পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৪৪
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান, মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ বই ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৪ প্রশ্ন

.
'উমেদারি' শব্দের অর্থ -
  1. ক) ভূসম্পত্তি
  2. খ) চাকরি
  3. গ) মোসাহেবি
  4. ঘ) পেশাবৃত্তি
সঠিক উত্তর:
গ) মোসাহেবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোসাহেবি
ব্যাখ্যা
উমেদারি (বিশেষ্য)
ইহা ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
অর্থ: চাকরির আশায় অন্যের মন রক্ষা করে ঘোরাঘুরি, মোসাহেবি। 
 
উৎসঃ আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
'সাবমেরিন' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) ফরাসি
  2. খ) লাতিন
  3. গ) গ্রীক
  4. ঘ) স্প্যানিশ
সঠিক উত্তর:
খ) লাতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাতিন
ব্যাখ্যা
সাবমেরিন (বিশেষ্য)
অর্থ: জলে ডুবে চলে এমন যুদ্ধ জাহাজ, ডুবোজাহাজ। 
'সাবমেরিন' শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে আগত। 
 
উৎসঃ আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
নিচের কোনটি শিস ধ্বনি?
  1. ক) ল
  2. খ) স
  3. গ) ই্
  4. ঘ) ঞ
সঠিক উত্তর:
খ) স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স
ব্যাখ্যা
শ, ষ, স, হ এ চারটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি। এ বর্ণগুলোকে বলা হয় উষ্মবর্ণ।
শিশ দেয়ার সঙ্গে সাদৃশ্য আছে বলে এগুলােকে শিশধ্বনিও বলা হয়।

নাসিক্য ধ্বনি- ঙ, ঞ, ণ, ন, ম, ং, ঁ এর মধ্যে অনুনাসিক বর্ণ - ঁ ।
অর্ধস্বর বর্ণ - ৪টি। যথা- ই্, উ্, এ্, ও্ ।
পার্শ্বিক বর্ণ - ১টি। যথা- ল।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ। 
.
'গ্রহণ করার ইচ্ছা' এর এককথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. ক) জিজীবিষা
  2. খ) জিঘাংসা
  3. গ) জিজীবিষু
  4. ঘ) জিঘৃক্ষা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিঘৃক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিঘৃক্ষা
ব্যাখ্যা
জিঘৃক্ষা  (বিশেষ্য):
অর্থঃ গ্রহণ করার ইচ্ছা, বশীকরণের ইচ্ছা। 
 
জিজীবিষা (বিশেষ্য):
অর্থঃ বেঁচে থাকার ইচ্ছা; জীবনের আকাঙ্খা (তখনকার মরণাতঙ্ক নিরুপম জিজীবিষার উত্তরসাক্ষ্য নয়-সুধীন্দ্রনাথ দত্ত)।

জিজীবিষু (বিশেষণ) 
অর্থঃ বেঁচে থাকতে ইচ্ছুক।

জিঘাংসা (বিশেষ্য)
অর্থঃ বধ করার ইচ্ছা 

উৎসঃ আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
ব্যাকরণের কোন অংশে 'বিপরীত শব্দ' আলোচিত হয়?
  1. ক) ধ্বনিতত্ত্ব
  2. খ) অর্থতত্ত্ব
  3. গ) রূপতত্ত্ব
  4. ঘ) বাক্যতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
ভাষা হলো বাক্যের সমষ্টি। বাক্য গঠিত হয় শব্দ দিয়ে। আবার শব্দ তৈরি হয় ধ্বনি দিয়ে। এদিক থেকে ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান হলো ধ্বনি। এই ধ্বনি, শব্দ, বাক্য – প্রত্যেকটি অংশই ব্যাকরণের আলোচ্য। এছাড়া শব্দের ও বাক্যের বহু ধরনের অর্থ হয়। সেসব অর্থ নিয়েও ব্যাকরণে আলোচনা করা হয়। ব্যাকরণের এসব আলোচ্য বিষয় বিভক্ত হয় অন্তত চারটি ভাগে, যথা – ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।
ধ্বনিতত্ত্ব
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি। লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত। ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগ্যন্ত্র, বাগ্যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি। 

রূপতত্ত্ব
রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়। বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দনির্মাণ ও পদনির্মাণ প্রক্রিয়া।

বাক্যতত্ত্ব
বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়। এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে ।

অর্থতত্ত্ব
ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়। বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।
 
