পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১: বিষয়ের নাম: সাধারণ বিজ্ঞান - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
একজন দৌড়বিদ 9.8 s সময়ে 100 m দূরত্ব অতিক্রম করলে তার গড় দ্রুতি কত? 
  1. ক) 10.2 ms-1
  2. খ) 1.02 ms-1
  3. গ) 0.102 ms-1
  4. ঘ) 102.0 ms-1
সঠিক উত্তর:
ক) 10.2 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 10.2 ms-1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন দৌড়বিদ 9.8 s সময়ে 100 m দূরত্ব অতিক্রম করলে তার গড় দ্রুতি কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব, d = 100 m, 
মোট সময়, t = 9.8 s, 
গড় দ্রুতি, V = ? 

আমরা জানি, 
গড় দ্রুতি, V = d/t 
= 100 m/9.8 s 
= 10.2 ms-1

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সমুদ্র সমতলে g -এর আদর্শ মান কোনটি?
  1. ক) 40° অক্ষাংশে 0.980656 ms-2
  2. খ) 45° অক্ষাংশে 98.0656 ms-2
  3. গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
  4. ঘ) 45° অক্ষাংশে 9.18 ms-2
সঠিক উত্তর:
গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
ব্যাখ্যা
মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ, (g): 
- উপর থেকে একটি ধাতব মুদ্রা এবং একটি পাখির পালক এক সঙ্গে ছেড়ে দেয়া হলে অভিকর্ষের প্রভাবে অর্থাৎ পৃথিবীর আকর্ষণে দুটি বস্তুই মাটিতে পড়বে। 
- হয়তো দেখা যাবে ধাতব মুদ্রাটি আগে পড়বে, আর হালকা পাখির পালকটি আঁকাবাঁকা পথে ভাসতে ভাসতে একটু দেরিতে মাটিতে পৌঁছাবে। 

- কিন্তু উপরের চিত্রে দেখানে হয়েছে একটি বায়ু শূন্য নলের মধ্যে এক সাথে ছেড়ে দেয়া মুদ্রা এবং পালক এক সাথেই মাটিতে বা নলের তল দেশে পড়ছে। 
- এদের উপর বাতাসের কোন বাঁধা বা প্রভাব নেই; কাজ করছে কেবল পৃথিবীর আকর্ষণ বল। 
- এই বলের প্রভাবে বস্তু দুটির নিম্নমুখী ত্বরণ হচ্ছে। 
- বস্তু দুটি যখন ছেড়ে দেয়া হয় এদের ওপর কোন বল প্রয়োগ করা হয় নাই, তখন এদের বেগ ছিল শূন্য। 
- যতই নিচে পড়ছে এদের বেগ বাড়ছে। এর কারণ পৃথিবীর আকর্ষণ জনিত ত্বরণ। 
- একে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা অভিকর্ষজ ত্বরণ। 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের কাছাকাছি সব বস্তুর উপর এই ত্বরণের মান সমান। 
- g দিয়ে এই ত্বরণকে প্রকাশ করা হয়। 
- এর মান পৃথিবী পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে সামান্য তারতম্য হয়, কারণ পৃথিবীর সর্বত্র আকর্ষণ বল সমান নয়। 
- এই মানের পরিবতর্ন 1% থেকেও কম। 
- মোটামুটিভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠে তথা ভূ-পৃষ্ঠে g-এর মান প্রায় 10 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যতই উপরে ওঠা যায় g-এর মান ততই কমতে থাকে। 
- ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর আদর্শ মান হচ্ছে 9.80656 ms-2. 
- হিসেবের সুবিধার জন্য আদর্শ মান ধরা হয় 9.81 ms -2

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা কোনটি?
  1. ক) বিটুমিনাস
  2. খ) অ্যানথ্রাসাইট
  3. গ) ক্যালাসাইট
  4. ঘ) লিগনাইট
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা - 
১। অ্যানথ্রাসাইট, 
২। বিটুমিনাস এবং 
৩। লিগনাইট। 

- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
নিচের কোনটি হাইড্রোজেনের আইসোটোপ নয়?
  1. ক) প্রোটিয়াম
  2. খ) ডিউটেরিয়াম
  3. গ) হাইড্রাইড
  4. ঘ) ট্রিটিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রাইড
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ: 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- হাইড্রোজেনের মোট ৭টি আইসোটোপ (¹H, ²H, ³H, ⁴H, ⁵H, ⁶H এবং ⁷H) আছে, যার মধ্যে শুধু প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে ৩টি (হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম) আইসোটোপ এবং অন্যগুলো ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। 
- প্রকৃতিতে পাওয়া তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- এখন পর্যন্ত ৩০০০ সংখ্যক থেকে বেশি আইসোটোপ সম্পর্কে জানা গেছে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মানবদেহে মোট ওজনের শতকরা কত ভাগ ক্যালসিয়াম থাকে?
  1. ক) ৫%
  2. খ) ৮%
  3. গ) ২%
  4. ঘ) ১০%
সঠিক উত্তর:
গ) ২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২%
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 

- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বায়ুর সাপেক্ষে হীরকের প্রতিসরণাঙ্ক কত?
  1. ক) 2.417
  2. খ) 1.447
  3. গ) 1.333
  4. ঘ) 1.306
সঠিক উত্তর:
ক) 2.417
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 2.417
ব্যাখ্যা
পরম প্রতিসরণাঙ্ক: 
- শূন্য মাধ্যমের সাপেক্ষে কোনো মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক। 
অর্থাৎ আলোক রশ্মি যখন শূন্য মাধ্যম থেকে অন্য কোনো মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন শূন্য মাধ্যমের আপতন কোণের সাইন ও সেই মাধ্যমের প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতকে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক বিবেচনা করা হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন শূন্য মাধ্যম থেকে কোনো বস্তু মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করে তখন নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতকে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক বলে। 
গাণিতিকভাবে শূন্য মাধ্যমে আপতন কোণ i এবং অন্য কোন মাধ্যম 'a' তে প্রতিসরণ কোণ r হলে, 'a' মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক μa প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- সাধারণত বায়ু মাধ্যমের সাপেক্ষে কোনো মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ককে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক হিসাবে ধরা হয়। 
- কাঁচের পরম প্রতিসরণাঙ্ক 1.5 বলতে বুঝায় যে শূন্য মাধ্যম বা বায়ু মাধ্যম থেকে আলোক রশ্মি তীর্যকভাবে কাঁচের মধ্যে প্রবেশ করলে আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইন-এর অনুপাত 1.5 হয়। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি অপরিবাহী পদার্থ?
  1. ক) লোহা
  2. খ) তামা
  3. গ) প্লাস্টিক
  4. ঘ) সিলিকন
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধান কোথাও সঞ্চালিত না হয়ে অপরিবাহী পদার্থের যে স্থানে আধান প্রদান করা হয় সে স্থানেই আবদ্ধ থাকে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো অপরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয় না, ফলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে না। 
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
- এই পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার কোনটি?
  1. ক) তৈল
  2. খ) সাবান
  3. গ) ডিটারজেন্ট
  4. ঘ) চর্বি
সঠিক উত্তর:
ঘ) চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চর্বি
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড (C15H31CO2H), স্টেয়ারিক এসিড (C17H35CO2H) এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড (C17H33CO2H), লিনোলিক এসিড (C17H31CO2H) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়।
(৩) তৈল উদ্ভিদ দেহে কিন্তু চর্বি প্রাণি দেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
[1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান] 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং- বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন - সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)।