পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না। ৪/৫ নাম্বারের জন্য বেশি সময় নষ্ট করা যাবে না] সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং বোর্ড বইগুলোই যথেষ্ট (প্রয়োজন অনুসারে রিলায়েবল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য ক্রসচেক করে নিবেন)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
আমেরিকা কত তারিখে জাপানের হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা নিক্ষেপ করে?
  1. ক) ১৯৩৯ সালের ৬ আগস্ট
  2. খ) ১৯৪৩ সালের ৯ আগস্ট
  3. গ) ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে "লিটলবয়" ও 
৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে "ফ্যাটম্যান" নামের দুটো পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে। এতে লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়।

- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানে পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
.
ভার্সাই চুক্তি অনুযায়ী জার্মানিকে 'ইউপেন ও মালমেডি' শহর কোন দেশের নিকট হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) হল্যান্ড
  3. গ) লিথুয়ানিয়া
  4. ঘ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
ভার্সাই সন্ধিচুক্তি প্যারিসের অদূরে অবস্থিত ভার্সাই নগরীতে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির ওপর কিছু অনৈতিক শর্ত চাপিয়ে দেয়ার মাধ্যমে শেষ হয় ভার্সাই চুক্তি। 

ভার্সাই চুক্তির শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয় অনেকগুলাে অবাস্তব ধারা। যার মধ্যে ছিল

১. জার্মানির সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা।
২. ফরাসি সার্বভৌমত্ব ও আধিপত্য পুরােপুরি স্বীকার করে নেয়া।
৩. জার্মান নিয়ন্ত্রিত টনডার্ন শহরের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলীয় সেউইগ ডেনমার্কের অধীনে ছেড়ে দেয়া।
৪. পােজেন ও পশ্চিম প্রুশিয়ার পােমেরানিয়া নবগঠিত পােল্যান্ডের কাছে ছেড়ে দিতে হবে।
৫. উচ্চ সাইলেশিয়ার হাশিন হালসিজিন এলাকা চেকশ্লোভাকিয়ার কাছে হস্তান্তর।
৬. গণভােট সাপেক্ষে সাইলেশিয়ার পূর্বাংশকেও পােলান্ডের অনুকূলে ছেড়ে দিতে বাধ্য থাকা।
৭. ইউপেন ও মালমেডির মত সমৃদ্ধ জার্মান শহরকে বেলজিয়ামের কাছে হস্তান্তর করা
৮. পূর্ব প্রুশিয়ার সােলাউ এলাকা পােল্যান্ডকে ছেড়ে দেয়া।
৯. পূর্ব প্রুশিয়ার মামেলল্যান্ডকে লিথুয়ানিয়ার আনুকূল্যে ত্যাগ করা।
১০. ওয়ার্মিয়াও মাসুরিয়ার নিয়ন্ত্রণ পােল্যান্ডকে ফিরিয়ে দেয়া।
১১. ডানজিগ বন্দরকে উন্মুক্ত নগরী ঘােষণা করা যা জাতিপুঞ্জের অধীনে থাকবে।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শিখধর্মের প্রবর্তক কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) পাঞ্জাব
  2. খ) অমৃতসরে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) কৃষ্ণনগরে
ব্যাখ্যা
- শিখধর্ম  হলো গুরু নানক (১৪৬৯-১৫৩৮/৯) প্রবর্তিত ধর্ম। এ ধর্মের মূলকথা নিরাকার এক ঈশ্বরের উপাসনা করা। 
- শিখদের প্রধান মন্দির পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির। সেখানকার ‘অকাল তখত সাহেব’ মন্দিরটি সর্বাধিক গুরুতপূর্ণ। ওখান থেকে শিখ সম্প্রদায়ের জন্য ধর্মীয় ও দৈনন্দিন জীবনযাপন সম্পর্কিত নির্দেশাবলি জারি করা হয়। এই নির্দেশগুলিকে বলা হয় ‘হুকুমনামা’। 
- শিখধর্মের প্রবর্তক গুরু  নানক পাকিস্তানের লাহোরের তালওয়ান্দি গ্রামে ১৪৬৯ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর নামানুসারে ওই গ্রামের নাম হয়েছে নানকানা সাহেব। 
- সৃষ্টিকর্তার একত্ব এবং মানুষের ভ্রাতৃত্ব গুরু নানকের শিক্ষার মূলনীতি। তিনি পুরোহিততন্ত্র, মূর্তিপূজা ও বর্ণাশ্রম প্রথার বিরোধী ছিলেন। 
- গুরু নানক তাঁর এই শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে ১৪৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রথমে ভারতবর্ষ ভ্রমণ করেন। পরে চীন, ভুটান, মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশ ঘুরে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে আসেন। সেখান থেকে কৃষ্ণনগর এবং বাংলাদেশের সিলেট হয়ে ঢাকায় পদার্পণ করেন। ঢাকার রায়েরবাজারে  কুমার সম্প্রদায়ের মধ্যে তিনি প্রথম ধর্ম প্রচার করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কত সালে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ক) ৬২৯ সালে
  2. খ) ৬২৭ সালে
  3. গ) ৬২৮ সালে
  4. ঘ) ৬২৬ সালে
ব্যাখ্যা
ইসলামের যুদ্ধগুলোর মধ্যে খন্দকের যুদ্ধ অন্যতম।
- ৫ হিজরির (৬২৭ খ্রিষ্টাব্দ) শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে মক্কার কুরাইশ, মদিনার ইহুদি, বেদুইন, পৌত্তলিকেরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছিল।
- খন্দক শব্দের অর্থ পরিখা বা গর্ত। যেহেতু এ যুদ্ধে অনেক পরিখা খনন করা হয়, তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে খন্দকের যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধ আহজাব নামেও পরিচিত।
- আহজাব অর্থ সম্মিলিত বাহিনী।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা
.
ফরাসি বিপ্লবে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন কে?
  1. ক) মুসোলিন
  2. খ) রুশো
  3. গ) বারট্রান্ড রাসেল
  4. ঘ) নেপোলিয়ান
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন প্রথম, যাকে নেপোলিয়ন বোনাপার্টও বলা হয়, ছিলেন একজন ফরাসি সামরিক জেনারেল এবং রাজনীতিক।
- ফরাসি বিপ্লবে (১৭৮৯-৯৯) নেপোলিয়ন মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ফ্রান্সের প্রথম কনসাল (১৭৯৯-১৮০৪) হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন (১৮০৪-১৪/১৫)।
- আজ নেপোলিয়নকে ব্যাপকভাবে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক জেনারেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