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
.
'খেলা হলো জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম।' - এর প্রশ্নবোধক বাক্য কোনটি?
  1. ক) খেলা জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম কি?
  2. খ) খেলা জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম নয় কি?
  3. গ) খেলা কি জীবজগতের কর্ম নয়?
  4. ঘ) খেলা জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম না?
সঠিক উত্তর:
খ) খেলা জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম নয় কি?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খেলা জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম নয় কি?
ব্যাখ্যা
নেতিবাচক বাক্য থেকে প্রশ্নবোধক বাক্যে রুপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সাধারণ সূত্রগুলো অবলম্বন করতে হবে এবং নেস্তিবাচক বাক্যকে প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপান্তরের পর প্রশ্নবোধক বাক্যে প্রশ্ন চিহ্ন (?) বসাতে হবে।

নিয়ম১ঃ
নেতিবাচক বাক্যের না-সূচক শব্দ তুলে দিতে হয় এবং নির্দেশক হলে 'কি' এবং নঞর্ধক বাকা হলে 'নাকি', ‘নয় কি'-সহ জিজ্ঞাসার চিহ্ন (?) ব্যবহার করতে হয়। যেমন :
নেতিবাচক : খেলা হলো জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম।
প্রশ্নবোধক : খেলা জীবজগতের নিষ্পাপ কর্ম নয় কি?
নেতিবাচক : আর পথ নেই।
প্রশ্নবোধক আর কি পথ নেই?

নিয়ম ২ঃ
'না' সূচক শব্দ তুলে দিয়ে 'হ্যাঁ'-সূচক অর্থপূর্ণ শব্দের ব্যবহার করতে হয় এবং 'কি', 'নয় কি', শব্দ ব্যবহার করে জিজ্ঞাসা চিহ্ন বসাতে হয়।
যেমন :
নেতিবাচক : দুঃখের আর অন্ত নেই। প্রশ্নবোধক : দুঃখের অন্ত আছে কি? 

উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'Public Servant' শব্দের পরিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) জন-কৃত্যক
  2. খ) জন-মাধ্যম
  3. গ) রাজভৃত্য
  4. ঘ) সরকারি অভিযোক্তা
সঠিক উত্তর:
গ) রাজভৃত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজভৃত্য
ব্যাখ্যা
Public Servant  শব্দের পরিভাষিক শব্দ - রাজভৃত্য, সরকারি কর্মচারি। 
Public Service  শব্দের পরিভাষিক শব্দ - জন-কৃত্যক । 
Public media  শব্দের পরিভাষিক শব্দ - জন-মাধ্যম। 
Public Prosecutor শব্দের পরিভাষিক শব্দ - সরকারি অভিযোক্তা। 
 
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা; বাংলা একাডেমি।
 
.
'ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়।' - এখানে ঝিলমিল কোন ধরণের দ্বিত্ব?
  1. ক) পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  2. খ) অনুকার দ্বিত্ব
  3. গ) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অনুকার দ্বিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুকার দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
অনুকার দ্বিত্ব
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
 এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। 
তাতে শব্দকে খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়। প্রকাশ পায় ‘এই রকম একটা’ ভাব। 
যেমন: 
অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, ঝাল-টাল, হেন-তেন, লুচিফুচি, টাট্টু-ফাট্টু, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলোমেলো, ঝিকিমিকি, কচর-মচর, ঝিলমিল, শেষ মেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝেসুঝে।

অনুকার দ্বিত্বে অনেক সময়ে স্বরের পরিবর্তন ঘটে, যেমন –
আড়াআড়ি, খোঁজাখুঁজি, ঘোরাঘুরি, চুপচাপ, ঠেকাঠেকি, তাড়াতাড়ি, দলাদলি, দামাদামি, পাকাপাকি, বাড়াবাড়ি, মোটামুটি, টুকরো-টাকরা, ধারধোর, জোগাড়-জাগাড়।
 
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
.
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) জীমূত
  2. খ) তটিনী
  3. গ) ঊর্মিমালি
  4. ঘ) কাদম্বিনী
সঠিক উত্তর:
গ) ঊর্মিমালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঊর্মিমালি
ব্যাখ্যা
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দঃ
- ঊর্মিমালি 
- অর্ণব,
- জলধি,
- জলনিধি,
- পারাবার,
- বারিধি,
- রত্নাকর,
- সাগর,
- সিন্ধু ইত্যাদি।

'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দঃ
- স্রোতস্বতী,
- তটিনী,
- স্রোতস্বিনী।
 
'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দঃ
 - অভ্র, 
- জীমূত, 
- নীরদ, 
- তোয়দ, 
- কাদম্বিনী 

উৎসঃ আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
নিচের কোনটি বাগযন্ত্রের অংশ?
  1. ক) ওষ্ঠ
  2. খ) স্বরযন্ত্র
  3. গ) মূর্ধা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাগযন্ত্র: ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্‌যন্ত্র বলে।
- মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগ্‌যন্ত্রের অন্তর্ভূক্ত।

বাগ্‌যন্ত্রের অংশ সমূহ:
১. ফুসফুস 
২. শ্বাসনালী
৩. স্বরযন্ত্র
৪. জিভ
৫. আলজিভ
৬. তালু
৭. মূর্ধা
৮. দন্তমূল ও দন্ত
৯. ওষ্ঠ
১০. নাসিকা ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০২১ সংস্করণ)।
১১.
‘Notary Public’ -এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) স্বরলিপি
  2. খ) প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তি
  3. গ) বিজ্ঞপ্তি ফলক
  4. ঘ) দলিলপ্রমাণক
সঠিক উত্তর:
ঘ) দলিলপ্রমাণক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দলিলপ্রমাণক
ব্যাখ্যা
- ‘Notary Public’ -এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে দলিলপ্রমাণক, লেখ্য-প্রমাণক। 
- ‘Notation’ -এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে স্বরলিপি; অঙ্কপাতন। 
- ‘Notification’ -এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তি। 
- ‘Notice Board’ -এর বাংলা পরিভাষা হচ্ছে বিজ্ঞপ্তি ফলক। 
 
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা; বাংলা একাডেমি।
১২.
নিন্দা অর্থে কোন শব্দটি ব্যবহার হয়েছে?
  1. ক) বাহাদুরি
  2. খ) জেঠামি
  3. গ) চোরা
  4. ঘ) বেতো
সঠিক উত্তর:
খ) জেঠামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেঠামি
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের অর্থ অনেক সময়ে বদলে যায়। 
যেমন:
অবজ্ঞা অর্থে: চোর→চোরা
বৃহৎ অর্থে: ডিঙি→ডিঙা, 
সদৃশ অর্থে: বাঘ→বাঘা, 
আগত অর্থে: দখিন⇒দখিনা, 
আদর অর্থে: কানু→ কানাই, 
জাত অর্থে: ঢাকা → ঢাকাই, 
ভাব অর্থে: ইতর → ইতরামি, 
নিন্দা অর্থে: জেঠা → জেঠামি, 
ভাব অর্থে: বাহাদুর → বাহাদুরি
পেশা অর্থে: ডাক্তার → ডাক্তারি, 
মালিক অর্থে: জমিদার → জমিদারি, 
উপকরণ অর্থে: মাটি → → মেটে, 
নৈপুণ্য অর্থে: না → নেয়ে, 
রোগগ্রস্ত অর্থে: বাত → বেতো
যুক্ত অর্থে: টাক → → টেকো, 
সংশ্লিষ্ট অর্থে: গাঁ গেঁয়ো ।
 
 সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
১৩.
নিচের কোনটি সমার্থক নয়?
  1. ক) আটকপালে - ইদুরকপালে
  2. খ) গোঁফ খেজুরে - কাছাঢিলা
  3. গ) বর্ণচোরা - বকধার্মিক
  4. ঘ) পটল তোলা - অক্কা পাওয়া
সঠিক উত্তর:
খ) গোঁফ খেজুরে - কাছাঢিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গোঁফ খেজুরে - কাছাঢিলা
ব্যাখ্যা
- গোঁফ খেজুরে = অলস 
- কাছাঢিলা = অসাবধান
 
পটল তোলা ও অক্কা পাওয়া উভয়ের অর্থ মারা যাওয়া।
বর্ণচোরা ও  বকধার্মিক উভয়ের অর্থ  ভন্ড।
আটকপালে ও  ইদুরকপালে উভয়ের অর্থ হতভাগ্য/মন্দভাগ্য। 

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)
১৪.
'অভিরাম' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) চলনশীল
  2. খ) বিরামহীন
  3. গ) মনোহর
  4. ঘ) বিকশিত
সঠিক উত্তর:
গ) মনোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মনোহর
ব্যাখ্যা
অভিরাম (বিশেষণ)
অর্থ:
১ মনোহর; সুন্দর (কমলকোরক অভিরাম-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)।
২ তৃপ্তিদায়ক (নয়নাভিরাম দৃশ্য)।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
১৫.
'অনুতাপ' শব্দে অনু কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক) অতি ক্ষুদ্র
  2. খ) ক্ষুদ্র
  3. গ) পশ্চাৎ
  4. ঘ) পরবর্তী
সঠিক উত্তর:
গ) পশ্চাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পশ্চাৎ
ব্যাখ্যা
প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎপ্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয়, তবে তাকে প্রাদি সমাস বলে।
যেমন:
- প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন,
- পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ,
- অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি।
১৬.
নিচের কোনটি সার্থক বাক্যের গুণ নয়?
  1. ক) আকাঙ্খা
  2. খ) পদান্বয়
  3. গ) আসত্তি
  4. ঘ) যোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
খ) পদান্বয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পদান্বয়
ব্যাখ্যা
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকে।
যথা - আকাঙ্খা, আসত্তি ও যোগ্যতা

- বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য একপদের পর অন্যপদ শোনার যে আগ্রহ জাগে, তাকে বলা হয় আকাঙ্খা।

- বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্খলভাবে পদবিন্যাসকেই বলা হয় আসত্তি।
মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যের পদগুলো এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে অর্থ প্রকাশে বাধার সৃষ্টি না করে।

- বাক্যস্থিত পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

[সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি]
১৭.
'প্রকর্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) দূরবর্তী
  2. খ) নিকৃষ্টতা
  3. গ) সমৃদ্ধি
  4. ঘ) হীনতা
সঠিক উত্তর:
গ) সমৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
প্রকর্ষ (বিশেষ্য):
অর্থ:- শ্রেষ্ঠত্ব; উৎকর্ষ; উন্নতি; শ্রীবৃদ্ধি; সমৃদ্ধি

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি। 
১৮.
তুমি না বলেছিলে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে? - 'না' কী অর্থে প্রকাশ করেছে?
  1. ক) না-বাচক
  2. খ) প্রশ্নবোধক
  3. গ) হ্যাঁ-বাচক
  4. ঘ) বিস্ময়সূচক
সঠিক উত্তর:
খ) প্রশ্নবোধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রশ্নবোধক
ব্যাখ্যা
• তুমি না বলেছিলে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে?- এখানে 'না'- প্রশ্নাত্মক/প্রশ্নবোধন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• নির্দেশাত্মক বাক্য থেকে প্রশ্নাত্মক বাক্যে রূপান্তর:
নির্দেশাত্মক বাক্য থেকে প্রশ্নাত্মক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে প্রশ্নাত্মক বাক্যটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যার সবচেয়ে কাছাকাছি সম্ভাব্য উত্তর হবে নির্দেশাত্মক বাক্যটি।

• সূত্র: নির্দেশাত্মক বাক্য হ্যাঁ-বাচক হলে প্রশ্নাত্মক হবে না-বাচক, নির্দেশাত্মক বাক্য না-বাচক হলে প্রশ্নাত্মক হবে হ্যাঁ-বাচক। প্রথমটির ক্ষেত্রে বিধেয় ক্রিয়ার সঙ্গে নঞর্থক শব্দ যোগ করতে হয়, দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে নঞর্থক শব্দ বর্জন করে 'আর' প্রভৃতি বাক্যালঙ্কার শব্দের আগমন ঘটাতে হয়।
যেমন:
• নির্দেশাত্মক: দেশপ্রেমিককে সবাই ভালোবাসে।
• প্রশ্নাত্মক: দেশপ্রেমিককে কে না ভালোবাসে?

তেমনই,
• নির্দেশাত্মক: তুমি বলেছিলে আগামীকাল আসবে।
• প্রশ্নাত্মক: তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?

• সূত্র: রূপান্তরিত বাক্যে প্রয়োজনমতো 'কে', 'কি', 'কোথায়' ইত্যাদি প্রশ্নাত্মক শব্দ এবং প্রশ্ন (?) চিহ্ন বসাতে
হয়।
যেমন:
• নির্দেশাত্মক: কেউ মৃত্যুকে ফাঁকি দিতে পারে না।
• প্রশ্নাত্মক: কেউ কি মৃত্যুকে ফাঁকি দিতে পারে?

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
'বন্ধন' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) √বন্‌ + অন
  2. খ) √বন্ধ্‌ + ন
  3. গ) √বন্‌ + ধন্‌
  4. ঘ) √বন্ধ্‌+অন
সঠিক উত্তর:
ঘ) √বন্ধ্‌+অন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) √বন্ধ্‌+অন
ব্যাখ্যা
বন্ধন (বিশেষ্য) 
 {(তৎসম বা সংস্কৃত) √বন্ধ্‌+অন(ল্যুট্‌)}
অর্থ:
- বাঁধন
- অবরোধ; আটক; কয়েদ
- আবেষ্টন; বদ্ধভাব (বেণী-বন্ধন)
-  নির্মাণ; গ্রন্থন (সেতু-বন্ধন)
-  নিয়ন্ত্রণ; সংযম; নিরোধ

