পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes১২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৮: GK - বিজ্ঞান প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান ... সংশ্লিষ্ট মৌলিক বিষয়)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
ক্যান্সার রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) পেনিসিলিন
  2. খ) স্ট্রেপ্টোমাইসিন
  3. গ) রঞ্জন রশ্মি
  4. ঘ) রেডিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যান্সার রোগ নিরাময়ে রেডিয়াম ব্যবহৃত হয়। 

-রেডিওঅ্যাকটিভ বা তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়ামের আবিষ্কর্তা মেরি কুরি ও তাঁর স্বামী পিয়েরে কুরি।
- ১৯৯৮ সালের ২১ ডিসেম্বর এই মৌল আবিষ্কার করেন তাঁরা।
- প্রায় এক বছর পর মৌলটির নামকরণ করা হয় রেডিয়াম।
- শব্দটির উত্স ল্যাটিন রেডিয়াস (রশ্মি) থেকে। রশ্মিরূপে মৌলটি শক্তি নিঃসরণ করতে পারে বলেই এমন নামকরণ।
- রেডিয়াম পানিতে মেশালে তা অন্ধকারে জ্বলতে থাকে।

সূত্র: ৩ পৃষ্ঠা, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
SI পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য এর একক -
  1. ক) কিলোগ্রাম
  2. খ) ওয়াট
  3. গ) জুল
  4. ঘ) মিটার
ব্যাখ্যা
SI পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্য এর একক হচ্ছে মিটার। 

- বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের একক চালু থাকার ফলে বাস্তব ক্ষেত্রে বিশেষ অসুবিধা দেখা দেয়।
- এসকল অসুবিধা দূর করার জন্য ১৯৬০ সাল থেকে বিজ্ঞানীগণ বিশ্বব্যাপী একই ধরনের একক চালুর সিদ্ধান্ত নেন, একে এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা সংক্ষেপে এস আই (SI) একক বলে।
- কয়েকটি হলো- কিলোগ্রাম (kg), সেকেন্ড (s), মিটার (m), অ্যাম্পিয়ার (A), অ্যাম্পিয়ার (A), মোল (mol)।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ভরের একক হলো কিলোগ্রাম।
- মৌলিক ভৌত এককগুলো হলো—কিলোগ্রাম (kg, ভরের একক), সেকেন্ড (s, সময়ের একক), মিটার (m, দূরত্বের একক), অ্যাম্পিয়ার (A, বৈদ্যুতিক প্রবাহের একক), কেলভিন (K, তাপমাত্রার একক), মোল (mol, পদার্থের পরিমাণের একক) এবং ক্যান্ডেলা (cd, দীপন তীব্রতার একক)।

সূত্র:  ৬ পৃষ্ঠা, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জীবাণু বিজ্ঞান কোন বিদ্যার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) রসায়ন বিজ্ঞান
  2. খ) পদার্থ বিজ্ঞান
  3. গ) উদ্ভিদবিজ্ঞান
  4. ঘ) জড় বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
জীবাণু বিজ্ঞান হচ্ছে উদ্ভিদবিজ্ঞান  এর অন্তর্ভুক্ত। 



সূত্র: ৬ পৃষ্ঠা, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পাথরের তেল বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) পেট্রোলিয়াম
  2. খ) কয়লা
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পেট্রোলিয়ামকে পাথরের তেল বলা হয়। 

- পরিবহনের জ্বালানি হিসেবে পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায় নানা রকম কৃত্রিম বস্তু , এগুলো হলো টেরিলিন, পলিয়েস্টার, ক্যাশমিলন ইত্যাদি ।
- এছাড়া পেট্রোলিয়াম থেকে তৈরি হয় নানা রকম প্রসাধনী।
- এসব ব্যবহার থাকা সত্বেও এর মূল ব্যবহার জ্বালানি হিসেবে, পেট্রোলিয়াম জাত সামগ্রীর প্রধান ব্যবহার হলো বিদ্যুৎ ও যান্ত্রিক শক্তির উপাদান।
- পেট্রোলিয়াম একটি ল্যাটিন শব্দ। এটি তৈরি হয়েছে পেট্রো ও অলিয়াম মিলে।
- ল্যাটিন ভাষায় পেট্রো শব্দের অর্থ পাথর এবং অলিয়াম শব্দের অর্থ তেল ।
- পেট্রোলিয়াম হলো পাথরের তেল অর্থাৎ পাথরের মধ্যে সঞ্চিত তেল
- টারশিয়ারি যুগে অর্থাৎ আজ থেকে পাঁচ ছয় কোটি বছর আগে সমুদ্রের তল দেশে পাললিক স্তরে গাছপালা ও সামুদ্রিক প্রাণী চাপা পড়ে যায়।
- বিভিন্ন রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে এরা রূপান্তরিত হয় খনিজ তেলে।
- আজকের স্থলভাগের অনেকাংশ প্রাগৈতিহাসিক যুগে সমুদ্রের তলদেশে ছিল।

