z-এর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কারণে, Z-এর অনুপস্থিতিতে Z-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, যা Z-এর স্পষ্ট অনুমতি ছাড়াই। যদি A মনে করে যে Z তাকে পড়ার জন্য বইটি নিতে পরোক্ষ অনুমতি দিয়েছেন, তবে এটি চুরি নয়। কিন্তু, যদি A পরে সেই বইটি বিক্রি করে এবং তার নিজের স্বার্থে অর্থ ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(গ) A এবং B একটি ঘোড়ার যৌথ মালিক। A, ঘোড়াটি B-এর দখল থেকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। যেহেতু A-এর ঘোড়া ব্যবহারের অধিকার আছে, এটি অসৎ আত্মসাৎ নয়। তবে, যদি A ঘোড়াটি বিক্রি করে এবং পুরো অর্থ নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।
৪৩.
Which entity has the authority to define the specific duties of local government bodies?
  1. The President
  2. The Parliament
  3. The Supreme Court
  4. The Prime Minister’s Office
সঠিক উত্তর:
The Parliament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Parliament
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন:
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

Article 59: Local government:
(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law.

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to –
(a) administration and the work of public officers;
(b) the maintenance of public order;
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.
৪৪.
রাষ্ট্রপতি সরকারি চাকরিজীবীদের কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নিতে পারেন?
  1. পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ
  2. সরকারি চাকরির জন্য যোগ্যতা ও নিয়োগ পদ্ধতি নির্ধারণ
  3. সরকারি চাকরিজীবীদের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি নির্ধারণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪০ : কমিশনের দায়িত্ব:
(১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হইবে;
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা;
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হইলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব-সংক্রান্ত কোন বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হইলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশদান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্বপালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইন এবং কোন কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের (যাহা অনুরূপ আইনের সহিত অসমঞ্জস নহে) বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোন কমিশনের সহিত পরামর্শ করিবেন:
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাহাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হইতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর-ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।
৪৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৩ এর বিষয়বস্তু কী?
  1. চুক্তি ও দলিল
  2. জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
  3. প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
  4. আন্তর্জাতিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে:
(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী;
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি।

(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic:
(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested –
(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh;
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner.

(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
৪৬.
Which article of the Bangladesh Constitution ensures the independence of judicial officers?
  1. Article 116
  2. Article 116A
  3. Article 117
  4. Article 118
সঠিক উত্তর:
Article 116A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 116A
ব্যাখ্যা
Article 116A- Judicial officers to be independent in the exercise of their functions:
Subject to provisions of the Constitution, all persons employed in the judicial service and all magistrates shall be independent in the exercise of their judicial functions.

অনুচ্ছেদ ১১৬ক- বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
 এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
৪৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য যদি তার দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে:
  1. তিনি জরিমানা গুণবেন
  2. তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে
  3. তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
  4. তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে
সঠিক উত্তর:
তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
৪৮.
The doctrine of 'stare decisis' means-
  1. The reasoning behind the decision
  2. Parliament can overturn decided cases
  3. To stand by what has decided before
  4. Courts must adhere to statutes in all of their decisions
সঠিক উত্তর:
To stand by what has decided before
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To stand by what has decided before
ব্যাখ্যা
Stare Decisis একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "যা পূর্বে স্থির হয়েছে, তা মেনে চলা (To stand by what has decided before)"। এটি সাধারণ আইন (Common Law) ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা বলে যে আদালতকে পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের নজির মেনে চলতে হবে।

মূল ধারণা:
Stare Decisis এর ভিত্তিতে নিম্ন আদালতগুলিকে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে হয়।
এটি আইনি প্রক্রিয়ায় স্থিতিশীলতা এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।

উদাহরণ:
যদি একটি উচ্চ আদালত কোনো বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়, তবে নিম্ন আদালতগুলো একই ধরনের মামলায় সেই সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে বাধ্য।
এটি নিশ্চিত করে যে একই ধরনের মামলায় ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত না হয়।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) The reasoning behind the decision:
এটি Ratio Decidendi বোঝায়, যা আদালতের রায়ের পেছনের যুক্তি।

খ) Courts must adhere to statutes in all of their decisions:
আদালত আইন মেনে চলতে বাধ্য, তবে এটি Stare Decisis নয়।

গ) Parliament can overturn decided cases:
সংসদ যদি কোনো আইন প্রণয়ন করে তবে আদালতকে সেই আইন মেনে চলতে হবে, কিন্তু এটি Stare Decisis এর ধারণা নয়।
৪৯.
The General Clauses Act, 1897 আইনের ৩(৩৯) ধারায় "ব্যক্তি" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র প্রকৃত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান
  3. শুধুমাত্র নিবন্ধিত কোম্পানি
  4. কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
ব্যাখ্যা
• Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not:
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।

• ব্যক্তি (Person) বলতে নিগমবদ্ধ (Incorporated) করা হউক বা না হউক, কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝায়। দণ্ডবিধির ১১ ধারার বিধান মতে 'ব্যক্তি' বলতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হওয়া বুঝায়। মানুষ ছাড়াও কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সমিতি, মাতৃগর্ভস্থ শিশু ইত্যাদিও ব্যক্তি হিসেবে আইনে স্বীকৃতি পায়।

Conforce Limited v. Titas Gas Transmission মামলায় বর্ণিত হয়েছে-
"Person occuring in section 3(39) of General clauses Act, 1897 shall include any company or association or body of individuals whether incorporated or not."."
৫০.
'Doctrine of Double Jeopardy' কোন ল্যাটিন নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. Audi alteram partem
  2. Volenti non fit injuria
  3. Actus non facit reum nisi mens sit rea
  4. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
৫১.
A Contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself or by the conduct of any other person, is called-
  1. Contract of Guarantee
  2. Contract of Wagering
  3. Contract of Bailment
  4. Contract of Indemnity
সঠিক উত্তর:
Contract of Indemnity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contract of Indemnity
ব্যাখ্যা
• Section 124- "Contract of indemnity" defined:
A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity".

Illustration-
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.

চুক্তি আইনের ১২৪ ধারা- "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা:
যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ:
ক কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে খ-এর বিরুদ্ধে গ-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে খ-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।
৫২.
সার্বজনীন দানগ্রহীতা দাতার কোন ধরনের দায়ের জন্য দায়ী থাকবে?
  1. দায়ী হবে না
  2. দেনার সমপরিমাণ
  3. দানের সম্পত্তির সমপরিমাণ
  4. দানের সম্পত্তির তিন গুণ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
দানের সম্পত্তির সমপরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানের সম্পত্তির সমপরিমাণ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২৮: সার্বজনীন দানগ্রহীতা-
দাতা তার সমস্ত সম্পত্তি কাউকে দান করে গেলে গ্রহীতাকে সার্বজনীন দানগ্রহীতা বলে। সার্বজনীন দান গ্রহীতা দাতার দানের সময় বিদ্যমান সমস্ত দেনা ও দায়ের জন্য দানের সম্পত্তির মূল্যের সমপরিমাণ ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে।

Section 128: Universal donee-
Subject to the provisions of section 127, where a gift consists of the donor's whole property, the donee is personally liable for all the debts due by and liabilities of the donor at the time of the gift to the extent of the property comprised therein.
৫৩.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 অনুযায়ী- অগ্রক্রয়ের নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের উপর কত হারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ৬.২৫%
  3. ১৫%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৫৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ভূমির খাজনা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন কতদিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ডেপুটি কমিশনার ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে।

নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনার কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারে-

ক. যেক্ষেত্রে রায়ত অথবা অকৃষি প্রজা কর্তৃক অধিকৃত ভূমির খাজনা ৪র্থ অধ্যায়ে অথবা ১৪৪ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই অথবা উক্ত ভূমির খাজনা ১০৭ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই; বা

খ. যে ক্ষেত্রে কোন ভূমির খাজনা ক ক্লজে উল্লেখিত কোন বিধান মোতাবেক কৃষি ভূমি হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে অকৃষি ভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

⇒ এই ধারায় কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ করতে উক্ত ভূমির রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন ১৫ দিনের নোটিশ দিতে হবে। অন্যথায়, খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করা যাবে না (ধারা ৯৮ক (২))।
৫৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৫৩গ অনুসারে, প্রস্তুতকৃত খতিয়ান কোন আইনের অধীনে তৈরি করা হয়?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৯৮২
  2. রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
  3. অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯
  4. সিভিল প্রসিডিউর কোড, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
৫৬.
'Quantum meruit' means:
  1. The amount involved
  2. Extent and quality
  3. To the extent of the work done
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
To the extent of the work done
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To the extent of the work done
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) To the extent of the work done অর্থাৎ “যতটুকু কাজ করা হয়েছে ততটুকু”।

