নিচের কোন আইনে সরাসরি Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
ক
অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
খ
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
গ
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ঘ
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর: গ
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
গ
ব্যাখ্যা
⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান উল্লিখিত প্রশ্নের নিম্নলিখিত আইনগুলোতে রয়েছে: - অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ – এই আইনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে ADR-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। - পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ – এই আইনের ধারা ১১ ও ১৪-তে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে ADR পদ্ধতির বিধান রয়েছে। - দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ – ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী আদালতের সহায়তায় মধ্যস্থতা, সালিশ, সমঝোতার মাধ্যমে ADR বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, - ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সাধারণভাবে Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট বা সরাসরি বিধান নেই। - কারণ এটি মূলত অপরাধ সংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। কিছু ক্ষেত্রে আপস (compounding of offences) করার সুযোগ থাকলেও তা ADR নয়, বরং আইনসিদ্ধ নির্দিষ্ট আপসযোগ্য অপরাধের একটি সীমিত ক্ষেত্র। - ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এ যেসব অপরাধ আপসযোগ্য, এটি ADR নয়, বরং ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার অংশ। সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮।
২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬ অনুযায়ী, প্রতিটি আরজিতে তথ্য কীভাবে প্রমাণ করতে হবে?
ক
হলফনামার মাধ্যমে
খ
সাক্ষীর বিবরণীর মাধ্যমে
গ
মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে
ঘ
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর: ক
হলফনামার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
হলফনামার মাধ্যমে
ক
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশের ধারা ২ অনুযায়ী, Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 26-এ নতুন উপ-ধারা (2) যোগ করা হয়েছে, যা নির্দেশ করে: "In every plaint, facts shall be proved by affidavit." (প্রতিটি আরজিতে তথ্য হলফনামার মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।) - এটি ঐতিহ্যগত মৌখিক সাক্ষ্য পদ্ধতির পরিবর্তে লিখিত ও শপথবদ্ধ বিবরণীর মাধ্যমে প্রমাণের একটি আধুনিক পদ্ধতি চালু করেছে। - অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬ এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, প্রতিটি আরজিতে (প্লেইন্ট বা অভিযোগপত্র) উল্লেখিত তথ্য প্রমাণ করতে হবে হলফনামার মাধ্যমে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি: (১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে। (২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে। ----------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 26 of the Code of Civil Procedure, 1908: Institution of suits: (1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed. (2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.
৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিল কতটি বিভাগে বিভক্ত?
ক
দুইটি
খ
তিনটি
গ
চারটি
ঘ
পাঁচটি
সঠিক উত্তর: খ
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
তিনটি
খ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)-এর প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি মূল বিভাগে বিভক্ত। - প্রতিটি বিভাগে নির্দিষ্ট ধরনের মামলা, আপীল, অথবা দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ (limitation period) নির্ধারিত রয়েছে। → প্রথম বিভাগ (First Division): বিষয়: মোকদ্দমা (Suit) দায়েরের তামাদি সময়সীমা। ধারা: অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯। → দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি সময়সীমা। ধারা: অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭। → তৃতীয় বিভাগ (Third Division): বিষয়: দরখাস্ত (Application) দাখিলের তামাদি সময়সীমা। ধারা: অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে মোট তিনটি বিভাগ রয়েছে। - প্রতিটি বিভাগে পৃথকভাবে Suit, Appeal এবং Application সংক্রান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সঠিক উত্তর: খ) তিনটি।
৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর অধীনে নিম্নের কোনটি কমিশনের উদ্দেশ্য নয়?
ক
স্থানীয় তদন্ত
খ
হিসাব পরীক্ষণ
গ
মামলা খারিজ
ঘ
অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন
সঠিক উত্তর: গ
মামলা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মামলা খারিজ
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন জারি করতে পারেন— (ক) কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয়ার জন্য (খ) স্থানীয় তদন্তের জন্য (গ) হিসাব পরীক্ষণের জন্য (ঘ) অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য - তবে "মামলা খারিজ" কমিশনের উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা: - নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন- ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে; খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য; গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য; ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য। ------------ ⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions. - Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- (a) to examine any person; (b) to make a local investigation; (c) to examine or adjust accounts; (d) to make a partition.
৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে যে, রাজস্ব আদালতের উপর দেওয়ানি কার্যবিধি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
ক
ধারা ৩
খ
ধারা ৫
গ
ধারা ৭
ঘ
ধারা ৯
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৫
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫-এ বলা হয়েছে যে, যখন রাজস্ব আদালতের জন্য প্রযোজ্য কোন বিশেষ আইন নীরব থাকে, তখন দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তবে সরকার গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারে, কোন কোন বিধান প্রযোজ্য হবে বা হবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ: ১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে। ২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না। -------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 5. Application of the Code of Revenue Courts: (1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe. (2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৬.
তামাদি আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী, সুখাধিকার অর্জনের জন্য সরকারি সম্পত্তিতে কত বছর শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়?
