পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ও অন্যান্য ১. মানবদেহ ও এর শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, মাইক্রোবায়োলজি, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি - এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার ইত্যাদি। ২. ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, শক্তির রূপান্তর, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস ও জীবাশ্ম ইত্যাদি। ------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
একজন স্বাভাবিক মানুষের দেহে কতটি হাড় থাকে?
  1. ১০৪ টি
  2. ২০০ টি
  3. ২০১টি
  4. ২০৬ টি
সঠিক উত্তর:
২০৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬ টি
ব্যাখ্যা
• মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- একজন মানুষের দেহে ২০৬ টুকরা হাড় থাকে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়।
যথা-
১. অক্ষীয় কঙ্কাল।
২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।

• অক্ষীয় কঙ্কাল:
- কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থির সংখ্যা ৮০টি।
যথা:
- করোটিতে অস্থি সংখ্যা ২২টি
- বক্ষপিঞ্জরে অস্থি সংখ্যা ২৫টি
- মেরুদন্ডে ৩৩টি অস্থি রয়েছে।

• উপাঙ্গীয় কঙ্কাল:
- উপাঙ্গীয় অস্থির সংখ্যা ১২৬টি।
যথা:
- বাহুতে অস্থি সংখ্যা ৬০টি।
- পা এ অস্থি সংখ্যা ৬০টি।
- বক্ষ অস্থি চক্রে অস্থি সংখ্যা ৪টি।
- শ্রেণি অস্থি চক্রে ২টি অস্থি রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন অনুজীবের দেহে কোনো নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই?
  1. শৈবাল
  2. ছত্রাক
  3. ভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান।

• ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে।
- পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়।
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম।

• ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস অকোষীয়।
- এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত।
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না।
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন
- তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়।
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পেপটিক আলসার রোগ নির্ণয় করার জন্য কোন পরিক্ষাটি করা হয়?
  1. এন্ডোসকপি
  2. আলট্রাসনোগ্রাফি
  3. এক্সরে
  4. পি সি আর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
ব্যাখ্যা
• এন্ডোস্কোপি:
- চিকিৎসার কারণে দেহের ভেতরের কোনো অঙ্গকে বাইরে থেকে সরাসরি দেখার প্রক্রিয়ার নাম এন্ডোস্কোপি।
- এন্ডোস্কোপি যন্ত্রে অপটিকাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
- পেপটিক আলসার (Peptic Ulcer) মূলত পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাথমিক অংশ এ ঘটে।
- এটি হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (Helicobacter pylori) ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণ, বা ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs) গ্রহণের কারণে হতে পারে।
- এন্ডোস্কোপ (Endoscope) নামে ক্যামেরাযুক্ত একটি ছোট টিউব মুখের মাধ্যমে পাকস্থলীতে প্রবেশ করিয়ে সরাসরি আলসার দেখা যায়।
- আলসারের আকার, অবস্থান ও অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
- যদি ক্যান্সারের সন্দেহ থাকে, তবে আলসারের টিস্যু সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
- H. pylori সংক্রমণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা যায়।

অন্যদিকে,
- আলট্রাসনোগ্রাফি - এটি মূলত নরম টিস্যু ও অন্তঃপ্রবাহী তরল পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা আলসার নির্ণয়ে কার্যকর নয়।
- এক্স-রে - সাধারণ এক্স-রে পেপটিক আলসার সরাসরি সনাক্ত করতে পারে না, তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যারিয়াম এক্স-রে (Barium X-ray) করা হতে পারে, যা তুলনামূলক কম কার্যকর।
- পি সি আর (PCR) -  ভুল, কারণ পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (PCR) মূলত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার জিনগত উপাদান শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা আলসার নির্ণয়ের জন্য সাধারণত করা হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা ও National Institutes of Health।
.
OPV ভ্যাকসিন কোন রোগ প্রতিরোধে দেওয়া হয়?
  1. পোলিও
  2. যক্ষ্মা
  3. নিউমোনিয়া
  4. ধনুষ্টংকার
সঠিক উত্তর:
পোলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোলিও
ব্যাখ্যা
• পোলিও রোগের ভ্যাকসিন হিসেবে OPV(Oral Polio Vaccine) দেওয়া হয়।

• বিভিন্ন রোগের টিকা:
- যক্ষ্মা: BCG
- ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার: DPT
- হাম, রুবেলা: MR ভ্যাকসিন।
- নিউমোনিয়া - PCV
- ধনুষ্টংকার - TT(Tetanus Toxiod)

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
HIV -AIDS ছড়ায় না-
  1. পানির মাধ্যমে
  2. রক্তের মাধ্যমে
  3. যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পানির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• পানির মাধ্যমে HIV -AIDS ছড়ায় না।

• HIV:

- এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে।
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না।
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

• HIV সংক্রমণের কারণ:
- প্রধানত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়।
- মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে।
- রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পিসিকালচার বলতে কী বুঝায়?
  1. পাখি পালন বিদ্যা
  2. মাছ চাষ বিদ্যা
  3. রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
  4. মৌমাছি চাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

অন্যদিকে,
• সেরিকালচার (Sericulture):
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে।

• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
ট্রানজিস্টরের সাথে রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে যে সার্কিট তৈরি করা হয় তাকে কী বলে?
  1. IC
  2. RAM
  3. Processor
  4. Motherboard
সঠিক উত্তর:
IC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IC
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC):
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'কমা' আকৃতির ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
  1. Spirillum
  2. Bacillus
  3. Vibrio
  4. Sarcina
সঠিক উত্তর:
Vibrio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vibrio
ব্যাখ্যা
• ভাইব্রিও (Vibrio) বা কমা (Comma):
- সামান্য বাঁকা বা কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে কমা বলে।
- উদাহরণ:` Vibrio cholerae

অন্যদিকে,
- ব্যাসিলাস (Bacillus) বহুবচনে ব্যাসিলি pl. Bacilli]:
- বেলুনাকার বা দন্ডাকৃতির কোষ বিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে ব্যাসিলাস বলে।

- স্পাইরিলাম (Spirillum) বহুবচনে স্পাইরিলা, pl. spirillal:
- সর্পিলাকারে কুন্ডলিত বা প্যাঁচানো আকৃতির কোষ বিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে স্পাইরিলাম বলে।

- সারসিনা (Sarcina) :
- এক্ষেত্রে গোলাকৃতির ব্যাকটেরিয়া একত্রে সমান সমান দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা বিশিষ্ট একটি ঘন তলের মত গঠন করে।
উদাহরণ: Sarcina aurantiaca.

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
.
প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন শতকরা কী পরিমাণে থাকে?
  1. ৪০ - ৫০%
  2. ৬০ - ৭০%
  3. ৮০ -৯০%
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৮০ -৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ -৯০%
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক গ্যাস:
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস।
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার আছে।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় এর ব্যবহার রয়েছে। এর ব্যবহার প্রধানত জ্বালানি হিসেবে।
- বাংলাদেশে রান্নার কাজে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এছাড়াও ব্যবহার রয়েছে অনেক সার কারখানায়।
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ।
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। কূপ খনন করে ভূগর্ভ থেকে এ গ্যাস উত্তোলন করা হয়।
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ।
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়

• প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলো হলো:

- মিথেন - ৮০% - ৯০%,
- ইথেন - ১৩%,
- প্রোপেন - ৩%1
- এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে।
- আমাদের বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫% - ৯৯%।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা
১০.
মানবদেহের রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. লাইসোজোম
  2. গ্যাস্ট্রিক জুস
  3. সিলিয়া
  4. লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর:
- ত্বক,
- লোম,
- লাইসোজাইম এনজাইম
- সিলিয়া,
- কানের মোম,
- অশ্রু, শ্লেষ্মা ও লালা,
- পাকস্থলির অ্যাসিড ও এনজাইম,
- রেচন ও জনন অঙ্গের অ্যাসিড,
- মাইক্রোবায়োম, 

• দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর:
- ফ্যাগোসাইটস,
- ন্যাচারাল কিলার কোষ,
- কমপ্লিমেন্ট তন্ত্র,
- সাইটোকাইনস,
- ইন্টারফেরন,
- অ্যাকিউট ফেজ প্রোটিন,
- প্রদাহ,
- জ্বর,
- রক্ত তঞ্চন,
• সুনির্দিষ্ট বা স্পেসিফিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মানবদেহের তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর গঠন করে
- স্পেসিফিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (অর্জিত অনাক্রম্যতা)

• তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর:

- লিম্ফোসাইটস,
- অ্যান্টিবডি,
- স্মৃতিকোষ,

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার করা হয় কারণ-
  1. অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
  2. বিক্রিয়ার তাপমাত্রা শোষিত হয়
  3. বেশি সংখ্যক পরমাণু ভাঙ্গে
  4. অতি দ্রুত শক্তি উৎপাদন করা হয়
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
ব্যাখ্যা
• ক্যাডমিয়াম দণ্ডের ভূমিকা:
- নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে নিউট্রন নিয়ন্ত্রণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,
- কারণ এই নিউট্রনই পরমাণু বিভাজন (nuclear fission) প্রক্রিয়াকে চালিত করে।
- ক্যাডমিয়াম একটি শক্তিশালী নিউট্রন শোষক (neutron absorber),
- যা অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে এবং নিয়ন্ত্রিত চেইন বিক্রিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে।

উৎস: Stanford University Website.
১২.
সবচেয়ে নরম খনিজ কোনটি?
  1. ট্যালক
  2. চুনাপাথর
  3. পাইরাইটস
  4. সিলিকা
সঠিক উত্তর:
ট্যালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যালক
ব্যাখ্যা
• খনিজ পদার্থের কাঠিন্য:
- খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত কঠিন হয় এবং একেকটি খনিজের কাঠিন্য একেক রকম।
- বেশি কঠিন খনিজ খুব সহজেই কম কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে; কিন্তু কম কঠিন খনিজ বেশি কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে না। কাঠিন্য অনুযায়ী সবচেয়ে নরম খনিজ হলো ট্যালক (Talc), যা দিয়ে ট্যালকাম পাউডার তৈরি হয়।
- সবচেয়ে কঠিন খনিজ হলো হীরা বা ডায়মন্ড। খনিজ পদার্থের নির্দিষ্ট দ্যুতি থাকে।
- ধাতব খনিজ যেমন: পাইরাইটস ধাতুর মতোই দ্যুতি প্রদর্শন করে অর্থাৎ অনেকটা ধাতুর মতোই চকচক করে।
- খনিজ হীরা অধাতু এবং এটিকে দেখে সাধারণ কাচের মতো মনে হতে পারে কিন্তু এটি কাটার পর এর দ্যুতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

উৎস:বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী