পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১১৮
সিলেবাস
Full Model Test - 2
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামী শিক্ষা [২০১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১৮ প্রশ্ন

.
The famous novel, The Bluest Eye, is written by -
  1. American author
  2. Irish author
  3. French author
  4. Russian author
সঠিক উত্তর:
American author
উত্তর
সঠিক উত্তর:
American author
ব্যাখ্যা

The famous novel, The Bluest Eye, is written by - American author.

• The Bluest Eye:

- এটি Toni Morrison রচিত।
- এটি একটি novel.
- এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।

• Toni Morrison ছিলেন একজন আমেরিকান Novelist, essayist এবং Editor.
- তাছাড়া তিনি Princeton University এর প্রফেসর ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম গুলো -
- Beloved,
- Song of Solomon,
- The Bluest Eye.

Source: Britannica.

.
বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ছিলেন সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
- উপদেষ্টা পরিষদের বাকিরা হলেন: ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল। এই সরকার ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল নির্দলীয় প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ঐ সরকার গঠিত হয়েছিল।

এছাড়াও,
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোন দেশ সহায়তা করবে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

তিস্তা মহাপরিকল্পনা:
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে চীন।

⇒ তিস্তা প্রকল্পের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে চীন থেকে ঋণ চাওয়া হয়েছে ৫৫ কোটি ডলার। বাকিটা করা হবে সরকারি অর্থায়নে।
- চীনের রাস্ট্রদূত জানান, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়টিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে তারা কাজ করছেন।
- চীনের বিশেষজ্ঞ দল তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাবনা যাচাই শেষে অক্টোবর, ২০২৫-এর মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে।
- ২০২৬ সালে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে ২০২৯ সালে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- মহাপরিকল্পনায় তিস্তা নদীর ডান-বাম উভয় তীর ঘেঁষে ২২০ কিলোমিটার উঁচু গাইড বাঁধ, রিভার ড্রাইভ, হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ, পর্যটন কেন্দ্র, ১৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুতকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা, ইপিজেড, ইকোনমিক জোন, কয়েক লাখ হেক্টর কৃষি জমি উদ্ধার, বনায়ন ইত্যাদি রয়েছে।
- এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তিস্তা পাড় হয়ে উঠবে পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটির মতো সুন্দর নগরী।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ড্রাগন ফল উৎপাদনে বর্তমানে শীর্ষ জেলা কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ঝিনাইদহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. রাজশাহী
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

ড্রাগন ফল উৎপাদন:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষে আছে ঝিনাইদহ জেলা।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩২ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন ড্রাগন।

• উৎপাদনের ২য় স্থানে রয়েছে যশোর। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৫৫৩ মেট্রিক টন ড্রাগন। আর তৃতীয় শীর্ষ জেলা রাজশাহীতে উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন।

⇒ ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এই গাছের কোন পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারনত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কতৃক উদ্ভাবিত ড্রগন ফলের নতুন জাতটি হলো বারি ড্রাগন ফল-১ যা দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয় ফল। এ ফলের আকার বড়, পাকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির । ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম । একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কৃষি বাতায়ন।

.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৫৬টি
  2. ৫৭টি
  3. ৫৮টি
  4. ৫৯টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা

OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation.
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মরক্কো।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৫)
- মহাসচিবের মেয়াদ: ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৫)

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য।
• গায়ানা ও
• সুরিনাম।

- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC এর সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
কার্টাগেনা প্রটোকল কার্যকর হয় কবে?
  1. ২০০১ সাল
  2. ২০০২ সাল
  3. ২০০৩ সাল
  4. ২০০৪ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সাল
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল।
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

.
পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কোনটি?
  1. ESCWA
  2. ESCAP
  3. ECLAC
  4. ECE
সঠিক উত্তর:
ESCWA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ESCWA
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।

⇒ এগুলো হলো:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।

.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. অস্ট্রিয়া
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. ফিনল্যান্ড
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
ক্রোয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।

.
ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানের নাম কী? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. অপারেশন রাইজিং লায়ন
  2. অপারেশন ডেইজ অফ রিপেন্টেন্স
  3. অপারেশন নাইট ফ্যাল
  4. অপারেশন ডার্ক হরাইজন
সঠিক উত্তর:
অপারেশন রাইজিং লায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন রাইজিং লায়ন
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন রাইজিং লায়ন':
- ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'।
- 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
- ১৩ জুন ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে।
- ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।

উল্লেখ্য:
- এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়।
- এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি’।
- ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১০.
IUCN-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. বার্ন, সুইজারল্যান্ড
  3. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  4. জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১.
IMF এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ক্রিস্টিন লাগার্দে
  2. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  3. রড্রিগো ডে রাতো
  4. মিশেল ক্যামডেসসুস
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২.
P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয়। তাদের সম্পর্কটা কোন ধরনের?
  1. পিতা-মাতা
  2. ভাই-বোন
  3. মেয়ে-পিতা
  4. ছেলে-মেয়ে
সঠিক উত্তর:
মেয়ে-পিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়ে-পিতা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয়। তাদের সম্পর্কটা কোন ধরনের?

সমাধান:
যেহেতু, P হচ্ছে Q এর পিতা কিন্তু Q, P এর ছেলে নয় সুতরাং Q হলো মেয়ে এবং P হচ্ছে পিতা।

সুতরাং, তাদের সম্পর্কটা মেয়ে-পিতা।

১৩.
নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

সমাধান:

একটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 = ৮ টি
দুইটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12, 34, 56, 78, 67, 58 = ৬ টি
চারটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1267, 3456 = ২টি
সবগুলো ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12345678 = ১ টি

সুতরাং, মোট ত্রিভুজ আছে = ৮ + ৬ + ২ + ১ = ১৭ টি

১৪.
একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ১৪ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ৮ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?
  1. ৩ কেজি
  2. ২.৫ কেজি
  3. ৪ কেজি
  4. ২ কেজি
সঠিক উত্তর:
২ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ কেজি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ১৪ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ৮ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পানি ভর্তি বালতির ওজন = ১৪ কেজি
অর্ধেক পানি ভর্তি বালতির ওজন = ৮ কেজি

​অর্ধেক বালতি পানির ওজন = (১৪ - ৮) কেজি = ৬ কেজি
∴ ​পূর্ণ বালতি পানির ওজন = (৬ × ২) কেজি = ১২ কেজি

​আবার,
​পূর্ণ বালতি পানির ওজন + খালি বালতির ওজন = ১৪ কেজি
⇒ ​খালি বালতির ওজন = ১৪ - ​পূর্ণ বালতি পানির ওজন
​⇒ ​খালি বালতির ওজন = ১৪ - ১২ = ২ কেজি

১৫.
যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = ?
  1. UXGTMK
  2. KVETIW
  3. UGANDA
  4. KXFGDR
সঠিক উত্তর:
KVETIW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
KVETIW
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = ?

সমাধান:
​যদি ORANGE = SVERKI হয় তবে GRAPES = KVETIW

​ORANGE শব্দটির বর্ণগুলো থেকে 4 ধাপ এগিয়ে পাওয়া যায়,
O(15) + 4 → S(19)
​R(18) + 4 → V(22)
​A(1) + 4 → E(5)
​N(14) + 4 → R(18)
​G(7) + 4 → K(11)
​E(5) + 4 → I(9)

​অনুরূপভাবে,
GRAPES শব্দটির বর্ণগুলো থেকে 4 ধাপ এগিয়ে গেলে KVETIW শব্দটি পাওয়া যায়। অর্থাৎ,

​G(7) + 4 → K(11)
​R(18) +4 → V(24)
​A(1) + 4 → E(5)
​P(16) + 4 → T(20)
​E(5) + 4 → I(9)
​S(19) + 4 → W(23)

অর্থাৎ নির্ণেয় শব্দটি হবে KVETIW

১৬.
যদি 7 + 3 = 410, 3 + 2 = 15, 6 + 5 = 111 হয়, তবে 8 + 4 = ?
  1. 124
  2. 711
  3. 609
  4. 412
সঠিক উত্তর:
412
উত্তর
সঠিক উত্তর:
412
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 7 + 3 = 410, 3 + 2 = 15, 6 + 5 = 111 হয়, তবে 8 + 4 = ?

সমাধান:
এখানে
7 + 3 = 410 ⇒ 7 - 3 = 4, 7 + 3 = 10
3 + 2 = 15 ⇒ 3 - 2 = 1, 3 + 2 = 5
6 + 5 = 111 ⇒ 6 - 5 = 1, 6 + 5 = 11

একইভাবে,
8 - 4 = 4, 8 + 4 = 12
সুতরাং, 8 + 4 = 412

১৭.
A দক্ষিণ দিকে মুখ করে ৪ কি. মি. হাঁটার পর বামদিকে ঘুরল এবং ৫ কি. মি. হাঁটল। আবার ডানদিকে ঘুরে ৮ কি. মি. হাঁটল। এখন যাত্রার স্থান থেকে সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. ১৭ কি.মি.
  2. ২৫ কি.মি.
  3. ১৩ কি.মি.
  4. ১৬ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
১৩ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A দক্ষিণ দিকে মুখ করে ৪ কি. মি. হাঁটার পর বামদিকে ঘুরল এবং ৫ কি. মি. হাঁটল। আবার ডানদিকে ঘুরে ৮ কি. মি. হাঁটল। এখন যাত্রার স্থান থেকে সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:
প্রদত্ত তথ্যগুলোকে চিত্রের মাধ্যমে সাজিয়ে পাই,

এখন, উত্তর-দক্ষিণ দিকে- শুরুতে ৪ কি.মি. দক্ষিণ + পরে আরও ৮ কি.মি. দক্ষিণ = মোট ১২ কি.মি. দক্ষিণ
পূর্ব-পশ্চিম দিকে: শুধু পূর্ব দিকে ৫ কি.মি.

∴ সরাসরি দূরত্ব = √(১২ + ৫) = √(১৪৪ + ২৫)
= √১৬৯
= ১৩ কি.মি.

