পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ৪ নভেম্বর, ২০২৩সময়55 minutes৭৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০ (করতোয়া) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ০৮.০১.২০১০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ৪ নভেম্বর, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
‘বিশ শতকের মেয়ে’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ড. লীলিমা ইব্রাহিম
  2. আনিস চৌধুরী
  3. আনোয়ার পাশা
  4. শহীদুল্লা কায়সার
ব্যাখ্যা
নীলিমা ইব্রাহিম:
- নীলিমা ইব্রাহিমের ১৯২১ সালে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।  
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত। 
- তিনি বেশকিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
-  বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন 

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়। 

তাঁর রচিত নাটক: 
- দুয়ে দুয়ে চার,
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর।

কথানাট্য: 
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি (২ খন্ড)।

ছোটগল্প:
রমনা পার্কে। 

আত্মজীবনী:
- বিন্দু-বিসর্গ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. অনেক আকাশ
  2. বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে (দ্যাখে)
  3. স্বর্ণ গর্দভ
  4. আশার বসতি
ব্যাখ্যা
শামসুর রাহমান: 
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে। 
- শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
‘মহাকবি আলাওল’ নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. সিকান্দার আবু জাফর
  2. আনিস চৌধুরী
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  4. শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা
সিকান্‌দার আবু জাফর:
- তিনি ১৯১৯ সালে তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতরচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক।
 
তাঁর রচিত গ্রন্থাবলি:
নাটক:
- শকুন্ত উপাখ্যান ,
- সিরাজউদ্দৌলা ,
- মহাকবি আলাওল।

কবিতা:
- প্রসন্ন প্রহর,
- বৈরীবৃষ্টিতে,
- তিমিরান্তক,
- কবিতা,
- বৃশ্চিকলগ্ন।

উপন্যাস:
- মাটি আর অশ্রু,
- জয়ের পথে,
- পূরবী,
- নবী কাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
.
‘বনি আদম’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. শেখ ফজলুল করিম
  2. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
গোলাম মোস্তফা:
- যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা গোলাম রববানী এবং পিতামহ কাজী গোলাম সরোয়ার দুজনেই ছিলেন লোককবি।
- গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
- তিনি গীতিকার ও গায়ক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তাঁর গানের বিষয় ছিল ইসলামি সংস্কৃতি ও দেশপ্রেম।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রক্তরাগ,
- খোশরোজ,
- কাব্য-কাহিনী,
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- তারানা-ই-পাকিস্তান,
- বনি আদম ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. রজনী
  2. নববিধান
  3. পদ্মরাগ
  4. প্রেমের সমাধি
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন:
- পাবনা জেলার শাহজাদপুরের চরবেলতৈল গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- নজিবর রহমান  ইসমাইল হোসেন সিরাজীর প্রত্যক্ষ অনুপ্রেরণায় সাহিত্যকর্মে ব্রতী হন।
- প্রথম সামাজিক উপন্যাস আনোয়ারা (১৯১৪) লিখে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- প্রেমের সমাধি,  
- পরিণাম,  
- গরীবের মেয়ে,  
- দুনিয়া আর চাইনা ও
- মেহেরুন্নিসা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক কোনটি?
  1. রক্তকরবী
  2. রানা প্রতাপসিংহ
  3. নবযৌবন
  4. বসন্ত কুমারী
ব্যাখ্যা
'রক্তকরবী' নাটক:
- এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক।
- ১৩৩০ বঙ্গাব্দে নাটকটি প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- চরিত্র - নন্দিনী, রঞ্জন। 
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে। 
- 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। 
- শেষপর্যন্ত জয়ী হয়েছে মানুষের প্রাণশক্তি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ রচিত আরো নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- তাসের দেশ,
- বৈকুন্ঠের খাতা
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত,
- ডাকঘর,
- বসন্ত,
- চণ্ডালিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
.
‘যদ্যপি’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
  1. যদ + পি
  2. যদি + অপি
  3. যদ + অপি
  4. যদ্য + অপি
ব্যাখ্যা
 • ই-কার বা ঈ-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য কোনো স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে 'য' বা য-ফলা হয়, য-ফলা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়।

যেমন: 
- ইতি + অন্ত = অত্যন্ত ,
- ইতি + আদি = ইত্যাদি,
- অতি + উক্তি = অত্যুক্তি,
- যদি + অপি = যদ্যপি,
- প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘সংসার’ -এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
  1. সং + সার
  2. সাং + সার
  3. সম + সার
  4. সম্ + সার
ব্যাখ্যা
- ম্-এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, ম্ স্থলে অনুস্বার (ং) হয় ৷
যেমন:
- সম্ + যম = সংযম,
- সম্ + লাপ = সংলাপ,
-  সম্ + হার =  সংহার,
- সম্ + বাদ = সংবাদ,
- সম্ + শয় = সংশয়,
- সম্+ রক্ষণ = সংরক্ষণ,
- সম্ + সার = সংসার।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি ‍দ্বিগু সমাস?
  1. আপাদমস্তক
  2. রুই কাতলা
  3. একরোখা
  4. সেতার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে ।
অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।

নিম্নে কিছু অব্যয়ীভাব সমাসের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:
- দিন দিন = প্রতি দিন,
- ক্ষণে ক্ষণে = প্রতিক্ষণে,
- পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক। 

সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস:
- সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি: যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক, তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- চার ভুজ যে ক্ষেত্রের = চতুর্ভুজ,
- সে (তিন) তার যে যন্ত্রের = সেতার।

প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস:
- যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
একচোখা = এক দিকে চোখ যার,
একরোখা = এক দিকে রোখ যার,
ঘরমুখো = ঘরের দিকে মুখ যার,
নি-খরচে = নি (নেই) খরচ যার।

• অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
২) ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি ব্যাবহারিক বাংলা ব্যাকরণ।
৩) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
নিচের কোনটি বহুব্রীহি সমাস?
  1. কানাকানি
  2. পীতাম্বর
  3. হাতাহাতি
  4. চুলোচুলি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস:
- ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
- এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়।
যেমন:
- হাতে হাতে যে যুদ্ধ= হাতাহাতি,
- কানে কানে যে কথা= কানাকানি।

সমানাধিকরণ বহুব্রীহি:

- পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।
যেমন:
- হত হয়েছে শ্রী যার = হতশ্রী,
- খোশ মেজাজ যার = খোশমেজাজ।
- এরকম: হৃতসর্বস্ব, উচ্চশির, পীতাম্বর, নীলকণ্ঠ, জবরদস্তি, সুশীল, সুশ্রী, বদবত, কমবত ইত্যাদি।

• অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
বাড়ী  ঘুরে এস’ বাক্যে নিম্নেরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে ২য়া
  2. করণে ৩য়া
  3. অপাদানে ১মা
  4. অধিকরণে ১মা
ব্যাখ্যা
 অধিকরণ কারক: 
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।

- প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি: আমি ঢাকা যাব।, বাড়ী  ঘুরে এস।
- তৃতীয়া বিভক্তি: খিলিপান (এর ভিতরে) দিয়ে ওষুধ খাবে।
- পঞ্চমী বিভক্তি: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়৷
- সপ্তমী বা তে বিভক্তি: এ বাড়িতে কেউ নেই। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
১২.
আমাদের  একটি গল্প বলুন।’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে ষষ্ঠী
  2. কর্মে ২য়া
  3. অপাদানে ৫মী
  4. সম্প্রদানে ষষ্ঠী
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম- উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারনত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে- 'কে' বিভক্তি হয়।
যেমন: 
- শিক্ষককে জানাও।
- অসহায়কে সাহায্য করো। 
- আমাদের একটি গল্প বলুন। (কর্মে ষষ্ঠী)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
১৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. অদ্যপি
  2. অদ্যাপি
  3. অদ্যপী
  4. অদ্যাপী
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান 'অদ্যাপি'
- অব্যয় পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- এখনও; আজও; একাল পর্যন্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. অভ্যন্তরীণ
  2. অভ্যন্তরিণ
  3. আভ্যন্তরীণ
  4. অভ্যন্তরীন
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান 'অভ্যন্তরীণ' 
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = অভ্যন্তর+ঈন।
অর্থ:
- মধ্যবর্তী, অভ্যন্তরে আছে এমন, ভেতরের , মানসিক। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. সদ্যজাত
  2. সদেদআজাত
  3. সদ্যোজাত
  4. সদ্ব্যজাত
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান 'সদ্যোজাত'
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
 অর্থ:
- এইমাত্র জন্মলাভ করেছে এমন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
‘কিরণ’ -এর সমার্থক শব্দ নয়-
  1. রবি
  2. রশ্মি
  3. প্রভা
  4. কর
ব্যাখ্যা
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ গুলো:
- রবি,
- তপন,
- ভানু,
- ভাস্কর,
- আদিত্য,
- সবিতা,
- প্রভাকর,
- দিবাকর,
- বিভাবসু,
- মার্তণ্ড ইত্যাদি।

‘কিরণ’ এর সমার্থক শব্দ:
- রশ্মি,
- শিখা,
- আলোকচ্ছটা,
- কর,
- প্রভা,
- দীপ্তি,
- জ্যোতি,
- অংশু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
‘চক্ষু’ -এর সমার্থক শব্দ নয়-
  1. নয়ন
  2. লোচন
  3. অক্ষি
  4. সলিল
ব্যাখ্যা
'চোখ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চক্ষু, নয়ন, আঁখি, অক্ষি, নেত্র, লোচন।

'সলিল' শব্দের সমার্থক শব্দ
- অম্বু, জল, জীবন, নীর, পানি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৮.
‘ঢেউ’ এর সমার্থক শব্দ নয়-
  1. তরঙ্গ
  2. ঊর্মি
  3. বারিধি
  4. বীচি
ব্যাখ্যা
'ঢেউ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তরঙ্গ, কল্লোল, ঊর্মি, বীচি, হিল্লোল, লহরী।

'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- সাগর, সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, জলধি, অকূল, পাথার, বারিধি, রত্নাকর, নীলাম্বু, পয়োধি, বারীন্দ্র, অর্ণব, পারাবার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)। 
১৯.
‘চপল’ এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. স্তব্ধ
  2. ঠাণ্ডা
  3. গম্ভীর
  4. রাশভারী
ব্যাখ্যা
- চপল শব্দের অর্থ- চঞ্চল, অস্থির।
- চপল - এর বিপরীতার্থক শব্দ- গম্ভীর।
- রাশভারী (বিশেষণ) এর অর্থ-  গম্ভীর প্রকৃতির। 

- 'চাপল্য' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ গাম্ভীর্য। 
- ঔদার্য শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কার্পণ্য। 
- ঔদ্ধত্য শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ বিনয়। 

রাশভারী ও গম্ভীর একই অর্থ প্রকাশ করলেও, চপল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে গম্ভীর অধিক প্রচলিত শব্দ। সুতরাং অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে ‘গম্ভীর’ গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
‘উগ্র’ -এর বিপরীতার্থক শব্দ-
  1. মেজাজ
  2. সৌম্য
  3. চপল
  4. বিজ্ঞ
ব্যাখ্যা
- 'সৌম্য' শব্দের বিপরীত শব্দ - উগ্র।
- দুরন্ত এর বিপরীত শব্দ - শান্ত।
- 'কোমল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - কঠিন/কঠোর।
- 'বিনীত' এর বিপরীত শব্দ- উদ্ধত।


উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Posesion
  2. Posession
  3. Possesion
  4. Possession
ব্যাখ্যা
♦ Possession:
English meaning: the fact that you have or own something.
Bangla meaning: স্বত্ব; অধিকার; দখল; আয়ত্ত। 

Source: Cambridge & Accessible Dictionary. 
২২.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Commettee
  2. Committe
  3. Committee
  4. Comittee
ব্যাখ্যা
♦ Committee
English meaning: a small group of people chosen to represent a larger organization and either make decisions or collect information for it.
Bangla meaning: বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ; কমিটি; সমিতি।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৩.
'Hand' শব্দটির Verb হচ্ছে -
  1. Handle
  2. Handly
  3. Hand
  4. Enhand
ব্যাখ্যা
♦ Hand
Meaning: the part of the body at the end of the arm that is used for holding, moving, touching, and feeling things.

