পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ভাষা আন্দোলন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-১৯৫৪ এর নির্বাচন, ৬ দফা, ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থান। [Live Class – 13 & 14]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
১৯৬৯ সালে ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে কে নিহত হন?
  1. ড: শামসুজ্জোহা
  2. জহুরুল হক
  3. আসাদুজ্জামান
  4. মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ -এর আন্দোলন বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। সেজন্য এ আন্দোলন গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান নামে অভিহিত হয়েছে।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হল।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে। আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শেখ মুজিবুর রহমান কখন আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ১৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২৩ জুলাই, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলার কারণ - এটি বাঙালির ন্যায্য অধিকারের সনদ।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কে অপারেশন সার্চলাইট এর নীল নকশা তৈরি করেন?
  1. মো. আলী জিন্নাহ
  2. টিক্কা খান
  3. ভুট্টো
  4. ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ, ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?
  1. ১১টি
  2. ৩৪টি
  3. ৩৯টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। এই সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
-  যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মেজর মীর শওকত আলী মুক্তিযুদ্ধে কত নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ৫ নং সেক্টর
  2. ৬ নং সেক্টর
  3. ৭ নং সেক্টর
  4. ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
- মেজর মীর শওকত আলী  ছিলেন ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।
- এই সেক্টরকে ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. খন্দকার মোস্তফা হারুন
  4. মাওলানা ভাষানী
ব্যাখ্যা
• শেখ মুজিবুর রহমান:
- ১৯৬৯ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল বন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে লাখো শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে তোফায়েল আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কী ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. আবু নায়েম চৌধুরী
  2. বিচারপতি আবু আহমেদ খন্দকার
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
- এই সরকারের বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
 ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হয়।

তথ্যসূত্র: - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ঐতিহাসিক ৬ দফাকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. মুখ্য আইন
  2. পিটিশন অব রাইটস
  3. বিল অব রাইটস
  4. ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা:
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
-  ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

• ৬ দফার দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৪. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা।
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১০.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. এম. মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
১৯৪৮-৫২ এ সময়ে কোন দিনটি ভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো?
  1. ৩০ জানুয়ারি
  2. ২৬ মার্চ
  3. ১১ মার্চ
  4. ২১ ফেরুয়ারি
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৪৮ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান।
- তাঁর দাবি অগ্রাহ্য হলে ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ধর্মঘট পালিত হয়।
- ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' পুনর্গঠিত হয়। এ সংগঠন ১১ই মার্চ 'বাংলা ভাষা দাবি দিবস’ পালনের ঘোষণা দেয়। 
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় দখল করে আছে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ
-  ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে এই দিনটি পূর্ব পাকিস্তানে পালিত হয়েছিল ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার (১৩ মার্চ, ২০২৩)।
১২.
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. চট্রগ্রাম
  2. খুলনা
  3. ঢাকা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।

 - ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ছোটো বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।