পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
‘Mandate’ শব্দের পারিভাষিক অর্থ কী?
  1. ক) বাধ্যতামূলক
  2. খ) আজ্ঞা
  3. গ) শাসক
  4. ঘ) প্রেষণা
সঠিক উত্তর:
খ) আজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আজ্ঞা
ব্যাখ্যা

‘Mandate’ শব্দের পারিভাষিক অর্থ - আজ্ঞা।
সূত্র: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।

.
‘শ্বেতপাথর’ শব্দটি গঠিত হয়েছে কোন দুই ভাষার শব্দ নিয়ে?
  1. ক) সংস্কৃত + বাংলা
  2. খ) সংস্কৃত + ফারসি
  3. গ) সংস্কৃত + আরবি
  4. ঘ) বাংলা + ফারসি
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃত + বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃত + বাংলা
ব্যাখ্যা

শ্বেতপাথর, বজ্রআঁটুনি - শব্দগুলো ‘সংস্কৃত + বাংলা’ শব্দ নিয়ে গঠিত।
সূত্র: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ।

.
‘রেনেসাঁস’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) ইংরেজি
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) ইতালীয়
  4. ঘ) জার্মান
সঠিক উত্তর:
খ) ফরাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফরাসি
ব্যাখ্যা

ফরাসি :
আতাঁত, কার্তুজ, কুপন, কোলাজ, দেতাঁত, কু (coup), ব্যালে, মাদাম, রেস্তোরাঁ, রেনেসাঁস

জার্মান :
কিন্ডার-গার্টেন, নাট্সি‌, ব্লিট্‌স্‌ক্রিগ, রাইখ্‌স্টাগ্‌।

ইতালীয় :
অপেরা, আউন্স, পাপারাৎসি, পিৎসা, পিয়ানাে, লাসানিয়া, ফাসিস্ত, সােনাটা, পিৎসিকাতাে, স্টাকাটো, সােপ্রানো।

ইংরেজি বিশেষ্য এবং বাংলা 'সহায়ক' ক্রিয়া যােগে যুক্তক্রিয়া :
গােল করা, বল করা, ব্যাট করা, পাস দেওয়া, থ্রো করা, সাপ্লাই দেওয়া, রিজাইন করা, অর্ডার করা/দেওয়া, হিট করা ইত্যাদি।

পোর্তুগিজ :
আতা, আনারস, আলকাতরা, আলমারি, ইস্ত্রি, ইস্পাত, কাজু, কামরা, ক্যানেস্তারা, গরাদ, গামলা, গির্জা, গুদাম, চাবি, জানালা, কিজেল, তোয়ালে, পিপে, পিরিচ, পেরেক, দিতে, বালতি, বােতাম, বর্গা, বােতল, মিস্ত্রি, শায়া, সাগু, সাবান ইত্যাদি।

রুশ :
বলশেভিক, ভােদকা, সােভিয়েত, স্পুটনিক, পেরেস্ত্রোইকা, গ্লাস্নোস্ত্‌, কমরেড।

ওলন্দাজ :
ইশকাপন, ইস্ক্রুপ, তুরুপ, রুইতন, হরতন।

সূত্র: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ।

.
শব্দদ্বিত্ব কয় ধরনের হয়?
  1. ক) ২ ধরনের
  2. খ) ৩ ধরনের
  3. গ) ৪ ধরনের
  4. ঘ) ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ ধরনের
ব্যাখ্যা

অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে।
শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের : অনুকার দিত্ব, ধ্বন্যাত্মক দিত্ব ও পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

.
উৎসের বিচারে নিচের কোন শ্রেণিটিকে শব্দের আগন্তুক উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) তদ্ভব
  3. গ) অর্ধতৎসম
  4. ঘ) দেশি
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেশি
ব্যাখ্যা

উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

.
নিচের কোনটি পদের শ্রেণিভুক্ত নয়?
  1. ক) আবেগ
  2. খ) অনুসর্গ
  3. গ) যোজক
  4. ঘ) পদাণু
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদাণু
ব্যাখ্যা

শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার নাম হয় পদ। বাক্যের অন্তর্গত এসব শব্দ বা পদকে মােট আটটি শ্রেণিতে ভাগ করে বর্ণনা করা যায়:
১. বিশেষ্য
২. সর্বনাম
৩. বিশেষণ
৪. ক্রিয়া
৫. ক্রিয়াবিশেষণ
৬. অনুসর্গ
৭. যােজক ও
৮. আবেগ

