পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ১৬ মার্চ, ২০২৪সময়55 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১২শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০১৮
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ১৬ মার্চ, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়?
  1. কাঁদো নদী কাঁদো
  2. দুই সৈনিক
  3. রাইফেল রোটি আওরাত
  4. নেকড়ে অরণ্য
ব্যাখ্যা
'কাঁদো নদী কাঁদো' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়।

• কাঁদো নদী কাঁদো
- ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত চেতনাপ্রবাহরীতির একটি উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে - মুস্তফা, বদর শেখ, খেদমতুল্লা, কালু মিয়া ইত্যাদি।
- এই উপন্যাসে ধর্মের নামে আচার-সর্বস্বতা, বিজ্ঞানের নামে অদৃষ্টবাদিতা এবং বাস্তবতার নামে স্বপ্ন -কল্পনা ইত্যাদির বিরুদ্ধচারণ দেখা যায়।
- উপন্যাসে ব্যক্তির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সুখ দুঃখ নিয়ে সামষ্টিক অভিজ্ঞান রচিত হয়েছে।
- নদী হয়ে উঠেছে সামূহিক জীবনবাদী চেতনার প্রতীক।

অন্যদিকে,
শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হচ্ছে-
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য।

‘রাইফেল রোটি আওরাত’ আনোয়ার পাশা রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস এটি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'কর্ম কর, অনুরূপ ফল পাবে।'-গঠন অনুসারে এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. কার্যকারণাত্মক
ব্যাখ্যা
'কর্ম কর, অনুরূপ ফল পাবে।'-গঠন অনুসারে এটি যৌগিক বাক্য।

যৌগিক বাক্য:
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- কমা ( , ), সেমিকোলন ( ; ), কোলন ( : ), ড্যাশ ( - ) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২২।
.
একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে বসে-
  1. কোলন
  2. কমা
  3. সেমিকোলন
  4. কোলন-ড্যাশ
ব্যাখ্যা
একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে- সেমিকোলন বসে। 
যেমন: তিনি শুধু তামাশা দেখিতেছিলেন; কোথাকার জল কোথায় গিয়ে পড়ে। 

সেমিকোলন: 
সেমিকোলনের স্থানে কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাড়ির চেয়ে কম থামতে হয়।

• সেমিকোলন ( ; ) ব্যবহারের নিয়ম:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- বক্তব্য স্পষ্ট করার জন্য সমজাতীয় বাক্য পাশাপাশি প্রতিস্থাপন করলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। 
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।
- আইনের কোনো ধারায় এক বা একাধিক উপধারা কিংবা শর্ত থাকলে তা পৃথককরণের জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ধরা যাক, সংবিধানের ৩৬ নং ধারা নিম্নোক্ত উপধারা (১) বয়স ১৮ বছর হতে হবে; (২) প্রকৃতিস্থ হতে হবে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মাহমুদ।
.
'বাংলাদেশ যেন জয়লাভ করে।' -এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. আবেগসূচক
  2. প্রার্থনাসূচক
  3. বর্ণনাত্মক
  4. অনুজ্ঞাসূচক
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ যেন জয়লাভ করে' -এটি প্রার্থনাসূচক বাক্য।

• ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য:
- যে বাক্যে ইচ্ছা, প্রার্থনা, উচ্ছ্বাস ইত্যাদি অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য বলে।
- একে ইচ্ছাসূচক, ইচ্ছাবোধক বাক্যও বলা হয়।

যেমন -
→ মহারাজের জয় হোক।
→ আমি যদি জন্ম নিতেম কালিদাসের কালে।
.
'গুনাহ' কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. উর্দু
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা
'গুনাহ' ফারসি ভাষার শব্দ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু শব্দ আছে যা বিদেশী ভাষা থেকে এসেছে কিন্তু এখন তা বাংলা ভাষার অন্তর্ভূক্ত।যেমনঃ আরবি, ফারসি, হিন্দি ইত্যাদি। বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলো তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

ধর্মসংক্রান্ত শব্দ: খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা ইত্যাদি।
প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ: কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান, দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসদ ইত্যাদি।
বিবিধ শব্দ: আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাশ, রফতানি, হাঙ্গামা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. মা যে জননী কান্দে
  2. সন্দ্বীপের চর
  3. অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না
  4. মুহূর্তের কবিতা
ব্যাখ্যা
'মুহুর্তের কবিতা' নামক কাব্যগ্রন্থ এর রচয়িতা ফররুখ আহমদ। 

ফররুখ আহমদ (১৯১৮-১৯৭৪)

- জন্ম মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- কিশোর বয়সে কবিতা রচনার মধ্য দিয়ে ফররুখ আহমদ সাহিত্যাঙ্গনে প্রবেশ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর কাব্যের মৌলিক প্রবণতা মুসলিম সংস্কৃতির গৌরবকীর্তন ও জাতীয় চেতনার পুনর্জাগরণ। পাকিস্তানবাদ, ইসলামিক আদর্শ ও আরব-ইরানের ঐতিহ্য তাঁর কবিতায় উজ্জ্বলভাবে ফুটে উঠেছে।
- বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দের প্রয়োগনৈপুণ্য এবং বিষয়বস্ত্ত ও আঙ্গিকের অভিনবত্বে তাঁর কবিতা এক বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।
- ব্যঙ্গ্যকবিতা ও সনেট রচনায় তাঁর কৃতিত্ব অনস্বীকার্য।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য-
- সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪),
- সিরাজাম মুনিরা (১৯৫২),
- নৌফেল ও হাতেম (১৯৬১),
- মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩),
- হাতেমতায়ী (১৯৬৬),
- হাবেদা মরুর কাহিনী (১৯৮১) ইত্যাদি।

তাঁর শিশুতোষ রচনা-
- পাখির বাসা (১৯৬৫),
- হরফের ছড়া (১৯৭০),
- ছড়ার আসর (১৯৭০) ইত্যাদি  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'ধর্ম ও ন্যায়ের পথে চলো।' - কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?
  1. অনুরোধ
  2. উপদেশ
  3. আদেশ
  4. বিধান
ব্যাখ্যা
'ধর্ম ও ন্যায়ের পথে চলো' - এই বাক্যে উপদেশ অর্থে বর্তমান অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে।

• অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য:
- যে বাক্য আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞা বাক্য বলে।

• কিছু অনুজ্ঞার উদাহরণ: 
'আদেশ' অর্থে - তোমরা এখন যাও, হাতমুখ ধুয়ে পড়তে বসো। 
'অনুরােধ' অর্থে - অঙ্কটা বুজিয়ে দাও না।
'উপদেশ' অর্থে - পাতিস নে শিলাতলে পদ্মপাতা। 
'প্রার্থনা' অর্থে- আমার দরখাস্তটা পড়ুন। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)। 
.
'চিত্তনামা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা-
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. চিত্তরঞ্জন দাস
ব্যাখ্যা
'চিত্তনামা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা- কাজী নজরুল ইসলাম।
 
কাজী নজরুল ইসলামের দুটি জীবনভিত্তিক কাব্য :
চিত্তনামা - দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
মরুভাস্কর - হযরত মুহম্মদ (সঃ)।

'চিত্তনামা' কাব্যগ্রন্থ 
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালে। 
- ১৩৩২ বঙ্গাব্দের ২ আষাঢ় দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ দার্জিলিং এ মৃত্যুবরণ করেন।
- এ মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে কবি সমকালীন পত্রিকায় কবিতা লিখেন। 
- এসকল কবিতা নিয়ে 'চিত্তনামা' কাব্যগ্রন্থ বের করেন।

কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ: 
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- চন্দ্রবিন্দু,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতিনাট্য?
  1. বাল্মীকি প্রতিভা
  2. বিসর্জন
  3. চিত্রাঙ্গদা
  4. রাজা ও রানী
ব্যাখ্যা
বাল্মীকি-প্রতিভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি গীতিনাট্য।

বাল্মীকি-প্রতিভা
- ১৮৮১ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি রবীন্দ্রনাথ রচিত প্রথম নাট্যসাহিত্য। ১৮৮১ সালেই প্রথম মঞ্চায়িত হয় এই নাটক।
- বাল্মীকি-প্রতিভা –র আখ্যানবস্তু কৃত্তিবাসি রামায়ণ থেকে গৃহীত।
- নাটকের আঙ্গিকে ভারতীয় ও পাশ্চাত্য সঙ্গীতের সুর নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে।
- এই নাটকের হাত ধরেই বাংলায় গীতিনাট্য ঐতিহ্যের সূচনা হয়।
- বাল্মীকি-প্রতিভা রচনার অব্যবহিত পরে এর সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে রবীন্দ্রনাথ কালমৃগয়া নামক আর একটি গীতিনাট্য রচনা করেছিলেন।

রবীন্দ্রনাথের রচনাবলী সম্পর্কিত বিশেষ তথ্য:
> প্রথম প্রকাশিত কবিতা: 'হিন্দুমেলার উপহার' (১৮৭৪)
> প্রথম কাব্যগ্রন্থ: 'কবি-কাহিনি' (১৮৭৮)
> প্রথম নাটক: 'বাল্মীকি প্রতিভা' (১৮৮১)
> প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস: 'বৌঠাকুরানীর হাট' (১৮৮৩)
> প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প: 'ভিখারিনী' (১৮৭৪)
> প্রথম প্রবন্ধ: 'বিবিধ প্রসঙ্গ' (১৮৮৩) 
>  শেষ উপন্যাস: 'চার অধ্যায়'
> সর্বশেষ প্রবন্ধগ্রন্থ: 'সভ্যতার সংকট' (১৯৪১)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
'আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি, আমি বাংলার আলপথ দিয়ে _______ বছর চলি'-চরণের শূন্যস্থান কোন শব্দ দিয়ে পূরণ হবে?
  1. সহস্র
  2. হাজার
  3. শত
  4. অযুত
ব্যাখ্যা
• আমি জন্মেছি বাংলায়,
আমি বাংলায় কথা বলি।
আমি বাংলার আলপথ দিয়ে, হাজার বছর চলি।