Options,
- Handle: verb, noun
- Handly: wrong word
- Hand: noun
- Enhand: wrong word

Source: Cambridge Dictionary.
২৪.
'Coward' শব্দটির Adjective হচ্ছে-
  1. Ferocious
  2. Coward
  3. Cowardly
  4. Cowardeous
ব্যাখ্যা
♦ Coward
English meaning: a person who is not brave and is too eager to avoid danger, difficulty, or pain.
Bangla meaning: ভীরু; কাপুরুষ।


Options,
- Ferocious: (adjective) হিংস্র; নিষ্ঠুর; বর্বর; দুর্দান্ত। (Different word)
- Coward: Noun
- Cowardly: adjective
- Cowardeous: wrong word. 

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৫.
'Unstable' শব্দটির Synonym হচ্ছে -
  1. Constant
  2. Changeable
  3. Reliable
  4. Steady
ব্যাখ্যা
♦ Unstable
English meaning: not solid and firm and therefore not strong, safe, or likely to last.
Bangla meaning: অনবস্থিত; স্থিতিহীন; নড়বড়ে; নড়নড়ে; অপ্রতিষ্ঠ; অস্থিত; অনস্থির; স্থিরতাশূন্য।

Options,
- Constant: happening a lot or all the time: স্থির; অপরিবর্তনীয়; বারবার ঘটছে এমন
- Changeable: পরিবর্তনীয়; পরিবর্তনশীল
- Reliable: নির্ভরযোগ্য; বিশ্বাসযোগ্য।
- Steady: দৃঢ়ভাবে স্থাপিত বা প্রতিষ্ঠিত; সুষম

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, 'Unstable' শব্দটির Synonym হচ্ছে - Changeable.

Source: Cambridge & accessible Dictionary.
২৬.
'Opinion' শব্দটির Synonym হচ্ছে -
  1. Fact
  2. Knowledge
  3. Misgiving
  4. Belief
ব্যাখ্যা
• Opinion (noun): [countable noun] পূর্ণাঙ্গজ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয় এমন বিশ্বাস বা ধারণা; মত।
- Belief (noun): [Uncountable noun] belief (in) বিশ্বাস; আস্থা; প্রত্যয়
- Fact (noun): (প্রকৃত) ঘটনা।
- Knowledge (noun): জ্ঞান; অবগতি।
- misgiving (noun) [countable noun, uncountable noun]: সন্দেহ; সংশয়; অবিশ্বাস; আশঙ্কা।

সুতরাং, ‘Opinion’ এর synonym হচ্ছে ‘Belief’

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy
২৭.
'He is absorbed ____ thought' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক বসবে -
  1. to
  2. in
  3. at
  4. for
ব্যাখ্যা
 • শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - in.
- absorbed in something - very interested in something and not paying attention to anything else.
- অর্থাৎ কোন কিছুতে নিমগ্ন বা  নিবিষ্ট থাকা বোঝাতে absorbed এরপর in ব্যবহৃত হয়।
- তাই, সঠিক উত্তর হবে in.
- Complete sentence: 'He is absorbed in thought.
২৮.
'Your conduct admits ____ no excuse' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. of
  2. at
  3. for
  4. from
ব্যাখ্যা
• 'Your conduct admits ____ no excuses' - বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - of.
- বাক্যের context অনুযায়ী appropriate preposition হিসাবে admit এর পর of preposition টি বসবে।
- Admit of– অবকাশ থাকা, স্বিকার করা;
- Admit to– ভর্তি হওয়া বা করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
২৯.
'Joy' শব্দটির Adjective হচ্ছে-
  1. Enjoy
  2. Jolly
  3. Joyous
  4. Joyfull
ব্যাখ্যা

• Joy (noun) -  আনন্দ; গভীর হর্ষ:
- এর adjective form হচ্ছে - Joyous.
- Joyous শব্দের অর্থ full of happiness and joy.

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Jolly (adjective) হাসিখুশি; প্রফুল্ল; কিঞ্চিৎ মাতাল; সুন্দর; বলিষ্ঠ।
- (adverb) বেশ; অত্যন্ত।
• enjoy (verb) -  উপভোগ করা; আনন্দলাভ করা
• Joyfull শব্দটির বানান সঠিক নয়। 

---------------------------------- 
Joyous এবং Jolly উভয়ই adjective হলেও Joy শব্দটির adjective form হিসেবে Joyous অধিকতর গ্রহণযোগ্য
- Joyous tends to imply an intense, ecstatic feeling of joy, more than just everyday happiness.
- এছাড়াও, Jolly শব্দটি adverb/noun হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 

Source: Bangla Academy Dictionary.

৩০.
'Refuse' শব্দটির Noun হচ্ছে-
  1. Refusement
  2. Refuse
  3. Refusing
  4. Refusal
ব্যাখ্যা
♦ Refuse
English meaning: to say that you will not do or accept something.
Bangla meaning: প্রত্যাখ্যান/অগ্রাহ্য/অস্বীকার করা; অসম্মত হওয়া।

Option,
- Refusement: wrong word.
- Refuse: verb, noun.
- Refusing: present participle
- Refusal: noun.

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, 'Refuse' শব্দটির Noun হচ্ছে - 
৩১.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Examplary
  2. Exemplery
  3. Examplery
  4. Exemplary
ব্যাখ্যা
♦ Exemplary
English meaning: very good and suitable to be copied by other people.
Bangla meaning: আদর্শস্বরূপ; দৃষ্টান্তমূলক

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৩২.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Colarboration
  2. Collaberation
  3. Colaberaton
  4. Collaboration
ব্যাখ্যা
Collaboration
English meaning: to work with someone else for a special purpose.
Bangla meaning: সহযোগিতা।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৩৩.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. I saw him write something.
  2. I saw him writing something.
  3. There is no place for doubt in it
  4. He is deaf for hearing
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - 
- I saw him write something.
- I saw him writing something.

• We can use either the infinitive without to or the -ing form after the object of verbs such as hear, see, notice, watch. 
- অর্থাৎ, saw এরপর bare infinitive এবং verb+ing দুটোর ব্যবহার ই শুদ্ধ।
- objective pronoun (me, us, him, her, them, it)- ইত্যাদির পর present participle ব্যবহৃত হয়৷

• অন্যদিকে, 
• There is no place for doubt in it.
- বাক্যটি ভুল।
• There’s no room for doubt.
- Meaning: সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।
- তাই সঠিক বাক্যটি হতো There is no room for doubt in it.