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান 
২০.
বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে কী বলে?
  1. ক) যৌগিক ধ্বনি
  2. খ) অক্ষর
  3. গ) মৌলিক ধ্বনি
  4. ঘ) বর্ণ
সঠিক উত্তর:
খ) অক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্ষর
ব্যাখ্যা
বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলে।
যেমন -
সমাবর্তন শব্দে চারটি অক্ষর আছে।
- সম+আ+√বৃৎ +অন = সমাবর্তন।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক অভিধান।
২১.
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?
  1. ক) খাসজমি
  2. খ) মামাবাড়ি
  3. গ) সেতার
  4. ঘ) বিজয়-পতাকা
সঠিক উত্তর:
গ) সেতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেতার
ব্যাখ্যা
বহুব্রীহি সমাস
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
 যেমন:  বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত, লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।
 
ক. পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হলে তাকে সমানাধিকার বহুব্রীহি বলে। যেমন এক গোঁ যার = একগুঁয়ে, লাল পাড় যে শাড়ির = লালপেড়ে।
খ. পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য (কখনো কখনো ক্রিয়াবিশেষ্য) হলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি হয়। যেমন - গোঁফে খেজুর যার = গোঁফখেজুরে।
গ. যে বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য থেকে এক বা একাধিক পদ লোপ পায়, তাকে পদলোপী বহুব্রীহি বলে। যেমন – চিরুনির মতো দাঁত যার = চিরুনদাঁতি, হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি। -
ঘ. পারস্পরিক ক্রিয়ায় কোনো অবস্থা তৈরি হলে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। যেমন - হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
ঙ. যে বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের পূর্বপদের বিভক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে, তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে। যেমন – - গায়ে এসে পড়ে যে = গায়েপড়া, কানে খাটো যে = কানেখাটো।
চ. যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক, তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন – চার ভুজ যে - ক্ষেত্রের = চতুর্ভুজ, সে (তিন) তার যে যন্ত্রের = সেতার
 
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
২২.
নিম্নের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) নার্গিস আখতার একজন সহকারী শিক্ষক।
  2. খ) নমিতা রায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতি।
  3. গ) তাহমিনা আক্তার একজন জেলা প্রশাসক।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদাকে নারীবাচক করা হয় না। 
- যেমন নার্গিস আখতার একজন সহকারী শিক্ষক। 
- নমিতা রায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতি।
 
 
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
২৩.
'Certified' -এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) সত্যায়িত
  2. খ) প্রতিপাদিত
  3. গ) প্রত্যয়িত
  4. ঘ) প্রমাণীকৃত
সঠিক উত্তর:
গ) প্রত্যয়িত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রত্যয়িত
ব্যাখ্যা
Attested - সত্যায়িত।
Certified - প্রত্যয়িত।
Verified - প্রতিপাদিত।
Authenticated - প্রমাণীকৃত।
 
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি। 
২৪.
‘দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য।'
উপরের বাক্যটিকে জটিল বাক্যে পরিণত করলে হবে –
  1. ক) যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য।
  2. খ) যে দুর্জন সেই পরিত্যাজ্য।
  3. গ) দুর্জন লোক মাত্রই পরিত্যাজ্য।
  4. ঘ) দুর্জন লোককে সকলে পরিত্যাগ করে।
সঠিক উত্তর:
ক) যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য।
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য রূপান্তর:
যে-সে, যিনি-তিনি, যারা তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়। যেমন:

সরল বাক্য: দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য।
জটিল বাক্য: যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য। 
 
সরল বাক্য: তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ। 
জটিল বাক্য: যেহেতু তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।
 
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
২৫.
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. ক) ক্ষমার্হ
  2. খ) গণন
  3. গ) কৈশিক
  4. ঘ) খোদিত
সঠিক উত্তর:
খ) গণন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গণন
ব্যাখ্যা
গণন হলো বিশেষ্য পদ। 
ক্ষমার্হ, কৈশিক, খোদিত হলো বিশেষণ পদ। 
 
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি। 
২৬.
উৎপত্তির বিচারে 'অক্ষরবৃত্ত ছন্দ' হলো -
  1. ক) তৎসম ছন্দ
  2. খ) তদ্ভব ছন্দ
  3. গ) অর্ধতৎসম ছন্দ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) তদ্ভব ছন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তদ্ভব ছন্দ
ব্যাখ্যা
অক্ষরবৃত্ত ছন্দঃ
উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ 'তদ্ভব ছন্দ' নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।