১৮.
(A) চিত্রটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (A) চিত্রটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

সমাধান:


সুতরাং, সঠিক উত্তর (2) নং

১৯.
কোন ‘হায়া’র অভাবে মানুষ ফাসিক হয়?
  1. হায়া-ই আকলি
  2. হায়া-ই শরঈ
  3. হায়াউল কিরাম
  4. হায়াউল ইসতিহকার
সঠিক উত্তর:
হায়া-ই শরঈ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হায়া-ই শরঈ
ব্যাখ্যা

হায়া বা লজ্জা প্রধানত ৩ প্রকার: হায়া-ই আকলি (এর অভাবে মানুষ পাগল হয়), হায়া-ই শরঈ (এর অভাবে মানুষ ফাসিক হয়) ও হায়া-ই উরফি (এর অভাবে মানুষ বিবেক-বুদ্ধিহীন হয়)।

২০.
সুরা ফাতহের যে আয়াতটি রাসুলে কারিম (সা) এর কাছে পৃথিবীর সবকিছু থেকে প্রিয়—
  1. ২ নং আয়াত
  2. ৫ নং আয়াত
  3. ১৪ নং আয়াত
  4. ১১ নং আয়াত
সঠিক উত্তর:
২ নং আয়াত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং আয়াত
ব্যাখ্যা

আনাস (রা) বলেন: যখন সুরা ফাতহ অবতীর্ণ হয় তখন সাহাবিরা চিন্তিত ও ভারাক্রান্ত অবস্থায় হুদায়বিয়া হতে প্রত্যাবর্তন করছিলেন। তারা হুদায়বিয়াতে কুরবানির পশসমূহ জবাই করেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আমার কাছে এমন একটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে, যা সমস্ত দুনিয়া হতে উত্তম। সেটি হলো সুরা ফাতহের ২ নম্বর আয়াত।

২১.
সুরা হুজুরাতে কারা পরিপক্ব ঈমানদার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন?
  1. যারা কণ্ঠস্বর নিচু করেছে
  2. যারা যুদ্ধ করেছে
  3. যারা হিজরত করেছে
  4. যারা সাদাকাহ দিয়েছে
সঠিক উত্তর:
যারা কণ্ঠস্বর নিচু করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা কণ্ঠস্বর নিচু করেছে
ব্যাখ্যা

“নিশ্চয় যারা আল্লাহর রাসুলের নিকট নিজদের আওয়াজ অবনমিত করে, আল্লাহ তাদেরই অন্তরগুলোকে তাকওয়ার জন্য বাছাই করেছেন, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপ্রতিদান।” (সুরা ‍হুজরাত, আয়াত ৩) সুতরাং, যারা কণ্ঠস্বর নিচু করেছে, তারা পরিপক্ব ঈমানদার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।

২২.
‘فَتَبَيَّنُوا’ শব্দের অর্থ কী?
  1. যাচাই করো
  2. বিশ্বাস করো
  3. প্রত্যাখ্যান করো
  4. সহায়তা করো
সঠিক উত্তর:
যাচাই করো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাচাই করো
ব্যাখ্যা

“হে ঈমানদারগণ, যদি কোন ফাসিক তোমাদের কাছে কোন সংবাদ নিয়ে আসে, তাহলে তোমরা তা যাচাই করে নাও।” সুরা হুজরাতের ৬ নং আয়াতে সংবাদ যাচাই বিষয়ক ইসলামের মূলনীতি বর্ণিত হয়েছে।

২৩.
কিয়ামতের দিন প্রথম কার হিসাব হবে?
  1. ফকিহ
  2. আলিম
  3. শহিদ
  4. হাফেজ
সঠিক উত্তর:
শহিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহিদ
ব্যাখ্যা

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা) বলেছেন, কিয়ামতের দিন প্রথম যার বিচার হবে, সে একজন শহীদ। তাকে আল্লাহর দরবারে হাজির করা হবে। আল্লাহ তাকে তাঁর দেওয়া নিয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দেবেন। সে তা স্মরণ করবে। এর পর আল্লাহ বলবেন, ওই নিয়ামতের বিনিময়ে তুমি কী আমল করে এসেছ? সে বলবে, আমি আপনার সন্তুষ্টির জন্য জিহাদ করে শহীদ হয়েছি। আল্লাহ বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। তুমি আসলে এ জন্য জিহাদ করেছ, যাতে লোকেরা তোমাকে বলে, অমুক একজন বীর পুরুষ। তা–ই বলা হয়েছে। এর পর (ফেরেশতাদের) আদেশ করা হবে, আর তাকে টেনে নিয়ে গিয়ে জাহান্নামে ছুড়ে দেওয়া হবে।

২৪.
তাযির বলতে বোঝায়—
  1. অপরাধীকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া
  2. অপরাধীকে বেত্রাঘাত করা
  3. অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  4. অপরাধের জন্য অনির্ধারিত শাস্তি
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য অনির্ধারিত শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য অনির্ধারিত শাস্তি
ব্যাখ্যা

তাযির এমন অনির্ধারিত শাস্তি যা শরিয়ত নির্ধারণ করেনি। যে সমস্ত গুরুতর অপরাধের শাস্তির পরিমাণের ব্যাপারে কুরআন হাদিসের বক্তব্য সুস্পষ্ট ও নির্ধারিত সে সব শাস্তিকে শরিয়তের পরিভাষায় হদ ও কিসাস বলা হয়। আর তাযির হল সেই সব সাধারণ শাস্তি যা হদ ও কিসাস ব্যতীত অন্যান্য সাধারণ অপরাধের কারণে দেয়া হয়ে থাকে। শরিয়ত তাযিরের কোন পরিমাণ নির্ধারিত করে দেয়নি। এবং এই লঘু অপরাধের শাস্তির ব্যাপারে হাদিসে ক্ষেত্রবিশেষ কিছুটা শিথিলতা এসেছে।

২৫.
যে দাসীর গর্ভে সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, তাকে কী বলে?
  1. উম্মুল আয়মান
  2. উম্মে ওয়ালাদ
  3. উম্মে মালাক
  4. উম্মুল খাদেম
সঠিক উত্তর:
উম্মে ওয়ালাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উম্মে ওয়ালাদ
ব্যাখ্যা

যে দাসীর গর্ভে সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, তাকে “উম্মে ওয়ালাদ” (أمّ ولد) বলে। উম্মে ওয়ালাদকে আর বিক্রি বা উপহার দেওয়া বৈধ নয়। মালিকের মৃত্যুর পর সে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুক্ত হয়ে যায়।

২৬.
হাদিসে জিবরিলে হযরত জিবরাইল (আ) কেন আগমন করেছিলেন?
  1. প্রশ্নের আদব শিক্ষাদানের জন্য
  2. ইমান, ইসলাম, ইহসান ও কিয়ামতের সময় সম্পর্কে জানানোর জন্য
  3. দ্বীন সম্পর্কে জানানোর জন্য
  4. সালাত, রোজা ও যাকাত সম্পর্কে জানানোর জন্য
সঠিক উত্তর:
দ্বীন সম্পর্কে জানানোর জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বীন সম্পর্কে জানানোর জন্য
ব্যাখ্যা

হাদিসে জিবরিলে হযরত জিবরাইল (আ) প্রশ্নোত্তর শেষে চলে গেলে উমর (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, হে উমর! প্রশ্নকারী আগন্তুককে চিনতে পেরেছো? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, ইনি হচ্ছেন জিবরাইল (আ)। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের দীন শিক্ষা দেবার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। (মুসলিম)

২৭.
নিচের কোনটি হযরত আবু হুরায়ারা (রা) এর ইসলাম-পূর্ব নাম নয়?
  1. আব্দুল লাত
  2. আব্দুল উযযা
  3. আবদে শামস
  4. আবদে মানাফ
সঠিক উত্তর:
আবদে মানাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদে মানাফ
ব্যাখ্যা

আবু হুরায়রা (রা)। তার মূল নাম আবদুর রহমান ইবনে সখর। এছাড়াও তিনি উমায়ের বিন আমের, আব্দুল্লাহ বিন সখর নামেও প্রসিদ্ধ। ইসলাম- পূর্ব যুগে তার নাম ছিল- আবদে শামস, আব্দুল লাত, আব্দুল উযযা ইত্যাদি। আবদে মানাফ তার নাম নয়। হিসাব অনুযায়ী, ৫,৩৭৪ টি হাদিস তার কাছ থেকে লিপিবদ্ধ হয়েছে।

২৮.
হযরত আবু হুরায়রা (রা) কত হিজরিতে ইন্তেকাল করেন?
  1. ৫৭
  2. ৬৭
  3. ৬৯
  4. ৭২
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা

আবু হুরায়রা (রা) দক্ষিণ আরবের আযদ গোত্রের সুলায়ম ইবন ফাহাম বংশোদ্ভূত ছিলেন। তাঁর পিতার নাম সাখর এবং মাতার নাম উম্মিয়া বিনতে সফীহ । ৭ম হিজরীতে মুহররম মাসে খায়বর যুদ্ধের প্রাক্কালে মদীনায় ইসলাম গ্রহণ করেন। ৫৭ মতান্তরে ৫৮/৫৯ হিজরীতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

২৯.
সুরা নুরে ঘরে প্রবেশের শিষ্টাচার কোন আয়াতে বলা হয়েছে?
  1. ২৩
  2. ২৭
  3. ১৯
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা

“হে মুমিনগণ, তোমরা নিজদের গৃহ ছাড়া অন্য কারও গৃহে প্রবেশ করো না, যতক্ষণ না তোমরা অনুমতি নেবে এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম দেবে। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।” (সুরা নুর, আয়াত ২৭) সুতরাং, ঘরে প্রবেশের শিষ্টাচার সুরা নুরের ২৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে।

৩০.
সুরা হুজুরাত অনুযায়ী আল্লাহ কেন মানুষকে জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছেন?
  1. পারস্পরিক পরিচয়ের জন্য
  2. যুদ্ধের জন্য
  3. ব্যবসার জন্য
  4. পারস্পরিক নিরাপত্তার জন্য
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক পরিচয়ের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক পরিচয়ের জন্য
ব্যাখ্যা

“হে মানুষ, আমি তোমাদেরকে এক নারী ও এক পুরুষ থেকে সৃষ্টি করেছি আর তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি। যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হতে পার।” (সুরা হুজরাত, আয়াত ১৩)

৩১.
কোন জ্ঞানের উপর দ্বীন নির্ভরশীল?
  1. ইলমুদ্দীন
  2. ইলমুল দুনিয়া
  3. ইলমুল মাবাদি
  4. ইলমুল মাকাসিদ
সঠিক উত্তর:
ইলমুল মাবাদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলমুল মাবাদি
ব্যাখ্যা

ইসলামি পরিভাষায়, ইলমকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: ইলমুদ দুনিয়া (দুনিয়াবি জ্ঞান) এবং ইলমুদ দ্বীন (আখিরাতের বা দ্বীনি জ্ঞান)। দ্বীনি ইলম আবার দুভাগে বিভক্ত: ইলমুল মাবাদি (যে জ্ঞান দ্বীনি জ্ঞানের ভিত্তি) এবং ইলমুল মাকাসিদ (মূল বা শরিয়ত-সম্পর্কিত জ্ঞান)।

৩২.
সুরা ফাতহে সাহাবিদের কোন বিষয়টিকে আল্লাহর নিদর্শন বলা হয়েছে?
  1. কপালের সিজদার দাগ
  2. শ্রমজীবীর ক্লান্তিভাব
  3. চোখে পানি
  4. মুমিনের মুখের হাসি
সঠিক উত্তর:
কপালের সিজদার দাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপালের সিজদার দাগ
ব্যাখ্যা

“তাদের নিদর্শন হচ্ছে, তাদের চেহারায় সিজদার চি‎হ্ন থাকে। এটাই তাওরাতে তাদের দৃষ্টান্ত। আর ইনজীলে তাদের দৃষ্টান্ত হলো একটি চারাগাছের মত, যে তার কঁচিপাতা উদগত করেছে ও শক্ত করেছে, অতঃপর তা পুষ্ট হয়েছে ও স্বীয় কান্ডের উপর মজবুতভাবে দাঁড়িয়েছে, যা চাষীকে আনন্দ দেয়।” (সুরা ফাতহ, আয়াত ২৯)

৩৩.
বনু তামিম গোত্রের কোন ব্যক্তির নাম নেতা হিসেবে হযরত উমর (রা) প্রস্তাব করেন?
  1. কাকা বিন মা’বাদ
  2. সাইদ বিন আস
  3. আকরা বিন হাবেস
  4. আব্বান বিন সাইদ
সঠিক উত্তর:
আকরা বিন হাবেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকরা বিন হাবেস
ব্যাখ্যা

আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন: বনু তামীম গোত্রের একটি কাফিলা (তাদের নেতা নির্বাচনে) নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আগমন করে। আবু বাকর (রা) বললেন: কাকা বিন মাবাদকে তাদের আমীর নিযুক্ত করে দিন। উমর (রা) বললেন: আকরা বিন হাবেসকে নিযুক্ত করে দিন। আবু বকর (রা) বললেন: (হে উমর) তুমি আমার বিরোধিতা করতে চাচ্ছ! উমর (রা) বললেন: আমি আপনার বিরোধিতা করতে চাইনি। এভাবে কথা কাটাকাটি করতে করতে একপর্যায়ে তাদের আওয়াজ উঁচু হয়ে যায়। তখন সুরা হুজরাতের ২ নং আয়াতটি অবতীর্ণ করে মুমিনদেরকে সতর্ক করা হয় তারা যেন রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপস্থিতিতে উঁচু আওয়াজে কথা না বলে।

৩৪.
নিচের কোনটি ‘মুত্তাফাকুন আলাইহি’ হওয়ার শর্ত নয়?
  1. হাদিসটি ইমাম বুখারি ও মুসলিমের মতে বিশুদ্ধ হওয়া
  2. হাদিসটি বুখারি ও মুসলিম গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হওয়া
  3. হাদিসটি সাধারণত একই রাবি কর্তৃক বর্ণিত হওয়া
  4. হাদিসের শব্দাবলি হুবহু একই রকম হওয়া
সঠিক উত্তর:
হাদিসের শব্দাবলি হুবহু একই রকম হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাদিসের শব্দাবলি হুবহু একই রকম হওয়া
ব্যাখ্যা

‘মুত্তাফাকুন আলাইহি’ হওয়ার শর্ত হলো সাধারণত ৩টি: ১। হাদিসটি ইমাম বুখারি ও মুসলিমের মতে বিশুদ্ধ হওয়া, ২। হাদিসটি বুখারি ও মুসলিম গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হওয়া, ৩। হাদিসটি সাধারণত একই রাবি কর্তৃক বর্ণিত হওয়া। তবে ‘হাদিসের শব্দাবলি হুবহু একই রকম হওয়া’ শর্ত হিসেবে পরিগণিত নয়।

৩৫.
সুরা ফাতহের “أَشِدَّاءُ عَلَى الْكُفَّارِ رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ” আয়াতাংশ দ্বারা কাদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. সাহাবিদের
  2. ফেরেশতাদের
  3. মুনাফিকদের
  4. আহলে কিতাবদের
সঠিক উত্তর:
সাহাবিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহাবিদের
ব্যাখ্যা

“মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল এবং তার সাথে যারা আছে তারা কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর; পরস্পরের প্রতি সদয়…।” সুরা ফাতহের ২৯ নং আয়াতের এ অংশে সাহাবিদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে।

৩৬.
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) প্রতিদিনি লোকদেরকে নসিহত করতে অস্বীকৃতি জানান কেন?
  1. ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে
  2. লোকেরা যেন বিরক্ত না হয়
  3. শ্রোতাদের ব্যস্ততার কারণে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লোকেরা যেন বিরক্ত না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকেরা যেন বিরক্ত না হয়
ব্যাখ্যা

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) প্রতিদিনি লোকদেরকে নসিহত করতে অস্বীকৃতি জানান এ কারণে যে, এতে করে লোকেরা বিরক্ত হতে পারে। এজন্য তিনি কেবল সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ১ দিন লোকদের উদ্দেশ্যে নসিহত করতেন।

৩৭.
হযরত আদম (আ) এর পুত্র কাবিল হাবিলকে হত্যা করেছিল কেন?
  1. সম্পত্তির কারণে
  2. বৈবাহিক দ্বন্দ্বে
  3. অসাবধানতাবশত
  4. পারিবারিক কলহে
সঠিক উত্তর:
বৈবাহিক দ্বন্দ্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈবাহিক দ্বন্দ্বে
ব্যাখ্যা

হযরত আদম (আ)-এর পুত্র কাবিল ও হাবিলের ঘটনার মূল কারণ ছিল বিবাহ সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, যেখানে কাবিল হাবিলের যমজ বোনকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ আদম (আ)-কে তাদের যমজ ভাইবোনদের একে অপরের সাথে বিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই নির্দেশ মানতে কাবিল রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ ও ঈর্ষান্বিত হয়ে কাবিল হাবিলকে হত্যা করে।

৩৮.
সুরা হুজরাতের শিক্ষায় ‘ইসলামি আদর্শিক সমাজ’ গঠনের মূল ভিত্তি কী?
  1. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
  2. সামাজিক শিষ্টাচার
  3. তাকওয়া ও পরস্পরের প্রতি সম্মান
  4. রাষ্ট্রীয় আইন
সঠিক উত্তর:
তাকওয়া ও পরস্পরের প্রতি সম্মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকওয়া ও পরস্পরের প্রতি সম্মান
ব্যাখ্যা

হযরত আবু যার (রা) হতে বর্ণিত আছে যে, নবি (সা) তাঁকে বলেন: “তুমি মনে রেখো যে, তুমি লাল ও কালোর কারণে কোন মর্যাদা রাখ না। হ্যাঁ, তবে তুমি মর্যাদা লাভ করতে পার আল্লাহভীরুতার মাধ্যমে।” সুতরাং, ইসলামি আদর্শিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো তাকওয়া।

৩৯.
সূরা আল-ফাতহ নাযিল হয় কত হিজরিতে?
  1. ৪ হিজরি
  2. ৫ হিজরি
  3. ৬ হিজরি
  4. ৭ হিজরি
সঠিক উত্তর:
৬ হিজরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ হিজরি
ব্যাখ্যা

সুরা আল-ফাতহ হিজরি সালের ষষ্ঠ হিজরিতে অবতীর্ণ হয়। এটি মদিনায় অবতীর্ণ একটি সুরা, যা হুদায়বিয়ার চুক্তি সম্পাদনের পর মক্কা থেকে মদীনায় ফেরার পথে রাসুলুল্লাহ (সা)-এর উপর নাযিল হয়।

৪০.
নিচের কোন অবস্থায় সালাম দেওয়া মাকরুহ নয়?
  1. পানাহাররত অবস্থায়
  2. সালাতরত অবস্থায়
  3. যাতায়াতরত অবস্থায়
  4. কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
যাতায়াতরত অবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাতায়াতরত অবস্থায়
ব্যাখ্যা

প্রশ্নে উল্লেখিত পানাহাররত অবস্থায়, সালাতরত অবস্থায় ও কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় সালাম দেওয়া মাকরুহ। তবে যাতায়াতরত অবস্থায় সালাম দেওয়া মাকরুহ নয়।

৪১.
“إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ” এ বাক্যাংশটি কোন সুরায় রয়েছে?
  1. সুরা হুজুরাত
  2. সুরা নূর
  3. সুরা মায়েদা
  4. সুরা বাকারা
সঠিক উত্তর:
সুরা হুজুরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা হুজুরাত
ব্যাখ্যা

“তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়া সম্পন্ন।” এ অংশটি পবিত্র কুরআনের সুরা হুজরাতের ১৩ নং আয়াতে রয়েছে।

৪২.
সুরা ফাতহে মুমিনদের দৃঢ়তাকে বোঝাতে কোন উপমা ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. শক্ত পাথর
  2. শক্তিশালী বৃক্ষ
  3. প্রবাহিত নদী
  4. ঝলমলে আলো
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী বৃক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী বৃক্ষ
ব্যাখ্যা

“তাদের নিদর্শন হচ্ছে, তাদের চেহারায় সিজদার চি‎হ্ন থাকে। এটাই তাওরাতে তাদের দৃষ্টান্ত। আর ইনজীলে তাদের দৃষ্টান্ত হলো একটি চারাগাছের মত, যে তার কঁচিপাতা উদগত করেছে ও শক্ত করেছে, অতঃপর তা পুষ্ট হয়েছে ও স্বীয় কান্ডের উপর মজবুতভাবে দাঁড়িয়েছে, যা চাষীকে আনন্দ দেয়।” (সুরা ফাতহ, আয়াত ২৯)

৪৩.
সুরা হুজুরাতের কোন আয়াতে বেদুইনদের প্রসঙ্গ এসেছে?
  1. আয়াত ১৪
  2. আয়াত ১০
  3. আয়াত ১২
  4. আয়াত ১৬
সঠিক উত্তর:
আয়াত ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়াত ১৪
ব্যাখ্যা

“বেদুঈনরা বলল, আমরা ঈমান আনলাম। বল, তোমরা ঈমান আননি। বরং তোমরা বল, আমরা আত্মসমর্পণ করলাম। আর এখন পর্যন্ত তোমাদের অন্তরে ঈমান প্রবেশ করেনি।” বেদুইনদের প্রসঙ্গটি সুরা হুজরাতের ১৪ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।

৪৪.
মুসলিমরা প্রথম আবিসিনিয়ায় হিজরত করেন-
  1. নবুয়তের পঞ্চম বছর
  2. নবুয়তের ষষ্ঠ বছর
  3. নবুয়তের সপ্তম বছর
  4. নবুয়তের অষ্টম বছর
সঠিক উত্তর:
নবুয়তের পঞ্চম বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবুয়তের পঞ্চম বছর
ব্যাখ্যা

আবিসিনিয়ায় হিজরতের এই ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এতে মুসলিমরা মক্কার নেতাদের নিপীড়ন থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় খুঁজে পায়। প্রথম হিজরত হয় নবুয়তের পঞ্চম বছরে, রজব মাসে। এ সময় মোট ১১ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী হিজরত করেন।

৪৫.
বদর যুদ্ধে শক্রুপক্ষের প্রথম কে নিহত হয়?
  1. আবু জাহাল
  2. উতবা বিন রাবিয়া
  3. আমর বিন হিশাম
  4. আসওয়াদ বিন আব্দুল আসাদ
সঠিক উত্তর:
আসওয়াদ বিন আব্দুল আসাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসওয়াদ বিন আব্দুল আসাদ
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী: কাফিরদের পক্ষ থেকে আসওয়াদ ইবনে আবদুল আসাদ আল-মাখযুমী নামের এক কাফির যোদ্ধা প্রথমে অগ্রসর হয়। তখন হামযা ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রা.) তাঁকে মোকাবিলা করেন এবং তাঁকে হত্যা করেন।

৪৬.
মহানবি (সা) নবুয়তের কোন বছরে মদিনাবাসীর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামের দাওয়াত প্রচার শুরু করেন?
  1. অষ্টম
  2. একাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
একাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাদশ
ব্যাখ্যা

মহানবি (সা) নবুয়তের একাদশ বছরে মদিনাবাসীর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামের দাওয়াত প্রচার শুরু করেন। এটি হিজরতের আগেই সংঘটিত হয়েছিল। হজের সময়ে মদিনা থেকে বিভিন্ন মেয়াদে মানুষজন মক্কায় এসে নবী মুহাম্মদের (সা) সঙ্গে আকাবা নামক স্থানে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা সবাই ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নবীর (সা) সঙ্গে আনুগত্যের চুক্তি বা বাইআত করেন। তাঁরা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার এবং জাহেলিয়া যুগের গোত্রীয় গোঁড়ামি পরিত্যাগ করার অঙ্গীকার করেন। এর মাধ্যমেই মদিনাবাসীর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামের দাওয়াত প্রচার শুরু হয়।

৪৭.
বদরের যুদ্ধে শহিদ প্রথম সাহাবি কে?
  1. উমায়ের ইবনে হামাম (রা)
  2. উবায়দা ইবনে হারিস (রা)
  3. মুসআব ইবনে উমায়ের (রা)
  4. মাহজা ইবনে সালেহ (রা)
সঠিক উত্তর:
মাহজা ইবনে সালেহ (রা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহজা ইবনে সালেহ (রা)
ব্যাখ্যা