উৎস: Britannica.
.
নেপোলিয়ান কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ক) কর্সিকা দ্বীপে
  2. খ) সেন্ট হেলেনা
  3. গ) ফ্রেঞ্চ গায়ানা
  4. ঘ) সেন্ট এলবা
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট (১৭৬৯-১৮২১)
- যিনি নেপোলিয়ন প্রথম নামেও পরিচিত, একজন ফরাসি সামরিক নেতা এবং সম্রাট ছিলেন যিনি ১৯ শতকের গোড়ার দিকে ইউরোপের অনেক অংশ জয় করেছিলেন।
- কর্সিকা দ্বীপে জন্ম নেওয়া, নেপোলিয়ন ফরাসি বিপ্লবের সময় (1789-1799) সামরিক বাহিনীর পদমর্যাদায় দ্রুত উন্নীত হন।
- ১৭৯৯ সালের অভ্যুত্থানে ফ্রান্সে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করার পর, তিনি ১৮০৪ সালে নিজেকে সম্রাটের মুকুট পরিয়ে দেন।
- চতুর, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং দক্ষ সামরিক কৌশলবিদ, নেপোলিয়ন ইউরোপীয় জাতির বিভিন্ন জোটের বিরুদ্ধে সফলভাবে যুদ্ধ চালিয়েছিলেন এবং তার সাম্রাজ্য বিস্তৃত করেছিলেন।
- ১৮১২ সালে রাশিয়ায় একটি ভয়াবহ ফরাসি আক্রমণের দুই বছর পরে নেপোলিয়ন সিংহাসন ত্যাগ করেন এবং এলবা দ্বীপে নির্বাসিত হন।
- ১৮১৫ সালে, তিনি তার হান্ড্রেড ডে ক্যাম্পেইনে সংক্ষিপ্তভাবে ক্ষমতায় ফিরে আসেন।
- ওয়াটারলু যুদ্ধে এক চরম পরাজয়ের পর, তিনি আবারও পদত্যাগ করেন এবং প্রত্যন্ত দ্বীপ সেন্ট হেলেনায় নির্বাসিত হন, যেখানে তিনি ৫১ বছর বয়সে মারা যান।

