পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা ১ ও ২) [ক্লাস - ১ – ৭]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
Logic Gate Diagram থেকে আউটপুট F = AB + A’C হলে এটি কোন ধরনের গেটের সমন্বয়? 
  1. AND + OR + NOT
  2. OR + NAND
  3. XOR + AND
  4. NOR + NOT
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত সমীকরণ F = AB + A’C হলো একটি মিশ্র লজিক ফাংশন।

• এখানে তিনটি মৌলিক গেট ব্যবহার করা হয়েছে:
- NOT gate: A’ তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- AND gate: দুটি গুণফল AB এবং (A’C) তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- OR gate: AB এবং A’C এর আউটপুট যোগ করতে ব্যবহৃত।

• ধাপগুলো:
- A কে NOT gate এ পাঠিয়ে A’ তৈরি করা।
- AB তৈরি করতে AND gate ব্যবহার করা।
- A’C তৈরি করতে আরেকটি AND gate ব্যবহার করা।
- শেষে OR gate দিয়ে AB + A’C আউটপুট F পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

.
RAID 1 কী ধরনের স্টোরেজ সিস্টেম নির্দেশ করে? 
  1. Striping
  2. Mirroring
  3. Parity
  4. Backup
ব্যাখ্যা

• RAID 1 হলো একটি স্টোরেজ সিস্টেম কনফিগারেশন যা মিররিং (Mirroring) পদ্ধতি ব্যবহার করে।

- মিররিং অর্থ হলো একই ডাটা একাধিক ড্রাইভে সংরক্ষণ করা।
- এতে প্রধান উদ্দেশ্য হলো ডাটার নিরাপত্তা এবং হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে রিকভারি সহজ করা।

• কাজের পদ্ধতি:
- যখন একটি ফাইল সিস্টেমে লেখা হয়, তখন RAID 1 সেটআপে প্রতিটি ডাটা একসাথে দুটি বা ততোধিক ড্রাইভে লিখিত হয়। প্রতিটি ড্রাইভে ডাটার একই কপি থাকে।
- কোনো একটি ড্রাইভ ব্যর্থ হলে, সিস্টেম অন্য ড্রাইভ থেকে ডাটা পড়তে পারে, ফলে ডাটা লস হয় না।

• উপকারিতা:
- ডাটা নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।
- হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত রিকভারি সম্ভব।
- সিস্টেম ডাউনটাইম কমে।

• সীমাবদ্ধতা:
- স্টোরেজের কার্যকর ক্ষমতা মাত্র ৫০% হয় (যদি দুইটি ড্রাইভ ব্যবহার হয়, একটি ড্রাইভ ব্যাকআপ হিসেবে থাকে)।
- খরচ বেশি, কারণ প্রতিটি ডাটার জন্য অতিরিক্ত ড্রাইভ প্রয়োজন।

• RAID 1 এবং অন্যান্য RAID টাইপের পার্থক্য:
- RAID 0 (Striping): ডাটাকে ভাগ করে একাধিক ড্রাইভে লেখা হয়, কোনো ব্যাকআপ নেই।
- RAID 5/6 (Parity): ডাটা এবং parity তথ্য ভাগ করে লিখিত হয়, ব্যর্থতা সহ্য করতে পারে কিন্তু মিররিং নয়।

তথ্যসূত্র:
- Oracle এর অফিশিয়াল ওয়েব সাইট।
- Geeksforgeeks ওয়েব সাইট।

.
IBM 360 এ যুগান্তকারী পরিবর্তন কোনটি? 
  1. ভ্যাকিউম টিউব
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  4. মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা

• IBM 360 হলো তৃতীয় প্রজন্মের (১৯৬৪ - ১৯৭১) কম্পিউটারের ক্লাসিক উদাহরণ। এটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
 
• অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সমূহ:

- ব্যবসায়িক ও বৈজ্ঞানিক হিসাব উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যেত।
- অনেকগুলো ট্রানজিস্টর এক চিপে সংযুক্ত থাকে।
- আকার আরও ছোট, গতি দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
- মাল্টি প্রোগ্রামিং সমর্থন।
- কম বিদ্যুৎ খরচ এবং তাপ উৎপাদন কম।

এছাড়াও,
- ভ্যাকিউম টিউব: ১ম প্রজন্ম (১৯৪০ - ১৯৫৬) কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত। উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC.
- ট্রানজিস্টর: ২য় প্রজম্ন (১৯৫৬ - ১৯৬৩) কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত। উদাহরণ: IBM 7090.
- মাইক্রোপ্রসেসর: ৪র্থ প্রজন্ম (১৯৭১ - বর্তমান) কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ: Intel 4004, Apple.

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
- IBM এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। [লিংক]

.
UNIX অপারেটিং সিস্টেম কোন ধরনের?
  1. GUI ভিত্তিক
  2. Command Line ভিত্তিক
  3. Object Oriented
  4. Network Based
ব্যাখ্যা

• UNIX হলো একটি শক্তিশালী Command Line Interface (CLI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- এটি মূলত টার্মিনাল বা শেল (Shell) ব্যবহার করে কমান্ড ইনপুটের মাধ্যমে কাজ করে।

• মূল বৈশিষ্ট্য:
- Command Line Operation: গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের পরিবর্তে ব্যবহারকারী কমান্ড টাইপ করে কাজ করে।
- Multiuser এবং Multitasking: একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালানো যায়।
- Portable: বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সহজে ইনস্টল করা যায়।
- File System: ফাইল ও ডিরেক্টরির নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত শক্তিশালী।
- Network Support: TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে নেটওয়ার্কিং সহজ।

- UNIX নেটওয়ার্কিং সাপোর্ট করে, কিন্তু এটি network operating system নয়।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Geeksforgeeks. [লিংক] 

.
১ কিলোবাইটে কয় বিট থাকে?
  1. ৮০৯৬
  2. ৮১৯২
  3. ৮০২৪
  4. ৮০০০
ব্যাখ্যা

• বাইট (Byte) হলো ডেটা পরিমাপের একটি মৌলিক একক, যা ৮ বিটের সমান।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ × ৮ = ৮১৯২ বিট।
- কিলোবাইট (KB) হলো ডেটা পরিমাপের একটি বড় একক, যা কম্পিউটার মেমরিতে সাধারণত বাইনারি পদ্ধতিতে গণনা করা হয়।

• কম্পিউটার মেমোরির অন্যান্য হিসাব:
⇒ ৮ বিট = ১ বাইট।
⇒ ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট।
⇒ ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট।
⇒ ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট।
⇒ ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট।

তথ্যসূত্র: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

.
অপারেটিং সিস্টেমের কাজ কী?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ
  2. গেম খেলা
  3. ভাইরাস ধ্বংস
  4. গ্রাফিক্স তৈরি
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেম (OS) হলো এমন একটি মৌলিক সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।

- এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদান যেমন প্রসেসর, মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, ফাইল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কাজসমূহ:
- হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ: ইনপুট (যেমন কিবোর্ড, মাউস) ও আউটপুট (যেমন মনিটর, প্রিন্টার) ডিভাইসগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
- মেমরি ব্যবস্থাপনা: প্রোগ্রামগুলো কতটা র‍্যাম ব্যবহার করবে তা নির্ধারণ করে।
- প্রসেস ব্যবস্থাপনা: একাধিক কাজ একসাথে চললে কোনটি আগে চলবে তা নির্ধারণ করে।
- ফাইল ব্যবস্থাপনা: ডেটা সংরক্ষণ, পড়া, লেখা ও মুছে ফেলার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- User Interface প্রদান: ব্যবহারকারী যাতে কম্পিউটারের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারে (CLI বা GUI আকারে)।