বদরের যুদ্ধে মোট ১৪ জন মুসলিম শহীদ হয়েছিলেন, এবং তাদের মধ্যে মাহজা ইবনে সালেহ (রা.) প্রথম শহীদ হন। বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম বড় যুদ্ধ ছিল, যা ২য় হিজরীর ১৭ই রমজান তারিখে সংঘটিত হয়।

৪৮.
রাসুলে কারিম (সা) এর জন্মসালের ভিন্ন নাম কী?
  1. সানাতুল উফুদ
  2. আমুল হুজন
  3. আমুল ফিল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমুল ফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমুল ফিল
ব্যাখ্যা

রাসুলে কারিম (সা.) এর জন্মসালকে হস্তীবর্ষ বা হাতির বছর বলা হয়। এটি ছিল সেই বছর যখন আবরাহা নামক এক রাজা কাবা ঘর ধ্বংস করতে হাতি নিয়ে এসেছিলেন।

৪৯.
রাসুলে কারিম (সা) এর নানার নাম কী?
  1. আবদে মানাফ
  2. ওহাব
  3. আব্দুল মুত্তালিব
  4. হাশিম
সঠিক উত্তর:
ওহাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওহাব
ব্যাখ্যা

রাসুল কারিম (সা.)-এর নানার নাম ছিল ওহাব। তাঁর মায়ের নাম আমেনা এবং মায়ের বাবা অর্থাৎ রাসুল (সা.)-এর নানা ছিলেন ওহাব বিন আব্দে মানাফ।

৫০.
বদর যুদ্ধে ফেরেশতা দিয়ে আল্লাহর সাহায্য করার বিষয়টি কোন ‍সুরায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. সুরা বাকারা
  2. সুরা আনফাল
  3. সুরা তাওবা
  4. সুরা মুহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
সুরা আনফাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা আনফাল
ব্যাখ্যা

বদরের যুদ্ধে ফেরেশতাদের অবতরণ প্রসঙ্গে কুরআনের সুরা আল-আনফাল এর ৯ নম্বর আয়াতে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। সেখানে বলা হয়েছে, “যখন তোমরা তোমাদের রবের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলে, তখন তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, আমি তোমাদের সাহায্য করার জন্য এক হাজার ফেরেশতা পাঠাচ্ছি, যারা একের পর এক আসবে।”

৫১.
মহানবি (সা) কর্তৃক প্রেরিত পত্র কোন শাসক ছিড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলে?
  1. হিরাক্লিয়াস
  2. খসরু পারভেজ
  3. মুকাওকিস
  4. হাওয়া ইবন আলী
সঠিক উত্তর:
খসরু পারভেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খসরু পারভেজ
ব্যাখ্যা

মহানবি (সা) কর্তৃক প্রেরিত পত্র পারস্যের সম্রাট খসরু দ্বিতীয় (দ্বিতীয় খসরু) ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলেছিলেন। তিনি এটাকে তাঁর নিজের ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের প্রতি হুমকি হিসেবে দেখেছিলেন। মহানবি (সা.) কাইসার কিসরার (খসরু পারভেজ) এই অসৌজন্যমূলক আচরণের বিবরণ শুনে ইরশাদ করলেন, ‘আল্লাহ তাআলা তার রাজত্বকে এভাবে ছিন্নবিছিন্ন করে দেবেন।’

৫২.
নিচের কোন ব্যক্তি আকাবার ১ম শপথে উপস্থিত ছিলেন না?
  1. কুতবা বিন আমির
  2. রাফি বিন মালিক
  3. আওফ বিন হারিস
  4. হারিস বিন উমায়ের
সঠিক উত্তর:
হারিস বিন উমায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারিস বিন উমায়ের
ব্যাখ্যা

আকাবার ১ম শপথে উপস্থিত ছিলেন ৬জন ব্যক্তি: কুতবা বিন আমির, রাফি বিন মালিক, আওফ বিন হারিস, জাবির বিন আব্দুল্লাহ, আসাদ বিন যারারাহ, উকবা বিন আমির। সুতরাং, হারিস বিন উমায়ের এই শপথে উপস্থিত ছিলেন না।

৫৩.
হিজরতের রাতে রাসুলে কারিম (সা) কে হত্যার জন্য কতজন যুবককে দায়িত্ব প্রদান করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ১০ জন
  3. ১১ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জন
ব্যাখ্যা

হিজরতের রাতে কুরাইশরা রাসুল (সা.)-কে হত্যার জন্য প্রতিটি গোত্র থেকে একজন যুবক নিয়োগ করেছিল—বিভিন্ন রেওয়ায়েত অনুযায়ী সংখ্যাটি ১১। আবার কেউ কেউ সংখ্যাটি ৪০ বলে উল্লেখ করেছেন।

৫৪.
হুদায়বিয়ার সন্ধি ভঙ্গের ‍মূল কারণ ছিল—
  1. হুনাইন যুদ্ধ
  2. হাওয়াজিন গোত্রের বিশ্বাসঘাতকতা
  3. বানু বকর ও খুজাআ গোত্রের দ্বন্দ্ব
  4. বনু মুস্তালিকের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
বানু বকর ও খুজাআ গোত্রের দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানু বকর ও খুজাআ গোত্রের দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

হুদায়বিয়ার সন্ধি ভঙ্গের মূল কারণ ছিল বনু বকর ও খুজাআ গোত্রের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব ও তাদের একে অপরের উপর আক্রমণ, যা হুদায়বিয়ার চুক্তির শর্তাবলী লঙ্ঘন করে। বনু বকর গোত্র কুরাইশদের সাথে এবং খুজাআ গোত্র মুসলমানদের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল, কিন্তু বনু বকর খুজাআ গোত্রকে আক্রমণ করলে কুরাইশরা তাদের সমর্থন করে, যা চুক্তির পরিপন্থী ছিল।

৫৫.
কোন শহরকে উম্মুল কুরা নামে আখ্যায়িত করা হয়?
  1. মদিনা
  2. মক্কা
  3. দামেশক
  4. বসরা
সঠিক উত্তর:
মক্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কা
ব্যাখ্যা

‘উম্মুল কুরা’ বা ‘সকল বসতির জননী’ বলা হয় সৌদি আরবের মক্কা শহরকে। এটি ইসলামী বিশ্বের একটি পবিত্র শহর এবং মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

​মক্কা শহরকে উম্মুল কুরা বলার কারণ হলো: এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম শহরগুলোর মধ্যে একটি; এটি ইসলামী স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের কেন্দ্র; হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য সারা বিশ্ব থেকে মুসলমানরা এখানে আসে; ইসলাম ধর্মের পবিত্র স্থান কাবা শরীফ এই শহরে অবস্থিত।

৫৬.
হুদায়বিয়ার সন্ধি ছিল মুসলমানদের জন্য এক প্রকারের—
  1. সামরিক জয়
  2. সামাজিক পরাজয়
  3. রাজনৈতিক বিজয়
  4. কৌশলগত বিজয়
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত বিজয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত বিজয়
ব্যাখ্যা

হুদায়বিয়ার সন্ধি মুসলমানদের জন্য এক প্রকারের কৌশলগত বিজয় ছিল। যদিও বাহ্যিকভাবে চুক্তিটি মুসলমানদের জন্য কিছুটা অপমানজনক মনে হয়েছিল, তবে এর ফলে কুরাইশরা প্রথমবারের মতো মদিনার ইসলামী শক্তিকে স্বীকৃতি দেয় এবং মুসলমানদের শান্তি ও নির্বিঘ্নে ইসলামের দাওয়াত প্রচার করার সুযোগ তৈরি হয়, যা অবশেষে মক্কা বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে দেয়।

৫৭.
রাসুল (সা) এর কোন সন্তান শেষে ইন্তেকাল করেন?
  1. কাসিম
  2. রুকাইয়া
  3. ফাতিমা
  4. জয়নাব
সঠিক উত্তর:
ফাতিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাতিমা
ব্যাখ্যা

রাসুল (সা) এর ছেলেরা (কাসিম, আবদুল্লাহ, ইব্রাহীম) শৈশবেই ইন্তেকাল করেন। কন্যাদের মধ্যে জয়নব, রুকাইয়্যা ও উম্মে কুলসুম (রাঃ) রাসুল (সা) এর জীবদ্দশাতেই ইন্তেকাল করেন। ফাতিমা (রাঃ) ছিলেন সবচেয়ে ছোট কন্যা। রাসুল (সা) এর ইন্তেকালের প্রায় ৬ মাস পর (হিজরি ১১ সালে) তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।

৫৮.
তাবুক যুদ্ধে হযরত উসমান (রা) কী কী দান করেছিলেন?
  1. ৯০০ উট ও ১০০ ঘোড়া
  2. ৫০০ উট ও ৫০০ ঘোড়া
  3. ১০০ উট ও ৯০০ ঘোড়া
  4. ৩০০ উট ও ৩০০ ঘোড়া
সঠিক উত্তর:
৯০০ উট ও ১০০ ঘোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০০ উট ও ১০০ ঘোড়া
ব্যাখ্যা

তাবুক যুদ্ধে হযরত উসমান (রা) ৯০০ উট ও ১০০ ঘোড়া দান করেছিলেন। এছাড়া তিনি এক হাজার দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) ও চার হাজার দিরহাম (রৌপ্যমুদ্রা) দান করেছিলেন বলে সিরাত গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে।

৫৯.
ওমর (রা) কোন সুরা শুনে প্রভাবিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন?
  1. সুরা তওবা
  2. সুরা মুদ্দাসসির
  3. সুরা নাস
  4. সুরা ত্বাহা
সঠিক উত্তর:
সুরা ত্বাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা ত্বাহা
ব্যাখ্যা

হযরত ওমর (রা.) সুরা ত্বাহা পাঠ শুনে ইসলাম গ্রহণ করেন, যা তার হৃদয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং এরপর তিনি ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। হযরত ওমর (রা.) ৬১৬ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ইসলাম গ্রহণের পূর্বে ইসলামের ঘোর বিরোধী ছিলেন। কিন্তু সুরা ত্বাহার কিছু আয়াত শ্রবণ করার পর তার হৃদয়ে পরিবর্তন আসে এবং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।

৬০.
২য় গাযওয়ায়ে বদর কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৪র্থ হিজরির শাবান মাসে
  2. ৩য় হিজরির শাবান মাসে
  3. ৪র্থ হিজরির সফর মাসে
  4. ৫ম হিজরির মহররম মাসে
সঠিক উত্তর:
৪র্থ হিজরির শাবান মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ হিজরির শাবান মাসে
ব্যাখ্যা

২য় গাযওয়ায়ে বদর (বদরু সুগরা) অনুষ্ঠিত হয়— হিজরতের ৪র্থ সনের শাবান মাসে। বদর যুদ্ধে মুসলমানদের কাছে পরাজিত হওয়ার পর কুরাইশরা প্রতিশোধের শপথ নেয়। তারা ঘোষণা দেয়, নির্দিষ্ট সময়ে মুসলমানদের সাথে আবার বদরের ময়দানে উপস্থিত হবে। তবে কুরাইশরা ভয়ে মদিনার বাইরে আসেনি। এ কারণে যুদ্ধ না হয়ে, শুধু উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। ইতিহাসে এটিকে বলা হয় ‘গাযওয়ায়ে বদরুস সুগরা’ (ছোট বদর যুদ্ধ)।

৬১.
হুদায়বিয়ার সন্ধিপত্রের শুরুতে লেখা হয় “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”। কুরাইশরা এটি পরিবর্তন করে কী লিখতে বাধ্য করে?
  1. বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা
  2. বিসমিকা আল্লাহুম্মা
  3. বিসমিল্লাহিল আযিম
  4. আল্লাহুম্মা বিসমিকা
সঠিক উত্তর:
বিসমিকা আল্লাহুম্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসমিকা আল্লাহুম্মা
ব্যাখ্যা

