পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৯ টপিক: রিভিশন [Exam – 1 to 9 ] [Live Class – 1 to 14]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের' আহবায়ক ছিলেন কে?
  1. আবুল কাশেম
  2. আব্দুল মতিন
  3. গোলাম মাহবুব
  4. ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লা
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মতিন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন জিন্নাহর অনুকরণে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার নতুন ঘোষণা প্রদান করেন।
- এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ ৩০শে জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে।
- আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- ৩১শে জানুয়ারি কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে নতুনভাবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।
- ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়।
- ২১শে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ হরতাল পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম আসন সংখ্যা ছিল-
  1. ২২৩টি
  2. ২২২টি
  3. ৩১০টি
  4. ২৩৭টি
সঠিক উত্তর:
২৩৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৭টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট গঠন: 
-  ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
-  যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফাকে তাদের স্বার্থরক্ষার সনদ বলে বিবেচনা করে।
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসলিম আসন ছিল।
- যুক্তফ্রন্ট পায় ২২৩টি।
- মুসলিম লীগ মাত্র ১টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ইস্কান্দার মির্জা সামরিক আইন জারি করে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন?
  1. ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল
  2. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙ্গে দেওয়া
  3. রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
সামরিক শাসন: 
- ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক আইন জারি করেন।
- তিনি দায়িত্ব নিয়ে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
১. ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল,
২. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙ্গে দেওয়া,
. রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা,
৪. বেশ কজন রাজনৈতিক নেতাকে জেলে প্রেরণ,
৫. সকল মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. সুবাদার ইসলাম খান
  3. শেরশাহ
  4. মুর্শিদকুলি খান
সঠিক উত্তর:
সুবাদার ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবাদার ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
• মুঘল শাসন: 
- বাংলার বারোভূঁইয়াদের পরাজিত করে এদেশে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের ।
- আর এ কৃতিত্বের দাবিদার সুবাদার ইসলাম খান ।
- সুবাদার ইসলাম খান রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকায় প্রবেশ করেন।
- এ সময় থেকে ঢাকা হয় বাংলার রাজধানী।
- সম্রাটের নাম অনুসারে ঢাকার নাম রাখা হয় 'জাহাঙ্গীরনগর'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বাংলাদেশে সর্বশেষ আদমশুমারী হয় কবে? [ জুলাই, ২০২৫]
  1. ২০২৩ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ সাল
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
-  সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল না-
  1. মীর জাফর
  2. মোহন লাল
  3. উমিচাঁদ
  4. রায়দুর্লভ
সঠিক উত্তর:
মোহন লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহন লাল
ব্যাখ্যা
নবাব সিরাজউদ্দৌলা: 
- আলিবর্দি খান অপুত্রক ছিলেন।
- তাই তাঁর কনিষ্ঠ কন্যা আমেনা বেগমের পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে তাঁর উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।
- আলিবর্দির প্রথম কন্যা ঘষেটি বেগম।
- ঘষেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার নবাব হওয়া মেনে নিতে পারেনি।
- ফলে তিনি সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন।
- কয়েকজন অভিজাতের সমর্থন লাভ করেন ঘষেটি বেগম।
- তাদের মধ্যে রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ, মীর জাফর, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ প্রমুখের নাম উল্লেখ করা যায়।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশির যুদ্ধে নবাবের সেনাপতি মীর জাফর বিশ্বাসঘাতকতা করে যুদ্ধে অংশগ্রহণে বিরত থাকেন।
- নবাবের দেশপ্রেমিক সৈন্যছিল  ছিল মীরমদন ও মোহন লাল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীরা বাংলাদেশের কোথায় বসবাস করে না?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. পটুয়াখালী
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
খাসিয়া
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
- এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর। 
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট জেলায় তাদের বসবাস।
- হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার সীমান্তে ৫টি, মৌলভীবাজারে ৬১টি এবং বর্তমান সিলেট জেলায় ৭টি খাসিয়া পুঞ্জি রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পটুয়াখালী জেলায় রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন খাতে শীর্ষ বরাদ্দ খাত-
  1. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
  2. পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. শিক্ষা খাত
  4. স্বাস্থ খাত
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি: 
- মোট এডিপির পরিমাণ: ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- স্থানীয় উৎস থেকে: ১,৪৪,০০০ কোটি টাকা।
- প্রকল্প সহায়তা (বিদেশি অর্থায়ন): ৮৬,০০০ কোটি টাকা।
- মোট প্রকল্প সংখ্যা: ১,১৭১টি।
- স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/করপোরেশন প্রকল্প: ৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকা।