ক
১২ বছর
খ
২০ বছর
গ
৩০ বছর
ঘ
৬০ বছর
সঠিক উত্তর: ঘ
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৬০ বছর
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬ অনুযায়ী সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে সুখাধিকার (Easement) অর্জনের জন্য ২০ বছর শান্তিপূর্ণ, অবিরাম ও বিরোধপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়। সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ৬০ বছর। অতএব, সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য সঠিক উত্তর ৬০ বছর।
⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: অধিকার অর্জন (ইজমেন্ট): (১) যদি কোনো ভবনের সাথে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার শান্তিপূর্ণভাবে ইজমেন্ট হিসেবে এবং আইনগত অধিকারের মাধ্যমে কোনো বিরতি ছাড়াই বিশ বছর ধরে উপভোগ করা হয়, তাহলে সেই ভবনের জন্য আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার একটি পরম ও চূড়ান্ত অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এছাড়াও, যদি কোনো রাস্তা, জলাধার, পানির ব্যবহার বা অন্য কোনো ইজমেন্ট (ইতিবাচক বা নেতিবাচক) শান্তিপূর্ণভাবে এবং প্রকাশ্যে, দাবি করা অধিকার হিসেবে এবং কোনো বিরতি ছাড়াই বিশ বছর ধরে উপভোগ করা হয়, তাহলে সেই রাস্তায় যাতায়াতের অধিকার, জলাধার বা পানির ব্যবহারের অধিকার, বা অন্য ইজমেন্টও চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এই বিশ বছরের প্রতিটি সময়কালটি সেই মামলার দুই বছরের মধ্যে শেষ হতে হবে, যার মাধ্যমে এই অধিকারটি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। (২) যদি যে সম্পত্তির উপর অধিকার দাবি করা হয়, সেটি সরকারের মালিকানাধীন হয়, তবে বিশ বছরের স্থলে ষাট বছর বিবেচনা করা হবে। ব্যাখ্যা: এই ধারা অনুযায়ী, কোনো বাধা তখনই "বিরতি" হিসেবে গণ্য হবে, যখন আসল ব্যবহার বা ভোগ বন্ধ হয়ে যাবে এবং বাধাটি কোনো ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্ট হবে যিনি দাবি করা অধিকারী নন। তাছাড়া, এই বাধাটি দাবি করা ব্যক্তির নজরে আসার এক বছরের মধ্যে সেই ব্যক্তি তা মেনে নিলে, সেটিকে বাধা হিসেবে গণ্য করা হবে। --------------- ⇒ The Limitation Act, 1908, Section-26. Acquisition of right to easements: (1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years, and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years, the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible. Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested. (2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted. Explanation: Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVII, Rule 1(3) অনুযায়ী মামলা মুলতবি সর্বোচ্চ কতবার করা যাবে?
ক
২ বার
খ
৪ বার
গ
৬ বার
ঘ
৮ বার
সঠিক উত্তর: খ
৪ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৪ বার
খ
ব্যাখ্যা
⇒ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা Order XVII, Rule 1(3) সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধনীর পূর্বে বিধানটি ছিল নিম্নরূপ: -"The Court may grant not more than six adjournments to a party during the hearing of the suit."
সংশোধনীর পর নতুন বিধান: - "The Court may grant not more than four adjournments to a party during the hearing of the suit."
সর্বোচ্চ সীমা: এখন প্রতিটি পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) শুনানির সময় সর্বোচ্চ ৪ বার মুলতবি পেতে পারে (পূর্বে ৬ বার ছিল)। খরচ প্রযোজ্য: প্রতিটি মুলতবির জন্য আদালত খরচ ধার্য করতে পারে (সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত)। চূড়ান্ত শুনানিতে সীমাবদ্ধতা: Peremptory Hearing (চূড়ান্ত শুনানি) পর্যায়ে কোন পক্ষ ৩ বার মুলতবি পেতে পারে, তবে তা খরচসহ (খরচবিহীন নয়)।
সুতরাং, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী সঠিক উত্তর খ) ৪ বার।
৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতা সম্পন্ন করার আদর্শ সময়সীমা কত দিন এবং আদালত কতদিন পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় বাড়াতে পারে?
ক
৩০ দিন; অতিরিক্ত ১৫ দিন
খ
৬০ দিন; অতিরিক্ত ৩০ দিন
গ
৯০ দিন; অতিরিক্ত ৬০ দিন
ঘ
৬০ দিন; অতিরিক্ত ৬০ দিন
সঠিক উত্তর: খ
৬০ দিন; অতিরিক্ত ৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬০ দিন; অতিরিক্ত ৩০ দিন
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যখন আদালত মধ্যস্থতার আদেশ প্রদান করে, তখন পক্ষদ্বয়কে ১০ দিনের মধ্যে তাদের নিয়োগকৃত মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে জানানোর জন্য বলা হয়। - এরপর, মধ্যস্থতা সম্পন্ন করার জন্য ৬০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। - আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদন পেলে এই সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়াতে পারে, অর্থাৎ মোট সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ দিন হতে পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। - যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে। - সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। - দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। - মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। ------------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৯.
তামাদি আইনের ধারা ১৮ অনুযায়ী, প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
ক
প্রতারণার ঘটনার দিন থেকে
খ
প্রতারণা জানার দিন থেকে
গ
মামলা দায়েরের দিন থেকে
ঘ
'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর: খ
প্রতারণা জানার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
প্রতারণা জানার দিন থেকে
খ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুযায়ী: প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি যখন প্রথমবার প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারে সেই দিন থেকে। দলিল গোপন করা হলে: যদি প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে দলিলটি প্রথমবার উপস্থাপন করা বা আদালতে জমা দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার দিন থেকে। সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) প্রতারণা জানার দিন থেকে।
⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে- (ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা (খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে- ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। - যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। ----------- ⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud: Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- (a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or (b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration, shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
১০.
তামাদি আইনের কোন ধারায় জবরদখলের মাধ্যমে স্বত্ব বিলুপ্তির কথা বলা হয়েছে?
ক
ধারা-২৬
খ
ধারা-২৫
গ
ধারা-২৮
ঘ
ধারা-২৯
সঠিক উত্তর: গ
ধারা-২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ধারা-২৮
গ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ (Section 28 of the Limitation Act, 1908) অনুযায়ী বলা হয়েছে “যে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা যদি পেরিয়ে যায়, তাহলে সেই দাবির অধিকার সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।” অর্থাৎ, প্রতিপক্ষ যদি কোনো সম্পত্তিতে জবরদখলের মাধ্যমে ১২ বছর (স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে) বা নির্ধারিত সময়কাল দখলে রাখে এবং প্রকৃত মালিক সে সময়ের মধ্যে আদালতে মামলা না করে, তাহলে প্রকৃত মালিকের স্বত্ব বা মালিকানা বিলুপ্ত হয়ে যায়, এবং জবরদখলকারীর আইনগত স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি: কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ---------- ⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property: At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোনটিকে প্রভাবিত করে না?
ক
চুক্তি আইন, ১৮৭২
খ
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
গ
তামাদি আইন, ১৯০৮
ঘ
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
সঠিক উত্তর: খ
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
খ
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, এই আইন নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) নিবন্ধন আইন, ১৯০৮।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না- ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোনো অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না। ------------ ⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 4. Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed- (a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract; (b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or (c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.