• He is deaf for hearing  বাক্যে preposition এর ব্যবহার ভুল। 
- Deaf of অর্থ হচ্ছে বধির।
- শুদ্ধ বাক্য: He is deaf of one ear.

Source: Cambridge Dictionary
৩৪.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. The horse and carriage are at the door
  2. Time and tide wait for none
  3. You are not devoted to gambing
  4. We get up in dawn
ব্যাখ্যা
• Proverb হিসেবে- Time and Tide wait for none.
- This proverb said to emphasize that people cannot stop the passing of time, and therefore should not delay doing things.
- যেহেতু Proverb হিসেবে বাক্যটি অধিক পরিচিত তাই এখানে উত্তর হিসেবে wait গ্রহণ করা হয়েছে।
- তাই বাক্যটি সঠিক।

• অন্যদিকে, 
• The horse and carriage are at the door.
- The horse and carriage – singular কিন্ত verb- plural দেয়া আছে।
- একই সাথে সম্পাদিত বা একই সাথে চলে এ রকম দুটি Noun - and দিয়ে যুক্ত হলে সেটা Singular হয়। 
- তাই অশুদ্ধ বাক্য এটি।
- শুদ্ধ বাক্যটি হবে - The horse and carriage is at the door.

• You are not devoted to gambing.
- 'gambling' শব্দটির বানান ভুল।
- তাছাড়া এখানে 'indulged' এর ব্যবহার সঠিক হতো।
-  তাই বাক্যটি ভুল।

• We get up in dawn
- এখানে 'at dawn' হওয়া উচিত।
- তাই বাক্যটি ভুল।

উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর: Time and tide wait for none.
 
 
 
 
৩৫.
'Does he speak English well?' বাক্যটির সঠিক Passive form-
  1. Is English spoke well by him?
  2. Is English spoken well to him?
  3. Is English spoken well by him?
  4. Was English spoken well by him?
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি Present Indefinite Tense এ রয়েছে।
-  Present Indefinite Tense যুক্ত Interrogative sentence কে Passive Voice করার নিয়ম:
- am/is/are বাক্যের প্রথমে বসে
- subject 
- মূল Verb এর Past Participle হবে।

- সুতরাং, সঠিক উত্তর Is English spoken well by him?
৩৬.
'All his pupils like him' বাক্যের সঠিক passive form-
  1. He was liked by all his pupils
  2. He is like by all his pupils
  3. He is being liked by all his pupils
  4. He is liked by all his pupils
ব্যাখ্যা
• Active voice কে Passive voice- এ রূপান্তরের নিয়ম:
1. Active Voice এর object টি Passive voice এর subject হয়
2. Tense ও Number Person অনুযায়ী Auxiliary verb
3. মূল verb এর past participle
4. Active voice এর subject টি Passive voice এর object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to, in) বসে।

নিয়ম অনুসারে,
Active: All his pupils like him 
Passive: He is liked by all his pupils.
৩৭.
You said to me, 'would you help me, please? 'বাক্যের সঠিক indirect speech -
  1. You politely ask me if I would help you.
  2. You politely asked me that if I should help you.
  3. You pulitely asked me that whether I would help you.
  4. You politely asked me if I would help you
ব্যাখ্যা
♦ যদি Direct speech Interrogative sentence হয়, তাহলে indirect speech এ if/whether বসে এবং Reported speech কে Indirect করার সময় sentence কে assertive করে নিতে হয়।
- Reporting verb টি past tense এ হওয়ায়, Reported speech - ও past tense এ হবে।
- reported speech এর will এর পরিবর্তিত হয়ে would হবে।
 
সে অনুসারে সঠিক উত্তর - You politely asked me if I would help you.

অন্যান্য অপশনগুলো -
- asked me that থাকায় বাক্যটি ভুল।
- whether - conjunction এর পূর্বে that ব্যবহৃত হয়েছে যার কারণে এ দুটি ভুল।
- ask me থাকায় এটি ভুল। 
৩৮.
'Come in, my friend, said I বাক্যের সঠিক indirect speech -
  1. Addressing him as my friend, he said him to go in.
  2. Addressing him as my friend, I told him to go in.
  3. Addressing him as my friend, I have said him to go in
  4. Addressing him as my friend, I asked him to go in
ব্যাখ্যা
♦ Narration এর ক্ষেত্রে,

• Imperative sentence এ direct speech এ কাউকে সম্বোধন করা হলে নিচের নিয়মের সাহায্যে Indirect speech এ রূপান্তর করতে হয়:
- Addressing বসবে
- Reporting verb এর object (যদি থাকে) 
- as বসে
- যাকে/যাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে সে শব্দটি বসবে
- Reporting verb এর subject বসবে
- Reporting verb বসবে
- to বসবে
- Reported speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত বসবে।

Structure: Addressing + Reporting verb এর object (যদি থাকে) + as + যাকে/যাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে সে শব্দটি + Reporting verb এর subject +  Reporting verb + to + Reported speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত।

Correct sentence: Addressing him as my friend, I told him to go in.
৩৯.
The idiom 'Dead letter' এর অর্থ -
  1. Bad letter
  2. Old letter
  3. Law not in force
  4. Letter written by unknown person
ব্যাখ্যা
• Dead letter
English Meaning: a law or agreement that is no longer effective/ Law not to force.
Bangla Meaning: যে চুক্তি বা আইনের প্রয়োগ নেই / অচল

Ex. Sentence: No one does anything about it and the law becomes a dead letter.
Bangla Meaning: কেউই এ ব্যাপারে কিছু করলো না এবং এর ফলে এই আইন অচল হয়ে গেলো।

Source: Live MCQ Lecture.
৪০.
The idiom 'Bring to book - এর অর্থ -
  1. Book written by famous writer
  2. Valueless person
  3. Book which are loss
  4. Rebuke
ব্যাখ্যা
♦ Bring to book/ Bring someone to book
English Meaning: to punish someone and make that person explain their behavior / bring someone to justice.
Bangla Meaning: শাস্তি দেওয়া এবং কৈফিয়ত চাওয়া / ন্যায় বিচারের মুখোমুখি করা

• উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলোর অর্থ:
- Book written by famous writer: কোন বিখ্যাত লেখক দ্বারা লিখিত বই।
- Valueless person: মূল্যহীন ব্যক্তি।
- Book which are loss: অর্থহীন বাক্য। 
- Rebuke: to speak angrily to someone because you disapprove of what they have said or done: তিরস্কার বা ভর্ৎসনা করা।

• উল্লেখিত প্রশ্নের অর্থ গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Bring to book এর অর্থের সাথে Rebuke শব্দটির অর্থের কিছুটা মিল রয়েছে।
- তাই ‘Bring to book'-এর অর্থ হচ্ছে Rebuke.

