পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত - ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত] i) ভাষা আন্দোলন, ii) যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচন, iii) ৫৬ - এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন iv) পাকিস্তানে সামরিক শাসন ও শাসন বিরোধী আন্দোলন v) ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন vi) ছয়দফা উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
তমদ্দুন মজলিশ কোন ধরণের প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) অর্থনৈতিক
  3. গ) সামাজিক
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাংস্কৃতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- তমদ্দুন মজলিশ ভাষা আন্দোলনে জন্ম নেওয়া সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে উক্ত সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি সাংস্কৃতিক সম্মেলন, বিতর্ক সভা ও আলোচনা অনুষ্ঠানের নিয়মিত আয়োজন করত।
- তমুদ্দুন মজলিশ পুস্তিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেয় পূর্ববাংলার শিক্ষার বাহন, আইন আদালত ও অফিসের ভাষা বাংলা করতে হবে।
- যার চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারিতে।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা' ঘোষণা দেন -
  1. ক) লিয়াকত আলী খান
  2. খ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. গ) ফিরোজ খান নুন
  4. ঘ) খাজা নাজিম উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ পূর্ব-পাকিস্তান সফরে ঢাকায় আসেন।
- ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হলে অনুষ্ঠিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে জিন্নাহ ঘোষণা করেন, ‘উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা'।
- জিন্নাহর এ ঘোষণা পূর্ববাংলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- ২৪ মার্চ সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা করার দাবি জানিয়ে জিন্নাহকে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
ঐতিহাসিক ছয়দফায় কয়টি পৃথক মুদ্রা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফার তৃতীয় দফা
- মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক - এ বিষয়ক বিকল্পসহ দুটি প্রস্তাব করা হয়:
ক)
- সহজ ও অবাধ বিনিময়যোগ্য দুটি পৃথক মুদ্রা পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য প্রচলন করতে হবে।
- এজন্য দুই প্রদেশে দুইটি পৃথক স্টেট ব্যাংক থাকবে এবং মুদ্রা ও ব্যাংক পরিচালনার ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে।
খ)
- একটি কেন্দ্রিয় ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই প্রদেশে দুটি রিজার্ভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং দুই প্রদেশের জন্য অভিন্ন মুদ্রা প্রচলন করতে হবে।
- তবে এ ক্ষেত্রে সংবিধানে এমন বিধান থাকতে হবে যাতে এক প্রদেশের মুদ্রা অন্য প্রদেশে পাচার না হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাঙালির জাতীয় ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. ক) শিক্ষা আন্দোলন
  2. খ) ছয়দফা আন্দোলন
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঘ) ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সময়ে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা -
  1. ক) মুদ্রা ও অর্থ ব্যবস্থা
  2. খ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. গ) রাজস্ব, কর, শুল্ক ব্যবস্থা
  4. ঘ) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
ছয় দফা কর্মসূচি:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা ও অর্থ ব্যবস্থা।
৪. রাজস্ব, কর, শুল্ক ব্যবস্থা।
৫. বৈদেশিক মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্রতিরক্ষা।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কে ঘোষণা করেন?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
- ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যুক্তফ্রন্ট এর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল -
  1. ক) ৬ দফা
  2. খ) ৮ দফা
  3. গ) ১১ দফা
  4. ঘ) ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ দফা
ব্যাখ্যা
 যুক্তফ্রন্ট
- যুক্তফ্রণ্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্ট চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।
- নির্বাচনে ৩০৯টি আসনের ২২৩টি আসনে জয় লাভ করে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা গঠন করে।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কত তারিখে ঐতিহাসিক ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ১৮ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফা
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সংগে মিল রেখে।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