১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতার ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত কোন আদেশ অনুসরণ করে?
ক
আদেশ ২০
খ
আদেশ ২১
গ
আদেশ ২৩
ঘ
আদেশ ৩৯
সঠিক উত্তর: গ
আদেশ ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আদেশ ২৩
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যদি আদালতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপোষ-মীমাংসা হয়, তাহলে আদালত Order XXIII (আদেশ ২৩) অনুসারে আপোষ-ডিক্রি প্রদান করে। এছাড়াও, ধারা ৮৯ক(১২) অনুযায়ী, এইরূপ ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা। - ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে। - আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে। ------------- ⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of a settlement between the parties under this section. (13) Nothing in this section shall be deemed to otherwise limit the option of the parties regarding withdrawal, adjustment and compromise of the suit under Order XXIII of the Code.
Explanation-(1) "Mediation" under this section shall mean flexible, informal, non-binding, confidential, non-adversarial and consensual dispute resolution process in which the mediator shall facilitate compromise of disputes in the suit between the parties without directing or dictating the terms of such compromise. (2) "Compromise" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.
১৩.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে আদালত বন্ধ থাকলে সময় গণনায় প্রভাব পড়বে না?
ক
ধারা-৩
খ
ধারা-৪
গ
ধারা-৫
ঘ
ধারা-৯
সঠিক উত্তর: খ
ধারা-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ধারা-৪
খ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৪ (Section 4 of the Limitation Act, 1908) অনুযায়ী "যদি কোনো মামলার আবেদন বা দরখাস্ত নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দায়ের করার কথা থাকে এবং সেই সময়সীমার শেষ দিনটি যদি আদালত বন্ধ থাকে, তবে দরখাস্তটি আদালতের পরবর্তী খোলার দিনেও বৈধভাবে দাখিল করা যাবে।" - আদালত বন্ধ থাকলে নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিন বাদ যাবে না, বরং পরবর্তী কার্যদিবসে দাখিল বৈধ ধরা হবে। অর্থাৎ, আদালত বন্ধ থাকার সময়টি তামাদি গণনায় প্রভাব ফেলবে না।
⇒ তামাদির আইনের ৪ ধারার বিধান- আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে: -যেক্ষেত্রে কোন আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় কোন মামলা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা আবেদন দাখিল করা যাবে। ------------------ ⇒ The Limitation Act, 1908, Section 4- Where Court is closed when period expires: -Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
১৪.
The Civil Courts Act, 1887 এর অধীনে কোন শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক
জেলা জজের আদালত
খ
ফৌজদারি আদালত
গ
অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত
ঘ
সিনিয়র সহকারী জজের আদালত
সঠিক উত্তর: খ
ফৌজদারি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ফৌজদারি আদালত
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। - অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে- ১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge] ২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge] ৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge] ৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge] ৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
⇒ The Civil Courts Act, 1887 শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালত (Civil Courts) এর গঠন, এখতিয়ার ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এই আইনের অধীনে নিম্নলিখিত শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত: ক) জেলা জজের আদালত গ) অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত ঘ) সিনিয়র সহকারী জজের আদালত অন্যদিকে, ফৌজদারি আদালত (Criminal Courts) ফৌজদারি মামলা পরিচালনার জন্য গঠিত এবং এগুলি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) ও অন্যান্য ফৌজদারি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। অতএব, খ) ফৌজদারি আদালত সঠিক উত্তর, কারণ এটি এই আইনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ এর অধীনে মামলার জন্য কোন দুটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে?
ক
স্বত্ব এবং সম্মতি
খ
দখল এবং বেদখল
গ
মালিকানা এবং দখল
ঘ
সম্মতি এবং আইনি পন্থা
সঠিক উত্তর: খ
দখল এবং বেদখল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
দখল এবং বেদখল
খ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯ অনুসারে মামলার ক্ষেত্রে বাদীকে কেবলমাত্র দুইটি বিষয় প্রমাণ করতে হয়: ১. তিনি ওই স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, এবং ২. তাকে আইনগত পন্থা ছাড়া ও তার সম্মতি ব্যতীত উচ্ছেদ (বেদখল) করা হয়েছে। - স্বত্ব (ownership) এই মামলার জন্য অপ্রাসঙ্গিক। ধারা ৯-এর মূল উদ্দেশ্য হলো— আইনবহির্ভূতভাবে কাউকে তার দখল থেকে উচ্ছেদ করা হলে তাকে দ্রুত প্রতিকার দেওয়া।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: -যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। -সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই। -আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না। ----------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit. Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof. No suit under this section shall be brought against the Government. No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
১৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, যদি দায় স্বীকার করে লিখিত স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা নির্ধারিত সময়ের পূর্বে স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে—
ক
পূর্ববর্তী সময়সীমা কার্যকর থাকে
খ
মামলার গ্রহণযোগ্যতা বাতিল হয়
গ
মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়
ঘ
নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হয়
সঠিক উত্তর: ঘ
নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হয়
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, যদি তামাদি সময়সীমার মধ্যে দায় স্বীকার করে লিখিত ও স্বাক্ষরযুক্ত স্বীকারোক্তি প্রদান করা হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তির তারিখ থেকেই নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা-১৯: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব: (১) কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত মামলার বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পূর্বে, যদি সেই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে কোনো স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে, বা এমন কারো দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সে ব্যক্তি ঐ অধিকার বা দায়িত্ব অর্জন করেছে—তাহলে, ঐ স্বীকারোক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে। (২) যদি স্বীকারোক্তিপত্রে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে তা কখন স্বাক্ষরিত হয়েছে সে বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে; তবে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর বিধান সাপেক্ষে, সেই স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না। ব্যাখ্যা-১: এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকারোক্তি যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারটির প্রকৃত প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকে, বা তাতে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ প্রদান, প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের সময় এখনো আসেনি, কিংবা অর্থ প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের অনুমতি দেওয়ার অস্বীকৃতির সাথে যুক্ত থাকে, অথবা তা যদি সেট-অফ দাবির সাথে যুক্ত থাকে, এমনকি যদি তা সম্পত্তি বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেও লেখা হয়। ব্যাখ্যা-২: এই ধারার উদ্দেশ্যে "স্বাক্ষর" বলতে নিজ হাতে স্বাক্ষর বা যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাক্ষর বোঝানো হয়। ব্যাখ্যা-৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার দরখাস্তকে একটি অধিকার সংক্রান্ত দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করা হবে। ------------ ⇒ The Limitation Act, 1908, Section-19. Effect of acknowledgement in writing: (1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. (2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারাগুলো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করে?