Source: Live MCQ Lecture, Cambridge & Accessible Dictionary.
৪১.
একটি কাজ ১৫ জন লোক ১০ দিনে করতে পারে। কত জন লোক ঐ কাজ ১ দিনে সম্পন্ন করতে পারবে?
  1. ১০০ জন
  2. ১৫০ জন
  3. ২০০ জন
  4. ২৫০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কাজ ১৫ জন লোক ১০ দিনে করতে পারে। কত জন লোক ঐ কাজ ১ দিনে সম্পন্ন করতে পারবে?

সমাধান:
১৫ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১০ দিনে
১ জন লোক একটি কাজ করতে পারে (১০ × ১৫) দিনে
= ১৫০ দিনে
৪২.
৬ জন স্ত্রীলোক অথবা ৮ জন বালক একটি কাজ ১২ দিনে শেষ করতে পারে। ৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক ঐ কাজটি কতদিনে করতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৪ দিন
  3. ৬ দিন
  4. ১২ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬ জন স্ত্রীলোক অথবা ৮ জন বালক একটি কাজ ১২ দিনে শেষ করতে পারে। ৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক ঐ কাজটি কতদিনে শেষ করতে পারবে?

সমাধান:
৬ জন স্ত্রীলোক = ৮ জন বালক
১ জন স্ত্রীলোক = ৮/৬ জন বালক
∴ ৩ জন স্ত্রীলোক = (৮ × ৩)/৬ জন বালক
= ৪ জন বালক

∴ ৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক = ৪ + ১২ = ১৬ জন বালক

৮ জন বালক একটি কাজ করতে পারে = ১২ দিনে
১ জন বালক একটি কাজ করতে পারে = ১২ × ৮ দিনে
∴ ১৬ জন বালক একটি কাজ করতে পারে = (১২ × ৮ )/১৬ দিনে।
= ৬ দিনে।

∴ ৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক ঐ কাজটি করতে পারবে = ৬ দিনে।
৪৩.
দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮ : ২৭, তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
  1. ৪ : ৯
  2. ২ : ৩
  3. ৪ : ৫
  4. ৫ : ৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮ : ২৭। তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?

সমাধান: 
ধরি,
১ম গোলকের ব্যাসার্ধ r1 
২য় গোলকের ব্যাসার্ধ r

আমরা জানি 
গোলকের আয়তনের = (4/3)πr3

প্রশ্নমতে,
(4/3)πr13/(4/3)πr23 = 8/27
বা, r1/r2 = 2/3
বা, r12/r22 = 4/9
 4πr12/4πr22 = 4/9

ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ৪ : ৯
৪৪.
ক ও খ এর বেতনের অনুপাত ৭ : ৫। ক, খ অপেক্ষা ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে খ এর বেতন কত?
  1. ১৬০০ টাকা
  2. ১১০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৯০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ও খ এর বেতনের অনুপাত ৭ : ৫। ক, খ অপেক্ষা ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে খ এর বেতন কত?

সমাধান:
ধরি,
ক এর বেতন ৭ক টাকা 
খ এর বেতন ৫ক টাকা

প্রশ্নমতে,
৭ক - ৫ক = ৪০০
২ক = ৪০০
 ্ক = ২০০ টাকা।

∴ খ এর বেতন ৫ × ২০০ = ১০০০ টাকা।
৪৫.
কমিশনের হার ২.৫০ টাকা হলে ২০০০ টাকা মূল্যের জিনিস বিক্রয় করে কত কমিশন পাওয়া যাবে?
  1. ২৫ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ৭৫ টাকা
  4. ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কমিশনের হার ২.৫০ টাকা হলে ২০০০ টাকা মূল্যের জিনিস বিক্রয় করে কত কমিশন পাওয়া যাবে?

সমাধান:
১০০ টাকায় কমিশন পায় ২.৫০ টাকা 
১ টাকায় কমিশন পায় ২.৫০/১০০ টাকা 
১ টাকায় কমিশন পায় (২.৫০ × ২০০০)/১০০ টাকা 
= ৫০ টাকা 
৪৬.
একটি পরীক্ষায় ৭৫টি প্রশ্ন ছিল। রহিম ৬০টি প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দিয়েছে। সে শতকরা কতটি প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দিয়েছে?
  1. ৭৫%
  2. ৬০%
  3. ৯০%
  4. ৮০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পরীক্ষায় ৭৫টি প্রশ্ন ছিল। রহিম ৬০টি প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দিয়েছে। সে শতকরা কতটি প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দিয়েছে?

সমাধান:
৭৫ টি প্রশ্নের মধ্যে শুদ্ধ উত্তর দিয়েছে ৬০টি 
১ টি প্রশ্নের মধ্যে শুদ্ধ উত্তর দিয়েছে ৬০/৭৫ টি 
১ টি প্রশ্নের মধ্যে শুদ্ধ উত্তর দিয়েছে (৬০ × ১০০)/৭৫ টি 
= ৮০ টি
৪৭.
১৫০.০০ টাকা দিয়ে একটি জিনিস ক্রয় করে কত টাকা বিক্রয় করলে ৩০% লাভ হবে?
  1. ১৯৫ টাকা
  2. ১৮০ টাকা
  3. ৯০ টাকা
  4. ৪৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫০.০০ টাকা দিয়ে একটি জিনিস ক্রয় করে কত টাকা বিক্রয় করলে ৩০% লাভ হবে?

সমাধান:
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০ টাকা।
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০/১০০ টাকা।
ক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১৩০ × ১৫০)/১০০ টাকা।
= ১৯৫ টাকা।
৪৮.
টাকায় ৬টা ক্রয় করে টাকায় কয়টা বিক্রয় করলে ২০% লাভ হবে?
  1. ৭টা
  2. ৫টা
  3. ৪টা
  4. ৩টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: টাকায় ৬টা ক্রয় করে টাকায় কয়টা বিক্রয় করলে ২০% লাভ হবে?
   
