পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০০: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
নিচের কোন শব্দে সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে?
  1. অহর্নিশ
  2. অর্ধরাত্র
  3. নির্দোষী
  4. নীরোগ
ব্যাখ্যা

• সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে 'নির্দোষী' শব্দে। 
শুদ্ধ প্রয়োগ: নির্দোষ।

কিছু সমাস ঘটিত অশুদ্ধ শব্দের সম্পর্কে সতর্কতা:
সংস্কৃত ইন্- প্রত্যয়ান্ত শব্দের প্রথমবার একবচনের রূপ হিসেবে বাংলায় ধনী, গুণী, মানী, পাপী ইত্যাদি হয়। কিন্তু নিঃ উপসর্গযোগে সমাসবদ্ধ হলে শব্দের শেষে ঈ-কার হয় না। সেখানে ধন, গুণ, মান, পাপ ইত্যাদি শব্দের সমান হয়। যেমন- নেই ধন যার নির্ধন, নেই গুণ যার= নির্গুণ, নেই পাপ যার= নিষ্পাপ। নির্ধনী, নির্গুণী, নিষ্পাপী ইত্যাদি অশুদ্ধ।

কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ:
অশুদ্ধ শব্দ = শুদ্ধ শব্দ:
- নিরপরাধী - নিরপরাধ;
- অহর্নিশি - অহর্নিশ;
- নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার;
- নির্দোষী - নির্দোষ;
- পিতাহারা - পিতৃহারা;
- অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র;
- নিরভিমানী - নিরভিমান;
- দিবারাত্রি - দিবারাত্র;
- নীরোগী - নীরোগ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. শশিভূষন
  2. কুজ্ঝটীকা
  3. ইন্দ্রীয়
  4. দৌরাত্ম্য
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান-  দৌরাত্ম্য।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ- 
-  দুরাত্মার কাজ, উৎপীড়ন, পাপাচার।

অন্যদিকে,
- ’শশিভূষন’ শব্দের শুদ্ধরূপ- শশিভূষণ।
- ’কুজ্ঝটীকা’ শব্দের শুদ্ধরূপ- কুজ্ঝটিকা।
- ’ইন্দ্রীয়’ শব্দের শুদ্ধরূপ- ইন্দ্রিয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
  1. আবশ্যক ব্যায়ে কার্পন্যতা উচিত নয়।
  2. অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
  3. আকণ্ঠ পর্যন্ত খেয়ে এখন হাঁসফাঁস লাগছে।
  4. তার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা ডাক্তার।
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বাক্য- তার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা ডাক্তার।

অশুদ্ধ বাক্য- আবশ্যক ব্যায়ে কার্পন্যতা উচিত নয়।
শুদ্ধ বাক্য- আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য উচিত নয়।

অশুদ্ধ বাক্য- আকণ্ঠ পর্যন্ত খেয়ে এখন হাঁসফাঁস লাগছে।
শুদ্ধ বাক্য- আকণ্ঠ খেয়ে এখন হাঁসফাঁস লাগছে।

অশুদ্ধ বাক্য- অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
শুদ্ধ বাক্য- অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
’কৃশানু’’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. কৃষক
  2. অগ্নি
  3. চুল
  4. বংশ
ব্যাখ্যা

কৃশানু
এটি একটি বিশেষ্য পদ,
অর্থ:
- অগ্নি;
- অনল.
- আগুন।

• অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ: 
- অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, বৈশ্বানর, জ্বলন, কৃশানু, শিখাবৎ, শিখিন, বায়ুসখা, হুতভুক, শুচি, পিঙল, বিশ্বপা, হিমারাতি, বায়ুসখ, অনিলসখ, জগন্নু, সর্বভুক ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
’গোরা’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ঠাণ্ডা
  2. চাপল
  3. কালা
  4. পাতলা
ব্যাখ্যা

• ’গোরা’ শব্দের অর্থ-   ফরসা, শ্বেতাঙ্গ।
- ’গোরা’ শব্দের বিপরীত শব্দ- ’কালা’।

অন্যদিকে,
- ’পাতলা’ শব্দের বিপরীত শব্দ- গাঢ়।
- ’ঠাণ্ডা’ শব্দের বিপরীত শব্দ- গরম।
- ’চাপল’ শব্দের বিপরীত শব্দ- গম্ভীর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, ।

.
’অনুপ - অনূপ’ শব্দজোড় কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. মেঘ - কণা
  2. পাশ্চৎ - অদম
  3. উপমাহীন - বিল
  4. অপর - ভাত
ব্যাখ্যা

’অনুপ’ শব্দের অর্থ- উপমাহীন।
’অনূপ’ শব্দের অর্থ- জলা, বিল।

• আরো কিছু প্রায়- সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ।

'অণু' শব্দের অর্থ ক্ষুদ্রতম অংশ।
'অনু' শব্দের অর্থ - পশ্চাৎ।

’অনিষ্ট’ - ক্ষতি।
’অনিষ্ঠ’ - নিষ্ঠাহীন।

’অন্ত্য’- শেষ।
’অন্তঃ’- ভিতর।

’অন্ন’- ভাত।
’অন্য’- অপর।

’অন্যান্য’ - অপরাপর।
’অনন্য’ - একক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

.
’ঈষৎ কম্পিত’-এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. আধুত
  2. স্মিত
  3. নীলাভ
  4. ধূসর
ব্যাখ্যা

’ঈষৎ কম্পিত’-এর এককথায় প্রকাশ = আধুত।

এছাড়াও,

- ’ঈষৎ কৃষ্ণ’-এর এককথায় প্রকাশ = কালচে।
- ’ঈষৎ পণ্ডুবর্ণ’-এর এককথায় প্রকাশ = ধূসর।
- ’ঈষৎ নীলবর্ণ’-এর এককথায় প্রকাশ = নীলাভ।
- ’ঈষৎ হাস্য’-এর এককথায় প্রকাশ = স্মিত।
- ’ঈশ্বর বিষয়ক’-এর এককথায় প্রকাশ = ঐশ্বরিক।
- ’ঈষৎ মধুর’-এর এককথায় প্রকাশ = আমধুর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
’পোঁ-ধরা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ কী?
  1. সর্বস্বান্ত হওয়া
  2. কথার মাঝে বিদ্রুপ করা
  3. মোসাহেবী করা
  4. নষ্ট করা
ব্যাখ্যা