ক
ধারা ৮-১১
খ
ধারা ১২-৩০
গ
ধারা ৩৫-৩৮
ঘ
ধারা ৫২-৫৭
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ১২-৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ১২-৩০
খ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ থেকে ৩০ পর্যন্ত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। - এই ধারাগুলোতে চুক্তির শর্তাবলী কার্যকর করার জন্য আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদানের বিধান বর্ণিত রয়েছে। - সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন বলতে বোঝায় যখন আদালত কোনো পক্ষকে চুক্তির শর্ত পালন করতে বাধ্য করে, যেমন কোনো সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি বাস্তবায়ন বা অন্য কোনো বাধ্যবাধকতা পূরণ। - এই ধারাগুলোতে কখন এবং কীভাবে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে।
অন্যদিকে, ক) ধারা ৮-১১: এই ধারাগুলো স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovery of Possession of Property) নিয়ে আলোচনা করে। গ) ধারা ৩৫-৩৮: এই ধারাগুলো চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করে। এটি চুক্তি বাতিল করার প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী নিয়ে কাজ করে। ঘ) ধারা ৫২-৫৭: এই ধারাগুলো নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করে। এগুলো বেআইনি কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য আদেশ প্রদানের বিষয়ে কাজ করে।
১৮.
যদি ডিক্রি কার্যকর করার সময় দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে সম্পত্তি দখলের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করা হয়, তাহলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য তাকে কারাগারে রাখতে পারে?
ক
১৫ দিন
খ
৩০ দিন
গ
৬০ দিন
ঘ
৯০ দিন
সঠিক উত্তর: খ
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩০ দিন
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে ডিক্রি কার্যকর করার সময় স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় এবং সেই বাধা ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া হয়, তখন আদালত আবেদনকারী ডিক্রিধারীর (বা ক্রেতার) অনুরোধে সেই দেনাদার বা বাধাদানকারী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেল-এ আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারে। পাশাপাশি, আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে, ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান করতে হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হোক।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান: স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান: ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন। -------------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 74: Resistance to execution: Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.
১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে কোন ধারার বিধানগুলি প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ অনুসরণ করা হয়?
ক
ধারা ৮৯ক
খ
ধারা ৮৯খ
গ
ধারা ৮৯ঘ
ঘ
ধারা ৮৯ঙ
সঠিক উত্তর: ক
ধারা ৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ধারা ৮৯ক
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) অনুযায়ী, আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য। ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ – আপিলে মধ্যস্থতা: (১) যদি কোনো আপিল মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে Order XLI-এর অধীনে করা হয় এবং সেটি মূল মামলার একই পক্ষগণের মধ্যে হয় বা যেসব পক্ষগণ মূল মামলার প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ছিল তাদের স্থলাভিষিক্ত (substituted) পক্ষগণের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত আপিলে মধ্যস্থতা করবে বা আপিলটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে যাতে উক্ত আপিলে বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি করা যায়। (২) উপধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে, ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য ও উপযুক্ত হয়। --------- ⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. (2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে কী সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
ক
আপীল দায়ের
খ
মামলা দায়ের
গ
দরখাস্ত দায়ের
ঘ
কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক
আপীল দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
আপীল দায়ের
ক
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত: → প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯। বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ। → দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭। বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ। → তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩। বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (Second Division) আপীল দায়েরের (Limitation for filing appeals) তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। - এই বিভাগটি ১৫০ থেকে ১৫৭ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এতে বিভিন্ন ধরনের আপীলের জন্য তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭, বিধি ১(৭) অনুযায়ী, মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির কত দিনের মধ্যে পুনর্বহালের জন্য আবেদন করতে হবে?
ক
১৫ দিন
খ
২১ দিন
গ
৩০ দিন
ঘ
১৪ দিন
সঠিক উত্তর: গ
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩০ দিন
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭, বিধি ১(৭) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষের অনুপস্থিতি বা অবমাননার কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে সেই পক্ষকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করতে হবে এবং ২,০০০ টাকা খরচা জমা দিতে হবে, অন্যথায় মামলাটি পুনর্বহাল করা যাবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে। ------------ ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-17 Rule-1(7)- A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party.
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার মামলা করা যায়?
ক
৫টি
খ
৪টি
গ
৩টি
ঘ
২টি
সঠিক উত্তর: খ
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৪টি
খ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী, ৪টি ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতার মাধ্যমে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের দাবি করা যায়। এই চারটি হল: ১. চুক্তিভুক্ত কাজটি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হলে। ২. চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কোনও মানদণ্ড না থাকলে। ৩. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হলে। ৪. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে। - এই চারটি শর্ত বিদ্যমান থাকলে চুক্তির বলবৎকরণ (specific performance) আদালতের মাধ্যমে আদায়যোগ্য হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে: (ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়; (খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না; (গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা (ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না। ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়। -------------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 12. Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- (a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; (b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; (c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or (d) When it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done. Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
২৩.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৩ অনুযায়ী, বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকলে তামাদি গণনা সম্পর্কে কী হবে?
ক
সময় দ্বিগুণ হবে
খ
পুরো সময়ই গণনা হবে
গ
অনুপস্থিতির সময় বাদ যাবে
ঘ
শুধু সরকারি ছুটির দিন বাদ যাবে
সঠিক উত্তর: গ
অনুপস্থিতির সময় বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অনুপস্থিতির সময় বাদ যাবে
গ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকাকালীন সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী বিদেশে থাকার পুরো সময়টি তামাদির মেয়াদ গণনায় ধরা হবে না।
⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনার সময় তার অনুপস্থিতির সময় বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, সেই সময় তামাদি গণনার মধ্যে পড়বে না, বরং সে ফিরে আসার পর তামাদি গণনা চলবে। - এই বিধান বাদীর স্বার্থ রক্ষার জন্য রাখা হয়েছে, যাতে বিবাদির বিদেশে থাকার কারণে বাদী মামলা দায়েরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন। -------- ⇒ The Limitation Act:- Section 13. Exclusion of the time of the defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পূর্বে কী করতে হবে?