সমাধান:
২০% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে  বিক্রয়মূল্য ১২০/১০০ টাকা = ১.২ টাকা

১.২ টাকায় বিক্রয় করতে হবে ৬টি 
∴ ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে (৬ × ১০)/১২ = ৫টি
৪৯.
২ থেকে শুরু করে পর পর ৫টি জোড় সংখ্যার গড় কত হবে?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ থেকে শুরু করে পর পর ৫টি জোড় সংখ্যার গড় কত হবে?

সমাধান: 
২ থেকে শুরু করে পর পর ৫টি জোড় সংখ্যাগুলো ২, ৪, ৬, ৮, ১০

গড় = (২ + ৪ + ৬ + ৮ + ১০)/৫
= ৩০/৫
= ৬
৫০.
পিতা ও দুই সন্তানের গড় বয়স ৩০ বছর। দুই সন্তানের বয়সের গড় ২০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?
  1. ২০ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৫০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও দুই সন্তানের গড় বয়স ৩০ বছর। দুই সন্তানের বয়সের গড় ২০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?

সমাধান:
পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩০ বছর
পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি =  ৩০ × ৩ বছর
= ৯০ বছর 

দুই সন্তানের বয়সের গড় ২০ বছর
দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি = ২০ × ২ বছর
= ৪০ বছর 

পিতার বয়স = (৯০ - ৪০)বছর
= ৫০ বছর 
৫১.
x - (1/x) = 4 হলে, x4 + (1/x4) = কত?
  1. 34
  2. 32
  3. 31
  4. 30
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - (1/x) = 4 হলে, x4 + (1/x4) = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x - (1/x) = 4

এখানে
x4 + (1/x4) = (x2)2 + (1/x2)2
= (x2 + 1/x2)2 - 2.x2.(1/x2)
= {(x - 1/x)2 + 2.x.1/x}2 -  2
= {42 + 2}2 - 2 
= (16 + 2)2 - 2
= 182 - 2
= 322

প্রশ্নে সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হলো।
৫২.
p + (1/p) = 4 হলে, p3 + (1/p3) = কত?
  1. 76
  2. 70
  3. 52
  4. 47
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: p + (1/p) = 4 হলে, p3 + (1/p3) = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
p + (1/p) = 4

p3 + 1/p3 = (p + 1/p)3 - 3.p.(1/p).(p + 1/p)
= 43 - 3 × 4
= 64 - 12
= 52 
৫৩.
a + b = c হলে, a3 + b3 + 3abc = কত?
  1. a3
  2. b3
  3. 0
  4. c3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = c হলে,  ‍a3 + b3 + 3abc = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
a + b = c

প্রদত্ত রাশি = a3 + b3 + 3abc
= (a + b)3 - 3ab(a + b) + 3abc
= c3 - 3abc + 3abc
= c3
৫৪.
a = 15 এবং b = 5 হলে (a - b)2/(a - b) = কত?
  1. 30
  2. 10
  3. 15
  4. 20
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = 15 এবং b = 5 হলে (a - b)2/(a - b) = কত?

সমাধান:
a = 15 এবং b = 5

প্রদত্ত রাশি = (a - b)2/(a - b) 
=(a - b)(a - b) /(a - b) 
= a - b
= 15 - 5
= 10
৫৫.
বৃত্তস্থ সামান্তরিক একটি -
  1. বর্গক্ষেত্র
  2. ট্রাপিজিয়াম
  3. রম্বস
  4. আয়তক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তস্থ সামান্তরিক একটি -

সমাধান:
বৃত্তে অন্তর্লিখিত সামান্তরিক একটি আয়তক্ষেত্র।
কারণ বৃত্তের ভেতর সামান্তরিক আকলে এর বিপরীত বাহুদ্বয় সমান ও সমান্তরাল এবং কোণগুলো সমকোণ হয়ে যায়।
৫৬.
একটি সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের কতগুণ?
  1. চারগুণ
  2. তিনগুণ
  3. দ্বিগুণ
  4. পাঁচগুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের কতগুণ?

সমাধান:
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = x
সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গ = x2
সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গ = (x2/2) বা, x2/4
একটি সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের চারগুণ।
৫৭.
(০.০০৩) = কত?
  1. ০.০০৯
  2. ০.০০০৯
  3. ০.০০০০৯
  4. ০.০০০০০৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (০.০০৩)2 = কত?

সমাধান:
(০.০০৩)2 = ০.০০৩ × ০.০০৩
= ০.০০০০০৯
৫৮.
নিচের কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
  1. ২/২০
  2. ৩/৫
  3. ৪/১৫
  4. ৭/২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?

সমাধান:
২/২০ = ০.১
৩/৫ = ০.৬
৪/১৫ = ০.৫৩৩
৭/২৫ = ০.২৮
৫৯.
কোনো স্কুলে ৫৩ জন ছাত্রের মধ্যে ৩৬ জন গান পছন্দ করে; ১৮ জন কবিতা পছন্দ করে। ১০ জন কোনোটিই পছন্দ করে না। কতজন দুটোই পছন্দ করে?
  1. ১০ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৪ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো স্কুলে ৫৩ জন ছাত্রের মধ্যে ৩৬ জন গান পছন্দ করে; ১৮ জন কবিতা পছন্দ করে। ১০ জন কোনোটিই পছন্দ করে না। কতজন দুটোই পছন্দ করে?