সূত্র: ৭৮ পৃষ্ঠা, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানবদেহের অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এক্স রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মানবদেহের অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণে এক্স রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়।
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয় ।
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায় ।
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায় ।
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়।

এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।

সূত্র: ৩৪১ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রটিতে পদার্থবিজ্ঞানের কোন নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. ক) আলোর প্রতিফলন
  2. খ) শব্দের প্রতিফলন
  3. গ) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. ঘ) আলোর প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রটিতে পদার্থবিজ্ঞানের শব্দের প্রতিফলন নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে। 

- ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের সাহায্যে হৃত্যন্ত্রের কার্যক্রমের গুণগত ও পরিমাণগত মূল্যায়ন করা যায়।
- শব্দের প্রতিফলনের নীতির ওপর ভিত্তি করে ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- শব্দতরঙ্গ হচ্ছে যান্ত্রিক তরঙ্গ যা মাধ্যমের সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রে শব্দের প্রতিধ্বনিকে ব্যবহার করা হয়।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল।
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ হৃৎপিন্ডের যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। এই প্রতিবিম্ব প্রতিফলিত তরঙ্গের দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব মনিটরে পর্যবেক্ষণ করা যায়। এক্ষেত্রে 2-10MHz কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- টিস্যুর মধ্যে শব্দ তরঙ্গ সাধারণত 1540ms এবং রক্তের মধ্যে 1570ms-1 বেগে সঞ্চালিত হয়।
- আপতিত শব্দ তরঙ্গ হৃত্যন্ত্রের টিস্যুর সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে হৃত্যন্ত্রের বিভিন্ন স্থানে সঞ্চালিত হতে থাকে।
- যত বেশি কমাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, প্রতিফলিত বিম্বের স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা তত বেশি হয়।

সূত্র: ৩৪৫ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জগদীশ চন্দ্র বসু নিম্নের কোন যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন?
  1. ক) কার্ডিওগ্রাফ
  2. খ) ক্রেস্কোগ্রাফ
  3. গ) স্টেথোস্কোপ
  4. ঘ) ক্রোনোমিটার
ব্যাখ্যা
ক্রেস্কোগ্রাফ  যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন জগদীশ চন্দ্র বসু। 

- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন।
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন।
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
- তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহি জাংশন ব্যবহার করেন। এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে  জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
- জীবপদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তিনি উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ।
- তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন।
- তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয়. বৈদ্যুতিক।
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন।

সূত্র: ৩৩৮ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ভিনেগার
  2. খ) এন্টিবায়োটিক
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগার  ব্যবহৃত হয়। 

- ভিনেগার হল অ্যাসিটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ইথানলের গাঁজন দ্বারা উত্পাদিত একটি অ্যাসিডিক তরল।
- এটি শুধুমাত্র তার স্বাদের গুণাবলীর জন্যই নয় বরং এর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের জন্যও রান্নায় ব্যবহৃত হয়।
- ভিনেগারকে অ্যাসিটিক অ্যাসিড (Acetic Acid) বলা হয় এবং এর সংকেত (CH3-COOH).
- খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণেও রসায়নের গুরুত্ব অপরিসীম। বিভিন্ন রকম খাদ্য যেমন- চিপস, গুড়াদুধ,প্রক্রিয়কৃত মাছ, মাংশ ইত্যাদি কৌটায় বা - প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করার জন্য প্রয়োজন হয় নানা রকমের রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যেমন- আচার, সস ইত্যাদি সংরক্ষণে ভিনেগার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া কৃত্রিম খাদ্য উৎপাদন, যেমন- মাখনের পরিবর্তে মার্জারিন, চিনির পরিবর্তে স্যাকারিন ইত্যাদি প্রস্তুতিতেও রয়েছে রসায়নের ভূমিকা এবং এরা সবই রাসায়নিক দ্রব্য।

সূত্র: ৯ পৃষ্ঠা, রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
এনজাইম এক ধরণের -
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) চর্বি
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) প্রোটিন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এনজাইম এক ধরণের প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নের উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে। 