বাক্যে প্রয়ােগের উপরে শব্দশ্রেণির এই আট রকম বিভাজন চূড়ান্ত হয়ে থাকে।
যেমন, যখন বলা হয়: 'লাল থেকে নীল ভালাে, তখন 'লাল' এটি বিশেষ্য পদ। কিন্তু যখন বলা হয়: আমি একটি লাল ফুল তুলেছি – তখন 'লাল' বিশেষণ পদ।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

.
‘যমুনা’ কোন ধরণের বিশেষ্য?
  1. ক) বস্তু-বিশেষ্য
  2. খ) স্থাননাম-বিশেষ্য
  3. গ) সৃষ্টিনাম-বিশেষ্য
  4. ঘ) কালনাম-বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
খ) স্থাননাম-বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থাননাম-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

নাম-বিশেষ্য: ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়। যেমন -
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সােমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

বস্তু বিশেষ্য: কোনাে দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন – ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

সুতরাং, যমুনা স্থাননাম বিশেষ্য হবে।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

.
ইউরোপের দেশগুলোতে গাড়ি বেশ জোড়ে চলে। এখানে ‘বেশ’ শব্দটি কী?
  1. ক) ভাববাচক বিশেষণ
  2. খ) বিধেয় বিশেষণ
  3. গ) অবস্থাবাচক বিশেষণ
  4. ঘ) গুণবাচক বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
ক) ভাববাচক বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাববাচক বিশেষণ
ব্যাখ্যা

ভাববাচক বিশেষণ: যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – “খুব ভালাে খবর' ও ‘গাড়িটা বেশ জোরে চলছে’ – এসব বাক্যে খুব এবং বেশ ভাববাচক বিশেষণ।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

.
“শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।” এখানে মুখ্য কর্ম কোনটি?
  1. ক) শিক্ষক
  2. খ) ছাত্রকে
  3. গ) বই
  4. ঘ) দিলেন
সঠিক উত্তর:
গ) বই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বই
ব্যাখ্যা

বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন – শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
এই বাক্যে ‘দিলেন' একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া।
কী দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (বই)।
আর কাকে দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (ছাত্রকে)।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১০.
কোন বাক্যে কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) তিনি এখানে এসেছিলেন
  2. খ) ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়
  3. গ) গতকাল তিনি ঘুরে গিয়েছেন
  4. ঘ) একটু ঘুরে আসুন না
সঠিক উত্তর:
গ) গতকাল তিনি ঘুরে গিয়েছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গতকাল তিনি ঘুরে গিয়েছেন
ব্যাখ্যা

কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন-
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি
যথাসময়ে সে হাজির হয়।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১১.
নিচের কোনটিতে ক্রিয়াজাত অনুসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) সবার সামনে থাকবে।
  2. খ) মন দিয়ে লেখাপড়া করো।
  3. গ) কার কাছে গেলে জানা যাব?
  4. ঘ) এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
সঠিক উত্তর:
খ) মন দিয়ে লেখাপড়া করো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মন দিয়ে লেখাপড়া করো।
ব্যাখ্যা

ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে। যেমন -
করে: ভালাে করে খেয়ে নাও।
থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার ।
ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
বলে: সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১২.
এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না। নিম্নরেখ শব্দটি কী?
  1. ক) বিরোধ যোজক
  2. খ) বিকল্প যোজক
  3. গ) কারণ যোজক
  4. ঘ) সাপেক্ষ যোজক
সঠিক উত্তর:
ক) বিরোধ যোজক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিরোধ যোজক
ব্যাখ্যা

বিরােধ যােজক: এ ধরনের যােজক বাক্যের দুটি অংশের সংযােগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরােধ তৈরি করে। যেমন -
এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালাে করতে পারলাম না।
তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।

বিকল্প যােজক:
এ ধরনের যােজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে। যেমন -
লাল বা নীল কলমটা আননা।
চা না-হয় কফি খান।

কারণ যোজক: এ ধরনের যােজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযােগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ। যেমন -
জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি।
বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।