- আলোচ্য পঙ্‌ক্তিদ্বয় সৈয়দ শামসুল হক রচিত 'আমার পরিচয়' কবিতার অংশ। 
- ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটি  সৈদয় শামসুল হকের ‘কিশোর কবিতা সমগ্র; থেকে সম্পাদিত আকারে চয়ন করা হয়েছে।
- কবিতাটির মাধ্যমে লেখক বাঙালি জাতির বর্তমান অবস্থার পেছনের বর্ণিল ইতিহাসের কথা তুলে ধরেছেন।

সৈয়দ শামসুল হক: 
- তিনি ১৯৩৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- মানুষের জটিল জীবনপ্রবাহ এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল প্রবণতা।
- কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাঁকে 'সব্যসাচী' লেখক বলা হয়।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আদমজি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক ইত্যাদি লাভ করেন।
- তিনি ২০১৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নুরুলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস।
- শীত বিকেল।
- আনন্দের মৃত্যু।
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান।
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে।
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা।
- পরানের গহীন ভিতর।
- বেজান শহরের জন্য কোরাস।
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে।
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
We want to take legal action against the hoodlum. Here is this sentence 'to' is a/an -
  1. Adverb
  2. Infinitive maker
  3. Preposition
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা
• Right Form of Verb: Infinitive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত infinitive এবং
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

সাধারণত [ to + verb এর present form] -কে infinitive বলা হয়।

infinitive এর 'to' কখনো preposition হিসেবে গণ্য হয় না; বরং infinitive maker হিসেবে বিবেচিত। সুতরাং sentence-এ 'to take' হচ্ছে Infinitive এবং 'to' হচ্ছে infinitive maker.
১২.
The expression 'Voir Dire' means-
  1. telling the truth
  2. lying in the court
  3. evidence of the witness
  4. speaking lies
ব্যাখ্যা
Voir dire, this French phrase means “to tell the truth.”

It describes a preliminary examination of a witness or juror sworn to tell the truth. Jury selection is often referred to as “voir dire.” An opposing lawyer may ask to “voir dire” a witness to ask questions about a document or testimony the witness is about to offer.

Source: Merriam-Webster Dictionary.
১৩.
Who is the speaker of this quote? 'No man is above the law and no man is below it.'
  1. Franklin
  2. Dickens
  3. W. Douglas
  4. Roosevelt
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হাউজের নামকরণকারী যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম ছিলেন Theodore Roosevelt.

প্রেসিডেন্ট Theodore Roosevelt -এর এ উক্তিটি সংক্ষেপে প্রশ্নে দেওয়া হয়েছিল, পুরো উক্তিটি হচ্ছে-
'No man is above the law and no man is below it; nor do we ask any man's permission when we ask him to obey it. Obedience to the law is demanded as a right; not asked as a favor.'

ন্যায়বিচার সম্পর্কিত উনার আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
Justice consists not in being neutral between right and wrong, but in finding out the right and upholding it, wherever found, against the wrong.
১৪.
Times have changed and so ______.
  1. I have
  2. I had
  3. had I
  4. have I
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: Times have changed and so have I.

• We use 'so' with 'be' and with modal and auxiliary verbs to mean ‘in the same way’, ‘as well’ or ‘too’.
- Affirmative বাক্যের ক্ষেত্রে agreement এর structure : so+ tense অনুযায়ী auxiliary verb + sub.
- সাধারণত verb এর repittion এড়ানোর জন্য, বিশেষভাবে short responses with pronoun subjects এর ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যবহৃত হয়।
-  When we use so in this way, we invert the verb and subject, and we do not repeat the main verb (so + verb [= v] + subject [= s]):
- For example: Kamal and his brother studied general history last year, and so did their sister.

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী  সঠিক উত্তর হবে - 'have I' ইত্যাদি।
১৫.
Making a good result in the exam needs a lot of hard work. Here 'making' is a ____.
  1. present participle
  2. pronoun
  3. adjective
  4. gerund
ব্যাখ্যা
Making a good result in the exam needs a lot of hard work. Here 'making' is a gerund.

• Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে যদি verb এবং noun এর কাজ করে তাকে gerund বলে। 
প্রদত্ত বাক্যে making শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করছে, অর্থাৎ বাক্যে subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি gerund.

Gerund বাক্যে যেভাবে ব্যবহৃত হয় -
- Gerund subject রূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন : Rising early is a good habit.
- Object রূপে gerund: Stop writing. 
- Verb এর complement রূপে : Seeing is believing.
- Compound Noun এর অংশ রূপে : Put aside your reading materials and sit for the exam.
এখানে reading materials একটি শব্দরূপে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি দুটি শব্দের সমন্বয়ে বলে, একে compound word (এখানে noun)বলে। ‘reading’ gerund টির অংশ। 
- Gerund কখনও Adjective হিসেবে কাজ করতে পারে না। 

Source: A passage to the English Language by S.M Zakir Hussain.
১৬.
A cock crews but a crow ______.
  1. coos
  2. caws
  3. lows
  4. bleats
ব্যাখ্যা
Crew হলাে মােরগের ডাক, ঠিক তেমনি crow (কাক) - এর ডাক হলাে caw (কা - কা ধ্বনি)।

অন্যদিকে,
ঘুঘু বা কবুতরের ডাক coo,
গরুর ডাক হলাে low বা moo,
ভেড়া বা ছাগলের ডাক হলাে bleat.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৭.
The saying 'Enough is enough' is used to mean-
  1. something to stop
  2. something to continue
  3. to stop behaving badly
  4. instructions are clear
ব্যাখ্যা
“Enough is enough” means - Something to stop. 

- English meaning: no more to be tolerated. 
- যখন কোন চলমান ঘটনা বা বিষয় সহ্য ক্ষমতার বাহিরে চলে যায় এবং সেটা বন্ধ করার প্রয়োজন হয় তখন 'enough is enough' হয়। 

Examples:
- We must say enough is enough before the world is at war again.
- Nurses have frequently extended their shifts, but now they are saying enough is enough.
- We have lived with quarries causing pollution and dust for years, but enough is enough.

Source: Accessible Dictionary and Oxford Learners Dictionary.
১৮.
Identify the correct passive form of 'fortune favours The brave.'
  1. The brave is favoured by fortune.
  2. The brave was favoured by fortune.
  3. The brave were favoured by fortune.
  4. The brave are favoured by fortune.
ব্যাখ্যা
• 'Fortune favours the brave' বাক্যটি present indefinite tense এ আছে।
- তাই এর passive voice এ auxiliary verb হিসাবে am/is/are বসবে।
- যেহেতু The brave ( সাহসীরা) দ্বারা plural noun নির্দেশ করে, তাই এরপর auxiliary verb হিসাবে are বসবে।

সুতরাং নিয়মানুযায়ী প্রশ্নোক্ত বাক্যটির সঠিক passive voice form হচ্ছে - The brave are favoured by fortune.
১৯.
Wordsworth's 'I Wandered Lonely as a Cloud' is about-
  1. Roses
  2. Cherries
  3. Maples
  4. Daffodils
ব্যাখ্যা
In Wordsworth's poem, 'I Wandered Lonely as a Cloud' is about daffodils.

I Wandered Lonely as a Cloud/ Daffodils:
- এটি Wordsworth এর একটি রোমান্টিক কবিতা, যা কল্পনা, মানবতা এবং প্রাকৃতিক বিশ্ব সম্পর্কে মূল ধারণাগুলিকে একত্রিত করে।
- প্রকাশিত হয় 1807 সালে।
- এই কবিতায় কবি একটি lake এর কাছে একটি daffodils ফুল বাগান দেখতে পায়, যার স্মৃতি তাকে পরিতৃপ্ত করে ও আনন্দ দেয় যখন তিনি একা থাকেন। 
- কবিতায় Wordsworth, Daffodils কে The Stars of the Milky way এর সাথে তুলনা করেছেন।

----------------------------------
William Wordsworth:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন April 7, 1770, Cockermouth, Cumberland, England.
- তাকে 'Poet of Nature' বলা হয়।
- তাকে  Lake poet বলা হয়, কারণ তিনি North England এর Lake District এ জন্মগ্রহণ করেন।
- Wordsworth was born in the Lake District of northern England, that's why he is called Lake Poet.

Some notable works:
- Lines Composed a Few Miles Above Tintern Abbey
- Lyrical Ballads
- Michael
- Ode: Intimations of Immortality
- Peter Bell
- The Excursion
- The Prelude
- The Recluse
- The Ruined Cottage 
-The Solitary Reaper

Source: Encyclopedia Britannica, The British Library.
২০.
Who wrote this famous line, 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought'?
  1. P.B. Shelley
  2. Shakespeare
  3. John Keats
  4. Robert Frost
ব্যাখ্যা
"Our sweetest songs are those that tell of saddest thoughts" এই লাইনটি P.B Shelley রচিত To a Skylark থেকে নেওয়া।

To a Skylark:
- এটি একটি lyric poem.
- Skylark চড়ুই এর মতো দেখতে একটি পাখি।
- কবি একে চাঁদ এর আলোর সাথে তুলনা করেন।
- কবির মনে এটি joyous spirit of the divine এর প্রতিক।
- তিনি skylark হবার ইচ্ছা পোষণ করেন।
- এর গান থেকে তিনি আত্মার প্রেরণা খুঁজে পান। তিনি মনে করে এর গান স্বর্গীয়।

Some of his famous quotations are:
- 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought' (Ode To A Skylark).
- 'If Winter comes, can spring be far behind?' (Ode to the West Wind).
- 'The more we study, the more we discover our ignorance' (Queen Mab).
২১.
কোনো বাগানে ১৮০০টি চারাগাছ বর্গাকারে লাগাতে গিয়ে ৩৬টি চারা বেশি হলো। বর্গাকারে সাজানোর পরে প্রতিটি সারিতে চারার সংখ্যা কত?
  1. ৪৪
  2. ৪০
  3. ৪২
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো বাগানে ১৮০০টি চারাগাছ বর্গাকারে লাগাতে গিয়ে ৩৬টি চারা বেশি হলো। বর্গাকারে সাজানোর পরে প্রতিটি সারিতে চারার সংখ্যা কত?