উৎস: যুগান্তর, ০৭ জুন, ২০২১।
.
ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ক) আগরতলায়
  2. খ) করাচিতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
 ছয়দফা দাবি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
- ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
ছয়দফা আন্দোলন ছিল বাঙালির -
  1. ক) রাজনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
  2. খ) সামাজিক আন্দোলন
  3. গ) শিক্ষা মুক্তির আন্দোলন
  4. ঘ) অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ছয়দফা দাবি
- ছয়দফা দাবিকে বাঙালির ‘মুক্তিসনদ' বলা হয়।
- ছয়দফা আন্দোলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠীর শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়।
- ভাষার দাবিতে হয় ভাষা আন্দোলন।
- ছাত্রদের দাবি ভিত্তিক হয় শিক্ষা আন্দোলন।
- ছয়দফার আন্দোলন ছিল বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন।
- কিন্তু ছয়দফার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিলেন বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর সংগঠন আওয়ামী লীগ।
- এ আন্দোলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতীয় নেতায় পরিণত হন।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যে নির্বাচনী মেনিফেস্টো প্রচার করে তাতে ছয়দফা দাবিগুলি সন্নিবেশিত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে মার্শাল ল জারি করে কে ক্ষমতায় বসেন?
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. গ) ইস্কান্দার মির্জা
  4. ঘ) জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
ক) আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
মার্শাল ল
- সামরিক পর্যায়ের যে আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্তার শাসন পরিচালিত হয় তাকে মার্শাল ল (Martial Law) বলে।
- এখানে শাসনকর্তা হন সামরিক বাহিনীর প্রধান স্বয়ং।
- মূলত সংবিধান স্থগিত করে সামরিক আইন বলবৎ হয়।
- ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে।
- এ কে ফজলুল হক পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষাসচিব মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জাকে ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলার বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্বভার অর্পণ করেন।
- ইস্কান্দার মির্জাকে সরিয়ে সামরিক বাহিনীর প্রধান আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।
- আইয়ুব খান নিজেকে ভূষিত করেন ফিল্ড মার্শাল উপাধিতে। 
- তিনি ১৯৫৮ সালে মার্শাল ল জারি করেন।
- তিনি রাজধানী করাচি থেকে প্রথমে স্থানাস্তর করেন রাওয়ালপিন্ডিতে, পরে ইসলামাবাদে।

উৎস: i) প্রথম আলো, Oct 27, 2022।
        ii) কালের কন্ঠ, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০।
১২.
ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনে শহীদ হন -
  1. ক) ৬ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ১০ জন
  4. ঘ) ১১ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ জন
ব্যাখ্যা
ছয়দফার প্রতিক্রিয়া
- ১৯৬৬ সালের ১৩ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ছয় দফা কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- বঙ্গবন্ধু ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যায়িত করেন।
- আইয়ুব খানের সরকার প্রচার করতে থাকে যে, ছয় দফা হচ্ছে রাষ্ট্র বিরোধী আন্দোলন।
- তখন রাজনৈতিক নেতাদের উপর শুরু হয় হয়রানি ও নির্যাতন।
- ১৯৬৬ সালের ৮ মে শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশরক্ষা আইনে গ্রেফতার করা হয়। 
- নেতাদের মুক্তির দাবিতে ৭ জুন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের ডাক দেয়া হয়।
- সরকারের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে প্রতিবাদী মানুষ মিছিল বের করে।
- ধর্মঘটের সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, টঙ্গী ও তেজগাঁও শিল্প এলাকায় পুলিশের গুলিতে মনু মিয়াসহ ১১ জন শ্রমিক নিহত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৬ জানুয়ারি ১৯৫২
  2. খ) ২৮ জানুয়ারি ১৯৫২
  3. গ) ২৯ জানুয়ারি ১৯৫২
  4. ঘ) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব
- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
নিচের কোনটি আইয়ুব বিরোধী জোট?
  1. ক) সিপিবি (CPP)
  2. খ) কপ (COP)
  3. গ) এনডিপি (NDP)
  4. ঘ) বাসদ
সঠিক উত্তর:
খ) কপ (COP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কপ (COP)
ব্যাখ্যা
আইয়ুব বিরোধী জোট:
- ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে জেনারেল আইয়ুব খান পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার্যকর হলে সামরিক আইন তুলে নেয়া হয়।
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন পরিচালিত হয়। 
- এন. ডি. এফ: সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- COP: ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে ‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (Combined Opposition Party, COP) নামে একটি জোট গঠন করে।
- COP গঠিত হয় ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই।

