পরীক্ষা আর্কাইভ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

পরীক্ষাস্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
টপিক: পদ, বাক্য, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্যশুদ্বি। উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
'জানুয়ারি' কোন জাতীয় নাম-বিশেষ্য?
  1. ব্যক্তিনাম
  2. স্থাননাম
  3. কালনাম
  4. সৃষ্টিনাম
সঠিক উত্তর:
কালনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালনাম
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও  গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে।
যেমন - নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি।

• বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার। যথা:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য,
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

নাম-বিশেষ্য:
ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন - 
ব্যক্তিনাম: হাবিব, জুয়েল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: বাংলাদেশ, ঢাকা, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে প্রসারিত করা হয় যেসব শব্দ ও বর্গ দিয়ে, তাকে কী বলে?
  1. বিধেয়
  2. পূরক
  3. যোজক
  4. প্রসারক
সঠিক উত্তর:
প্রসারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসারক
ব্যাখ্যা
• বাক্যকে উদ্দেশ্য ও বিধেয় – এই দুই অংশে ভাগ করা যায়।
- বাক্যে যাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য বলে।
যেমন -
সুমন বল খেলে।
এই বাক্যে সুমনকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হচ্ছে। অতএব 'সুমন' বাক্যটির উদ্দেশ্য।
- বাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে।
- বিধেয় অংশে সাধারণত ক্রিয়া থাকে। এখানে 'বল খেলে' অংশটি বাক্যের বিধেয়।

• বাক্য দীর্ঘতর হলে উদ্দেশ্য ও বিধেয় অংশের সঙ্গে নানা ধরনের শব্দ ও বর্গ যুক্ত হতে পারে।
- উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে এইসব শব্দ ও বর্গ প্রসারিত করে বলে এগুলোর নাম প্রসারক
- এছাড়া বিধেয় ক্রিয়ার বিশেষ্য অংশকে বলা হয় পূরক।
যেমন -
সেলিম সাহেবের ছেলে সুমন গাছতলায় বসে বই পড়ছে।
এখানে 'সুমন' উদ্দেশ্য, 'সেলিম সাহেবের ছেলে' উদ্দেশ্যের প্রসারক।
অন্যদিকে 'পড়ছে' বিধেয়ের ক্রিয়া, 'গাছতলায় বসে' বিধেয়ের প্রসারক এবং 'বই' হলো বিধেয়ের পূরক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি।
  2. সব মাছগুলোর দাম কত।
  3. আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন ভাল নয়।
  4. দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লিখে।
সঠিক উত্তর:
দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লিখে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লিখে।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লিখে

তাছাড়া,
অশুদ্ধ বাক্য: সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি।
শুদ্ধ বাক্য: বিনয়পূর্বক নিবেদন করি।

অশুদ্ধ বাক্য: সব মাছগুলোর দাম কত।
শুদ্ধ বাক্য: মাছগুলোর দাম কত।

অশুদ্ধ বাক্য: আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন ভাল নয়।
শুদ্ধ বাক্য: আকণ্ঠ ভোজন ভাল নয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. আহ - প্রশংসা আবেগ
  2. বাহ - বিস্ময় আবেগ
  3. আহা - অলঙ্কার আবেগ
  4. বাপরে বাপ - আতঙ্ক আবেগ
সঠিক উত্তর:
বাপরে বাপ - আতঙ্ক আবেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাপরে বাপ - আতঙ্ক আবেগ
ব্যাখ্যা
আবেগ:
মনের নানা ভাব প্রকাশ করা হয় যেসকল শব্দ দিয়ে সেগুলোকে আবেগ বলে।
- এই ধরনের শব্দ বাক্যের অন্য শব্দগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে আলগাভাবে বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন - ছি ছি, আহা, বাহ্, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

আতঙ্ক আবেগ:
এ ধরনের শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রনা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশ করে।
যেমন -
উহ! কি বিপদে পড়া গেল।
বাপরে বাপ! কী ভয়ঙ্কর ছিল রাক্ষসটা।

অন্যদিকে,
প্রশংসা আবেগ:
এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
বাহ, চমৎকার লিখেছ।
শাবাশ! এমন খেলাই তো চেয়েছিলাম।

বিস্ময় আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার  ভাব প্রকাশ করে।
যেমন -
আরে! তুমি আবার কখন এলে?
আহ, কী চমৎকার দৃশ্য!