সমাধান:
শুধু গান অথবা শুধু কবিতা অথবা উভয়টিই পছন্দ করে = (৫৩ - ১০) জন = ৪৩ জন 
৩৬ জন গান পছন্দ করে,
∴ শুধু কবিতা পছন্দ করে = (৪৩ - ৩৬) জন = ৭ জন 
কিন্তু মোট কবিতা পছন্দ করে ১৮ জন, 
∴ গান ও কবিতা উভয়টিই পছন্দ করে = (১৮-৭) জন = ১১ জন 

∴ দুটোই পছন্দ করে = ১১ জন।
৬০.
৯, ১২, ১৮, ৩০, ৫৪,............. ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ১৫২
  2. ১০৬
  3. ১০২
  4. ৭৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৯, ১২, ১৮, ৩০, ৫৪,............. ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
১ম  সংখ্যা = ৯
২য়  সংখ্যা = ৯ × ২ - ৬ = ১২
৩য় সংখ্যা = ১২ × ২ - ৬ = ১৮
৪র্থ সংখ্যা = ১৮ × ২ - ৬ = ৩০
৫ম সংখ্যা =৩০ × ২ - ৬ = ৫৪

৬ষ্ঠ সংখ্যা = ৫৪× ২ - ৬ = ১০২
৬১.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. করতোয়া
  2. গড়াই
  3. আত্রাই
  4. মহানন্দা
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:

- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬২.
দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. রংপুর
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:

- লালমনিরহাট জেলায় দহগ্রাম ছিটমহলটি অবস্থিত।
- লালমনিরহাটকে ছিটমহলবেষ্টিত জেলা বলা যায়।
- এ জেলায় ৩৩ টি ছিটমহল রয়েছে।
- এ জেলার বৃহত্তম ছিটমহল দুটি হচ্ছে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- তিন বিঘা করিডরের মাধ্যমে এই দুই ছিটমহলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৩.
ঢাকা বিভাগে কয়টি জেলা?
  1. ১০টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিভাগ:

- ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ গঠিত হয়।
- ১৮৬৪ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে এটিকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয় এবং ১৯৮৩ সালে একে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়।
- ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা ১৩টি।
- উপজেলার সংখ্যা ৮৯টি।
- সংসদীয় আসন ৭০টি।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৪.
আইফেল টাওয়ার কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. মিউনিথ
  3. মস্কো
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
আইফেল টাওয়ার:

- আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- গুস্তাভ আইফেলের নাম অনুসারে আইফেল টাওয়ারের নামকরণ করা হয়।
- আইফেল টাওয়ারের নির্মাণকাজ ১৮৮৭ এবং ১৮৮৯ সালের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছিল।
- টাওয়ারটি ১৮৮৯ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠামোর রেকর্ডটি দখল করেছিল কিন্তু বহু দশক ধরে ফ্রান্সের সবচেয়ে উঁচু কাঠামো হিসেবে রয়ে গেছে।
- টাওয়ারটি প্যারিসে অনুষ্ঠিত ১৮৮৯ সালের প্রদর্শনীর কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে নির্মিত হয়েছিল।
- টাওয়ারের শীর্ষে রেডিও এরিয়ালটি যোগ করা হয়েছে ১৯৫৭ সালে।
- ১৯২৫ সালে টাওয়ারে আলোকিত সিট্রোয়েন সাইনেজ স্থাপন করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৬৫.
উপমহাদেশে প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কখন সংঘটিত হয়?
  1. ১৮৫৭ সালে
  2. ১৭৫৭ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৮৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম:

- ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের স্বাধীনতা সংগ্রাম এক যুগান্তকারী ঘটনা।
- ভারতের রাজনৈতিক, আর্থ- সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক ক্ষেত্রে কোম্পানি সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা, অনুসৃত নীতি বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আর ক্ষোভের সৃষ্টি করে, তারই বহিঃপ্রকাশ এই সংগ্রাম।
- নানা কারণে এ সংগ্রাম ব্যর্থ হয়। তবে এর ফলে ভারতে একশ বছরের কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে।
- উপমহাদেশের শাসনভার ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টের হাতে অর্পিত হয়।
- এটি ভারতের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
ক্রিপস মিশন কোন উদ্দেশ্যে এদেশে আগমন করে?
  1. অর্থনৈতিক
  2. রাজনৈতিক
  3. সামাজিক
  4. সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা
ক্রিপস মিশন:

- ক্রিপস মিশন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এদেশে আগমন করে।
- ক্রিপস মিশন ১৯৪২ সালের ২৩ মার্চ ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ভারতে প্রেরিত একটি মিশন।
- এ মিশনের মাধ্যমে ভারতকে নতুন কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- শ্রমিক দলের একজন চরমপন্থি সদস্য ও সে সময়ের হাউস অব কমন্স-এর নেতা ক্রিপস ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একজন প্রবল সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- দুটি বিষয়ের ওপর বিবেচনা করে ক্রিপস মিশন প্রণোদিত হয়।
- প্রথমত, ১৯৪০ সালের অক্টোবরে গান্ধী কর্তৃক সত্যাগ্রহ আন্দোলনের আহবান, যার উদ্দেশ্য ছিল। ভারতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্রিটিশদের যুদ্ধ তৎপরতাকে বিঘ্নিত করা এবং ব্রিটিশদের স্বার্থে এর সমাপ্তি টানা।
- দ্বিতীয়ত, যুদ্ধে জাপানিদের হাতে সিঙ্গাপুর (১৯৪২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি), রেঙ্গুন (৮ মার্চ) ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের (২৩ মার্চ) পতন সমগ্র ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কাঠামোকে হুমকির সামনে ফেলে দিয়েছিল।
- এরকম সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্রিটিশগন উপলব্ধি করেছিল যে, ভারতীয়দের সমর্থন পেতে হলে কিছু কাজ করতে হবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৭.
লালবাগের কেল্লা কে স্থাপন করেন?
  1. টিপু সুলতান
  2. শাহ সুজা
  3. শায়েস্তা খান
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:

- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬৮.
নিচের কোন পর্যটক সোনারগাঁও এসেছিলেন?
  1. মার্কোপোলো
  2. ফা- হিয়েন
  3. হিউয়েন সাং
  4. ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও: 

- ১৩৩৫ থেকে ১৫৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁও কখনো বাংলার রাজধানী আবার কখনো পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল।
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্র্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন।
- পানামের জমিদারেরা ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী-আন্দোলন ও মহাত্মা গান্ধীর অহিংস-আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক মোহাজের সমস্যা সোনারগাঁওয়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
সমুদ্রকে নীল দেখানোর কারণ হলো আপতিত সূর্য রশ্মির -
  1. বিক্ষেপণ
  2. প্রতিফলন
  3. প্রতিসরণ
  4. পোষণ
ব্যাখ্যা
বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের আলোর মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- যখন এক আলোক তরঙ্গ অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার ওপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়। একে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- এ বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ওপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি।
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়।  
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- যখন এই আলোকরশ্মি সাগরের পানিতে এসে প্রবেশ করে তখন লাল, কমলা, হলুদ এইসব দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো পানির মধ্যে দৃঢ়ভাবে শোষিত হয়ে যায়। 
- কিন্তু ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলো তেমনটা শোষিত না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়। তখন আমরা সাগরের পানি নীল রঙের দেখতে পাই। 

