পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৪ টপিক: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন, অসহযোগ আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলী, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়। বীরশ্রেষ্ঠ, বিভিন্ন খেতাব, পদক, জাতীয় ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ।, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা রাজনীতি, রাজনৈতিক দল ও দলের ভূমিকা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশন [Live Class -21 & 22 মেন্টর: আসিফ আসাদ] এছাড়াও [Live Class - 15, 16 &17 ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কোথায় উত্তোলন করা হয়?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান কোনটি?
  1. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
  2. জনসমষ্টি
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের উপাদান:
• রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে।

• জনসমষ্টি:
- রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি ব্যতীত রাষ্ট্র হতে পারে না।
- তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হতে হবে তার কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই।

• ভূখন্ড:
- রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হল ভূখন্ড।
- জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভূখন্ড আবশ্যক। ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়।

• সরকার:
- রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান সরকার।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার তিন ধরনের কাজ করে। যথা- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত ও বিচার সংক্রান্ত।

• সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল সার্বভৌমত্ব।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
- সার্বভৌমত্ব ব্যতীত কোন দেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে না। যেমন- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে বাংলাদেশের অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে নি। 

উৎস: পৌরনীতি, দ্বাদশ শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত-
  1. অপারেশন সার্চ ফ্রিডম
  2. অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
  3. অপারেশন সার্চ লাইট
  4. অপারেশন ব্ল‍্যাক থান্ডার স্টর্ম
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চ লাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে ভয়াবহ গণহত্যা অভিযান চালায়, তার নাম ছিল 'অপারেশন সার্চ লাইট'। যদিও হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চ এ অভিযান শুরু করেছিল, তবে মূল পরিকল্পনা করা হয়েছিল মার্চ মাসের শুরু থেকেই।
- ১৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনার জন্য বৈঠক শুরু হয়, কিন্তু অন্যদিকে পাকিস্তানি সরকার গোপনে আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করে এবং পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য ও গোলাবারুদ এনে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক প্রস্তুতি নেয়।
- ১৮ মার্চ টিক্কা খান এবং রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চ লাইট' এর নীলনকশা তৈরি করেন।
- ২৫ মার্চ রাতেই গণহত্যা শুরু করা হয়। এই পরিকল্পনার তত্ত্বাবধান করেন পাকিস্তানের গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অনধিক নির্বাচন কমিশনার কতজন?
  1. চারজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. ছয়জন
ব্যাখ্যা
• নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে।
- এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর।
- কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন।
- অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।

উৎস:বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ’তেলিয়াপাড়া রণকৌশল’ কোন জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা
• তেলিয়াপাড়া রণকৌশল:
 - তেলিয়াপাড়া বাংলোয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার গঠনের পূর্বে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালীন সিলেট জেলার (বর্তমান হবিগঞ্জ জেলা) তেলিয়াপাড়ায় এক চা বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলোতে কর্নেল ওসমানীর নেতৃত্বে ২৭ জন সেনা কর্মকর্তা, আনসার, পুলিশ, সিএসপি অফিসার এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের নিয়ে যে যুদ্ধ কৌশল প্রস্তুত করা হয়েছিল, সেটি 'তেলিয়াপাড়া রণকৌশল' নামে পরিচিত।

উৎস: মাধবপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
.
রাষ্ট্রের দলীয় ব্যবস্থাকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. পাঁচটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের বিভিন্নরূপ:

- রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা প্রকার।
- রাষ্ট্রের দলীয় ব্যবস্থাকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।

যথা :
• একদলীয় ব্যবস্থা :
- যখন রাষ্ট্রে একটিমাত্র দল থাকে তখন তাকে একদলীয় ব্যবস্থা বলা হয়।
- একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একটিমাত্র দল থাকে।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না।

• দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা :
- দেশে মাত্র দু'টি দল থাকলে তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে।
- একটি দল সরকার গঠন করে এবং অন্যদল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে।
- তবে প্রকৃতিগতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ও বৃটেনে দ্বি-দল ব্যবস্থাই প্রচলিত আছে।

