পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
পার্ট – ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন) উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) ----------- পার্ট – ২: নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন টপিকসমূহ: 1) Definition of Values Education and Good Governance; 2) Relation between Values Education and Good Governance; 3) General Perception of Values Education and Good Governance; 4) Importance of Values Education and Good Governance in the life of an individual as a citizen as well as in the making of society and national ideals; উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
'পদক্রম' কোনটির অপর নাম?
  1. ক) ধ্বনিতত্ত্ব
  2. খ) শব্দতত্ত্ব
  3. গ) রূপতত্ত্ব
  4. ঘ) বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
'পদক্রম' বাক্যতত্ত্ব এর অপর নাম। 

বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়
চারটি। যথা-
(১) ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology)
(২) শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology)
(৩) বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax)
(৪) অর্থতত্ত্ব (Semantics)

বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম:
বাক্য, বাক্যের অংশ, বাক্যের প্রকার, বাক্য বিশ্লেষণ, বাক্য পরিবর্তন, পদক্রম, বাগধারা, বাক্য সংকোচন, বাক্য সংযোজক, বাক্য বিয়োজন, যতিচ্ছেদ বা বিরামচিহ্ন প্রভৃতি বিষয় বাক্য-প্রকরণে আলোচিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'ড়, ঢ়' কোন ধরণের বর্ণ?
  1. ক) কম্পিত ব্যঞ্জন
  2. খ) নাসিক্য ব্যঞ্জন
  3. গ) তাড়িত ব্যঞ্জন
  4. ঘ) তালব্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
কম্পিত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ একাধিক বার অতি দ্রুত দন্তমূলকে আঘাত করে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে কম্পিত ব্যঞ্জন বলে।
যেমন: কর,ভার, হার প্রভৃতি শব্দের  কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনি

নাসিক্য ব্যঞ্জন:
যে সব ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধাপায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে ব্যঞ্জন বলে।
যেমন:মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জন

তাড়িত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূ্র্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে।
যেমন: 'বাড়ি, মূঢ়' প্রভৃতি শব্দের 'ড়, ঢ়' তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনি

তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
যেমন :চাচা, ছাগল, জাল,ঝড়, শসা, প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি 

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ]
.
বাংলা ব্যাকরণের মৌলিক অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) বাক্য
  2. খ) অক্ষর
  3. গ) ধ্বনি
  4. ঘ) অর্থ
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার মৌলিক অংশ - ৪ টি।
ক. ধ্বনি
খ. শব্দ
গ. বাক্য
ঘ. অর্থ
---------------
বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ - ২ টি।
ক. লৈখিক
খ. মৌখিক


উৎস : ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি’।
.
স বর্ণের [স] উচ্চারণ কোন শব্দে?
  1. ক) সম্পর্ক
  2. খ) সামান্য
  3. গ) সালাম
  4. ঘ) সাধারণ
ব্যাখ্যা
শ, ষ, স এর উচ্চারণ:  শ কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়। স কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, আবার কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়। ষ বর্ণের উচ্চারণ সব সময়ে [শ]।

- শ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: শত [শতো], শসা [শশা]।
- শ বর্ণের [স] উচ্চারণ: শ্রমিক [স্রোমিক], শ্রদ্ধা [স্রোধা]।
- ষ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: ভাষা [ভাশা], ষােলাে [শােলাে]।
- স বর্ণের [শ) উচ্চারণ: সাধারণ [শাধারােন], সামান্য [শামান্নাে] ।
- স বর্ণের [স] উচ্চারণ: আস্তে [আসতে], সালাম [সালাম্‌]।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'ভ্রূ' যুক্তবর্ণে কোন কোন বর্ণ যুক্ত রয়েছে?
  1. ক) ভ্ + র্
  2. খ) ভ্ + ঋ+ ঊ
  3. গ) ভ্ + র্ + ঊ
  4. ঘ) ভ্ + র্ + উ
ব্যাখ্যা
'ভ্রূ'  এর সঠিক রূপ হলো ভ্ + র্ + ঊ

আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ:
- ক্ + ত = ক্ত,
- ক্ + ম = ক্ম,
- ক্ + র = ক্র,
- ক্ + ষ = ক্ষ,
- ক্ + স = ক্স,
- ঙ্ + ক = ঙ্ক ইত্যাদি।

[উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।]
.
সাধু রীতি বাংলা ভাষার লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে ছিলো কত সময় ব্যাপী?
  1. ক) পঞ্চাশ দশক
  2. খ) একশ দশক
  3. গ) এক শতাব্দী
  4. ঘ) দুই শতাব্দী
ব্যাখ্যা
সাধু রীতি
দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে।
- প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে চালু থাকে।

সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
(ক) সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর, যেমন ‘করা' ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, - করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া করিলে, করিবার।
(খ) সাধু রীতির বহু সর্বনামে ‘হ’-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন – তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)। 
.
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি কোনটি?
  1. ক) [অ]
  2. খ) [ও]
  3. গ) [উ]
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন প্রকার।
যথা:
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি
২. মধ্য স্বরধ্বনি
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি

সম্মুখ স্বরধ্বনি: সম্মুখ স্বর‌ধ্বনির উচ্চারণের সময় জিভ সামনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়। [ই], [এ], [অ্যা] ইত্যাদি সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ।
মধ্য স্বরধ্বনি: মধ্য স্বরধ্বনি হচ্ছে [আ]।
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: পশ্চাৎ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ পিছনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়। [অ], [ও], [উ] ইত্যাদি পশ্চাৎ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয় না নিচের কোনটি?
  1. ক) যতিচিহ্ন
  2. খ) কারক
  3. গ) বাক্যের ব্যঞ্জনা
  4. ঘ) বাক্যের উপাদান লোপ
ব্যাখ্যা
ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় ৪টি। 
যথা – ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।

বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে অর্থতত্ত্বে। 

বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কিভাবে বিন্যস্ত থাকে বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া বাক্যের রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি এই অংশের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন ইত্যাদি বাক্যতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলােকে কোন ভাগে ভাগ করা যায় না?
  1. ক) ওষ্ঠ্য
  2. খ) তালব্য
  3. গ) দন্তমূলীয়
  4. ঘ) কণ্ঠনালীয়
ব্যাখ্যা
উষ্ম ব্যঞ্জন
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাক প্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলােকে উষ্ম ব্যঞ্জন বলে।
- সালাম, শসা, হুঙ্কার প্রভৃতি শব্দের স, শ, হ উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ।
- উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলােকে দন্তমূলীয় (স), তালব্য (শ), এবং কণ্ঠনালীয় (হ) – এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলাের মধ্যে স এবং শ-কে আলাদাভাবে শিস ধ্বনিও বলা হয়ে থাকে।
- কারণ স, শ উচ্চারণে শাস অনেকক্ষণ ধরে রাখা যায় এবং শিসের মতাে আওয়াজ হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
‘সুশাসন হলো,একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের কার্যকরী ব্যবস্থা। তবে ব্যবস্থাটি হবে উন্মুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায্য সমতাপূর্ণ’। - সুশাসন সম্পর্কে উক্তিটি কে করেছেন?
  1. ক) অধ্যাপক ড. মহব্বত খান
  2. খ) ল্যান্ডেল মিল
  3. গ) কফি আনান
  4. ঘ) ভি.কে. চোপড়া
ব্যাখ্যা
 অধ্যাপক ড. মহব্বত খান এর মতে-‘সুশাসন হলো,একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের কার্যকরী ব্যবস্থা। তবে ব্যবস্থাটি হবে উন্মুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায্য সমতাপূর্ণ’।
▪ ভি.কে. চোপড়া (V.k. Chopra) বলেন, “সুশাসন হলো শাসনের একটি পদ্ধতি যা সমাজের মৌলিক মূল্যবোধগুলো দ্ব্যর্থহীনভাবে চিহ্নিত করতে সমর্থ, সেখানে মূল্যবোধগুলো হচ্ছে মানবাধিকারসহ অর্থনৈতিক,রাজনৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়ক এবং একটি দায়বদ্ধ ও সৎ প্রশাসনের মাধ্যমে এই মূল্যবোধগুলো অন্বেষণ করা”।
▪ ল্যান্ডেল মিল  (Landell Mill) মনে করেন, সুশাসন একটি জাতির রাজনেতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দিক নির্দেশ করে এবং জন প্রশাসন এবং আইনী কাঠামোর মধ্যে এটি কিভাবে কাজ করে তা জানায়।
▪ জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান বলেছেন, ‘সুশাসন মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করে, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, জনপ্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং সক্ষমতাকে প্রবর্তন করে।'