- ’পোঁ-ধরা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ- মোসাহেবী করা।

অন্যদিকে,
- ’মাথা খাওয়া’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ-  নষ্ট করা।
- ’সর্বস্বান্ত হওয়া’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ-  পথে বসা।
- ’ফোড়ন কাটা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ-  কথার মাঝে বিদ্রুপ করা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'Autocracy'-এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. স্বদেশী
  2. স্বশাসিত
  3. স্বশাসন
  4. স্বৈরতন্ত্র
ব্যাখ্যা

'Autocracy'-এর পারিভাষিক শব্দ = স্বৈরতন্ত্র।

অন্যদিকে,
Indigenous- -এর পারিভাষিক শব্দ = স্বদেশী।
Autonomous- -এর পারিভাষিক শব্দ = স্বশাসিত।
Autonomy- -এর পারিভাষিক শব্দ = স্বশাসন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা অভিধান।

১০.
Transform it into a compound sentence:
Having finished my homework, I played football.
  1. I had finished my homework and played football.
  2. I finished my homework, played football.
  3. I had finished my homework but played football.
  4. I finished my homework and was playing football.
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) I had finished my homework and played football.

- Simple Sentence: Having finished my homework, I played football.
- Compound Sentence: I had finished my homework and played football.

- Perfect Participle যুক্ত Simple Sentence কে Compound Sentence এ পরিবর্তনের নিয়ম:

- প্রথমে Subject বসে,
- তারপর simple sentence এর Perfect Participle এর past Perfect form বসে।
- and বসে,
- বাকী অংশ বসে।
- Simple: Having forgotten him, I went out.
- Compound: I had forgotten him and went out.

Source: Advanced Learners Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১১.
Which of the following is the correct spelling?
  1. Seperattion
  2. Seperation
  3. Seperationn
  4. Separation
ব্যাখ্যা

• The Correct Spelling is ঘ) Separation.

Separation
- Bangla Meaning: বিচ্ছেদ; বিচ্ছিন্নতা; বিচ্ছিন্নকরণ; বিচ্ছিন্নাবস্থা; পৃথককরণ।
- English Meaning: the act or process of separating: the state of being separated.

Example sentence:
- They believe in the separation between work and home life.
- She and her husband have agreed to a trial separation.

Sources: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

১২.
Transform it into a complex sentence:
She was crying at the time of the announcement.
  1. She cried when the announcement was made.
  2. She was crying when the announcement is made.
  3. She was crying when the announcement was made.
  4. She is crying when the announcement was made.
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ)  She was crying when the announcement was made.

- Simple sentence এ যদি at the time of থাকে তাহলে simple sentence কে complex করার নিয়ম:
- প্রথম clause টি অপরিবর্তিত থাকবে।
- at the time of এর পরিবর্তে when বসে।
- প্রথম clause টির tense এর form অনুযায়ী পরবর্তী clause টি the announcement was made হয়েছে।

Simple Sentence: She was crying at the time of the announcement.
Complex Sentence: She was crying when the announcement was made.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৩.
Which is the opposite of “rustic”?
  1. Cosmopolitan
  2. Backwoods
  3. Rave
  4. Uncultivated
ব্যাখ্যা

• The opposite of “rustic” is Cosmopolitan.

Rustic

- Bangla Meaning: গ্রামীণ; সাদাসিধা; কৃত্রিমতাবিহীন; অকপট।
- English Meaning: of, relating to, or suitable for the country : rural.

ক) Cosmopolitan
- Bangla Meaning: বিশ্বের সব বা বহু অঞ্চল থেকে আগত।
- English Meaning: having wide international sophistication : worldly.

Other options:
খ) Backwoods
- Bangla Meaning: গ্রামের প্রান্তস্থিত বন।
- English Meaning: a remote or culturally backward area.

গ) Rave
- Bangla Meaning: খেপার মতো; ক্রোধোন্মত্তভাবে কথা বলা।
- English Meaning: to talk irrationally in or as if in delirium.

ঘ) Uncultivated
- Bangla Meaning: অকর্ষিত; অনাবাদি; অমার্জিত; অননুশীলিত।
- English Meaning: not put under cultivation : not tilled.

Sources: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

১৪.
What is the synonym of “robust”?
  1. Enormous
  2. Agile

  3. Unstable
  4. Foul
ব্যাখ্যা

"Agile" এবং "Robust" উভয়েই শক্তি এবং সক্ষমতা বোঝায়। 
- একজন "robust" ব্যক্তি "agile"ও হতে পারে। 
- তবে এটি perfect synonym নয়, শুধুমাত্র প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি। অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সঠিক উত্তর agile রাখা হয়েছে। 

Robust

- Bangla Meaning: মোটাসোটা; স্বাস্থ্যবান; প্রবল।
- English Meaning: having or exhibiting strength or vigorous health.

খ) Agile
- Bangla Meaning: ক্ষিপ্র; ক্ষিপ্রগতি; চটপটে; গতিশীল।
- English Meaning: marked by ready ability to move with quick easy grace, moving easily.

Other options:
ক) Enormous
- Bangla Meaning: প্রচুর; বিরাট।
- English Meaning: marked by extraordinarily great size, number, or degree.

গ) Unstable
- Bangla Meaning: অনবস্থিত; স্থিতিহীন; নড়বড়ে; নড়নড়ে; অপ্রতিষ্ঠ; অস্থিত; অনস্থির; স্থিরতাশূন্য।
- English Meaning: not stable : not firm or fixed : not constant.

ঘ) Foul
- Bangla Meaning: নোংরা; পূতিগন্ধ; বিস্বাদ; বিশ্রী; জঘন্য।
- English Meaning: offensive to the senses : loathsome.

Sources: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

১৫.
Which is the antonym of “skeptical”?
  1. Cautious
  2. Emission
  3. Credulous
  4. Torison
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) credulous.

• Skeptical
- Bangla Meaning: সন্দেহপ্রবণ। 
- English Meaning: as in suspicious.

গ) Credulous
- Bangla Meaning: সরল বিশ্বাসী; বিশ্বাসপ্রবণ। 
- English Meaning: ready to believe especially on slight or uncertain evidence.

Other options:
ক) Cautious
- Bangla Meaning: সতর্ক। 
- English Meaning: careful about avoiding danger or risk.

খ) Emission
- Bangla Meaning: প্রেরণ; নিক্ষেপ; নির্গতকরণ।
- English Meaning: an act or instance of emitting : emanation.