অলংকার আবেগ:
এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয়, অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
যাকগে, ওসব কথা থাক। 
দুর! এ কথা কি বলতে আছে?

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'দরিদ্রতা' শব্দটি ব্যাকরণের কোন নিয়মে গঠিত হয়েছে?
  1. উপসর্গযোগে
  2. প্রত্যয়যোগে
  3. বচনের সাহায্যে
  4. সন্ধিযোগে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়যোগে
ব্যাখ্যা
'-তা' এবং 'ত্ব' প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ:
- '-তা' এবং 'ত্ব' হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। 
- এই প্রত্যয় কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে।
- তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো '-তা' বা 'ত্ব' যুক্ত করলে তা ভুল হবে।
যেমন -
'ধীর' বিশেষণ শব্দের সঙ্গে '-তা' যোগ করে বিশেষ্যবাচক শব্দ ‘ধীরতা' হয়।
- কিন্তু 'ধীর' এর সঙ্গে বিশেষ্যবাচক 'য' প্রত্যয় যোগ করে 'ধৈর্য' বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়।
- ‘ধৈর্য' শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘-তা' প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হবে।
এরকম -
অশুদ্ধ শুদ্ধ
ঐক্যতা ⇒ ঐক্য, একতা
দারিদ্র্যতা ⇒ দারিদ্র্য, দরিদ্রতা
মৈত্রতা ⇒ মৈত্র, মিত্রতা
পৌরুষত্বব⇒ পৌরুষ, পুরুষত্ব

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. কালীদাস বিখ্যাত কবি।
  2. হস্তীটি অপরিসীম স্থুল।
  3. ইতঃপূর্বে তার সঙ্গে দেখা হয় নি।
  4. শশীভূষণ কি আসে নাই?
সঠিক উত্তর:
ইতঃপূর্বে তার সঙ্গে দেখা হয় নি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতঃপূর্বে তার সঙ্গে দেখা হয় নি।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: ইতঃপূর্বে তার সঙ্গে দেখা হয় নি

তাছাড়া,
অশুদ্ধ বাক্য: কালীদাস বিখ্যাত কবি।
শুদ্ধ বাক্য: কালিদাস বিখ্যাত কবি।

অশুদ্ধ বাক্য: হস্তীটি অপরিসীম স্থুল।
শুদ্ধ বাক্য: হস্তীটি অত্যন্ত স্থূল।

অশুদ্ধ বাক্য: শশীভূষণ কি আসে নাই?
শুদ্ধ বাক্য: শশিভূষণ কি আসে নাই?

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
জটিল বাক্যে রূপান্তর করুন: 'জ্ঞানী লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।'
  1. যেসব লোক জ্ঞানী, তারা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।
  2. যে জ্ঞানী সেই সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।
  3. জ্ঞানী লোক মাত্রই সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।
  4. জ্ঞানী লোক তাই সকলে শ্রদ্ধা করে।
সঠিক উত্তর:
যেসব লোক জ্ঞানী, তারা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেসব লোক জ্ঞানী, তারা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।
ব্যাখ্যা
• 'জ্ঞানী লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র।' - বাক্যের জটিল রূপ: যেসব লোক জ্ঞানী, তারা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র

সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য রূপান্তরের নিয়ম:
যে-সে, যিনি-তিনি, যারা তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি তবে, যেহেতু সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
যেমন -
সরল বাক্য: দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য।
জটিল বাক্য: যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য।
সরল বাক্য: তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ।
জটিল বাক্য: যেহেতু তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
অনুসর্গের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. অপেক্ষা, অবধি
  2. মাঝে, মধ্যে
  3. বাইরে, বাদে
  4. জোরে, আস্তে
সঠিক উত্তর:
জোরে, আস্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোরে, আস্তে
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ:
যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন -
- সে কাজ ছাড়া কিছুই বোঝে না।
এই বাক্যে ‘ছাড়া' একটি অনুসর্গ।
- কোন পর্যন্ত পড়েছ?
এই বাক্যে 'পর্যন্ত' একটি অনুসর্গ।

কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে,
সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

• যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে ‘-কে’, ‘-র’ ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।
যেমন -
তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব।
সে পরীক্ষার জন্য পড়ছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. সুকেশা
  2. সুকেশী
  3. সুকেশীনী
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - সুকেশা, সুকেশী (ক + খ)।
- 'সুকেশা, সুকেশী' শব্দদ্বয় বিশেষণ।
- দুটিই সংস্কৃত শব্দ।
- 'সুকেশা, সুকেশী' অর্থ: সুন্দর কেশবিশিষ্ট।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
'যত গর্জে তত বর্ষে না' - বাক্যটি কোন যোজক নির্দেশ করেছে?
  1. কারণ যোজক
  2. সাপেক্ষ যোজক
  3. বিরোধ যোজক
  4. সাধারণ যোজক
সঠিক উত্তর:
সাপেক্ষ যোজক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপেক্ষ যোজক
ব্যাখ্যা
যোজক:
পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে, সেগুলোকে যোজক বলে।
যেমন - এবং, ও, আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কারণ, তবে ইত্যাদি।

সাপেক্ষ যোজক:
এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।
যত গর্জে তত বর্ষে না

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
'তবু না দেখা বিষয়টি সবাই মেনে নেয়।' বাক্যটির নেতিবাচক রূপ-
  1. তবু না দেখা বিষয়টি সবাই মেনে নেয় না।
  2. তবু না দেখা বিষয়টি সবাই মেনে না নিয়ে পারে না।
  3. তবু না দেখা বিষয়টি সবার না মানার উপায় থাকে না।
  4. তবু না দেখা বিষয়টি সবার মানতে হয়।
সঠিক উত্তর:
তবু না দেখা বিষয়টি সবাই মেনে না নিয়ে পারে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তবু না দেখা বিষয়টি সবাই মেনে না নিয়ে পারে না।
ব্যাখ্যা
• 'তবু না দেখা বিষয়টি সবাই মেনে নেয়।' বাক্যটির নেতিবাচক রূপ - তবু না দেখা বিষয়টি সবাই মেনে না নিয়ে পারে না

• বিবৃতিমূলক বা  নির্দেশাত্মক বাক্যকে, ক. অস্তিবাচক ও খ. নেতিবাচক - এই দুভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- প্রকৃতপক্ষে, অর্থানুসারে শ্রেণিভুক্ত সাত প্রকারের বাক্যকে সামগ্রিকভাবে দুটি মৌল শ্রেণিতে ভাগ করা যায়; সে দুটি হলো - অস্তিবাচক ও নেতিবাচক বাক্য। কেননা প্রতিটি শ্রেণিতেই আছে বক্তব্যের প্রতিষ্ঠাকে স্বীকৃতির ও অস্বীকৃতির দুটি দিক।

• অস্তিবাচক বা অস্ত্যর্থক বা হাঁ-বাচক বাক্য:
যে বাক্যে কোনো ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের অস্তিত্ব বা হাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে অস্তিবাচক বা অস্ত্যর্থক বাক্য বলে।
যেমন - 
'হৈমন্তী চুপ করিয়া রহিল।'
'আমার বুকের ভেতরটা হু হু করিয়া উঠিল।'

নেতিবাচক বা নাস্ত্যর্থক বা না-বাচক বাক্য:
যে বাক্যে কোনো ঘটনায়, কাজে, বা ভাবে অস্বীকৃতি, অনস্তিত্ব, নিষেধ বা না-সূচক অর্থ বোঝায় তাকে নেতিবাচক বা নাস্ত্যর্থক বাক্য বলে। যেমন -
'হৈমন্তী কোন কথা বলিল না।'
'আমার বুকের ভেতরটা হু হু না করিয়া পারিল না।'

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।