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১১.
মূল্যবোধের একটি উল্লেখ্যযোগ্য অংশ নির্ধারিত হয়-
  1. ক) বংশগতভাবে
  2. খ) সামাজিকভাবে
  3. গ) রাজনৈতিকভাবে
  4. ঘ) দলীয়ভাবে
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের উৎস
▪ মূল্যবোধের একটি উল্লেখ্যযোগ্য অংশ জেনেটিক্যালি নির্ধারিত হয়।
▪ আপনার মূল্যবোধ কী হবে তার ব্যাখ্যা প্রদানে আপনার পিতা-মাতার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
▪ তথাপি মূল্যবোধের বৈচিত্রতার ক্ষেত্রে পরিবেশগত উপাদান ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে।
▪ মূল্যবোধকে একটি প্রত্যয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ প্রত্যয়ের উপাদান হচ্ছে: নীতি, মান ও বিশ্বাস।
▪ এসব উপাদান স্পষ্ট করে দেয় ব্যক্তি, সমাজ বা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান; ভাল-মন্দ, দোষ-গুন, ন্যায়পরায়নতা, নৈতিকতা বচার করে এবং নৈতিক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করে কাজের দিক নির্দেশনা।
▪ এ উপাদানগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ বংশগতি থেকে পেয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: মূল্যবোধ, মনোভাব,কর্মসন্তষ্টি, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের লক্ষ্য কোনটি?
  1. ক) আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. খ) মূল্যবোধের বিকাশ
  3. গ) নৈতিকতা সৃষ্টি
  4. ঘ) ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
▪ মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার উভয়ের লক্ষ্যই হচ্ছে ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ
▪ তবে প্রকারগতভাবে এক রকমের হলেও বাস্তবায়ন ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে উভয়ের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে।
▪ তবে সব মৌলিক অধিকারই মানবাধিকার। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারের কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা
  2. খ) সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন
  3. গ) আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
▪ সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারের করণীয় সমূহের মধ্যে রয়েছে - 
- দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা,
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা,
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করা,
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
▪ সুশাসন হলো দক্ষ ও কার্যকরি শাসন। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্যে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও অনেক করণীয় রয়েছে।
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের করণীয়সমূহ হলো - 
- নিয়মিত কর প্রদান করা 
- সামাজিক দায়িত্ব পালন করা
- আইন মান্য করা
- আনুগত্য প্রদর্শন
- সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করা