সাপেক্ষ যােজক: এ ধরনের যােজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন -
যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১৩.
'আবেগ' শ্রেণিভুক্ত শব্দ বাক্যে কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্বাধীনভাবে
  2. খ) অনুমোদিতভাবে
  3. গ) নিয়ন্ত্রিতভাবে
  4. ঘ) শর্তসাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীনভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীনভাবে
ব্যাখ্যা

আবেগ:
মনের নানা ভাব বা আবেগকে প্রকাশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলােকে আবেগ শব্দ বলা হয়।
এই ধরনের শব্দ বাক্যের অন্য শব্দগুলাের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে আলগাভাবে বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন - ছি ছি, আহা, বাহ, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১৪.
‘হাতে-কলমে’ - কোন ধরনের সমাস?
  1. ক) সাধারণ দ্বন্দ্ব
  2. খ) সমার্থক দ্বন্দ্ব
  3. গ) বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
  4. ঘ) অলুক দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলুক দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলুক দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

কিছু দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হলেও বিদ্যমান থাকে। এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
যেমন -
হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে,
চোখে ও মুখে = চোখেমুখে,
চলনে ও বলনে = চলনে-বলনে ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১৫.
‘কনকচাঁপা’ এর ব্যাসবাক্য কী হবে?
  1. ক) চাঁপা যে কনক
  2. খ) কনক যে চাঁপা
  3. গ) কনকের ন্যায় চাঁপা
  4. ঘ) চাঁপা কনকের ন্যায়
সঠিক উত্তর:
খ) কনক যে চাঁপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কনক যে চাঁপা
ব্যাখ্যা

‘কনকচাঁপা’ এর ব্যাসবাক্য হবে - কনক যে চাঁপা।
এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১৬.
‘চৌরাস্তা’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) দ্বিগু কর্মধারয়
  2. খ) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
  3. গ) অব্যয়ীভাব সমাস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগু কর্মধারয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগু কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

কিছু কর্মধারয় সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হয়, সেগুলােকে দ্বিগু কর্মধারয় বলে।
যেমন -
তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা,
চার রাস্তার মিলন = চৌরাস্তা।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

[পুরাতন সংস্করণের বইগুলোতে 'দ্বিগু' আলাদা সমাস থাকলেও ২০২১ এর সংস্করণে দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।]

১৭.
‘রাজপথ’ শব্দটির ব্যাসবাক্য কী হবে?
  1. ক) রাজার পথ
  2. খ) পথের রাজা
  3. গ) রাজকীয় পথ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) পথের রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পথের রাজা
ব্যাখ্যা

‘রাজপথ’ শব্দটির ব্যাসবাক্য - পথের রাজা।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১৮.
ঘোষবৎ স্বরধ্বনির (অ, আ, ই, ঈ, উ) প্রভাবে ‘ক’ পরিবর্তিত হয়ে কোনটিতে পরিণত হয়?
  1. ক) খ
  2. খ) গ
  3. গ) চ
  4. ঘ) ম
সঠিক উত্তর:
খ) গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ
ব্যাখ্যা

ক/চ/ট/ত/প + স্বর = গ/জ/ড(ড়)/দ/ব।
যেমন – দিক্‌ + অন্ত = দিগন্ত, সৎ + উপায় = সদুপায়।

স্বরধ্বনিগুলাে ঘােষবৎ হয়। এখানে ঘােষবৎ স্বরধ্বনির (ক, চ, ট, ত, প) প্রভাবে পূর্ববর্তী অঘােষ ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে ঘােষধ্বনিতে (গ, জ, ড, দ, ব) পরিণত হয়।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

১৯.
নিচের কোনটি বিসর্গ সন্ধি যোগে গঠিত শব্দ?
  1. ক) পুরস্কার
  2. খ) বৃহস্পতি
  3. গ) পরিচ্ছেদ
  4. ঘ) ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক) পুরস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পুরস্কার
ব্যাখ্যা

পুরস্কার = পুরঃ + কার,
বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি,
পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

২০.
‘বসুন্ধরা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
  1. ক) বসু + ধরা
  2. খ) বসুম্‌ + ধরা
  3. গ) বসুন্‌ + ধরা
  4. ঘ) বসু + অধরা
সঠিক উত্তর:
খ) বসুম্‌ + ধরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বসুম্‌ + ধরা
ব্যাখ্যা