- জীবকোষ অসংখ্য রাসায়নিক বিক্রিয়ার কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিগণিত।
- প্রতিটি জীবের পরিপাক, শ্বসন, জনন ইত্যাদি শারীরবৃত্তীয় কাজগুলি জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
- এ সমস্ত জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি ও হার কতকগুলি প্রোটিন জাতীয় যৌগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
- যে প্রোটিন জাতীয় পদার্থ অতি অল্প মাত্রায় বিদ্যমান থেকে জীবদেহে বিক্রিয়ার হারকে ত্বরান্বিত করে কিন্তু বিক্রিয়ার পরে নিজে অপরিবর্তিত থাকে, তাকে এনজাইম বলে।
- এনজাইমগুলির উৎপত্তিস্থল সজীব কোষ হলেও, অনেক এনজাইম কোষের বাইরেও কাজ করে।

সূত্র: ৩৯৭ পৃষ্ঠা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
রুটি তৈরির কারখানায় ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) Pseudomonas
  2. খ) Saccharomyces
  3. গ) Clostridium
  4. ঘ) Nitrosomonas
ব্যাখ্যা
রুটি তৈরির কারখানায় Saccharomyces cerevisiae ব্যাকটেরিয়া ব্যবহৃত হয়। 

- ব্যাকটেরিয়াকে এককোষী প্রোটিন (single cell protein) হিসেবে পশু ও মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরণের জৈব প্রযুক্তিতে একদিকে যেমন বর্জ্য পদার্থের পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা করে, অন্যদিকে মানুষসহ অন্যান্য পশুর প্রোটিনের চাহিদা পুরন হয়।
- কাগজ ও কাগজের মন্ড (pulp এবং paper industry) থেকে নির্গত বর্জ্য পদার্থে বিভিন্ন ইস্ট (যেমন- Torula, Saccharomyces ইত্যাদি) জন্মায়, যেগুলো অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ।
- বাংলাদেশে এ ধরণের জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক নয়, তবে চিনি কল থেকে উৎপন্ন পরিত্যক্ত বর্জ্য ঝোলাগুড় (molasses) কে আমরা মিডিয়াম হিসেবে ব্যবহার করে Saccharomyces cerevisiae কে ব্যাপক ভাবে চাষ করতে পারি।

সূত্র: ৪০১ পৃষ্ঠা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।       
১১.
আমরা নিঃশ্বাসে যা গ্রহণ করি -
  1. ক) কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) সালফার ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা
আমরা নিঃশ্বাসে অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং নিঃশ্বাস ত্যাগ করবার সময় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস ত্যাগ করি। 

- শ্বসনের সময় পরিবেশ থেকে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করার পর রক্তের মাধ্যমে দেহের প্রতি কোষে পৌঁছে কোষস্থ খাদ্যকে জারিত করে জৈব শক্তি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে আসে এবং প্রশ্বাসের সময় দেহ থেকে নির্গত হয়। কাজেই অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন একটি জটিল প্রক্রিয়া। 
- রক্তের মাধ্যমে দু'ভাবে কোষে অক্সিজেন পরিবাহিত হয়।
- ৯৭ ৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে এবং ২-৩% পরিবাহিত হয় প্লাজমায় দ্রবীভূত হয়ে।
- প্রতিটি হিমোগ্লোবিন অণু ৪টি লৌহ যুক্ত হিম ও ৪টি গ্লোবিনের সমন্বয়ে গঠিত। একটি করে লৌহ অণু প্রতিটি হিম গ্রুপের কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং প্রতিটি লৌহ - অণুর সাথে একটি করে অক্সিজেন অণুযুক্ত হতে পারে। ফলে একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে।
- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী।

সূত্র: ১৩৪ পৃষ্ঠা, প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোন আলোক রশ্মি ত্বকে ভিটামিন তৈরিতে সাহায্য করে?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) অতি বেগুনি রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
- সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি হয়। এই ভিটামিন সূর্যালােকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়।
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন ‘ডি’-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন D– এর প্রধান উৎস।
- বাঁধাকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন D পাওয়া যায়।

ভিটামিন D শরীরে ক্যালসিয়াম শােষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরিতে কাজে লাগে। ভিটামিন D–এর অভাবে শিশুদের রিকেট রােগ হতে পারে।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি; বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৩.
কৃষিক্ষেত্রে সার হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ডায়াজিনন
  2. খ) ফুরাডান
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) এনড্রিন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া  কৃষিক্ষেত্রে সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার যেমন- ইউরিয়া, পটাশিয়াম ক্লোরাইড, ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), অ্যামোনিয়াম সালফেট ও জৈব সার ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিল্প কারখানায় প্রস্তুত করা হয়।
- তাছাড়া জীবাণুনাশক ও কীটনাশক যেমন এনড্রিন, ডায়াজিনন, ফুরাডন প্রভৃতিও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হয়।
- কাঁচা ফল পাকাতে এবং শস্যকে সংরক্ষণ করার জন্যও রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ৯ পৃষ্ঠা, রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।