হুদায়বিয়ার সন্ধিপত্রের শুরুতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” লিখতে গেলে কুরাইশরা আপত্তি জানায় এবং তাদের পক্ষ থেকে সুহাইল বিন আমর “বিসমিকা আল্লাহুম্মা” লিখতে বলে। রাসুলে কারিম (সা) তার দাবি মেনে নেন।

৬২.
হুদায়বিয়ার সন্ধি অনুযায়ী যদি মক্কা থেকে কেউ মদিনায় হিজরত করে, তবে—
  1. তাকে গ্রহণ করা যাবে
  2. তাকে ফেরত পাঠাতে হবে
  3. তাকে হত্যা করা হবে
  4. তাকে দাস করা হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে ফেরত পাঠাতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে ফেরত পাঠাতে হবে
ব্যাখ্যা

হুদায়বিয়ার সন্ধি অনুযায়ী, মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করা কোনো ব্যক্তিকে (পুরুষ বা মহিলা) তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া মদিনায় গ্রহণ করা হবে না, বরং তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। যদিও সন্ধির পরে কুরাইশদের কোনো ব্যক্তি মদিনায় গেলে তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে, কিন্তু মুসলিম নারী বা পুরুষ মক্কা থেকে মদিনায় আসলে তাকে মুসলিমদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে না।

৬৩.
আবিসিনিয়ার সম্রাট নাজ্জাশির মূল নাম কী ছিল?
  1. আসহাম ইবন আবজার
  2. মিসররাজ মুকাওকিস বিন ইয়ামিন
  3. মুনজির ইবন সাওয়া আল-আমিরি আল উবাদি
  4. জায়ফর ইবন জুলন্দি
সঠিক উত্তর:
আসহাম ইবন আবজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসহাম ইবন আবজার
ব্যাখ্যা

আবিসিনিয়ার সম্রাট নাজ্জাশির মূল নাম ছিল আসহাম (আরবি: أصحمة) ইবন আবজার, যিনি আল-নাজ্জাশি নামেও পরিচিত। তিনি ছিলেন পূর্ব আফ্রিকার আকসুম রাজ্যের রাজা, যা বর্তমান ইথিওপিয়া কেন্দ্রিক ছিল।

৬৪.
কোন ব্যক্তির ১০ জন স্ত্রী থাকায় মহানবি (সা) তাকে চারজন স্ত্রী রেখে বাকীদের মুক্ত করে দেওয়ার আদেশ দেন?
  1. আম্মার ইবনে হুম্মাম
  2. আকরাম ইবনে বুহাইল
  3. গায়লান ইবনে সাকাফি
  4. আসওয়াদ ইবনে আম্মার
সঠিক উত্তর:
গায়লান ইবনে সাকাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গায়লান ইবনে সাকাফি
ব্যাখ্যা

গায়লান ইবনে সালামা আল-সাকাফি যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন তার ১০ জন স্ত্রী ছিলেন। নবি (সা) তাকে এই অবস্থায় চারজন স্ত্রী রাখার অনুমতি দেন এবং বাকিদের মুক্ত করে দিতে বলেন। কারণ, ইসলামে একসাথে ৪ জনের বেশি স্ত্রী রাখা যায় না।

৬৫.
‘নাফকাহ’ শব্দের অর্থ হলো-
  1. পরিবেশ
  2. ভরণপোষণ
  3. প্রতিবেশ
  4. উপার্জন
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণ
ব্যাখ্যা

‘নাফকাহ’ শব্দের অর্থ হলো ভরণপোষণ বা ব্যয়। এটি একটি ইসলামী আইনি পরিভাষা যা একজন স্বামীর তার স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য যে আর্থিক সহায়তা, যেমন খাদ্য, পোশাক এবং বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়, তা বোঝায়।

৬৬.
বিবাহের খুতবায় কোন আয়াতটি সাধারণত পাঠ করা হয়?
  1. সুরা নিসা, আয়াত ০১
  2. সুরা নুর, আয়াত ০১
  3. সুরা বাকার, আয়াত ২২
  4. সুরা আহযাব, আয়াত ৪৪
সঠিক উত্তর:
সুরা নিসা, আয়াত ০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা নিসা, আয়াত ০১
ব্যাখ্যা

বিবাহের খুতবায় সুরা নিসা-র ১নং আয়াত পাঠ করা সুন্নাত। এই আয়াতটিতে আল্লাহকে ভয় করার এবং সঠিক কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা বিয়েতে তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অবলম্বনের গুরুত্ব তুলে ধরে এবং নবদম্পতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

৬৭.
মৃত পুরুষের সন্তান থাকলে স্ত্রী কত অংশ পায়?
  1. ১/৪
  2. ১/৬
  3. ১/৮
  4. ১/২
সঠিক উত্তর:
১/৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৮
ব্যাখ্যা

মৃত পুরুষের সন্তান থাকলে তার স্ত্রী স্বামীর মোট সম্পদের আট ভাগের এক ভাগ (১/৮) অংশ পাবেন, যা ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন অনুসারে নির্ধারিত।

৬৮.
মৃত ব্যক্তি শুধু দাদী রেখে গেলে দাদীর প্রাপ্য কত অংশ?
  1. ১/৬
  2. ১/৩
  3. ১/৮
  4. অবশিষ্ট অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬
ব্যাখ্যা

ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তি শুধু দাদী রেখে গেলে এবং তার পিতা-মাতা বা দাদা জীবিত না থাকলে দাদী সম্পত্তির এক-ষষ্ঠাংশ (১/৬ অংশ) পাবেন। এই অংশটি নির্ধারিত হবে যদি মৃত ব্যক্তির অন্য কোনো ওয়ারিশ, যেমন নানী বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় না থাকে, যারা দাদীর সাথে অংশীদার হতে পারেন।

৬৯.
সমাজে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোকে ইসলামে কী বলা হয়?
  1. তাকওয়া
  2. আমর বিল মা’রুফ ও নাহি আনিল মুনকার
  3. খেলাফত
  4. দাওয়াহ
সঠিক উত্তর:
আমর বিল মা’রুফ ও নাহি আনিল মুনকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমর বিল মা’রুফ ও নাহি আনিল মুনকার
ব্যাখ্যা

সলামে সমাজে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোকে আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকার বলা হয়, যার অর্থ হলো ভালো কাজের আদেশ করা এবং মন্দ বা অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করা। এটি মুসলিমদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দায়িত্ব, যার মাধ্যমে তারা অন্যদের ভালো বা ন্যায়সংগত কাজের জন্য উৎসাহিত করে এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার উপদেশ দেয়। বিধান হিসেবে এটি ফরজে কিফায়া।

৭০.
বাণিজ্য শুল্ক হলো-
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. ব্যয় কর
  4. বিক্রয় কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা

বাণিজ্য শুল্ক বা আমদানি/রপ্তানি শুল্ক হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর, কারণ এটি সরাসরি ব্যক্তির আয় বা সম্পদের উপর আরোপ না করে পণ্য বা সেবার লেনদেনের উপর ধার্য করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে ভোক্তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয়।

৭১.
ইসলামী সমাজে সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারকে কীভাবে দেখা হয়?
  1. বৈধ
  2. হারাম
  3. ঐচ্ছিক
  4. মাকরুহ
সঠিক উত্তর:
হারাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারাম
ব্যাখ্যা

ইসলামী সমাজে সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার অবশ্যই হারাম (নিষিদ্ধ), কারণ ইসলামে সম্পদ ও ক্ষমতাকে আল্লাহর দেওয়া আমানত হিসেবে দেখা হয় এবং এগুলোকে ইনসাফ ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। এগুলোর অপব্যবহার বা অপচয় করলে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে এবং সমাজে অন্যায় ও শোষণ বৃদ্ধি পাবে, যা ইসলামের মূলনীতির পরিপন্থী।

৭২.
ইসলামী সমাজনীতির সর্বশেষ ও চূড়ান্ত লক্ষ্য কী?
  1. রাজনৈতিক আধিপত্য
  2. অর্থনৈতিক উন্নতি
  3. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন
  4. মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন
ব্যাখ্যা

ইসলামী সমাজনীতির সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, যা মুমিনের জীবনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে মুমিন জীবনে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করা, এবং মানুষের সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য না দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৭৩.
সকল সদাচারের কেন্দ্রীয় উৎস কোনটি?
  1. ইমান
  2. ইসলাম
  3. ইহসান
  4. তাকওয়া
সঠিক উত্তর:
তাকওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকওয়া
ব্যাখ্যা

সকল সদাচারের কেন্দ্রবিন্দু হলো তাকওয়া, কারণ তাকওয়া হলো আল্লাহভীতি ও মননশীলতার এক বিশেষ অবস্থা, যা মানুষকে সব ধরনের অন্যায় ও মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকতে এবং সকল ভালো কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে। তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে মানুষ নিজের আত্মিক ও শারীরিক উন্নতি সাধন করতে পারে এবং একটি সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৭৪.
ইসলামে অপরাধ প্রমাণের প্রধান ভিত্তি কী?
  1. সাক্ষ্য
  2. অনুমান
  3. খলিফার অনুশাসন
  4. সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

ইসলামে অপরাধ প্রমাণের প্রধান ভিত্তি হলো সাক্ষ্য, যা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে নির্ধারিত হয়। সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে বিবাদীর অপরাধ প্রমাণের পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া একটি জঘন্য অপরাধ, যা ব্যক্তিকে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন করে। নির্ভরযোগ্য ও সত্য সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই বিচার সম্পন্ন হয় এবং এটি ইসলামি বিচার ব্যবস্থার মূল ভিত্তি।

৭৫.
কুরআনের কতটি সুরায় জাকাতের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩২
  2. ১৯
  3. ৮২
  4. ৬২
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা

কুরআন মাজিদের ১৯টি ভিন্ন সুরায় যাকাতের আলোচনা এসেছে। আল্লাহ তায়ালা এসব সুরায় যাকাতকে ঈমান ও সালাতের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, যাকাত কেবল একটি আর্থিক ইবাদত নয়; বরং ইসলামী সমাজব্যবস্থা ও দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ বিধান। তবে প্রসিদ্ধ মত অনুসারে কুরআনে ৮২ বার আলোচনা হয়েছে যাকাত নিয়ে।

৭৬.
বহুজাতিক রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম সোপান কোনটি?
  1. মদিনা সনদ
  2. হুদায়বিয়ার চুক্তি
  3. ম্যাগনাকার্টা
  4. বিদায় হজের ভাষণ
সঠিক উত্তর:
মদিনা সনদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মদিনা সনদ
ব্যাখ্যা

বহুজাতিক রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম সোপান হিসেবে মদিনা সনদকে বিবেচনা করা হয়, কারণ এটি ছিল বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান যা বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি এবং সাম্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই সনদটি মদিনার বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে ঐক্য ও সুশাসন নিশ্চিত করে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করে।

৭৭.
নিচের কোনটি ইসলামি রাষ্ট্রের কূটনীতির একটি প্রধান উদ্দেশ্য?
  1. শান্তি ও সহযোগিতা
  2. রাজনীতি প্রভাব বিস্তার
  3. যুদ্ধ জয়
  4. অর্থনীতি প্রসার
সঠিক উত্তর:
শান্তি ও সহযোগিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তি ও সহযোগিতা
ব্যাখ্যা