ঘ) Torsion
- Bangla Meaning: পাকানো অথবা পাকানোর প্রক্রিয়া।
- English Meaning: the twisting of a bodily organ or part on its own axis.

Sources: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

১৬.
Transform it into a positive degree:
The Nile is the longest river in Africa.
  1. The Nile is longer than any river in Africa.
  2. No other river in Africa is as long as the Nile.
  3. No river in Africa is longer than the Nile.
  4. The Nile is one of the longest rivers in Africa.
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: খ) No other river in Africa is as long as the Nile.

- The + superlative যুক্ত বাক্যকে positive করার নিয়ম-
- No other + Superlative degree এর পরের অংশ + Verb + as/so + Superlative degree এর Positive form + as + প্রদত্ত Sentence এর Subject.
- সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর -
- No other river in Africa is as long as the Nile.

More Example:
- Superlative: Pride is the greatest vice.
- Positive: No other vice is as great as pride.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৭.
What does “stagnant” mean?
  1. Flowing quickly
  2. Always changing
  3. Not moving or growing
  4. Rapidly increasing
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) Not moving or growing.

• Stagnant
- Bangla Meaning: অপরিবর্তিত; নিষ্ক্রিয়; নিরুদ্যম, (পানি) স্থির; বদ্ধ; নিশ্চল।
- English Meaning:  not flowing in a current or stream, not flowing or moving.

Example sentences:
- Stagnant pools and ponds smell awful in a heatwave.
- Plants can't breathe if their roots are immersed in stagnant water.

Sources: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

১৮.
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. যাত্রা
  2. কালো ঘোড়া
  3. রাইফেল রোটি আওরাত
  4. নেকড়ে অরণ্য
ব্যাখ্যা

‘নেকড়ে অরণ্য’
- শওকত ওসমানের রচিত একটি  মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। 

• শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস :
- জাহান্নম হইতে বিদায়,
-  দুই সৈনিক;
- নেকড়ে অরণ্য;
 - জলাংগী;

অন্যদিকে.
- ইমদাদুল হক মিলন রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস: কালো ঘোড়া।
- শওকত আলী রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস: ’যাত্রা’।
- আনোয়ার পাশা রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস: রাইফেল রোটি আওরাত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. পরিণীতা
  2. বিলাসী
  3. চন্দ্রনাথ
  4. গৃহদাহ
ব্যাখ্যা

 বিলাসী:
- এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প।
- গল্পে অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধাচারণ করা হয়েছে মৃত্যুঞ্জয়-বিলাসীর বিয়ে সংঘটনের মাধ্যমে।
- বিলাসী গল্পে 'ন্যাড়া' চরিত্রের মধ্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর নিজের ছায়াপাত ঘটেছে।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:

- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ছোটগল্প:
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী,
- মামলার ফল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

২০.
’উদাত্ত পৃথিবী’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. জাহানারা ইমাম
  2. সুফিয়া কামাল
  3. বেগম রোকেয়া
  4. নিহারীকা দেবী
ব্যাখ্যা

• সুফিয়া কামাল:
- তিনি ছিলেন কবি, বুদ্ধিজীবী, সমাজনেত্রী। 
- সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০শে জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আবদুল বারি এবং মাতা সৈয়দা সাবেরা খাতুন।
-  সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (১৮৮৮-১৯৯৪) ১৯২৬ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ প্রকাশ করেন।
- ১৯৩১ সালে সুফিয়া মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম ‘ভারতীয় মহিলা ফেডারেশন’-এর সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালে ‘মহিলা সংগ্রাম পরিষদ’ (বর্তমানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ) গঠিত হলে তিনি তার প্রতিষ্ঠাতাপ্রধান নির্বাচিত হন এবং আজীবন তিনি এর সঙ্গে জড়িত থাকেন।
- তাঁকে 'জননী সাহসিকা' বলা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ২০শে নভেম্বর ঢাকায় তাঁর জীবনাবসান ঘটে। 

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- সাঁঝের মায়া,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে,
- মায়া কাজল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
"আমার কবিতা আমি জানি গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী।" পঙ্‌ক্তিটির লেখক কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

"আমার কবিতা আমি জানি
গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী।"
-  পঙ্‌ক্তিটির লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি ঐকতান কবিতার অংশ।

উল্লেখ্য,
‘ঐকতান’ কবিতাটি রবি ঠাকুরের ‘জন্মদিনে’ কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে। ঐকতান কবিতাটি লেখকের আত্মস্বীকারোক্তি ও আত্মপক্ষসমর্থন মূলক কবিতা। লেখকের মৃত্যুর ৪ মাস আগে কবিতাটি রচনা করেন।

ঐকতান
বিপুল। এ পৃথিবীর কতটুকু জানি!
দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী—
মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু,
কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু
রয়ে গেল অগোচরে। বিশাল বিশ্বের আয়োজন;
মন মোর জুড়ে থাকে অতিক্ষুদ্র তারি এক কোণ।
-------
তাই আমি মেনে নিই সে নিন্দার কথা—
আমার সুরের অপূর্ণতা।
আমার কবিতা, জানি আমি,
গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ঐকতান কবিতা।

২২.
সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. রাজসিংহ
  2. শহরতলী
  3. কন্যাকুমারী
  4. গায়ত্রী সন্ধ্যা
ব্যাখ্যা

‘গায়ত্রী সন্ধ্যা' উপন্যাস:
• গায়ত্রী সন্ধ্যা' সেলিনা হোসেন রচিত একটি ত্রয়ী উপন্যাস।
• গ্রন্থটি একই শিরোনামে ৩টি পটভূমিতে ৩টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
• সেলিনা হোসেন রচিত 'গায়ত্রী সন্ধ্যা' উপন্যাসের পটভূমি ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত সময়।
• দীর্ঘ আটাশ বছরের অর্থ- সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পটভূমিতে রচিত হয়েছে এ উপন্যাস।

সেলিনা হোসেন:

- সেলিনা হোসেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক।
- সেলিনা হোসেন ১৪ই জুন ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর লাভ করেন।
- অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীমুক্তি তাঁর কথাসাহিত্যের মূলগত আখ্যান।
- সাহিত্যক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও ফিলিপ্স সাহিত্য পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- দীপান্বিতা ইত্যাদি।