তথ্যসূত্র: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

.
(- 5) কে ২ এর সম্পূরক পদ্ধতি ব্যবহার করে ৮ বিট বাইনারি প্রকাশ কোনটি?
  1. 111110102
  2. 111110112
  3. 111110012
  4. 111111012
ব্যাখ্যা

• ১ এর সম্পূরক (1’s Complement): কোনো বাইনারি সংখ্যার ১ এর সম্পূরক পাওয়ার জন্য সব বিট উল্টিয়ে দেওয়া হয়। 0 ⇒ 1, 1 ⇒ 0.
• ২ এর সম্পূরক (2’s Complement): কোনো বাইনারি সংখ্যার ২ এর সম্পূরক পাওয়ার জন্য সব বিট উল্টিয়ে দিয়ে সাথে 1 যোগ করতে হয়।

5 কে ৮ বিট বাইনারি আকারে লিখলে,
5 = 000001012

​১ এর সম্পূরক (One’s Complement): করতে বিট গুলোকে উল্টিয়ে দিলে,
00000101 ⇒ 11111010

এখন,
২ এর সম্পূরক (Two’s Complement): উল্টানো বিটের সাথে ১ যোগ করি,
11111010 + 1 = 111110112

​অতএব,
(- 5)10 = 111110112 

.
একটি কম্পিউটারের ALU কোন কাজ সম্পন্ন করে না?
  1. Addition
  2. Subtraction
  3. Logical operation
  4. Data storage
ব্যাখ্যা

• ALU (Arithmetic Logic Unit) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক (Arithmetic) এবং যৌক্তিক (Logical) ক্রিয়া সম্পন্ন করে।

• Data storage (তথ্য সংরক্ষণ):
- এটি মেমরি বা রেজিস্টারের কাজ, ALU তথ্য সংরক্ষণ করে না।
- ALU শুধুমাত্র প্রক্রিয়াকরণ করে, সংরক্ষণ নয়।

• ALU এর প্রধান কাজ:
- Addition (যোগ): দুই বা ততোধিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করে।
- Subtraction (বিয়োগ): দুই সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য বের করে।
- Logical operation (যৌক্তিক ক্রিয়া): AND, OR, XOR, NOT ইত্যাদি যৌক্তিক অপারেশন সম্পন্ন করে।
- Comparison (তুলনা): সংখ্যা একের থেকে বড়, ছোট বা সমান কিনা যাচাই করে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
Supercomputer প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. সাধারণ গাণিতিক কাজ
  2. উচ্চগতির জটিল গণনা
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ইউএস প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায়
ব্যাখ্যা

• Supercomputer হলো এমন একটি কম্পিউটার যা অত্যন্ত উচ্চ গতিতে এবং বিশাল ক্ষমতায় জটিল গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম।

- এটি সাধারণ ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা সার্ভারের চেয়ে অসংখ্য প্রসেসর এবং বেশি র‍্যাম ব্যবহার করে।

• প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: মহাকাশ, জলবায়ু, ভূমিকম্প বিশ্লেষণ, নিউক্লিয়ার গবেষণা ইত্যাদি।
- জটিল গণনা (High-Speed Complex Computation): আবহাওয়া পূর্বাভাস, বড় ডেটা বিশ্লেষণ, পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নের সিমুলেশন।
- ডেটা সিমুলেশন ও বিশ্লেষণ: বড় পরিমাণের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও মডেলিং।

অপরদিকে,
- সাধারণ গাণিতিক কাজ: এটি ছোট কম্পিউটারও করতে পারে; Supercomputer এর জন্য অপ্রয়োজনীয়।
- ভিডিও এডিটিং: এটি সাধারণ বা উচ্চমানের পিসি ও গ্রাফিক্স ওয়ার্কস্টেশনের কাজ।
- ইউএস প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা: নিরাপত্তা বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিস্টেম Supercomputer এর প্রাথমিক কাজ নয়।
 
তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা [লিংক]

১০.
“Stored Program Concept” কার উদ্ভাবন?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. জন ভন নিউম্যান
  3. অ্যালান টুরিং
  4. জন মক্লি
ব্যাখ্যা

• Stored Program Concept (সংরক্ষিত প্রোগ্রাম ধারণা) হলো আধুনিক কম্পিউটারের একটি মৌলিক নীতি, যেখানে প্রোগ্রাম নির্দেশনা ও ডেটা একই মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে।

- এই ধারণাটি ১৯৪৫ সালে হাঙ্গেরি-জন্ম মার্কিন গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী জন ভন নিউম্যান (John von Neumann) প্রস্তাব করেন।

মূল ধারণা:
- ভন নিউম্যানের মতে, কম্পিউটারের উচিত নির্দেশনা (instructions) ও ডেটা (data) একই মেমরিতে রাখা।
- যাতে CPU ধারাবাহিকভাবে নির্দেশনা পড়তে, বিশ্লেষণ করতে এবং প্রয়োগ করতে পারে।
- এর ফলে কম্পিউটার নিজেই প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম হয়, আলাদা আলাদা নির্দেশনা ম্যানুয়ালি দিতে হয় না।

ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার (Von Neumann Architecture):
- এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক কম্পিউটারের আর্কিটেকচার তৈরি হয়, যার প্রধান উপাদানগুলো
⇒ ALU (Arithmetic Logic Unit).
⇒ Control Unit (CU).
⇒ Memory Unit.
⇒ Input/Output Unit.

- এই মডেল এখনও সব ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় পার্সোনাল কম্পিউটার, স্মার্টফোন, এমনকি সুপার-কম্পিউটারেও।

তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। [লিংক] 

১১.
কোনটি বিশেষ উদ্দেশ্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. MS Word
  2. MS Excel
  3. Payroll System
  4. MS PowerPoint
ব্যাখ্যা

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারে ব্যবহৃত এমন প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে

প্রকারভেদ:
- সাধারণ উদ্দেশ্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য ব্যবহারযোগ্য।
উদাহরণ:
⇒ MS Word: ডকুমেন্ট তৈরি।
⇒ Excel: হিসাবরক্ষণ ও ডেটা বিশ্লেষণ।
⇒ PowerPoint: প্রেজেন্টেশন তৈরি।

বিশেষ উদ্দেশ্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: নির্দিষ্ট কাজ বা প্রতিষ্ঠান বিশেষ প্রয়োজনে তৈরি।
উদাহরণ:
⇒ Payroll System: প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর বেতন হিসাব, ট্যাক্স ও বোনাস নির্ণয়।
⇒ ব্যাংকিং সফটওয়্যার, হাসপাতালের রোগী ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র:
NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
Database Management System (DBMS) এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Oracle
  2. Notepad++
  3. Python
  4. MS Paint
ব্যাখ্যা

• Database Management System (DBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ব্যবহারকারীদের ডেটা সংরক্ষণ, হালনাগাদ, অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে।

DBMS এর বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা সংরক্ষণ (Data Storage): ডেটা সুষ্ঠুভাবে সঞ্চয় করে।
- ডেটা অ্যাক্সেস (Data Access): দ্রুত অনুসন্ধান এবং নির্বাচন করা যায়।
- ডেটা নিরাপত্তা (Data Security): অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের জন্য সীমাবদ্ধতা আরোপ।
- Consistency & Integrity: ডেটা সঠিক ও নির্ভরযোগ্য থাকে।

Oracle Database এর গুরুত্ব:
- Enterprise Level DBMS: বড় প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকিং, ই-কমার্স, এবং সরকারি সংস্থার জন্য ব্যবহৃত।
- Relational Database: ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করে, এবং SQL ব্যবহার করে পরিচালনা করা যায়।
- Scalability & Reliability: কোটি কোটি রেকর্ড দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব।