Quantum Meruit একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে "যতটুকু কাজ করা হয়েছে ততটুকু পাওয়া উচিত।" এটি একটি আইনগত ধারণা যা বিশেষত চুক্তি আইন এবং সিভিল আইন (নাগরিক আইন) প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

যখন কোনও ব্যক্তি কোনও সুনির্দিষ্ট চুক্তি ছাড়াই কাজ সম্পন্ন করে বা সেবা প্রদান করে এবং সেই কাজের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তখন Quantum Meruit ভিত্তিতে তিনি সেই কাজের জন্য ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন। এটি মূলত চুক্তি ছাড়াও কাজের মূল্যায়ন নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Quantum Meruit-এর ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন:
- চুক্তি না থাকলেও কাজ বা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
- কাজটি গ্রহণকারী ব্যক্তি তা গ্রহণ করেছে এবং তার থেকে সুবিধা পেয়েছে।
- কাজটি করা হয়েছে কাজের যথার্থ মূল্য পরিশোধের প্রত্যাশায়।

উদাহরণস্বরূপ:
কোনও ব্যক্তি একটি বাড়ি রঙ করার কাজ শুরু করলেন এবং মালিক তার কাজ গ্রহণ করলেন। যদি মাঝপথে কোনও কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায় এবং চুক্তি অনুযায়ী পুরো কাজের অর্থ পরিশোধ না করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি Quantum Meruit-এর ভিত্তিতে তার সম্পন্ন কাজের ন্যায্য মূল্য দাবি করতে পারেন।
৫৭.
NAT ACT, 1949 এর ২০ ধারার অধীন ডেপুটি কমিশনার কোন অধীনস্থ প্রজাকে উচ্ছেদের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ___________ আপিল করা যাবে।
  1. ভূমি প্রশাসনের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট, ১৫ দিনের মধ্যে
  3. জেলা জজের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
  4. রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট, ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
NAT ACT, 1949 এর ৮৫ক ধারা- আপিল:
ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত বিধি বা ধারা ২০-এর বিধির অধীনে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কোনো আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে।

Section 85A- Appeal:
An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.
৫৮.
চুক্তি আইনের কোন ধারায় চুক্তি করার যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১০ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. ১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১১ ধারায় চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি-
⇒ সে নিজ আইনে সাবালক,
⇒ সুস্থ মনের অধিকারী, এবং
⇒ নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন।

[Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]

অতএব বলা যায়,
চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য, যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
৫৯.
সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব ৩ লক্ষ টাকা হলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস কত হবে?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৭৮খ- বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:
ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।
৬০.
The documents registration of which is optional have been dealt in ____________ The Registration Act, 1908.
  1. section 14
  2. section 15
  3. section 18
  4. section 19
সঠিক উত্তর:
section 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
section 18
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮- যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে-

• ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
৬১.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর অধীন গঠিত সালিসী পরিষদকে কোন ক্ষেত্রে এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. তালাক
  2. খোরপোশ
  3. বহুবিবাহ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুসলিম ফ্যামিলি ল অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ মুসলিম পারিবারিক আইন সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান নির্ধারণ করেছে, বিশেষ করে মুসলিম ব্যক্তিদের জন্য যেগুলো সালিসী পরিষদ (Arbitration Council) এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়। এই আইনটি মুসলিম পরিবারে বিশেষ করে তিনটি বিষয়ের উপর সালিসী পরিষদকে এখতিয়ার দেয়:

১. বহুবিবাহ (Polygamy):
মুসলিম পুরুষরা একাধিক স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ করতে পারেন, তবে এর জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। মুসলিম ফ্যামিলি ল অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১-এর অধীনে, যদি একজন মুসলিম পুরুষ তার একাধিক স্ত্রীর অধিকার সুরক্ষিত রাখতে চান, তবে তাকে সালিসী পরিষদের অনুমোদন নিতে হবে। পরিষদ তার সিদ্ধান্ত দেবে, যা তার বহুবিবাহের বৈধতা এবং স্ত্রীর অধিকার সম্পর্কিত হবে।