ইসলামি রাষ্ট্রের কূটনীতির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা। ইসলামি আদর্শে শান্তি, মানবতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয় এবং এই নীতির আলোকেই ইসলামি রাষ্ট্রগুলো অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

৭৮.
মিথ্যা কসম দিয়ে পণ্য বিক্রি করা—
  1. হারাম
  2. জায়েজ
  3. শর্তসাপেক্ষে জায়েজ
  4. মাকরুহ
সঠিক উত্তর:
হারাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারাম
ব্যাখ্যা

মিথ্যা কসম দিয়ে পণ্য বিক্রি করা ইসলামে হারাম এবং এটি বড় গুনাহ। নবি কারিম (সা) ইরশাদ করেছেন— “বিক্রেতার মিথ্যা কসম পণ্যকে বিক্রি করে দেয় বটে, কিন্তু বরকতকে ধ্বংস করে দেয়।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম) অতএব, মিথ্যা শপথ শুধু ক্রেতাকে প্রতারিত করে না, বরং ব্যবসার বরকতও নষ্ট করে দেয়।

৭৯.
নিচের কোনটি ওয়াজিব সাদাকার উদাহরণ?
  1. যাকাত
  2. সাদাকাতুল ফিতর
  3. মান্নতের সাদাকাহ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

প্রশ্নে উল্লেখিত ৩টি অপশনই ওয়াজিব সাদাকার উদাহরণ। যাকাত যদিও ফরজ, তবু প্রাথমিকভাবে এটি ওয়াজিব সাদাকার অন্তর্ভূক্ত। আর সাধারণ দান হলো নফল সাদাকাহ।

৮০.
তাকাফুলের মূল লক্ষ্য কী?
  1. শেয়ারহোল্ডারের মুনাফা বৃদ্ধি
  2. সমাজে ঝুঁকি ভাগাভাগি
  3. বৈধ পদ্ধতিতে সুদী লেনদেন
  4. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
সমাজে ঝুঁকি ভাগাভাগি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজে ঝুঁকি ভাগাভাগি
ব্যাখ্যা

তাকাফুলের মূল লক্ষ্যই হলো সমাজে পারস্পরিক সাহায্য ও ঝুঁকি ভাগাভাগি করা। এটি একটি শরীয়াহ-সম্মত বীমা পদ্ধতি যেখানে অংশগ্রহণকারীরা একটি নির্দিষ্ট ক্ষতির বিরুদ্ধে একে অপরকে আর্থিক নিশ্চয়তা প্রদানে সম্মত হয় এবং একটি সাধারণ তহবিলে অর্থ জমা করে। এই তহবিল থেকে, কোনো সদস্য ক্ষতির সম্মুখীন হলে তাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়, যা একে অপরের প্রতি দায় ও সহযোগিতার নীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।

৮১.
নিচের কোনটি সুদের বিকল্প ব্যবস্থা নয়?
  1. মুদারাবা
  2. মুশারাকা
  3. বাই-মুআজ্জাল
  4. রিবা
সঠিক উত্তর:
রিবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিবা
ব্যাখ্যা

মুদারাবা, মুশারাকা, বাই-মুআজ্জাল ইত্যাদি সুদের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃত। এগুলো হালাল পদ্ধতি। অন্যদিকে সুদ হারাম। আর রিবা হলো সুদ এর আরবি প্রতিশব্দ।

৮২.
বিনাযুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনের নীতি কোথায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. সুরা আনফাল, আয়াত ০১
  2. সুরা আনফাল, আয়াত ৪১
  3. সুরা মায়িদা, আয়াত ৪১
  4. সুরা আরাফ, আয়াত ৩৭
সঠিক উত্তর:
সুরা আনফাল, আয়াত ০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরা আনফাল, আয়াত ০১
ব্যাখ্যা

বিনাযুদ্ধলব্ধ সম্পদ অর্থাৎ ‘ফাই’ বণ্টনের নীতি পবিত্র কুরআনের সুরা আনফাল, আয়াত ০১ এ বর্ণিত হয়েছে। অন্যদিকে গনিমতের সম্পদ বণ্টননীতি পবিত্র কুরআনের সুরা আনফাল, আয়াত ৪১ এ বর্ণিত হয়েছে।

৮৩.
‘উলুল আমর’ বলতে কাদের বোঝায়?
  1. শাসক ও আলেম
  2. মজলিসে শুরার সদস্য
  3. মন্ত্রিপরিষদ
  4. হাফেজ
সঠিক উত্তর:
শাসক ও আলেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসক ও আলেম
ব্যাখ্যা

'উলুল আমর' বলতে বোঝানো হয় যাদের হাতে কোনো বিষয়ের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অর্পিত থাকে, এবং এটি দ্বারা শাসক ও আলেম উভয়কেই বোঝানো যেতে পারে, কারণ কিছু ব্যাখ্যায় শাসকগোষ্ঠীকে এবং অন্য ব্যাখ্যায় শরিয়তের আলেম ও ফকিহদেরকে বোঝানো হয়েছে।

৮৪.
যাকাত গ্রহণ করা কার জন্য হারাম?
  1. নবি বংশ
  2. অভিজাত বংশ
  3. ঋণগ্রস্ত
  4. ব্যবসায়ী
সঠিক উত্তর:
নবি বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবি বংশ
ব্যাখ্যা

যাকাত গ্রহণ করা হারাম এমন ব্যক্তিরা হলেন - ধনী ব্যক্তি, আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ব্যক্তি, যারা যাকাতের নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক এবং নবি বংশ। নবি বংশের জন্য যাকাত গ্রহণ হারাম হওয়ার মূল কারণ হলো সম্মান।

৮৫.
ইসলামে ‘মুশারাকা’ কী?
  1. মূলধন যৌথভাবে বিনিয়োগ
  2. ঋণ নেওয়া
  3. ইজারা দেওয়া
  4. অগ্রিম যাকাত দেওয়া
সঠিক উত্তর:
মূলধন যৌথভাবে বিনিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলধন যৌথভাবে বিনিয়োগ
ব্যাখ্যা

ইসলামে মুশারাকা হলো একটি শরিয়াহ-সম্মত অংশীদারিত্বমূলক ব্যবস্থা, যেখানে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একটি ব্যবসায় মূলধন বা শ্রম একত্রিত করে এবং সেই অনুযায়ী লাভ-ক্ষতি ভাগ করে নেয়। এই পদ্ধতিতে অংশীদাররা তাদের বিনিয়োগকৃত মূলধন বা শ্রমের অনুপাতের ভিত্তিতে লাভ ও ক্ষতি ভাগ করে, যা সুদকে পরিহার করে একটি হালাল আর্থিক লেনদেনের সুযোগ করে দেয়।

৮৬.
ইসলামের সমাজনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. ধন-সম্পদের সুষম বণ্টন
  2. ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা
  3. শ্রেণিবৈষম্য স্পষ্টীকরণ
  4. বর্ণব্যবস্থা সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
ধন-সম্পদের সুষম বণ্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধন-সম্পদের সুষম বণ্টন
ব্যাখ্যা

ইসলামের সমাজনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ধন-সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা, যা সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে আনে, অভাব-অনটন দূর করে, এবং সামগ্রিকভাবে জনকল্যাণ ও স্থিতিশীলতা বয়ে আনে। এই লক্ষ্যে যাকাত, সাদকাহ, এবং গণীমতের মাল বণ্টনের মতো বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, যা সম্পদকে মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে জমা হতে বাধা দেয় এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।

৮৭.
ইসলামি রাষ্ট্রে সর্বোচ্চ আইন কোনটি?
  1. কুরআন ও সুন্নাহ
  2. সংবিধান
  3. ইজমা ও কিয়াস
  4. মজলিসে শুরা ও খলিফার অনুশাসন
সঠিক উত্তর:
কুরআন ও সুন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরআন ও সুন্নাহ
ব্যাখ্যা

ইসলামী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো আল্লাহ প্রদত্ত কুরআন এবং নবী মুহাম্মদের (সা) সুন্নাহ বা হাদিস, যা শরিয়াহ নামে পরিচিত। এই শরিয়াহ-ভিত্তিক আইন ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের প্রতীক। যদিও আধুনিক যুগে মানুষের তৈরি আইন প্রচলিত আছে, তবে ইসলামী রাষ্ট্রে শরিয়াহর আইনগুলোই চূড়ান্ত এবং সর্বোচ্চ।

৮৮.
ইসলামে ভোগ নিয়ন্ত্রণের মূলনীতি কী?
  1. সংযম
  2. বিলাসিতা
  3. কৃপণতা
  4. মিতব্যয়িতা
সঠিক উত্তর:
সংযম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযম
ব্যাখ্যা

ইসলামে ভোগ নিয়ন্ত্রণের মূলনীতি হলো সংযম (মধ্যমপন্থা), যা অপচয় (ইসরাফ) এড়িয়ে চলা এবং হালাল ও বৈধ পন্থায় সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণ সাধনকে বোঝায়। এটি কেবল পরিমিত ভোগকেই উৎসাহিত করে না, বরং অপচয় ও অপব্যবহার থেকে বিরত থাকার উপরও জোর দেয়।

৮৯.
ইসলামি সমাজে অনৈতিকতা রোধের জন্য কোন প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে?
  1. মাদরাসা
  2. পরিবার
  3. আদালত
  4. মক্তব
সঠিক উত্তর:
পরিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবার
ব্যাখ্যা

ইসলামি সমাজে অনৈতিকতা রোধে পরিবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ পরিবারই প্রথম সামাজিক প্রতিষ্ঠান যেখানে ব্যক্তি নীতি ও নৈতিকতা শেখে, ধর্মীয় মূল্যবোধ ধারণ করে এবং সামাজিক রীতিনীতি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা লাভ করে। একটি আদর্শ পরিবার ইসলামি মূল্যবোধ ও নৈতিকতার ভিত্তি স্থাপন করে, যা সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অপরিহার্য।

৯০.
সম্পদের অপব্যয়কে কী বলা হয়?
  1. ইসরাফ
  2. রিবা
  3. মুবাজজিরিন
  4. কিসাস
সঠিক উত্তর:
ইসরাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাফ
ব্যাখ্যা

সম্পদের অপচয়কে আরবিতে ইসরাফ (إسراف) বলা হয়, যার আক্ষরিক অর্থ হলো সীমালঙ্ঘন, অপচয়, বাড়াবাড়ি বা মাত্রাতিরিক্ততা। ইসলামী পরিভাষায়, যা প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং অন্যায়ভাবে সম্পদ ব্যয় করাকে বোঝায়, তাই ইসরাফ।

৯১.
সাদাকাতুল ফিতর আদায়ের সময়সীমা কখন পর্যন্ত?
  1. ঈদের নামাজের আগে
  2. রমজানের শুরুতে
  3. ঈদের আগের দিন
  4. ২৭ রমজান
সঠিক উত্তর:
ঈদের নামাজের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈদের নামাজের আগে
ব্যাখ্যা

সাদাকাতুল ফিতর আদায়ের সর্বশেষ সময় হলো ঈদুল ফিতরের নামাজ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত। তবে, ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার পর থেকে ঈদের নামাজে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ফিতরা আদায় করা উত্তম।

৯২.
ইসলামি বিচার ব্যবস্থার মূলনীতি কোনটি?
  1. সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা
  2. নিরপেক্ষতা ও ন্যায়
  3. সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত
  4. আর্থিক অবকাঠামো
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষতা ও ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষতা ও ন্যায়
ব্যাখ্যা