মাত্রাবৃত্ত ছন্দঃ
উৎপত্তির বিচারে এ  ছন্দ“তৎসম' বা 'অর্ধতৎসম ছন্দ'; যে ছন্দে প্রাচীন সংস্কৃত ও প্রাকৃত ছন্দের অনেক লক্ষণ অথবা অন্তত কিছুটা লক্ষণও বর্তমান আছে তাকেই বলা হয় 'মাত্রাবৃত্ত ছন্দ'।

উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
২৭.
নিচের কোন শব্দে ণত্ব বিধি অনুসারে 'ণ' -এর ব্যবহার হয়েছে?
  1. ক) কল্যাণ
  2. খ) ব্রাহ্মণ
  3. গ) বিপণি
  4. ঘ) নিক্বণ
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাহ্মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাহ্মণ
ব্যাখ্যা
তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে ণ- এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।
- ঋ, র, ষ - এর পরে স্বরধ্বনি; ষ, য়, ব, হ,ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমনঃ কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্‌, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ণ,) এরূপ- রুক্সিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

- এখানে কল্যাণ,নিক্বণ,বিপণি শব্দগুলোতে স্বভাবতই ণ হয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকর, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮.
নিচের কোনটি বাংলা উপসর্গ?
  1. ক) অনু
  2. খ) অধি
  3. গ) অনা
  4. ঘ) অপ
সঠিক উত্তর:
গ) অনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনা
ব্যাখ্যা
তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ:
যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি।
এগুলাে হলাে- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উদ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ। 


বাংলা উপসর্গ:
যেসব অব্যয় জাতীয় শব্দ বা শব্দাংশ বাংলা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাদেরকে বাংলা উপসর্গ বলা হয়।
বৈশিষ্ট্য
১. বাংলা উপসর্গগুলােকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ নামে অভিহিত করা হয়।
২. বাংলা ভাষায় কিছু অব্যয় জাতীয় শব্দ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় না। |
৩. এগুলাে সাধারণত নাম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়।
৪. এদের খাটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। বাংলা উপসর্গ একুশটি।
এগুলি হলাে- 
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊনা, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

তৎসম ও খাঁটি বাংলা উভয় উপসর্গে পাওয়া যায় = সু, বি, নি, আ। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
'নৈর্ঋত' কী ধরণের পদ?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) ক্রিয়া
  3. গ) সর্বনাম
  4. ঘ) বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
নৈর্ঋত (বিশেষ্য)
১ দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ; দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকের মধ্যবর্তী দিক।
২ রাক্ষসবিশেষ।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান। 
৩০.
বাচ্য বলতে কোনটিকে বোঝায়?
  1. ক) বাক্যের অর্থ
  2. খ) বাক্যের প্রকাশভঙ্গি
  3. গ) বাক্যের ভাব
  4. ঘ) বাক্যের প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
খ) বাক্যের প্রকাশভঙ্গি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাক্যের প্রকাশভঙ্গি
ব্যাখ্যা
বাক্যের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে। 
বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার ভূমিকা বদলে গিয়ে একই বক্তব্যের প্রকাশভঙ্গি আলাদা হয়ে যায়। 
ক্রিয়া কখনো কর্তাকে অনুসরণ করে, ক্রিয়া কখনো কর্মকে অনুসরণ করে, আবার ক্রিয়াই কখনো বাক্যের মধ্যে মুখ্য হয়ে ওঠে। 
 
যেমন:
সে বাজারে যায়।
সাহসী ছেলেটিকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
কোথায় যাওয়া হচ্ছে?
উপরের প্রথম বাক্যে 'যায়' ক্রিয়াটি 'সে' কর্তার অনুসারী। 
দ্বিতীয় বাক্যে 'করা হয়েছে' ক্রিয়াটি 'সাহসী ছেলেটিকে' কর্মের অনুসারী। 
তৃতীয় বাক্যে ‘যাওয়া হচ্ছে' ক্রিয়াই মুখ্য।
 