উৎস: History.com
.
জনসংখ্যার দিক দিয়ে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ৪র্থ
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ৭ম
ব্যাখ্যা
২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুসারে মুসলিম জনসংখ্যায় শীর্ষ ১০ দেশ এবং সেখানে মুসলমানের সংখ্যা নিম্নরূপ—

১.   ইন্দোনেশিয়া : মুসলমানের সংখ্যা ২৩১ মিলিয়ন।
২.   পাকিস্তান : মুসলমানের সংখ্যা ২১২ মিলিয়ন।
৩.   ভারত : মুসলমানের সংখ্যা ২০০ মিলিয়ন।
৪.   বাংলাদেশ : মুসলমানের সংখ্যা ১৫৩ মিলিয়ন।
৫.   নাইজেরিয়া : মুসলমানের সংখ্যা ৯৫ থেকে ১০৩ মিলিয়ন।
৬.   মিসর : মুসলমানের সংখ্যা ৮৫ থেকে ৯০ মিলিয়ন।
৭.   ইরান : মুসলমানের সংখ্যা ৮২.৫ মিলিয়ন।
৮.   তুরস্ক : মুসলমানের সংখ্যা ৭৪.৪ মিলিয়ন।
৯.   আলজেরিয়া : মুসলমানের সংখ্যা ৪১.২ মিলিয়ন।
১০.  সুদান : মুসলমানের সংখ্যা ৩৯.৫ মিলিয়ন।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
.
হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের স্মৃতিবিজড়িত প্রত্নতাত্তিক স্থান তক্ষশীলা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভারত
  2. খ) নেপাল
  3. গ) চীন
  4. ঘ) পাকিস্থান
ব্যাখ্যা
তক্ষশীলা পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত শহর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। 
- প্রাচীন তক্ষশীলা নগরী ছিল হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং বর্তমান সময়েও উক্ত ধর্মদুটির ঐতিহ্যে এ স্থানটির একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। ১৯৮০ সালে বেশকিছু এলাকাসহ তক্ষশীলাকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- গার্ডিয়ান পত্রিকা ২০০৬ সালে এটিকে পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যটন স্থান হিসেবে নির্বাচিত করে।
- কথিত আছে, কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্র এই নগরেই রচনা করেছিলেন ।

উৎস: Britannica.
.
নেলসন ম্যান্ডেলা রোবেন দ্বীপে কারারুদ্ধ ছিলেন-
  1. ক) ১৫ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২৫ বছর
  4. ঘ) ২৭ বছর
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা বেশ কিছু বিষয়ের জন্য পরিচিত।
- তিনি বিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ নীতির বিরুদ্ধে সফলভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
-  ১৯৬২ সালে সরকারের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে ম্যান্ডেলাসহ ANC-এর অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

- ১৯৬৩ সালে ম্যান্ডেলার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয় এবং ১৯৬৪ সালের ১২ জুন Rivonia Trial এর মাধ্যমে তাকে আজীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
- ১৯৬৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপের অংশ “রোবেন দ্বীপ” (Robben Island) – এ কারান্তরীণ করা হয়। রোবেন দ্বীপ আটলান্টিক মহাসাগরের টেবল উপসাগর (Table Bay) অবস্থিত। এই দ্বীপে তাকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত মোট ১৮ বছর বন্দী রাখা হয়।

- পরবর্তীতে তাকে ১৯৮২ – ৮৮ সাল পর্যন্ত কেপটাউনে অবস্থিত পোলসমোর প্রিজনে (Pollsmoor Prison) সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় কারান্তরীণ রাখা হয়। ১৯৮৮ সালে যক্ষায় আক্রান্ত হলে তাকে ভিক্টর ভেস্টার প্রিজনে (Victor Verster Prison) এ স্থানান্তর করা হয়। মুক্তির আগে পর্যন্ত তিনি এই জেলখানায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।

- কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই অবিসংবাদিত নেতা ২৭ বছর (১৯৬৩ – ১৯৯০) কারাভোগ করেন। দীর্ঘ কারাভোগের পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাপ এবং জাতিগত গৃহযুদ্ধের ভয়ে অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বশেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেন।

- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট এফডব্লিউ ডি ক্লার্ক সহ, বর্ণবৈষম্য থেকে বহুজাতি গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবেও পরিচিত, ১৯৯৪ - ১৯৯৯ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
১০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কী নামে পরিচিত ছিলো?
  1. ক) বার্লিন ট্রায়াল
  2. খ) হাইডেলবার্গ ট্রায়াল
  3. গ) নুরেমবার্গ ট্রায়াল
  4. ঘ) ট্রায়াল অব বার্লিন
ব্যাখ্যা
নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম।

- নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য, নুরেমবার্গ ট্রায়াল ছিল ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জার্মানির নুরেমবার্গে অনুষ্ঠিত ১৩টি ট্রায়াল।
- নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলার (1889-1945) আত্মহত্যা করেছিলেন এবং তাকে কখনও বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি।
- যদিও বিচারের জন্য আইনগত ন্যায্যতা এবং তাদের প্রক্রিয়াগত উদ্ভাবনগুলি সেই সময়ে বিতর্কিত ছিল।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

উৎস: History.com
১১.
‘আমি হিমালয় দেখিনি। তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়ের সমান। এভাবে আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতাই লাভ করলাম।’ বিখ্যাত উক্তিটি কার?
  1. ক) ফিদেল কাস্ত্রো
  2. খ) ইয়াসির আরাফাত
  3. গ) ইন্দিরা গান্ধী
  4. ঘ) পিয়েরে ট্রুডো
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও কিউবা ছিল।
- সেই সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সাক্ষাৎ হয়।
- সে সময় তিনি বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করে বলেছিলেন-
‘আই হ্যাভ নট সিন দ্য হিমালয়েজ। বাট আই হ্যাভ সিন শেখ মুজিব। ইন পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন কারেজ, দিস ম্যান ইজ দ্য হিমালয়েজ। আই হ্যাভ দাজ হ্যাড দ্য এক্সপিরিয়েন্স অব উইটনেসিং দ্য হিমালয়েজ।’

অর্থাৎ, ‘আমি হিমালয় দেখিনি। তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়ের সমান। এভাবে আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতাই লাভ করলাম।’

- ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার হাভানায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
১২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনা ফ্রাঙ্ক এবং তার পরিবার জার্মানি থেকে কোথায় পালিয়ে যায়?
  1. ক) আমেরিকা
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) নেদারল্যান্ড
  4. ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
আনা ফ্রাঙ্ক (1929 -1945) ছিলেন তরুণ ইহুদি মেয়ে।
- তার বোন এবং তার বাবা-মা জার্মানি থেকে নেদারল্যান্ডে চলে আসেন যখন ১৯৩৩ সালে অ্যাডলফ হিটলার এবং নাৎসিরা সেখানে ক্ষমতায় আসেন এবং ইহুদিদের জীবন ক্রমশ কঠিন করে তোলে।
- ১৯৪২ সালে, ফ্রাঙ্ক এবং তার পরিবার জার্মান অধিকৃত আমস্টারডামে তার বাবার ব্যবসার পিছনে একটি গোপন অ্যাপার্টমেন্টে লুকিয়ে ছিলেন।
- তারা ১৯৪৪ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং পরবর্তিতে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল। শুধু অ্যানির বাবা বেঁচে ছিলেন।
- আনা ফ্রাঙ্কের লুকিয়ে থাকার সময় তার পরিবারের ডায়েরি, যা প্রথম ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, প্রায় ৭০ টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে এবং এটি সবচেয়ে বেশি পড়া বইগুলির মধ্যে একটি।

উৎস: History.com