গল্পগ্রন্থ:
- উৎস থেকে নিরন্তর,
- খোলকরতাল,
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প ইত্যাদি;

• শিশু-কিশোর উপযোগ্য রচনা:
- সাগর,
- বাংলা একাডেমী গল্পে বর্ণমালা,
- বর্ণমালার গল্প,
- জ্যোৎস্নার রঙে আঁকা ছবি,
- চাঁদের বুড়ির পান্তা ইলিশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস- রাজসিংহ।
- মানিক বন্দোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস- শহরতলী।
- 'কন্যাকুমারী' রাশিদা আখতার রচিত একটি উপন্যাস।

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৩.
’নিগ্রো সাহিত্য’ প্রবন্ধের লেখক কে?
  1. বদরুদ্দীন উমর
  2. সেলিম আল দীন
  3. আহমদ শরীফ
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

-  'নিগ্রো সাহিত্য' সেলিম আল দীন রচিত বাংলা প্রবন্ধ।
-  আমেরিকার কালো মানুষদের নিয়ে এটি তাঁর প্রথম বাংলা প্রবন্ধ 'নিগ্রো সাহিত্য' 
- ১৯৬৮ সালে কবি আহসান হাবিব সম্পাদিত ‘দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়।

• সেলিম আল দীন:

- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনি জেলার অন্তর্গত সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের প্রকৃত নাম মইনুদ্দিন আহমেদ ।
- তাঁর প্রথম রেডিও নাটক 'বিপরীত তমসায়' ১৯৬৯ সালে এবং প্রথম টেলিভিশন নাটক আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় 'লিব্রিয়াম' (পরিবর্তিত নাম ঘুম নেই) প্রচারিত হয় ১৯৭০ সালে।
- ১৯৮৬ সালে তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগদান এবং উক্ত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশের নাট্যশিল্পকে বিশ্বনাট্য ধারার সঙ্গে সমপংক্তিতে সমাসীন করার লক্ষ্যে ১৯৮১-৮২ সালে তিনি এবং নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দিন ইউসুফ সারাদেশব্যাপী গড়ে তোলেন 'বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার'।
- বাংলাদেশের বিচিত্র শ্রমজীবী, পেশাজীবী, বাঙালি ও বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজজীবন ও তাদের আবহমান কালের সংস্কৃতিকে তিনি তাঁর নাটকে মহাকাব্যিক ব্যাপ্তিদান করেছেন।
- ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত নাট্যগ্রন্থ:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কীর্তন খোলা,
- হাতহদাই,
- জুলান,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

২৪.
’দি আগলি এশিয়ান’ উন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. শওকত ওসমান
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
ব্যাখ্যা

 • ‘দি আগলি এশিয়ান’ উপন্যাস:
-  ‘দি আগলি এশিয়ান’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত একটি উপন্যাস।
- এ উপন্যাসে পূর্ববঙ্গের রাজধানী শহরকে (নাম নেয়া হয়নি) কেন্দ্র করে রাজনীতিতে আমেরিকার হস্তক্ষেপ, সেনাবাহিনীকে দিয়ে সামরিক আইন জারি, সাধারণ মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার খর্ব করা, দেশে সাম্যবাদী উত্থান প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করা ইত্যাদি প্রধান হয়ে উঠেছে।
- সামরিক আইন জারি করিয়ে সেনাবাহিনী দিয়ে বা নিজেদের সমর্থনপুষ্ট পুঁজিবাদীদের কাজে লাগিয়ে মার্কিন দেশ তখন এশিয়ার প্রতিটি দেশেই নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত ছিল।
- এশিয়ার এই কদর্য রূপকেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ এই উপন্যাসে তুলে ধরেছেন।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুরঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৫.
বিশ্বের সর্বোচ্চ 'গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন' সেতু নির্মাণ করেছে কোন দেশ? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতু:
- বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু সেতু চীনের হুয়াজিয়াং গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ব্রিজ।
- চীনের গুইঝৌ প্রদেশের হুয়াজিয়াং গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ২,৯০০ মিটার, যার মূল অংশ ১,৪২০ মিটার লম্বা।
- ব্রিজটি নদীর স্তর থেকে ২,০৫১ ফুট (৬২৫ মিটার) উঁচুতে অবস্থিত।
- উদ্বোধনের পর এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতু এবং পাহাড়ি এলাকায় নির্মিত সবচেয়ে দীর্ঘ স্প্যানের সেতুর রেকর্ড গড়বে।
- সেতুর নির্মাণ প্রকল্প ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে কাজ শুরু হয় এবং সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে জনসাধারণের জন্য এটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- বিশ্বের ১০টি সর্বোচ্চ সেতুর মধ্যে আটটি চীনের গুইঝৌতে অবস্থিত।

সূত্র- কালের কণ্ঠ পত্রিকা প্রতিবেদন।

২৬.
সম্প্রতি, কোন দেশের গবেষকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন স্টেথোস্কোপ উদ্ভাবন করেছেন? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানি
  3. সুইডেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

স্টেথোস্কোপ:
- যুক্তরাজ্যের ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডন এবং ইম্পিরিয়াল কলেজ হেলথকেয়ার এনএইচএস ট্রাস্টের গবেষকেরা এআই সুবিধাযুক্ত স্টেথোস্কোপ উদ্ভাবন করেছেন।
- এই স্টেথোস্কোপ দিয়ে মাত্র ১৫ সেকেন্ডে তিন ধরনের হৃদ্‌রোগ হার্ট ফেইলিওর, হার্টের ভালভের রোগ এবং অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন নির্ণয় করতে পারে।
- এ স্টেথোস্কোপ দিয়ে মানুষের কানে সহজে ধরা পড়ে না, এমন হার্টবিটের অতিমৃদু শব্দ ও রক্তপ্রবাহের পার্থক্য শনাক্ত করা যাবে।
- নতুন স্টেথোস্কোপটি উদ্ভাবনের জন্য যুক্তরাজ্যের ২০০টি সাধারণ চিকিৎসক (জিপি) চেম্বারে ১২ হাজার রোগীর ওপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
- ক্যালিফোর্নিয়ার সংস্থা ইকো হেলথ এটি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করছে।
- বর্তমানে প্রচলিত স্টেথোস্কোপটি উদ্ভাবন হয়েছিল ১৮১৬ সালে।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা । 