‘বসুন্ধরা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - বসুম্‌ + ধরা = বসুন্ধরা
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২১.
‘লঘূর্মি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
  1. ক) লঘু + উর্মি
  2. খ) লঘু + ঊর্মি
  3. গ) লঘূ + উর্মি
  4. ঘ) লঘূ + ঊর্মি
সঠিক উত্তর:
খ) লঘু + ঊর্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লঘু + ঊর্মি
ব্যাখ্যা

‘লঘূর্মি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - লঘু + ঊর্মি = লঘূর্মি
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২২.
সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
  1. ক) বাক্যতত্ত্ব
  2. খ) রূপতত্ত্ব
  3. গ) ধ্বনিতত্ত্ব
  4. ঘ) বাগর্থতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাগর্থতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাগর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্বএকে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

২৩.
‘অরবিন্দ’ শব্দটি কোন শব্দের সমার্থক?
  1. ক) পদ্ম
  2. খ) শত্রু
  3. গ) পাথর
  4. ঘ) বন
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্ম
ব্যাখ্যা

পদ্ম শব্দের সমার্থক শব্দ - কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

২৪.
‘অক্ষয়’ শব্দের প্রতিশব্দ -
  1. ক) অব্যয়
  2. খ) অধিক
  3. গ) অনিঃশেষ
  4. ঘ) উল্লাস
সঠিক উত্তর:
গ) অনিঃশেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনিঃশেষ
ব্যাখ্যা

‘অক্ষয়’ শব্দের প্রতিশব্দ - চিরন্তন, ক্ষয়হীন, অশেষ, অনন্ত, অনিঃশেষ, অন্তহীন, অন্তবিহীন, অবিনাশী।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

২৫.
‘রাজা’ শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) নৃপতি
  2. খ) ভূপতি
  3. গ) সম্রাট
  4. ঘ) বল্লভ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বল্লভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বল্লভ
ব্যাখ্যা

‘রাজা’ শব্দের প্রতিশব্দ - নৃপতি, নৃপ, সম্রাট, বাদশাহ্‌, নৃপেন্দ্র, নরপতি, ভূপতি, ভূপাল।
‘বল্লভ’ শব্দটি স্বামী শব্দের প্রতিশব্দ।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

২৬.
‘প্রাচ্য’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) পাশ্চাত্য
  2. খ) প্রতীচ্য
  3. গ) উন্নত
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

‘প্রাচ্য’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ‘পাশ্চাত্য’ ও ‘প্রতীচ্য’ উভয়টিই হয়।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৭.
‘দুর্বার’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) দুরন্ত
  2. খ) নির্বার
  3. গ) শান্ত
  4. ঘ) স্থির
সঠিক উত্তর:
খ) নির্বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নির্বার
ব্যাখ্যা

দুর্বার - নির্বার
দুরন্ত - শান্ত
স্থির - চঞ্চল
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৮.
কোনটি অনুবর্ণ নয়?
  1. ক) য-ফলা
  2. খ) ল-ফলা
  3. গ) রেফ
  4. ঘ) ক্ষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষ
ব্যাখ্যা

অনুবর্ণ: ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ। অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

ফলা: ব্যঞ্জনবর্ণের কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ অন্য ব্যঞ্জনের নিচে অথবা ডান পাশে ঝুলে থাকে, সেগুলােকে ফলা বলে।
যেমন – ন-ফলা, ব-ফলা, ম-ফলা, য-ফলা, র-ফলা, ল-ফলা।

রেফ: র-এর একটি অনুবর্ণ রেফ।

বর্ণসংক্ষেপ: যুক্তবর্ণ লিখতে অনেক সময়ে বর্ণকে সংক্ষেপ করার প্রয়ােজন হয়। এগুলাে বর্ণসংক্ষেপ।
এছাড়া ৎ বর্ণটি ত-এর একটি বর্ণসংক্ষেপ, যা বাংলা বর্ণমালায় স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে স্বীকৃত।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

২৯.
‘হ্ন’ কে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যাবে -
  1. ক) হ + ন
  2. খ) হ + ণ
  3. গ) ন + হ
  4. ঘ) ণ + হ
সঠিক উত্তর:
ক) হ + ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হ + ন
ব্যাখ্যা