• অপশন আলোচনা:
- Notepad++: একটি শক্তিশালী টেক্সট ও সোর্স কোড এডিটর, যা বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষার কোড লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Python: একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা সফটওয়্যার এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- MS Paint: একটি সরল গ্রাফিক্স এডিটর সফটওয়্যার, যা ছবি আঁকা ও সম্পাদনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নবম-দশম শ্রেণি।
- Oracle অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। 

১৩.
16 base সংখ্যা 2A16 কে Decimal সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করলে কত হবে?
  1. 4010
  2. 4210
  3. 4410
  4. 4510
ব্যাখ্যা

• 16 base সংখ্যা সিস্টেমে 0 থেকে 9 সংখ্যাগুলো এবং A থেকে F অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়।

এখানে:
2A16 = ?10(Decimal)

• প্রক্রিয়া:
- হেক্সা-ডেসিমাল এর ভিত্তি 16 হওয়ায় ডান দিকের (সবচেয়ে ছোট স্থানের) অঙ্ককে 160 এর ঘাত দিয়ে গুণ করা হবে।
- ডান থেকে বাম দিকে প্রতিটি অঙ্কের ঘাত 1 করে বাড়বে। যেমন: 161, 162, 163.
- যদি অঙ্ক সংখ্যা হয় 0 থেকে 9, তাহলে একই Decimal মান হবে।
- যদি অক্ষর হয় A থেকে F, তাহলে মান 10 থেকে 15 হবে।
- পরিশেষ যোগ করলেই ডেসিমাল সংখ্যা পাওয়া যাবে। 
 
সংখ্যা: 2A16
অবস্থান অনুযায়ী মান নির্ণয়:
বামদিকের ‘2’ = 2 × 161 = 32
ডানদিকের ‘A’ = 10 × 160 = 10 × 1 = 10

যোগফল: 32 + 10 = 42

সুতরাং: 2A16 = 4210

১৪.
Digital Device এ DAC ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করা
  2. ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ ফর্মে রূপান্তর করা
  3. ইনপুট ভ্যালু সংরক্ষণ করা
  4. Noise দূর করা
ব্যাখ্যা

• DAC (Digital to Analog Converter) হলো এমন একটি ডিভাইস যা ডিজিটাল তথ্যকে অ্যানালগ সিগন্যাল আকারে রূপান্তর করার কাজ করে।

- যেকোনো ডিজিটাল সংখ্যা বা কোডকে বাস্তব ভোল্টেজ বা কারেন্ট আকারে পরিণত করতে DAC ব্যবহার করা হয়।

DAC এর প্রয়োজনীয়তা:
- কম্পিউটার, মাইক্রোকন্ট্রোলার বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের কাজ ডিজিটাল সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে।
- বাস্তব জগতের ডিভাইস যেমন স্পিকার, মনিটর, অ্যানালগ সেন্সর বা অন্যান্য যন্ত্রাংশ সাধারণত অ্যানালগ সিগন্যাল প্রয়োজন।
- DAC সেই ডিজিটাল তথ্যকে অ্যানালগ সিগন্যাল আকারে রূপান্তর করে, যাতে হার্ডওয়্যার বা মানুষের সংবেদন ক্ষমতার জন্য তা ব্যবহারযোগ্য হয়।

কর্মপ্রক্রিয়ার উদাহরণ:
- অডিও প্রক্রিয়াজাতকরণ: কম্পিউটারের অডিও ফাইল (ডিজিটাল) → DAC → স্পিকার থেকে বাস্তব শব্দ (অ্যানালগ)।
- ভিডিও আউটপুট: ভিডিও কার্ডের ডিজিটাল সিগন্যাল → DAC → মনিটরে অ্যানালগ সিগন্যাল → ছবি দেখা যায়।
- সেন্সর ইন্টারফেস: ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ সিগন্যাল → DAC → অ্যানালগ যন্ত্রাংশকে চালানো।