সমাধান: 
১৮০০টি চারাগাছ বর্গাকারে লাগাতে গিয়ে ৩৬টি গাছ বেশি থাকে 
প্রতি সারির চারা গাছ হবে = (১৮০০ - ৩৬)টি বা  ১৭৬৪ এর বর্গমূল 

১৭৬৪ এর বর্গমূল = √১৭৬৪ = ৪২ 
প্ৰত্যেক সারিতে চারা গাছের সংখ্যা হবে = ৪২টি 
২২.
রিমি ও সিমি একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে ৬ দিন করার পর সিমি চলে গেলে কাজটির কত অংশ বাকি থাকবে?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রিমি ও সিমি একত্রে একটি কাজ ৮ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে ৬ দিন করার পর সিমি চলে গেলে কাজটির কত অংশ বাকি থাকবে?

সমাধান:
রিমি ও সিমি ৮ দিনে করতে পারে কাজটির = ১ অংশ
রিমি ও সিমি ১ দিনে করতে পারে কাজটির = ১/৮ অংশ
রিমি ও সিমি ৬ দিনে করতে পারে কাজটির = ১× ৬/৮ অংশ
= ৩/৪ অংশ

কাজ বাকি থাকে = (১ - ৩/৪) অংশ
= (৪ - ৩)/৪ অংশ
= ১/৪ অংশ
২৩.
যদি ABCD সামন্তরিকটির ∠BAD = 60° ও ∠AOB = 90° হয়, তবে সামন্তরিকটিকে কী বলা যাবে?
  1. আয়ত
  2. বর্গ
  3. রম্বস
  4. ট্রাপিজিয়াম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ABCD সামন্তরিকটির ∠BAD = 60° ও ∠AOB = 90° হয়, তবে সামন্তরিকটিকে কী বলা যাবে?

সমাধান:
ABCD সামন্তরিকটির ∠BAD = 60° ও ∠AOB = 90°
- রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
- সামন্তরিকটিকে রম্বস বলা যায়।

২৪.
একজন চাকুরিজীবীর বেতন ১৫% বৃদ্ধি পেয়ে ৫,৭৫০ টাকা হলে পূর্বের বেতন কত ছিল?
  1. ৪,৭৫০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ৫,২৫০ টাকা
  4. ৫,৫৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন চাকুরিজীবীর বেতন ১৫% বৃদ্ধি পেয়ে ৫৭৫০ টাকা হলে পূর্বের বেতন কত টাকা ছিল?

সমাধান:
১৫% বৃদ্ধিতে,
বর্তমান বেতন = (১০০+১৫)টাকা
= ১১৫ টাকা

বর্তমান বেতন ১১৫ টাকা হলে পূর্বের বেতন ১০০ টাকা
বর্তমান বেতন ১ টাকা হলে পূর্বের বেতন = ১০০/১১৫ টাকা
বর্তমান বেতন ৫৭৫০ হলে পূর্বের বেতন =(১০০ × ৫৭৫০)/১১৫ টাকা
= ৫০০০ টাকা
২৫.
(x2 - x - 30) / (x2 - 36) এর লঘিষ্ট রূপ কোনটি?
  1. (x + 5)/(x + 6)
  2. (x + 5)/(x - 6)
  3. (x - 5)/(x + 6)
  4. (x - 5)/(x - 6)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x2 - x - 30)/(x2 - 36) এর লঘিষ্ট রূপ কোনটি?

সমাধান:
(x2 - x - 30)/(x2 - 36)
= (x2 - 6x + 5x - 30)/{x2 - 62)}
= {x(x - 6) + 5(x - 6)}/(x + 6)(x - 6)
= (x - 6)(x + 5)/(x + 6)(x - 6)
= (x + 5)/(x + 6)
২৬.
কোনটি মিডিয়া?
  1. রাউটার
  2. অপটিক্যাল ফাইবার
  3. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  4. প্রটোকল
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম (Media): 

- প্রেরণ প্রাপ্ত এবং দূরবর্তী গ্রহণ প্রান্তের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ স্থাপন।
- এই সংযোগকে সাধারণত চ্যানেল (Channel) বলা হয়।
- ডেটা বিনিময় করার জন্য চ্যানেলের সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে যাকে ব্যান্ডউইডথ্ বা বিট রেট বা ডেটা পার সেকেন্ড বলা হয়।
- এই চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকার মাধ্যম (Medium) ব্যবহার করা হয়।
- ডেটা চলাচলের এই মাধ্যমগুলোকেই কমিউনিকেশন মাধ্যম বলা হয় । একে ট্রান্সমিশন মিডিয়াও বলা হয়।

- ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম দুই ধরনের দেখা যায় । যথা-
১। গাইডেড (Guided) মিডিয়া বা তার মাধ্যম (Wired): সাধারণ টেলিফোন ক্যাবল বা তার, ফাইবার অপটিক লাইন ক্যাবল ইত্যাদি মাধ্যম।
২। আনগাইডেড (Unguided) মিডিয়া বা তারবিহীন বা বেতার মাধ্যম: বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ভূ-উপগ্রহ ব্যবস্থা, ইনফ্রারেড ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭.
কম্পিউটারের ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারণত যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে বলে-
  1. অক্টাল
  2. ডেসিমেল
  3. বাইনারী
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারণত যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারী বলা হয়। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
একই উচ্চতা থেকে এক টুকরা পাথর ও একটি কাগজের টুকরাকে বিনা বাধায় পড়তে দিলে-
  1. পাথরের টুকরাটি আগে মাটিতে পড়বে
  2. কাগজের টুকরাটি আগে মাটিতে পড়বে
  3. এরা একই সময়ে মাটিতে পড়বে
  4. উভয়টি শূন্যে ঝুলন্ত থাকবে
ব্যাখ্যা
একই উচ্চতা থেকে এক টুকরা পাথর ও একটি কাগজের টুকরাকে বিনা বাধায় পড়তে দিলে এরা একই সময়ে মাটিতে পড়বে।
 
• পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

প্রথম সূত্র : স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত সব বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে।

প্রথম সূত্র : এ সূত্রানুসারে স্থির অবস্থান থেকে কোনো বস্তু ছেড়ে দিলে তা যদি বিনা বাধায় মাটিতে পড়ে, তাহলে মাটিতে পড়তে যে সময় লাগে তা বস্তুর ভর, আকৃতি বা আয়তনের ওপর নির্ভর করে না। বিভিন্ন ভরের, আকারের ও আয়তনের বস্তুকে যদি একই উচ্চতা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এগুলো যদি বিনা বাধায় মুক্তভাবে পড়তে থাকে, তাহলে সবগুলোই একই সময়ে মাটিতে পৌঁছবে।

এই সূত্রানুসারে, একই উচ্চতা থেকে এক টুকরা পাথর ও একটি কাগজের টুকরাকে বিনা বাধায় পড়তে দিলে এরা একই সময়ে মাটিতে পড়বে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সঞ্চিত জলরাশিতে কোন শক্তি জমা হয়?
  1. স্থিতি শক্তি
  2. গতি শক্তি
  3. ঘর্ষণ শক্তি
  4. যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা
জলবিদ্যুৎ

- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় জলরাশিতে জমা হয় স্থিতিশক্তি, কিন্তু যে শক্তি কাজে লাগানাে হয় তা হলাে গতিশক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
নিচের কোনটিকে কিডনির কার্যকরী একক বলা হয়?
  1. প্রোমারোলাস
  2. মাইনর কেলিস
  3. নেফ্রন
  4. মেজর কেলিস
ব্যাখ্যা
মানুষের বৃক্ক:

- কিডনি বা বৃক্কের গাঠনিক বা কার্যকরী এককে নেফ্রন বলে।
- মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।
- বৃক্ক মানুষের দেহে এবং রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তে লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার,প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থূলত্ব ৩ সেন্টিমিটার।
- পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।

তথ্যসূত্র: জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
৩১.
এসডিজি-৪ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. নারীর সম অধিকার
  2. মানবাধিকার
  3. মানসম্মত শিক্ষা
  4. জলবায়ু
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
- SDG-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:

১/ দারিদ্র্য নির্মূল;
২/ ক্ষুধামুক্তি;
৩/ সুস্বাস্থ্য;
৪/ মানসম্মত শিক্ষা;
৫/ লিঙ্গ সমতা;
৬/ বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন;

৭/ সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
৮/ উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯/ শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০/ বৈষম্য হ্রাস;
১১/ টেকসই শহর ও জনগণ;
১২/ পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;

১৩/ জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ;
১৪/ সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান;
১৫/ স্থলভাগের জীবন;
১৬/ শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
১৭/ অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: SDG ওয়েবসাইট।
৩২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কারাগার জীবনে লেখা দিনপঞ্জির নাম দিয়েছিলেন-
  1. কারাগারের রোজনামচা
  2. থালা বাটি কম্বল জেলখানার সম্বল
  3. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  4. কারাগারের রাতদিন
ব্যাখ্যা
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কারাগার জীবনে লেখা দিনপঞ্জির নাম দিয়েছিলেন থালা বাটি কম্বল জেলখানার সম্বল।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা কারাগারের রোজনামচা নামকরণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে ।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন ।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: কারাগারের রোচনামচা এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৩.
নিচের কোনটি এলডিসি হতে উত্তরণের যোগ্যতা নয়?
  1. মাথাপিছু জাতীয় আয়
  2. অর্থনৈতিক দুর্বলতা সূচক
  3. রপ্তানি আয় সূচক
  4. মানব সম্পদ সূচক
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries):

- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- এলডিসি থেকে কোন কোন দেশ বের হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ করে থাকে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি সিডিপি।
- প্রতি তিন বছর পরপর এলডিসিগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়।
- মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ, জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা— এই তিন সূচক দিয়ে একটি দেশ উন্নয়নশীল দেশ হতে পারবে কি না, সেই যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়।
- যেকোনো দুটি সূচকে যোগ্যতা অর্জন করতে হয় কিংবা মাথাপিছু আয় নির্দিষ্ট সীমার দ্বিগুণ করতে হয়।
- এলডিসি হতে উত্তরণের জন্য অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচকে ৩২ পয়েন্ট বা এর নিচে থাকতে হবে, মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ বা এর বেশি পয়েন্ট পেতে হবে এবং মাথাপিছু আয় সূচকে ১ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৪.
'Ping Pong Diplomacy' কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জাপান
  2. কোরিয়া
  3. আমেরিকা
  4. চীন
ব্যাখ্যা
Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।
- ১৯৭১ সালে ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয় জাপানের নাগোয়াতে।
- সেখানে যোগ দেওয়া মার্কিন টেবিল টেনিস দলকে আমন্ত্রণ জানায় চীন।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- এর জেরেই  ১৯৭২ সালের জুলাইয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন চীন সফরে আসেন।
- এরপরই সিনো-মার্কিন বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- এই ঘটনা পরবর্তীতে ‘ পিংপং কূটনীতি’ হিসেবে খ্যাত হয়।
- পিংপং কূটনীতি চীনের সকল জনগণকে উজ্জীবিত করেছিল।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কোন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

উল্লেখ্য,
- মূলত পিং পং খেলাটি চীনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটি চীনের সাথেই অধিকতর সম্পর্কিত।

উৎস: Britannica.
৩৫.
'Bangladesh Road' কোন শহরের একটি সড়কের নাম?
  1. Danane Town
  2. Fish Town
  3. Dalaba
  4. Free Town
ব্যাখ্যা
Bangladesh Road:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্ট।
- আইভরি কোস্টের পশ্চিমের লাইবেরিয়া ও গিনির সীমান্তবর্তী শহর Danane town। 
- শহরটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৭ সালে সেখানকার একটি রাস্তার নামকরণ করে 'Bangladesh Road'।

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০০৭, দ্য ডেইলি স্টার। 
৩৬.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন নারীকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:

- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।
৩৭.
২১তম বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে কয়টি মুসলিম দেশ অংশ নিচ্ছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৮
- ২০১৮ সালের জুন-জুলাই রাশিয়ায় বসের ২১তম আসর।
- ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপে অনুষ্ঠিত হয় ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ। 
- ৩২টি দল এতে পেয়েছে অংশগ্রহণ করে। 
যার মধ্যে মুসলিম দেশ সাতটি ছিল।
- দেশসমূহ হলো মরক্কো, সৌদি আরব, মিশর, আলজেরিয়া, সেনেগাল, নাইজেরিয়া, ইরান।

তথ্যসূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট।
৩৮.
কোন দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাপুয়া নিউ গিনি
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে বেশি ভাষা যে দেশটিতে রয়েছে তার নাম পাপুয়া নিউগিনি।
- এদেশে মোট ভাষার সংখ্যা ৮৩৯ টি।

এছাড়াও-
• পাপুয়া নিউ গিনি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র। 
• দেশটি অবস্থিত ওশেনিয়া মহাদেশে।
• দেশটি ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।

উৎস: Britannica.
৩৯.
'Newmania nobiprobia' বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. মো. বেলাল হোসেন কর্তৃক অতি সম্প্রতি আবিষ্কৃত-
  1. একটি পানিবাহিত রোগ
  2. পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম জীবাশ্ম
  3. অতি ক্ষুদ্র সপূষ্পক উদ্ভিদ
  4. একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী
ব্যাখ্যা
'Newmania nobiprobia' বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. মো. বেলাল হোসেন কর্তৃক আবিষ্কৃত একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী।

• ড. বেলাল হোসেন বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী এবং গবেষক।
- তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
- তিনি একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি পলিকীটের সম্পূর্ণ নতুন প্রাণির সন্ধান দিতে পেরেছেন।
- তার আবিষ্কারের মধ্যে Neumania nobiprobia (নিউমেনিয়া নোবিপ্রবিয়া) একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী।
- Neumania nobiprobia (নিউমেনিয়া নোবিপ্রবিয়া)- এর নামকরণ করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ নোবিপ্রবি-এর সঙ্গে মিল রেখে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৪০.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে প্রথম শহীদ হয়েছিলেন-
  1. ফকির মজনু শাহ
  2. মঙ্গল পাণ্ডে
  3. সৈয়দ নিসার আলী
  4. নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

তিতুমীরের বিদ্রোহ:
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত তিতুমীর ও ও তাঁর অনুসারীরা সশস্ত্র প্রতিরোধের পথ অবলম্বন করেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর 'বাঁশের কেল্লা'।
- ইংরেজ জমিদার, নীলকরদের দ্বারা নির্যাতিত কৃষকরা দলে দলে তিতুমীরের বাহিনীতে যোগ দিলে ধর্ম সংস্কার আন্দোলন একটি ব্যাপক কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়।
- কোম্পানি ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে বিশাল সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।
- ইংরেজদের কামান বন্দুকের সামনে বীরের মতো লড়াই করে পরাজিত হয় তিতুমীরের বাহিনী।
- তিনি যুদ্ধে শহীদ হন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির-
  1. মতৈক্য ও সমঝোতা
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. ভাষা ও সংস্কৃতি
  4. ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠান
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ

ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.
৪২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়,

“সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।”

অর্থাৎ ৪র্থ ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ যথাযথ কার্যবিধি অনুযায়ী সংশোধন করতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৩.
In Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh 41 DLR (AD) the Supreme Court established the -
  1. doctrine of basic structure of the Constitution
  2. separation of Judiciary
  3. illegality of Martial Law
  4. secularism in the Constitution
ব্যাখ্যা
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh Case:

Anwar Hossain Chowdhury মামলার রায় ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

৮ম সংশোধনী মামলা:

মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।
Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
৪৪.
Writ of Quo warranto এর উল্লেখ রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১০২(খ) (আ)
  2. ১০২(খ) (অ)
  3. ১০২(ক) (আ)
  4. ১০২(ক) (অ)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ) অনুচ্ছেদে  Writ of Quo warranto এর বিধান রয়েছে।

• রীট হলো এক ধরনের আইনি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার লঙ্ঘিত হলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার লঙ্ঘিত অধিকার  বাস্তবায়নের জন্য আদালতের নিকট প্রতিকার  চাইতে পারে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রতিকার চাওয়া হয় তাকেই বলা হয় Writ (রীট)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ নাম্বার আর্টিকেল অনুযায়ী মোট পাঁচ ধরনের  Writ (রীট) সম্পর্কে  জানা যায়। সেগুলো হল-

ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari),
ঘ. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
ঙ. কারণ দর্শাও রীট ( Writ of Quo warranto)।

দুই ধরনের  ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মূলত Writ (রীট) করতে পারে।

প্রথমত, কোন  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যার অধিকার  ভঙ্গ হয়েছে। তিন ধরনের  Writ (রীট) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি করতে পারে সেগুলো হল-
ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari)।

দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রের যে কোন নাগরিক। দুই ধরনের Writ (রীট) রাষ্ট্রের যেকোনো নাগরিক করতে পারে। সেগুলো হল-
ক. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
খ. কারণ দর্শাও রীট (Writ of Quo warranto)।

নিষেধাজ্ঞামূলক রীট-
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(ক)(অ) অনুচ্ছেদের প্রথমাংশে Writ of prohibition এর কথা উল্লেখ আছে।  বলা হয়েছে ‘ যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদন ক্রমে প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়ায়াবলীর সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত  নয়,  এমন কোন কার্য করা হতে বিরত রাখার নির্দেশ প্রদান করিবেন।
অর্থাৎ, অধঃস্তন আদালত,  প্রতিষ্ঠান, কোন কর্তৃপক্ষ,  ব্যক্তি যদি তার উপর অর্পিত  দায়িত্বের বাহিরে কোন কাজ করতে চায় তাহলে তার বিরুদ্ধে যে রীট করা যাবে সেটাই হলো নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition)।

হুকুমজারী রীট-
হুকুমজারি রীট সম্পর্কে  বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(ক)(অ) অনুচ্ছেদের শেষাংশে বলা হয়েছে। উক্ত অনুচ্ছেদে  বলা হয়েছে যে- কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদন ক্রমে প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়ায়াবলীর সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা তাঁর করণীয় কার্য করিতে নির্দেশ প্রদান করিবেন। অর্থাৎ অধঃস্তন আদালত, প্রতিষ্ঠান, কোন কর্তৃপক্ষ, ব্যক্তি যদি তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানায় বা করতে না চায় অথবা করতে কালক্ষেপণ করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে রীট করা যাবে তাই হলো হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus)।

উৎপ্রেষণ রীট-
কোন অধঃস্তন আদালত, কোন কর্তৃপক্ষ, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান  যদি এমন কোন কাজ করে যা তার উপর অর্পিত নয় অর্থাৎ আইনগত ক্ষমতাকে লঙ্ঘন করে কোন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে যে রীট করা যায়, তাই হল উৎপ্রেষণমূলক রীট( Writ of Certiorari)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(ক)(আ) অনুচ্ছেদে এই রীটের বিধান রয়েছে। 

বন্দী প্রদর্শন রীট-
বন্দী প্রদর্শন কথাটির অর্থ হল কোন ব্যক্তিকে স্বশরীরে আদালতে  হাজির করা। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(খ)(অ) অনুচ্ছেদে এই রীটের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে সরকার বা অন্য কোন ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান আটক করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পক্ষে যে কেউ এই রীট করতে পারেন। এই রীটের মাধ্যমে আদালত আটককারীকে আটককৃত ব্যক্তিকে আদলতে প্রদর্শনের নির্দেশ  দেয়।

কারণ দর্শাও রীট-
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন সরকারি পদ দাবী করেন অথবা অবৈধ ভাবে এমন কোন পদ দখল করে থাকেন, যেখানে থাকার তাঁর কোন যোগ্যতা নেই তখন যেই রীট করা যায় তাকে বলা হয় কারণ দর্শাও রীট (Writ of Quo warranto)। সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ) অনুচ্ছেদে  এই রীটের  বিধান রয়েছে।
৪৫.
সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১৫
  2. ১৬
  3. ১৭
  4. ১৮ক
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। ১৭ অনুচ্ছেদের (ক) উপ- অনুচ্ছেদে আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট স্তর উল্লেখ করা হয়নি বরং বিষয়টি আইন দ্বারা নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০১০-এ বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সার্বজনীন, বাধ্যতামূলক, অবৈতনিক এবং সকলের জন্য একই মানের। সুতরাং, রাষ্ট্র নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা সার্বজনীন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক হিসাবে ঘোষণা করেছে। এছাড়া রাষ্ট্র নিরক্ষরতা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অনুচ্ছেদ: ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education

The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.
৪৬.
Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh 26 DLR (SC) (Berubari Case) is also known as the-
  1. Second Amendment Case
  2. Third Amendment Case
  3. Fourth Amendment Case
  4. Fifth Amendment Case
ব্যাখ্যা
• মামলার পূর্ণ নাম: Kazi Mukhlesur Rahman vs Bangladesh and another, 1974, 26 DLR (SC) (1974) 44;
অন্য নাম: 'বেরুবাড়ী মামলা', 'Third Amendment Case'.