ইসলামি বিচার ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো ন্যায়পরায়ণতা (আদল বা ইনসাফ) এবং নিরপেক্ষতা, যা পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই বিচার ব্যবস্থা সকল মানুষের প্রতি কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব না করে সমানভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, এবং সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৯৩.
ইসলামী রাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কী?
  1. আল্লাহর সার্বভৌমত্ব
  2. জনগণের সার্বভৌমত্ব
  3. আল্লাহর মালিকানা
  4. সুশাসন
সঠিক উত্তর:
আল্লাহর সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্লাহর সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা

ইসলামী রাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, যার অর্থ হলো চূড়ান্ত ক্ষমতা ও সার্বভৌমত্বের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ। ইসলামী রাষ্ট্র ‘আল্লাহর সার্বভৌমত্বের’ উপর প্রতিষ্ঠিত, এবং তাঁরই নির্ধারিত বিধান (কুরআন ও সুন্নাহ) আইন প্রণয়নের মৌলিক উৎস হিসেবে কাজ করে। এই ব্যবস্থায়, মানুষ আল্লাহর দেওয়া সীমিত ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব ভোগ করে, যা তাঁরই ইচ্ছার প্রতি আনুগত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

৯৪.
মানবাধিকারকে কেন ‘সহজাত’ বলা হয়?
  1. কারণ রাষ্ট্র তা প্রদান করতে বাধ্য
  2. কারণ সমাজ তা নির্ধারণ করে থাকে
  3. কারণ জন্মগতভাবে এটি অর্জিত অধিকার
  4. কারণ এটি সর্বজনীন
সঠিক উত্তর:
কারণ জন্মগতভাবে এটি অর্জিত অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ জন্মগতভাবে এটি অর্জিত অধিকার
ব্যাখ্যা

মানবাধিকারকে ‘সহজাত’ বলার কারণ এটি মানবসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং জন্মগত অধিকার, যা কোনো ব্যক্তি অর্জন করে না, বরং মানুষ হিসেবে জন্ম নেওয়া মাত্রই লাভ করে। এই অধিকারগুলো প্রকৃতির সৃষ্টি, কোনো সরকার বা আইন দ্বারা প্রদত্ত নয়, তাই এগুলো অন্য কোনো সত্তা কেড়ে নিতে পারে না এবং এগুলো মানুষের অস্তিত্বের সাথেই জড়িত।

৯৫.
অমুসলিম রাষ্ট্রে আগত মুসলিম নাগরিকদের কী বলা হয়?
  1. মাওলা
  2. জিম্মি
  3. মুহাজির
  4. আহলুল কিতাব
সঠিক উত্তর:
মুহাজির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাজির
ব্যাখ্যা

অমুসলিম রাষ্ট্রে বসবাসকারী মুসলিম নাগরিকদের মুহাজির বলে, বিশেষ করে যখন তারা মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে হিজরত (অভিবাসন) করে আসে। ‘মুহাজির’ শব্দটি আরবি থেকে উদ্ভূত এবং এটি সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বসতি স্থাপন করেন, বিশেষ করে ধর্মীয় কারণে।

৯৬.
ইসলামে দাসমুক্তির একটি বাধ্যতামূলক ক্ষেত্র কোনটি?
  1. হজ পালন
  2. কসম ভঙ্গ
  3. যাকাত প্রদান
  4. রোজা রাখা
সঠিক উত্তর:
কসম ভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসম ভঙ্গ
ব্যাখ্যা

ইসলামে কসম ভঙ্গের কাফফারার জন্য একটি উত্তম বিকল্প হলো একজন মুমিন গোলামকে মুক্ত করা। তবে, কসমের কাফফারা হিসেবে দাসমুক্তির এই বিধানটি বর্তমানে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হওয়ার কারণে কার্যকর নয়। তাই কসম ভঙ্গের কাফফারা হিসেবে দশজন মিসকিনকে খাবার দেওয়া, পরিধেয় বস্ত্র দান করা অথবা তিন দিন সিয়াম (রোজা) রাখা প্রযোজ্য।

৯৭.
ইসলামে যুদ্ধবন্দি হত্যার বিধান কার ওপর নির্ভরশীল?
  1. রাষ্ট্রপ্রধানের সিদ্ধান্ত
  2. জনগণের ভোট
  3. মন্ত্রিপরিষদের পরামর্শ
  4. বন্দিদের সম্মতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপ্রধানের সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপ্রধানের সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা

ইসলামে যুদ্ধবন্দির জীবন ও মর্যাদা সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহর শাস্ত্র অনুযায়ী সীমাবদ্ধ। যুদ্ধবন্দিকে হত্যা বা নির্যাতনের অনুমতি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধানের বিবেচনাধীন বিষয়। তবে ইসলামে রাষ্ট্রপ্রধানের সিদ্ধান্তও শর্তসাপেক্ষ, কিন্তু আল্লাহর বিধান বিরোধী হতে পারবে না।

৯৮.
কুরআনের মোট আয়াত সংখ্যা কত?
  1. ৬৬৬৬
  2. ৬২৬৬
  3. ৬২৩৬
  4. ৬৩৪৮
সঠিক উত্তর:
৬২৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২৩৬
ব্যাখ্যা

কুরআনে মোট আয়াত সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও, সবচেয়ে প্রচলিত ও নির্ভরযোগ্য মতে ৬,২৩৬টি আয়াত রয়েছে। কেউ কেউ ৬,৬৬৬টিও উল্লেখ করেন, তবে এটি তেমন নির্ভরযোগ্য নয়।

৯৯.
নিচের কোনটি পবিত্র কুরআনের গুণবাচক নাম?
  1. আল-কিতাব
  2. আন-নুর
  3. আল-ফুরকান
  4. আল-বায়ান
সঠিক উত্তর:
আল-বায়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল-বায়ান
ব্যাখ্যা

পবিত্র কুরআনে অন্যান্য মূল নাম হলো- আল-কিতাব, আন-নুর, আল-ফুরকান, তানঝিল, শিফা, হুদা ইত্যাদি। এছাড়া কুরআনের গুণবাচক নাম রয়েছে কমবেশি ৫৫টি। তারমধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য নাম হলো আল-বায়ান।

১০০.
হিন্দু ধর্মমতে জন্মান্তরবাদ বলতে বোঝায়—
  1. মৃত্যুর পর আত্মার মুক্তি ঘটে এবং এটি নতুন কোনো জীবদেহে প্রবেশ করে
  2. জীবের ভালো বা মন্দ কর্মের ফল ভোগ করার জন্য তাকে বারবার জন্ম নিতে হয়
  3. দেহ মরণশীল হলেও, আত্মা চিরস্থায়ী
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

হিন্দু ধর্মে জন্মান্তরবাদ বা পুনর্জন্ম বলতে বোঝায় যে, জীবাত্মা মৃত্যুর পর এক দেহ ত্যাগ করে তার কর্মফল ভোগ করার জন্য অন্য কোনো প্রাণীর দেহে (মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণী) জন্মগ্রহণ করে। এটি জন্ম, মৃত্যু এবং পুনর্জন্মের একটি চিরন্তন চক্র, যেখানে আত্মার অ-ভৌত সারাংশ একটি নতুন জীবনকাল শুরু করে।

মূল ধারণাগুলো হলো-

আত্মার স্থানান্তর: মৃত্যুর পর আত্মার মুক্তি ঘটে এবং এটি নতুন কোনো জীবদেহে প্রবেশ করে।

কর্মফল: জীবের ভালো বা মন্দ কর্মের ফল ভোগ করার জন্য তাকে বারবার জন্ম নিতে হয়।

জন্ম ও মৃত্যুর চক্র: এটি একটি চক্রাকার প্রক্রিয়া, যেখানে মৃত্যুর পর আবার জন্ম হয় এবং এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

বিভিন্ন রূপ: আত্মা মানুষ বা অন্য যেকোনো প্রাণীরূপে reborn হতে পারে, তার পূর্বের কর্মের ওপর নির্ভর করে।

আত্মার অমরত্ব: দেহ মরণশীল হলেও, আত্মা চিরস্থায়ী এবং এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তরিত হয়।

সংক্ষেপে, জন্মান্তরবাদ হলো হিন্দুধর্মের একটি মৌলিক বিশ্বাস, যা বোঝায় যে জীবন একবারের জন্য শেষ হয় না, বরং এটি জন্ম, মৃত্যু এবং পুনর্জন্মের একটি অবিরাম প্রক্রিয়া, যা কর্মের ফলস্বরূপ ঘটে থাকে।

১০১.
নিচের কোনটি বৌদ্ধধর্মের অষ্টাঙ্গিক মার্গ নয়?
  1. সম্যক সংকল্প
  2. সম্যক আজীব
  3. সম্যক কর্মান্ত
  4. সম্যক অশেষ
সঠিক উত্তর:
সম্যক অশেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্যক অশেষ
ব্যাখ্যা

যে পথ অনুসরণ করলে দুঃখ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় তাকে অষ্টাঙ্গিক মার্গ বলা হয়। সেগুলো হলো- সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক, সম্যক কর্মান্ত, সম্যক আজীব, সম্যক ব্যায়াম, সম্যক স্মৃতি, সম্যক সমাধি। সুতরাং সম্যক অশেষ অষ্টাঙ্গিক মার্গ এর অন্তর্ভূক্ত নয়।

১০২.
যীশু আত্মগোপন অবস্থা থেকে কার বিশ্বাসঘাতকতায় বন্দি হন?
  1. সাইমন
  2. পিটার
  3. জুডাস
  4. ফিলিপ
সঠিক উত্তর:
জুডাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডাস
ব্যাখ্যা

যীশু জুডাস ইসকারিওট নামক শিষ্যের বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে বন্দি হন। জুডাস যিশুর ১২ জন শিষ্যের একজন ছিলেন এবং তিনি অর্থের বিনিময়ে বা দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে যিশুকে কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন বলে বিভিন্ন ব্যাখ্যা আছে।

১০৩.
আল-খাওয়ারিজমির কাজ কোন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে?
  1. কম্পিউটার বিজ্ঞান
  2. চিকিৎসা
  3. জ্যোতির্বিদ্যা
  4. স্থাপত্য
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার বিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

আল-খাওয়ারিজমির কাজ কম্পিউটার বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, কারণ ‘অ্যালগরিদম’ শব্দটি তার নামের ল্যাটিন রূপ থেকে এসেছে, যা হিন্দু-আরবি সংখ্যা ব্যবহার করে গাণিতিক হিসাবের কৌশলকে বোঝায় এবং এই ধারণা কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তিনি বীজগণিতকে একটি স্বতন্ত্র ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং আধুনিক কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় গাণিতিক ধারণাগুলির ভিত্তি স্থাপন করেন।

১০৪.
মুসলিম চিকিৎসকরা কোন পদ্ধতি ব্যবহার করতেন রোগ নির্ণয়ের জন্য?
  1. পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা
  2. প্রার্থনা
  3. ধ্যান
  4. মানসিক অনুমান
সঠিক উত্তর:
পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা
ব্যাখ্যা

মুসলিম চিকিৎসকরা রোগ নির্ণয়ে পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা এবং বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। তারা সাধারণত রোগীর উপসর্গ, শারীরিক চিহ্ন এবং রোগের প্রগতি মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা করতেন।

১০৫.
মুসলিম গণিতবিদরা কোন সংখ্যার উপর গবেষণা করেছিলেন?
  1. দশমিক
  2. অজ্ঞাত সংখ্যা
  3. ভগ্নাংশ
  4. সূচক
সঠিক উত্তর:
দশমিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশমিক
ব্যাখ্যা