অন্যদিকে -
- নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) হলো কানাডার একটি ফেডারেল রাজনৈতিক দল। 
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি বা সিপিবি হচ্ছে বাংলাদেশের একটি মার্কসবাদী–লেনিনবাদী রাজনৈতিক দল। এ পার্টি অবিভক্ত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির উত্তরাধিকার বহন করে। ভারত বিভাজনের পর ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ এ দল পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) হচ্ছে বাংলাদেশের একটি কমিউনিস্ট দল। বাসদ ১৯৮০ সালে ৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠন টি বর্তমানে বাংলাদেশে বামপন্থীদের জোটবদ্ধ সংগঠন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সাথে একত্রে কাজ করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
একুশের প্রথম কবিতা কোনটি?
  1. ক) মাগো ওরা বলে
  2. খ) অমর একুশে
  3. গ) কোন এক মাকে
  4. ঘ) কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
ব্যাখ্যা
কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী গুলি চালিয়ে হত্যা করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিলরত তরুণদের।
- সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
- মাহবুব উল আলম চৌধুরী অসুস্থ শরীরে রাত জেগে তিনি লিখলেন আগুনঝরা কবিতা: ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে প্রতিবাদ সভায় সে কবিতা পড়লেন তাঁরই সতীর্থ চৌধুরী হারুণ-উর-রশীদ।
- পাকিস্তান সরকার সে কবিতা বাজেয়াপ্ত করে।
- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ একুশের প্রথম কবিতা।

অন্যদিকে -
- মাগো ওরা বলে কবিতাটি এটি একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে উপজীব্য করে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত। এ কবিতায় কবি দেখিয়েছেন, মায়ের ছেলেরা কী করে মাতৃভাষার মানরক্ষা করতে গিয়ে বুক পেতে দেয়। আর ফিরে আসে লাশ হয়ে।
- অমর একুশে কবিতাটি এটি একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে উপজীব্য করে হাসান হাফিজুর রহমান রচিত।
- অভিশাপ দিচ্ছি কবিতাটি এটি একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে উপজীব্য করে শামসুর রাহমান রচিত।

উৎস: প্রথম আলো, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।

১৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির ৩টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল -
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা ও অর্থ ব্যবস্থা।
৪. রাজস্ব, কর, শুল্ক ব্যবস্থা।
৫. বৈদেশিক মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্রতিরক্ষা।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদে কতটি আসন ছিল?
  1. ক) ২২৩টি
  2. খ) ২৩৭টি
  3. গ) ৩০৯টি
  4. ঘ) ৩১০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০৯টি
ব্যাখ্যা
প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
- ১৯৫৪ সালের মার্চের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচন।
- পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদে আসন ছিল ৩০৯টি।
- প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩০৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ ৯টি আসন লাভ করে।
- মুসলিম লীগ মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমীনসহ প্রভাবশালী ৫ সদস্যের সকলেই নির্বাচনে পরাজিত হন।