২৭.
জাতিসংঘের কোন দুটি সংস্থা মিলে IPCC গঠন করে?
  1. UNEP ও WMO
  2. UNFCCC ও UNEP
  3. UNFCCC ও WMO
  4. UNEP ও ECOSOC
ব্যাখ্যা

• IPCC:
- পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৮৮ সাল।
- এটি জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সদস্য: ১৯৫টি।(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।

২৮.
'কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণাটি সর্বপ্রথম কোন সংগঠন দেয়?
  1. UNFCCC
  2. IUCN
  3. IPCC
  4. UNEP
ব্যাখ্যা

• ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল-এর অধীনে কার্বন ক্রেডিট চালু হয়, যার তত্ত্বাবধানে রয়েছে UNFCCC।

• কিয়োটো প্রোটোকল:
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রোটোকল।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- এই চুক্তির মূল বিষয়: গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৯.
কপ-৩০ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. স্পেন
  2. কানাডা
  3. জার্মানি
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

• কপ-৩০:
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।
- সময়কাল: ১০ নভেম্বর, ২০২৫ - ২১ নভেম্বর, ২০২৫।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও UNFCC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩০.
'UN Ocean Conference-2025' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. জার্মানি
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. স্পেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

UN Ocean Conference
- ২০২৫ সালের UN Ocean Conference (তৃতীয় সম্মেলন) ৯–১৩ জুন ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল Nice, France-এ।
- এই বছরের সম্মেলনটিতে ফ্রান্স ও কোস্টারিকা সহ-আয়োজক ছিল।
- প্রথম সম্মেলন হয়: ২০১৭ সালে নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে।

• UN Ocean Conference  এর মূল থিম ও লক্ষ্য:
- SDG ১৪: Life Below Water
- সামুদ্রিক দূষণ হ্রাস।
- অতিরিক্ত মাছ শিকার বন্ধ।
- সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার।
- সমুদ্রের ৩০% এলাকা ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষণ (৩০×৩০ লক্ষ্য)।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা।
- Deep-sea mining ও bottom trawling-এর মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: এস ডি জি ওয়েবসাইট।

৩১.
পরিবেশগত ' জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক' চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মিনামাটা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন চুক্তির বিষয়বস্তু
- কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি। 
- কার্টাগেনা প্রটোকলের পুরো নাম Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity. 
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত হয় ২০০০ সালের ১৯ জানুয়ারি। 
- কার্টাগেনা প্রটোকল চুক্তিটি কানাডার মনট্রিলে ২০০৩ সালে কার্যকর হয়। 
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে। 

অন্যদিকে, 
- ভিয়েনা কনভেনশন হলো ওজোন স্তরের সুরক্ষা চুক্তি। 
- বাসেল কনভেনশন হলো ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক চুক্তি। 
- মিনামাটা কনভেনশন হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশগত নৃতাত্ত্বিক নির্গমন এবং পারদ যৌগের নির্গমন থেকে রক্ষা বিষয়ক চুক্তি।

উৎস: Britannica.com এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩২.
5G মোবাইল প্রযুক্তি কখন চালু হয়েছিল?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।

5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

সোর্স: ব্রিটানিকা। 

৩৩.
আধুনিক ট্যাবলেটে প্রধানত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. কীবোর্ড
  2. রেডিও ওয়েভ
  3. পেন ড্রাইভ
  4. টাচ স্ক্রিন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) টাচ স্ক্রিন

ট্যাবলেট কম্পিউটার
- ট্যাবলেট কম্পিউটার হল ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের আকারের মধ্যে একটি ডিভাইস।
- প্রাথমিক সময়ে এতে কীবোর্ড বা স্টাইলাস ব্যবহার করা হতো, কিন্তু আধুনিক ট্যাবলেটে টাচ স্ক্রিন ব্যবহার হয়।
- ১৯৬৮ সালে অ্যালান কেই Dynabook-এর ধারণা করেছিলেন, কিন্তু তা তৈরি করা হয়নি। প্রথম প্রকৃত ট্যাবলেট কম্পিউটার ছিল Cambridge Z88 এবং Linus Write-Top (1987)।
- ২০১০ সালে অ্যাপল iPad চালু করে টাচ-স্ক্রিন ডিভাইসকে জনপ্রিয় করে তোলে, এরপর Samsung Galaxy Tab-এর মতো অন্যান্য ট্যাবলেট আসে।
- ট্যাবলেট ব্যবহারকারীদের টেক্সট হাইলাইট ও এডিট, নোট লেখা, শব্দ অনুসন্ধান, ব্যাকলাইট সামঞ্জস্য এবং অন্তর্নির্মিত অভিধান ব্যবহারে সাহায্য করে।
- এছাড়া ইন্টারেক্টিভ ডায়াগ্রাম ও ভিডিও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মনোযোগ এবং সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে।

সোর্স: ব্রিটানিকা। 

৩৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং এ HaaS-এর উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যবহারকারীদের প্রসেসিং ক্ষমতা এবং ডেটা স্টোরেজ দেওয়া
  2. ব্যবহারকারীদের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট টুল দেওয়া
  3. ব্যবহারকারীদের নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  4. ব্যবহারকারীদের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুবিধা দেওয়া
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) ব্যবহারকারীদের প্রসেসিং ক্ষমতা এবং ডেটা স্টোরেজ দেওয়া।

ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing):
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সার্ভিস সরবরাহের পদ্ধতি। 

যেমন:
SaaS (Software as a Service) – সফটওয়্যার সেবা:
ব্যবহারকারীদের বাইরে সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করা হয়। এটি ব্যবসায়িক বা সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য হতে পারে।

HaaS (Hardware as a Service) – হার্ডওয়্যার সেবা:
ব্যবহারকারীদের কম্পিউটার প্রসেসিং এবং ডেটা সংরক্ষণ সুবিধা দেওয়া হয়। ব্যবহারকারী তাদের নিজের অ্যাপ্লিকেশন চালাতে এবং ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

PaaS (Platform as a Service) – প্ল্যাটফর্ম সেবা:
সফটওয়্যার ডেভেলপারদের জন্য রিমোট কম্পিউটিং ক্যাপাসিটি এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট টুল সরবরাহ করা হয়।

সোর্সঃ ব্রিটানিকা। 

৩৫.
১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি কোনটি ছিল?
  1. TDMA
  2. CDMA
  3. FDMA
  4. OFDMA
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) FDMA