মুসলিম গণিতবিদরা, বিশেষ করে আল-খাওয়ারিজমি, দশমিক সংখ্যার উপর গবেষণা করেছিলেন এবং এর মাধ্যমে হিন্দু-আরবি সংখ্যা পদ্ধতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আল-খাওয়ারিজমি তার পাটিগণিত বিষয়ক বইয়ের মাধ্যমে দশমিক সংখ্যা ব্যবস্থা এবং অ্যালগরিদম-এর ধারণা ইউরোপে পরিচিত করান, যা আধুনিক গণিতের ভিত্তি স্থাপন করে।

১০৬.
নিচের কোনটি ঋগ্বেদ এর ৪টি স্তরের অন্তর্ভূক্ত নয়?
  1. যাজ্ঞবক্ষ
  2. আরণ্যক
  3. ব্রাহ্মণ
  4. উপনিষদ
সঠিক উত্তর:
যাজ্ঞবক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাজ্ঞবক্ষ
ব্যাখ্যা

ঋগ্বেদ গ্রন্থের চারটি স্তর হল সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ। এর মধ্যে সংহিতা অংশটি মূল এবং এটি মূলত স্তোত্র বা সূক্তের সমষ্টি, যেখানে ঋষিদের মন্ত্র ও প্রার্থনা লিপিবদ্ধ আছে। সুতরাং, যাজ্ঞবক্ষ ঋগ্বেদ এর ৪টি স্তরের অন্তর্ভূক্ত নয়।

১০৭.
কথায় জড়তার কারণে আল্লাহ তায়ালা কোন নবিকে হযরত মুসা (আ) এর সঙ্গী করে দেন?
  1. হযরত দাউদ (আ)
  2. হযরত হারুন (আ)
  3. হযরত ইদ্রিস (আ)
  4. হযরত সোলাইমান (আ)
সঠিক উত্তর:
হযরত হারুন (আ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হযরত হারুন (আ)
ব্যাখ্যা

কথার জড়তা বা তোতলামির সমস্যার কারণে আল্লাহ তায়ালা হযরত মুসা (আ.)-এর সাথে তাঁর ভাই হযরত হারুন (আ.)-কে তাঁর সঙ্গী করে দিয়েছিলেন, যাতে তিনি ফেরাউনের কাছে স্পষ্ট ভাষায় আল্লাহর বার্তা পৌঁছাতে পারেন এবং মুসা (আ.)-এর দুর্বলতা পূরণ হয়।

১০৮.
নিচের কোন ধর্মটি মূলত একত্ববাদে বিশ্বাসী নয়?
  1. হিন্দুত্ববাদ
  2. ইহুদি
  3. ইসলাম
  4. খ্রিস্টান
সঠিক উত্তর:
হিন্দুত্ববাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দুত্ববাদ
ব্যাখ্যা

হিন্দুত্ববাদ বা হিন্দু ধর্ম মৌলিকভাবে একত্ববাদে বিশ্বাসী নয়, বরং এটি বহুত্ববাদী প্রথা এবং দার্শনিক বৈচিত্র্যের সমন্বয়। হিন্দুধর্মে একাধিক দেবতা ও দেবীকে পূজা করা হয়, এবং বিভিন্ন দর্শনশাস্ত্রে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, দেবী ইত্যাদিকে আলাদা আলাদা দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হয়।

১০৯.
কৃত্রিম দাঁত সংযোজনের প্রথম উদাহরণ দেন—
  1. আল রাজি
  2. আল জাহরাভি
  3. আলি আল মাওসুলি
  4. ইবনে সিনা
সঠিক উত্তর:
আল জাহরাভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল জাহরাভি
ব্যাখ্যা

আল-জাহরাভি (৯৩৬-১০১৩ খ্রিষ্টাব্দ) কৃত্রিম দাঁত সংযোজনের প্রথম উদাহরণ দেন, যখন তিনি হাতির দাঁতের তৈরি কৃত্রিম দাঁত ব্যবহারের বর্ণনা দিয়েছিলেন, যা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে সংযোজনের প্রথম ম্যাক্সিলোফেসিয়াল প্রস্থেসিস ছিল। আল-জাহরাভি ছিলেন একজন আরব মুসলিম সার্জন, যিনি মধ্যযুগে একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী চিকিৎসাবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার প্রধান অবদান ছিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে প্রস্থেটিক ডিভাইস তৈরি ও ব্যবহার করা, যার মধ্যে কৃত্রিম দাঁতও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

১১০.
ইসলামে ‘নিপীড়িতদের সাহায্য প্রাপ্তি’ কোন অধিকারের অংশ?
  1. অর্থনৈতিক অধিকার
  2. রাজনৈতিক অধিকার
  3. সাংস্কৃতিক অধিকার
  4. সামাজিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক অধিকার
ব্যাখ্যা

ইসলামে ‘নিপীড়িতদের সাহায্য প্রাপ্তি’ হলো রাজনৈতিক অধিকারের অংশ, বিশেষ করে ন্যায় ও নিরাপত্তা অধিকারের সঙ্গে যুক্ত। কুরআন ও হাদিসে নির্দেশিত রয়েছে যে, কেউ যদি নিপীড়িত হয় বা অন্যায়ভাবে তার অধিকার হরণ করা হয়, তাহলে সে ইসলামী রাষ্ট্র ও সমাজে ন্যায় ও সহায়তা প্রাপ্তির অধিকার রাখে, যাতে তার অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

১১১.
কোন মুসলিম বিজ্ঞানীর চিন্তাধারা আধুনিক অর্থে ইউরোপে রেনেসাঁয় সহায়তা করেছিল?
  1. ইবনে রুশদ
  2. আলি আত তাবারি
  3. আল রাজি
  4. আল জাহরাভি
সঠিক উত্তর:
ইবনে রুশদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে রুশদ
ব্যাখ্যা

ইবনে রুশদের অ্যারিস্টটল-এর দর্শনের ব্যাখ্যা ও যুক্তিবাদ-এর ওপর জোর দেওয়া চিন্তাধারা ইউরোপের রেনেসাঁসকে আধুনিক অর্থে সহায়তা করেছিল। মধ্যযুগের খ্রিস্টান-কেন্দ্রিক ও পরকালমুখী চিন্তাধারার বিপরীতে ইবনে রুশদের যুক্তিনির্ভর এবং মানবকেন্দ্রিক দর্শন ইউরোপীয় পন্ডিতদের মধ্যে নতুন চিন্তার উন্মেষ ঘটায়, যা মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

১১২.
যুদ্ধবন্দিদের মুক্তির শর্ত হিসেবে কুরআন কোন দুটি বিকল্প দিয়েছে?
  1. দাসত্ব বা হত্যা
  2. অনুগ্রহ বা মুক্তিপণ
  3. কুরআন শিক্ষা বা দাসত্ব
  4. নির্বাসন বা কর
সঠিক উত্তর:
অনুগ্রহ বা মুক্তিপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুগ্রহ বা মুক্তিপণ
ব্যাখ্যা

“অতঃপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ নাও।” (সুরা মুহাম্মদ, আয়াত ৪)

১১৩.
যীশুর কোন অলৌকিক ক্ষমতাটি ছিল না?
  1. পায়ে হেটে সমুদ্র পার হওয়া
  2. রোগীকে আরোগ্যকরণ
  3. দৃষ্টিহীনকে দৃষ্টিশক্তি দান
  4. হাওয়ায় মিশে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
হাওয়ায় মিশে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাওয়ায় মিশে যাওয়া
ব্যাখ্যা

যীশু বা হযরত ইসা (আ) এর বেশকিছু অলৌকিক ক্ষমতা ছিল। যেমন- পায়ে হেটে সমুদ্র পার হওয়া, রোগীকে আরোগ্যকরণ, দৃষ্টিহীনকে দৃষ্টিশক্তি দান, আল্লাহর অনুমতিতে মৃতকে জীবিত করা ইত্যাদি। তবে ‘হাওয়ায় মিশে যাওয়া’ অলৌকিক ক্ষমতাটি যীশুর ছিল না।

১১৪.
জাহিলী যুগে ফেরেশতাদের সম্পর্কে কী ধারণা প্রচলিত ছিল?
  1. ফেরেশতাগণ আল্লাহর পুত্র
  2. ফেরেশতাগণ আল্লাহর কন্যা
  3. ফেরেশতাগণ ও জীন জাতি একই
  4. ফেরেশতাগণ আগুনের তৈরি
সঠিক উত্তর:
ফেরেশতাগণ আল্লাহর কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরেশতাগণ আল্লাহর কন্যা
ব্যাখ্যা

জাহিলী যুগে অনেক আরব সম্প্রদায়ের মধ্যে ভুলধারনা ছিল যে আল্লাহর কন্যা রয়েছে। তারা বিভিন্ন কাফের সম্প্রদায়ে ফেরেশতাদের আল্লাহর কন্যা হিসেবে পুজো করত, যা ইসলামে সম্পূর্ণ অমান্য ও ভ্রান্ত বিশ্বাস হিসেবে বর্ণিত।

১১৫.
আল জাহরাভিকে ইউরোপে কী নামে ডাকা হতো?
  1. Avenzoar
  2. Albucasis
  3. Avicenna
  4. Geber
সঠিক উত্তর:
Albucasis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Albucasis
ব্যাখ্যা

আল-জাহরাভিকে ইউরোপে ‘আলবুকাসিস’ (Albucasis) নামে ডাকা হতো। তিনি ছিলেন একজন আরব চিকিৎসক, যিনি ১০ম ও ১১শ শতাব্দীতে বাস করতেন এবং আধুনিক শল্যচিকিৎসার জনক হিসেবে পরিচিত।

১১৬.
কোন মুসলিম পণ্ডিতকে ইউরোপে Geber নামে ডাকা হতো?
  1. জাবির ইবনে হাইয়ান
  2. আল রাজি
  3. ইবনে সিনা
  4. ইবনে রুশদ
সঠিক উত্তর:
জাবির ইবনে হাইয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাবির ইবনে হাইয়ান
ব্যাখ্যা

ইউরোপে ‘Geber’ বা ‘জিবার’ নামে পরিচিত মুসলিম পণ্ডিত ছিলেন আবু মুসা জাবির ইবনে হাইয়ান। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি রসায়ন, জ্যোতির্বিদ্যা, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং মেডিসিনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার কাজের জন্য পরিচিত ছিলেন।

১১৭.
মহানবি (সা)-এর ঘোষণা অনুসারে কবুল হজের একমাত্র প্রতিদান কী?
  1. জান্নাত
  2. তাকওয়া
  3. জাহান্নাম থেকে মুক্তি
  4. আল্লাহর সাক্ষাৎ
সঠিক উত্তর:
জান্নাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জান্নাত
ব্যাখ্যা

সহিহ হাদিস অনুযায়ী, ‘কবুল হজের’ (হজে মাবরুর) প্রতিদান জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু নয়। এর মানে হলো, যে হজ আন্তরিকভাবে ও নিখুঁতভাবে আদায় করা হয় এবং আল্লাহ তা কবুল করেন, তার পুরস্কার হিসেবে জান্নাত লাভ নির্ধারিত।

১১৮.
মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইবনে ইউনুস কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
  1. দামেস্ক
  2. মিসর
  3. বাগদাদ
  4. কর্ডোভা
সঠিক উত্তর:
মিসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসর
ব্যাখ্যা

মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইবনে ইউনুস (৯৫২–১০০৯ খ্রিস্টাব্দ) মিসরের ফস্তাত শহরের অধিবাসী ছিলেন। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানে বিশেষ দক্ষ ছিলেন এবং তার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেশন ও টেবিলগুলো পরে ইউরোপে বহুল ব্যবহার হয়।