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১৪.
কোনটি মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করে?
  1. ক) ন্যায়বোধ
  2. খ) শিক্ষা
  3. গ) আইনের শাসন
  4. ঘ) সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা
▪ মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।    
▪ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
▪ মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
▪ অর্থ্যাৎ শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।
১৫.
মূল্যবোধ নামক প্রত্যয়ের উপাদান হচ্ছে -
  1. ক) নীতি, মান ও বিশ্বাস
  2. খ) শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলা
  3. গ) শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিনোদন
  4. ঘ) সংস্কৃতি, নৈতিকতা ও বিনোদন
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের উৎস
▪ মূল্যবোধের একটি উল্লেখ্যযোগ্য অংশ জেনেটিক্যালি নির্ধারিত হয়।
▪ আপনার মূল্যবোধ কী হবে তার ব্যাখ্যা প্রদানে আপনার পিতা-মাতার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
▪ তথাপি মূল্যবোধের বৈচিত্রতার ক্ষেত্রে পরিবেশগত উপাদান ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে।
▪ মূল্যবোধকে একটি প্রত্যয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ প্রত্যয়ের উপাদান হচ্ছে: নীতি, মান ও বিশ্বাস
▪ এসব উপাদান স্পষ্ট করে দেয় ব্যক্তি, সমাজ বা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান; ভাল-মন্দ, দোষ-গুন, ন্যায়পরায়নতা, নৈতিকতা বচার করে এবং নৈতিক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করে কাজের দিক নির্দেশনা।
▪ এ উপাদানগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ বংশগতি থেকে পেয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: মূল্যবোধ, মনোভাব,কর্মসন্তষ্টি, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
বাংলাদেশে সুশাসনের ক্ষেত্রে দুর্নীতিকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে কোন সংস্থা?
  1. ক) এডিবি
  2. খ) ইউএনডিপি
  3. গ) আইডিএ
  4. ঘ) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে সুশাসনের ক্ষেত্রে দুর্নীতি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
• দুর্নীতির কারণে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসনের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে। জনগণের সরকারি সুযোগ-সুবিধা কমে যাচ্ছে। ক্ষমতাবান কিছু ব্যক্তি ফায়দা লুটছে।
• বাংলাদেশ ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত টানা পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
• শিক্ষা, স্বাস্থ্যখাত, ভূমি প্রশাসন, জন  ্রশাসন, ব্যাংকিং, বিদ্যুৎ সেক্টর, স্থানীয় সরকার - এক কথায় বাজার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ধমীর্য় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, সকল ক্ষেত্রেই দুর্নীতির সংস্কৃতি লক্ষণীয়।   

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
মূল্যবোধ ও সুশাসনের মধ্যে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কীরুপ সম্পর্ক বিদ্যমান?
  1. ক) নিবিড়
  2. খ) বিপরীত
  3. গ) ধারাবাহিক
  4. ঘ) প্রান্তিক
ব্যাখ্যা
▪ মূল্যবোধ যেমন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তেমনি সুশাসন মূল্যবোধকে লালন করে।
▪ সামাজিক ঐক্য, শৃঙ্খলাবোধ প্রভৃতি সুশাসনের গুণাবলি প্রতিষ্ঠায় মূল্যবোধ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।  
▪ সুশাসন পেতে হলে মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
▪ এজন্যই বলা হয় যে, ব্যক্তিগত, সমাজজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মূল্যবোধ ও সুশাসনের মধ্যে সম্পর্ক খুবই নিবিড়।    

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র , প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৮.
___থেকে আইন আসে
  1. ক) নৈতিকতা
  2. খ) সমাজ
  3. গ) মূল্যবোধ
  4. ঘ) ন্যায়বোধ
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ থেকে আসে আইন
▪ আইন হচ্ছে নাগরিকদের আচরণ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় কিছু বিধানের সমষ্টি যা রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত ও সমর্থিত এবং জনকল্যানের জন্য অপরিহার্য।
▪ সুশাসন মূল্যবোধের জাতক।
▪ মূল্যবোধ সুশাসনের কারিগর।
▪ সুশাসন হলো মূল্যবোধের রক্ষক। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি : প্রথমপত্র প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯.
নীতি এবং ঔচিত্যবোধ হলো -
  1. ক) নৈতিক মূল্যবোধের প্রধান উৎস
  2. খ) মানবিকতার প্রধান উৎস
  3. গ) কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের প্রধান উৎস
  4. ঘ) সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রধান উৎস
ব্যাখ্যা
▪ নীতি এবং ঔচিত্যবোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের প্রধান উৎস
▪ নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সে সব মনোভাব ও আচরণ যা মানুষ সব সময় ভালো, কল্যাণকর এবং অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তি অনুভব করে।
▪ নৈতিক মূল্যবোধের অন্যান্য উৎসের মধ্যে পরিবার, ধর্ম ও ধর্মীয় গ্রন্থ অন্যতম।
▪ অন্যায় থেকে বিরত থাকা, সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, দুঃস্থকে সহায়তা করা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধ।   