হ + ন = হ্ন
হ + ণ = হ্ণ
হ + ঋ = হৃ
‘ন + হ’ এবং ‘ণ + হ’ এর যুক্ত বর্ণ হয় না।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩০.
বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
ব্যাখ্যা

অর্ধস্বরধ্বনি: যেসব স্বরধ্বনি পুরােপুরি উচ্চারিত হয় না সেগুলােকে অর্ধস্বরধ্বনি বলে।
বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি: [ই্‌], [উ্‌], [এ্‌] এবং [ও্‌]।

স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনােভাবেই দীর্ঘ করা যায় না। যেমন –
'চাই' শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [ই্‌]। এখানে (আ) হলাে পূর্ণ স্বরধ্বনি, [ই্‌] হলাে অর্ধস্বরধ্বনি।
একইভাবে 'লাউ' শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [উ্‌]। এখানে [আ] হলাে পূর্ণ স্বরধ্বনি, [উ্‌] হলাে অর্ধস্বরধ্বনি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩১.
কোনটি দন্ত ব্যঞ্জনধ্বনি নয়?
  1. ক) ত
  2. খ) থ
  3. গ) দ
  4. ঘ) ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন
ব্যাখ্যা

দন্ত্য ব্যঞ্জন: যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন: যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩২.
নিচের কোনটি কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি?
  1. ক) ক
  2. খ) খ
  3. গ) হ
  4. ঘ) গ
সঠিক উত্তর:
গ) হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হ
ব্যাখ্যা

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন: কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
হাতি শব্দের হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন: 
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩৩.
নিচের কোনটি উষ্ম ধ্বনি?
  1. ক) স
  2. খ) শ
  3. গ) হ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

উষ্ম ব্যঞ্জন: যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাক্‌প্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলােকে উষ্ম ব্যঞ্জন বলে।
সালাম, শসা, হুঙ্কার প্রভৃতি শব্দের স, শ, হ উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ।

উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলােকে দন্তমূলীয় (স), তালব্য (শ), এবং কণ্ঠনালীয় (হ) - এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

এগুলাের মধ্যে স এবং শ-কে আলাদাভাবে শিস ধ্বনিও বলা হয়ে থাকে। কারণ স, শ উচ্চারণে শাস অনেকক্ষণ ধরে রাখা যায় এবং শিসের মতাে আওয়াজ হয়।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩৪.
যে সব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় -
  1. ক) ঘোষ ধ্বনি
  2. খ) অঘোষ ধ্বনি
  3. গ) অল্পপ্রাণ ধ্বনি
  4. ঘ) মহাপ্রাণ ধ্বনি
সঠিক উত্তর:
ক) ঘোষ ধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঘোষ ধ্বনি
ব্যাখ্যা

ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে স্বরযন্ত্রের ধ্বনিদ্বারে বায়ুর কম্পন কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ঘােষ ও অঘোষ।

ঘােষ ব্যঞ্জন

যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘােষধ্বনি। যথা:
ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ ।

অঘোষ ব্যঞ্জন
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘােষধ্বনি, যথা:
প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ, হ।

ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ুপ্রবাহের বেগ কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়ঃ অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ।

অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলােকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলােকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন – ফ, ভ, থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩৫.
বাক্যের একক কী?
  1. ক) ধ্বনি
  2. খ) পদ
  3. গ) বর্ণ
  4. ঘ) অক্ষর
সঠিক উত্তর:
খ) পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পদ
ব্যাখ্যা

এক বা একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত পূর্ণ অর্থবোধক ভাষিক একককে বাক্য বলে।
বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রত্যেকটি শব্দকে পদ বলে। এদিক দিয়ে পদ হলো বাক্যের একক।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩৬.
নিচের কোনটি সক্রিয় বাক্য?
  1. ক) রাসেল এখন ঘুমাচ্ছে।
  2. খ) রাসেল বাংলাদেশের নাগরিক।
  3. গ) রাসেল কর্মঠ ছেলে।
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ক) রাসেল এখন ঘুমাচ্ছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাসেল এখন ঘুমাচ্ছে।
ব্যাখ্যা

বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকা-না থাকা বিবেচনায় বাক্যকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়: সক্রিয় বাক্য ও অক্রিয় বাক্য।