২. তালাক (Divorce):
মুসলিম পুরুষরা একপক্ষীয়ভাবে তালাক দিতে পারেন, তবে এটি আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা উচিত। মুসলিম ফ্যামিলি ল অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১-এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো মুসলিম পুরুষ তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চান, তবে সালিসী পরিষদকে তার ইচ্ছার ব্যাপারে অবহিত করতে হবে এবং সালিসী পরিষদ সিদ্ধান্ত নেবে যে, তা আইনসঙ্গত কিনা এবং স্ত্রীর অধিকার পূর্ণভাবে সুরক্ষিত হচ্ছে কিনা।

৩. খোরপোশ (Maintenance):
সালিসী পরিষদকে মুসলিম স্ত্রীর খোরপোশ বা ভরণপোষণ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিতে এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এই পরিষদ, স্ত্রীর খোরপোশের পরিমাণ নির্ধারণ করবে এবং যদি স্ত্রীর কোনো অধিকার খর্ব হয়, তবে তা সংশোধন করতে পদক্ষেপ নেবে।
৬২.
মুসলিম আইনে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কখনো বঞ্চিত হয় না-
  1. স্ত্রী
  2. কন্যা
  3. পিতা
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।

⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা।
৬৩.
অগ্রক্রয় (Pre-emption) শব্দটির আরবি প্রতিশব্দ কী?
  1. হুদুদ
  2. শুফা
  3. মোহর
  4. নাফাকা
সঠিক উত্তর:
শুফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুফা
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
৬৪.
যদি পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীনে কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে আদালত কতদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২৬: মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানকে প্রভাবিত না করা:
(১) এই আইনের কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারিক আইন অথবা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধানকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীন সংঘটিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে আদালত ডিক্রি প্রদানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৭ এ উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে উক্ত ডিক্রির প্রত্যয়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করিবে এবং, চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিলিপি প্রাপ্ত হইবার পর, এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন যেন তিনি উক্ত আইনের অধীন কোনো তালাকের সংবাদ প্রাপ্ত হইয়াছেন।

(৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালত কোনো ডিক্রি প্রদান করিলে যে তারিখে চেয়ারম্যান উপধারা (২) এর অধীন উহার প্রতিলিপি গ্রহণ করিয়াছেন সেই তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সময়ের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে কোনো আপোষ মীমাংসা কার্যকর হইলে উক্ত ডিক্রির কোনো কার্যকারিতা থাকিবে না।
৬৫.
একজন নাবালক তার সম্পত্তির কত অংশ উইল দ্বারা বণ্টন করতে সক্ষম?
  1. সম্পূর্ণ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৩ অংশ
  4. কোনো অংশই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশই নয়
ব্যাখ্যা
মুসলিম আইনে উইল (Will):
উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত। মুসলিম আইন অনুযায়ী, একজন মুসলিম ব্যক্তি সুস্থ মন (sound mind) এবং প্রাপ্ত বয়সী (major) হলে শুধুমাত্র তিনি তার সম্পত্তি উইল করার অধিকারী হন। তবে, অপ্রাপ্তবয়স্ক (minor) ব্যক্তির ক্ষেত্রে উইল করার অধিকার নেই।

অপ্রাপ্তবয়স্ক (Minor) উইল করতে সক্ষম নয়:
মুসলিম আইন অনুযায়ী, অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উইল করতে পারেন না। ইসলামী আইন অনুযায়ী, যদি কেউ অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে, তবে তার উইল করা অবৈধ এবং সে সম্পত্তির কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না।

উল্লেখ্য,
একজন মুসলিম স্বাস্থ্যবান মন এবং পূর্ণবয়স্ক (major) হলে তিনি তার সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ (১/৩) অংশ উইল করতে পারেন। এর বেশি অংশ উইল করা হলে, তা উত্তরাধিকারীদের সম্মতি ছাড়া কার্যকর হবে না
৬৬.
মুসলিম আইনে দানের আবশ্যিক উপাদান কী কী?
  1. প্রস্তাব, দলিল রেজিস্ট্রেশন, সাক্ষী
  2. প্রস্তাব, গ্রহণ, দখল হস্তান্তর
  3. গ্রহণ, দলিল লেখা, আদালতের অনুমোদন
  4. ইচ্ছা প্রকাশ, দুইজন সাক্ষী, সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব, গ্রহণ, দখল হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব, গ্রহণ, দখল হস্তান্তর
ব্যাখ্যা

⇒ দান আরবি ভাষায় 'হেবা' নামে পরিচিত। দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

⇒ একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

⇒ দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।
⇒ সমস্ত সম্পত্তি দান করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়, আর উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়।