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২০.
কর্মীর কর্মসম্পাদনে কোন উপাদানগুলো প্রবল প্রভাব বিস্তার করে?
  1. ক) আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য
  2. খ) ন্যায়বোধ, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা
  3. গ) নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা ও আত্নসন্তুষ্ঠি
  4. ঘ) মূল্যবোধ, মনোভাব ও কর্মসন্তুষ্টি
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ, মনোভাব ও কর্মসন্তুষ্টি - এ তিনটি উপাদান কর্মীর কর্মসম্পাদনে প্রবল প্রভাব বিস্তার করে।
▪ মূল্যবোধ ব্যক্তির এমন কতিপয় ব্যক্তিগত বিশ্বাস, বৈশিষ্ট্য বা মানবিক গুনাবলি যা তার আচরণের মান বা আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হয়ে
থাকে।
▪ দুই ধরনের মূল্যবোধ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান। একটি হচ্ছে টার্মিনাল মূল্যবোধ এবং অপরটি ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ।
▪ এছাড়া, সামাজিক জীব হিসেবে সাধারণভাবে সমাজ জীবনে মানুষ চার ধরনের মূল্যবোধের মুখোমুখি হয়। যথা - ব্যক্তিগত মূল্যবোধ, সামাজিক মূল্যবোধ, ধমীর্য় মূল্যবোধ ও পেশাগত মূল্যবোধ।