রায় ঘোষণা: ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪; আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন।
রায় কার্যকর: ২৮ নভেম্বর, ১৯৭৪

Author Judge: ASM Sayem CJ.

মামলার বিচারক: এ মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি ছিলেন:
০১. ASM Sayeem CJ.
০২. Abdullah Jabir J.
০৩. AB Mahmud Hussain J.
0৪. Ahsanuddin Chowdhury J.

প্রেক্ষাপট:
১৬ মে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা চুক্তি/ছিটমহল বিনিময় চুক্তি দিল্লীতে স্বাক্ষরিত হলে বেরুবাড়ী ইউনিয়ন ভারতের মানচিত্রভুক্ত হয়; যা তৎকালীন সংবিধান-বহির্ভূত। ফলে বেরুবাড়ী ইউনিয়নবাসীর পক্ষে HCD-এ জনস্বার্থে আইনজীবী মোখলেছুর রহমান রিট করেন। ফলে HCD সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বলবৎ করার আদেশ দিলে ৩য় সংশোধনী পাশ করে আর্টিকেল ২ সংশোধন করা হয় এবং চুক্তি কার্যকর করা হয়।

মামলাটির সাথে একাধিক নাম জড়িত বিধায় বেরুবাড়ী মামলা, ৩য় সংশোধনী মামলা ইত্যাদি একাধিক নামে পরিচিত।
৪৭.
The Evidence Act, 1872 প্রণয়ন করেন-
  1. James Spenser
  2. James Sturat
  3. James Stephen
  4. James Steven
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন জেমস স্টিফেন কর্তৃক ১৮৭২ সালে প্রণীত হয়।

• সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:

আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।

খন্ড : ৩টি
১ম খন্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খন্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খন্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল। 
৪৮.
The Evidence Act,1872 এর ৭৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নের কোন দলিলটি Public Document নয়?
  1. সার্টিফাইড কপি অব রেজিস্টার্ড পাওয়ার অব এটর্নি
  2. তদন্তকালে পুলিশের দিনপঞ্জী
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানা
  4. কমনওয়েলথ সচিবালয়ের দাপ্তরিক পত্র
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

ধারা ৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)-
সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।

অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- এর ৭৪ ধারা অনুসারে,
১. যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের,
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোনো অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় কোনো অফিসারের কার্য,

২. সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল (আদালতের আরজি ও লিখিত জবাব, রায়, রেজিস্ট্রিকৃত দলিল) ইত্যাদি Public Document।

অর্থাৎ (খ) অপশনে প্রদত্ত তদন্তকালে পুলিশের দিনপঞ্জি Public Document নয়।
৪৯.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কারো নিকট মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়া যায় না
  2. পুলিশের কাছে মৃত্যুকালীন ঘোষণা দিলে তা গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা কেবল ডাক্তার এর সামনে দেওয়া যাবে
  4. মৃত্যুকালীন ঘোষণা যে কোনো ব্যক্তির সামনে দেওয়া যাবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৫০.
কোনো আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রবর্তিত হলে, ঐ আইন পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের অধীনে যথাযথভাবে কৃত বা ব্যাহত কোনো কার্যক্রম-
  1. সরাসরি বাতিল করবে
  2. অসাঞ্জস্যপূর্ণ হলে বাতিল করবে
  3. প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
  4. এর কোনোটি প্রযোজ্য হবে না
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

Section 6: Effect of repeal

Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
৫১.
পারিবারিক আদালত কর্তৃক মোহরানা বাবদ প্রদত্ত ৫,০০০/- টাকার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
  4. আপীল চলে না
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ আইন অনুযায়ী, দেনমোহরের ক্ষেত্রে ৫০০০ টাকার কম টাকার ডিক্রী হলে আপীল করা যেতো না। তবে বর্তমানে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ রহিত করে, পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এই আইনে টাকার পরিমাণ ৫০ হাজার করা হয়।

যা কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে-

⇒ নতুন আইন অনুযায়ী- সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১(এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হবে। ১৯৮৫ সালের আইনে শুধু সহকারী জজ এর কথা উল্লেখ ছিলো।

⇒ ১৯৮৫ সালের আইন অনুযায়ী আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ ছিলো না। নতুন আইনের ৯ ধারায় এই সুযোগ রাখা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ সংক্রান্ত বিধান অর্থাৎ ১৩ ধারা অনেকটা স্পষ্ট করা হয়েছে। এফিডেভিটের মাধ্যমে জবানবন্দী গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

⇒ ৫০ হাজার বা তার কম টাকার ডিক্রী হলে আপীল করা যাবে না।

⇒ নতুন আইনে সকল প্রকার পারিবারিক মামলার কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা, পূর্বে যা ৫০ টাকা ছিল।
৫২.
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এ বর্ণিত আদালত বলতে বুঝায়-
  1. সহকারী জজ
  2. পারিবারিক আদালত
  3. জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০

ধারা ২১- বিচার

(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন দাখিলকৃত আবেদন বা অপরাধের বিচার বা কার্যধারার নিষ্পত্তি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে। 
 
(২) ক্ষতিপূরণ আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কোন নির্দিষ্ট সীমা থাকিবে না।
৫৩.
মুসলিম আইনে 'মুশাহ' অর্থ-
  1. দান
  2. অগ্রক্রয়
  3. অবিভক্ত অংশ
  4. বিক্রয়
ব্যাখ্যা
মুশাহর ( Musha) অর্থ হলো কোনো সম্পত্তিতে অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ।

কোন একটা সম্পত্তির কোন অংশ যদি হেবা করা হয় সেটা যদি বিভক্ত করার যোগ্য হয়, তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সেটা বিভক্ত করা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত দান বৈধ হবে না। তবে ইসলামে অবিভাজ্য প্রকৃতির সম্পত্তি দান করা সম্পূর্ণ বৈধ। The gift of indivisible thing is absolutely valid in Muslim law. মুসলিম ল তে মুশাহ্ অবিভাজ্য প্রকৃতির সম্পত্তিকে নির্দেশ করে।
৫৪.
একজন মুসলিম তার স্ত্রীকে একখণ্ড জমি দান করেন এবং দখল বুঝিয়ে দেন। এমতাবস্থায় দানটি-
  1. প্রত্যাহারযোগ্য
  2. মৌখিক হলে প্রত্যাহার করতে পারেন
  3. প্রত্যাহারযোগ্য নয়
  4. রেজিস্ট্রেশন করলে প্রত্যাহার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়।

দান বৈধ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হয় –
> দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
> গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
> দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

দান বাতিল-
একবার দান করার পর এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করার পর আদালতের ডিক্রি ছাড়া বাতিল করা যাবে না। দখল প্রদানের পর দান রদ করা যেতে পারে তবে দখল অর্পণের পর তা প্রত্যাহার করা যায় না। যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দান, দানগ্রহীতা যদি মারা যায়, যখন দাতা কিছুর বিনিময়ে গ্রহণ করবে, সম্পত্তি যখন ধ্বংস হয়ে যাবে প্রভৃতি।
৫৫.
পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ____ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
ব্যাখ্যা

• পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।

• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

ধারা ১৭- ডিক্রি বলবৎকরণ


(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।

(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা:

(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা

(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।

(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।

(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।

(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।

(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।

৫৬.
একজন হিন্দু ০১ পুত্র, ০১ কন্যা, ০১ মৃত পুত্রের পুত্র এবং ০১ মৃত কন্যার পুত্র রেখে মারা যান। পুত্রের অংশ-
  1. ১/৩
  2. ১/২
  3. ১/৪
ব্যাখ্যা
এখানে, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী পুত্র ও মৃত পুত্রের পুত্র সমপরিমাণ সম্পত্তি পাবে। অর্থাৎ, ১/২ অংশ করে পাবে। কারণ, তারা সপিণ্ডের তালিকায় যথাক্রমে ১ ও ২ নং অবস্থানে রয়েছে।

হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৫৭.
একজন হানাফি মুসলিম পিতা-মাতাকে রেখে মারা যান। তার তাজ্য সম্পত্তিতে পিতার অংশ-
  1. ১/৪
  2. ১/২
  3. ২/৩
  4. ৩/৪
ব্যাখ্যা
• মুসলিম উত্তরাধিকার আইন-

মোট সম্পত্তি = ১

মাতার অংশ = ১/৩ [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), একাধিক ভাই-বোন অনুপস্থিত]।
পিতা =  অবশিষ্টাংশভোগী [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক) এরূপ কেউ নেই]।

অবশিষ্টাংশ = (১ - ১/৩) = ২/৩ অংশ।

∴ পিতার অংশ = ২/৩ অংশ। (উত্তর)
৫৮.
'ক' এর পুত্র 'খ' ১৯৬০ সনে মারা যান। ১৯৬২ সনে 'ক' ১ পুত্র এবং মৃত পুত্রের ১ পুত্র রেখে মারা যান। The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুযায়ী মৃত পুত্র 'খ' এর পুত্রের অংশ হবে-
  1. ১/৩ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১৯৬১ সনের অধ্যাদেশ জারীর আগে 'খ' এর মৃত্যু হওয়ায় তার পুত্র সম্পত্তি পাবে না।
ব্যাখ্যা
Doctrine of Representation: MFLO, 1961 এর 4 ধারা মোতাবেক:

উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পূর্বে যাহার সম্পত্তি বণ্টিত হবে তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তার পুত্র বা কন্যার মৃত্যু ঘটে এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সময় ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান যদি কেউ থাকে, তবে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, তার সমান অংশ ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা অংশ অনুপাতে [per-stripes] পাবে। এ নিয়মকেই 'Doctrine of Representation' বলা হয়।

এখানে, Section 4 অনুযায়ী 'খ' বেঁচে থাকলে যে অংশ পেত, 'খ' এর পুত্র তা পাবে। সুতরাং, মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ 'ক' এর জীবিত পুত্র এবং বাকি ১/২ অংশ 'খ' - এর পুত্র পাবে।

উল্লেখ্য:
যেহেতু MFLO, 1961 আইনটি ১৯৬১ সালের ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, সেহেতু, 'ক' ১৯৬২ সালে মৃত্যুবরণ করার পরই উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে। 'খ'-এর ১৯৬০ সালে মৃত্যুবরণ করা এখানে বিবেচ্য নয়।
৫৯.
দেনমোহরের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. তিন বৎসর
  2. ছয় বৎসর
  3. এক বৎসর
  4. কোনো তামাদি মেয়াদ নেই
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ এবং ১০৪ অনুযায়ী মুসলিম আইনের অধীন দেনমোহর আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির ৩ বৎসর যা তামাদি আইনের ১০৪ অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬০.
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ এর অধীনে বিচারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত আদালত-
  1. পারিবারিক আদালত
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  3. জেলা জজ আদালত
  4. প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩

ধারা ৭- অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ ও বিচার


(১) Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য হইবে। 
 
(২) কোন আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্তানের পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত আমলে গ্রহণ করিবে না।
৬১.
অভিযোগ বিষয়ে শুনানিকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত বিতর্কিত দলিলাদি বিবেচনা করা যাবে কিনা?
  1. হ্যাঁ
  2. এটি আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
  3. না
  4. মূল দলিল দাখিল সাপেক্ষে বিবেচনা করা যাবে
ব্যাখ্যা
ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিল গ্রহণযোগ্য নয়। শুধুমাত্র মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে,
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
৬২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত আসামীকে অব্যাহতি (discharge) দিতে পারেন?
  1. 241A
  2. 245
  3. 265C
  4. 265H
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।
আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে,অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৬৩.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী দণ্ড কত প্রকার?
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty),

(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life),

(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple),

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Forfeiture of property),

(v) অর্থদণ্ড (Fine)।
৬৪.
The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় কয়টি ব্যতিক্রম আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -

১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়,
২. অপরাধী সরল মনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়,
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে,
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে,
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।

অর্থাৎ ৩০০ ধারার দ্বিতীয় অংশে ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেক্ষেত্রে নিষ্পনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না অর্থাৎ শুধুমাত্র নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
৬৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর বিধানমতে বেআইনি বা হয়রানিমূলক তল্লাশীর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ রহিত করে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী করাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ প্রণীত হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৩৯ অনুসারে,

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৬৬.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮(১) ধারা মতে চেক ডিসঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. অথদণ্ডের অর্ধেক টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে। সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
৬৭.
আইন-শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারা অনুযায়ী ক্যামেরা গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা উক্ত আইনের অধীনে অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ১৪ ধারা
  4. ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য

কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
৬৮.
'গ' রাজপথে 'চ' কে পেয়ে পিস্তল দেখিয়ে 'চ' এর নিকট অর্থ দাবি করায় 'চ' তার নিকট থাকা অর্থ 'গ' এর নিকট সমর্পণ করে। এখানে 'গ' কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ-
  1. Theft
  2. Extortion
  3. Robbery
  4. Dacoity
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃতভাবে তাহার বা অন্য কারও ক্ষতির ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত বা সাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হয় তাহা হস্তান্তরে বাধ্য করে, সেই ব্যক্তি বলপূর্বক গ্রহণ বা আদায় (Exortion) করে। এখানে 'গ' বলপূর্বক গ্রহণ (Exortion) করে। কারণ সে 'চ' কে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে অর্থ সমর্পণে বাধ্য করেছে।

সাধারণ ভাষায় বলা যায়, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে সম্পত্তি গ্রহণ করাকে জোরপূর্বক গ্রহণ (Extortion) বলা হয়।

বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি :
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 161 অনুযায়ী সাক্ষীদের পরীক্ষা (Examine) করতে পারেন-
  1. অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকলেই
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬০ ধারা অনুযায়ী সাক্ষীকে তলব করে, ১৬১ ধারা অনুযায়ী পুলিশ [অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা] অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৭০.
Complainant তার Complaint প্রত্যাহার করলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস (acquit) দিবেন
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (release) দিবেন
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি (discharge) দিবেন
  4. Complaint খারিজ (dismiss) করবেন
ব্যাখ্যা
চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।

[If a complainant,at any time before a final order is passed in any case under this Chapter,satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]

• অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিতে পারে।
৭১.
একজন কৃষি জমির মালিক কত পরিমাণ কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারবেন?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ১০০ বিঘা
  3. ৩৭৫ বিঘা
  4. কৃষক এবং জমির শ্রেণিভেদে পূর্বের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
একজন কৃষি জমির মালিক ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারে না। যদি উত্তরাধিকার সূত্রে কোনো প্লাবনের (Diluvion) ভূমি জেগে উঠে এবং তা তার বিদ্যমান সম্পত্তিসহ ৬০ বিঘার বেশি হয় তবে তা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮৬(৫) ধারা অনুসারে সরকারের নিকট বর্তাবে। অন্যদিকে ৯০ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি তার নিজের এবং পরিবারের জন্য সব মিলিয়ে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি গ্রহণ বা ক্রয় করতে পারবেন না।

অন্যদিকে, ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩ এর ৪ ধারাতেও উল্লেখ আছে যে, ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অধিক কৃষি ভূমির মালিক বা তাহার পরিবার হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য কোনো উপায়ে নতুন কোনো কৃষি ভূমি অর্জন করিতে পারিবেন না। যদি কোনো ভূমির মালিক এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করিয়া ক্রয়সূত্রে কোনো নতুন কৃষি ভূমি অর্জন করেন, তাহা হইলে যে পরিমাণ ভূমি ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অতিরিক্ত হইবে তাহা সরকারের অনুকূলে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সমর্পিত হইবে এবং উক্ত সমর্পিত ভূমির মূল্য বাবদ কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকার, দান বা উইল এর মাধ্যমে অর্জিত ভূমির ক্ষেত্রে উক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
৭২.
ভূমি জরিপের সময় কোন আইনের বিধি ৩০ এর আলোকে আপত্তি দেওয়া যায়?
  1. The State Acquisition Rules, 1951
  2. The State Acqusition (Bond) Rules, 1957
  3. The State Acqusition and Tenancy Act, 1950
  4. The Tenancy Rules, 1955
ব্যাখ্যা
The Tenancy Rules, 1955 - এর ৩০ বিধি অনুসারে ভূমি জরিপের সময় আপত্তি দেয়া যায়। এই বিধির মাধ্যমে ভূমির মালিক ৩০(১) (g) অনুসারে আবেদন করতে পারে এবং যে কোনো সময় তার আপত্তিগুলো তুলে ধরতে পারে। Security of tenure under section 5 মতে দেশের আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করবে।

প্রজাস্বত্ত বিধি অনুযায়ী জরিপ শেষ হওয়ার পর ভূমি রেকর্ডের খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর জমির মালিকদের বা তাদের প্রতিনিধিদের পর্যবেক্ষণের জন্য ৩০ কার্য দিবস খোলা রাখা হয় ৷ এই খসড়া রেকর্ডে যদি কোন ভুল ত্রুটি ধরা পড়ে তাহলে ৩০ ধারা মোতাবেক আপত্তি দাখিল করতে হবে, যাকে লোক মুখে Dispute বলে ৷ ৩০ ধারায় আপত্তি দাখিলের পর উক্ত আপত্তি বা Dispute মামলার রায় যার বিপক্ষে যাবে সে ব্যক্তি প্রয়োজন মনে করলে উক্ত রায়ের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আইন অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে পারবেন ৷এক্ষেত্রে আপিল দায়েরকারীকে তার দাবীর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সাক্ষী আদালতে হাজির করতে হবে ৷
৭৩.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-এ বর্ণিত অগ্রক্রয় কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. হোল্ডিং এর হস্তান্তর (Transfer of holding)
  2. ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
  3. বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর
  4. বণ্টনের মাধ্যমে হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনটি ভূমি ( Non Agricultural Land) এবং অকৃষি প্রজার (Non - Agricultural Tenant) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। The Non - Agricultural Tenancy, 1949 এর ২৪ ধারার অধীনে অগ্রক্রয়ের ভিত্তিতে ভূমি হস্তান্তর (Transfer of Land) করা হয়।

অকৃষি প্রজাস্বত্বের অগ্রক্রয়াধিকার সম্পর্কে ২৪ ধারায় বর্ণিত বিধানাবলী কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না তা ২৪ ধারার ১১ উপধারায় বর্ণনা করা আছে, নিম্নে ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ করা হলো-