 প্রকাশভঙ্গির এই ভিন্নতা অনুযায়ী বাচ্য তিন প্রকার: কর্তাবাচ্য, কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্য।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ। 
৩১.
নিচের কোনটি পারিভাষিক শব্দ?
  1. ক) ইনসান
  2. খ) মহাবিদ্যালয়
  3. গ) টোপর
  4. ঘ) ডাক্তারখানা
সঠিক উত্তর:
খ) মহাবিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহাবিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
ইংরেজি 'College' শব্দের পরিভাষিক শব্দ - মহাবিদ্যালয়।
'ইনসান' শব্দটি আরবি ভাষার শব্দ।
'টোপর' -দেশি শব্দ।
'ডাক্তারখানা' - বাংলা + ফারসি শব্দ।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা; বাংলা একাডেমি।
৩২.
পর্তুগিজ ভাষা থেকে নিম্নোক্ত কোন শব্দটি বাংলা ভাষায় আত্তীকরণ করা হয়েছে?
  1. ক) আনারস
  2. খ) কার্তুজ
  3. গ) ডিপো
  4. ঘ) কুপন
সঠিক উত্তর:
ক) আনারস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আনারস
ব্যাখ্যা
কিছু পর্তুগিজ ভাষার শব্দ:
- আনারস, 
- আলপিন, 
- আলমারি, 
- গির্জা, 
- গুদাম, 
- চাবি, 
- পাউরুটি, 
- পাদ্রি, 
- বালতি ইত্যাদি। 
 
কার্তুজ, কুপন, ডিপো হলো ফরাসি ভাষার শব্দ। 
 
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও ব্যকরণ - নবম ও দশম শ্রেণি। 
৩৩.
'সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) সর্ব + অঙ্গীন
  2. খ) সর্বাঙ্গ + ঈন
  3. গ) সর্ব + নীন
  4. ঘ) সর্বঙ্গ + ঈন
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বাঙ্গ + ঈন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সর্বাঙ্গ + ঈন
ব্যাখ্যা
নীন (ঈন্‌)- প্রত্যয়ঃ
সর্বজন + নীন = সর্বজনীন
কুল + নীন = কুলীন
নব + নীন = নবীন
তেমনিভাবে,
সর্বাঙ্গ + ঈন = সর্বাঙ্গীণ
 
সর্বাঙ্গীণ শব্দের অর্থ পূর্ণাঙ্গ, সম্পূর্ণ। 

উৎস:  নবম-দশম শ্রেণী, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, পৃষ্ঠা নংঃ ৯২; আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৩৪.
নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ নয়?
  1. ক) হাত
  2. খ) গোলাপ
  3. গ) মানব
  4. ঘ) ফুল
সঠিক উত্তর:
গ) মানব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মানব
ব্যাখ্যা
মৌলিক শব্দঃ
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙ্গে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গোলাপ, নাক, তিল, হাত, ফুল ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মানব, একাঙ্ক, ধাতব ইত্যাদি সাধিত শব্দ।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
৩৫.
নিচের কোনটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) চালাক
  2. খ) হাজার
  3. গ) গণিত
  4. ঘ) বালিশ
সঠিক উত্তর:
গ) গণিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গণিত
ব্যাখ্যা
গণিত 'সংস্কৃত ভাষা' থেকে আগত শব্দ। 
 
অর্থ:
গণনা করা হয়েছে এমন, সংখ্যাত, গোনাগাথা; গণনার দ্বারা স্থিরীকৃত। 
 
অপরদিকে,
চালাক, হাজার, বালিশ হলো ফারসি শব্দ। 
 
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি। 
৩৬.
‘আর কত খেলা খেলবে’ - এখানে ‘খেলা’ কী?
  1. ক) প্রযোজ্য কর্ম
  2. খ) প্রযোজক ক্রিয়া
  3. গ) সমধাতুজ কর্ম
  4. ঘ) নামধাতু
সঠিক উত্তর:
গ) সমধাতুজ কর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমধাতুজ কর্ম
ব্যাখ্যা
- বাক্যের ক্রিয়া ও কর্ম পদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বা ধাত্বর্থক কর্মপদ বলে।
- সমধাতুজ কর্মপদ অকর্মক ক্রিয়াকে সকর্মক করে।
যেমনঃ
- ''আর কত খেলা খেলবে” —বাক্যে কর্মপদ 'খেলা' এবং ক্রিয়াপদ 'খেলবে' একই ধাতু 'খেল' থেকে গঠিত হয়েছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭.
নিচের কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) গ্রামছাড়া
  2. খ) রাজপথ
  3. গ) ধানক্ষেত
  4. ঘ) তেলেভাজা
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেলেভাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেলেভাজা
ব্যাখ্যা
তৎপুরুষ সমাস
সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় ।

ক. বিভক্তি লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত, 
ছেলেকে ভুলানো = ছেলে-ভুলানো
মামার বাড়ি = মামাবাড়ি, 
ধানের খেত = ধানখেত, 
পথের রাজা = রাজপথ 
গোলায় ভরা = গোলাভরা, 
গাছে পাকা = গাছপাকা, 
অকালে মৃত্যু = অকালমৃত্যু । 