ক
দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
খ
পুলিশে অনুমোদন নেওয়া
গ
সরকার অনুমোদন নেওয়া
ঘ
মামলার বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
সঠিক উত্তর: ক
দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী, সরকার বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আগে বাদীকে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে হবে, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অন্তত দুই মাস (৬০ দিন) আগে জমা দিতে হয়। এই নোটিশে কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা ও দাবিকৃত প্রতিকার উল্লেখ করতে হবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০: নোটিশ: (১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুই মাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে— i. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতীত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং ii. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারি কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে। (২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লিখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌঁছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারি কর্মকর্তা বাদীর দাবি মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না: তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জুর করবেন। ----------- ⇒The Code of Civil Procedure,1908, Section 80. Notice: (1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,- (i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and (ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway, and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left. (2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit: Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
২৫.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৭ক কোন ধরনের চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
ক
বন্ধকী চুক্তি
খ
স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি
গ
স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তি
ঘ
অস্থাবর সম্পত্তির দানপত্র
সঠিক উত্তর: গ
স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তি
গ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান: এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, - (ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং (খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন। তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই। এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ------------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease: Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,- (a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and (b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract: Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof. This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.
২৬.
দেশের প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোনো কাজ করা বা না করা হলে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলার সর্বোচ্চ তামাদি মেয়াদ কতদিন?
ক
৩০ দিন
খ
৯০ দিন
গ
৬ মাস
ঘ
১ বছর
সঠিক উত্তর: খ
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৯০ দিন
খ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-২ অনুসারে: প্রচলিত কোনো আইন অনুযায়ী কোনো কাজ করা বা না করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৯০ দিন। - এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন সেই কাজ (Act) বা বর্জন (Omission) সংঘটিত হয়। - সুতরাং, অনুচ্ছেদ-২-এ উল্লিখিত ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তামাদি মেয়াদ ৯০ দিন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী, জেলা জজ জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করেন। এই প্যানেলে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে: - আইনজীবী, - অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, - বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি, - প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিযুক্ত নন এমন অন্য কোনো যোগ্য ব্যক্তি। এছাড়াও, জেলা জজ এই প্যানেল সময়ে সময়ে হালনাগাদ করেন এবং তার এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এ সম্পর্কে অবহিত করেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।" এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন। -------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ কোন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
ক
লিখিত চুক্তি
খ
মৌখিক চুক্তি
গ
মৌখিক ও লিখিত চুক্তি
ঘ
কোনটি নয়
সঠিক উত্তর: ক
লিখিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
লিখিত চুক্তি
ক
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, চুক্তি সংশোধন (rectification) শুধুমাত্র লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, এবং আদালতকে নিশ্চিত হতে হয় যে উভয় পক্ষ একটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিচারমূলক চুক্তি করতে চেয়েছিল। মৌখিক চুক্তির ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: -লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা। ------------ ⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties: -For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
২৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩-এ স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
ক
মামলা দায়েরের সময় থেকে
খ
সম্পত্তি বিক্রয়ের সময় থেকে
গ
সম্পত্তি বেদখলের সময় থেকে
ঘ
দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় থেকে
সঠিক উত্তর: গ
সম্পত্তি বেদখলের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সম্পত্তি বেদখলের সময় থেকে
গ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-৩ অনুসারে: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের (Recovery of Possession of Immovable Property) মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ মাস। - এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সম্পত্তি বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে (When the dispossession occurs)। - সুতরাং, স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার তামাদি মেয়াদ বেদখলের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান অনুসারে একজন রায় সিদ্ধ ডিক্রির দেনাদার ব্যক্তিকে আদালত কোন পরিস্থিতিতে মুক্তি দিতে পারে?
ক
যদি সে পুরুষ হয়
খ
যদি সে মহিলা হয়
গ
যদি সে অসুস্থ থাকে
ঘ
যদি সে জামানত দেয়
সঠিক উত্তর: গ
যদি সে অসুস্থ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
যদি সে অসুস্থ থাকে
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৯ অনুযায়ী, যদি রায় সিদ্ধ ডিক্রির দেনাদার ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হন বা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারে। - দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। - দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি: ১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোনো সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন। ২) রায় সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন। ৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায় সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে- ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীন তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন। ৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায় সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লিখিত মেয়াদের অধিক হবে না। ---------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 59. Release on grounds of illness. (1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued, the Court may cancel it on the ground of his serious illness. (2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. (3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- (a) by the Government, on the grounds of the existence of any infectious or contagious disease, or (b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. (4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not, in the aggregate, exceed that prescribed by section 58.
৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ অনুযায়ী, মামলার কোন পর্যায়ে পক্ষগণ সালিশের উদ্দেশ্যে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারে?
ক
যেকোনো পর্যায়ে
খ
রায় ঘোষণার পর
গ
কেবল শুনানির শুরুতে
ঘ
বিচার্য বিষয় গঠনের পর
সঠিক উত্তর: ক
যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
যেকোনো পর্যায়ে
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে "যদি কোন মামলার পক্ষগণ কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে আদালতের নিকট এই ভিত্তিতে মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করে যে তারা মামলার বিরোধ বা বিরোধগুলি সালিশের নিকট প্রেরণ করবে..." - এর মানে হলো, পক্ষগণ মামলার যেকোনো পর্যায়ে সালিশে যাওয়ার জন্য আদালতের অনুমতি চাইতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা-৮৯খ: সালিশী: ১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবে, তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে। ২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে। ----------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89B. Arbitration: (1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable: Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. (2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
৩২.