সক্রিয় বাক্য: যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে, সেগুলােকে সক্রিয় বাক্য বলে।
যেমন – আমার মা চাকরি করেন।

অক্রিয় বাক্য: যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে না, সেগুলােকে অক্রিয় বাক্য বলে।
যেমন - তিনি বাংলাদেশের নাগরিক।
তবে অতীত ও ভবিষ্যৎ কালের প্রয়ােগে এগুলাে সক্রিয় বাক্য হয়ে যায়।
যেমন – 'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন' বা 'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হবেন'।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩৭.
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে তাকে কোন বাক্য বলে?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) যৌগিক বাক্য
  3. গ) জটিল বাক্য
  4. ঘ) অক্রিয় বাক্য
সঠিক উত্তর:
গ) জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা

গঠনগত দিক দিয়ে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: সরল, জটিল ও যৌগিক।

সরল বাক্যঃ একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন - জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।

জটিল বাক্য: একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
যেমন – যদি তােমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলাে।

যৌগিক বাক্য: এক বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ যােজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করে।
যেমন - রহমত রাতে রুটি খায় আর রহিমা খায় ভাত।

বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকা-না থাকা বিবেচনায় বাক্যকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়: সক্রিয় বাক্য ও অক্রিয় বাক্য।

সক্রিয় বাক্য: যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে, সেগুলােকে সক্রিয় বাক্য বলে।
যেমন – আমার মা চাকরি করেন।

অক্রিয় বাক্য: যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে না, সেগুলােকে অক্রিয় বাক্য বলে।
যেমন - তিনি বাংলাদেশের নাগরিক।
তবে অতীত ও ভবিষ্যৎ কালের প্রয়ােগে এগুলাে সক্রিয় বাক্য হয়ে যায়।
যেমন – 'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন' বা 'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হবেন'।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩৮.
“১৯৫২ সালে ঢাকার রাজপথে বাঙালি জাতির অহংকার রফিক-সালাম-বরকত-জব্বার মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।”
- এই বাক্যে বিধেয়ের পূরক কোনটি?
  1. ক) উৎসর্গ করেছিলেন
  2. খ) জীবন
  3. গ) মাতৃভাষার জন্য
  4. ঘ) বাঙালি জাতির অহংকার
সঠিক উত্তর:
খ) জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবন
ব্যাখ্যা

''১৯৫২ সালে ঢাকার রাজপথে বাঙালি জাতির অহংকার রফিক-সালাম-বরকত-জব্বার মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।''

এই বাক্যে উদ্দেশ্য হলাে 'রফিক-সালাম-বরকত-জব্বার',
উদ্দেশ্যের প্রসারক হলাে 'বাঙালি জাতির অহংকার’ ।

বিধেয় ক্রিয়া হলাে 'উৎসর্গ করেছিলেন',
বিধেয়ের পূরক হলাে 'জীবন'।
অন্যদিকে '১৯৫২ সালে', 'ঢাকার রাজপথে', এবং 'মাতৃভাষার জন্য' - এই তিনটি অংশ হলাে বিধেয়ের প্রসারক।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৩৯.
“মা গভীর রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম থেকে জেগে উঠে পায়চারি করতে করতে ছেলেকে ফোনকল করলেন।” - এটি কোন বাক্যের উদাহরণ?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) মিশ্র বাক্য
সঠিক উত্তর:
ক) সরল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সরল বাক্য
ব্যাখ্যা

সরল বাক্য:
যে বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন -
পাখিগুলাে নীল আকাশে উড়ছে।
তিনি ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।

সরল বাক্যে অনেক সময়ে ক্রিয়া অনুপস্থিত থাকে।
যেমন -
আমরা তিন ভাইবােন।

বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও সরল বাক্য হয়।
যেমন -
তিনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পায়চারি করতে করতে বাজারের দিকে গেলেন।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৪০.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী।
  2. খ) সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন।
  3. গ) আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই।
  4. ঘ) ইহার আবশ্যক নাই।
সঠিক উত্তর:
খ) সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন।
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বাক্যটি হলো - সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন।