প্রথম প্রজন্মের মোবাইল (1G : 1979-1990)
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো Motorola DynaTAC হ্যান্ডহেল্ড মোবাইল ফোন চালু করা হয়, যা Total Access Communication System (TACS) নামে পরিচিত।
 - ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে 1G মোবাইল ফোনগুলো সেলুলার নেটওয়ার্কের উপর ভিত্তি করে এবং অ্যানালগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করত।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTT (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করে, যা 1G প্রযুক্তির সূচনা করে।
- ১৯৯০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এই প্রজন্মের সিস্টেম ব্যবহার হয়।
- এই সময়ের রোমিং সুবিধা সীমিত ছিল।
- উদাহরণস্বরূপ: AMPS (Advanced Mobile Phone System), TACS (Total Access Communication System) ইত্যাদি।

১জি মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য
১. রেডিও সিগন্যালের জন্য অ্যানালগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো।
২. প্রথমবারের মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের প্রয়োগ দেখা যায়।
৩. বেজ স্টেশন এবং মোবাইল ফোন দুটি আলাদা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করত।
৪. ব্যবহৃত হতো অর্ধপরিবাহী মেমোরি ও মাইক্রোপ্রসেসর।
৫. চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি ছিল FDMA (Frequency Division Multiple Access)।
৬. ডিভাইসের আকার বড় ও ওজন বেশি ছিল।
৭. কল চলাকালীন ব্যবহারকারীর অবস্থান পরিবর্তন হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

৩৬.
মেটা প্ল্যাটফর্মস-এর জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম কোনগুলো? 
  1. লিঙ্কডইন, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপ
  2. ইউটিউব, টিকটক, মেসেঞ্জার
  3. টুইটার, লিঙ্কডইন, স্ন্যাপচ্যাট
  4. ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ

মেটা প্ল্যাটফর্মস:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস হলো একটি বড় সামাজিক মাধ্যম সংস্থা।
- এটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এবং হোয়াটসঅ্যাপের মালিক।
- কোম্পানিটি ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি পরিবেশে ইন্টারঅ্যাকশনের ওপর গুরুত্ব দেয়।
- অক্টোবর ২০২১-এ ফেসবুকের মূল কোম্পানি তার নাম পরিবর্তন করে “মেটা প্ল্যাটফর্মস” রাখে।
- ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এ মার্ক জুকারবার্গ ঘোষণা করেন যে কোম্পানি মেটাভার্স থেকে সরিয়ে জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)-এর দিকে মনোযোগ দেবে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৩৭.
প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি ছিল?
  1. FORTRAN
  2. ASSEMBLY
  3. COBOL
  4. BASIC
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ASSEMBLY

প্রোগ্রামিং ভাষা ও ইতিহাস
- প্রোগ্রামিং ভাষা হলো সেই ভাষা, যা ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারে সফটওয়্যারের অংশ তৈরি করতে ব্যবহার করে।
- প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা ছিল Assembly, যা সরাসরি কম্পিউটার দ্বারা চালিত হতো।
- ১৯৫০-এর দশকে উচ্চ-স্তরের ভাষা ব্যবহার শুরু হয়, যেমন FORTRAN (বীজগণিতিক সমস্যা সমাধান) এবং ALGOL।
- পরে ১৯৬০ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য BASIC তৈরি হয়। একই সময়ে COBOL ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার জন্য তৈরি হয়।
- প্রথম ভাষাগুলো imperative এবং procedural ছিল, যেমন COBOL, FORTRAN, Pascal, এবং C।
- পরবর্তীতে functional ভাষা তৈরি হয়, যেখানে প্রোগ্রামকে ফাংশনের সংগ্রহ হিসেবে দেখা হয়, যেমন LISP, Scheme, Prolog।
- অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) প্রথমে Smalltalk-এ এসেছে, যেখানে অবজেক্ট হলো ডেটা এবং সেই ডেটার উপর কাজ করা ফাংশনের সংমিশ্রণ।
- পরবর্তীতে OOP ভাষার মধ্যে এসেছে C++, Java, Visual BASIC।
- জাভা একটি বিশেষ ভাষা, যা যেকোনো প্ল্যাটফর্মে Java Virtual Machine (JVM)-এর মাধ্যমে চালানো যায়। এটি ডিস্ট্রিবিউটেড এবং ওয়েব-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে উপযুক্ত।
- এছাড়া ডিক্লারেটিভ ও স্ক্রিপ্টিং ভাষাও রয়েছে, যেমন SQL, HTML, PHP, যা ডাটাবেস পরিচালনা, ওয়েব পেজ ডিজাইন এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

Source: ব্রিটানিকা। 

৩৮.
জিপিএস কোন উৎস থেকে তথ্য গ্রহণ করে?
  1. মোবাইল টাওয়ার
  2. রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
  3. স্যাটেলাইট থেকে
  4. ওয়েব সার্ভার থেকে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) স্যাটেলাইট থেকে 

জিপিএস (Global Positioning System – GPS)
- জিপিএস হলো একটি স্যাটেলাইট-নির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা পৃথিবীর যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম।
- আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির কারণে, মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তু ট্র্যাক করা এবং অবস্থান সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব।
- জিপিএস নিরন্তর স্যাটেলাইট থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা পৃথিবীর বিভিন্ন সার্ভারে প্রেরণ করে।
- বর্তমানে, জিপিএস রিসিভারগুলো উচ্চ নির্ভুলতা (high accuracy) প্রদান করে।
- গাড়ি, জাহাজ, বিমান, ল্যাপটপ, স্মার্টফোনসহ আধুনিক অধিকাংশ ডিভাইসে জিপিএস রিসিভার সংযুক্ত থাকে।
- বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় জিপিএস ভিত্তিক সেবা হলো ট্রেনের অবস্থান সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া।
- নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে মেসেজ পাঠিয়ে যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলের যে কোনো ট্রেনের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানতে পারে।
- এর ফলে যাত্রীরা স্টেশনে সময়মতো পৌঁছাতে পারে।
- বাংলাদেশের এই সেবাটি গ্রামীণফোন ও রেলের যৌথ উদ্যোগে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রদান করা হয়।

Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান। 

৩৯.
Google কত সালে Gmail চালু করে?
  1. ২০০০ সালে 
  2. ২০০২ সালে 
  3. ২০০৪ সালে 
  4. ২০০৬ সালে 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ২০০৪ 