উৎস:
পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও নাসার ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৭০.
যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তার ওজন-
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. একই
  4. অর্ধেক হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
- যখন কোন বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন বাড়তে থাকে। 
- বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি; সুতরাং কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষীয় ত্বরণের উপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি। 
- অভিকর্ষীয় ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম। যেহেতু মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুব অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ কম তাই বিষুব অঞ্চলে বস্তুর ওজনও কম। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষীয় ত্বরণ শূন্য, এজন্য পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর কোনো ওজন নাই। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭১.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বলতে বোঝানো হয় -
  1. স্মৃতি অংশ
  2. কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ
  3. কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট যান্ত্রিক সরঞ্জাম
  4. শক্ত ধাতব অংশ
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার: 
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। 
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার। 
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি। 
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ। 

সফটওয়্যার: 
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়। 
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। 
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়। 
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS  ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭২.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে -
  1. টেকের হাটে
  2. রাণীগঞ্জে
  3. বিয়ানীবাজারে
  4. বিজয়পুরে
ব্যাখ্যা
চীনামাটি(White Clay or China Clay): 

- কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে প্রাপ্ত চীনামাটির গুণগত মান উন্নত নয়।
- এ চীনামাটির সঙ্গে আমদানিকৃত উচ্চ মানসম্পন্ন কর্দম মিশিয়ে তা দেশের  সিরামিক শিল্প কারখানাগুলিতে ব্যবহূত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৩.
বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রাপ্তদের সংখ্যা কত?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭৪.
সার্কের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. দিল্লি
  2. কাঠমান্ডু
  3. ঢাকা
  4. কলম্বো
ব্যাখ্যা
সার্ক:

- সার্ক হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- এগুলো হলো:
• বাংলাদেশ।
• ভারত
• পাকিস্তান
• নেপাল
• শ্রীলংকা
• ভুটান
• মালদ্বীপ
• আফগানিস্তান।

তথ্যসূত্র - সার্ক ওয়েবসাইট।
৭৫.
বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়?
  1. ২৬ মার্চ
  2. ১৬ ডিসেম্বর
  3. ১৪ ডিসেম্বর
  4. ২৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস:

- শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৪ ডিসেম্বর পালন করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুই শতেরও বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৬.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ৯টি
  2. ১৪টি
  3. ১২টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৭৭.
যে বস্তু আলোর সকল রং প্রতিফলিত করে, তার রং -
  1. কালো
  2. সাদা
  3. লাল
  4. বেগুনি
ব্যাখ্যা
রঙ: 
- কোনো বস্তু তার নিজস্ব রঙে দেখা যায়, কারণ নির্দিষ্ট রঙের বস্তুটি নিজের রঙ ছাড়া সকল রঙ শোষণ করে এবং নিজের রঙ প্রতিফলিত করে। 
- তাই বস্তু তার নিজের রঙে দেখা যায়। 
- সাতটি রঙের সমন্বয়ে সাদা রঙ হয়, সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য কালো রঙ হয়। 

- যে বস্তু আলোর সব রঙ প্রতিফলিত করে তা সাদা দেখায়। 
- কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে কালো দেখায়। 
যেমন- আলোর সকল বর্ণ প্রতিফলিত করে বলে বরফ সাদা দেখায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
 
৭৮.
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় -
  1. কঠিন পদার্থ
  2. তরল পদার্থ
  3. বায়বীয় পদার্থ
  4. মিশ্র পদার্থ
ব্যাখ্যা
- তাপ প্রয়োগে করলে সব ধরনের পদার্থই প্রসারিত হয়। 
- তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়। 
- কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম। 
- তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৯.
মাঝখানে গোলাকার ছিদ্রবিশিষ্ট একটি প্লেটকে উত্তপ্ত করলে, ছিদ্রটির ব্যাস-
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. অপরিবর্তিত থাকবে
  4. প্রথমে বাড়বে, পরে কমবে
ব্যাখ্যা
- একটি গোলাকার ছিদ্রযুক্ত প্লেটের মাঝখানে যখন গরম করা হয়, তখন প্লেটের উপাদান অর্থাৎ চারপাশ সব দিকে সম্প্রসারিত হয়। 
- এই সম্প্রসারণ ছিদ্রের চারপাশের উপাদানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যার অর্থ প্লেট সম্প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রের ব্যাসও বৃদ্ধি পায়। 
- প্রথম দৃষ্টিতে এটি হ্রাস বা কমবে মনে হতে পারে, কারণ কেউ হয়তো ভাববে, উপাদান সম্প্রসারিত হলে ছিদ্রটি সংকুচিত হবে, কিন্তু এটি বোঝার মূল কথা হলো ছিদ্রটিকে সেই উপাদানের একটি অংশ হিসাবে ধরা, যা নিজেও সম্প্রসারিত হচ্ছে। 
- প্লেটের প্রতিটি অংশ, ছিদ্রের সীমানাকে সংজ্ঞায়িত করা প্রান্তগুলিও ছিদ্রের কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে চলে যায়। তাই, প্লেট গরম হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রটি বড় হয়ে যায়। 
অর্থাৎ, যখন মাঝখানে বৃত্তাকার ছিদ্র থাকা একটি প্লেটকে গরম করা হয়, তখন ছিদ্রটির ব্যাস বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: বোস্টন ইউনিভার্সিটি এবং রাইট স্টেট ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৮০.
বর্ণালীর প্রান্তীয় বর্ণ কি কি?
  1. বেগুনি ও হলুদ
  2. লাল ও নীল
  3. নীল ও সবুজ
  4. বেগুনি ও লাল
ব্যাখ্যা
- বর্ণালির প্রান্তীয় বৰ্ণগুলো হচ্ছে- বেগুনী এবং লাল। 
- আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল। 
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়। 
- আবার আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়। 
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।