তামাদি আইনের ৫ ধারার সুবিধা কে অধিকার হিসাবে দাবি করতে পারে?
ক
বাদী
খ
সরকার
গ
কেউ না
ঘ
দরখাস্তকারী
সঠিক উত্তর: গ
কেউ না
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কেউ না
গ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ৫ ধারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতার আওতায় পড়ে, কেউ এটিকে আইনগত অধিকার হিসাবে দাবি করতে পারে না। - তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ একটি সুযোগ বা discretionary privilege যা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রদান করা হয়। এটি অধিকার (Right) নয় — বরং এটি দরখাস্তকারীর একটি অনুরোধ মাত্র, যা আদালত "যথোপযুক্ত কারণ" থাকলে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। - যদি কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদন (Application), আপিল (Appeal) বা রিভিশন (Revision) দায়ের করেন, এবং তিনি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে বিলম্বটি "সুযোগ্য কারণবশত" হয়েছে, তাহলে আদালত ধারা ৫-এর আওতায় বিলম্ব মাফ (condone) করতে পারে।
অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫-এ বিলম্ব মওকুফের (condonation of delay) বিধান থাকলেও এটি কোনো অধিকার (right) নয়, বরং এটি সম্পূর্ণরূপে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (discretionary power)-এর উপর নির্ভরশীল। তাই সঠিক উত্তর: গ) কেউ না।
৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৬ অনুযায়ী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেবেন না?
ক
৫টি
খ
৭টি
গ
৯টি
ঘ
১১টি
সঠিক উত্তর: ঘ
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১১টি
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী আদালত ১১টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করবেন না। ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। - এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না। তা হলো: ১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না। ২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না। ৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়। ৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না। ৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না। ৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। ৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না। ৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না। ৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়। ১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে। ১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই। ---------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section 56. Injunction when refused: An injunction cannot be granted- (a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; (b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; (c) to restrain persons from applying to any legislative body; (d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of a Foreign Government; (e) to stay proceedings in any criminal matter; (f) to prevent the breach of a contract, the performance of which would not be specifically enforced; (g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; (h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; (i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding, except inthe case of breach of trust; (j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; (k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৩৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না?
ক
ADR প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি
খ
অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ
গ
বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী
ঘ
সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর: ঘ
সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(২) ও (১০) অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্তাবলী প্রযোজ্য: অযোগ্য ব্যক্তি: - প্রজাতন্ত্রের সেবায় লাভের অফিসে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না। - অর্থাৎ, সরকারি চাকরিজীবী (যেমন: বিচার বিভাগ/প্রশাসন/পুলিশ ইত্যাদিতে কর্মরত) মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না (ধারা ৮৯ক(২) এর দ্বিতীয় শর্ত)। যোগ্য ব্যক্তি: - ADR (Alternative Dispute Resolution) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি (ধারা ৮৯ক(১০)) - অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ (ধারা ৮৯ক(২) ও (১০)) - বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী (ধারা ৮৯ক(১০)) সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি, কারণ ধারা ৮৯ক(২) এ এদের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- (2) When the reference under sub-section (1) is made through the pleaders, the pleaders shall, by their mutual agreement in consultation with their respective clients, appoint another pleader, not engaged by the parties in the suit, or a retired judge, or a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), or any other person whom they may seem to be suitable, to act as a mediator for settlement: Provided that, nothing in this sub-section shall be deemed to prohibit appointment of more than one person to act as mediator: Provided further that, a person holding an office of profit in the service of the Republic shall not be eligible for appointment as mediator.
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
৩৫.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে সরকারের বকেয়া রাজস্বের জন্য জমির বিক্রয়ের মামলায় তামাদি মেয়াদ ১২ বছর উল্লেখ আছে?
ক
অনুচ্ছেদ ১১৫
খ
অনুচ্ছেদ ১১৬
গ
অনুচ্ছেদ ১২০
ঘ
অনুচ্ছেদ ১২১
সঠিক উত্তর: ঘ
অনুচ্ছেদ ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অনুচ্ছেদ ১২১
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে অনুচ্ছেদ ১২১ তে বলছে যখন কোনো সম্পূর্ণ জমিদারী (entire estate), পত্নি তালুক (patni taluq) বা অন্য কোনো বিক্রয়যোগ্য অধিকার সরকারি রাজস্ব বা খাজনার বকেয়ার জন্য বিক্রি করা হয়, এবং কেউ এই বিক্রয় বাতিল করতে চায় কারণ এতে জটিলতা বা অধীন ভোগদারির (incumbrances/under-tenures) সমস্যা আছে তখন বিক্রয় চূড়ান্ত ও চূড়ান্তভাবে কার্যকর হওয়ার দিন থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২১-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: সরকারি বকেয়া রাজস্বের জন্য বিক্রীত জমিদারি/পত্তনী সম্পর্কিত মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর, এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বিক্রয় চূড়ান্ত ও সিদ্ধান্তমূলক হওয়ার তারিখ থেকে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, একটি ডিক্রি কার্যকর করার আবেদন সাধারণত ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে করতে হয়। এই ১২ বছরের পরে সাধারণত আর সেই ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, যদি না আইন বা আদালতের বিশেষ আদেশে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না- ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।
২) এই ধারার কোন বিধানই- ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না। ------------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution: Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from (a) the date of the decree sought to be executed, or, (b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.
(2) Nothing in this section shall be deemed: (a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or (b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.
৩৭.
আদেশ ৬ বিধি ১৬ অনুযায়ী আদালত কোন কারণে আর্জি জবাবে কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না?