৬৭.
হিন্দু আইনে কোন বিবাহ পদ্ধতিকে সর্বোত্তম বিবাহ বলা হয়?
  1. দৈব
  2. ব্রাহ্ম
  3. আর্য
  4. গন্ধর্ব
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্ম
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৬৮.
'M' তার ২ পুত্র 'A' ও 'B' এবং স্ত্রী 'K' কে রেখে মারা যায়। দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, 'K' সম্পত্তির কত অংশ পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. পুত্রদের দ্বারা বঞ্চিত হবেন
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ এখানে 'M' সম্পত্তি মোট তিন অংশে বিভক্ত হবে। দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পাবে।

সম্পত্তির বণ্টন:
- পুত্র (A) পাবে ১/৩ অংশ।
- পুত্র (B) পাবে ১/৩ অংশ।
- স্ত্রী (K) পাবে ১/৩ অংশ।
৬৯.
নিচের কোন কারণে হিন্দু স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে আইনি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার হারাবেন?
  1. স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করলে
  2. স্ত্রী নিজে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে
  3. স্বামী ধর্ম পরিবর্তন করলে
  4. স্বামী স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী নিজে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী নিজে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন এর ধারা ২ অনুযায়ী,
নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
 
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।

তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।
৭০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনানুসারে, অনূর্ধ্ব কত দিনের শিশুকে 'নবজাতক' বলা হবে?
  1. ৭ দিনের
  2. ১৪ দিনের
  3. ৩০ দিনের
  4. ৪০ দিনের
সঠিক উত্তর:
৪০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ দিনের
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(চ) অনুযায়ী,

“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশুকে বোঝাবে।
৭১.
শিশু আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত শিশুকে পুলিশ জামিন দিতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য
  2. জামিনঅযোগ্য
  3. ক বা খ উভয় ক্ষেত্রে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই পারবে না
সঠিক উত্তর:
ক বা খ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২- জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।
৭২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯(৩) অনুসারে, মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক _______ কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২, ধারা ১৯: তদন্ত-
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নব্বই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
৭৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে আদালত কী করতে পারবে?
  1. মামলা খারিজ করতে পারবে
  2. মামলা স্থগিত রাখতে পারবে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করতে পারবে
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১-আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
 
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
৭৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখলের শাস্তি কী?
  1. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. সর্বনিম্ন ২ বছর, অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. সর্বনিম্ন ৭ বছর, অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৭- জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উৎসর সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না।
৭৫.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪১
  2. ধারা ৪২(১)
  3. ধারা ৪২(২)
  4. ধারা ৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২(২)
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৭৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী-
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে, অনধিক _______ দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর ১০ বিধির বিধান: মিমাংসা সভা মূলতবী:-
মিমাংসা সভার কোন দিনের কার্যক্রম সমাপ্ত না হইলে বা উক্ত দিনে পক্ষগণ আপোষ-মিমাংসায় উপনীত হইতে ব্যর্থ হইলে, লিগ্যাল এইড অফিসার, উপযুক্ত মনে করিলে, উক্ত দিনের মিমাংসা সভা মূলতবী করিয়া উভয় পক্ষের উপস্থিতির জন্য সুবিধাজনক অপর একটি দিন ধার্য করিবেন, যাহা কোনক্রমেই ৭ (সাত) দিনের অধিক হইবে না।

অর্থাৎ,
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে অনধিক ৭দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
৭৭.
What does Section 34A of the Special Powers Act, 1974 primarily deal with?
  1. Bail conditions
  2. Arrest procedures
  3. Execution of death sentences
  4. Appeals against death sentences
সঠিক উত্তর:
Execution of death sentences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Execution of death sentences
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 34A- Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.

ধারা ৩৪ক - মৃত্যুদণ্ডে কার্যকর করণ:
যখন কোনো ব্যক্তিকে এই আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তখন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যেভাবে নির্দেশ করবে সেই অনুযায়ী তার গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে অথবা নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে।
৭৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী যৌতুকের জন্য সাধারণ জখমের সর্বনিম্ন শাস্তি কত বছর?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৭৯.
চেক ডিজঅনারের জন্য আদালত জরিমানা করতে পারে চেকে উল্লিখিত অর্থের-
  1. অর্ধেক
  2. ২ গুন
  3. ৩ গুন
  4. ৪ গুন
সঠিক উত্তর:
৩ গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ গুন
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।