ক. প্রজাস্বত্বে কোন সহ উওরাধিকারী যখন অন্য কোন প্রকারে অকৃষি জমিতে স্বার্থ লাভ করে;
খ. বিনিময় বা ভাগ বাটোয়ারার মাধ্যম যখন অকৃষি জমি হস্তান্তরিত হয়;
গ. যখন স্বামী বা স্ত্রীর অনুকূলে উইল বা দানের মাধ্যমে জমি হস্তান্তর করা বা দাতা বা অসিয়তকারীর রক্ত সম্পর্কের অধস্তন তিন প্রজন্ম পর্যন্ত বিস্তৃত এমন কোন ব্যক্তি দ্বারা হস্তান্তর সম্পন্ন হয়;
ঘ. মুসলিম আইনের বিধানানুসারে ওয়াকফ;
ঙ. ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য দেবওোর বা অনুরূপ কোন উদ্দেশ্যে সম্পওি হস্তান্তর এবং যে হস্তান্তরে ব্যক্তির অনুকূলে কোন সুবিধা দেওয়া হয় না।

তবে কোন সহ-অংশীদারী যখন প্রজাস্বত্বে বা হোল্ডিংয়ে তার অংশটুকু জমা প্রদানপূর্বক নামজারি করেন এবং সম্পওি ভাগ করেন তখন তিনি অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না। এছাড়া যখন কোন ব্যক্তি সরকারের কর্তৃত্বাধীনে কোন সম্পওি অধিকারী হয় তখন ঐরূপ সম্পওির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়াধিকার প্রযোজ্য নয়।
৭৪.
একজন বাড়িওয়ালাকে তার পাওনা ভাড়া আদায়ে The Small Cause Courts Act, 1887 এর 27A ধারার বিধানমতে কত দিনের মধ্যে Small causes Court এর আবেদন করতে হবে?
  1. ০৩ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ০৬ মাস
  4. ০৩ বছর
ব্যাখ্যা
• The Small Cause Courts Act, 1887 এর ২৭ ধারার অধীনে যেকোনো ব্যক্তি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Distress warrant) - এর জন্য আবেদন করতে পারে। ২৭(ক) ধারায় বলা হয়েছে-

একজন বাড়িওয়ালা তার পাওনা ভাড়া আদায়ের জন্য ১২ মাসের বা ১ বছরের মধ্যে Small Causes Court এ আবেদন করতে হবে।
৭৫.
রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক এরূপ কোনো দলিল রেজিস্ট্রে করা না হলে তা কোনো স্থাবর সম্পত্তির উপর কোনো অধিকার, স্বত্ব, স্বার্থ সৃষ্টি করে না মর্মে বিধানটি The Registration Act,1908 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪৭
  2. ৪৯
  3. ৫১
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯:  নিবন্ধনযোগ্য দলিল নিবন্ধন না হওয়ার ফল

এই আইনের অধীন বা দলিল নিবন্ধনের বিধান-সংবলিত বা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন কোন দলিলের নিবন্ধন প্রয়োজন হইলে, যদি উহা নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে-
(ক) উক্ত দলিল স্থাবর সম্পত্তিতে কায়েমি বা সম্ভাব্য কোন অধিকার, স্বত্ব বা স্বার্থ বর্তমানে বা ভবিষ্যতে সৃজন, ঘোষণা, অর্পণ বা সীমিত করিতে বা অবসান ঘটাইতে কার্যকর হইবে না: বা
(খ) উক্ত দলিল দত্তকগ্রহণের কোন ক্ষমতা অর্পণ করিবে না।

এই আইনের অধীন বা পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন (যথা, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২) বাধ্যতামূলক নিবন্ধীকরণের বিধানসমূহ এই ধারার মাধ্যমে কার্যকর করা হইয়াছে। নিবন্ধিত না হইলে এইরূপ দলিল কার্যকর হয় না এবং উহাতে অন্তর্ভুক্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত বিষয়াদি বাতিল বলিয়া গণ্য হয়।

Section 49. Effect of non-registration of documents required to be registered:
No document required to be registered under this Act or under any earlier law providing for or relating to registration of documents shall- 
(a) operate to create, declare, assign, limit or extinguish, whether in present or in future, any right, title or interest, whether vested or contingent, to or in immoveable property, or 
(b) confer any power to adopt, unless it has been registered.
৭৬.
Presumption as to correctness of record of rights সংক্রান্ত বিধানটি The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. 144
  2. 144A
  3. 144B
  4. 145B
ব্যাখ্যা
Section 144A: Presumption as to Correctness of Record of Rights

খতিয়ানের বিশুদ্ধতার অনুমান বা Presumption as to correctness of record of rights' শিরোনামে ১৪৪ক ধারার অধীন প্রণীত এবং পরিমার্জিত খতিয়ানে প্রত্যেকটি বিষয়ের লিখন অনুরূপ লিখনে বর্ণিত বিষয়ের সাক্ষ্য হিসাবে বিবেচিত হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সাক্ষ্য প্রমাণ দ্বারা অশুদ্ধ প্রমাণিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত পরিশুদ্ধ বলে Presumption বা অনুমান করা হবে।
৭৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৮৬ ধারা মতে সিকস্থি (diluvion) জমি কত দিনের মধ্যে স্বস্থানে পুনঃউদ্ভব (reformation in situ) হলে তাতে মূল মালিকের স্বত্ব-স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকবে?
  1. ১৫ বৎসর
  2. ৩০ বৎসর
  3. ৬০ বৎসর
  4. ২৫ বৎসর
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৮৬ ধারায় সিকস্থি [Diluvion] এবং ৮৭ ধারায় পয়স্তি [Alluvion] সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

ধারা ৮৬ (২) মোতাবেক:
সিকস্তির কারণে নদীগর্ভে সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পুনরায় জেগে উঠলে [Reformation-in-situ] অনুরূপ জমির স্বত্বাধিকারী বা তার স্বার্থের উত্তরাধিকারীর স্বত্ব, স্বার্থ এবং মালিকানা বজায় থাকবে।

তবে শর্ত হলো: এই জমি সংযুক্ত হয়ে ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকতে পারবে না ভূমির (Tenant) বা তার উত্তরাধিকারীদের [Successor-in-tenant]; ৬০ বিঘার বেশী হলে তা সরকারের উপর ন্যস্ত হবে (ধারা ৮৬(৫))।

বি.দ্র: সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বা কোনো আইনের অধীনে উন্নয়নমূলক কাজের ফলে কৃত্রিম বা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে জমিটি পুনঃউদ্ভব হলে সে ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না (ধারা ৮৬ (৭))।
৭৮.
কোন প্রকার বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকতাদার ঋণ পরিশোধের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না-
  1. Usufructuary Mortgage
  2. English Mortgage
  3. Mortgage by Conditional Sale
  4. Mortgage against Immovable Property
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৮ ধারায় ৬ ধরনের বন্ধকের মধ্যে 'খাইখালাসি বন্ধক' ( Unufructuary Mortgage) - এর ক্ষেত্রে বন্ধকদাতার ঋণ পরিশোধের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না। এই বন্ধকে বন্ধক গ্রহীতা বন্ধককৃত সম্পদ একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে ভোগ করে এবং মেয়াদ শেষে বন্ধকদাতাকে ফেরত দেয়।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৮(ঘ) ধারা অনুসারে, যখন দাতা কোনো গ্রহীতাকে বন্ধকি সম্পত্তির দখল অর্পণ করেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দখল দিতে নিজেকে বাধ্য করেন; এবং বন্ধকির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখার অনুমতি দেন, এবং এরকম সম্পত্তি থেকে উদ্ভূত খাজনা ও লাভ বা এরকম খাজনা বা লাভের অংশবিশেষ গ্রহণের অনুমতি দেন, এবং তা বন্ধকি টাকার সুদ বা বন্ধকি টাকা পরিশোধের জন্য বা তার আংশিক সুদ পরিশোধের জন্য এবং আংশিক বন্ধকি টাকা পরিশোধের জন্য ব্যয় করতে অনুমতি দেন, তখন তাকে ‘খাইখালাসি বন্ধক’ বলে।
৭৯.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধান মতে নিম্নের কোনটি নালিশযোগ্য দাবি (actionable claim) নয়-
  1. জামানত বিহীন ঋণ
  2. জামানতে গৃহীত ঋণ
  3. বকেয়া করের দাবি
  4. চুক্তির সুবিধা বা লাভের দাবি
ব্যাখ্যা
নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)

অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

Section 3:
“Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:
৮০.
উত্তরকালীন অসম্ভবতা (supervening impossibility) এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন শর্তটি প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি করার সময় চুক্তি পালন সম্ভব ছিল
  2. চুক্তি পরবর্তী কার্যসম্পাদন অসম্ভব হয়
  3. অসম্ভবতা অঙ্গীকারকারীর অবহেলার কারণে হয়
  4. অসম্ভবতা প্রাকৃতিক বা রাষ্ট্রীয় কারণে হয়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি করার পর কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে তাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে। পরবর্তীকালে কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে। চুক্তি সৃষ্টির সময় যা করা সম্ভব ছিল পরবর্তীকালে কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য তা যদি অসম্ভব হয়ে পড়ে এরূপ ঘটনাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে। তাই অসম্ভবতা অঙ্গীকারবদ্ধকারীর অবহেলার কারণে হয় এই শর্তটি Supervening impossibility এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার ১ম অংশে বলা হয়েছে, যে কাজ এর প্রকৃতির জন্য করা অসম্ভব সে কাজ করার সম্মতি বাতিল। উদাহরণ-ক খ-এর সাথে যাদু বলে ধন আবিষ্কার করতে সম্মত হন। সম্মতিটি বাতিল। কারণ, যাদু বলে ধন আবিষ্কার সম্ভব নয়।

উদাহরণ- ১
রোকেয়া বেগম একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান করার জন্য সাদমান মুশরিফাতের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দিয়ে এক দিনের জন্য একটি ঘর ভাড়া করলো। জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আগের দিন ঘরটি আগুনে পুড়ে গেলো।উত্তরকালীনঅসম্ভবতার কারণে রোকেয়া বেগম এবং সাদমান মুশরিফাতের মধ্যকার চুক্তিটি পরিসমাপ্তি হয়ে গেলো।এই চুক্তির জন্য সাদমান মুশরিফাত দায়ী থাকবে না।
৮১.
লিখিত নোটিশ ছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হলে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে _____ সময় দিবেন।
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ (২) তে সরকার কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে-