উল্লেখ্য,
- মুসলিম নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনে ৩৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- এই ৯টি আসনের সবগুলোতে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীরা বিজয়ী হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) রফিক
  2. খ) শফিক
  3. গ) বরকত
  4. ঘ) সালাম
সঠিক উত্তর:
ক) রফিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রফিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন
- ভাষা আন্দোলন  বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন।
-  ১৯৪৭ সালে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত এবং ১৯৫২ সালে এই আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) শুধুমাত্র উর্দুকে জাতীয় ভাষা হিসেবে ঘোষণার প্রতিবাদে বাঙালী ছাত্ররা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জড়ো হতে শুরু করে।
- ২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ আরও অনেকে।
- ২০০০ সালে তাদের রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে।
- বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
- রফিক ছিলেন বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- তারা তিনজন নিহত হন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে।
- পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে মারা যান রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রাণ হারানোর তালিকায় আরো দুটি নাম পাওয়া যায়- অহিউল্লাহ ও আবদুল আউয়াল।
- এ ছাড়া সালাউদ্দীন নামেও একজন ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ হন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। 
- বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনে প্রথম শহিদ রফিকউদ্দিন আহমেদ। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১।
         ii) প্রথম আলো, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১।
১৯.
ভাষা শহীদ নয় -
  1. ক) সালাম
  2. খ) রফিক
  3. গ) মনুমিয়া
  4. ঘ) শফিউর
সঠিক উত্তর:
গ) মনুমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মনুমিয়া
ব্যাখ্যা
ভাষা শহিদ
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আমরা পাঁচজন শহিদের নাম বেশি শুনতে পাই: সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার ও শফিউর। 
- ১৯৫২ সালের ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকারি বাহিনীর নির্বিচার গুলিতে বহু লোক নিহত হলেও তারা সবাই স্বীকৃতিও পাননি।
- ২০০০ সালে তাদের রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে।
-বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
- রফিক ছিলেন বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- তারা তিনজন নিহত হন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে।
- পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে মারা যান রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রাণ হারানোর তালিকায় আরো দুটি নাম পাওয়া যায়- অহিউল্লাহ ও আবদুল আউয়াল।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে ভাষাশহিদ হিসেবে এই দুজনের নাম-পরিচয় উল্লেখ আছে।
- এ ছাড়া সালাউদ্দীন নামেও একজন ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ হন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

অন্যদিকে -
- ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবির আন্দোলনে শহীদ হন মনুমিয়া।

 উৎস: প্রথম আলো,২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০।
২০.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  4. ঘ) ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা ঘোষণা
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
- পাক-ভারত যুদ্ধ সমাপ্ত হলে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা ঘোষণা করেন।
- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসনসহ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবি সম্বলিত 'ছয় দফা কর্মসূচি' সম্মেলনে পেশ করার চেষ্টা করেন।
- যা ঐতিহাসিক ছয় দফা নামে পরিচিত।
- ‘বাঙালির দাবি ছয় দফা, বাঁচার দাবি ছয় দফা' প্রভৃতি স্লোগানে মূখরিত হয় পূর্ব পাকিস্তান।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটি ‘আমাদের বাঁচার দাবি ছয় দফা' নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- ১৯ মার্চে কাউন্সিল অধিবেশনে ‘ছয় দফা কর্মসূচি' অনুমোদন লাভ করে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় -
  1. ক) ২৩ জুন, ১৯৩৯
  2. খ) ২৩ জুন, ১৯৪৯
  3. গ) ২৩ জুন, ১৯৩৭
  4. ঘ) ২৩ জুন, ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ জুন, ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ জুন, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
আওয়ামী মুসলিম লীগ 
- মুসলিম লীগে নিজেদের উপদলীয় কোন্দলে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আদুল হামিদ খান ভাসানী কোণঠাসা হয়ে পড়েন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় এক রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনে গঠিত হয় আওয়ামী মুসলিম লীগ।
- নতুন দলের সভপতি নির্বাচিত হন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- সাধারণ সম্পাদক হন টাঙ্গাইলের শামসুল হক।
- তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে দলটির অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়।
- ১৯৫৫ সালে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ' নিজের ভাবমূর্তি অসাম্প্রদায়িক করতে নাম থেকে'মুসলিম' শব্দটি বাদ দেয়।
- এ সময় দলটির মূলনেতা নির্বাচিত হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ে দলটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।