খ. সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ: 
মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা, 
চিনি দিয়ে পাতা = চিনিপাতা
রান্নার জন্য ঘর = রান্নাঘর, 
বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা
গ্রাম থেকে ছাড়া = গ্রামছাড়া, 
আগা থেকে গোড়া = আগাগোড়া।

গ. কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুষ।  
যেমন: গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি, তেলে ভাজা = তেলেভাজা।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ। 
৩৮.
'হরিণ' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. ক) হরিন্
  2. খ) হোরিণ
  3. গ) হরীন্
  4. ঘ) হোরিন্
সঠিক উত্তর:
ঘ) হোরিন্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হোরিন্
ব্যাখ্যা
ণ বর্ণের উচ্চারণ [ন্]: 
কণা [কনা], বাণী [বানি], হরিণ [হোরিন্]
 
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
৩৯.
'সমর্থ' থেকে নিম্নের কোন শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?
  1. ক) সোমত্ত
  2. খ) সোপান
  3. গ) সোল্লাস
  4. ঘ) সওয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) সোমত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোমত্ত
ব্যাখ্যা
সোমত্ত, সমত্ত (বিশেষণ):
অর্থ -
১. বিয়ের উপযুক্ত (ঘরে আমার সোমত্ত মেয়ে);
২. যৌবনপ্রাপ্ত; বয়ঃপ্রাপ্ত; সমর্থ (সোমত্ত মেয়ে মাথার উপরে-কাজী আবদুল ওদুদ)।

{(তৎসম বা সংস্কৃত থেকে উৎপন্ন) সমর্থ>}

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
৪০.
নিচের কোন শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি?
  1. ক) সভাসদ
  2. খ) যথেষ্ট
  3. গ) ফলবান
  4. ঘ) তন্বী
সঠিক উত্তর:
খ) যথেষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যথেষ্ট
ব্যাখ্যা
'যথেষ্ট' শব্দটি সন্ধিজাত শব্দ।
যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট। 

- অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়। এ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- যেমন- শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা, মহা + ঈশ = মহেশ, পরম + ঈশ = পরমেশ ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪১.
'উরঙ্গম' শব্দটি দিয়ে বোঝায় -
  1. ক) উইপোকা
  2. খ) সাপ
  3. গ) তেলেপোকা
  4. ঘ) মাকড়সা
সঠিক উত্তর:
খ) সাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাপ
ব্যাখ্যা
উরঙ্গম (বিশেষ্য)
অর্থ: সাপ

ঊর্ণনাভ, ঊর্ণনাভি (বিশেষ্য):
মাকড়সা (ঊর্ণনাভ জাল বুনে চলে-আহসান হাবীব)।

উৎসঃ আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৪২.
'নতুন করে আরম্ভ করা' অর্থে বাগ্‌ধারা নিচের কোনটি?
  1. ক) কেঁচেগণ্ডূষ
  2. খ) বিসমিল্লায় গলদ
  3. গ) কূপমণ্ডূক
  4. ঘ) কলির সন্ধ্যা
সঠিক উত্তর:
ক) কেঁচেগণ্ডূষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কেঁচেগণ্ডূষ
ব্যাখ্যা
বাগ্‌ধারা এবং তাদের অর্থ সমূহ- 
কেঁচেগণ্ডূষ = নতুন করে আরম্ভ করা
কূপমণ্ডূক = সীমাবদ্ধ জ্ঞান
কলির সন্ধ্যা = মাত্র সূচনা 
বিসমিল্লায় গলদ = গোড়ায় ভুল 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ। 
৪৩.
নিচের কোনটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি?
  1. ক) ব
  2. খ) ফ
  3. গ) ভ
  4. ঘ) ড
সঠিক উত্তর:
খ) ফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ
ব্যাখ্যা
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাদের ঘােষ ধ্বনি এবং যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না তাদের অঘােষ ধ্বনি বলে।
অন্যদিকে,
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাদের মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে না, তাদের অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে।
[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০১৯]  
৪৪.
মাটির হাঁড়িপাতিল তৈরি করা যার পেশা -
  1. ক) কুম্ভিপাক
  2. খ) কুম্ভিলক
  3. গ) কুম্ভকার
  4. ঘ) কুম্ভিকা
সঠিক উত্তর:
গ) কুম্ভকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুম্ভকার
ব্যাখ্যা
কুম্ভকার - মাটির হাঁড়িপাতিল তৈরি করা যার পেশা। 
কুম্ভিলক - যে ব্যক্তি অন্যের রচনার ভাব বা ভাষা নিজের নামে চালায়।
কুম্ভিকা - ছোট কলসি।
কুম্ভিপাক - পুরাণোক্ত নরকবিশেষ।
 
উৎসঃ আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।