তথ্যসূত্র: মূল্যবোধ, মনোভাব,কর্মসন্তষ্টি, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন -
  1. ক) দুর্নীতি প্রতিরোধ
  2. খ) বৈষম্য
  3. গ) নারীর ক্ষমতায়ন
  4. ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
▪ বাংলাদেশে সুশাসনের ক্ষেত্রে অনেক অন্তরায় রয়েছে। দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতা ও সম্পদের অপব্যবহার, শাসনরীতির অনিয়ম, প্রশাসনে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অভাব বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার স্বাভাবিক চিত্র।
▪ এ ক্ষেত্রে যদি সরকার সংসদকে কার্যকরি করার যথাযথ পদক্ষেপ নেয় এবং সংসদ তার কার্যকর ভূমিকা পালন করে তবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব। নিম্নে সুশাসন নিশ্চিত করার উপায় আলোচনা করা হল - দূর্নীতি প্রতিরোধ, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, এনজিওদের ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি, স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, রাজনৈতিক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, রাজনৈতিক সদিচ্ছা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
গণতন্ত্র ব্যর্থ হবার পেছনে কোন ধরনের মূল্যবোধের অভাবকে দায়ী করা হয়?
  1. ক) অর্থনৈতিক মূল্যবোধ
  2. খ) সামাজিক মূল্যবোধ
  3. গ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
⇨ বিভিন্ন ধরনের মূল্যবোধের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্যতম।
⇨ নৈতিকতা, সহমর্মিতা, আত্নসংযম, পরমত সহিষ্ণুতা এর মতো গুনাবলিগুলো মানুষকে গণতান্ত্রিক আচরণ করতে শেখায়। একটি রাষ্ট্র কেবল গণতন্ত্র ঘোষণা করলেই হবে না, তা প্রতিষ্ঠা করার জন্য জনগণের মাঝে গণতান্ত্রিক চেতনা, সংকল্প ও উদ্দেশ্য তথা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ থাকতে
হবে।
⇨ সমাজের কথা, প্রতিবেশীর সুবিধা-অসুবিধা, অন্যের অধিকার সম্পর্কে চিন্তা করা মূল্যবোধের অবিচ্ছেদ্য অংশ যা আবার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধেরই প্রতিফলন। ⇨ মূলত উদারতাবাদ নামক মতবাদ থেকেই এর উৎপত্তি।
⇨ মানুষের মানবিক ব্যক্তিত্ব, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সহজাত যুক্তিবোধ ও গুণ, এবং পারস্পরিক সম্মতিসহ এমন আরো কয়েকটি গুণের চচার্ই হল উদারতাবাদ, যার সবকটিই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
⇨ গণতন্ত্র ব্যর্থ হবার পেছনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অভাবকেই দায়ী করা হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
কোনটির নির্দিষ্ট কোন মাপকাঠি বা যৌক্তিকতা প্রমাণের সুযোগ নেই?
  1. ক) শিক্ষার
  2. খ) মূল্যবোধের
  3. গ) ন্যায়বিচারের
  4. ঘ) মানবাধিকারের
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য
▪ মূল্যবোধ একটি মানবিক গুনাবলী। এটি একজন মানুষের নীতি-নৈতিকতা ও বিবেকের উপর নির্ভরশীল।
▪ মূল্যবোধ সামাজিক আচার-ব্যবহার, সংস্কৃতি চচার্ ও সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়। এটি অর্জনের বিষয়, আরোপিত নয়।
মূল্যবোধ এর নির্দিষ্ট কোন মাপকাঠি বা যৌক্তিকতা প্রমাণের সুযোগ নেই। কেননা একজনের কাছে যা আর্দশ, তা অন্য জনের কাছে বিরক্তির কারণও হতে পারে।
▪ তবে অনেকের মতে মানবিক গুনাবলী এবং সঠিক বিবেকবুদ্ধির বহি:প্রকাশই মূল্যবোধ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের অপরিহার্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. ক) সুশীল সমাজের উপস্থিতি
  2. খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
  3. গ) আইন ও মানবাধিকার সংরক্ষণ
  4. ঘ) স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের মতে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ সুশাসনের অপরিহার্য উপাদান - 
 ক. সরকারি ও অর্থনৈতিক কাজে দক্ষতা;
 খ. স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা;
 গ. প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা;
 ঘ. জবাবদিহিমূলক প্রশাসন;
 ঙ. স্বাধীন সরকারি নিরীক্ষক;
 চ. প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভার কাছে দায়বদ্ধতা;
 ছ. আইন ও মানবাধিকার সংরক্ষণ;
 জ. বহুমুখী সাংগঠনিক কাঠামো;
 ঝ. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা;

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান কোনটি?
  1. ক) সহমর্মিতা
  2. খ) শৃঙ্খলা
  3. গ) নীতিবোধ
  4. ঘ) সৌজন্যবোধ
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের উপাদান
▪ মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
▪ এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে। এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান। নিম্নে এরকম কয়েকটি উপাদান আলোচনা করা হল:- 

শৃঙ্খলা: শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান। শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

সহমর্মিতা: মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত। সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে
পারে না।

সৌজন্যবোধ: ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সৌজন্যবোধ তার একটি
অংশ। আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়। 

নীতিবোধ: নৈতিকতা মূল্যবোধের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য যা নীতিবোধ থেকে সৃষ্টি হয়। কোন কাজ করতে গেলে নিজের
বিবেক, নীতি ও যুক্তি প্রয়োগ করে তা করা উচিত। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
নিচের কোনটি মানুষের নৈতিক গুণাবলি জাগ্রত করে?
  1. ক) পারিবারিক শিক্ষা
  2. খ) সামাজিক শিক্ষা
  3. গ) মূল্যবোধ
  4. ঘ) উচ্চশিক্ষা
ব্যাখ্যা
▪ মানুষের নৈতিক গুণাবলি জাগ্রত করে মূল্যবোধ
▪ এছাড়াও মূল্যবোধ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ এর উন্মেষ ঘটায়।
▪ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।   

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।