৮০ ধারা অনুযায়ী সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করার পূর্বে ২ মাসের নোটিশ দিতে হয়। ২ মাসের নোটিশ দেওয়ার পর মোকদ্দমাটি দায়ের করতে হবে। যদি নোটিশ দিয়ে মোকদ্দমাটি দায়ের করা হয়, তাহলে সরকার লিখিত জবাব দাখিল করার সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবস সময় পেতে পারে। কিন্তু যেক্ষেত্রে নোটিশ না দিয়ে মোকদ্দমাটি দায়ের করা হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য আদালত সরকারকে সর্বনিম্ন ৩ মাসের সময় দিতে হবে।
৮২.
রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয় The Code of Civil Procedure, 1908 এর________ অনুযায়ী।
  1. Order XL, rule 1
  2. Order XLI, rule 1
  3. Order XLII, rule 1
  4. Order XLIII, rule 1
ব্যাখ্যা
• তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ [ORDER - XL] এর উপধারা (১) অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেয়া হয়-

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-

ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;

খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;

গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং

ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরোপভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
৮৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারা অনুযায়ী জেলা জজ এক আদালত হতে অন্য আদালতে দেওয়ানী মামলা স্থানান্তর করেন?
  1. ১৭
  2. ২৪
  3. ৯৪
  4. ১৫১
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
৮৪.
অধস্তন আদালতের ভাষা কি হবে তা The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১২৮
  2. ১০৭
  3. ১৩৭
  4. ১৪০
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭ ধারায় বলা আছে- সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে।

অন্যান্য অপশন-

ধারা ১০৭- আপিল আদালতের ক্ষমতা:
ধারা ১২৮- কোনো কোনো বিষয়ে সুপ্রীমকোর্ট রুল প্রণয়ন করতে পারে:
ধারা ১৪০- উদ্ধারমূল্য, ইত্যাদি নির্ধারক সম্পর্কে (Assessors in causes of salvage, etc.) এর বিধান রয়েছে।
৮৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VIII, rule (1) অনুযায়ী বিবাদী প্রথম শুনানীর দিন জবাব দাখিল না করলে কত দিনের মধ্যে তা দাখিল করতে হবে?
  1. ষাট দিন
  2. তিন মাস
  3. দুই মাস
  4. নব্বই দিন
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৮৬.
As per Section 89A of the Code of Civil Procedure, 1908 after filling written statement the court-
  1. may refer the dispute for mediation
  2. may refer the dispute for conciliation
  3. shall refer the dispute for mediation
  4. shall refer the dispute for conciliation
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে-
১- মধ্যস্থতা (Mediation)
২- সালিশী (Arbitration)

মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
৮৭.
'Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit' - বিধানটি The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪২
  2. ৫৪
ব্যাখ্যা
Section 42:

Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so. 

Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.

ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit)  

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

⇒ এই মোকদ্দমার জন্য নির্দিষ্ট ৩০০ টাকা কোর্ট ফী দিতে হবে।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৮৮.
দেওয়ানী আদালত গঠিত হয় নিম্নের কোন আইন অনুযায়ী?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. The General Clauses Act, 1897
  3. The Civil Courts Act, 1887
  4. The Constitution of the People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
৮৯.
কোনো দেওয়ানী মামলার যুক্তিতর্ক শুনানী সমাপ্তির পর আদালতকে কত দিনের মধ্যে রায় প্রচার করতে হয়?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
৯০.
The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী চুক্তি প্রবলের মামলায় Period of Limitation হলো-
  1. ১ বৎসর
  2. ২ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৪ বৎসর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,

চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
৯১.
কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ গ্রহণ করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেন?
  1. 161
  2. 165A
  3. 162
  4. 163
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ গ্রহণ করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর ১৬২ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেন।

ধারা ১৬২ অনুযায়ী,
সরকারি কর্মচারীকে যে ঘুষ প্রদান করবে সে (দালাল/ঘুষ প্রদানকারী) অভিযুক্ত হবে এবং শাস্তি পাবে: ৩ বছর কারাদণ্ড/অর্থদণ্ড/উভয়দণ্ড।

এছাড়া,
সরকারি কর্মচারি (নিজে/অন্যজনের মাধ্যমে) ঘুষ/পারিতোষিক পারিশ্রমিক গ্রহণ করলে ১৬১ ধারা অনুযায়ী, ৩ বছর কারাদণ্ড/অর্থদণ্ড/উভয়দণ্ড এ দণ্ডিত হতে পারে।
৯২.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ অনুযায়ী হ্যাকিং এর অপরাধের শাস্তি কী?
  1. অনধিক বারো বৎসর এবং অন্যূন পাঁচ বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. অনধিক দশ বৎসর এবং অন্যূন তিন বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অনধিক পঞ্চাশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদির ক্ষতি, অনিষ্ট সাধন যেমন ই-মেইল পাঠানো, ভাইরাস ছড়ানো, সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ বা সিস্টেমের ক্ষতি করা ইত্যাদি অপরাধ অর্থাৎ হ্যাকিং এর সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৬ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে এমন কোনো কাজ করেন, যার ফলে কোনো কম্পিউটার রিসোর্সের কোনো তথ্য বিনাশ, বাতিল বা পরিবর্তিত হয় বা এর উপযোগিতা হ্রাস পায় অথবা কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন, তবে এটি হবে হ্যাকিং অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে কোনো মিথ্যা বা অশ্লীল কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয় অথবা রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে এগুলো হবে অপরাধ। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

• বর্তমানে এই অপরাধের বিচার 'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর অধীন করা হয়।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৩২- হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড


যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৯৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী মানব পাচার অপরাধের অর্থদণ্ডসহ সর্বনিম্ন কারাদণ্ড কত বৎসর?
  1. 8
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৬- মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড

(১) কোন ব্যক্তি ধারা ৩ এ উল্লিখিত কোন কার্য করিলে উহা মানব পচার অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৯৪.
'ক' বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ৫,০০,০০০/-টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধে ব্যর্থ হয়। ব্যাংক 'ক' এর বিরুদ্ধে দায়ের করতে পারবে-
  1. অর্থঋণ আদালতে নিয়মিত মামলা
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে টাকার মামলা
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে টাকার মামলা
  4. সার্টিফিকেট মামলা
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ধারা ৫ অনুযায়ী,

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় সম্পর্কিত যাবতীয় মামলা ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত, ঘোষিত বা গণ্য হওয়া অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করিতে হইবে এবং উক্ত আদালতেই উহাদের নিষ্পত্তি হইবে।

তবে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনূর্ধ্ব ৫,০০,০০০ টাকার (পাঁচ লক্ষ টাকা) দাবী সম্বলিত মামলাসমূহ অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের না করিয়া The Public Demands Recovery Act, 1913 এর বিধান অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা হিসাবেও দায়ের করা যাইবে।
৯৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের কোন কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনা করতে পারেন?
  1. সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  2. উপ পরিচালক পদমর্যাদা নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  3. পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  4. কমিশনার পদমর্যাদার যে কোন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ২০০৭ সালে দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের ‘ফাঁদ’ কার্যক্রম অনুমোদন হয়। ওই বছরই এটি দুদকের ১৬ নম্বর বিধিতে সংযুক্ত করা হয়। এতে বলা হয়,

‘দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্তে আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধরার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনারের অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (ট্র্যাপ কেস) প্রস্তুত করতে বা পরিচালনা করতে পারবেন।’ এ ছাড়া বলা হয়, ‘ফাঁদ মামলা তদন্ত কার্যক্রম কেবল তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিশনের পরিচালক পদমর্যাদার নিচে নয় এমন একজন কর্মকর্তা দিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।’
৯৬.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব _______বৎসর।
  1. ১৬
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-

বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
৯৭.
মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার পারেন না-
  1. মধ্যস্থতাকারী হিসাবে ভূমিকা রাখতে
  2. বিরোধ সম্পর্কিত তথ্যসংগ্রহ করতে
  3. স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে
  4. মীমাংসা সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতে
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২১ক ধারা অনুযায়ী সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ দিয়ে থাকেন। 

• 'আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা' শিরোনামে আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর ১৫ বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে- 'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'

অর্থাৎ- মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে পারেন না। তবে, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি নিয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন।

• উল্লেখ্য,
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর বিধি ৯(১)(খ) অনুযায়ী-মীমাংসা সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারেন। বিধি ১১(গ) অনুযায়ী- বিরোধ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
বিধি ১১ (জ) অনুযায়ী- মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারেন।
৯৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর মিথ্যা মামলা দায়ের বা অভিযোগ দায়েরের শাস্তি অনধিক _____ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি

(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.

i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.

ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
৯৯.
কোনো এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করতে পারে কে?
  1. পরিবেশ আদালত
  2. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  3. পরিবেশ আপীল আদালত
  4. সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী- 

(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, পরিবেশের অবক্ষয়ের কারণে কোন এলাকার প্রতিবেশ ব্যবস্থা (Eco-system) সংকটাপন্ন অবস্থায় উপনীত হইয়াছে বা হইবার আশংকা রহিয়াছে তাহা হইলে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করিতে পারিবে এবং অবিলম্বে উক্ত সংকটাপন্ন অবস্থা হইতে উত্তোরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত সকল প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট এলাকার সীমানা ও মানচিত্রসহ আইনগত বর্ণনার উল্লেখ থাকিবে এবং এই সকল মানচিত্র ও আইনগত বর্ণনা সংশ্লিষ্ট এলাকাতে প্রদর্শিত হইবে এবং তাহা উক্ত এলাকার দালিলিক বর্ণনা হিসাবে বিবেচিত হইবে।

(৩) কোন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণার পর সরকার সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ করিবে।

(৪) প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন বলিয়া ঘোষিত এলাকায় কোন্ কোন্ ক্ষতিকর কর্ম বা প্রক্রিয়া চালু রাখা বা শুরু করা যাইবে না তাহা সরকার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে।
১০০.
মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে একজন নারীকে আটক করলে অর্থদণ্ডসহ সাজা কি হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

ধারা-৮ মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি


যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।