• খাতভিত্তিক শীর্ষ বরাদ্দ: 
- সর্বোচ্চ পরিবহন ও যোগাযোগ: ৫৮,৯৭৩ কোটি টাকা ।
- দ্বিতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ৩২,৩৯২ কোটি টাকা।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ শিক্ষা: ২৮,৫৫৭ কোটি টাকা।ৎ

উল্লেখ্য,
- মোট বাজেট পরিমান:  ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- [জুলাই, ২০২৫]
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

অন্যদিকে,
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪। 
১০.
দেশের প্রথম সার কারখানা-
  1. যমুনা সার কারখানা
  2. ফেনী সার কারখানা
  3. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  4. গোবিন্দগঞ্জ সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা: 
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।
- দেশের প্রথম সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।

উৎস: সিলেট জেলার ওয়েবসাইট।
১১.
বিভাগীয় কমিশনারের পদমর্যাদা সম্পন্ন পদ কার সমান?
  1. সিনিয়র সচিব
  2. অতিরিক্ত সচিব
  3. সচিব
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা
বিভাগীয় প্রশাসন: 
- কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান।
- বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার।
- বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা।
- তিনি একজন অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা।
- তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা।
- বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন।
- তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, 
- বিভাগীয় কমিশনার বিভাগের জনকল্যাণমূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তাঁর দায়িত্ব।
- সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাঁকে করতে হয়।
- তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেনি। 
১২.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব-
  1. মুর্শিদ কুলি খান
  2. আব্বাস আলী মীর্জা
  3. মীর কাসিম
  4. সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা
নবাব মুর্শিদকুলি খান: 
- ১৭০০ সালে বাংলায় আসেন মুর্শিদ কুলি খান।
- তিনি ১৭২৭ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
- প্রথমে তাঁকে বাংলার দেওয়ান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- দেওয়ানের কাজ ছিল সুবার রাজস্ব আদায় ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা।
- সম্রাট ফররুখ শিয়ারের রাজত্বকালে ১৭১৬ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দুর্বল মুঘল সম্রাটগণ দূরবর্তী সুবাগুলোর দিকে তেমন দৃষ্টি দিতে পারেননি।
- আঠারো শতকের বাংলায় মুঘল শাসনের ইতিহাস নিজামত বা নবাবি আমলরূপে পরিচিত।
- আর প্রায় স্বাধীন শাসকগণ পরিচিত হন 'নবাব' হিসেবে।
- মুর্শিদ কুলি খান বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব। 
- তিনি ঢাকা থেকে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।

উল্লেখ্য,
-  বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার কতদিন ক্ষমতায় ছিল?
  1. ৫০ দিন
  2. ৫৬ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৫৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ দিন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট সরকার: 
- ১৯৫৪ সালের ৩রা এপ্রিল যুক্তফ্রন্টভুক্ত কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা এ.কে. ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
- পাকিস্তান সরকার পূর্ববাংলার যুক্তফ্রন্ট সরকারকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি।
- আদমজী পাটকল ও কর্ণফুলি কাগজের কলে বাঙালি-অবাঙালি দাঙ্গাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় কড়ায়।
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হককে গৃহবন্দি করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৪৭ সালে সূচিত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন শুরু হয়।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালে প্রতিবাদ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে রূপ লাভ করে।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
-১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর পঞ্চাশের দশকব্যাপী ছিল আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতিকাল।
- ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
- পাকিস্তানি শাসনপর্বে এটি বাঙালিদের জাতীয় মুক্তির প্রথম আন্দোলন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
সোমপুর বৌদ্ধ বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. জয়পুরহাট
  3. নওগাঁ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
সোমপুর বৌদ্ধ বিহার:
- নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার।
- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সোমপুর বিহার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।
- ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন।
- ১৯২৩ সাল থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যমত্ম এর খনন কাজ চলে।
- খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।