• বহু-দলীয় ব্যবস্থা :
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুটির বেশি দল, রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লাড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, তখন তাকে 'বহুদলীয় ব্যবস্থা' বলে।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানটি কোথায় থেকে প্রচারিত হয়েছিল?
  1. বিটিভি
  2. পাকিস্তান বেতার
  3. এনটিভি
  4. স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্ত্তত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের দুটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল 'চরমপত্র' এবং 'জল্লাদের দরবার'।
- 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র এবং পাশবিক আচরণকে 'কেল্লা ফতেহ খান' চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছিল। '
- চরমপত্র' সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদের সদস্য আবদুল মান্নান এবং এর স্ক্রিপ্ট লেখা ও উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
’কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেননা-
  1. রবিশঙ্কর
  2. অ্যালেন গিন্সবার্গ
  3. জর্জ হ্যারিসন
  4. বব ডিলান
ব্যাখ্যা
• ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- পণ্ডিত রবিশঙ্কর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য–বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটলসের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
- এতে অংশ নিয়েছিলেন পণ্ডিত রবিশঙ্কর, ওস্তাদ আলী আকবর খান, ওস্তাদ আল্লা রাখা।
- পশ্চিমের তারকাদের মধ্যে জর্জ হ্যারিসন ছাড়া ছিলেন রিঙ্গো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, লিওন রাসেল, বিলি প্রেস্টন প্রমুখ।
- ৪০ থেকে ৫০ হাজার দর্শনার্থীর এ অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত হয়েছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪১৮ দশমিক ৫০ ডলার।

• অ্যালেন গিন্সবার্গ, ছিলেন একজন মার্কিন কবি ও গীতিকার।
- ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকে নৌকায় করে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌঁছান।
- তিনি সীমান্তবর্তী শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের দুর্দশা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান
- এবং দেশে ফিরে 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' নামক একটি কবিতা লিখেন, যা নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
.
রাষ্ট্রপতি অনধিক কত দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ৬০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির জরুরি ক্ষমতা:
'সংবিধানের ১৪১ এর ক (১) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরি অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বাংলাদেশ বা যে কোনো অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি [অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য]জরুরি অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।'
--------------------------------------------------------
• রাষ্ট্রপতির কার্যাবলি -
-  সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রবানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
-  রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।
-  রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোন দেশ ভেটো প্রদান করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তির ভূমিকা
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল- ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন, কিউবা, যুগোশ্লাভিয়া, পোল্যান্ড, হাজেরি, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি প্রভৃতি তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো।
- পাকিস্তানের পক্ষে ছিল- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন।
- জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ৩ বার ভেটো প্রদান করে।
- যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সমর্থনে ভারত মহাসাগরে মূল ভূখণ্ডের বাইরে সবচেয়ে বড় নেভাল ফোর্স সপ্তম নৌক পাঠায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন পাঠিয়েছিল- অষ্টম নৌবহর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সময়ে বুদ্ধিজীবীদের উপর হত্যাকান্ড পরিচালিত হয়?
  1. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ২৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
- তাদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।
১২.
কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
  1. মুন্সী আব্দুর রহমান
  2. নূর মোহাম্মাদ শেখ
  3. মোস্তফা কামাল
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৩.
নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্যে প্রয়োজন-
  1. সার্বভৌমত্ব
  2. জনসমষ্টি
  3. জাতিসংঘের সমর্থন
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের উপাদান:

- রাষ্ট্রের উপাদান চারটি।

• জনসমষ্টি:
- রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়।

• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড:  নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান।

• সরকার:
- রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার।
- সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন আংশিকভাবে সম্পন্ন হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে- আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ।
- এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়।

•সার্বভৌমত্ব: - রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক্যাপটেন মনসুর আলী
  2. কর্নেল এম এ রব
  3. জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  ছিলেন- জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি।
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন কর্নেল এম এ রব।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৫.
দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. সচিব
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাপ্রধান
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা:
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান।
- তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে আসছে।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রর পদমর্যাদা অনেক উপরে।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ। তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তাঁর শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।