ক
অপ্রয়োজনীয় বিষয়
খ
বিভ্রান্তিকর বিষয়
গ
কুৎসাজনক বিষয়
ঘ
মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ
মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত আরজির সেইসব অংশ কর্তনের আদেশ দিতে পারেন, যেগুলো- - অপ্রয়োজনীয় (unnecessary), অথবা - কুৎসাজনক (scandalous), অথবা - বিচার প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি, অস্বস্তি বা বিলম্ব ঘটাতে পারে। কিন্তু মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা যদি আরজিতে থাকে, তা আদালত কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না, কারণ তা মামলার মূল বিষয়বস্তুর অন্তর্গত।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬ আর্জি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আর্জি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন। --------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings: The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৩৮.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৪৮ অনুসারে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি হারিয়ে যাওয়া বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করার ক্ষেত্রে মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
ক
১ বছর
খ
২ বছর
গ
৩ বছর
ঘ
৫ বছর
সঠিক উত্তর: গ
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩ বছর
গ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুযায়ী, যদি কোনো সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি হারিয়ে যায়, বা চুরি হয়, বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়, বা পরিবর্তন করা হয়, বা অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয় তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন। - তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর। - গণনার শুরু: যেদিন দাবিদার প্রথম জানতে পারেন যে, ঐ সম্পত্তি কার কাছে আছে। সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ৩ বছর।
৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত শতাংশ সুদ মামলার খরচের উপর আদালত দিতে পারে?
ক
৬%
খ
১০%
গ
১৫%
ঘ
২০%
সঠিক উত্তর: ক
৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৬%
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Civil Procedure Code, 1908) এর ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী "আদালত মামলার খরচের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে সুদ দিতে পারবে, এবং এই সুদ খরচের অংশ হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।" - সুতরাং, সঠিক উত্তর ক) ৬%।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা- মোকদ্দমার খরচ: ১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না। ২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে, মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে। ৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে। ----------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 35. Costs: (1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, and to the provisions of any law for the time being in force, the costs of and incident to all suits shall be in the discretion of the Court, and the Court shall have full power to determine by whom or out of what property and to what extent such costs are to be paid, and to give all necessary directions for the purposes aforesaid. The fact that the Court has no jurisdiction to try the suit shall be no bar to the exercise of such powers. (2) Where the Court directs that any costs shall not follow the event, the Court shall state its reasons in writing. (3) The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such.
৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা দায়ের সম্পর্কে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নোটিশ প্রদানের খরচ কে বহন করে?
ক
বাদী
খ
সরকার
গ
বিবাদী
ঘ
আদালত
সঠিক উত্তর: ক
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বাদী
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ৮ (১) অনুযায়ী, যদি একই স্বার্থে একাধিক ব্যক্তি মামলা করেন বা মামলা পরিচালনা করেন, তবে আদালত বাদীর খরচে নোটিশ প্রদান করবেন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে — হয় ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে, অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। তাই, নোটিশ প্রদানের ব্যয়ভার বহন করে বাদী।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে: (১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন। (২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে। ----------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest- 1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct 2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৪১.
নিম্নলিখিত কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার অধীনে নিরোধমূলক প্রতিকার প্রদানের পন্থা নয়?
ক
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
খ
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
গ
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ঘ
'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর: গ
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
গ
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা (injunction) আকারে মঞ্জুর করার কথা বলা হয়েছে এবং তা হতে পারে – ১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) ২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) - তবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) আদেশাত্মক প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ৫২ ধারার পরিসীমার বাইরে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়। -------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 52- Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০, বিধি ৬ অনুযায়ী, ডিক্রির সাথে কীসের সাদৃশ্য থাকবে?
ক
রায়
খ
সাক্ষ্যের বিবরণ
গ
মোকদ্দমার আবেদনপত্র
ঘ
পক্ষগণের আইনজীবীর বক্তব্য
সঠিক উত্তর: ক
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
রায়
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০, বিধি ৬ অনুসারে, ডিক্রির রচনায় আদালতের রায়ের (Judgment) সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। এতে রায় অনুযায়ী মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার ও অন্যান্য নির্ধারণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ: ১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে। ২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে। ৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে। ------------ ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 20 Rule 6: Contents of decree: 1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit. 2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid. 3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে ডিক্রির কার্যকর করার বিধান প্রযোজ্য হবে?
ক
ধারা ৩৫
খ
ধারা ৩৬
গ
ধারা ৩৭
ঘ
ধারা ৩৮
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৩৬
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৬ “Application to orders” এই ধারায় বলা হয়েছে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে বিধানগুলো আছে, তা যতটুকু প্রযোজ্য হয়, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে বলে গণ্য হবে। - অর্থাৎ, আদেশ (Order) কার্যকর করতে গিয়েও ডিক্রি (Decree) কার্যকর করার নিয়ম অনুসরণ করা যায়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৬ ধারার ধারার বিধান আদেশের ক্ষেত্রে প্রয়োগ: - এই বিধিতে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে সকল বিধান আছে, তা যতটুকু প্রযোজ্য, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও সেই বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে। ------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 36. Application to orders: - The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders.
৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা রোধ করার জন্য আদালত কোন ধারা অনুসারে সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental proceedings) গ্রহণ করতে পারে?
ক
ধারা ৯০
খ
ধারা ৯৪
গ
ধারা ৯৪ক
ঘ
ধারা ৯৫
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ধারা ৯৪
খ
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ অনুযায়ী, ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা রোধ করতে আদালত নিম্নলিখিত সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings) গ্রহণ করতে পারে: (a) বিবাদীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা ও তার উপস্থিতির জন্য জামিন নিতে আদেশ দেওয়া, (b) বিবাদীর সম্পত্তি আদালতের অধীন রাখার জন্য নিরাপত্তা আদেশ বা সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া, (c) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান, (d) রিসিভার নিয়োগ এবং তার দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা, (e) আদালতের কাছে যথাযথ ও ন্যায়সঙ্গত মনে হলে অন্তর্বর্তীকালীন (interlocutory) আদেশ প্রদান। এই ধারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের হাতে বিভিন্ন অন্তর্বর্তী ও রক্ষামূলক ক্ষমতা প্রদান করে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪: সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings): ন্যায়বিচার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আদালত, যদি প্রযোজ্য হয়, নিম্নলিখিত আদেশসমূহ দিতে পারে— (ক) বিবাদীকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত করাতে, যাতে সে ব্যাখ্যা দিতে পারে কেন তাকে জামিনে না রাখা হবে; এবং যদি সে জামিনের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সিভিল হাজতে প্রেরণ করা যেতে পারে। (খ) বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে যে, সে যেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি আদালতের নিকট উপস্থাপন করতে জামিন প্রদান করে; অথবা আদালত তার সম্পত্তি সংযুক্ত (attachment) করার আদেশ দিতে পারে। (গ) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) প্রদান করতে পারে এবং যদি তা অমান্য করা হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তিকে সিভিল হাজতে পাঠানো যেতে পারে এবং তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যেতে পারে। (ঘ) কোনো সম্পত্তির রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে এবং তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত না হলে, তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে। (ঙ) আদালত এমন অন্যান্য অন্তর্বর্তী আদেশ (Interlocutory Orders) প্রদান করতে পারে যা ন্যায়সংগত ও উপযুক্ত বলে মনে হয়। ------------ ⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 94. Supplemental proceedings: In order to prevent the ends of justice from being defeated the Court may, if it is so prescribed,- (a) issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not give security for his appearance, and if he fails to comply with any order for security commit him to the civil prison; (b) direct the defendant to furnish security to produce any property belonging to him and to place the same at the disposal of the Court or order the attachment of any property; (c) grant a temporary injunction and in case of disobedience commit the person guilty thereof to the civil prison and order that his property be attached and sold; (d) appoint a receiver of any property and enforce the performance of his duties by attaching and selling his property; (e) make such other interlocutory orders as may appear to the Court to be just and convenient.
৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়?
ক
ধারা-৮
খ
ধারা-৯
গ
ধারা-১০
ঘ
ধারা-১১
সঠিক উত্তর: গ
ধারা-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ধারা-১০
গ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।এই ধারা বলছে যে, যার নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি ভোগদখলের অধিকার রয়েছে, সে দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে তা ফেরত পাওয়ার মামলা করতে পারে। সুতরাং ধারা ১০ অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের নির্দিষ্ট বিধান।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: - সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে। ব্যাখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে। ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট। ------------ ⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-10. Recovery of specific moveable property: A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure. Explanation-1: A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled. Explanation-2: A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 অনুযায়ী আপিল কতবার পুনর্বিচার করা যাবে?
ক
১ বার
খ
২ বার
গ
৩ বার
ঘ
অসংখ্যবার
সঠিক উত্তর: ক
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১ বার
ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 এ সংশোধনের পর যুক্ত করা হয়েছে একটি নতুন proviso যা নির্দেশ করে যে, একই আপিল বিষয়ে পুনর্বিচার (re-hearing) শুধুমাত্র একবারই করা যাবে। অর্থাৎ, একই বিষয়ে দ্বিতীয়বার বা তার বেশি পুনর্বিচার করার সুযোগ নেই। এর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা ও অপচয় রোধ করা হয় এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৪১ বিধি-২১ আনুযায়ী আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করা হলে এবং রায় ঘোষণা করা হলে আপিলটি পুনঃশুনানির জন্য প্রতিবাদী (Respondent) যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করে যে নোটিশটি যথারীতি জারি হয়নি বা যথেষ্ট কারণে উপস্থিত হতে পারেনি তাহলে আদালত আপিলটি পুনরায় শ্রবণ করবেন। - তবে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা এই বিধির সংশোধন এনে বলা হয়েছে: "Provided that no Appeal shall be re-heard more than once under this rule." অর্থাৎ, একবারের বেশি আপিল পুনর্বিচার করা যাবে না। পূর্বে একাধিকবার পুনর্বিচারের সুযোগ থাকলেও এই সংশোধনীর মাধ্যমে তা সীমিত করা হয়েছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) ১ বার।
৪৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না?
ক
চুক্তিভঙ্গের মামলা
খ
ঋণ আদায়ের মামলা
গ
জবরদখলের মামলা
ঘ
বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা
সঠিক উত্তর: ঘ
বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন ১৯০৮-এর ধারা ২৯(৩)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act)-এর অধীনে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। - অর্থাৎ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলায় তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ২৯: সংরক্ষণ (Savings): (১) এই আইনের কোনো কিছুই ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ধারা ২৫-কে প্রভাবিত করবে না। (২) যদি কোনো বিশেষ আইন কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির একটি ভিন্ন মেয়াদ নির্ধারণ করে, যা প্রথম তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ থেকে আলাদা, তাহলে ধারা ৩-এর বিধান প্রযোজ্য হবে, যেন সেই মেয়াদ প্রথম তফসিলে উল্লিখিত হয়েছে। এবং কোনো বিশেষ আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ নির্ধারণের জন্য: (ক) ধারা ৪, ধারা ৯ থেকে ১৮ এবং ধারা ২২-এর বিধানগুলো কেবল সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যতটুকু সেই বিশেষ আইন দ্বারা স্পষ্টভাবে বাতিল করা হয়নি; এবং (খ) এই আইনের অন্যান্য বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না। (৩) এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়েরকৃত মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। (৪) ধারা ২৬ এবং ২৭, এবং ধারা ২-এ উল্লিখিত "সুবিধা" (easement)-এর সংজ্ঞা, ১৮৮২ সালের সুবিধা আইন (Easements Act, 1882) যে অঞ্চলে প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। ------------- ⇒ The Limitation Act, 1908, Section 29. Savings: (1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. (2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- (a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and (b) The remaining provisions of this Act shall not apply. (3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. (4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত নির্দিষ্ট শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে নিম্নলিখিত উপায়ে ডিক্রি কার্যকর করতে পারেন— - নির্দিষ্ট সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে, - সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে, - গ্রেপ্তার ও আটক, - রিসিভার নিয়োগ, - কিংবা প্রয়োজন অনুসারে অন্য কোনো উপায়ে। তাই সবগুলো উপায়ই ধারা ৫১-তে অনুমোদিত।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা: নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন- ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা; খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা; গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা; ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে: তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন: ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে- ১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা ২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল। ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সংগতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না। ------------- ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 51. Powers of Court to enforce execution: Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree- (a) by delivery of any property specifically decreed; (b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property; (c) by arrest and detention in prison; (d) by appointing a receiver; or (e) in such other manner as may be provided hereinafter in the Code or as the nature of the relief granted may require: Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied- (a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,- (i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or (ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or (b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or (c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account. Explanation.-In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.