অপশনের বাকি বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ হলো -
ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী। => ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী।
আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই। => আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
ইহার আবশ্যক নাই। => ইহার আবশ্যকতা নাই।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৪১.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. ক) ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না।
  2. খ) এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়।
  3. গ) কায়কোবাদ ‘মহাশ্মশান’ লেখেন।
  4. ঘ) প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে।
সঠিক উত্তর:
খ) এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বাক্যটির শুদ্ধরূপ -
এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়। => এখানে গরুর খাঁটি দুধ পাওয়া যায়।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৪২.
নিচের কোনটিতে অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) প্রাণিবিদ্যা
  2. খ) মন্ত্রীসভা
  3. গ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা
  4. ঘ) তপস্বিনী
সঠিক উত্তর:
খ) মন্ত্রীসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মন্ত্রীসভা
ব্যাখ্যা

কোনাে শব্দের শেষে যদি ঈ-কার থাকে, সেই শব্দের সঙ্গে জগৎ, বাচক, বিদ্যা, সভা, ত্ব, তা, নী, ণী, পরিষদ, তত্ত্ব ইত্যাদি যুক্ত হয়ে যদি নতুন শব্দ গঠন করে, তবে পূর্ববর্তী শব্দের ঈ-কার নবগঠিত শব্দে সাধারণত ই-কারে পরিণত হয়।
যেমন :
প্রাণী+বিদ্যা = প্রাণিবিদ্যা
প্রাণী+জগৎ = প্রাণিজগৎ
প্রাণী+বাচক = প্রাণিবাচক
মন্ত্রী+সভা = মন্ত্রিসভা
মন্ত্রী+পরিষদ = মন্ত্রিপরিষদ
কৃতী+ত্ব = কৃতিত্ব
স্থায়ী+ত্ব = স্থায়িত্ব
দায়ী+ত্ব = দায়িত্ব
প্রতিদ্বন্দ্বীতা = প্রতিদ্বন্দ্বিতা
সহমর্মীতা = সহমর্মিতা
বাগ্মীতা = বাগ্মিতা
সঙ্গী+নী = সঙ্গিনী
তপস্বী+নী = তপস্বিনী
অধিকারী+ণী = অধিকারিণী
প্রতিহারী+ণী = প্রতিহারিণী

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৪৩.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) মহত্ত্ব
  2. খ) স্বরুপ
  3. গ) নিশীথিনী
  4. ঘ) দ্যূত
সঠিক উত্তর:
খ) স্বরুপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বরুপ
ব্যাখ্যা

স্বরুপ বানানটি অশুদ্ধ।
এর শুদ্ধরূপ - স্বরূপ।
এর অর্থ - নিজের রূপ; প্রকৃত বা আসল রূপ।
সূত্র: বাংলা একাডেমী থেকে প্রণীত অভিধান।

৪৪.
নিচের কোন বানানগুলো শুদ্ধ?
  1. ক) নীরস, শিরশ্ছেদ, মূর্ধন্য
  2. খ) অনুপুঙ্খ, অধঃগতি, শঙ্কা
  3. গ) স্বস্ত্বি, ষ্টুডিও, স্ফূর্তি
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) নীরস, শিরশ্ছেদ, মূর্ধন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নীরস, শিরশ্ছেদ, মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা

(ক) শব্দগুচ্ছের সবগুলো বানান সঠিক।
(খ) শব্দগুচ্ছে অধোগতি বানান ভুল রয়েছে।
(গ) শব্দগুচ্ছে স্বস্তি ও স্টুডিও বানান ভুল রয়েছে।
সূত্র: বাংলা একাডেমী থেকে প্রণীত অভিধান।

৪৫.
‘ঘরোয়া’ শব্দটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. ক) ঘর + আ
  2. খ) ঘর + ওয়া
  3. গ) ঘর + উয়া
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ঘর + ওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঘর + ওয়া
ব্যাখ্যা

ঘরোয়া = ঘর + ওয়া।
এটি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।

৪৬.
যুক্ত অর্থে কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) জেঠামি
  2. খ) ঢাকাই
  3. গ) টেকো
  4. ঘ) দখিনা
সঠিক উত্তর:
গ) টেকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেকো
ব্যাখ্যা

নিন্দা অর্থে: জেঠা => জেঠামি;
জাত অর্থে: ঢাকা => ঢাকাই;
যুক্ত অর্থে: টাক => টেকো;
আগত অর্থে: দখিন => দখিনা
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।