গুগল
- গুগল হলো একটি মার্কিন সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে এটি Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনে কাজ করছে।
- গুগল বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ রিকোয়েস্ট পরিচালনা করে। কোম্পানির সদর দপ্তর মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- শুরুতে গুগল শুধুমাত্র একটি সার্চ ফার্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল। 
- পরে গুগল ম্যাপস ও ইউটিউবের মতো পরিষেবা ব্যবহারকারীর ডেটা একত্রিত করে সার্চ ইঞ্জিনকে আরও শক্তিশালী করেছে।
- ২০০৪ সালে গুগল Gmail চালু করে, যা বিনামূল্যে ওয়েব-ভিত্তিক ইমেইল সেবা দেয়।
 - ২০০৮ সালে Chrome ব্রাউজার চালু হয়, যা ওয়েব প্রোগ্রাম চালানোর জন্য বিশেষভাবে তৈরি।
- Chrome OS ব্যবহারকারীদের কম সিস্টেম রিসোর্স দিয়ে ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা প্রদান করে।

- বর্তমানে গুগল ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন ইমেইল, অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি, এবং মোবাইল/ট্যাবলেট সফটওয়্যার।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে গুগল হার্ডওয়্যার ক্ষেত্রেও প্রবেশ করে।

Source: ব্রিটানিকা। 

৪০.
পিটুইটারি গ্রন্থির কোন হরমোনটি মূত্র নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. অক্সিটোসিন 
  2. ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোন
  3. প্রোল্যাকটিন
  4. ভ্যাসোপ্রেসিন
ব্যাখ্যা

ভ্যাসোপ্রেসিন বা অ্যান্টি-ডাইইউরেটিক হরমোন (ADH) শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং মূত্র নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

পিটুইটারি গ্রন্থি:
- পিটুইটারি গ্রন্থি হলো মানব মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র, লালচে-ধূসর রঙের মটর-সদৃশ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
- এটি অন্তঃক্ষরাতন্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার ওজন মাত্র ০.৫ গ্রাম।
- পিটুইটারি গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা নিয়ামক গ্রন্থি (Principal/Master gland) বলে।
- এটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ করে এবং অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির (যেমন থাইরয়েড, অ্যাড্রেনাল ও প্রজনন গ্রন্থি) কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি হাইপোথ্যালামাসের সাথে সংযুক্ত থাকে।

• প্রধান অংশ ও হরমোনসমূহ:
- পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রধানত দুইটি অংশে ভাগ করা হয়। যথা:
১। অগ্র পিটুইটারি (Anterior Pituitary/Adenohypophysis):
- দেহের বৃদ্ধি, বিপাক এবং অন্যান্য গ্রন্থির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর প্রধান হরমোনগুলো হলো:
- গ্রোথ হরমোন (GH): দেহের সামগ্রিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
- থাইরয়েড-স্টিমুলেটিং হরমোন (TSH): থাইরয়েড গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
- অ্যাড্রেনোকর্টিকোট্রপিক হরমোন (ACTH): অ্যাড্রেনাল গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
- ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH) এবং লিউটিনাইজিং হরমোন (LH): এ দুটি হরমোনকে একত্রে গোনাডোট্রপিক হরমোন (GTH) বলা হয়, যা প্রজনন অঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রোল্যাকটিন (Prolactin): দুগ্ধ উৎপাদনে সহায়তা করে।
- মেলানোসাইট স্টিমুলেটিং হরমোন (MSH): ত্বক ও চুলের বর্ণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

২। পশ্চাৎ পিটুইটারি (Posterior Pituitary/Neurohypophysis):
- এই অংশটি নিজে কোনো হরমোন তৈরি করে না, বরং হাইপোথ্যালামাস থেকে আসা দুটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন সংরক্ষণ করে ও প্রয়োজনে নিঃসরণ করে।
- হরমোন দুটি হলো:
- ভ্যাসোপ্রেসিন (Vasopressin): এটি অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোন (ADH) নামেও পরিচিত, যা কিডনির মাধ্যমে মূত্র নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- অক্সিটোসিন (Oxytocin): এটি সন্তান প্রসবকালে জরায়ুর সংকোচন ঘটানো এবং দুগ্ধ নিঃসরণে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ২য় পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল, গাজী আসমত।

৪১.
শ্বেত রক্তকণিকা (লিউকোসাইট) সম্পর্কিত কোন বিবৃতিটি সঠিক নয়?
  1. শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে
  2. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে
  3. মানবদেহে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে ৪ - ১১ হাজার 
  4. রক্তপ্রবাহে শ্বেত রক্তকণিকা সাধারণত মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়
ব্যাখ্যা

শ্বেত রক্তকণিকা সাধারণত অস্থিমজ্জা (bone marrow) এবং লিম্ফয়েড অঙ্গাণু যেমন লিম্ফ নোড (lymph nodes) ও প্লীহা (spleen) -তে বিভাজিত হয়, রক্তপ্রবাহের মধ্যে নয়।

শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে।
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে।
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।
- শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে।
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪ - ১১ হাজার (গড়ে ৭৫০০) শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।

শ্বেত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস আছে।
২. শ্বেত রক্তকণিকার আকার অনিয়মিত ও বড়।
৩. শ্বেত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নেই।
৪. শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা লোহিত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক কম।
৫. শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
নিচের কোনটি ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. প্রধানত দ্বি-ভাজন (Binary fission) পদ্ধতিতে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
  2. এককোষী প্রোক্যারিওটিক জীব
  3. কোষীয় অঙ্গাণু যেমন রাইবোসোম, সাইটোপ্লাজম, কোষপ্রাচীর থাকে
  4. এরা বাধ্যতামূলক পরজীবী
ব্যাখ্যা

ভাইরাস হলো বাধ্যতামূলক পরজীবী, কারণ তারা পোষক কোষ ছাড়া সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে না।

ব্যাকটেরিয়া:
-ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব।
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
- ব্যাকটেরিয়া প্রধানত দ্বি-ভাজন (Binary fission) পদ্ধতিতে সংখ্যাবৃদ্ধি করে, যা একটি অযৌন প্রজনন পদ্ধতি।
- ব্যাকটেরিয়া এককোষী প্রোক্যারিওটিক জীব অর্থাৎ এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না।
- ব্যাকটেরিয়া কোষে রাইবোসোম, সাইটোপ্লাজম, কোষপ্রাচীর ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে।
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।

• কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- (১) কক্কাস, (২) ব্যাসিলাস, (৩) স্পাইরিলাম এবং (৪) কমা আকৃতি

ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
- মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে।
একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
-পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে।
- দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
- বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়।
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৪৩.
হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ কী?
  1. হরমোন উৎপাদন
  2. বর্জ্য পদার্থ অপসারণ
  3. শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
  4. শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ করা
ব্যাখ্যা

হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে তা শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেওয়া।

হিমোগ্লোবিন:
-
হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকার একটি জটিল প্রোটিন, যার মধ্যে লৌহ বা আয়রন থাকে। 
- এই আয়রনের কারণেই হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন অণুগুলোকে সহজে ধারণ করতে পারে। 
- এটি ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শরীরের টিস্যু ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে তা সরবরাহ করে।
- এই প্রক্রিয়ায়, হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনকে কোষে পৌঁছে দিয়ে কোষের বিপাকক্রিয়া ও শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
- এর ফলে জীবিত কোষগুলো ভালোভাবে কাজ করতে পারে।
- এছাড়া হিমোগ্লোবিন কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়।
- হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির কারণেই রক্ত লাল দেখায়।
- এছাড়াও, রোগ প্রতিরোধে শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) কাজ করে।
- খাদ্য হজমে এনজাইম ও পাচকরস ভূমিকা রাখে।
- রক্ত জমাট বাঁধায় প্লেটলেট ও ফাইব্রিনোজেন কাজ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪৪.
কোন অবস্থার কারণে জন্ডিস হয়?
  1. দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি 
  2. রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যাওয়া
  3. রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া
  4. রক্তে বিলিরুবিনের উচ্চ মাত্রা
ব্যাখ্যা

জন্ডিস হলো একটি শারীরিক অবস্থা, যা রক্তে বিলিরুবিনের উচ্চ মাত্রার কারণে হয়।
-  বিলিরুবিন হলো লাল রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার পর উৎপন্ন একটি হলুদ বর্জ্য পদার্থ।
- সাধারণত, যকৃত (liver) এই বিলিরুবিনকে প্রক্রিয়াজাত করে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- যখন যকৃত সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না বা বিলিরুবিন অতিরিক্ত পরিমাণে তৈরি হয়, তখন এটি রক্তে জমা হতে থাকে, যার ফলস্বরূপ ত্বক, চোখ ও শ্লেষ্মা ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়।

বিলিরুবিন:
- বিলিরুবিন পুরোপুরি তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায় এবং এটি জমা থাকে প্লীহাতে।
- বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যা রক্তে উপস্থিত লাল রক্তকণিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়।
- বিলিরুবিন হলো যকৃতে তৈরি হওয়া পাচক তরল পদার্থ অর্থাৎ পিত্তরস বা বাইলের (bile) একটি উপাদান, যা পিত্তথলিতে জমা থাকে।
- এটা খাবারকে হজম করতে এবং মল তৈরি হতে সাহায্য করে।
- জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া।
- যদি কোন কারণের ফলে বিলিরুবিন বিলির সাথে মিশতে না পারে কিংবা যখন লাল রক্ত কণিকা সামান্য থেকে কম পরিমাণে ভাঙতে শুরু করে, তখন রক্তে বিলিরুবিনের স্তর দ্রুত বাড়তে থাকে। আর এই ভাবে এটা অন্য অঙ্গে পৌঁছে সেখানে হলুদ ভাবের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য-
- রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যাওয়া: এই অবস্থাকে লিউকোপেনিয়া বলা হয়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, কিন্তু জন্ডিসের কারণ নয়।
-  রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া: এই অবস্থাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। এর প্রধান লক্ষণ হলো দুর্বলতা ও মাথা ঘোরা। এটি একটি বিপাকীয় সমস্যা, জন্ডিসের সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
- দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি: এই অবস্থাকে পলিসাইথেমিয়া বলা হয়। এটি রক্তকে অতিরিক্ত ঘন করে তোলে এবং রক্ত জমাট বাঁধাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এর সাথেও জন্ডিসের কোনো সম্পর্ক নেই।

উৎস:
১। জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। ব্রিটানিকা।

৪৫.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে গণ্য নয়?
  1. বিটুমিনাস কয়লা
  2. শেল গ্যাস
  3. এনথ্রাসাইট
  4. বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা

বায়োগ্যাস হলো জৈব পদার্থের পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন একটি নবায়নযোগ্য শক্তি, যা জীবাশ্ম থেকে আসে না।

জীবাশ্ম জ্বালানি:
- মৃত গাছপালা, মৃত প্রাণীদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে যে জ্বালানি তৈরি হয় তাকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।
- এগুলো অ-নবায়নযোগ্য এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ করে।

জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
- কয়লা,
- প্রাকৃতিক গ্যাস,
- পেট্রোলিয়াম।

• বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। কারণ এটি জৈব বর্জ্য থেকে উৎপন্ন হয়।

বায়োগ্যাসের বৈশিষ্ট্য:
- বায়োগ্যাস হলো একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
- এটি এটি জৈব বর্জ্য (গোবর, উদ্ভিজ্জ বর্জ্য ইত্যাদি) থেকে ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়।
- এতে প্রধানত মিথেন গ্যাস (CH4) থাকে।
- এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, কারণ এটি দীর্ঘকাল ধরে গঠিত নয় এবং পুনরায় উৎপাদনযোগ্য।

উল্লেখ্য-
- শেল গ্যাস: এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাস যা শিলা বা Shale-এর মধ্যে আটকা থাকে। এটি জীবাশ্ম জ্বালানির একটি রূপ।
- বিটুমিনাস কয়লা: এটি এক ধরনের কয়লা, যা জীবাশ্ম জ্বালানির অন্যতম প্রধান উৎস।
- এনথ্রাসাইট: এটি কয়লার একটি বিশেষ প্রকার, যা সর্বোচ্চ কার্বন সমৃদ্ধ এবং উচ্চ তাপশক্তি সম্পন্ন। এটিও জীবাশ্ম জ্বালানি।

উৎস: ব্রিটানিকা।