গুরুত্ব:
- DAC ডিজিটাল এবং অ্যানালগ ডিভাইসের মধ্যে মধ্যস্থ হিসেবে কাজ করে।
- আধুনিক কম্পিউটার, অডিও/ভিডিও সিস্টেম, রোবটিক্স এবং সেন্সর ভিত্তিক যন্ত্রে DAC অপরিহার্য।
- এটি ডিজিটাল বিশ্বকে বাস্তব দুনিয়ার সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।  

১৫.
বাইনারি সংখ্যা 10112 এবং 11012 যোগ করলে ফলাফল কত হবে?
  1. 110002
  2. 101012
  3. 111002
  4. 100112
ব্যাখ্যা

• বাইনারি যোগ (Binary Addition) হলো ২-এর ঘাত ব্যবস্থায় সংখ্যা যোগ করার পদ্ধতি। এখানে ১ + ১ হলে বাইনারি ক্যারি তৈরি হয়।

ডানদিকের বিট থেকে (LSB):
1 + 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
দ্বিতীয় বিট যোগ:
1 + 0 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
তৃতীয় বিট যোগ:
0 + 1 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
চতুর্থ বিট যোগ (MSB):
1 + 1 + ক্যারি 1 = 112 → 1, নতুন ক্যারি 1।

ফলাফলের সাথে শেষ ক্যারি যুক্ত করে পাই,
110002

১৬.
Digital Device এ Decoder সাধারণত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. Signal Storage
  2. Data Compression
  3. Noise Reduction
  4. Memory Addressing
ব্যাখ্যা

• Decoder হলো একটি ডিজিটাল সার্কিট যা n-bit ইনপুট গ্রহণ করে এবং 2n আউটপুট লাইনে রূপান্তর করে। এই আউটপুটগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র একটি লাইন সক্রিয় থাকে, এবং বাকি সব লাইন নিষ্ক্রিয় থাকে।

কর্মপ্রক্রিয়া:
- Decoder একটি নির্দিষ্ট ইনপুট বাইনারি কোড গ্রহণ করে এবং সেই কোড অনুযায়ী আউটপুটের নির্দিষ্ট লাইনকে সক্রিয় করে। 

প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র:
- Memory Addressing: মেমোরির নির্দিষ্ট র‍্যাম বা রেজিস্টার লাইন সক্রিয় করার জন্য Decoder ব্যবহার করা হয়। এটি CPU এবং কন্ট্রোল ইউনিটে ডেটা সঠিকভাবে প্রেরণের জন্য অপরিহার্য।
- ডেটা রাউটিং: নির্দিষ্ট ডিভাইসে তথ্য পাঠাতে বা প্রসেস করতে ব্যবহার করা হয়।
- One-Hot Encoding: ডিজিটাল লজিক সার্কিটে নির্দিষ্ট লাইন বা ডিভাইস সিলেকশন সহজ করতে One-Hot আউটপুট তৈরি করা হয়।

গুরুত্ব:
- Decoder ডিজিটাল ডিভাইসে নির্দিষ্ট লাইন বা ডিভাইস সিলেকশন সহজ করে।
- এটি মেমোরি, CPU, এবং কন্ট্রোল ইউনিটের জন্য অপরিহার্য।

তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা [লিংক] 

১৭.
Half Adder কোন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে?
  1. দুইটি সংখ্যা গুন করে 
  2. দুইটি সংখ্যা বিয়োগ করে 
  3. তিনটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
  4. দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
ব্যাখ্যা

• Half Adder হলো একটি মৌলিক লজিক সার্কিট যা দুটি বাইনারি ইনপুট গ্রহণ করে এবং দুইটি আউটপুট প্রদান করে।

Sum (যোগফল):
- XOR গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।
- AND গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।

- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 0 এবং 1, তাহলে Sum হবে 1; যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, Sum হবে 0।
- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, তাহলে Carry হবে 1; অন্য সব ক্ষেত্রে Carry হবে 0।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- Half Adder মাত্র দুটি ইনপুট নিয়ে কাজ করে।
- তিনটি ইনপুটের জন্য Full Adder ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:
NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ। 

১৮.
Digital Device এ Multiplexer ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. Signal Amplification করা
  2. Noise Reduction করা
  3. একাধিক ইনপুটের মধ্যে একটি নির্বাচন করে আউটপুট প্রদান করা
  4. Analog signal পরিবর্তন করা
ব্যাখ্যা

• Multiplexer (MUX) হলো একটি ডিজিটাল সুইচিং ডিভাইস, যা একাধিক ইনপুটের মধ্যে থেকে শুধুমাত্র একটি ইনপুট নির্বাচন করে আউটপুটে প্রেরণ করে।

কর্মপ্রক্রিয়া:
- Multiplexer এ থাকে n সংখ্যক ইনপুট, একটি আউটপুট, এবং k সংখ্যক সিলেকশন লাইনের মাধ্যমে ইনপুট নির্ধারণ করা হয়।
- যেমন 4 to 1 MUX এ 4টি ইনপুট থাকে, কিন্তু কেবল একটি ইনপুট সিলেকশন বিটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয় এবং আউটপুটে প্রেরণ করা হয়।

প্রয়োগ:
- ডেটা রাউটিং: একাধিক সেন্সর বা ডিভাইসের ডেটা শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সময়ে নির্বাচিত করে প্রেরণ করা।
- ডিজিটাল কমিউনিকেশন: একাধিক ডেটা লাইনকে একটি চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণ করা।
- ডেটা সিলেকশন সার্কিট: CPU এবং মেমোরি ইন্টারফেসে তথ্য নির্বাচন করতে ব্যবহৃত।

গুরুত্ব:
- Multiplexer ডিজিটাল সার্কিটে ডেটা ব্যবস্থাপনা এবং রাউটিং সহজ করার জন্য অপরিহার্য।
- এটি কমপ্লেক্স লজিক সার্কিট এবং ডিজিটাল সিস্টেমে সিগন্যাল লাইন এবং হার্ডওয়্যার সংরক্ষণে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৯.
25510 কে Hexadecimal (16 base) সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করলে কত হবে?
  1. EF16
  2. FE16
  3. F016
  4. FF16
ব্যাখ্যা

• Hexadecimal সংখ্যা (16 base): 0 থেকে 9 পর্যন্ত সংখ্যা এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়।
A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15

• প্রক্রিয়া:
- হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতির ভিত্তি 16 হওয়ায় প্রথমে সংখ্যাটিকে 16 দিয়ে ভাগ করা হয়।
- ভাগ করার ফলে যে ভাগশেষ পাওয়া যায়, সেটিই ডানদিকের (সবচেয়ে ছোট স্থানের) হেক্সাডেসিমাল অঙ্ক হয়।
- এরপর পাওয়া ভাগফলকে আবার 16 দিয়ে ভাগ করা হয়। 
- প্রতিবার ভাগ করার পর যে ভাগশেষ পাওয়া যায়, সেটি পরবর্তী অঙ্ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- ভাগফল 0 না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- প্রতিটি ভাগশেষ যদি 0 থেকে 9 এর মধ্যে হয়, তবে তা একই মানে লেখা হয়। 
- মান 10 থেকে 15 হয়, তবে তা যথাক্রমে A, B, C, D, E, F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- সবশেষে উল্টো দিক থেকে অঙ্কগুলো সাজালে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পাওয়া যায়।

Decimal সংখ্যা: 25510

16 দিয়ে ভাগ দিলে:
255/16 = 15 (ভাগফল), ভাগশেষ = 15 → F16
আবার ভাগফলকে 16 দিয়ে ভাগ দিলে, 
15/16 = 0 (ভাগফল), ভাগশেষ = 15 → F16

যোগফল: F + F = FF16

ফলাফল: FF16